Showing posts with label ইসলামিক তথ্য. Show all posts
Showing posts with label ইসলামিক তথ্য. Show all posts

Saturday, January 25, 2020

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

স্কুল,কলেজে অথবা কর্মক্ষেত্রে হিন্দুদের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে কিনা?

আমরা সকলেই জানি বন্ধুত্বের প্রভাব অনস্বীকার্য। বন্ধুত্ব ও উদারতার নামে যেন নিজেদের দ্বীনদারি ক্ষতি না হয়, এজন্য বন্ধু নির্বাচনের ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, الرجل على دين خليله فلينظر أحدكم من يخالل “মানুষ তার বন্ধু স্বভাবী হয়, তাই তাকে লক্ষ্য করা উচিৎ যে, সে কার সাথে বন্ধুত্ব করছে।” ( তিরমিযী, যুহুদ অধ্যায়, নং ২৪৮৪)

একারণেই ইসলামের বিধান হল, কোনো অমুসলিমের সাথে বন্ধুত্ব করা যাবে না। যেমন, আল্লাহ তাআলা বলেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَتَّخِذُوا الْيَهُودَ وَالنَّصَارَىٰ أَوْلِيَاءَ ۘ بَعْضُهُمْ أَوْلِيَاءُ بَعْضٍ ۚ وَمَنْ يَتَوَلَّهُمْ مِنْكُمْ فَإِنَّهُ مِنْهُمْ ۗ إِنَّ اللَّهَ لَا يَهْدِي الْقَوْمَ الظَّالِمِينَ

হে মুমিণগণ! তোমরা ইহুদী ও খ্রীষ্টানদেরকে বন্ধু হিসাবে গ্রহণ করো না। তারা একে অপরের বন্ধু। তোমাদের মধ্যে যে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহ জালেমদেরকে পথ প্রদর্শন করেন না। (সূরা মায়েদা-৫১)

তবে শরীয়তের উক্ত সীমারেখায় থেকে তাদের সঙ্গে শালীন ও সুন্দর আচরণ করা, বিপদে তাদের সহযোগিতা করা, প্রতিবেশী হলে তাদের খোঁজ খবর নেয়া যাবে। এমর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন,

 لَّا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ لَمْ يُقَاتِلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَلَمْ يُخْرِجُوكُم مِّن دِيَارِكُمْ أَن تَبَرُّوهُمْ وَتُقْسِطُوا إِلَيْهِمْ ۚ إِنَّ اللَّهَ يُحِبُّ الْمُقْسِطِينَ – إِنَّمَا يَنْهَاكُمُ اللَّهُ عَنِ الَّذِينَ قَاتَلُوكُمْ فِي الدِّينِ وَأَخْرَجُوكُم مِّن دِيَارِكُمْ وَظَاهَرُوا عَلَىٰ إِخْرَاجِكُمْ أَن تَوَلَّوْهُمْ ۚ وَمَن يَتَوَلَّهُمْ فَأُولَٰئِكَ هُمُ الظَّالِمُونَ

যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে নি এবং তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বহিষ্কার করে নি, তাদের সঙ্গে সদাচরণ করতে ও তাদের প্রতি ইনসাফ করতে আল্লাহ তোমাদেরকে নিষেধ করেন না। নিশ্চয়ই আল্লাহ ইনসাফকারীদেরকে ভালোবাসেন। আল্লাহ  তো তোমাদের তাদের সাথে বন্ধুত্ব করতে নিষেধ করেছেন, যারা দ্বীনের ব্যাপারে তোমাদের সাথে যুদ্ধ করেছে, তোমাদেরকে তোমাদের ঘর-বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে এবং তোমাদেরকে বের করার কাজে একে অন্যের সহযোগিতা করেছে। যারা তাদের সাথে বন্ধুত্ব করবে তারা জালিম। (সূরা মুমতাহিনা : ৮-৯)

তাই আমাদের সব সময় উচিত পরহেজগারি ও ইমানদার ব্যক্তিদের সাথে বন্ধুত্ব করা। তাহলে নিজের ঈমান মজবুত হয়। কথায় বলে সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস,অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ। কাজেই বন্ধু নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমাদের সবসময় সচেতন থাকতে হবে। আল্লাহ সবাইকে সঠিক পথে পরিচালিত করার তৌফিক দান করুন। "আমিন"

                                          নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Friday, January 24, 2020

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা। 
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা যাবে কিনা?অমুসলিমরা তাদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহোযোগিতা চাইলে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা যাবে কিনা? আজকের এই সকল বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করা হবে। কাজেই আমাদের সাথেই থাকুন।

পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, সাহায্য-সহযোগিতা হতে হবে শুধু সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে। গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না। (সূরা মায়েদা ২)

উক্ত মূলনীতির আলোকে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা জায়েয হবে না।

আল্লামা ইবন নুজাইম মিসরি রহ. বলেন,

( والإعطاء باسم النيروز والمهرجان لا يجوز ) أي الهدايا باسم هذين اليومين حرام بل كفر , وقال أبو حفص الكبير رحمه الله لو أن رجلا عبد الله خمسين سنة ثم جاء يوم النيروز , وأهدى لبعض المشركين بيضة ، يريد به تعظيم ذلك اليوم ، فقد كفر , وحبط عمله

নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। অর্থাৎ এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরং কুফর। আবুল আহওয়াছ আল-কাবির রহ. বলেন, যদি কোন ব্যক্তি পঞ্চাশ বছর আল্লাহর ইবাদত করার পর নওরোজের দিন এসে কতিপয় মুশরিককে কিছু উপহার দেয় এবং এ উপহারের মাধ্যমে এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তার সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে। (তাবইনুল হাকায়েক ৬/২২৮)

ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়াতে (ফতওয়া নং ৪৭০১৬) এসেছে,

حكم مشاركة المسلم في بناء كنيسة يعمل أوتبرع غيرجائِزلأنه على الباطل

গির্জা বানানোর সময় কাজের মাধ্যমে কিংবা দানের মাধ্যমে শরিক হওয়া মুসলিমের জন্য জায়েয নয়। কেননা, এতে বাতিলের সহযোগিতা হয়।

 অনেক সময় মুসলিমরা বিভিন্ন কারণে মন্দির ইত্যাদিতে সাহায্য করতে বাধ্য হয়। এরুপ পরিপ্রেক্ষিতে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে কিংবা তার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে মর্মে ফতওয়া দেয়া যাবে না। তবে কাজটি নিঃসন্দেহে অন্যায় ও ঈমানের দুর্বলতার আলামত। তাই কেউ করে ফেললে তাওবা করতে হবে। (ফাতাওয়া রাহিমিয়া ১/৬৮)

মুসলমানের উচিত তার ধর্ম নিয়ে গর্ববোধ করা। ধর্মীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা। লজ্জাবোধ করে অথবা সৌজন্য দেখাতে গিয়ে এক্ষেত্রে কোন শৈথিল্য না দেখানো। বরং আল্লাহকে লজ্জাবোধ করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

          এই বিষয়ে নিচের ভিডিও ফুটেজ টি দেখতে পারেন 

Wednesday, January 15, 2020

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।বিশ্বের অন্যতম এক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে নাম ঠিকানাবিহীন এক প্রেমিক জানতে চান যে- ‘তিনি এক মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। এমন কোনো দোয়া কিংবা আমল আছে কি? যে আমল বা দোয়া পড়লে তিনি যে মেয়েকে ভালোবাসেন তাকে পাবেন কিংবা সে মেয়ে তাকে ভালোবাসবে। নতুবা সে মেয়ে তাকে বিয়ে করতে রাজি হবে? এই সকল প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানটি একটি দোয়ার কথা বলেছেন। দোয়াটি জানতে হলে সম্পূর্ণ পড়ুন । 

এ জিজ্ঞাসার জবাবে প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ জানান-
ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কোনো মেয়েকে একান্তভাবে বা গোপনে গোপনে ভালোবাসা অবৈধ এবং কবিরা গোনাহ। বর্তমানে ভালবাসা মানেই নির্জনে দেখা করা,বাদাম খাওয়া, ফুসকা খাওয়া,পার্কে ঘুরতে যাওয়া, ডেটিং করা আরও কত কিছু। তাই কোনো মেয়েকে ভালোবাসার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই উচিত।

একান্তই যদি কেউ কারো প্রেমে পড়ে যায়, তবে তাকে একটি আমল করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ। আর তাহলো-

যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে ভালোবাসে তাকে শুক্রবার মধ্যরাতে উঠতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করতে হবে। মনের আশা পূরণের নিয়তে এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে-

فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণ : ‘ফা ইং তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১২৯)

অর্থ : এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে আল্লামা কাশ্মীরি রহ. রচিত কিতাব গাঞ্জিনা ই আসরার পড়ার পরামর্শও দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে জীবন-যাপন ও সঠিক পদ্ধতি তার দরবারে প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন। আমিন।