বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিনোদন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২০

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়ালঃ 

ইসলাম ধর্ম নিয়ে অসংখ্য ডকুমেন্টরি নির্মাণ হয়েছে। বিভিন্ন দেশে টেলিভিশন সিরিয়াল নির্মাণ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ধর্ম নিয়ে নির্মিত সিরিয়ালগুলোর বেশ কদর রয়েছে। এসব সিনেমা অন্যান্য দেশে ডাবিং করে বিপুল অর্থও আয় করা হয়। সিরিয়ালগুলো নির্মাণও হয় অনেক বড় বাজেটে। এসব সিরিয়ালের বিষয়বস্তু এবং সংলাপের মধ্যে ইসলামী ভাবধারা এবং মুসলমান শাসকদের ইতিহাসের কিছু বিষয় আছে। মধ্যপ্রাচ্যে তো মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে আর বাংলাদেশেরও অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য তারা বোধ করে। সেটা থেকে এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হয়। চলুন এমনই রোমাঞ্চকর সেরা ১০টি  বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল নিয়ে আজকের আয়োজন। আশা করি ভিডিও টি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। তো ভিডিও সম্পূর্ণ দেখুন।

১। আসহাবে কাহাফঃ   

আসহাবে কাহাফ হল ১৯৯৭ সালের একটি ইরানি টিভি ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন ফারাজুল্লাহ সালাহশুর। এ সিরিজে আসহাবে কাহাফের ঘটনা ইসলামিক বর্ণনা অনু্যায়ী দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৭ এর এপ্রিল হতে সিরিজটি বাংলায় সম্প্রচার করা শুরু করে। জনাকয়েক পলাতক যুবক, একটি গুহা আর তিন শতাব্দীর নিদ্রা- আসহাবে কাহাফের মূল কাহিনী। আসহাবে কাহাফ কেবল মুসলিমদের কাছেই প্রবল জনপ্রিয় একটি ঘটনা নয়, বরং খ্রিস্টানদের কাছেও ছিল খুব জনপ্রিয় ও অলৌকিক ঘটনা।

২। সুলতান সুলেমানঃ 

সুলতান সুলেমান একটি তুর্কি ধারাবাহিক টেলিভিশন নাটক যা পরিচালনা করেছেন মেরাল ওকেয় ও ইয়িলমায শাহিন।  প্রাথমিকভাবে তুরস্কের "শো" টিভিতে নাটকটির সম্প্রচার শুরু হলেও পরবর্তীকালে তুরস্কের "স্টার" টিভিতে এর সম্প্রচার স্থানান্তর করা হয়। বাংলাদেশের বেসরকারি চ্যানেল "দীপ্ত" টিভি ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় সম্প্রচার শুরু করে। নাটকটি নির্মিত হয়েছে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়কালব্যাপী রাজত্ব বিস্তারকারী উসমানীয় সম্রাট প্রথম সুলাইমান এবং তার স্ত্রী হুররেম সুলতানের জীবনীর উপর ভিত্তি করে, যিনি সুলায়মানের কৃতদাসী হয়েও পরবর্তীকালে তার প্রধান স্ত্রী বা সুলতানা হিসেবে সম্মানিত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন।

৩। ইউসুফ জুলেখাঃ 

ইউসুফ জুলেখা একটি ইরানি সিরিয়াল যা ফারজুল্লাহ সালানশুর পরিচালিত ২০০৮ সালের একটি ইরানি টিভি চলচ্চিত্র, যেখানে নবী ইউসুফ(আঃ)-এর ঘটনা কুরআন এবং ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় ডাবিং এর মাধ্যমে ২০১৬ সাল থেকে ইউসুফ জুলেখা নামে এই ধারাবাহিকটি সম্প্রচার করে আসছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই দুই চরিত্র নিয়ে নির্মিত ধারাবাহিকটি বাংলাদেশ ছাড়াও ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রচারিত হয়েছে।

৪। আলিফ লায়লাঃ 

আলিফ লায়লা হল আরব্য রজনীর গল্প অবলম্বনে নির্মিত একটি ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক। সাগর ফিল্মস এটি নির্মাণ করে। দুটি আলাদা মৌসুমে টেলিভিশন ধারাবাহিকটি নির্মাণ হয়। প্রথম মৌসুমটি ডিডি ন্যাশনাল (দুরদর্শন ন্যাশনাল) চ্যানেলে প্রচারিত হয় এবং দ্বিতীয় মৌসুমটির প্রচার হয় পাকিস্তানের এ.আর.ওয়াই. ডিজিটাল চ্যানেলে। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে পরবর্তীতে ধারাবাহিকটির বাংলাদেশেও বাংলা ভাষায় ডাব করে সম্প্রচার শুরু হয় বিটিভি এবং একুশে টেলিভিশনে। যা রীতিমত দর্শক সাফল্য পায়। ২০১২ সালে ভারতীয় চ্যানেল ধামাল টিভি এর পঞ্চম সম্প্রচার শুরু করে। বর্তমানে বেসরকারী টিভি চ্যানেল গাজী টিভি নিয়মিতভাবে প্রতি শনিবার থেকে বুধবার রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ৭ টা ৪৫ মিনিটে এই ধারাবাহিকটি বাংলায় প্রচার করছে।


৫। দিরিলিস: আরতুগ্রুলঃ  

দিরিলিস আরতুগ্রুল হল মেহমেত বোজদাগ ও কেমাল তেকদেন কর্তৃক নির্মিত একটি তুর্কি ঐতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক, যার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এনজিন আলতান দোজায়তান। ইস্তাম্বুলের বেয়কোয জেলার রিভা গ্রামে এর চিত্রধারণ করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ১০ই ডিসেম্বর তুরস্কের টি আরটি ১ টেলিভিশনে প্রথম সম্প্রচারিত করা হয়। ২০১৬ সালের ১৪ই নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের একুশে টেলিভিশনে সিরিজটির বাংলা সম্প্রচার শুরু করে "সীমান্তের সুলতান" নামে এবং একই বছর ২৩শে ডিসেম্বর এর সম্প্রচার স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মাছরাঙা টিভিতে ২ এপ্রিল ২০১৭ সাল থেকে "দিরিলিস আরতুগ্রুল" নামে পুনরায় এর সম্প্রচার শুরু করে। ওঘুজ তুর্কিদের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে এটি নির্মিত হয়েছে, যা ১৩ শতাব্দীর মধ্যভাগে উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম উসমানের পিতা এরতুগরুল গাজীর জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। উসমানের জীবদ্দশায় এই সময়কালের প্রাধান্য অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়কালই তার মৃত্যুর পর পরবর্তী ছয় শতাব্দীর জন্য উসমানের রাজবংশের অধীনে একটি বিশ্বময় সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত করেছিল। 
 

৬। কারবালা কাহিনীঃ  

কারবালা কাহিনী হল একটি মহাকাব্যিক ও ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন দাভুদ মিরবাঘেরি, ধারাবাহিকটি মুখতার আল-সাকাফির জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। ১৪০ এরও বেশি অভিনেতা এতে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৮ সালে ধারাবাহিকটি বাংলাদেশে আমদানি করে ও বাংলা ভাষায় ডাবিং করে সম্প্রচার করে। বাংলাদেশ ছাড়াও ধারাবাহিকটি আরো কয়েকটি দেশে কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হয়েছে।


৭। জান্নাতঃ 

কোরিয়ান জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘টিয়ার্স অব হ্যাভেন এর কাহিনী অবলম্বনে জান্নাত পরিচালনা করেছেন তুর্কি নির্মাতা সাদুল্লাহ জেলেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সিরিয়ালটি প্রচারিত হয়েছে তুরস্কের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চ্যানেল এটিভি তে। আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে বাংলায় ডাবিংকৃত এই টিভি সিরিয়ালটি। 

পারিবারিক ও বর্তমান সময়ের গল্প নিয়ে জান্নাত নির্মিত হয়েছে। যেখানে একটি এতিম মেয়ের জীবনসংগ্রামের নানা বিষয় উঠে এসেছে। দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হওয়া মেয়েটি যখন স্থপতি হয়ে তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান। তখন তিনি ভাবেন তার জীবনের দুঃখ-দুর্দশা হয়তো দূর হতে শুরু করেছে। কিন্তু উল্টো তার জীবনে নতুন করে আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাকে ফেলে যাওয়া মা আবারও ফিরে আসে তার জীবনে। তবে ভালোবাসা নিয়ে নয়, বরং তার প্রতি তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষ নিয়ে। অন্যদিকে মেয়েটির জীবনে যে প্রেমএসেছিল সেখানেও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়ায় তার বোন।

৮। মহাবীর গাজী সালাউদ্দিনঃ 

সালাহ আল-দিন আল আইয়ুবি বা বাংলায় ক্রুসেড বা মহাবীর গাজী সালাউদ্দিন‎ হল হাতেম আলী পরিচালিত একটি ২০০১ সালের আরব ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক, যাতে হিজরি ৬ষ্ঠ শতকে মিশর ও ল্যাভান্টের নিকটবর্তী এলাকায় ক্রুসেডের ঘটনা সম্পর্কিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মূলত ধারাবাহিকটিতে সালাহ উদ্দিন আয়ুবির জীবনী তুলে ধরা হয়েছে, যিনি হাত্তিনের যুদ্ধের দ্বারা বিনা রক্তপাতে জেরুজালেম দখল করতে সমর্থ হন। ৩০ পর্বের এই ধারাবাহিকটি সালাদিনের জন্ম হতে শুরু করে ঐতিহাসিক ক্রমধারায় সকল ঘটনা পর্যায় ক্রমিকভাবে দেখানো হয়েছে। এর ১ বছর পূর্বে সিরিয়ান পরিচালক নাজদাত আঞ্জুর "সার্চিং ফর সালাদিন" নামে একই বিষয়বস্তু নিয়ে একটি টিভি ধারাবাহিক নির্মাণ করেন। এই ঐতিহাসিক সিরিজটি ২০১৭ সালের ২ই জুলাই হতে বাংলাদেশের এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলায় সম্প্রচার শুরু করে।


৯। হাতেম তাইঃ  

আরব্য রজনীর সেই অমর চির সবুজ চরিত্র ‘হাতেম’। ৭ টি ধাঁধাঁর দারণ বিপজ্জনক রহস্য ভেদ করে সাধারন মানুষের উপকারকারী হাতেম এর শত্রু এবার ইবলিশ শয়তানের দোসর দাজ্জাল। যে কিনা তার কালো জাদুর রাজ্য বিস্তার করতে চায় পৃথিবীব্যাপী, কিন্তু তার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহর ন্যায়পরায়ন বান্দা হাতেম।

দাজ্জাল ইবলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত তার শয়তানী শক্তির পূর্ণ প্রয়োগ করলেও হাতেম তার ঈমানী শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করে দাজ্জাল এবং তার কালো জাদু দিয়ে তৈরি দুষ্ট সাঙ্গ-পাঙ্গদের!!! ধাঁধাঁর রহস্য ভেদ করতে গিয়ে নানা রকম বিপদের মুখোমুখী হয় হাতেম। কিন্তু সততা আর সাহসিকতা দিয়ে বারবার বিভিন্ন ধরনের শয়তানী শক্তিকে পরাজিত করে সে।

১০। ওমরঃ

ওমর হল একটি ঐতিহাসিক আরব টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ যেটি প্রযোজনা এবং সম্প্রচার করেছিল মিডিল ইস্ট ব্রডকাস্টিং সেন্টার। সিরিজটি পরিচালনা করেন সিরিয়ান পরিচালক হাতিম আলী।

৩১ পর্বের এই সিরিজটি ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক-এর জীবনের ১৮ বছর থেকে শুরু করে মৃত্যুকালীন সময়ের মধ্যকার প্রবাহমান প্রাসঙ্গিক ও পারিপার্শীয় সমসাময়িক ঘটনাবলির উপর ভিত্তি করে এই ধারাবাহিকটি নির্মাণ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ইউসূফ আল-কারযাভি ও সালমান আল আওদাহ-এর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত হয়, পাশাপাশি পুরো আরব ও ইসলামিক বিশ্বজুড়ে এটি ব্যাপক বিতর্ক এবং আলোচনা ও সমালচনার ঝড় তোলে। মরোক্কোতেই সিরিজটি্র সকল দৃশ্যের শ্যুটিং করা হয় এছাড়াও মারাক্কেশ, তাঞ্জিয়ায়, এল জাদিদা, কাসাব্লাংকা এবং মহাম্মাদিয়ায় এর প্রধান প্রধান দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয়। ২০১২ সালের ২০শে জুলাই থেকে অর্থাৎ রমজানের ৩০ দিন ব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে এবং একইসঙ্গে তুরস্কের এটিভি ও ইন্দোনেশিয়ার এমএনসিটিভিতে প্রচারিত হয়। এছাড়াও ইউটিউবে এর পর্বগুলো টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই ইংরেজি সাবটাইটেল সহ প্রকাশ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি বিশ কোটি সৌদি রিয়াল ব্যয়ে নির্মিত এবং এপর্যন্ত নির্মিত আরবি ভাষার সবচেয়ে ব্যয়বহুল টিভি ধারাবাহিক হিসেবে অধিক সমাদৃত।

ভিডিও এর মাধ্যমে বিস্তারিত দেখুনঃ

শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত রয়েছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ বলে তারা মনে করেন। হোটেলে মিলনস’ঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।

মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা আপনি থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন।

হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল প’তিতাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা মিলন সংস’র্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের। দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে মি’লনবৃত্তি চরিতার্থ করার

উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক। পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকারপ’তিতাদেরকে মা’দক সেবনে বাধ্য করা হবে না।

ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খ’দ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলাম সম্মত ভাবেই যৌ’নসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের মিলন সংসর্গ ইসলাম সম্মত হবে কিভাবে? এই বিষয়ে ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন। এভাবেই আজ সৌদি আরবের সমাজ ব্যবস্থা আবার সেই বর্বর যুগে ফিরে যাচ্ছে। 

শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২০

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল বাংলাদেশের একজন সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের মুভি পরিচালক,প্রযোজক ও সুপারস্টার নায়কের নাম। তবে তাঁর ভক্ত ও গুণগ্রাহীর যেমন অভাব নেই, তেমনই অভাব নেই তাঁকে নিয়ে সমালোচনা করার মানুষেরও। তবে তাতে কি আসে যায়! কেননা কেউ এটাও অস্বীকার করতে পারবেন না যে বাংলা সিনেমার জন্য নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটি আক্ষরিক অর্থেই চেষ্টা করছেন সিনেমার জগতে একটি অভূতপূর্ব উন্নতি সাধনের জন্য। অনন্ত জলিলের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আমরা সবাই কমই জানি। যেমন তিনি কত সালে জন্মগ্রহণ করেছেন তা একটি রহস্য! তাই আজ আমরা নিয়ে এলাম তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এমন কিছু তথ্য, যেগুলো আপনি আগে কখনও শোনেন নি। 

আসুন আজকে আমরা জানবো অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যেগুলো আপনারা আগে হয়তো জানতেন না। তো চলুন শুরু করা যাকঃ
  1. অনন্ত জলিল মুন্সিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করলেও বেড়ে ওঠে ঢাকার শুক্রাবাদে।
  2. মাত্র  পাঁচ বছর বয়সে এই অভিনেতার মা মারা যান এবং তখন থেকেই বাবা ও এক ভাইকে নিয়ে তার সংসার।
  3. অনন্ত জলিলের ইংরেজি দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তাদের ভক্তদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখা ভালো যে এই তারকা ঢাকার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ‘এ’এবং ‘ও’ লেভেল পাশ করার পাশাপাশি বিবিএ এবং পরবর্তীতে ম্যানচেস্টারের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে কোর্স করেন। 
  4. অনন্ত জলিল সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ৩টি এতিমখানা করেছেন। মিরপুর ১০ নং , বাইতুল আমান হাউজিং ও সাভার মধুমতি মডেল টাউনে আছে এতিমখানাগুলো। এছাড়াও সাভারের হেমায়েতপুরের ধল্লা গ্রামে সাড়ে ২৮ বিঘার উপর একটি বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন অনন্ত জলিল।
  5. এম এ জলিল অনন্তর পূর্ব পরিচয় হলো, তিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। ১৯৯৯ সাল হতে তিনি এজেআই গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজারের পদে কাজ করে আসছেন। সাভারের হেমায়েতপুরে বিশাল জায়গা জুড়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এজেআই গ্রুপ। 
  6. প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটি কাজ তিনি নিজ হাতে তদারকি করেন। প্রতিটি পণ্য তিনি নিজে দেখেন এবং এর পরেই তা বাজারজাত করা হয়। 
  7. শ্রমিকদের সুবিধা অসুবিধা তাকে বুঝিয়ে বললে তিনি কখনই ফিরিয়ে দেন না তাদেরকে। ফ্যাক্টরির শ্রমিকদেরকে প্রতিদিন নাস্তার জন্য ২৫ টাকা করেও বরাদ্দ করে দিয়েছেন এই নায়ক। শুধু তাই নয়, রোগশোকে সবসময় শ্রমিকদের সহায়তা করে থাকেন তিনি। 
  8. প্রথম সিনেমা "খোঁজ- দ্যা সার্চ" তেমন ব্যবসা সফল না হলেও পরবর্তীতে ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’ এবং ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। 
  9. ধারণা করা হয় এই তারকার ব্যক্তিগত জীবনের আলোকেই তৈরি করা হয়েছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা সিনেমাটি। 
  10. স্ত্রী এবং সহ অভিনেত্রী বর্ষার হাতে রান্না করা পায়েশ খেতে খুবই ভালোবাসেন এই তারকা।
  11. ব্যবসায়ী হলেও প্রকৃত জীবনে বেশ রোমান্টিক অনন্ত জলিল। একটি অনুষ্ঠানে সাবাইকে তাক লাগিয়ে বর্ষার উদ্দেশ্যে গানও করেন এই নায়ক। 
  12. ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দয়ালু এই অভিনেতা। তার কাছে এসে কখনো কাউকে খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা যায়নি। তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী এবং ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। 
  13. সুদর্শন এই হিরো লম্বায় ৫.৭ ফিট এবং ওজন ৭২ কেজি। 
  14. আপাদমস্তক এই ব্যবসায়ী ২০০৮ সালে ঠিক করেন যে সিনেমা তৈরি করবেন এবং সেই লক্ষ্যেও নেমে যান। স্থাপন করেন মুনসুন ফিল্মস প্রোডাকশন।
  15.  তিনিই সর্বপ্রথম ইরানের সাথে যৌথ প্রযোজনায় 'দিন' 'The Day' নামের থ্রিলারধর্মী মুভি তৈরি করেছেন। এটি বাংলাদেশ চলচিত্রের একটি সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের মুভি। আগামি কুরবানী ঈদে মুভিটি মুক্তি পাবে। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

বুধবার, ১০ জুন, ২০২০

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি অনন্ত জলিল ও বর্ষা অভিনীত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘দিন – দ্য ডে’র ট্রেলার প্রকাশিত হলো। দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় এই জুটির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন দর্শকরা। এবার বলিউডের সমতুল্য দুর্দান্ত অ্যাকশন ও বিজিএম নিয়ে ট্রেলারেই চমকে দিয়েছেন সুপারস্টার অনন্ত জলিল। 

এবার দেশি সিনেমা দেখে দর্শকরা গর্ব করতেই পারবেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অ্যাকশনের কাছে দেশি সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যগুলো সবসময় পিছিয়ে ছিল। পিছিয়ে ছিল প্রযুক্তি ব্যবহারেও ক্ষেত্রেও। কিন্তু এখন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বেশ তৎপর ঢালিউড সিনেমাপাড়া। আর সেই প্রচেষ্টার সবশেষ চমক দেখালেন অনন্ত জলিল তার ‘দিন – দ্য ডে’ সিনেমায়। 

রোববার (১৫ মার্চ) অনন্ত জলিলের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় ‘দিন – দ্য ডে’ সিনেমার ট্রেলার। ২ মিনিট ১১ সেকেন্ডের ট্রেলারে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন এই অভিনেতা ও প্রযোজক। 

সিনেমাটি ইরান ও বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে। ইরানের মুর্তুজা আতাশ জমজম এবং বাংলাদেশের প্রযোজক অনন্ত জলিলের ‘এজে’ ব্যানারে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।  

ট্রেলারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় অনন্ত জলিল জানিয়েছেন, এখন ইরানে সিনেমাটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও ইরান, তুরস্ক ও আফগানিস্তানে সিনেমাটির শুটিং হয়েছে বলে জানান এই জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অননত জলিল। মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সিনেমার মতো একটা অনুভব আনতেই ‘দিন-দ্য ডে’ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রায় দুই বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে এই সিনেমাটি। 


অনন্ত জলিল বলেন কোরবানীর ঈদেই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই ভাবেই সব কাজ গুছিয়ে নিচ্ছি।” 

বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় এ চলচ্চিত্রে অনন্ত জলিলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তার স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা। এতে একজন চৌকস সোয়াট সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করছেন অনন্ত জলিল; বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে, তা-ই তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বলে জানান এ অভিনেতা।

অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিটির বাংলাদেশ অংশের প্রযোজনার দায়িত্বে আছেন তিনি। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছটকু আহমেদ।

সবশেষ ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছে এ অভিনেতার চলচ্চিত্র‘মোস্ট ওয়েলকাম-২’।২০১০ সালে ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে অভিষেক হওয়ার পর ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’, ‘দ্য স্পিড’, ‘মোস্ট ওয়েলকাম’, ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন অনন্ত জলিল।

মঙ্গলবার, ১৯ মে, ২০২০

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

পর্দায় তিনি একজন নায়ক। অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলায় তার একমাত্র কাজ। পর্দার বাইরেও তিনি একজন মানবিক মানুষ। বিপদে আপদে ছুটে যান দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে।

এবার নিজের ভক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এই অভিনেতা-প্রযোজক। সমগ্র বাংলাদেশে অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল।

আগামী ২০ মে (২৬ রোজায়) অনন্ত তার যাকাত ফান্ড থেকে এই অর্থ প্রদান করবেন বলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বার্তাটি প্রেরণ করেছেন। বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে অনন্ত জলিল বলেন, 'আমার ফ্যানদের জন্য সুখবর। তিনি প্রথমে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। আমার যাকাত ফান্ড থেকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে ৫০০ জনকে। তাতেই মানুষ হুড়মুড় খেয়ে এপ্লিকেশন করতে থাকে ।

তারপরে তিনি আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন। 
আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা
গতকালকে ৫০০০+ ছিল।

আমি গত রাতে ঘুমাতে পারিনি, সবাই আশা নিয়ে আমার কাছে অ্যাপ্লিকেশন করেছেন ।
আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা,এবং আজকে ১১ হাজার + অ্যাপ্লিকেশন দেখার পরে আমি ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষনা দিয়েছি । এ যাবৎ আমার কাছে ১৪০০০+অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়েছে।

আমি এই ২৫ লাখ টাকা দিয়ে ১২৫০ জনকে ২০০০ টাকা করে পাঠাতে পারবো ‌।
আজ দুপুর থেকে আমার ফ্যাক্টরিতে আমি ১০ জনের একটি স্পেশাল টিম গঠন করে দিয়েছে , যারা সব অ্যাপ্লিকেশনগুলো যাচাই-বাছাই করছেন।
আমি মন থেকে চাইছি যে যতজনই আমাকে অ্যাপ্লিকেশন করেছেন, তাদের সবাইকেই আমি সাহায্য করি। কিন্তু এই মুহূর্তে তা আমার সামর্থের বাইরে। আপনারা সবাই জানেন যে আমি শুধুমাত্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। আমার দ্বিতীয় কোনো ইনকাম সোর্স নেই।

বিগত দুই মাস ধরে সারা বিশ্বের করোনার এই মহামারীতে অনেক শিপমেন্ট ক্যান্সেল হয়ে গেছে।
এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হয়েছে। আমি আমার জায়গা থেকে নিঃস্বার্থভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি মানুষকে সহযোগিতা করার। তাই আপনারা আমাকে মন থেকে ক্ষমা করে দিবেন, আমি সত্যিই অনেক কষ্ট পাচ্ছি আপনাদের সবাইকে সহযোগিতা করতে না পারার জন্য।

ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন আমার জন্য আমার পরিবারের জন্য, আমার ফ্যাক্টরির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দোয়া করবেন ।
বিস্তারিত জানতে ১৭ মে নিজের ফেসবুক পেজ এবং বর্ষার ফ্যান গ্রুপে যুক্ত হবার জন্য ভক্তদের অনুরোধ করেছেন এই ব্যবসায়ী অভিনেতা।

এদিকে সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে অনন্ত জলিলের সিনেমা ‘দিন-দ্য ডে’ সিনেমা। এটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায়। হলিউডি একশন ধাঁচের এ সিনেমায় তার সঙ্গে দেখা যাবে বর্ষাসহ ইরান-বাংলাদেশের অনেক শিল্পীদের৷

আপনি যদি অসহায় ও দরিদ্র হয়ে থাকেন তাহলে নিচে এপ্লিকেশন ফর্মের লিঙ্ক দেওয়া হল। সরাসরি ওখান থেকে আপনারা এপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করে ঝটপট জমা দিয়ে দিন।

   শুধুমাত্র অসচ্ছলদের জন্য এখনই আবেদন করুন
          নিচের লিঙ্ক থেকে ফর্ম পূরণ করুনঃ 
                             https://forms.gle/ULvoXrNjAcZyX6XEA

বুধবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২০

বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকা।

বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকা।

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকা। সফল মানুষেরা কখনোই তাদের কর্মের প্রতিদান খোঁজেন না। এখানেই হয়তো তাদের সাফল্যের মূলমন্ত্র গুলো নিহিত থাকে। ‘ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন’ মূলত যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটির একটি উদ্যোগে পরিচালিত হয়। এমনই সাফল্যমণ্ডিত মানুষদের নিয়ে ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের কর্মকাণ্ড সম্পাদনা করে থাকেন । সম্প্রতি তারা ১০০ জন সবচেয়ে প্রভাবশালী বাংলাদেশিদের তালিকা প্রকাশ করে। তাদের মধ্যে থেকে বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকা নিয়ে "Top Bangla Pages" ওয়েবসাইটের পক্ষ থেকে আজকের এই বিশেষ আয়োজন।চলুন শুরু করা যাক। 
বিশ্বের শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশীদের তালিকায় রয়েছেন তারা হলেনঃ
  1. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. জাওয়াদ করিম 
  3. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
  4. সালমান খান 
  5. করভি রাখশান্দ 
  6. সারা হোসেন 
  7. সাকিব আল হাসান
  8. ওমর ইশরাক
  9. সুমাইয়া কাজী
  10. নিশাত মজুমদার

 ১  মুহাম্মদ ইউনূসঃ  

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস একজন বাংলাদেশী নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনিই একমাত্র বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক। এছাড়াও অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন। মুহাম্মদ ইউনূস ও তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে সামাজিক ও আর্থিক উন্নয়নের জন্য শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেছেন। হত দরিদ্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যে উন্নত বিশ্ব অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য শিল্পোন্নত দেশ সেই উন্নয়নের মডেল ব্যবহার করতে আগ্রহী হয়। ড. ইউনূস ২০১৪ সালে ইউনূস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। এখান থেকেই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে আগ্রহী করে তুলছেন।

 ২  জাওয়াদ করিমঃ

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

ইউটিউবের নাম শোনেননি,এখন এমন মানুষ খুজে পাওয়া দায়। দৈনন্দিন জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা ভাত-ডালের মতোই হয়ে গিয়েছে। জাওয়াদ করিম জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট ইউটিউবের সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তার জন্ম তত্কালীন পূর্ব জার্মানিতে। পে-পালে চাকরি করার সময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় চ্যাড হার্লি ও স্টিভ শ্যানের নামের দুইজন বন্ধুর সাথে। এই তিনজন পরে একটি ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট চালু করেন। গুগল যখন ওই ওয়েবসাইটটি কিনে নেয় তখন জাওয়াদ করিমকে ৬৪ মিলিয়ন ডলারের ১,৩৭,৩৩৪টি শেয়ার দেওয়া হয়েছিল। করিম পরবর্তী সময়ে এই টাকা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিজনেস আইডিয়া শুরু করতে ও এগিয়ে নিতে সাহায্য করেছিলেন। অনেক বাঙালিই হয়তো জানেন না, একজন বাংলাদেশি ইউটিউবের জন্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। 

 ৩  স্যার ফজলে হাসান আবেদঃ

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

ফজলে হাসান আবেদ, কেসিএমজি একজন বাংলাদেশি সমাজকর্মী এবং বিশ্বের বৃহত্তম বেসরকারি সংগঠন ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান। সামাজিক উন্নয়নে তার অসামান্য ভূমিকার জন্য তিনি ম্যাগসেসে পুরস্কার, জাতিসংঘ উন্নয়ন সংস্থার মাহবুবুল হক পুরস্কার ও গেটস ফাউন্ডেশনের বিশ্ব স্বাস্থ্য পুরস্কার লাভ করেছেন। দারিদ্র্য বিমোচন এবং দরিদ্রের ক্ষমতায়নে বিশেষ ভূমিকার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইটহুডে ভূষিত করেছে। তার প্রচেষ্টায় ব্র্যাক এখন বিশ্বের ১ নম্বর বেসরকারী সংস্থা হিসেবে পরিগণিত হয়েছে।

 ৪  সালমান আমিন খানঃ

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

সালমান আমিন খান হলেন ‘খান একাডেমি’র প্রতিষ্ঠাতা। খান একাডেমি একটি উন্মুক্ত অনলাইনভিত্তিক ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। নিজ বাসার ছোট একটি অফিস নিয়ে প্রথমে যাত্রা শুরু করে, বিভিন্ন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয়সমূহ, বিশেষত গণিত ও বিজ্ঞানের উপর ৬,৬০০-এর অধিক ভিডিও তৈরি করেছেন তিনি। ২০১২ সালে মার্কিন পত্রিকা টাইমের জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির বার্ষিক তালিকায় তার নাম উঠে এসেছিল। ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত, ইউটিউবে খান একাডেমির চ্যানেলটি ২,৭৮০,৮০৮-এর অধিক গ্রাহককে আকৃষ্ট করেছে এবং ভিডিওগুলো সব মিলিয়ে ৭০০ মিলিয়নের অধিক বার দেখা হয়েছে।   

 ৫  করভি রাখশান্দঃ 

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

জনপ্রিয় অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ‘জাগো ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন করভি রাখশান্দ । মাত্র ৩০ বছর বয়সেই সাফল্যের বনে গেছেন এত বড় একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোক্তা। ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে জাগো ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। ২০০৭ সালে প্রথম ১৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে রায়ের বাজারে বিনামূল্যে শিক্ষাদান করার জন্য একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে শিক্ষাদান ছাড়াও আরও অনেক ধরনের সামাজিক উন্নয়ন ও জনসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করেছেন সবসময়।


আরও পড়ুনঃ বিয়ের আগে প্রত্যেকের জানা উচিত নয়তো বিরাট ভুল করবেন।  

 ৬  সারা হোসেনঃ  

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন দক্ষ আইনজীবী সারা হোসেন। মানবাধিকার লঙ্ঘন বিষয়ে তিনি নিরলস কাজ করে চলেছেন বহু দিন ধরে। জোরপূর্বক উচ্ছেদের শিকার বস্তিবাসীদের আশ্রয় নিয়েও কাজ করছেন তিনি। এছাড়া নারী নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থার দুর্নীতি নিয়ে রিপোর্ট করার ফলে হয়রানির শিকার সাংবাদিকদের পক্ষেও তিনি সবসময় সোচ্চার রয়েছেন। বাংলাদেশের একজন আইনজীবী ও সুনাগরিক হিসেবে এই কাজগুলোকে নিজের কর্তব্য মনে করেন তিনি।

 ৭  সাকিব আল হাসানঃ 

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

২০০৬ সালের আগস্ট মাসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক হয় সাকিব আল হাসানের। সেই থেকে  তার পথ চলা শুরু।বর্তমানে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তিনি। তার খেলার মান ও ধারাবাহিকতা তাকে নিয়ে গেছে এক নতুন উচ্চতায়, হয়েছেন দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য একজন খেলোয়াড় ‘দ্য ওয়ান এণ্ড অনলি’। সাকিব ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে টেস্ট, ওডিআই ও টি-২০ প্রত্যেক ক্রিকেট সংস্করণে এক নম্বর অল-রাউন্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন। সাকিব প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে একদিনের ক্রিকেটে ৪,০০০ রান করার গৌরব অর্জন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম এবং পৃথিবীর ২৮তম খেলোয়াড়, যিনি ২০১১ সালে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এক টেস্ট ম্যাচের এক ইনিংসে ৫ উইকেট শিকার করেছিলেন।

 ৮  ওমর ইশরাকঃ

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

বিশ্বের চার নম্বর চিকিৎসা যন্ত্র নির্মাতা কোম্পানি মেডট্রনিকের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন ড. ওমর ইশরাক। জিই হেলথ কেয়ারের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও সিইও এখন আছেন মেডট্রনিকে। মেডট্রনিক সেই সময় লোকসান গুনছিল। পড়ে গিয়েছিল তাদের শেয়ার। ২০১১ সালে কোম্পানিটি নিয়ে আসে ড. ওমর ইশরাককে। ইশরাক তখন মেডট্রনিকের ধসে যাওয়ার মূল কারণগুলো খুঁজে বের করতে সমর্থ হয়। এরমধ্যে একটি ছিল ‘ইনফুজ’নামের চিকিৎসা যন্ত্র। এই যন্ত্র সুবিধার চেয়ে অসুবিধা করছিল অনেক বেশি। এর প্রতিকার খুঁজতে থাকলেন আর ঝুঁকলেন বিশ্ববাজারের দিকেও। সবমিলিয়ে ঝড়টা ভালোভাবেই সামলে নিলেন তিনি। এ বছর লন্ডনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশনের তালিকায় বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশির মধ্যে উঠে এসেছে তার নাম।

 ৯  সুমাইয়া কাজীঃ

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

সুমাইয়া কাজী জন্মসূত্রে বাংলাদেশি একজন মার্কিন নাগরিক এবং বিখ্যাত নারী উদ্যোক্তা। তার পৈতৃক নিবাস  বাংলাদেশের ফেনী শহরে। তিনি লেখাপড়া শেষ করে সান মাইক্রোসিস্টেমস নামক একটি প্রতিষ্ঠানে সিনিয়র সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার হিসেবে যোগদান করেছিলেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ওয়েবনির্ভর সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন। তিনি সংবাদসংস্থা রয়টার্স এবং ক্লাউট কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী ৫০ উদ্যোক্তার তালিকায় ১৬ নম্বরে অবস্থান করছেন। সিলিকন ভ্যালি বিজনেস জার্নাল তাকে ‘ওমেন অব ইনফ্লুয়েন্স’ উপাধি দিয়েছে। এছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্রের বিজনেস উইক ম্যাগাজিন ও কালার লাইট ম্যাগাজিন থেকে ‘সেরা তরুণ উদ্যোক্তা’সহ বেশ কয়েকটি পুরস্কার অর্জন করেছেন। পেয়েছেন সিএনএনের ‘ইয়ং পারসন হু রকস’ এবং কালার লাইট ম্যাগাজিনের সেরা তরুণ উদ্যোক্তার পুরস্কার।সব মিলিয়ে বলা যায় নারী হয়েও তিনি অত্যান্ত সফল একজন ব্যক্তিত্ব। 

 ১০   নিশাত মজুমদারঃ 

শীর্ষ ১০ প্রভাবশালী বাংলাদেশী,যুক্তরাজ্য পাওয়ার এন্ড ইন্সপিরেশন,বিশ্বের প্রভাবশালী ১০ বাংলাদেশি,বাংলাদেশের সেরা ১০ ক্ষমতাবান ব্যক্তি,সেরা ১০ বাংলাদেশী ক্ষমতাধর,ব্রিটিশ বাংলাদেশি পাওয়ার অ্যান্ড ইন্সপিরেশন তালিকা,মুহাম্মদ ইউনূস,জাওয়াদ করিম,স্যার ফজলে হাসান আবেদ,সালমান খান,করভি রাখশান্দ,সারা হোসেন,সাকিব আল হাসান,ওমর ইশরাক,সুমাইয়া কাজী,নিশাত মজুমদার

আমাদের সকলের কাছে‘হিমালয় পার হওয়া’বলতে মনে করি খুবই দুঃসাধ্য ব্যাপার। সেই দুঃসাধ্য কাজটিই করে দেখিয়েছেন বাংলাদেশের নারী নিশাত মজুমদার। তিনি প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে শনিবার সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকা ওয়াসায় হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। পেশায় একজন অ্যাকাউনটেন্ট হলেও নিজের নেশাকে দমিয়ে রাখতে পারেননি। সারা বিশ্বের নারীদের সামনে তিনি একজন বড় মাপের আদর্শ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছেন। হিমালয় জয় করার আগে বহুবার তিনি পর্বতারোহণ করেছেন প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে। তাই বলা যায়, এমন নারীই তো সবার জন্য আদর্শ হবেন বিশেষ করে নারী জাতির জন্য।