অজানা ও রহস্যময় ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অজানা ও রহস্যময় ঘটনা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

আপনার কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্য ২০ টি টিপস।

আপনার কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্য ২০ টি টিপস।

আপনার কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্য ২০ টি টিপস
আপনার কন্যাসন্তানের নিরাপত্তার জন্য ২০ টি টিপস।
  1. ৩ বছরের বেশি বয়সের সন্তানের সামনে পোশাক পরিবর্তন করবেন না।
  2. প্রাপ্তবয়স্ক কোন ব্যক্তি যদি আপনার সন্তানকে মজা করে বলে- "তুমি আমার বউ হবে?" এটা কখনোই প্রশ্রয় দেবেন না। 
  3. আপনার কন্যা সন্তানকে কখনই কোন ব্যক্তির কোলে বসতে দেবেন না, সে যেই হোক না কেন।
  4. কখনো কারো বাড়িতে একা যেতে দেবেন না। 
  5. যখনই আপনার সন্তান নিজের বন্ধুদের সাথে বাইরে যায়, আপনি সর্বদা খেয়াল রাখবেন তারা কি ধরনের খেলা খেলছে।
  6. বাচ্চা যদি মোবাইল ফোন ইউজ করে তাহলে গোপনে মোবাইলের ব্রাউজিং হিস্ট্রি চেক করুন সে গুগলে মূলত কী সার্চ করছে? 
  7. নিজের সন্তানকে কমপক্ষে ২ টি ফোন নাম্বার যথা পিতা ও মাতার ফন নাম্বার মনে রাখতে বলবেন, এবং আপনি নিজেও মনে রাখবেন।
  8. পরিবারের সবাই একসাথে খাওয়ার অভ্যাস তৈরি করুন, বিশেষ করে রাতের খাবার, এবং সেই সময় মোবাইল এবং টিভি বন্ধ রাখুন।
  9. প্রেম,ভালোবাসা,মারপিট টাইপের সিনেমা দেখতে না দিয়ে সব সময় প্রেরণাদায়ক ছবি দেখার জন্য, সন্তানকে উৎসাহিত করুন।
  10. কোন রকম জাংকফুড, ভাঁজা পোড়া খাওয়ানোর অভ্যাস করবেন না। স্কুলে পাঠালে বাড়িতে বানানো খাবার টিফিন বক্সে দিয়ে পাঠান।
  11. কোন প্রকার নে&শার প্রতি যাতে আস%ক্ত না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখুন।
  12. আপনি নিজেও বাচ্চাদের সামনে ধূমপান করা থেকে বিরত থাকুন।
  13. সাচ্ছন্দ্য বোধ করছে না এমন কারো সাথে যেতে আপনার কন্যাসন্তানকে জোর করবেন না।
  14. একটি বিষয় লক্ষ্য রাখুন। আপনার সন্তান বিশেষ কোন প্রা/প্তবয়স্ক পুরুষের ভক্ত হয়ে উঠছে কিনা।
  15. আপনার মেয়েকে পুরুষ মানুষ আছে এমন কোন বাড়িতে খেলতে যেতে কখনই দেবেন না। 
  16. নিজের সন্তানের সাথে বন্ধুসুলভ আচরণ করবেন, তার মন পড়ার চেষ্টা করবেন, ফ্রি হবার চেষ্টা করবেন।
  17. নিজের বাড়িতে আত্মরক্ষার জন্য কোন বস্তু অবশ্যই রাখুন, এবং আপনার সন্তানকে কোন ফাঁকা জায়গায় বা ছাদে কিছু দিয়ে আঘাত করার বিষয়টি শেখান, যাতে বিপদের সময় প্রয়োগ করতে পারে।
  18. পারিবারিক কোন অনুষ্ঠানে গেলে আপনার সন্তানকেও আপনি নিজেই সাথে নিয়ে যান, এতে তার মানসিক বিকাশ ঘটবে। 
  19. আপনার কন্যাসন্তান বিয়ের উপযুক্ত হলেই  বিয়ে দেওয়ার জন্য নিজেকে মানসিক এবং আর্থিকভাবে প্রস্তুত করুন।
  20. এই নীতি গুলোর বাইরে যদি আপনাদের আরও কিছু পরামর্শ জানা থাকলে জানাতে পারেন কমেন্ট বক্সে। 
পোস্টটি বেশি করে শেয়ার করে দিন সবাইকে পড়ার সুযোগ করে দিন, যাতে করে অনেকেই উপকৃত হতে পারে! 

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

টেনরেক মাদাগাস্কারে পাওয়া একটি ছোট অদ্ভুত সুন্দর একটি প্রাণী। এরা মূলত কাঁটাযুক্ত টেনরিসিডাই Tenrecidae পরিবারের অন্তর্গত। এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল মাদাগাস্কারের উত্তর এবং পূর্ব অংশে গ্রীষ্মমন্ডলীয় নিম্নভূমি বৃষ্টি বনে। মাদাগাস্কারের ভারত মহাসাগর দ্বীপেই মূলত এরা বাস করে।   

টেনরেক ছোট ছোট গর্ত করে বাসা তৈরি করে এবং গর্তের মধ্যেই বসবাস করে। সাধারণত তাদের গর্তগুলো পানির উৎসের কাছেই রাখে এবং এবং গর্তগুলো পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে যাতে তাদের কেউ ক্ষতি করতে না পারে।   

এদের  শরীরের গড় আকার হল দৈর্ঘ্য ১৪০ মিমি (৫.৫ ইঞ্চি) তবে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বোচ্চ ১৭২ মিমি (৬.৮ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার রেকর্ড করা হয়েছে। এই প্রজাতির প্রাপ্তবয়স্কদের  শরীরের  ওজন ১২৫ থেকে ২৮০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রজাতির গায়ে হলুদ বা -বাদামী ডোরা বিশিষ্ট কালো কাঁটাযুক্ত পেলজ রয়েছে ।  এদের সমস্ত শরীর কাঁটাযুক্ত পেলজ দ্বারা আবৃত। কোন প্রাণী এদের আক্রমণ করলে তাদের শরীরে সমস্ত কাঁটা মেলে ধরে। এভাবেই তারা নিজেদেরকে আত্মরক্ষা করে।  

টেনরেক দিনে এবং রাতে উভয় সময়ে সক্রিয় থাকে। এরা সাধারণত মাটি খুঁচে কেঁচো খায় এছাড়ার বিভিন্ন ধরণের অমেরুদণ্ডী প্রাণীদেরও শিকার করে খায়। এমনকি তারা ফল খেতেও সক্ষম। 
স্থানীয় খাদ্য সরবরাহ এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এদের প্রজনন ঘটে। গর্ভধারণের সময়কাল ৫৮ দিন স্থায়ী হয় এবং একটিমহিলা টেনরেক সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বাচ্চা জন্ম দিতে সক্ষম হয়। 

ক্রমাগত বন উজাড়ের কারণে এই টেনরেকগুলি প্রাথমিকভাবে তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানের ক্ষতির কারণে হুমকির সম্মুখীন, যেমনটি মাদাগাস্কার অঞ্চলের অন্যান্য অনেক প্রাণীও এখন হুমকির মুখে। বর্তমানে এই প্রজাতিটি খাদ্যের জন্যও শিকার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৬ মার্চ, ২০২৩

লাল পাণ্ডা সম্পর্কে অজানা তথ্য।

লাল পাণ্ডা সম্পর্কে অজানা তথ্য।

লাল পাণ্ডা সম্পর্কে অজানা তথ্য।

লাল পান্ডা একটি প্রাণী যা পান্ডা পরিবারের স্তন্যপায়ী প্রাণীর অন্তর্গত। নামটি এসেছে লাতিন "আইলরাস ফুলজেন্স" থেকে, যার অর্থ "জ্বলন্ত বিড়াল", "বিড়াল-ভাল্লুক"। ১৩ তম শতাব্দিতে চীনে এই বিস্ময়কর প্রাণীটির সম্পর্কে জানা যায় তবে ইউরোপীয়রা কেবল ১৯ শতাব্দীতে এটি সম্পর্কে জানতে পেরেছিল।

লাল পান্ডাকে প্রায়শই একটি বিড়ালের সাথে তুলনা করা হয় তবে বিড়ালের সাথে খুব কম মিল রয়েছে। যদিও এই প্রজাতির পান্ডাকে ছোট হিসাবে বিবেচনা করা হয় তবে এটি সাধারণ ঘরোয়া বিড়ালের চেয়ে আকারে অনেক বেশি বড়। শরীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ৫০-৬০ সেন্টিমিটার এবং লেজ সাধারণত ৫০ সেন্টিমিটার অবধি হয়। পুরুষের ওজন ৩.৮-৬.২ কিলোগ্রাম এবং স্ত্রীদের ওজন প্রায় ৪.২-৬ কিলোগ্রাম পর্যন্ত হয়।

লাল পাণ্ডা সম্পর্কে অজানা তথ্য।

তাদের একটি বড় ফ্লাফি লেজ রয়েছে, যা এই প্রাণীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লাল পান্ডার মাথাটি প্রশস্ত কান ছোট এবং বৃত্তাকার। 

পাণ্ডা আকারে ছোট, তবে বেশ শক্তিশালী । লাল পান্ডার রঙটি অস্বাভাবিক এবং খুব সুন্দর। চুলগুলি লাল রঙের পাগুলি সম্পূর্ণরূপে কালো, তবে মাথা সম্পূর্ণরূপে তুষার সাদা। 

বিশ্বজুড়ে ৮৫ টি চিড়িয়াখানায় প্রায় ৩৫০ লাল পাণ্ডা রয়েছে, যেখানে তাদের প্রয়োজনীয় বাসস্থান এবং খাবার সরবরাহ করা হয়।

পান্ডাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে, যা তাদের একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে সহায়তা করে। লাল পান্ডার প্রজনন মৌসুম জানুয়ারিতে। সাধারণত ১২০ দিনের মধ্যে এরা বাচ্চা প্রসব করে। 

নরম বাঁশের অঙ্কুর, বেরি, মাশরুম এবং বিভিন্ন ফল লাল পান্ডার অন্যতম খাবার। ছোট ইঁদুর এবং পাখির ডিম ও খেয়ে থাকে। 

যেহেতু প্রাণীগুলি বেশিরভাগ স্বল্প-ক্যালোরিযুক্ত খাবার খায়, তাই তাদের দেহকে প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করার জন্য তাদের প্রতিদিন প্রায় 2 কেজি খাবার গ্রহণ করতে হবে।প্রকৃতিতে, লাল পান্ডাগুলি প্রায় 10 বছর বেঁচে থাকে। তবে বন্দি দশায় বা চিড়িয়াখানায় ১৫-২০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে। 


সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

চৌগাছার পা‌তি‌বিলা গ্রা‌মে ইউ‌পি সদস্য ঠান্ডু খুন।

চৌগাছার পা‌তি‌বিলা গ্রা‌মে ইউ‌পি সদস্য ঠান্ডু খুন।

চৌগাছার পা‌তি‌বিলা গ্রা‌মে ইউ‌পি সদস্য ঠান্ডু খুন।


যশোরের চৌগাছা উপজেলার পাতিবিলা ইউনিয়নে ঠান্ডু বিশ্বাস  নামে এক ইউপি সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার বয়স ৫০ বছর। সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮ টার দিকে পাতিবিলা বাজারে এই ঘটনা ঘটে।   

নিহত ঠান্ডু বিশ্বাস ওই পাতিবিলা গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি পাতিবিলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ছিলেন।   

যশোর জেলা পুলিশের মুখপাত্র গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি রুপন কুমার সরকার টপ বাংলা পেজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  
 
স্থানীয় মানুষের কাছ থেকে জানা যায়,  সোমবার রাত ৮টার দিকে পাতিবিলা বাজারে ইউপি সদস্য ঠান্ডু বিশ্বাসকে অজ্ঞাত কয়েকজন উপর্যুপরি কুপিয়ে দ্রুত সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এতে তার পেটের নাড়িভুড়ি বের হয়ে যায়। সাথে সাথে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি মারা যান। তাকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আবদুর রশিদ। তার মরদেহ  হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২০

কোন কোন নারীদের বিয়ে করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের বিয়ে করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের বিয়ে করা উচিত!!

হ্যালো বন্ধুরা প্রত্যেক পুরুষের নারী সংগ প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা সঙ্গী হিসেবে কেমন নারী দরকার। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী ৪ ধরণের নারীকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বাছাই করার কথা বলেছেন। আসুন আজকের এই আর্টিকেলের এর মাধ্যমে কেমন নারী গ্রহণ করা উচিত সেই সম্পর্কে জানবো। কাজেই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। 

একজন নারী ও পুরুষ বিয়ের মাধ্যমে মানুষ পূর্ণাঙ্গ ঈমানদারে পরিণত হয়। বিয়ের জন্য পাত্রী নির্বাচনের রয়েছে বেশ কিছু সুন্নাতি পদ্ধতি। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের মাধ্যমে বলেছেন সম্পদের মালিক, সুস্থ, স্বাধীন ও প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা অত্যান্ত জরুরী। বিয়ে করার ক্ষেত্রে পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় লক্ষ্য করতে হয় সে গুলো হোল স্নেহময়ী নারী, অধিক সন্তান দানকারী এমন নারী, কুমারী, দ্বীনদার ও সতী-সাধ্বী নারীকে বিয়ে করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাত্রী নির্বাচনের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন। যা এখানে তুলে ধরা হলোঃ

হজরত আবু হুরায়রা (রা:) আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‌নারীদেরকে চারটি জিনিসের জন্য বিয়ে করা হয়।
যথাঃ
 ১. সম্পদের জন্য,
২. বংশ-বুনিয়াদের জন্য,
৩. সৌন্দর্যের জন্য এবং
৪. দ্বীনদারীর জন্য।
 অতএব দ্বীনদার নারীদেরকেই অগ্রাধিকার দাও। তোমার হাত ধূসরিত ও মঙ্গলময় হোক। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং বিয়ে করার সময় আমাদের দেখতে হবে পাত্রীর অর্থ-সম্পদ কেমন আছে, যদি না থাকে তবে দেখতে হবে তাঁর বংশ পরিচয় কেমন, যদি তাও সন্তোষ জনক না হয়, তবে দেখতে হবে ঐ পাত্রী সৌন্দর্য তথা সুন্দর ও আচার-আচরণে সভ্য ও নম্র ভদ্র আছে কিনা? যদি তাও পাওয়া না যায় তবে দেখতে হবে তার মাঝে দ্বীনদারি আছে কিনা অর্থাৎ সে নারীর মাঝে আল্লাহ ভয় এবং মহব্বত আছে কিনা। তবে  যদি কোনো নারীর মাঝে শুধুমাত্র দ্বীনদারী পাওয়া যায়, তবে সেই নারী বিয়ের জন্য সবচেয়ে উত্তম। আর এ চারটির কোনো একটি পাওয়া গেলে সে নারীকে বিয়ে করা সুন্নত।

আল্লাহ তাআলা হাদিসে বর্ণনা মতে মুসলিম জাতির সকল পুরুষকে বিয়ে করার তাওফিক দান করুন। আমিন।


সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদঃ 

আমাদের পৃথিবীতে প্রায় ২,৯৮,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এতোগুলো প্রজাতির মধ্যে কিছু গাছ সুন্দর ও সুগন্ধী ফুল উৎপন্ন করে, কিছু গাছ মাজাদার পুষ্টি-সমৃদ্ধ ফল উৎপন্ন করে, কিছু গাছে আছে ঔষধি গুনাবলী এবং আবার এদের মধ্যে কিছু কিছু উদ্ভিদের রয়েছে পুরোপুরি অদ্ভুত চেহারা ও বৈশিষ্ট্য। চলুন বিশ্বের এরকম সবচেয়ে ১০ অদ্ভুত উদ্ভিদ সম্পর্কে জানা যাক। পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।


১. বাওবাব প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘বাওবাব’ আজব এক গাছ । এগুলোর গোড়া হয় প্রকান্ড ড্রামের মত গোল আর মোটাও। উচ্চতা খুব বেশি নয়। ‘লাউ’ এর মতো দেখতে বাওবাব গাছের ফল খুব মজাদার যা বানরদের খুব প্রিয় খাবার। এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আফ্রিকায় । তবে এই গাছের এক প্রজাতি অস্ট্রেলিয়াতেও পাওয়া যায়।বাওবাব গাছের কান্ড দেখতে অনেকটা বোতলের মত হওয়াতে একে ‘বোতল গাছ’ নামেও ডাকা হয়।


 2. লজ্জাবতী উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

লাজুক প্রকৃতির উদ্ভিদটি খুব পরিচিত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে। এটি আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখতে পাওয়া যায় ।উদ্ভিদটির স্নায়ুতন্ত্র খুবেই সংবেদশীল প্রকৃতির হওয়ার কারণে পাতাগুলি স্পর্শ করার সাথে সাথে নিজেকে গুটিয়ে ফেলে। তাছাড়া গাছের ফুলগুলিও খুব সুন্দর।


3. রাফালেসিয়া আনারোলি (Rafflesia Arnoldii)

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘রাফালেসিয়া’ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল। এক একটি ফুলের আকার প্রায় তিন ফুট পর্যন্ত বড় হয়। এটি প্রধানত ‘সুমাত্রা’র বনে পাওয়া যায়। তবে ফুলটির গন্ধ খুবই অপ্রীতিকর ও বাজে।

4. বেসবল প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘ইউফির্বিয়া ওবেসা’ বৈজ্ঞানিক নামের গাছটির দেখতে ও আকৃতিতে ঠিক যেন ‘বেসবল’ এর মতো। এটি সাধারণত দক্ষিণ আফ্রিকার কারু মরুভূমিতে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বেসবল গাছটি রয়েছে বেশ কিছু বিষাক্ত উপাদান যা শরীরের চামড়ায় তীব্র জ্বালার সৃষ্টি করে।

5. ক্যাকটাস

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

পাতা নেই, শুধু গা-ভর্তি কাঁটা। এমন উদ্ভিদের নাম ক্যাকটাস। উদ্ভিদটির কথা বললে হয়তো অনেকেই মনে করবেন, দুনিয়ার এত গাছ থাকতে কাঁটায় ভরা এই অপ্রয়োজনীয় গাছের কথা কেন? কিন্তু ক্যাকটাস আসলে অপ্রয়োজনীয় কোনো গাছ নয়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ক্যাকটাসের রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা।

6. হোয়াইট বেনবেরি প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

হোয়াইট বেনবেরি (White Baneberry) নামের উদ্ভিদটির সুন্দর ফল দেখে যদি খেতে চান তাহলে তা মোটেও করবেন না। কারণ এতে রয়েছে মানব দেহের পক্ষে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান ।ফলগুলো দেখতে পুতুলের চোখের মতো হওয়াতে এর বিকল্প নাম ‘পুতুলের চোখ। উদ্ভিদটি পূর্ব উত্তর আমেরিকা, পূর্ব কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যর বনভূমিতে পাওয়া যায়

7. সানডিউ প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

সানভিট প্লান্টের (sundew plant) লম্বা পাতা প্রচুর ঘন গ্রন্থিযুক্ত রোমে আবৃত। কোনো মাছি যদি এর আঠালো রোমে কোনোভাবে আটকে যায় তাহলে উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে এনজাইম নিঃসরণের মাধ্যমে মাছিটিকে হজম করে ফেলে।


8. জায়ান্ট সিকোয়াইয়া 

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

আকারের দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ আকৃতির উদ্ভিদ। এর বৃহৎকায় আকারের জন্য একে দৈত্য গাছও বলা হয়। এই উদ্ভিদগুলোর আয়ুষ্কাল প্রায় ৩০০০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

9. ভিনাস ফ্লাইট্রেপ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

এটিও কলস উদ্ভিদের মতো মাংসাশী এবং খাদ্য হিসেবে ক্ষুদ্র পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ খেয়ে থাকে। এটি খুব দ্রুত নিজের শিকারকে ফাঁদে আটকে দেয়। এর ডাইজেস্টিভ এনজাইম দশদিনের মধ্যে পোকা-মাকড় হজম করতে সাহায্য করে।


10. কলস উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

কলসের মতো দেখতে অদ্ভুত উদ্ভিদটি  আসলে মাংসাশী উদ্ভিদ। মানুষ খেঁকো না হলেও এটি ছোট ছোট পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ শিকার করে জীবন ধারন করে। বিশেষ তরল দিয়ে ভরা গভীর গহ্বর শিকার ধরতে সাহায্য করে। 

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

 ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান:

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা যেমন গড়ে উঠেছে, তেমনি অনেক সভ্যতা হারিয়ে গেছে কালের অতল গহ্বরে। বিভিন্ন সময়ে গড়ে ওঠা এসব সভ্যতার মানুষেরা তাদের সীমিত জনশক্তি দিয়ে গড়ে তুলেছিল অসাধারণ কিছু স্থাপনা। যার অকল্পনীয় সৌন্দর্য্য ও অসাধারণ নির্মাণকৌশল আজও মানুষের কাছে বিস্ময়ের বস্তু। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে সেরা স্থানটি বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন। তারপরও আমরা অনলাইন থেকে বিভিন্ন তথ্য ও মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত স্থানগুলোকে আপনাদের সামনে পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান তুলে ধরছি। এগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব যেমন আছে, তেমনি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই স্থানগুলো বিশেষভাবে সমাদৃত।  


১. হারানো শহর মাচুপিচুঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধতম ইনকা সভ্যতার একটি বিস্ময়কর নগরীর নাম মাচুপিচু। মাচুপিচু শব্দের অর্থ হল পুরানো পর্বতের চূড়া, যা মূলত আমেরিকান প্রাচীন জাতি কেচুয়াদের ব্যবহৃত শব্দ। দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে অবস্থিত এই বিধ্বস্ত শহরটি একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। বেশির ভাগ সময়ই মাচুপিচু নগরী মেঘের আড়ালে ঢাকা থাকে। তাই একে বলা হয় মেঘের দেশের নগরী।১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো মাচুপিচু নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এলাকার অন্তর্ভুক্ত করে এবং ২০০৭ সালে এটি বিশ্বের সাত আশ্চর্যের একটি হয়ে ওঠে।

২. মায়া নগর তিকালঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

মায়া ভাষায় ‘তিকাল’ শব্দের অর্থ কণ্ঠস্বরের স্থান। মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালার গহীন বৃষ্টিবনে গড়ে ওঠা মায়া নগর তিকাল প্রায় ৬ বর্গ মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এটি সুবিশাল মায়া সভ্যতার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন জনপদ। খ্রিস্টীয় ষষ্ট-সপ্তম শতকে তিকাল প্রায় ৩০০ উপাসনালয়, প্রাসাদ, প্রধান চত্বর, বাসগৃহ ও খেলার মাঠ নিয়ে গড়ে উঠেছিল। সে সময় এটি ছিল মায়া সভ্যতার অন্যতম রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র।১৯৭৯ সালে ইউনেস্কো গুয়েতেমালার এই অপূর্ব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে হিউম্যান হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

৩. গিজার পিরামিডঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি হল গিজার পিরামিড। রহস্যময় এই পিরামিডগুলো কায়রো শহরের দক্ষিণ পশ্চিমে মরুভূমির মধ্যে নীলনদ বরাবর অবস্থিত। মিশরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই স্থানটি গিজার কবরস্থান নামেও পরিচিত। পিরামিডগুলো আসলে সে সময়ের রাজাদের সমাধিস্থল। ফারাও রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখা হত এই পিরামিডের মধ্যে।সবচেয়ে বড় পিরামিডটি ফারাও রাজা খুফু নির্মাণ করেছিলেন। এটি খুফুর পিরামিড নামেও পরিচিত। ৩০০০ বছরেরও বেশি বয়সের এই পিরামিডগুলো কিভাবে তৈরি হয়েছে এ সম্পর্কে এখনো কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। প্রতিদিন শত শত পর্যটক রাজাদের জন্য তৈরি করা অসাধারণ নির্মাণকৌশলের এই পিরামিডগুলো পরিদর্শনে আসে।


৪.অ্যাংকর ভাটঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

উত্তর পশ্চিম কম্বোডিয়ার অ্যাংকর শহরে অবস্থিত সুবিশাল এই স্থাপনাটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মন্দির। অ্যাংকর ভাট অর্থ  শহরের মন্দির। ১২শ শতাব্দীতে এই ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন রাজা ২য় সূর্যবর্মণ। তিনি এটি তার রাজধানী ও প্রধান উপাসনালয় হিসেবে তৈরি করেন। প্রথমদিকে এটি একটি বিষ্ণু মন্দির ছিল। কিন্তু  পরে এটি বৌদ্ধ মন্দিরে পরিণত হয়। অ্যাংকর ভাটের নির্মাণশৈলী খমের সাম্রাজ্যের স্থাপত্য শিল্পকলার অনুপম নিদর্শন। চারদিকে পরিখা বিশিষ্ট শৈল্পিক নৈপূণ্যের নির্দেশক অ্যাংকর ভাটকে আজ ও পৃথিবীর অন্যতম ধর্মস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৫.পেত্রা নগরীঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর অসংখ্য পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই পাথুরে নগরী পেত্রা। এটি বর্তমান জর্ডানের দক্ষিণ পশ্চিমের গ্রাম ওয়াদি মুসার ঠিক পূর্বে হুর পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। প্রায় দুই হাজার বছরের পুরানো এই নগরী সম্পূর্ণ পাথরের তৈরি। ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এটি ছিল নাবাতাইন রাজ্যের রাজধানী।প্রাচীন আরব নগরী পেত্রার আনাচে কানাচে রয়েছে অনেক গুহা। এই গুহাগুলোই এক কালে মানুষের যাতায়াতের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হত। পেত্রা নগরীর প্রাচীন দালানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল খাজনেত ফিরাউন মন্দিরটি, যা ফারাওদের ধনভান্ডার নামেও পরিচিত। ১৮১২ সালে জোহান লুডিগ বারখাট নামের একজন সুইস পরিব্রাজক ইতিহাসে বিলীন হয়ে যাওয়া এই নগরী পুনরায় আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পেত্রা নগরীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। 

৬.স্টোনহেঞ্জঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

নব্যপ্রস্তর যুগে নির্মিত স্টোনহেঞ্জ ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারে অবস্থিত একটি প্রাগৈতিহাসিক স্তম্ভ। এটি মূলত বিশাল সমতল ভূমিতে খাড়া পাথরের তৈরি একটি বিস্ময়কর স্থাপনা। অনেকে মনে করেন প্রায় চার হাজার বছর আগে তৈরি এই স্থাপনাটি একটি সমাধিস্থল। আবার অনেকের মতে, জায়গাটি কেবল মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত।

স্টোনহেঞ্জের সারসন নামে পরিচিত সবচেয়ে বড় পাথরগুলোর ওজন প্রায় ২৫টন এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। ৪ টন ওজনের ছোট পাথরগুলোকে ভাঙলে বা ভেজালে নীলচে আভা দেখা যায়। তাই ছোট পাথরগুলোকে বলা হয় নীল পাথর বা Blue stone। চমৎকার এই প্রাগৈতিহাসিক স্তম্ভটি শুধু ইংল্যান্ডের গৌরব নয়, পুরো পৃথিবীর কাছে এক বিস্ময়। দর্শনার্থীদের কাছে স্টোনহেঞ্জ এক অপার সৌন্দর্যের নাম হলেও, বিশেষজ্ঞদের কাছে এটি এখনো একটি অমীমাংসিত রহস্য।


৭.কলোসিয়ামঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

ইতালির রোম শহরে অবস্থিত কলোসিয়াম একটি বৃহৎ উপবৃত্তাকার ছাদবিহীন মঞ্চ। রোমান সাম্রাজ্যে নির্মিত অসাধারণ এই গ্যালারিটি গ্লাডিয়েটরসদের মধ্যে লড়াইয়ের প্রতিযোগিতার প্রদর্শনী বা অন্য কোনো প্রদর্শনীর কাজে ব্যবহার করা হত। ৫০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মঞ্চটিকে রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বড় স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রাচীন স্থাপত্যশিল্পের এই অনন্য নিদর্শনটি নির্মাণের সময় পাথর এবং কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রায় ৬ একর জমির উপর নির্মিত কলোসিয়ামের দৈর্ঘ্য ১৮৯ মিটার এবং প্রস্থ ১৫৬ মিটার। এতে ছিল ৮০টি প্রবেশদ্বার। রোমান সাম্রাজ্যের সকল নাগরিক বিনামূল্যে কলোসিয়ামে প্রবেশ করতে পারত। ১৯৯০ সালে ইউনেস্কো কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলের স্বীকৃতি দেয়। ২০০৭ সালে এটি পৃথিবীতে মানুষের তৈরি আধুনিক সপ্তাশ্চর্যের একটি বলে নির্বাচিত হয়।

৮.পার্থেননঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

গ্রীসের এথেন্স শহরের মাঝখানে অ্যাক্রোপোলিস পাহাড়ের উপর অবস্থিত পার্থেনন আসলে একটি প্রাচীন মন্দির। দেবী এথিনাকে উৎসর্গ করে এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল ডরিক রীতিতে। এই বিশাল মন্দিরের পুরোটাই মার্বেলের তৈরি।
অত্যন্ত দৃঢ় ভিত্তির উপর নির্মিত হওয়ায় ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মন্দিরটি অটুট অবস্থায় দন্ডায়মান ছিল। কিন্তু এর ভেতরের বারুদাগারে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটার ফলে মন্দিরটি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও এথেন্সের চারদিকের বিপুল ধ্বংসলীলার মধ্যে অতীত গৌরবের সাক্ষীরূপে মন্দিরটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে।


৯.ইস্টার দ্বীপঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

চিলির উপকূল থেকে ৩৬০০ কিলোমিটার দূরের এই দ্বীপটি পৃথিবীর অন্যতম নিঃসঙ্গ দ্বীপ। প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত জনমানবহীন দ্বীপটির মালিকানা চিলির। ছোট রহস্যময় এই দ্বীপটি ১৭২২ সালে ইস্টার সানডের দিনে আবিষ্কার করা হয় বলে এর নাম দেয়া হয়েছে ইস্টার দ্বীপ। ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১০.তাজমহলঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সাতটি বিস্ময়ের মধ্যে অন্যতম তাজমহল একটি রাজকীয় সমাধি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজের স্মৃতির উদ্দ্যেশ্যে সৌধটি নির্মাণ করেন। ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল মুঘল সাম্রাজ্যের স্থাপত্যশৈলীর একটি অনুপম নিদর্শন।সামগ্রিকভাবে তাজমহল একটি জটিল অখন্ড স্থাপত্য। যার নির্মাণশৈলীতে আছে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের অপূর্ব মেলবন্ধন। ধারণা করা হয়, তাজমহল নির্মাণের জন্য ভারত, পাকিস্তান, পারস্য ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৮ রকমের মূল্যবান পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো তাজমহলকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের অন্তর্ভুক্ত করে। 

১১.আলহাম্বরাঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

আলহাম্বরার পুরো নাম কালাত আলহাম্বরা বা লাল কেল্লা। স্পেনের আন্দালুসিয়ার গ্রানাডাতে অবস্থিত আলহাম্বরা একটি মুসলিম স্থাপত্য। তেরশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে গ্রানাডা আমিরাতের মরিশ শাসকরা এটি নির্মাণ করে।নাসরি রাজবংশের শাসনকালে তৈরি করা এই প্রাসাদটি বাসস্থান ও রাজসভা হিসেবে ব্যবহার করা হত। প্রাচীন এই দূর্গটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ মিটার। ১৯৮৪ সালে ইউনেস্কো আলহাম্বরা কে হিউম্যান হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


১২.চীনের মহাপ্রাচীরঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে অবস্থিত দ্য গ্রেট ওয়াল অব চায়না মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা। চীনের দীর্ঘতম এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬৯৫ কিমি এবং উচ্চতা ৪.৫৭ থেকে ৯.২ মিটার বা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। চওড়ায় প্রাচীরটি প্রায় ৯.৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট।চীনা ভাষায় এই মহাপ্রাচীরকে বলা হয় ছাংছং। যার আভিধানিক অর্থ দীর্ঘ দেয়াল। খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতাব্দীতে এর নির্মাণ কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজা এই প্রাচীরের বিভিন্ন অংশ তৈরি করেন।

 ১৩.চিচেন ইতজাঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাক কলোম্বিয়ান সময়ে গড়ে ওঠা মায়া সভ্যতার বিখ্যাত পিরামিড চিচেন ইতজা বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি। পৃথিবীর অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও রহস্যময় এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি পর্যটকদের জন্য একটি অতি আকর্ষণীয় স্থান। বর্তমান মেক্সিকোর উত্তরে ইয়ুকাতান উপদ্বীপে অবস্থিত চিচেন ইতজা মেক্সিকোর একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। 

সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।World longest Snake.

এবার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপটি ধরা পড়ল। তবে এই সাপটি ধরতে গিয়ে বিসর্জন দিতে হয়েছে একজনের প্রাণ। এই ঘটনাটি ঘটে ইন্দোনেশিয়ায়।  ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ এক পাম বাগানে কিছু শ্রমীক কাজ করছিল। হঠাত করে এক বিশাল দেহী এনাকোন্ডা সাপ তাদেরকে আক্রমন করে। তারা ভয়ে দৌড়াতে থাকে। একপর্যায়ে এই সাপটি একজনকে ধরে ফেলে এবং গিলতে শুরু করে। তখন অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচাতে পারিনি। একপর্যায়ে তারা চিৎকার শুরু করে। 

তখন পাশের গ্রামের সকল মানুষ ছুটে আসে। এবং সাপটিকে ধরার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই সংবাদ আশে পাশে দশ গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে প্রত্যেক এলাকার মানুষ এসে জড়ো হয়। সকলে মিলে সাপটাকে আঘাত করে। তার পেটের ভিতরে মানুষটি থাকায় সাপটি একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। জানা যায় এই সাপটি লম্বায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ওজনে প্রায় এক টন। যা কিনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরাট ও বিশাল দেহী সাপ। পরবর্তীতে এই সাপটিকে ক্রেনে বা বিশাল বড় এক গাড়িতে ওঠানো হয়।

সাপটিকে ঐ গাড়িতে ওঠাতে অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। জানা যায় ঐ সাপটাকে কেন্দ্র করে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগণ ঘটেছিল ঐ পাম বাগানে। এই বিশালদেহী  এনাকোন্ডা সাপটাকে একেবারেই মেরে ফেলা হয়নি। বর্তমানে সাপটি অর্ধমৃত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সাপটিকে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় চিড়িয়াখানায় সংরক্ষন করা হয়েছে। সাপটাকে মারতে হবে নাকি? বাঁচিয়ে রাখতে হবে? জানিয়ে দিন আপনার মতামত কমেন্টসের মাধ্যমে। তবে আমি মনে করি এসকল সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখা উচিত। 

সোমবার, ১৪ মে, ২০১৮

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী।

পৃথিবীতে একটি মাত্র নারী যিনি সবচেয়ে বেশিবার বিয়ে করেছে। আসুন জানি তার বৈবাহিক অবস্থা ও জীবন সম্পর্কে।

নাম ও পরিচয়ঃ
এই মহিলার নাম হল লিন্ডা উল্ফ।তার বর্তমান বয়স ৬৮ বছর। তিনি  ১৬ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন। সে জীবনে মোট ২৩ বার বিয়ে করেছেন।যা সর্বাধিক বিবাহিত মহিলার জন্য বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করেছেন।

মিসেস লিন্ডা উইলফ জীবনে এত বেশি বিয়ে করার কারণে এখন তার স্বামীদের তালিকাভুক্ত করতে পারে না কিন্তু মনে করে যে, সবচেয়ে ভাল ছিল জর্জ স্কট তার প্রথম স্বামী। তিনি কেবলমাত্র প্রথম স্বামীর সাথে ৭ বছর সংসার করেছিলেন। এটি তার জীবনে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘস্থায় হয়েছিল।

তিনি বলেন যে বিয়ের মাধ্যমে আমি আমার জীবনকে উপভোগ করতে পছন্দ করতাম।তার জীবনে সেরা প্রেমিক ছিলেন জ্যাক গার্লি। তার সাথেই বেশি উপভোগ করতে পছন্দ করতেন তাই তার সাথে চিত্তাকর্ষক করতে পছন্দ করতেন। সে তাকেই তিনবার ডিভোর্স করে আবার তিন বার বিয়ে করেছিল।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী
Linda Wolfe -http://www.topbanglapages.com

তিনি তার বিভিন্ন স্বামী দ্বারা 7টি সন্তান আছে এবং আরো অনেক সৎ সন্তান পেয়েছিলেন অন্যান্য স্বামীদের দ্বারা।এটা সমষ্টি করা সহজ তিনি তার জীবন সম্পর্কে বলেন যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমি কেবল একটি স্নেহ-নিস্কৃত বাচ্চা ছিলাম। কিন্তু প্রতিবেশী ছেলেরা আমার সাথে ভালোবাসার মধ্যে ছিল। তারা সবাই আমাকে বিয়ে করতে চাইত। 

আমি মনে করি যে, এইসব শহরে যেখানে বিশ্বের রেকর্ডধারী ব্যক্তিরা বসবাস করে, তাদের শহরের সীমার বাইরে লক্ষণ আছে। আমি মনে করি না যে অ্যান্ডারসনের মত একটি চিহ্ন থাকবে।

তিনি এখন ১২ বছর ধরে একা হয়েছেন। শৈশব থেকে অবিবাহিত তার দীর্ঘতম কর্মকাণ্ড। কিন্তু আমি আবার বিয়ে করবো। তিনি বলেন,আপনি জানেন, এটি খুবই কষ্টকর একা থাকা।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী
Linda Wolfe -http://www.topbanglapages.com

তিনি সূর্যকে বলেন:আমি বছর শেষ হয়ে গেলেও আমি এটি মিস করি। তাঁর উপদেশ: এক বার বিয়ে কর, এবং বার বার বিয়ে কর। আমি বিশ্বাস করি যে মানুষের জীবন পুষ্পশয্যা নয় কাজেই বিয়ের মাধ্যমে জীবনকে উপভোগ কর।

লিন্ডা উল্ফের দুই স্বামী সমকামী হতে চলেছেন দুইজনই গৃহহীন ছিলেন। গার্লস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বিয়ে (জীবিত) ব্যক্তি হওয়ার জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। 

তিনি আরও বলেন যে " ২৪ তম বিয়ের সন্ধানে আছি।

সোমবার, ৭ মে, ২০১৮

 ১৪ ফুট লম্বা গোঁফ ও সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফ।

১৪ ফুট লম্বা গোঁফ ও সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফ।

১৪ ফুট গোঁফ রেখে গিনেজ বুক অব রেকর্ড

বিশ্বের সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফের অধিকারী হলেন রাম সিং চৌহান। রাম সিং এর বাস ভারতে। ২০১০ সালের ৪ মার্চ, ইতালির রোমে, ‘লো শো দেই রেকর্ড‘ নামের একটি ইতালিয়ান টিভি শো সেটের সামেনে তার এই গোঁফ মাপা হয়। অবিশ্বাস্য লম্বা তার গোঁফ। শুনে অবাক হবেন যে, তার গোঁফ লম্বায় ৪.২৯ মিটার বা ১৪ ফুট।

 রাম সিং চৌহানের জন্ম ভারতের রাজিস্থানে। রাম সিং চৌহানের যখন বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছর তখন তার গোঁফ ও দাঁড়ি গজাতে শুরু করে। তখন থেকেই তিনি চিন্তা করেন যে,আমি গোঁফ রেখে বিশ্ব রেকর্ড গড়বো যেই কথা সেই কাজ। তখন থেকেই তিনি গোঁফ কাটা বা ছাটা বন্ধ করে দেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার এই অসাধ্যকে সাধন করার জন্য অনেক চড়াই উৎরাই পার করতে হয়েছে। 

১৪ ফুট লম্বা গোঁফ ও সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফ
Ram Singh Chauhan -http://www.topbanglapages.com

যখন তার বিয়ের বয়স হয় তখন তার গোঁফ রাখার কারণে অনেকেই বিয়ে করতে রাজি হয়নি। তবে তিনি ধনী পরিবারে জন্মগ্রহন করাই তার বিয়েটা অবশেষে হয়েছিল। অস্বাভাবিক অথচ চমকপ্রদ এই গোঁফের মালিক চৌহানের স্ত্রীর নাম আশা। বিয়ের সময় গোঁফ এতো লম্বা না থাকলেও চৌহান তাকে বলে দিয়েছিলেন, তিনি গোঁফ ছাটবেন না। কোনো রকমের আপত্তি না জানিয়ে বরং ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ এই গোঁফগুলোর দিকে মনোযোগীই হতে বলেছিলেন তিনি। চৌহানের দুই কন্যা ও এক পুত্র সন্তানও কখনো বাবার এই অস্বাভাবিক গোঁফ নিয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেননি, বরং প্রতিবেশীদের কাছে সুনাম করে বেড়িয়েছেন।

তিনি ১৫ বছর বয়স থেকেই তার গোঁফটাকে লালন পালন করতে থাকে।এ বিষয়ে চৌহান বলেন, এমনি এমনি বড় করা যায়নি এগুলোকে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ব্যাপার জড়িত ছিল। সে হিসেবে গোঁফ বাড়তে দেওয়া মানে একটি শিশুকে লালন পালন করার সমান। তিনি প্রতিদিন গোঁফের পেছনে অনেক সময় নষ্ট করতেন। তিনি প্রতিদিন গোঁফটাকে আঁচড়াতেন এবং নিয়মিত তেল ব্যবহার করতেন। ক্রমশ গোঁফটা লম্বা হতে থাকে। প্রথম প্রথম তার স্ত্রী গোঁফ ফেলে দেওয়ার কথা বলতেন। তবে তিনি কখনই রাজি হতেন না । তার একমাত্র ইচ্ছা ছিল যে, আমি পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় গোঁফ রেখে বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করব।

১৪ ফুট লম্বা গোঁফ ও সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফ
Ram Singh Chauhan -http://www.topbanglapages.com

তাই সে তার গোঁফকে যত্নের সাথে লালন পালন করতে লাগলো। এক পর্যায়ে তার গোঁফ যখন তার শারীরিক উচ্চতাকে ছাড়িয়ে গেল তখন তার নাম সারা জায়গায় ছড়িয়ে পড়লো। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে নিউজ হতে লাগলো। তাকে দেখার জন্য হাজার হাজার মানুষ তার বাড়িতে ভিড় জমাল। এভাবেই সে জনপ্রিয় হতে লাগলো। এক পর্যায়ে তার স্ত্রী তার গোঁফ রাখাটাকে সমর্থন করতে শুরু করল।তারপর থেকে তিনার স্ত্রীও গোঁফটাকে চর্চা করার জন্য সাহায্য সহযোগিতা করতে লাগলো। এভাবেই তার গোঁফের পরিসর বৃদ্ধি পেতে পেতে এক পর্যায়ে ১৪ ফুট লম্বা হয়ে গেল।তারপর তিনি গিনেজ বুকে নাম উঠাল এবং শেষমেশ তিনি বিশ্বরেকর্ড অর্জন করতে সক্ষম হল।  বর্তমানে চৌহানের গোঁফগুলো এতো বড় যে, কোনো একতলা বাসার ছাদ থেকে তার গোঁফগুলো নিচের দিকে ছেড়ে দেওয়া হলে যে কেউ সহজে সেগুলো দুই হাতে ধরে থাকতে পারেন।

১৪ ফুট লম্বা গোঁফ ও সর্বকালের সবচেয়ে লম্বা গোঁফ

তার বর্তমান বয়স ৫৮ বছর । তিনি বলেন আমি দীর্ঘ ৪৩ বছর গোঁফ ছাঁটি নাই। ৪৩ বছর সাধনার ফলেই আমি এই অসাধ্যকে সাধন করতে পেরেছি । তিনি সগৌরবের সাথে আরও বলেন যে, পৃথিবীতে আর কারো পক্ষে সম্ভব নয় এত বড় গোঁফ রেখে বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করা।

রাম সিং  চৌহানের রেকর্ড হয়তবা কারও পক্ষে করা সম্ভব নয় । তবে পৃথিবীতে হয়তবা এমনও রেকর্ড হবে যেগুলো আমাদের ধারণার বাহিরে। কেননা বিশ্বায়নের যুগে মানুষের চিন্তা ধারার এত পরিবর্তন হচ্ছে যা লিখে বর্ণনা করা যাই না। 

আমার ওয়েবসাইটের সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে জানিয়ে দিন কমেন্টসের মাধ্যমে।
আপনার প্রত্যেকটা মতামত গুরুত্বের সাথে দেখা হবে।


সোমবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৮

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি নাবি তাজিমার মৃত্যু।

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি নাবি তাজিমার মৃত্যু।

পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক নারীর করুণ পরিণতিঃ

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি নাবি তাজিমার মৃত্যু।

নাবি তাজিমা ( 4 আগস্ট, 1900 - ২1 এপ্রিল ২018)তিনি একজন জাপানী সুপারসেনটেনেনীয় ছিলেন । যিনি 16 সেপ্টেম্বর ২017 তারিখে তার নিজের মৃত্যুর সময় পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি ছিলেন। তিনি ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক নারী হিসেবে গিনেজ বুকে রেকর্ড গড়েছেন। তিনি হলেন এশিয়ার একমাত্র বয়স্ক নারী  এবং আধুনিক মানবের দ্বারা বিশ্বের সর্বপ্রথম সবচেয়ে বয়স্ক নারী হিসেবে বৈধতা লাভ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনঃ 

তাজিমা জাপানের আরাকিতে জন্মগ্রহণ করেন, যেটি তখন কিকাইজিমা দ্বীপের পশ্চিমাংশে ওয়ায়ান গ্রামে অবস্থিত ছিল। ফেব্রুয়ারি 2002 থেকে তার মৃত্যু পর্যন্ত, তিনি কাগায় ও কিকাইতে নামক একটি নার্সিং হোমে ছিল।তার স্বামী, তমিনিশী তাজিমা কিছু সূত্র অনুযায়ী  সম্ভবত 1992 বা 1993 সালে  মৃত্যুবরণ করেন।  তার নয়টি সন্তান (সাত পুত্র ও দুই কন্যা) ছিলেন।  ২017 সালের সেপ্টেম্বরে তিনি বিশাল-নাতি-নাতনিদের সহ 160 বংশধরদের নিয়ে রিপোর্ট করেছিলেন।

দীর্ঘায়ুঃ

জাপানের সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত ব্যক্তি হিসেবে নাবি তাজিমা খ্যাতি লাভ করে। এর আগ পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি জ্যামাইকার ভায়োলেট ব্রাউন। (ইউটিসি -5) -এ 15 সেপ্টেম্বর ২017 তারিখে ভায়োলেট ব্রাউন মারা যান। 16 শে সেপ্টেম্বর ২017 সালে কেবলমাত্র নাবী তাজিমা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো জীবন্ত ব্যক্তিত্ব হয়ে উঠেছিল- এবং 19 শতকে জন্মগ্রহণকারী শেষ জীবিত ব্যক্তি। অন্যরা নাবী তাজিমার চেয়ে বড় হবে বলে দাবি করেছেন। কিন্তু, এই দাবিগুলির মধ্যে কেউই যথেষ্টভাবে যাচাই করা হয়নি।

মৃত্যুঃ 

নাবি তাজিমা 21এপ্রিল 2018 সালে জাপানের কিকাইতে হাসপাতালে মারা যাই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল 117 বছর 260 দিন।

মূল্যায়নঃ

পৃথিবীতে গড় আয়ুতে এগিয়ে আছে এখনও পর্যন্ত জাপান। পৃথিবীর ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায় যে আজ পর্যন্ত জাপানিরা সবচেয়ে বেশি দীর্ঘায়ু হয়। নাবী তাজিমার মৃত্যুর পর ঐ দেশের সরকার একটা বিবৃতিতে বলেছেন যে, এখনও পর্যন্ত জাপানে 68,000 হাজারের বেশি মানুষ 100 বছরের ঊর্ধ্বে জীবিত অবস্থায় রয়েছে । শুধু তাই নয় দক্ষিণ এশিয়ায় যে সকল দেশ আছে তার মধ্যে জাপান একমাত্র দীর্ঘায়ুর দেশ।