Showing posts with label ইসলামিক তথ্য. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক তথ্য. Show all posts

Sunday, November 8, 2020

বিদেশ কিংবা দূর থেকে স্ত্রী বা প্রেমিকাকে বশে রাখুন।

বিদেশ কিংবা দূর থেকে স্ত্রী বা প্রেমিকাকে বশে রাখুন।

বিদেশ কিংবা দূর থেকে স্ত্রী বা প্রেমিকাকে বশে রাখুন।

স্বামী বিদেশ যাওয়ার আগে স্ত্রীকে বলে গেলো আমি বাড়ি না আসা পর্যন্ত আমার বাড়ি তুমি থেকে কখনই বের হবে না।কয়েকদিন পর স্ত্রীর কাছে খবর আসলো তার বাবা অনেক অসুস্থ্য, কিন্তু তিনি দেখতে যাননি। আবার খবর আসলো তার বাবা মারা গেলো, তার পরও তিনি বাবাকে শেষ দেখা দেখতে যাননি। বাবা মারা যাওয়ার কিছু দিন পর স্বামী বাড়ি আসলো। তখন স্ত্রী স্বামীকে সব খুলে বললো। এবং স্বামীকে নিয়ে বাবার বাড়ি গেলো। একদিন রাতে স্ত্রী স্বপ্নে দেখেন, তার বাবা এসে বলতেছেন, মা তোমার জন্য আজ আমি বেহেস্তের অনাবিল সুখে আছি। তুমি যদি তোমার স্বামীর নিষেধ অমান্য করে আমাকে দেখতে আসতে তাহলে আমিও সেই পাপের অংশিদ্বার হতাম। ইসলামে এমন ও বিধান আছে যে স্বামীর অনুমিত ছাড়া ফকির কে ১টাকা ভিক্ষা দিতে পারবে না। অথচ বর্তমানে স্ত্রীরা স্বামীকে না জানিয়ে স্বামী সম্পদ ভোগ বিলাসীতায় নষ্ট করেন।

আবার স্বামীর অবাধ্য হয়ে যখন যা ইচ্ছে তাই করে বেড়ায়, যখন যেখানে ইচ্ছে সেখানেই ঘুরে বেড়ায়। বিশেষ করে যাদের স্বামী বিদেশ থাকে তাদের স্ত্রীগণ বাজারে ঘুরে বেড়ায় শুধু তাই নয় পরকীয়া প্রেমে তারাই বেশি জড়ায়। আপনি যার জন্য মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সারাদিন কষ্ট করে টাকা পাঠাচ্ছেন। বাড়িতে এসে দেখলেন আপনার স্ত্রী অন্যের হাত ধরে চলে গেছেন। নতুবা পরকিয়া করে তিল কে তাল করেছে আর খাল কে সাগর করে ফেলেছে। আপনারা মনে কিছু নিয়েন না। কারণ এমনটাই বেশি হচ্ছে। এখন আপনার মনে প্রশ্ন আসছে আমি তো বিদেশ কিংবা দূরে থাকি তাহলে আমি কি করব।  আপনার প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে আগে নিজে সৎ থাকুন বিদেশে গিয়ে আবার কাজের বুয়ার সাথে আকাম করবেন না। কারণ পবিত্র কোরআনে বলছে সচ্চরিত্র পুরুষকুলের জন্য সচ্চরিত্র নারীকুল। আপনি অসৎ হয়ে আপনার স্ত্রীর সৎ থাকার চিন্তা করা মানে বোকার স্বর্গে বাস করা। 

এখন আপনাকে জানাবো ছোট একটি আমলের মাধ্যমে বিদেশ কিংবা দূরে থেকেও আপনার স্ত্রীকে বশে রাখতে পারবেন। আপনার এই ছোট আমলই আপনার স্ত্রীকে সচ্চরিত্র রাখতে বাধ্য করবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকেউ সচ্চরিত্রবান হতে হবে। প্রিয়নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তাআলার ৯৯টি গুণবাচক নাম রয়েছে; যে ব্যক্তি এ গুণবাচক নামগুলোর জিকির করবে; সে জান্নাতে যাবে।’এ গুণবাচক নামগুলোর আলাদা আলাদা আমল এবং অনেক উপকার ও ফজিলত রয়েছে। আল্লাহ তাআলার গুণবাচক নাম সমূহের মধ্যে (اَلْوَلِيُّ) ‘আল-ওয়ালিয়্যূ’ একটি। এ পবিত্র নামের আমলের মাধ্যমে অবাধ্য স্ত্রীকে সংশোধন করা যায়।
 
*যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْوَلِيُّ) ‘আল-ওয়ালিয়্যূ’-এর জিকির অধিক পরিমাণে করে; সে ব্যক্তি সৃষ্টি জগতের অন্তরের খবরাখবর অবহিত হতে পারে।

*যদি কোনো ব্যক্তির স্ত্রী বা বাদি এমন বদ চরিত্রের অধিকারী হয় যে, তারা ওই ব্যক্তির কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে সে যেন ওই স্ত্রী বা বাদির নিকট দিয়ে যাওয়ার সময় বা তার কাছে অবস্থান করে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْوَلِيُّ) ‘আল-ওয়ালিয়্যূ’-এর জিকির অধিক পরিমাণে আদায় করে। এ নামের অধিক জিকিরের ফলে আল্লাহ তাআলার ইচ্ছায় বদ স্বভাবের স্ত্রী বা বাদি সংশোধন হয়ে যাবে।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর অবাধ্য স্ত্রীর স্বামীদেরকে বা অধিনস্থ অবাধ্য নারীদেরকে উক্ত আমলের মাধ্যমে সংশোধন করার তথা দ্বীনের সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Saturday, November 7, 2020

জিন কি নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে?

জিন কি নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে?

জিন কি নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে? 

জিন কি নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে


সুপ্রিয় পাঠকবৃন্দ আমাদের মধ্যে অনেকেই আছি যারা জিন পরিকে বিশ্বাস করি না।  এই কন্টেন্ট টি পড়লে আমি বিশ্বাস করিয়েই ছাড়বো যে জিন পরি আছে এবং তারা নারী ও পুরুষের সাথে সহবাস করে। কাজেই লেখাটি শেষ পর্যন্ত না দেখে বা না পড়ে কোনরকমই বাজে মন্তব্য করবেন না।  কারণ আপনি সম্পূর্ণ বিষয়টি না জেনে বাজে মন্তব্য করতে পারেন না। তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ দেখুন এবং মনোযোগ দিয়ে পড়ুন তারপর আপনার মুখের বুলি কমেন্টের মাধ্যমে ঝাড়ুন। 

জিন পরি নেই এই ধারনাটি একান্তই ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা এবং এসব অভিজ্ঞতার ধরন এমনই হয় যে, যাদের এ ধরনের অভিজ্ঞতা নেই তাদের কাছে পার্থিব পন্থায় অকাট্যভাবে প্রমাণ করানো সম্ভব হয় না। কারণ সাধারণত জিন দৃষ্টিগোচর হয় না।

কিন্তু এ ধরনের অভিমত সীমিত জ্ঞানের মানুষেরাই চিন্তা-ভাবনাবিহীন দায়িত্বজ্ঞান বর্জিত অভিমত ছাড়া আর কিছুই না। কারণ, এক ব্যক্তির অভিজ্ঞতার মধ্যে যা কিছু নেই তা-ই সে অস্বীকার করবে এ ধরনের আচরণ অজ্ঞতার পরিচায়ক। তাই প্রথমে আমরা জিন-পরীর অস্তিত্ব আছে কিনা তার ওপরে আলোকপাত করবো; এরপর জিন-পরী ও মানুষের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক বা সহবাস করে কিনা সেটা নিয়ে আলোচনা করবো। 

এ প্রসঙ্গে শুরুতেই উল্লেখ করা প্রয়োজন মনে করছি যে, কোনো কোনো জনগোষ্ঠীর মধ্যে এরূপ ধারণা প্রচলিত আছে যে, মানুষ মারা গেলে তার আত্মা বা ব্যক্তিসত্তা ভুত-পেত্নীতে পরিণত হয় এটা একটা পুরোপুরি কুসংস্কারাচ্ছন্ন ধারণা। কারণ, এর সপক্ষে কোনো অকাট্য প্রমাণ নেই, বা কোন বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রমাণ করে না। তবে জিন জাতি আছে এবং তারা মানুষের শরীরে প্রবেশ করে এবং মানুষের সাথে সহবাস করে এটা প্রমাণ করবো। 

কোরআন মজীদে সুস্পষ্ট ভাষায় জিন্ প্রজাতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে - মানুষকে মাটির উপাদানে সৃষ্টি করার মোকাবিলায় যাদেরকে আগুনের উপাদানে সৃষ্টি করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে (সূরাহ্ আর্-রাহমান্ : ১৪-১৫)।

অনেকে মনে করেন যে, কোরআন মজীদে জিনকে আগুনের তৈরী বলতে এনার্জির তৈরী বুঝানো হয়েছে, কারণ, কোরআন নাযিলকালীন সময়ে এ ছাড়া আলাদাভাবে এনার্জির কথা বুঝানো সম্ভব ছিলো না। তাছাড়া আগুন ও এনার্জিতে তেমন একটা পার্থক্য নেই, কারণ, আগুন থেকে এনার্জি তৈরী হয় এবং এনার্জি আগুনে রূপান্তরিত হয়।

কোরআন মজীদে শয়তানকে - যার আসল নাম ইবলীস্ বা আযাযীল - জিনদের একজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে (সূরাহ্ আল্-কাহ্ফ্ : ৫০), আর সে কাফের জিনদের অন্যতম ছিলো (সূরাহ্ আল্-বাক্বারাহ্ : ৩৪) বিধায় আল্লাহ্ তা‘আলার হুকুম অমান্য করে হযরত আদম (‘আঃ)কে সিজদাহ্ করতে অস্বীকার করে।

এছাড়া একদল জিন কোরআন শোনার পর ইসলাম গ্রহণ করে - কোরআন মজীদে এ কথাও উল্লেখ করা হয়েছে (সূরাহ্ আল্-জিন্ : ১-২)। তেমনি হযরত সুলাইমান (‘আঃ) একদল জিনকে বায়তুল্ মুক্বাদ্দাস্ শহরকে সুন্দর করে গড়ে তোলার কাজে নিয়োগ করেছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া তাঁর সৈন্যদের মধ্যে একদল জিনও অন্তর্ভুক্ত ছিলো (সূরাহ্ আন্-নামল্ : ১৭)। জিন্ প্রজাতি যে আগুন বা এনার্জির উপাদানে তৈরী হবার কারণে দ্রুত চলাচলক্ষম স্থিতিস্থাপক হাল্কা শরীরের অধিকারী তা-ও কোরআন মজীদ থেকে প্রমাণিত হয়। কারণ, ‘ইফ্রীত্ নামক জনৈক জিন্ হযরত সুলাইমানকে (‘আঃ) তাঁর আসন থেকে উঠে দাঁড়াবার আগেই সাবা’ থেকে রাণী বিলকীসের সিংহাসন তাঁর সামনে হাযির করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলো (সূরাহ্ আন্-নামল্ : ৩৯), যদিও সে এটা করার আগেই চোখের পলকের মধ্যে আরেক জন তা এনে হাযির করে। সুতরাং সামগ্রিকভাবে কোনো মুসলমানের পক্ষে জিন্ প্রজাতির অস্তিত্ব অস্বীকার করা সম্ভব নয়। কোরআন দ্বারা জিন জাতির অস্তিত্ত প্রমাণিত। এবার আপনার কমেন্টের পালা।

এবার আসুন জানবো জিন কি নারী বা পুরুসের উপর আছর করে এবং তাদের সাথে কি সহবাস করেঃ 

আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বলে থাকি ঐ নারীর জিনে ধরেছে আবার পুরুষের ক্ষেত্রে বলে থাকি ঐ পুরুষের পরি লেগেছে। ব্যাপারটা কিন্তু একই কথা। এখন একটু ভেঙে বলি। নারী দের ক্ষেত্রে জিন বলতে আমরা পুরুষ জিন কে বুঝি । তবে নারীদের মেয়ে জিন ও লাগতে পারে। কিন্তু নারীদের বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষ জিন আছর করে।  

আবার পুরুষের ক্ষেত্রে বলি পরি লেগেছে। এখানে পরি বলতে মেয়ে জিন কে বোঝানো হয়।  আমরা অনেকেই পরি বলতে মনে করি অসম্ভব সুন্দরী নারী যার দুইটা ডানা থাকবে এবং হাটে যাদুর কাঠি থাকবে। সেই যাদুর কাঠি দারা যা ইচ্ছা তাই সামনে হাজির করতে পারবে। এটা আপনাদের ভুল ধারণা। কারণ ছেলেদের পরী নয় বরং নারী জিনে আছর করে। তবে পুরুষ জিন ও আছর করতে পারে।  

এক কোথায় নারীদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ পুরুষ জিন আছর করে। আবার পুরুষদের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ নারী জিন আছর করে। আর এটা করার মূল কারণই হল ভালো লাগা বা ভালোবাসা। তারা শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আছর করে। তবে সব জিন শারীরিক সম্পর্ক করে না। শায়খুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, “জিন যৌন ইচ্ছা পূরণ করার জন্য, খারাপ ইচ্ছা অথবা ভালোবাসা থেকে মানুষকে দখল করার চেষ্টা করে। এটা ফাহেশা (অশ্লীল) এবং নিষিদ্ধ আচরণ।  ইবনে তাইমিয়া রহ. বলেন, “আনন্দ হাসিলের অর্থ হচ্ছে, নিজের ইচ্ছামত কারো কাছ থেকে কোনকিছু নিয়ে নেয়া বা যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে তাকে ব্যবহার করা। কিন্তু কোন জুলুমই শেষ অবধি শাস্তিবিহীন থাকবে না, তা ইহকালে হোক কিংবা পরকাল।

এক প্রকার আশিক জ্বিন হলো- যারা ব্যক্তির দেহকে ভালোবাসে এবং দেহের প্রতি মোহাবিষ্ট হয়ে পড়ে এবং এই দেহে তাদের সবরকম অধিকার আছে বলে মনে করে। আক্রান্ত ব্যক্তির দেহকে শুধুই একটা ভোগের বস্তু মনে করে। কেউ কেউ মনে করে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি বিবাহিত হলে জিন তাদের বিবাহিত জীবনে অনেক জটিলতা তৈরি করে। স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মাঝে নানান জটিলতা সৃষ্টি করে শেষ অবধি তালাক পর্যন্ত নিয়ে যায়। আক্রান্ত ব্যক্তি অবিবাহিত হলে তার বিবাহ নিয়ে নানান জটিলতা তৈরি করে বিয়েকে প্রায় অসম্ভব করে তোলে।

এক প্রকারের আশিক জিন অনেক বেশি ক্ষতিকর এবং এরা ফাহশা বা অশ্লীল কাজে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ব্যবহার করে। পার্ভার্ট / বিকৃত রুচির জিন বলতে পারেন। মানসিক এবং শারীরিকভাবে অনেক টর্চার করে, কখনো তাদের পরিচিত অথবা অপরিচিত মানুষের রূপে এসে ধর্ষণ করে। এটা স্বপ্নের মত অথবা জাগ্রত অবস্থায়ও হতে পারে। কখনো আক্রান্ত ব্যক্তির বন্ধু বা তার সাথে যে থাকে তাকেও পজেস করে আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে অনৈতিক সম্পর্কে জড়ানোতে উদ্বুদ্ধ করে। আক্রান্ত ব্যক্তিকে সমকামীতায় অথবা কোন প্রানীর সাথে শারীরিক সম্পর্কেও জড়াতে চায় অনেকসময়।

অন্য কিছু আশিক জিন আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেনা কিন্তু ব্যক্তির প্রতি একধরনের আকর্ষণ অনুভব করে। মানুষের মধ্যে যেমন উত্ত্যক্তকারী থাকে তেমনি এই জিনও আক্রান্ত ব্যক্তিকে দূর থেকে দেখে দেখে উপভোগ করার চেষ্টা করে। এভাবে থাকতে থাকতে একসময় কখনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যক্তিকে পজেস করারও চেষ্টা করতে পারে। এখন আপনি হয়তো এই কথাগুলো  বিশ্বাস করছেন না। কারণ আপনি হয়তো কখনই জিন দেখেন নি বা জিন দারা ভুক্তভুগি নয়।  কারণ আগেই বলেছি ভুক্তভুগীরা ছাড়া এটা কেউ জানতে পারে না। তবে আপনি যদি কোন রোগীকে কাছ থেকে দেখেন তাহলে বিশ্বাস না করে পারবেন না। 

আমি নিজেই অনেকবার দেখেছি। আমাদের এক প্রতিবেশি চাচির মাগরিবের আজানের পর  জিন শূন্যে ভাসিয়ে উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাঠের দিকে। আর আমি সন্ধার সময় মাঠ থেকে বাড়িতে ফিরছিলাম ঐ সময় দেখি একটা মহিলা উড়ে যাচ্ছে। কিছুক্ষন পরে দেখলাম চাচির ছেলেরা ও চাচা এবং গ্রামের কিছু লোক মাঠের দিকে দৌড়িয়ে আসছে। আমাকে দেখে জিজ্ঞাসা তোর চাচির দেখেছিস মাঠের দিকে আসতে। তখন আমি বললাম আকজন মহিলা শূন্যে ভেসে যাচ্ছিলেন।  

তখন ওরা বলল কোন দিকে নিয়ে গিয়েছে? আমি তখন ওদের নিয়ে চাচির খুজতে গেলাম। তারপর খুজতে খুজতে বিশাল এক মেহগনি বাগানে একটি গাছের নিচে উলঙ্গ হয়ে পড়ে আছে। পরবর্তীতে তাকে বাড়ি নিয়ে এসে কবিরাজ নিয়ে আসা হল। তখন কবিরাজ জিন সাধন করে এক কলস পানি  দাতে নিয়ে একটু ডাল ভেঙে জিন কে চলে যেতে বললেন। তারপর জিন কবিরাজের কথা মত তাই করলেন। পরে চাচি সুস্থ হয়ে গেলেন। এছাড়াও আমি আরও অনেক দেখেছি। কথাগুলো মিথ্যা নয়। আমি একজন মুসলমান হয়ে যদি মিথ্যা বলি তাহলে এই মিত্থার জন্য সাজা হক। আশা করি এর চেয়ে আমার ব্যাখ্যা দেওয়ার কিছুই নেই। এরপর ও যদি বিশ্বাস না করেন তাহলে ভালো ইমাম সাহেবের কাছ থেকে শুনে নিন। অথবা ইউটিউব এ অনেক বক্তার ভিডিও আছে। এছাড়াও ভুক্তভুগীদের অনেক ভিডিও পাবেন। 

 এবার আপনার কমেন্টের পালা। এখন আপনার যা খুশি তাই কমেন্ট করতে পারেন। তবে সত্যতা না জেনে বাজে মন্তব্য করবেন না। এই ব্যাপারে সত্যতা জানতে আরও খোঁজ খবর নিতে পারেন। 

Sunday, October 25, 2020

সাবধান!! পিতামাতার যেসব ভুলে হিজড়া সন্তান হয়।

সম্মানিত সুপ্রিয় পাঠক হিজড়াদের সাথে আমরা কম বেশী সবাই পরিচিত। কিছু মানুষ হিজড়াদের সাথে মজা করতে পছন্দ করে, কেউ আবার এড়িয়ে চলে। নারীদের ক্ষেত্রে তারা হিজড়াদের রীতিমত ভয় পায় বিশেষ করে তাদের অশোভন আচরণ এর কারণে। হিজড়ারা মূলত সমাজে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে না পেরে নিজেরা আলাদা সমাজ গড়ে তোলে। পরে সমাজ তাদেরকে বঞ্ছিত করেছে স্বাভাবিক জীবন থেকে এই ধারণা থেকে এসব অশোভন আচরণ করে থাকে। হিজড়াদের সম্পর্কে আমরা অনেকেই জানি না। অনেকে আবার ভুল ধারণা পোষন করি। আসুন আজ জেনে নেব হিজরা হওয়ার কারণ সম্পর্কে। হিজড়া কি? কেন হিজড়া হয়? হিজড়া কত প্রকার? হিজড়ার কি চিকিৎসা সম্ভব? বিশেষকরে আরও জানতে পারবেন পিতামাতার কোন কোন ভুলের কারনে হিজড়া সন্তান জন্ম হয়। এছাড়াও আরও জানতে পারবেন হিজড়া সন্তান গর্ভে আসলে সেই সন্তান কি স্বাভাবিক বাচ্চায় রুপান্তরিত করা সম্ভব। প্রথমে আমরা হিজড়া সন্তান জন্ম নেওয়ার ব্যাপারে পবিত্র কোরআন কি বলে সেটা জানব। তারপর জানব হিজড়া সন্তান জন্মানোর ব্যাপারে বিজ্ঞান কি কি ব্যাখ্যা দিচ্ছে?? আশা করি আর্টিকেলটি টি আপনার জন্য দেখা উচিত। তো চলুন শুরু করা যাক।   

হিজড়া সন্তান জন্ম হওয়ার ব্যাপারে হাদিস ও কোরআনের ব্যাখাঃ 

হিজড়া শব্দটি এসেছে আরবী হিজরত বা হিজরী শব্দ থেকে যার আভিধানিক অর্থ পরিবর্তন বা Migrate বা Transfer।  হিজড়া’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ উভয় লিঙ্গ (Common Gender), ইংরেজীতে একে ট্রান্সজেন্ডার (Transgender) বলা হয়।যদি সহজে বুঝতে চান হিজড়া কি তাহলে এতটুকু বুঝুন যে, একজন মানুষ যার শরীরটা পুরষের আর মনটা নারীর অথবা মনটা পুরুষের আর শরীরটা নারীর। 

হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেছেনঃ হিজড়ারা জীনদের সন্তান। কোন এক বাক্তি আব্বাস (রাঃ) কে প্রশ্ন করেছিলেন এটা কেমন করে হতে পারে।

জবাবে তিনি বলেছিলেন “আল্লাহ্ ও রাসুল (সাঃ) নিষেধ করেছেন যে মানুষ যেন তার স্ত্রীর মাসিক স্রাব চলাকালে যৌন সংগম না করে”, সুতরাং কোন মহিলার সঙ্গে তার ঋতুস্রাব হলে শয়তান তার আগে থাকে এবং সেই শয়তান দারা ঐ মহিলা গর্ববতী হয় ও হিজড়া সন্তান প্রসব করে।

(মানুষ ও জীন এর যৌথ মিলনজাত সন্তানকে ইসলাম এ বলা হয় “খুন্নাস”)। প্রমানসুত্রঃ সূরা বানী ইস্রাইল- আর রাহমান -৫৪, ইবনে আবি হাতিম, হাকিম তিরমিজি।

এখন জানবো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাঃ 

মানুষ যেমন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হয়, শ্রবণ প্রতিবন্ধী হয় তেমনি যৌন প্রতিবন্ধিও হতে পারে। হিজড়া’রা হচ্ছে যৌন প্রতিবন্ধী। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যায় বলা হয় মানুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম তার আকৃতি প্রকৃতি ঠিক করে। এর মধ্যে ২২ জোড়া ঠিক করে একটি শিশুর তাবৎ বৈশিস্ঠ্য আর একজোড়া বা ২টি ক্রোমোজোম ঠিক করে শিশু ছেলে না মেয়ে হবে। সে একজোড়া ক্রোমোজোম বাবার কাছ থেকে আসে XY আর মায়ের কাছ থেকে আসে XX। এই এক্স ও ওয়াই এর কম্বিনেশান জটিলতার কারণে শিশু হিজড়া হয়।

XX প্যাটার্ন ক্রোমোজমে কন্যা শিশু আর XY প্যাটার্ন ক্রোমোজমে সৃষ্ট হয় ছেলে শিশু। অর্থাৎ, X এর সঙ্গে X এর মিলনে মেয়ে বা xx এবং X এর সঙ্গে Y এর মিলনে ছেলে সন্তান বা XY জন্ম নেয়। এবং  ভ্রুনের পূর্ণতার স্তরগুলোতে ক্রোমোজোম প্যাটার্নের প্রভাবে ছেলে শিশুর মধ্যে অন্ডকোষ আর কন্যা শিশুর মধ্য ডিম্ব কোষ জন্ম ।

এক্ষেত্রে ভ্রুনের বিকাশকালে নিষিক্তকরণ ও বিভাজনের ফলে বেশকিছু অস্বাভাবিক প্যাটার্নের সৃষ্টি হতে পারে যখনি এমনটা হয় তখনি শিশুর লিঙ্গ জনিত সমস্যার সৃষ্টি হয়। সে হয়তো সঠিক লিঙ্গ পায়না, অথবা পুরুষ লিঙ্গ পেয়েও পুরুষত্ব পায়না আবার নারী লিঙ্গ পেয়েও নারীত্ব পায়না।

তখন এক্স ও ওয়াই এর কম্বিনেশান স্বাভাবিক হয়না, যেমন XXY অথবা XYY। বা XYX বা YXY এর ফলে বিভিন্ন গঠনের হিজড়া শিশুর জন্ম হয়। 

হিজড়াদের প্রকারভেদঃ 

আধুনিক জেনেটিক্স বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতে হিজড়া হলো সেক্র ক্রোমোজমের ত্রুটিপূর্ণ বিন্যাস (Chromosomal Aberration) বা জিন জনিত জন্মগত যৌন প্রতিবন্ধি ব্যাক্তি যাদের জন্ম পরবর্তী সঠিক লিঙ্গ নির্ধারণে জটিলতা দেখা দেয়।

হিজড়াদের শারীরিক গঠন মূলত ৪ প্রকার। কিছু হিজড়া হলো যাদের মধ্যে নারী নারী জননাঙ্গ থাকে না। আবার কিছু হিজড়া হলো যাদের পুরুষের সকল বৈশিষ্ট্য থাকা সত্বেও পুরুষ জননাঙ্গ থাকে না। এছাড়া কিছু হিজড়ার উভয় বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। কারো কোনোটাই থাকেনা। আর শারীরিক ও মানসিক গঠনের উপর নির্ভর করে এদেরকে ৬ ভাগে ভাগ করা যায়।

শারীরিক ভাবে পুরুষ কিন্তু মানষিক ভাবে নারী বৈশীষ্ট্য এর অধীকারী হিজড়াদের বলা হয় অকুয়া, ঠিক বিপরীত হিজড়াদের বলা হয় জেনানা, আর মানুষের হাতে সৃষ্ট বা ক্যাসট্রেড পুরুষদের বলা হয় চিন্নি।

হিজড়াদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনঃ 

হিজড়া বৈশিষ্ট্য নিয়ে জন্মানো কোন শিশুর যদি পরিনত বয়সে যাওয়ার আগে চিকিৎসা করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু যখন আসলে বোঝা যায় সে সাধারন আর দশজনের থেকে আলাদা তখন আসলে অনেক দেরী হয়ে যায়। এছাড়াও জ‌ন্মের পর বাড়ন্ত সম‌য়ে শিশুর যখন অস্বাভা‌বিকতা বা হিজড়ার বৈ‌শিষ্ট্য প্রকাশ পায়; তাহ‌লে তৎক্ষণাৎ পরিণত বয়সে যাওয়ার আগে যদি স‌ঠিক মেডিকেল ট্রিটমেন্ট করা হয় তাহলে বেশীভাগ ক্ষেত্রেই তাকে সুস্থ করা সম্ভব।

স‌ঠিক অপারেশনের মাধ্যমে হিজড়া‌দের লিঙ্গ সমস্যার সমাধান সম্ভব। মুস‌লিম রাষ্ট্র ইরা‌নে সরকা‌রি উ‌দ্যো‌গে, অপা‌রেশ‌নের মাধ্য‌মে হিজড়া‌দের পূনর্বাস‌নের ব্যবস্থা করা হয়। হিজড়া সম্প্রদায় সৃ‌ষ্টির সেরা জীব বা আশরাফুল মাখলুকাতের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ মানু‌ষের পর্যায়ভুক্ত, তারাও সৃষ্টির সেরা। তাদের অবজ্ঞা করা মানে আল্লাহর সৃষ্টিকেই অবজ্ঞা করা।

হিজড়াদের নিয়ে রাসুল (স) এর হাদীস রয়েছে। একজন হিজড়া পবিত্র ক্বাবাঘরের খাদেম এর দায়িত্ব পালন করেছেন বলে শোনা যায়। ভারতে হিজড়ারা ভাতাসহ নানা সুবিধা পায়। পায় একটি সংসদ সদস্যপদ। বাংলাদেশে হিজড়ারা দীর্ঘদিনে আন্দোলন করে ভোটাধিকার এবং তৃতীয় লিঙ্গের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সরকার তাদেরকে চাকরী বাকরী দেয়ার কথা ভাবছে। তবে তাদের জন্য সবচেয়ে বেশী যেটা প্রয়োজন সেটা হলো শিক্ষা। সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে তারা নিজেরাই তাদের অধিকার এবং কাজ খুঁজে নেবে। কিন্তু দু:খের বিষয় হলেও সত্য যে, এদের মধ্যে কিছু লোক হিজড়াদের দিয়ে চাঁদাবাজী করানোর জন্য তাদেরকে বাইরের লোকদের সাথে মিশতে এবং শিক্ষা গ্রহণ করতে দিতে চায়না।

Saturday, January 25, 2020

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

আমরা সকলেই জানি বন্ধুত্বের প্রভাব অনস্বীকার্য। বন্ধুত্ব ও উদারতার নামে যেন নিজেদের দ্বীনদারি ক্ষতি না হয়, এজন্য বন্ধু নির্বাচনের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, الرجل على دين خليله فلينظر أحدكم من يخالل “মানুষ তার বন্ধু স্বভাবী হয়, তাই তাকে লক্ষ্য করা উচিৎ যে, সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।” ( তিরমিযী, যুহুদ অধ্যায়, নং ২৪৮৪)

একারণেই ইসলামের বিধান হল, কোনো অমুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। (সূরা মায়েদা-৫১)

তবে শরীয়তের উক্ত সীমারেখায় থেকে তাদের সঙ্গে শালীন ও সুন্দর আচরণ করা, বিপদে তাদের সহযোগিতা করা, প্রতিবেশী হলে তাদের খোঁজ খবর নেয়া যাবে। এমর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন,

 لَّا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ لَمْ يُقَاتِلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَلَمْ يُخْرِجُوكُم مِّن دِيَارِكُمْ أَن تَبَرُّوهُمْ وَتُقْسِطُوا إِلَيْهِمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ – إِنَّمَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ قَاتَلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَأَخْرَجُوكُم مِّن دِيَارِكُمْ وَظَاهَرُوا عَلَىٰ إِخْرَاجِكُمْ أَن تَوَلَّوْهُمْ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে নি এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বহিষ্কার করে নি, তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে ও তাদের প্রতি ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালোবাসেন। আল্লাহ  তো তোমাদের তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন, যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদেরকে বের করার কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে তারা জালিম। (সূরা মুমতাহিনা : ৮-৯)

তাই আমাদের সব সময় উচিত পরহেজগারি ও ইমানদার ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করা। তাহলে নিজের ঈমান মজবুত হয়। কথায় বলে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। কাজেই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের সবসময় সচেতন থাকতে হবে। আল্লাহ সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করার তৌফিক দান করুন। "আমিন"

                                          নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Friday, January 24, 2020

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা। 
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা যাবে কিনা?অমুসলিমরা তাদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহোযোগিতা চাইলে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা যাবে কিনা? আজকের এই সকল বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করা হবে। কাজেই আমাদের সাথেই থাকুন।

পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, সাহায্য-সহযোগিতা হতে হবে শুধু সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে। গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না। (সূরা মায়েদা ২)

উক্ত মূলনীতির আলোকে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা জায়েয হবে না।

আল্লামা ইবন নুজাইম মিসরি রহ. বলেন,

( والإعطاء باسم النيروز والمهرجان لا يجوز ) أي الهدايا باسم هذين اليومين حرام بل كفر , وقال أبو حفص الكبير رحمه الله لو أن رجلا عبد الله خمسين سنة ثم جاء يوم النيروز , وأهدى لبعض المشركين بيضة ، يريد به تعظيم ذلك اليوم ، فقد كفر , وحبط عمله

নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। অর্থাৎ এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরং কুফর। আবুল আহওয়াছ আল-কাবির রহ. বলেন, যদি কোন ব্যক্তি পঞ্চাশ বছর আল্লাহর ইবাদত করার পর নওরোজের দিন এসে কতিপয় মুশরিককে কিছু উপহার দেয় এবং এ উপহারের মাধ্যমে এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তার সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে। (তাবইনুল হাকায়েক ৬/২২৮)

ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়াতে (ফতওয়া নং ৪৭০১৬) এসেছে,

حكم مشاركة المسلم في بناء كنيسة يعمل أوتبرع غيرجائِزلأنه على الباطل

গির্জা বানানোর সময় কাজের মাধ্যমে কিংবা দানের মাধ্যমে শরিক হওয়া মুসলিমের জন্য জায়েয নয়। কেননা, এতে বাতিলের সহযোগিতা হয়।

 অনেক সময় মুসলিমরা বিভিন্ন কারণে মন্দির ইত্যাদিতে সাহায্য করতে বাধ্য হয়। এরুপ পরিপ্রেক্ষিতে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে কিংবা তার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে মর্মে ফতওয়া দেয়া যাবে না। তবে কাজটি নিঃসন্দেহে অন্যায় ও ঈমানের দুর্বলতার আলামত। তাই কেউ করে ফেললে তাওবা করতে হবে। (ফাতাওয়া রাহিমিয়া ১/৬৮)

মুসলমানের উচিত তার ধর্ম নিয়ে গর্ববোধ করা। ধর্মীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা। লজ্জাবোধ করে অথবা সৌজন্য দেখাতে গিয়ে এক্ষেত্রে কোন শৈথিল্য না দেখানো। বরং আল্লাহকে লজ্জাবোধ করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

          এই বিষয়ে নিচের ভিডিও ফুটেজ টি দেখতে পারেন 

Wednesday, January 15, 2020

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।বিশ্বের অন্যতম এক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে নাম ঠিকানাবিহীন এক প্রেমিক জানতে চান যে- ‘তিনি এক মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। এমন কোনো দোয়া কিংবা আমল আছে কি? যে আমল বা দোয়া পড়লে তিনি যে মেয়েকে ভালোবাসেন তাকে পাবেন কিংবা সে মেয়ে তাকে ভালোবাসবে। নতুবা সে মেয়ে তাকে বিয়ে করতে রাজি হবে? এই সকল প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানটি একটি দোয়ার কথা বলেছেন। দোয়াটি জানতে হলে সম্পূর্ণ পড়ুন । 

এ জিজ্ঞাসার জবাবে প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ জানান-
ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কোনো মেয়েকে একান্তভাবে বা গোপনে গোপনে ভালোবাসা অবৈধ এবং কবিরা গোনাহ। বর্তমানে ভালবাসা মানেই নির্জনে দেখা করা,বাদাম খাওয়া, ফুসকা খাওয়া,পার্কে ঘুরতে যাওয়া, ডেটিং করা আরও কত কিছু। তাই কোনো মেয়েকে ভালোবাসার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই উচিত।

একান্তই যদি কেউ কারো প্রেমে পড়ে যায়, তবে তাকে একটি আমল করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ। আর তাহলো-

যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে ভালোবাসে তাকে শুক্রবার মধ্যরাতে উঠতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করতে হবে। মনের আশা পূরণের নিয়তে এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে-

فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণ : ‘ফা ইং তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১২৯)

অর্থ : এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে আল্লামা কাশ্মীরি রহ. রচিত কিতাব গাঞ্জিনা ই আসরার পড়ার পরামর্শও দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে জীবন-যাপন ও সঠিক পদ্ধতি তার দরবারে প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন। আমিন।