Showing posts with label অজানা ও রহস্যময় ঘটনা. Show all posts
Showing posts with label অজানা ও রহস্যময় ঘটনা. Show all posts

Thursday, July 2, 2020

কোন কোন নারীদের করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের বিয়ে করা উচিত!!

হ্যালো বন্ধুরা প্রত্যেক পুরুষের নারী সংগ প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা সঙ্গী হিসেবে কেমন নারী দরকার। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী ৪ ধরণের নারীকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বাছাই করার কথা বলেছেন। আসুন আজকের এই আর্টিকেলের এর মাধ্যমে কেমন নারী গ্রহণ করা উচিত সেই সম্পর্কে জানবো। কাজেই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। 

একজন নারী ও পুরুষ বিয়ের মাধ্যমে মানুষ পূর্ণাঙ্গ ঈমানদারে পরিণত হয়। বিয়ের জন্য পাত্রী নির্বাচনের রয়েছে বেশ কিছু সুন্নাতি পদ্ধতি। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের মাধ্যমে বলেছেন সম্পদের মালিক, সুস্থ, স্বাধীন ও প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা অত্যান্ত জরুরী। বিয়ে করার ক্ষেত্রে পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় লক্ষ্য করতে হয় সে গুলো হোল স্নেহময়ী নারী, অধিক সন্তান দানকারী এমন নারী, কুমারী, দ্বীনদার ও সতী-সাধ্বী নারীকে বিয়ে করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাত্রী নির্বাচনের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন। যা এখানে তুলে ধরা হলোঃ

হজরত আবু হুরায়রা (রা:) আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‌নারীদেরকে চারটি জিনিসের জন্য বিয়ে করা হয়।
যথাঃ
 ১. সম্পদের জন্য,
২. বংশ-বুনিয়াদের জন্য,
৩. সৌন্দর্যের জন্য এবং
৪. দ্বীনদারীর জন্য।
 অতএব দ্বীনদার নারীদেরকেই অগ্রাধিকার দাও। তোমার হাত ধূসরিত ও মঙ্গলময় হোক। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং বিয়ে করার সময় আমাদের দেখতে হবে পাত্রীর অর্থ-সম্পদ কেমন আছে, যদি না থাকে তবে দেখতে হবে তাঁর বংশ পরিচয় কেমন, যদি তাও সন্তোষ জনক না হয়, তবে দেখতে হবে ঐ পাত্রী সৌন্দর্য তথা সুন্দর ও আচার-আচরণে সভ্য ও নম্র ভদ্র আছে কিনা? যদি তাও পাওয়া না যায় তবে দেখতে হবে তার মাঝে দ্বীনদারি আছে কিনা অর্থাৎ সে নারীর মাঝে আল্লাহ ভয় এবং মহব্বত আছে কিনা। তবে  যদি কোনো নারীর মাঝে শুধুমাত্র দ্বীনদারী পাওয়া যায়, তবে সেই নারী বিয়ের জন্য সবচেয়ে উত্তম। আর এ চারটির কোনো একটি পাওয়া গেলে সে নারীকে বিয়ে করা সুন্নত।

আল্লাহ তাআলা হাদিসে বর্ণনা মতে মুসলিম জাতির সকল পুরুষকে বিয়ে করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিস্তারিত জান্তেও নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Tuesday, June 30, 2020

লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। আর রাত ১০টার দিকে ডুবে যাওয়া 'মর্নিং বার্ড' লঞ্চ থেকে ১৩ ঘন্টা পর অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে ফিরলেন লঞ্চটির একযাত্রী। ১৩ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার ওই ব্যক্তির নাম সুমন বেপারী। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীর আবদুল্লাহপুরে।

ফায়ার সার্ভিস মাধ্যমে জানা গেছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য পানির নিচে এয়ার লিফটিং ব্যাগ বসানোর কাজ করছিলেন একদল ডুবুরিরা। এ সময়, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির একাংশ ভেসে উঠেছিলো তখন লঞ্চের ভিতর থেকে বের হয়ে আসেন সুমন বেপারী। পরে তাকে উদ্ধার করেন ডুবুরিরা।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় । এ সময় ডুবুরিরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লাইফ জ্যাকেটে ঢেকে এবং শরীর মেসেজ করে তার শরীর গরম করার চেষ্টা করেন। এছাড়া তার শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক আছে বলেও জানানো হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।


শারীরিক  সুস্থ থাকলেও উদ্ধারের পর তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়।

এরপর ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার অভিযানে আসার সময় বুড়িগঙ্গা-১ সেতুতে আটকে যায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। এ সময় সেতু এবং উদ্ধারকারী জাহাজের আংশিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে আর উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে পারেনি  উদ্ধারকারী জাহাজ 'প্রত্যয়'।

ফলে, প্রাচীন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে লঞ্চ উদ্ধারের নতুন চিন্তা করেন বিআইডব্লিউটিএ'র  কর্মকর্তারা। সে চিন্তার পথ ধরেই এয়ারলিফটিং ব্যাগ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা।ব

মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা 'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ৩৬ জনের মরদেহ ইতিমধ্যে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে  ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌবাহিনী সদস্য এবং কোস্টগার্ড এখনও কাজ করছে ।

এর আগে  'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ এলাকার কাঠপট্টি থেকে ঢাকার সদরঘাটে আসছিলো। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সদরঘাটে ঘাটে যাত্রী নামানোর প্রায় আগ মুহূর্তে "ময়ূর-২" নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় শ্যামবাজারের কাছে মাঝ নদীতে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি। তবে এটি ধারণা করা হচ্ছে অর্ধ শতাধিক যাত্রী ছিল।  এর চেয়েও বেশি হতে পারে। আমরা পরবর্তীতে আরও কিছু জানতে পারব।    

Sunday, June 14, 2020

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার রাতে মারা যাওয়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার একান্ত সহকারী সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত।
তিনি জানান,গতকাল রাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পরই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার নমুনা হাসপাতালে সংগ্রহ করা হয়। আজ সকালে জানা যায় যে ধর্মমন্ত্রী  করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন। 
প্রতিমাসে দুইবার করে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করা হতো। গত কয়েকমাস করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আর করা হয়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর একান্ত সচিব ইয়াসির আরেফিন জানান, "তার ডায়বেটিস ছিল এবং মাঝেমধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যাও হতো। বার্ধক্যজনিত সব ধরণের রোগেরই উপসর্গ ছিল তার মধ্যে।" ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন। 
তবে এই দুই কর্মকর্তাই জানান তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকার সংসদীয় প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৯ এর জানুয়ারি মাসে তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। বাংলাদেশের মন্ত্রীসভার কোনো সদস্যের করোনাভাইরাসে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।
এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোজাম্মেল হক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন।
শনিবার (১৩ই মে) মারা যাওয়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর কয়েকদিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসলেও মারা যাওয়ার সপ্তাহ দুয়েক আগে তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন।অনেক বিষয় আমাদের মাঝে খোলসা হয় না। তারপরও মরন কাউকে ছাড়বে না। আসুন আমরা সবাই ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি সদা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলি। 

Monday, May 18, 2020

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদঃ 

আমাদের পৃথিবীতে প্রায় ২,৯৮,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এতোগুলো প্রজাতির মধ্যে কিছু গাছ সুন্দর ও সুগন্ধী ফুল উৎপন্ন করে, কিছু গাছ মাজাদার পুষ্টি-সমৃদ্ধ ফল উৎপন্ন করে, কিছু গাছে আছে ঔষধি গুনাবলী এবং আবার এদের মধ্যে কিছু কিছু উদ্ভিদের রয়েছে পুরোপুরি অদ্ভুত চেহারা ও বৈশিষ্ট্য। চলুন বিশ্বের এরকম সবচেয়ে ১০ অদ্ভুত উদ্ভিদ সম্পর্কে জানা যাক। পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।


১. বাওবাব প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘বাওবাব’ আজব এক গাছ । এগুলোর গোড়া হয় প্রকান্ড ড্রামের মত গোল আর মোটাও। উচ্চতা খুব বেশি নয়। ‘লাউ’ এর মতো দেখতে বাওবাব গাছের ফল খুব মজাদার যা বানরদের খুব প্রিয় খাবার। এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আফ্রিকায় । তবে এই গাছের এক প্রজাতি অস্ট্রেলিয়াতেও পাওয়া যায়।বাওবাব গাছের কান্ড দেখতে অনেকটা বোতলের মত হওয়াতে একে ‘বোতল গাছ’ নামেও ডাকা হয়।


 2. লজ্জাবতী উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

লাজুক প্রকৃতির উদ্ভিদটি খুব পরিচিত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে। এটি আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখতে পাওয়া যায় ।উদ্ভিদটির স্নায়ুতন্ত্র খুবেই সংবেদশীল প্রকৃতির হওয়ার কারণে পাতাগুলি স্পর্শ করার সাথে সাথে নিজেকে গুটিয়ে ফেলে। তাছাড়া গাছের ফুলগুলিও খুব সুন্দর।


3. রাফালেসিয়া আনারোলি (Rafflesia Arnoldii)

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘রাফালেসিয়া’ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল। এক একটি ফুলের আকার প্রায় তিন ফুট পর্যন্ত বড় হয়। এটি প্রধানত ‘সুমাত্রা’র বনে পাওয়া যায়। তবে ফুলটির গন্ধ খুবই অপ্রীতিকর ও বাজে।

4. বেসবল প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘ইউফির্বিয়া ওবেসা’ বৈজ্ঞানিক নামের গাছটির দেখতে ও আকৃতিতে ঠিক যেন ‘বেসবল’ এর মতো। এটি সাধারণত দক্ষিণ আফ্রিকার কারু মরুভূমিতে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বেসবল গাছটি রয়েছে বেশ কিছু বিষাক্ত উপাদান যা শরীরের চামড়ায় তীব্র জ্বালার সৃষ্টি করে।

5. ক্যাকটাস

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

পাতা নেই, শুধু গা-ভর্তি কাঁটা। এমন উদ্ভিদের নাম ক্যাকটাস। উদ্ভিদটির কথা বললে হয়তো অনেকেই মনে করবেন, দুনিয়ার এত গাছ থাকতে কাঁটায় ভরা এই অপ্রয়োজনীয় গাছের কথা কেন? কিন্তু ক্যাকটাস আসলে অপ্রয়োজনীয় কোনো গাছ নয়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ক্যাকটাসের রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা।

6. হোয়াইট বেনবেরি প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

হোয়াইট বেনবেরি (White Baneberry) নামের উদ্ভিদটির সুন্দর ফল দেখে যদি খেতে চান তাহলে তা মোটেও করবেন না। কারণ এতে রয়েছে মানব দেহের পক্ষে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান ।ফলগুলো দেখতে পুতুলের চোখের মতো হওয়াতে এর বিকল্প নাম ‘পুতুলের চোখ। উদ্ভিদটি পূর্ব উত্তর আমেরিকা, পূর্ব কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যর বনভূমিতে পাওয়া যায়

7. সানডিউ প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

সানভিট প্লান্টের (sundew plant) লম্বা পাতা প্রচুর ঘন গ্রন্থিযুক্ত রোমে আবৃত। কোনো মাছি যদি এর আঠালো রোমে কোনোভাবে আটকে যায় তাহলে উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে এনজাইম নিঃসরণের মাধ্যমে মাছিটিকে হজম করে ফেলে।


8. জায়ান্ট সিকোয়াইয়া 

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

আকারের দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ আকৃতির উদ্ভিদ। এর বৃহৎকায় আকারের জন্য একে দৈত্য গাছও বলা হয়। এই উদ্ভিদগুলোর আয়ুষ্কাল প্রায় ৩০০০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

9. ভিনাস ফ্লাইট্রেপ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

এটিও কলস উদ্ভিদের মতো মাংসাশী এবং খাদ্য হিসেবে ক্ষুদ্র পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ খেয়ে থাকে। এটি খুব দ্রুত নিজের শিকারকে ফাঁদে আটকে দেয়। এর ডাইজেস্টিভ এনজাইম দশদিনের মধ্যে পোকা-মাকড় হজম করতে সাহায্য করে।


10. কলস উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

কলসের মতো দেখতে অদ্ভুত উদ্ভিদটি  আসলে মাংসাশী উদ্ভিদ। মানুষ খেঁকো না হলেও এটি ছোট ছোট পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ শিকার করে জীবন ধারন করে। বিশেষ তরল দিয়ে ভরা গভীর গহ্বর শিকার ধরতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 
পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

 ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান:

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাচীনকাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে বহু সভ্যতা যেমন গড়ে উঠেছে, তেমনি অনেক সভ্যতা হারিয়ে গেছে কালের অতল গহ্বরে। বিভিন্ন সময়ে গড়ে ওঠা এসব সভ্যতার মানুষেরা তাদের সীমিত জনশক্তি দিয়ে গড়ে তুলেছিল অসাধারণ কিছু স্থাপনা। যার অকল্পনীয় সৌন্দর্য্য ও অসাধারণ নির্মাণকৌশল আজও মানুষের কাছে বিস্ময়ের বস্তু। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা এই প্রাচীন ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে সেরা স্থানটি বেছে নেওয়া সত্যিই কঠিন। তারপরও আমরা অনলাইন থেকে বিভিন্ন তথ্য ও মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচিত স্থানগুলোকে আপনাদের সামনে পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান তুলে ধরছি। এগুলোর ঐতিহাসিক গুরুত্ব যেমন আছে, তেমনি ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এই স্থানগুলো বিশেষভাবে সমাদৃত।  


১. হারানো শহর মাচুপিচুঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধতম ইনকা সভ্যতার একটি বিস্ময়কর নগরীর নাম মাচুপিচু। মাচুপিচু শব্দের অর্থ হল পুরানো পর্বতের চূড়া, যা মূলত আমেরিকান প্রাচীন জাতি কেচুয়াদের ব্যবহৃত শব্দ। দক্ষিণ আমেরিকার পেরুতে অবস্থিত এই বিধ্বস্ত শহরটি একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত। বেশির ভাগ সময়ই মাচুপিচু নগরী মেঘের আড়ালে ঢাকা থাকে। তাই একে বলা হয় মেঘের দেশের নগরী।১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো মাচুপিচু নগরীকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী এলাকার অন্তর্ভুক্ত করে এবং ২০০৭ সালে এটি বিশ্বের সাত আশ্চর্যের একটি হয়ে ওঠে।

২. মায়া নগর তিকালঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

মায়া ভাষায় ‘তিকাল’ শব্দের অর্থ কণ্ঠস্বরের স্থান। মধ্য আমেরিকার গুয়েতেমালার গহীন বৃষ্টিবনে গড়ে ওঠা মায়া নগর তিকাল প্রায় ৬ বর্গ মাইল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। এটি সুবিশাল মায়া সভ্যতার সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন জনপদ। খ্রিস্টীয় ষষ্ট-সপ্তম শতকে তিকাল প্রায় ৩০০ উপাসনালয়, প্রাসাদ, প্রধান চত্বর, বাসগৃহ ও খেলার মাঠ নিয়ে গড়ে উঠেছিল। সে সময় এটি ছিল মায়া সভ্যতার অন্যতম রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় কেন্দ্র।১৯৭৯ সালে ইউনেস্কো গুয়েতেমালার এই অপূর্ব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনকে হিউম্যান হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে।

৩. গিজার পিরামিডঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাচীন বিশ্বের সপ্তম আশ্চর্যের একটি হল গিজার পিরামিড। রহস্যময় এই পিরামিডগুলো কায়রো শহরের দক্ষিণ পশ্চিমে মরুভূমির মধ্যে নীলনদ বরাবর অবস্থিত। মিশরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই স্থানটি গিজার কবরস্থান নামেও পরিচিত। পিরামিডগুলো আসলে সে সময়ের রাজাদের সমাধিস্থল। ফারাও রাজাদের মৃতদেহ মমি করে রাখা হত এই পিরামিডের মধ্যে।সবচেয়ে বড় পিরামিডটি ফারাও রাজা খুফু নির্মাণ করেছিলেন। এটি খুফুর পিরামিড নামেও পরিচিত। ৩০০০ বছরেরও বেশি বয়সের এই পিরামিডগুলো কিভাবে তৈরি হয়েছে এ সম্পর্কে এখনো কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি। প্রতিদিন শত শত পর্যটক রাজাদের জন্য তৈরি করা অসাধারণ নির্মাণকৌশলের এই পিরামিডগুলো পরিদর্শনে আসে।


৪.অ্যাংকর ভাটঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

উত্তর পশ্চিম কম্বোডিয়ার অ্যাংকর শহরে অবস্থিত সুবিশাল এই স্থাপনাটি পৃথিবীর সর্ববৃহৎ মন্দির। অ্যাংকর ভাট অর্থ  শহরের মন্দির। ১২শ শতাব্দীতে এই ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন রাজা ২য় সূর্যবর্মণ। তিনি এটি তার রাজধানী ও প্রধান উপাসনালয় হিসেবে তৈরি করেন। প্রথমদিকে এটি একটি বিষ্ণু মন্দির ছিল। কিন্তু  পরে এটি বৌদ্ধ মন্দিরে পরিণত হয়। অ্যাংকর ভাটের নির্মাণশৈলী খমের সাম্রাজ্যের স্থাপত্য শিল্পকলার অনুপম নিদর্শন। চারদিকে পরিখা বিশিষ্ট শৈল্পিক নৈপূণ্যের নির্দেশক অ্যাংকর ভাটকে আজ ও পৃথিবীর অন্যতম ধর্মস্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

৫.পেত্রা নগরীঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর অসংখ্য পর্যটকদের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু এই পাথুরে নগরী পেত্রা। এটি বর্তমান জর্ডানের দক্ষিণ পশ্চিমের গ্রাম ওয়াদি মুসার ঠিক পূর্বে হুর পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। প্রায় দুই হাজার বছরের পুরানো এই নগরী সম্পূর্ণ পাথরের তৈরি। ৪০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ২০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত এটি ছিল নাবাতাইন রাজ্যের রাজধানী।প্রাচীন আরব নগরী পেত্রার আনাচে কানাচে রয়েছে অনেক গুহা। এই গুহাগুলোই এক কালে মানুষের যাতায়াতের পথ হিসেবে ব্যবহার করা হত। পেত্রা নগরীর প্রাচীন দালানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হল খাজনেত ফিরাউন মন্দিরটি, যা ফারাওদের ধনভান্ডার নামেও পরিচিত। ১৮১২ সালে জোহান লুডিগ বারখাট নামের একজন সুইস পরিব্রাজক ইতিহাসে বিলীন হয়ে যাওয়া এই নগরী পুনরায় আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো পেত্রা নগরীকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে ঘোষণা করে। 

৬.স্টোনহেঞ্জঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

নব্যপ্রস্তর যুগে নির্মিত স্টোনহেঞ্জ ইংল্যান্ডের উইল্টশায়ারে অবস্থিত একটি প্রাগৈতিহাসিক স্তম্ভ। এটি মূলত বিশাল সমতল ভূমিতে খাড়া পাথরের তৈরি একটি বিস্ময়কর স্থাপনা। অনেকে মনে করেন প্রায় চার হাজার বছর আগে তৈরি এই স্থাপনাটি একটি সমাধিস্থল। আবার অনেকের মতে, জায়গাটি কেবল মন্দির হিসেবে ব্যবহার করা হত।

স্টোনহেঞ্জের সারসন নামে পরিচিত সবচেয়ে বড় পাথরগুলোর ওজন প্রায় ২৫টন এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। ৪ টন ওজনের ছোট পাথরগুলোকে ভাঙলে বা ভেজালে নীলচে আভা দেখা যায়। তাই ছোট পাথরগুলোকে বলা হয় নীল পাথর বা Blue stone। চমৎকার এই প্রাগৈতিহাসিক স্তম্ভটি শুধু ইংল্যান্ডের গৌরব নয়, পুরো পৃথিবীর কাছে এক বিস্ময়। দর্শনার্থীদের কাছে স্টোনহেঞ্জ এক অপার সৌন্দর্যের নাম হলেও, বিশেষজ্ঞদের কাছে এটি এখনো একটি অমীমাংসিত রহস্য।


৭.কলোসিয়ামঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

ইতালির রোম শহরে অবস্থিত কলোসিয়াম একটি বৃহৎ উপবৃত্তাকার ছাদবিহীন মঞ্চ। রোমান সাম্রাজ্যে নির্মিত অসাধারণ এই গ্যালারিটি গ্লাডিয়েটরসদের মধ্যে লড়াইয়ের প্রতিযোগিতার প্রদর্শনী বা অন্য কোনো প্রদর্শনীর কাজে ব্যবহার করা হত। ৫০ হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন মঞ্চটিকে রোমান সাম্রাজ্যের সবচেয়ে বড় স্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রাচীন স্থাপত্যশিল্পের এই অনন্য নিদর্শনটি নির্মাণের সময় পাথর এবং কংক্রিট ব্যবহার করা হয়েছিল। প্রায় ৬ একর জমির উপর নির্মিত কলোসিয়ামের দৈর্ঘ্য ১৮৯ মিটার এবং প্রস্থ ১৫৬ মিটার। এতে ছিল ৮০টি প্রবেশদ্বার। রোমান সাম্রাজ্যের সকল নাগরিক বিনামূল্যে কলোসিয়ামে প্রবেশ করতে পারত। ১৯৯০ সালে ইউনেস্কো কলোসিয়ামকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলের স্বীকৃতি দেয়। ২০০৭ সালে এটি পৃথিবীতে মানুষের তৈরি আধুনিক সপ্তাশ্চর্যের একটি বলে নির্বাচিত হয়।

৮.পার্থেননঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

গ্রীসের এথেন্স শহরের মাঝখানে অ্যাক্রোপোলিস পাহাড়ের উপর অবস্থিত পার্থেনন আসলে একটি প্রাচীন মন্দির। দেবী এথিনাকে উৎসর্গ করে এই মন্দিরটি নির্মাণ করা হয়েছিল ডরিক রীতিতে। এই বিশাল মন্দিরের পুরোটাই মার্বেলের তৈরি।
অত্যন্ত দৃঢ় ভিত্তির উপর নির্মিত হওয়ায় ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মন্দিরটি অটুট অবস্থায় দন্ডায়মান ছিল। কিন্তু এর ভেতরের বারুদাগারে আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটার ফলে মন্দিরটি অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ হয়। তবুও এথেন্সের চারদিকের বিপুল ধ্বংসলীলার মধ্যে অতীত গৌরবের সাক্ষীরূপে মন্দিরটি এখনো দাঁড়িয়ে আছে।


৯.ইস্টার দ্বীপঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

চিলির উপকূল থেকে ৩৬০০ কিলোমিটার দূরের এই দ্বীপটি পৃথিবীর অন্যতম নিঃসঙ্গ দ্বীপ। প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝামাঝি অবস্থিত জনমানবহীন দ্বীপটির মালিকানা চিলির। ছোট রহস্যময় এই দ্বীপটি ১৭২২ সালে ইস্টার সানডের দিনে আবিষ্কার করা হয় বলে এর নাম দেয়া হয়েছে ইস্টার দ্বীপ। ইউনেস্কো এই দ্বীপটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

১০.তাজমহলঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সাতটি বিস্ময়ের মধ্যে অন্যতম তাজমহল একটি রাজকীয় সমাধি। মুঘল সম্রাট শাহজাহান তার স্ত্রী মমতাজের স্মৃতির উদ্দ্যেশ্যে সৌধটি নির্মাণ করেন। ভারতের উত্তর প্রদেশের আগ্রায় অবস্থিত তাজমহল মুঘল সাম্রাজ্যের স্থাপত্যশৈলীর একটি অনুপম নিদর্শন।সামগ্রিকভাবে তাজমহল একটি জটিল অখন্ড স্থাপত্য। যার নির্মাণশৈলীতে আছে পারস্য, তুরস্ক, ভারতীয় এবং ইসলামী স্থাপত্যশিল্পের অপূর্ব মেলবন্ধন। ধারণা করা হয়, তাজমহল নির্মাণের জন্য ভারত, পাকিস্তান, পারস্য ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ২৮ রকমের মূল্যবান পাথর ব্যবহার করা হয়েছিল। ১৯৮৩ সালে ইউনেস্কো তাজমহলকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের অন্তর্ভুক্ত করে। 

১১.আলহাম্বরাঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

আলহাম্বরার পুরো নাম কালাত আলহাম্বরা বা লাল কেল্লা। স্পেনের আন্দালুসিয়ার গ্রানাডাতে অবস্থিত আলহাম্বরা একটি মুসলিম স্থাপত্য। তেরশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে গ্রানাডা আমিরাতের মরিশ শাসকরা এটি নির্মাণ করে।নাসরি রাজবংশের শাসনকালে তৈরি করা এই প্রাসাদটি বাসস্থান ও রাজসভা হিসেবে ব্যবহার করা হত। প্রাচীন এই দূর্গটির মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৭৪০ মিটার। ১৯৮৪ সালে ইউনেস্কো আলহাম্বরা কে হিউম্যান হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।


১২.চীনের মহাপ্রাচীরঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

পৃথিবীর সবচেয়ে জনবহুল দেশ চীনে অবস্থিত দ্য গ্রেট ওয়াল অব চায়না মানুষের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা। চীনের দীর্ঘতম এই প্রাচীরের দৈর্ঘ্য প্রায় ২৬৯৫ কিমি এবং উচ্চতা ৪.৫৭ থেকে ৯.২ মিটার বা প্রায় ১৫ থেকে ৩০ ফুট। চওড়ায় প্রাচীরটি প্রায় ৯.৭৫ মিটার বা ৩২ ফুট।চীনা ভাষায় এই মহাপ্রাচীরকে বলা হয় ছাংছং। যার আভিধানিক অর্থ দীর্ঘ দেয়াল। খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতাব্দীতে এর নির্মাণ কাজ শুরু হলেও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রাজা এই প্রাচীরের বিভিন্ন অংশ তৈরি করেন।

 ১৩.চিচেন ইতজাঃ

পৃথিবীর সপ্ত আশ্চর্যের ১৩টি অদ্ভুত ঐতিহাসিক স্থান।

প্রাক কলোম্বিয়ান সময়ে গড়ে ওঠা মায়া সভ্যতার বিখ্যাত পিরামিড চিচেন ইতজা বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি। পৃথিবীর অন্যতম দৃষ্টিনন্দন ও রহস্যময় এই প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনটি পর্যটকদের জন্য একটি অতি আকর্ষণীয় স্থান। বর্তমান মেক্সিকোর উত্তরে ইয়ুকাতান উপদ্বীপে অবস্থিত চিচেন ইতজা মেক্সিকোর একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।  

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

Sunday, July 21, 2019

আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই।There is no God.

আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই।There is no God.

আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই। 

আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই।There is no God.

আল্লাহ তায়ালা বলে নাকি কিছুই নেই।There is no God. 

যুগে যুগে শয়তান মানুষ ছিল বর্তমানেও আছে। কিন্তু বাংলাদেশের মত বৃহত্তম ইসলামী রাষ্ট্রে এই সকল শয়তানদের প্ররোচনা ও প্রবঞ্চনা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে।  বর্তমানে অনেক ব্লগার আছেন যারা ইসলাম সম্পর্কে নানারকম কটূক্তি ও অপপ্রচার চালাচ্ছেন তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। তারা আল্লাহ তায়ালাকে বিশ্বাস করে না।  আল্লাহ তায়ালাকে  বিশ্বাস করুক আর না করুক সেটি বড় কথা নয় কিন্তু আল্লাহ তায়ালাকে নিয়ে, ইসলাম ও মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি ও অবমাননা করার তাদের কোন অধিকার নেই। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে অনেক ব্লগ  বা ওয়েবসাইটে ইসলাম সম্পর্কে নানাবিধ অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

ইসলাম ও মহানবী (সঃ) কে নিয়ে যে সকল ব্লগে  অবমাননা করা হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা করতে হবে। ইসলাম ও মহানবীকে ব্লগে অবমাননাকারী নাস্তিকদের শাস্তির দাবিতে ১০ টি ব্লগ ও ৮৫ নাস্তিক ব্লগারের তালিকা হস্তান্তর করা হয়েছে।

আল্লাহ তায়ালা, ইসলাম ও মহানবীকে অবমাননাকারীদের খুঁজে বের করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের গঠিত কমিটির নিকট একটা তালিকা দেন মোহাম্মাদীয়া জামেয়া শরীফ এর উপদেষ্টা ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা মোহাম্মাদ মাহবুব আলম আরিফ।
গত রোববার সচিবালয়ে কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনুদ্দিন খন্দকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এই তালিকায় হস্তান্তর করা হয়। এই তালিকা গ্রহণ করেন  অতিরিক্ত সচিব মাইনুদ্দিন খন্দকার এবং তিনি বলেনঃ নাস্তিক ব্লগার যারা ইসলাম ও মহানবীকে নিয়ে যারা কটূক্তি ও অবমাননা করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য সাইবার ক্রাইম গঠন করা হয়েছে। এই বিষয়ে ইতোমধ্যে অনেক অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে, এগুলোকে নিয়ে পুনরায় অনুসন্ধান করে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাইনুদ্দিন খন্দকার জানান, কমিটির কাছে ফেসবুক ও ব্লগে আপত্তিকর বিষয়ে অভিযোগ জানাতে  complainmoho@gmail.com ই- মেইলে অভিযোগ পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। মোহাম্মাদীয়া জামেয়া শরীফ এর উপদেষ্টা ইসলামী চিন্তাবিদ আল্লামা মোহাম্মাদ মাহবুব আলম আরিফ বলেন নাস্তিক হওয়া কারো ব্যক্তিগত বিষয় তবে নাস্তিক হয়ে ইসলাম ও মহানবীকে নিয়ে কটূক্তি করা এবং ইসলাম সম্পর্কে অপপ্রচার চালানো জঘন্যতম অপরাধ। এই অপরাধ আমরা কখনই চলতে দিতে পারি না।  এটা আমাদের খুব তাড়াতাড়ি বন্ধ করতে হবে নয়তো মানুষ বিভ্রান্তির শিকার হবে। অবমানানাকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে তাদেরকে কঠিন থেকে কঠিনতর শাস্তি প্রদান করতে হবে।
মাহবুব আলম আরিফ বলেন , সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্লগ মাত্র ৪৮ টি। অথচ আমরা জানি ব্লগ পরিচালিত  হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টি । তবে এখন এর সঠিক সংখ্যা পাওয়া যায় নি। তিনি আরও বলেন, চীনসহ বিভিন্ন দেশে টুইটার বন্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও ইসলাম বিদ্বেষী ব্লগ বন্ধ করতে হবে। এই সকল বিষয়ে সরকারকে গুরুতর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।  মাহবুব আলম আরও বলেন অনলাইন মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে। ইন্টারনেট গেটওয়ের মাধ্যমে এই সকল ব্লগ বন্ধ করে দিতে হবে। তাই তিনি সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহব্বান জানিয়েছেন। এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছে ইসলাম ও মহানবীকে অবমাননাকারীদের বরদাস্ত করা হবে না। বাস্তবে কতটুকু সত্য হবে এটাই এখন দেখার বিষয়।

তবে আমাদের এই সকল বিষয়ের উপর সতর্ক হতে হবে এবং এই ধরনের পোস্ট পড়া থেকে বিরত থাকতে হবে। এদের  বিষয়ে আপনার কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে আমাদেরকে অনুগত করবেন। নিচের ইমেজ বা পিকচারে ক্লিক করুনঃ 

Sunday, January 20, 2019

একসাথে ২১ জন বিদেশীকে পার করতেন একজন বাঙালি নারী।

একসাথে ২১ জন বিদেশীকে পার করতেন একজন বাঙালি নারী।

একসাথে ২১ জন বিদেশীকে পার করতেন একজন বাঙালি নারী।

অভাবের তাড়নায় আর ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে একসাথে ২১ জন বিদেশি পুরুষকে পার করলেন একজন বাঙালি নারী। আজকে উঠে এসেছে সেই ভাগ্য হারা নারীর করুণ ইতিহাস। অনেক যন্ত্রণা,যাতনা,নিপীড়ন,অত্যাচারের স্টিম রুলার তার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে বললেন তার নিজের ব্যক্তিগত ঘটে যাওয়া সেই নিদারুণ করুণ কাহিনীর কথা। কারণ একসাথে ২১ জন পুরুষকে পার করা সহজ কথা নয়। আসুন আমরা আজকে সংক্ষিপ্ত আকারে জানবো ঘটে যাওয়া সেই নারীর জীবনের এক করুণ মুহূর্ত।

নাম তার হাফিছন্নেছা হাসনা। যশোর জেলার চৌগাছা থানার ফুলসরা ইউনিয়নে তার বাড়ি। বছর পাঁচেক আগে অভাবের তাড়নায় স্বামীর সাথে ঢাকাতে কাজের সন্ধানে আসেন। তারপর তারা গাজীপুরের চৌরাস্তা সংলগ্ন একটি গার্মেন্টসে চাকরি করতে শুরু করে। কিছুদিন যেতে না যেতেই তার স্বামী অন্য নারীদের সংস্পর্শে চলে যায়। হাসনা তার স্বামীকে অনেকবার হাতেনাতে ধরেছে এবং তাকে ভালো হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু তাতে তেমন একটা লাভ হয়নি। তারপর হাসনাও বদলে গেল সেও প্রেম পরকীয়ার বেড়াজালে আটকা পড়ল। এভাবেই তার নতুন পথের সূচনা হল। গাজীপুরের এক দালালের সাথে হাসনার পরিচয় হয় সেই সূত্র ধরেই স্বামীর সংসার ত্যাগ করে বিদেশের মাটিতে পাড়ি জমান। তাকে পাঠানো হয় দক্ষিন আফ্রিকার তানজানিয়া শহরে।
নিচের ইমেজ বা ব্যানারে ক্লিক করুনঃ
 সেখানে অধিকাংশ নারী দেখতে কালো। তাই বাঙালি নারী হাসনার জন্য শহরটা হয়ে গেল বিপজ্জনক। তার সাথে বিভিন্ন বিদেশীয় মানুষ জোর করে ওই কাজ করত। কিন্তু তার আর কিছুই করার নেই কারণ সে বিদেশের মাটিতে বিক্রি হয়ে গেছে। সেখান থেকে ফিরে আসতে হলে তাকে অনেক কাঠ খড়ি পোড়াতে হবে। কিন্তু যাই হোক তার দিনগুলি চলছিলো ভালোই। টাকা আয়ের নেশা সাথে দেহের কামনা পূরণ তার দুটোই ভালোভাবে চলছিল। কিন্তু হঠাত সে পড়লো এক কড়াল গ্রাসে। সেদিন ছিল ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০১৮। একসাথে ২১ জন বিদেশি হাসনার বাসাতে যায় এবং টাকার বিনিময়ে ওই কাজ করতে বলে কিন্তু ২১ জনের দেখে সে ভয় পেয়ে যাই এবং করবে না বলে অস্বীকার করে। তাতে কোন লাভ হয় না সিরিয়াল দিয়ে ২১ জন তার সাথে জোর করে কাজটি করে। কিছুটা অসুস্থ ও দুর্বল হয়ে পড়ে কিন্তু তার এই যাত্রা আর থেমে থাকে না। বার বার বিদেশি হায়েনার কবলে পড়তে হয় তাকে। খুব কষ্ট করে ফিরে এসেছেন দেশের মাটিতে এখন সে অসহায় কারণ তার জীবন ও যৌবনের বারোটা বেজে গেছে। এখন সে আরও বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েছে।তাই তার শারীরিক চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন। এই জন্য তাকে নিয়ে আজকে আমার এই পোস্টটি লেখা। এই পোস্টটি শেয়ার করে মানুষের সচেতন করে তুলুন। আর হয়তবা আপনার শেয়ারের বিনিময়ে কোন সহৃদয়বানের সহযোগিতা মিলে যেতে পারে।

নিচের ব্যানারে বা ইমেজে ক্লিক করুন তাহলে আমরা উপকৃত হব। তাতে আপনার কোন ক্ষতি হবে না। আমাদের কিছু টাকা আসবে যার ফলে আমরা ওই নারীকে সাহায্য করতে পারবো।

নিচের ইমেজ বা ব্যানারে  অবশ্যই ক্লিক করুন।

Monday, December 24, 2018

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।World longest Snake.

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।World longest Snake.

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।World longest Snake.

এবার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপটি ধরা পড়ল। তবে এই সাপটি ধরতে গিয়ে বিসর্জন দিতে হয়েছে একজনের প্রাণ। এই ঘটনাটি ঘটে ইন্দোনেশিয়ায়।  ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ এক পাম বাগানে কিছু শ্রমীক কাজ করছিল। হঠাত করে এক বিশাল দেহী এনাকোন্ডা সাপ তাদেরকে আক্রমন করে। তারা ভয়ে দৌড়াতে থাকে। একপর্যায়ে এই সাপটি একজনকে ধরে ফেলে এবং গিলতে শুরু করে। তখন অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচাতে পারিনি। একপর্যায়ে তারা চিৎকার শুরু করে। 

তখন পাশের গ্রামের সকল মানুষ ছুটে আসে। এবং সাপটিকে ধরার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই সংবাদ আশে পাশে দশ গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে প্রত্যেক এলাকার মানুষ এসে জড়ো হয়। সকলে মিলে সাপটাকে আঘাত করে। তার পেটের ভিতরে মানুষটি থাকায় সাপটি একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। জানা যায় এই সাপটি লম্বায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ওজনে প্রায় এক টন। যা কিনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরাট ও বিশাল দেহী সাপ। পরবর্তীতে এই সাপটিকে ক্রেনে বা বিশাল বড় এক গাড়িতে ওঠানো হয়।

সাপটিকে ঐ গাড়িতে ওঠাতে অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। জানা যায় ঐ সাপটাকে কেন্দ্র করে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগণ ঘটেছিল ঐ পাম বাগানে। এই বিশালদেহী  এনাকোন্ডা সাপটাকে একেবারেই মেরে ফেলা হয়নি। বর্তমানে সাপটি অর্ধমৃত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সাপটিকে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় চিড়িয়াখানায় সংরক্ষন করা হয়েছে। সাপটাকে মারতে হবে নাকি? বাঁচিয়ে রাখতে হবে? জানিয়ে দিন আপনার মতামত কমেন্টসের মাধ্যমে। তবে আমি মনে করি এসকল সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখা উচিত। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ
                                                  
                                                         


Tuesday, December 18, 2018

মহিলার পেটে জন্ম নিল বড় ইঁদুরের বাচ্চা।The Woman Who Gave Birth To Rat.

মহিলার পেটে জন্ম নিল বড় ইঁদুরের বাচ্চা।The Woman Who Gave Birth To Rat.

মহিলার পেটে জন্ম নিল বড় ইঁদুরের বাচ্চা।The Woman Who Gave Birth To Rat.

এবার ইঁদুরের বাচ্চা জন্ম দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন এক নারী। পৃথিবীতে এটিই কেবলমাত্র বিরল ঘটনা। এই ঘটনাটি ঘটেছে তাও আবার বাংলাদেশে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে এই ইঁদুরের বাচ্চা জন্ম দিয়েছেন ঐ নারী। জানা যায় ঐ নারী যখন অন্তঃসত্ত্বা হয় তখন পরিবারের সদস্যরা অত্যান্ত খুশি হয়েছিল।যখন ঐ নারী ৫ মাস অন্তঃসত্ত্বা হয় তখন তার পেটের ভিতরে ইঁদুরের বাচ্চাটি ছোটাছুটি করতে থাকে। নারীটি ভীষণ কষ্ট অনুভব করতে থাকে। সে কষ্টে জোরে জোরে চিৎকার শুরু করে।

 তারপর ঐ নারীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রথমে গাইনী বিশেষজ্ঞ মহিলা ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করার নির্দেশ দেন। আল্ট্রাসনোগ্রাফি করার পর রিপোর্টে দেখা যায় তার পেটের মধ্যে অবিকল ইদুরের বাচ্চার মত একটি বাচ্চা রয়েছে। তখন ডাক্তার পরিবারের সদস্যদের কাছে কথাটি খুলে বলে। তখন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরিবারের সদস্যরা ঐ নারীকে বাড়িতে নিয়ে আসে।
তারপর তারা বাচ্চাটি এবরশন করার সিদ্ধান্ত নেন। তখন তারা একজন এবরশন বিশেষজ্ঞ মহিলাকে বাড়িতে ডেকে আনে এবং বাচ্চাটি এবরশন করে। এরপর বাচ্চাটিকে বাড়ির পাশে একটি বাগানে গোপনে ফেলে দেন। কিন্তু প্রতিবেশি এই খবরটি টের পেয়ে যায় এবং কিছু যুবক ছেলে কতগুলো ছবি তুলে ফেসবুকে ছেড়ে দেন। সাথে সাথে ছবিগুলো ভাইরাল হয়ে যায়।


Sunday, December 16, 2018

মহিলা জন্ম দিল হাতির বাচ্চা।Woman birth elephant baby.

মহিলা জন্ম দিল হাতির বাচ্চা।Woman birth elephant baby.

Woman birth elephant baby
Woman birth elephant baby.- http://www.topbanglapages.com/
পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক অবাস্তব ঘটনায় বাস্তবে রুপ নিয়েছে। তবে কিছু ঘটনা বিশ্বাসযোগ্য আবার কিছু ঘটনা একেবারেই বিশ্বাসযোগ্য নয়। তবে আজকে এমন একটি অবাস্তব সত্য ঘটনা তুলে ধরব যা বাস্তবে সংঘটিত হয়েছে। এবার হাতির বাচচা জন্ম দিয়েছে এক ইন্ডিয়ান নারী। জানা যায় ভারতের কলকাতার এক ছোট শহরে ঐ নারী ও তার পরিবার বসবাস করে। ঐ নারী গত ২৮ শে জুলাই নিজ বাসভূমিতে এই হাতির বাচ্চার জন্ম দেন।

বাচ্চাটি অবিকল দেখতে হাতির মত হয়েছে। হাতির মত নাকে বড় শুঁড় রয়েছে এবং বড় বড় কানের লেতি রয়েছে। যে কেউ দেখলে বোঝার অবকাশ নেই যে এটা মানুষের বাচ্চা। প্রথমে বাচ্চাটিকে দেখে পরিবারের সকল সদস্য ব্যাপক অখুশি হয় এমনকি তারা বাচ্চাটি মেরে ফেলার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাচ্চাটি হাতির মত দেখতে হলেও জন্ম সূত্রে বাচ্চাটি সুস্থ ও স্বাভাবিক ছিল। এটি ছিল যেন এক অপূর্ব সৃষ্টি।

তবুও তারা বাচ্চাটিকে মারার জন্য প্রস্তুতি নেন।যখন বাচ্চাটিকে গলা টিপে মারছিল তখন বাচ্চাটি তাদের দিকে ফ্যালফ্যাল দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল।যার ফলে তারা বাচ্চাটিকে আর মারতে পারে না। কথায় আছে রাখে আল্লাহ মারে কে। আমি মনে করি এটা কথা না বাস্তবে সত্য। কারণ আল্লাহ পাক যদি বাঁচিয়ে রাখে তাহলে কারো সাধ্য নেই মেরে ফেলার। এই সকল খবর কখনও ধামাচাপা দেওয়া যায় না। এই সকল খবর পাশের বাড়ির মানুষজন জেনে যায়। সাথে সাথে ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তের মধ্যেই সারা দেশে। বর্তমানে বাচ্চাটিকে দেখতে লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড় জমছে ঐ বাড়িতে।

বর্তমানে পরিবারের সকল সদস্য এই বাচ্চাটিকে নিয়ে গর্বিত অনুভব করছে। বাচ্চাটির মা বলেন হয়তবা এটি আমাদের সৃষ্টি কর্তার আশীর্বাদ। কাজেই আমি বাচ্চাটিকে লালন পালন করে বড় করে তুলব। এই বাচ্চাটি সম্পর্কে আপনার মতামত কি জানিয়ে দিন কমেন্টসের মাধ্যমে। আমার ওয়েবসাইট সম্পর্কে আপনার কোন পরামর্শ থাকলে অবশ্যই জানাবেন। আর কোন কোন বিষয় সম্পর্কে লিখলে ভালো হয় সেটিও জানাবেন। ধন্যবাদ!!!

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

         

Thursday, May 17, 2018

মাছ ধরতে গিয়ে লিঙ্গের মধ্যে জোঁক ঢুকল এক যুবতী নারীর।

মাছ ধরতে গিয়ে লিঙ্গের মধ্যে জোঁক ঢুকল এক যুবতী নারীর।


    মাছ ধরতে গিয়ে জোঁক ঢুকল যুবতী নারীর যোনীতে

মাছ ধরতে গিয়ে চরম বিপদে ও লজ্জায় পড়লেন এক নারী। হয়তবা আপনারা ভাবছেন সেটি আবার কিভাবে ঘটল। আসুন জানি সেই মজার ঘটনাটি। আসলে মজার বলা ঠিক হবে না কেননা আমাদের কাছে বিষয়টি মজার হলেও ঐ নারীর কাছে বিষয়টি ছিল লজ্জাকর।
চুয়াডাঙ্গা জেলার ছোট্ট এক গ্রামে বাড়ি এই মহিলার। তিনার নাম হল তৃষ্ণা বেগম। তার বর্তমান বয়স ২২ বছর। তিনি প্রতিদিন পুরুষের মত মাছ ধরতে যেতেন নদীতে। মাছ ধরা তার ছিল নেশার মত। তাই সে প্রতিদিন সকালে সংসারের কাজ শেষ করে নদীতে মাছ ধরার জন্য ছুটে যেতেন। তবে শুধু তিনিই নয় ঐ গ্রামের আরও কিছু মহিলাও একসাথে মাছ ধরতে যেতেন। তাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা ছোট নদী ছিল আর সেই নদীতেই তারা মাছ ধরতে যেতেন। ঠিক বরাবরের মত ঐ দিন তারা মাছ ধরতে গেলেন । একসাথে কিছু মহিলা নদীতে হাতরিয়ে মাছ ধরতে লাগলো।

মাছ ধরতে গিয়ে লিঙ্গের মধ্যে জোঁক ঢুকল এক যুবতী নারীর।

 মাছ ধরার সময় তৃষ্ণা নামের ঐ মহিলার পা বেঁয়ে একটা জোঁক তার শরীরে প্রবেশ করল। প্রথমে সে বিষয়টি বুঝতে পারল না। যখন ঐ জোঁকটি তার লিঙ্গের মধ্যে প্রবেশ করতে লাগলো তখন তিনি উপলব্ধি করতে পারলো। তিনি জোঁকটি বের করার জন্য চেষ্টা করলেও সেই সময় তিনি বের করতে পারলেন না। তখন সে চিৎকার শুরু করল পাশে যারা মাছ ধরছিলেন তারা ছুটে এলেন কিন্তু কিছুতেই জোঁকটি বের করতে পারল না। তখন তাকে তরিঘরি করে হাস্পাতালে নিয়ে যাওয়া হল। সেখানেই ডাক্তারগণ সরনা দিয়ে বের করতে সক্ষম হন।বর্তমানে তিনি এখন সুস্থ আছেন।

    




                                                             

Monday, May 14, 2018

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী।


   পৃথিবীতে একটি মাত্র নারী যিনি সবচেয়ে বেশিবার বিয়ে করেছে।

       আসুন জানি তার বৈবাহিক অবস্থা ও জীবন সম্পর্কে।

                           নাম ও পরিচয়ঃ

এই মহিলার নাম হল লিন্ডা উল্ফ।তার বর্তমান বয়স ৬৮ বছর। তিনি  ১৬ বছর বয়সে প্রথম বিয়ে করেন। সে জীবনে মোট ২৩ বার বিয়ে করেছেন।যা সর্বাধিক বিবাহিত মহিলার জন্য বিশ্ব রেকর্ড অর্জন করেছেন।

মিসেস লিন্ডা উইলফ জীবনে এত বেশি বিয়ে করার কারণে এখন তার স্বামীদের তালিকাভুক্ত করতে পারে না কিন্তু মনে করে যে, সবচেয়ে ভাল ছিল জর্জ স্কট তার প্রথম স্বামী। তিনি কেবলমাত্র প্রথম স্বামীর সাথে ৭ বছর সংসার করেছিলেন। এটি তার জীবনে সবচেয়ে বেশি দীর্ঘস্থায় হয়েছিল।

তিনি বলেন যে বিয়ের মাধ্যমে আমি আমার জীবনকে উপভোগ করতে পছন্দ করতাম।তার জীবনে সেরা প্রেমিক ছিলেন জ্যাক গার্লি। তার সাথেই বেশি উপভোগ করতে পছন্দ করতেন তাই তার সাথে চিত্তাকর্ষক করতে পছন্দ করতেন। সে তাকেই তিনবার ডিভোর্স করে আবার তিন বার বিয়ে করেছিল।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী
Linda Wolfe -http://www.topbanglapages.com
  তিনি তার বিভিন্ন স্বামী দ্বারা 7টি সন্তান আছে এবং আরো অনেক সৎ সন্তান পেয়েছিলেন অন্যান্য স্বামীদের দ্বারা।এটা সমষ্টি করা সহজ তিনি তার জীবন সম্পর্কে বলেন যখন আমি ছোট ছিলাম তখন আমি কেবল একটি স্নেহ-নিস্কৃত বাচ্চা ছিলাম। কিন্তু প্রতিবেশী ছেলেরা আমার সাথে ভালোবাসার মধ্যে ছিল। তারা সবাই আমাকে বিয়ে করতে চাইত। 

আমি মনে করি যে, এইসব শহরে যেখানে বিশ্বের রেকর্ডধারী ব্যক্তিরা বসবাস করে, তাদের শহরের সীমার বাইরে লক্ষণ আছে। আমি মনে করি না যে অ্যান্ডারসনের মত একটি চিহ্ন থাকবে।

তিনি এখন ১২ বছর ধরে একা হয়েছেন। শৈশব থেকে অবিবাহিত তার দীর্ঘতম কর্মকাণ্ড। কিন্তু আমি আবার বিয়ে করবো। তিনি বলেন,আপনি জানেন, এটি খুবই কষ্টকর একা থাকা।

২৩ বার বিয়ে করে রেকর্ড গড়েছেন যে নারী
Linda Wolfe -http://www.topbanglapages.com
তিনি সূর্যকে বলেন:আমি বছর শেষ হয়ে গেলেও আমি এটি মিস করি।

তাঁর উপদেশ: এক বার বিয়ে কর, এবং বার বার বিয়ে কর। আমি বিশ্বাস করি যে মানুষের জীবন পুষ্পশয্যা নয় কাজেই বিয়ের মাধ্যমে জীবনকে উপভোগ কর।

লিন্ডা উল্ফের দুই স্বামী সমকামী হতে চলেছেন দুইজনই গৃহহীন ছিলেন। গার্লস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে বিয়ে (জীবিত) ব্যক্তি হওয়ার জন্য তিনি খ্যাতি অর্জন করেছেন। 

তিনি আরও বলেন যে " ২৪ তম বিয়ের সন্ধানে আছি ।

বিস্তারিত দেখুন ভিডিও টির মাধ্যমে ঃ