Showing posts with label ব্লগার ব্লগিং. Show all posts
Showing posts with label ব্লগার ব্লগিং. Show all posts

Friday, October 4, 2019

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

আমরা যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি তখন সেখানে আমরা ম্যাসেঞ্জার বাটন দেখতে পাই। এই ম্যাসেঞ্জার বাটন সেট করার কারণে যারা ভিজিটর তারা ওয়েবসাইটের মালিকের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। এবং তাদের কোন কিছু জানার প্রয়োজন থাকলে তৎক্ষণাৎ মেসেজ করে জানতে পারবে। এটার ফলে খুব সহজেই ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। যার ফলে ওয়েবসাইটে ক্রমশ ভিজিটর বৃদ্ধি হতে থাকে। তাছাড়াও ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেকেই ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়ের জন্য আলাপ আলোচনা করতে পারবে।  তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কীভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করব। আসলে এটি একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করতে হয়। সুতরাং আসুন দেখুন যে, খুব সহজেই কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।  

সময় থাকলে অবশ্যই নিচের আর্টিকেল ৩টি পড়ে নিবেন আশা করি আপনার অনেক উপকার আসবে।

  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

প্রথম পদক্ষেপঃ  

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন তার জন্য নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

  • প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। তারপর আপনার "Facebook Page"এ প্রবেশ করুন। 
  • এখন দেখুন যে আপনার "Facebook Page"এর পৃষ্ঠার হোমপেজের উপরের ডানদিকে একটি "setting" বাটন আছে এখন এটিতে ক্লিক করুন।
  • দেখুন যে অনেকগুলি বিকল্প অপশন রয়েছে। এখন  "Messenger platform" ক্লিক করুন।
  • তারপরে "Customer chat Plugin" ক্লিক করুন। এবার "Jump to section" ক্লিক করুন এবং "setup" বাটনে  ক্লিক করুন। 
  • এখন দেখুন যে আপনার পর্দায় একটি নতুন উইন্ডো প্রদর্শিত হচ্ছে এবং সেখানে  "Next" বাটনে ক্লিক করুন। 
  • এখন "Hi!How can we Help You?"এর মতো স্বাগত পাঠ্যটি সেটআপ করুন।  বা আপনার  পছন্দ মত অন্য কিছু সেট করতে পারেন। 
  • ইচ্ছা করলে আপনি বাংলাতে মেসেজটি লিখতে পারেন। যেমন "হ্যালো!কিভাবে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি"। তারপর   "Next" বাটন ক্লিক করুন।
  • এখন আপনি  ম্যাসেঞ্জার আইকনটির সেটআপ কালার পরিবর্তন করতে পারেন অথবা ডিফল্ট কালার রেখে দিতে পারেন।  তারপর "Next" বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনি এইচটিএমএল কোড টি কপি করুন।  

২য় পদক্ষেপঃ
এখন আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটের থিম অপশনে প্রবেশ করুন  বা আপনার ওয়েবসাইট "index" ফাইলটিতে যান এবং <হেড> কোডের পরে এই কোডটি পেষ্ট করুন।
এখন এটি সংরক্ষণ করুন এবং আপনার সাইটে যান এবং আপনার সাইটটি একবার রিফ্রেশ করুন।
আপনার ওয়েবসাইটে এখন একটি ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত হয়েছে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন এতক্ষণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এরপরও  আপনাদের যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ইনশাল্লাহ আমি আপনাকে সাহায্য করবো।  

Sunday, September 8, 2019

 ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

 ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়। 

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী প্রক্রিয়া,সোশ্যাল মিডিয়া ,রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করা  সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO),সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক , সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করা,ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়া ,কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করা ,ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া ,ডাটা এনালাইসিস করা  ,হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা, প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট ,ভিডিও মার্কেটিং, বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করা ,বাউন্স রেট চেক করা, নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুন, সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুন

আপনি যদি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করতে চান তাহলে আপনার সাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর থাকতে হবে। ব্লগ বা ওয়েবসাইটের  জন্য ভিজিটর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিজিটর ছাড়া ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কোন মূল্য থাকে না একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমরা বলে থাকি ভিজিটর হল ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রাণ। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে টাকা উপার্জন করার জন্য হউক বা আপনার লেখার সঠিক মূল্য পাওয়ার জন্য অথবা আপনার পরিচিতি পাওয়ার জন্য যেটাই হোক না কেন আপনার প্রথম শর্ত হল আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা।

আমি ধরেই নিলাম আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে এবং আপনি সেখানে নিয়মিত অনেক কষ্ট করে আর্টিকেল পাবলিশ করেন, কিন্তু আপনার সেই কষ্ট কখনোই স্বার্থক হবে না যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর প্রবেশ করে। যদিও ভিজিটর আনা খুব একটা সহজ কাজ না সকলের পক্ষে এটা সম্ভব পর হয়ও না কিন্তু তারপর ও আপনি যদি সঠিক উপায়ে নিয়মকানুন মেনে চেষ্টা করেন তাহলে আপনার সাইটেও নিয়ে আসতে পারবেন আশানুরুপ ভিজিটর ।

আজ আমি আপনাদেরকে এই বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো যে, কিভাবে আপনার সাইটে বা ব্লগে আশানুরুপ ভিজিটরে নিয়ে আসতে পারবেন খুব কম পরিশ্রমে এবং কম সময়ের মধ্যে।তাই আমি আশা করি সবাই পুরো আর্টিকেলটিকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। যদি সত্যিই আপনাদের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর বাড়াতে চান তাহলে একটু ধৈর্য ধরে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে।

তার আগে আমার ওয়েবসাইটে ব্লগ এবং গুগল এডসেন্সে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে সেগুলো দেখতে চাইলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়ঃ  



১। সোশ্যাল মিডিয়া ঃ

একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যখন আপনি নতুন তৈরি করবেন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার প্রথম কাজ হবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর মানুষের কাছে খুব সহজেই পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া।

এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, ইত্যাদি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে  তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে নিতে পারবেন। এই জন্য আপনাদের নিয়মিত কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দিতে হবে।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ভিজিটর নিজ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৮-১০ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়া গুলো যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, অবস্থান করে । কাজেই আপনারা কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করে ওয়েবসাইটের ভিজিটর  বাড়াতে পারেন।

২। রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করাঃ

রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করার ফলে ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয় যার ফলে প্রতিমাসে একটিভ ভিজিটর বেড়ে যায়। পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুর স্ক্রিন একই রকম হয় না, রেসপন্সিভ বলতে বুঝানো হয়েছে যে সাইট গুলো পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে কোনো সমস্যা হয় না। ওয়েবসাইট বানানোর আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সাইট টি রেসপন্সিভ কিনা।

৩।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনঃ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর সংক্ষিপ্ত নাম হল seo অনেকেই হয়তো বাংলা বললে বুঝতে পারে না।যেকোনো ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায়  হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম ২-৩ টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি।আমরা কখনই নিচে আসা সার্চ ফলাফল গুলো পড়তে চায় না। কারণ সকলে বিশ্বাস করে গুগলে সার্চ করলে যেটি প্রথমে আসবে সেটিই হবে সেরা আর্টিকেল।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের সবচেয়ে উপরে তুলে নিয়ে আসা। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)সম্পর্কে  অনেক কিছু জানতে হয়। এটি শুরু করার আগে অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন।

৪। সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করাঃ


অন্যের কন্টেন্ট কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে পোস্ট করে ভিজিটর আশা করা যায় না। কারণ যেই পোস্ট গুগলে একবার সাবমিট করা হয়েছে সেটা ইতিমধ্যে অনেকেই পড়ে ফেলেছে। কাজেই সেই পোস্ট টি আর পড়তে চাইবে না। আর গুগলে কপি করা কন্টেন্ট র‍্যাঙ্কিং করে না বরং প্যানাল্টি দিতে পারে। কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তাই কন্টেন্ট লেখা এবং সাইটে পাবলিশ করার আগে খেয়াল রাখতে লেখাটি যাতে ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হয়। কন্টেন্ট ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হলে ভিজিটর সেই সাইটে বেশি বেশি প্রবেশ করবে। কারণ সেখান থেকে ভিজিটর অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।

৫। ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়াঃ

গুগল সমীক্ষায় দেখা গেছে একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য সাধারণত ৩সেকেন্ড সময় নেই। অর্থাৎ যদি ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো সাইট লোড না নেয় বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারে তবে ভিজিটর বিরক্ত হয় এবং সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন । তাই বোঝাই যাচ্ছে ভিজিটর বাড়ানো জন্য ওয়েবসাইট স্পিডের  উপর নজর দিতে হবে। ওয়েবসাইটের স্পিড কিভাবে বাড়ানো যায় এ ব্যপাারে পরবর্তীতে আমি নিজেই আর্টিকেল লিখবো।

৬।কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করাঃ 

ফটো বা ইমেজ যেকোনো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে যদি আপনারা আকর্ষণীয় ছবিসহ কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন তাহলে মানুষ খুব সহজেই ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। তাছাড়া অনেকেই গুগলে ইমেজ সার্চ করে সেখান থেকে আপনার ইমেজ পছন্দ হলে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনেক বেড়ে যাবে।

৭। ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া

কমেন্ট সেকশনে এংগেজ থাকলে ওয়েবসাইটের রেগুলার ভিজিটরের সংখ্যা অনেকগুন বেড়ে যায়।এজন্য সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। যার ফলে ভিজিটরদের কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে আপনার কাছে জানতে চায়তে পারবে। তাছাড়াও তারাও বিভিন্ন মতামত প্রদর্শন করতে পারবে। আর আপনি সবসময় কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

৮।  ডাটা এনালাইসিস করাঃ 


ওয়েবসাইট অথরিটিদের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস করা । এর  মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন বয়সের এবং কোন সময়ে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বেশি থাকে। সেই অনুযায়ী ডাটা এনালাইসিস করে পরবর্তী পোষ্ট গুলো ঠিক সেই সময় গুলোতে পাবলিশ করলে ভিজিটর সংখ্যা অবশ্যই বাড়বে। এর জন্য আপনি চাইলে গুগল এ্যানালাইটিকস ব্যবহার করতে পারেন। গুগল এনালাইটিক্সের মাধ্যমে সকল তথ্য জানা যায়।

৯।  হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা: 

যেকোনো পোষ্টে হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা  খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।মনেকরা যাক আপনি একটা আর্টিকেল লিখেছেন কিভাবে ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি এর আগেই কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় এ নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছেন। আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথে  কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় ট্যাগ করে দিতে পারেন। এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা বিরাট চান্স থাকবে।

১০।প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইটঃ 

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অরেকটি চমৎকার উপায় হলো প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট। ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে থাকে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফোরাম সাইট কিংবা প্রশ্ন-উত্তর সাইট গুলোতে উত্তর দেয়ার সময় সেটা যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা পছন্দ করে না। তো এসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে পড়ে নিতে হবে। Quora তাদের মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন- উত্তর বা ফোরাম সাইট।

১১। ভিডিও মার্কেটিংঃ

ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে। অথবা আপনি এমন একটা ভিডিও তৈরি করেছেন তার সাথে মিল রেখে ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করুন। এবার সেই ভিডিও এর ডিসক্রিপশন বক্সে সেই কন্টেন্টের লিঙ্ক দিয়ে দিন এইতো কাম শেষ।

১২। বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করাঃ


ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অন্যতম উপায় হল অন্যের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কমেন্ট করা। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যে ধরণের কন্টেন্ট পাবলিশ করেন সেই ধরণের ব্লগ  বা ওয়েবসাইট গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে। এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলা হয় ব্যাক লিংক। এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট উপরের দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক তৈরি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়। তা না হলে গুগলস সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।

১৩। বাউন্স রেট চেক করাঃ 

বাউন্স রেট সব সময় % হিসেবে প্রকাশ করা হয়। আপনার ওয়েসাইটে আসার পর মোট ভিজিটরের কতো % অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই বন্ধ করে দিয়েছে”অর্থাৎ যদি আপনার ওয়েবসাইটের মোট ভিজিটর যদি হয় ১০০ জন তার মধ্যে ৬০ জন্যই আপনার হোম পেজ লোড হওয়ার পর অণ্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই আপনার ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দেয় তবে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হবে ৬০%।

এখন আপনার কাছে প্রশ্ন আসতে পারে ওয়বেসাইটের বাউন্স রেট কত পারসেন্টের মধ্যে থাকলে ভালো হয়।
বাউন্স রেট
স্টান্ডার্ড=৩০% এর কম
খুব ভালো= ৪১% - ৫৫%
ভালো= ৫৬% - ৭০%
খুব ভালো নয়= ৭০%- ৮০% এর বেশী
খুব খারাপ= ৮০%- ১০০%

এবার আমরা বুঝতে পারলাম একজন ভিজিটরকে শুধু ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই হবে না। তাকে অবশ্যই ওয়েবসাইটে ধরে রাখার মত কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে।

১৪। নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশে আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত হতে হবে । আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর পেতে বা ভিজিটর ধরে রাখতে হলে নিয়মিত হওয়াটা খুবই জরুরী ।কারণ একটি ভিজিটর যখন দেখবে আপনি একটি নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় পরপর আর্টিকেল পাবলিশ করে যাচ্ছেন তাহলে সেও নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে ।আর আপনি যদি ১ দিন ৪-৫ টা আর্টিকেল পাবলিশ করলেন আর ১ সপ্তাহ আপনার কোন খোঁজ নেই । আবার কিছুদিন পর আবার ২-৩ টা করলেন। এভাবে আর্টিকেল পাবলিশ করলে ভিজিটর বিরক্ত হয়। ধীরে ধীরে ভিজিটররা ওয়েব পেজটি আন সাবস্ক্রাইব করে দেই। কারণ তারা অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে সুযোগ সুবিধা গুলো পাওয়ার ফলে চলে যাবে। তাই কোন কাজে নিয়মিত না হলে সফল পাওয়া যায় না।

১৫। সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুনঃ 


আপনার ওয়েবসাইটে ভালমানের ভিজিটর পেতে হলে সঠিক কি ওয়ার্ড চয়ন করতে হবে। এছাড়াও আর্টিকেল থেকে ভালো ভিজিটর পেতে হলে অবশ্যই আপনার আর্টিকেল এর কিওয়ার্ড সঠিক হওয়া চাই। কারণ আপনার আর্টিকেলের কিওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করেই গুগলে সার্চ ফলাফল হিসেবে ফার্স্ট পেজে দেখানো হবে। ধরুন আপনি এমন কিওয়ার্ড বাছাই করলেন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য যে কিওয়ার্ডটি আপনার আগেই অনেকে বড় বড় ওয়েবসাইট বা ব্লগ ব্যবহার করে ফেলেছে তাহলে কিন্তু তাদেরকে টপকিয়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি র‍্যাঙ্ক করানো সহজ হবে না। তবে আপনি যদি র‍্যাঙ্ক করাতে চান তাহলে তাদের চেয়ে দিগুন ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে। আবার আপনি এমন কিছু কিওয়ার্ড বাছাই করলেন যা কেই সার্চই করে না তাহলেও কিন্তু আপনার ভিজিটর পাওয়ার কোন চান্স থাকবে না।

আমি আমার ওয়েবসাইটে কিভাবে বাংলা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন সেই বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে আপনারা সেগুলো দেখতে চাইলে এখানেই ক্লিক করুন। 

Saturday, September 7, 2019

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না। 

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

শুধুমাত্র লেখালেখি করেই প্রতিমাসে আয় করতে পারবেন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আর যদি ইন্টারনেট সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকে তাহলে তো কথায় নেই  আপনি আরও বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আপনি হয়তো মনে মনে ভাবছেন শুধুমাত্র লেখালেখি করে যদি এত টাকা আয় করা যেত তাহলে লেখাপড়া আর চাকরি বাকরি করার দরকার নেই। হ্যাঁ কথাটা পুরোপুরি সত্য। কিন্তু আমি কোন গাঁজাখুরি গল্প করছি না। আমি নিজেও ২০,০০০ হাজারের উপরে আয় করি। এখন মনে মনে ভাবছেন আপনি সত্য নাকি মিথ্যা বলছেন এটা আমরা বুঝবো কেমনে? হ্যাঁ এই কথাটাও সত্য। আপনার কাছে প্রয়োজন হলে লাইভ পেমেন্ট প্রুভ দেখাবো। আর যারা দ্বিধাদন্দে ভুগছেন তারা আমার ওয়েবসাইটের ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

এখন আর বয়ান মারবো না কাজের কথায় আসি। কারণ যার টাকার প্রয়োজন তার এতকিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। সে এমনিতেই এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় আছে। মাথায় যদি একটু জ্ঞান আর পুষ্টি থাকে তাহলে ইন্টারনেট থেকে খুব সহজেই আয় করা যায়।
কিন্তু অনেকেই এই কৌশলগুলি জানে না। আর যারা জানে তারা হল ঝানুমাল তারাও কাউকে ইনকাম করার পথ দেখায় না। কারণ একা একা খেতে চায়। ছোট্ট একটা গল্প বলবো, আমার এক ক্লজ বন্ধু সে আউট সোর্সিং করে প্রতি মাসে ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা ইনকাম করে। তার কথা শুনেই আমি খুব কষ্ট করে একটা ল্যাপটপ কিনি। তারপর তার পেছনে পেছনে ৬ মাস বেকার ঘুরে ঘুরে কিছুই শিখতে পারিনি। সে তার অবসর সময়ে আড্ডা দেওয়ার জন্য আমাকে ব্যবহার করেছে। এরপর থেকে আমি আর তার কাছে কোনদিন যায় না।

আমি যা কিছু শিখেছি সব ইউটিউব ভিডিও দেখে দেখে। এখন আমার ১ টা জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সাথে দুইটা ওয়েবসাইট রয়েছে। এখন যে ওয়েবসাইটে আপনারা রয়েছেন এটিও আমার নিজের। জীবনে অনেক কষ্ট করেছি তাই আমার কারণে যদি কোন অভাবী অসহায় ভাই ও বোনদের উপকার করতে পারি তাহলে আমার জীবন সার্থক হবে।

চলুন এবার কিভাবে প্রতিমাসে ২০,০০০ হাজার বা তারও বেশি আয় করতে পারবেন সেই প্রসেস গুলো আপনাদেরকে জানাবো। আশা করি এই আর্টিকেল টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। একবার যদি মনোযোগ সহকারে এই পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়েন আমি বিশ্বাস করি আপনি যত বড়ই হাবলা বা বোকা হন না কেন অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন ইনশাল্লাহ।




আয় করার জন্য কি কি প্রয়োজনঃ
  1. আপনার ১ টি এন্ড্রয়েড ফোন পিসি অথবা ল্যাপটপ থাকতে হবে। তবে ল্যাপটপ বা পিসি থাকলে বেশি ভালো হয়।
  2. অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। ওয়াইফাই ব্রড ব্যান্ড কানেকশন থাকলে আরও বেশি ভালো হয়। তবে আপনারা সিমের নেট ব্যবহার করতে পারেন। এখন কম টাকায় ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে পাওয়া যায়। 
  3. অবশ্যই টাইপিং দক্ষতা থাকতে হবে। তবে প্রথম প্রথম এত বেশি দক্ষ না হলেও চলবে। কারণ কাজ করতে করতে আপনার টাইপিং গতি দিগুনের দিগুন হয়ে যাবে। 
কিসের মাধ্যমে আয় করবেন? 
এখন আপনারা মনে মনে  ভাবছেন  লেখালেখি তো করবো ঠিক আছে কিন্তু কোন ওয়েবসাইট বা কিসের মাধ্যমে আয় টা হবে? আমি এখন সেই কথায় বলবো। সেটি হল ব্লগে লেখালেখি করে বা ব্লগিং করে। ব্লগিং করে আপনি সারা জীবনের জন্য ইনকাম করতে পারবেন। এখন এই কথা শুনে আপনার মাথার টনক নড়ে গেছে। আপনি ভাবছেন এইটা তো অনেক কঠিন কাজ। না ভাই মোটেই কঠিন কাজ না তার জন্য আমি তো আছি সবকিছু সহজ করে দেব। আপনারা কিভাবে ফ্রিতে একটা ব্লগার সাইট তৈরি করবেন এবং কিভাবে ব্লগে লেখালেখি পাবলিশ করবেন তার সম্পূর্ণ ৮ টি ভিডিও পেতে এখানে ক্লিক করুন।

ব্লগ থেকে কি কি উপায়ে আয় করা যায়?

ব্লগ থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায়। কিন্তু আমি আজকে দুইটি কার্যকরী উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।
  1. গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে
  2. বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়ে।

এখন এই দুইটি উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবঃ

গুগল এডসেন্সের মাধ্যমেঃ 
গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় অধিক কার্যকরী। তবে গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে হলে বেশ কিছু শর্ত পুরন করতে হয়। তবে আপনারা এই প্রসেসে প্রথম চেষ্টা করবেন। যদি গুগল এডসেন্স একবার পেয়ে যান তাহলে সারাজীবন আয় করতে পারবেন। যদি গুগল এডসেন্স না পান তাহলে ২ নং উপায়ে আয় করা অনেক অনেক সহজ। সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। তার আগে আমরা জানবোঃ


  1. গুগল এডসেন্স কি?
  2. গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় হয়?
  3. গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্তগুলো কি কি? 
  4. গুগল এডসেন্সের টাকা কিভাবে হাতে পাবো? 

গুগল এডসেন্স কি? 

গুগল এডসেন্স হলো গুগল এর মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বহুল জনপ্রিয় একটি এডভারটাইজিং প্রক্রিয়া।যার মাধ্যমে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অথবা ইউটিউবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। চাইলে আপনিও খুব সহজে আপনার ইউটিউব বা ব্লগ সাইটে এভাবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় হয়?

ভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা ও পণ্যের প্রচার এবং বিক্রয়ের জন্য  গুগল এডসেন্সের  নিকট চুক্তিবদ্ধ করে। যে কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রয় ও প্রচারের জন্য গুগল এডসেন্সকে অর্থ প্রদান করে থাকে। আর গুগল এডসেন্স সেই পণ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে, এই প্রচার বাবদ গুগল এডসেন্স কর্তৃপক্ষ সেই অর্থের একটি অংশ  সেই ইউটিউব ও ওয়েবসাইটের মালিক কে প্রদান করেন। গুগল এডসেন্স বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও, মোবাইল অ্যাপ এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। মূলত তার মাধ্যমেই যাদের ইউটিউব বা ব্লগ ওয়েবসাইট আছে তারা গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে পারে।

একবার যদি গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয় তার মানে লাইফটাইম উপার্জন শুরু হওয়া । যতদিন গুগল থাকবে ততদিন আপনার ইনকাম হতে থাকবে। অনেকেই গুগল এডসেন্সকে সোনার হরিণ বলে মনে করেন। কারণ সবাই মনে করে এটা পাওয়া খুবই কঠিন। আসলে এমন টা নয়, গুগল এডসেন্স এর সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে আবেদন করলে অবশ্যই এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কাজেই কিভাবে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করবেন তার বিস্তারিত আলোচনা নিচে করা হবে।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্তগুলো কি কি? 


গুগল এডসেন্স এপরুভ না হওয়ার কিছু বেসিক কারণ থাকে।তাই আপনারা যারা নতুন আছেন তারা যেন প্রথমবার এপ্লাই করেই গুগল এডসেন্স এপরুপ করাতে পারেন সেই সর্ম্পকেই আমরার আজকের এই পোষ্ট।গুগল এডসেন্স এপরুপ করানোর জন্য যা যা থাকতে হবে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলোঃ

  • অবশ্যই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ৩০-৪০ ভালোমানের আর্টিকেল থাকতে হবে। 
  • অন্য কোন কোম্পানির এড ব্লগে সেটিং না করলেই ভালো হয় বরং করবেন না। 
  • পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
  •  অন্যের আর্টিকেল চুরি করে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন না। 
  • গুগল এডসেন্সের কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না। 
  • এডাল্ট, হ্যাকিং,অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না। 
  • সেক্সুয়াল বা দুঃখজনক ঘটনা পরিহার করুন এমন কোন কন্টেন্ট লিখবেন না যার ফলে মানুষ খারাপের দিকে প্রভাবিত হয়। 
  • টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না। (তবে ব্লগস্পট এর বিষয়টা আলাদা)
  • পোষ্টগুলোর সাইজ কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ডের বেশি হলে ভাল হয়। তবে ১০০০ এর বেশি করতে পারলে আরো ভালো।সবসময় চেষ্টা করবেন অনেক বড় আর্টিকেল পোস্ট করতে।
  • আপনার সাইটের ডোমেন এর বয়স এক মাসের বেশি হতে হবে।
  • কমপক্ষে ৬টি পেজ থাকতে হবে। (তা হলো: About Us,Contact Us,Privacy Policy,sitemap,Disclaimer,Terms & Conditions) এই পেজগুলো ছাড়া আপনার ব্লগে এডসেন্স এপরুপ না করার সম্ভাবনা বেশি। 
  • একটি ভালো ও সুন্দর প্রিমিয়ার থিম হলে ভালো হয় । ফ্রি থিম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ভালো মানের আর্টিকেল পাবলিশ করে  গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন ।
  • একটি মাস্টার ডোমেইন (যেমন: .com, .net, .in, .bd, .info, .org )কিনলে সবচেয়ে ভালো হয়।
  • কখনেই অন্যের ইমেজ কপি করবেন না। তবে হ্যা ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ইমেজ ফ্রিতে পাওয়া যায় সেগুলো ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারেন অথবা ফটোশপ দিয়ে ভালো করে এডিটিং করে নিবেন। 
  • উল্টা পাল্টা অশালীন  অথবা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এমন কন্টেন্ট আপনার ব্লগে পাবলিশ করবেন না।

গুগল এডসেন্সের টাকা কিভাবে হাতে পাবো? 


এখন সবার মাথায় একটা কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেটি হলো গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো কিভাবে? এই চিন্তাটা হওয়াটাই স্বাভাবিক কেননা এত পরিশ্রম করে যদি টাকা হাতেই না পায় তাহলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে।যখন আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মধ্যে ১০ ডলার জমা হবে। তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউবের ইমেইলের ঠিকানা অনুযায়ী গুগল এডসেন্স থেকে ৪ ডিজিটের একটি পিন কোড পোস্ট অফিসে প্রেরণ করবে।  সেই পিন কোডটি নিয়ে আপনার গুগল এডসেন্স ভেরিফাইড করতে হবে।তারপর থেকে আর কোন চিন্তা নেই। আপনারা বুঝতে না পারলে ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখে নিবেন। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ করবেন কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পিন ভেরিফিকেশন করব।

গুগল এডসেন্স ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। আমাদের দেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা নেওয়া সবচেয়ে বেশি সুবিধা। আর ব্যাংক চেকের মাধ্যমে টাকা আসতে দেরি হয়। তাই আপনারা গুগল এডসেন্সের মধ্যে লোকাল ব্যাংক এড করে নিবেন। আমার মতে ইসলামি ব্যাংক অথবা ডাজ বাংলা ব্যাংক সবচেয়ে উত্তম। আপনারা চাইলে অন্যকোন ব্যাংক এড করে নিতে পারেন। আপনারা কিভাবে লোকাল ব্যাংক এড করবেন তা ইউটিউবে ভিডিও সার্চ করলে হাজার হাজার ভিডিও পেয়ে যাবেন। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে আপনার লোকাল ব্যাংককে টাকা প্রেরণ করা হবে। তখন ইচ্ছা করলেই আপনারা ব্যাংককে গিয়ে টাকা তুলে নিয়ে আসতে পারেন।


বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়েঃ

বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়ে আপনারা খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। এই ভাবে ইনকামের জন্য তেমন কোন শর্ত নেই। আপনি ইচ্ছা করলেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কন্টেন্ট গুলো নিয়ে সেগুলো হালকা পাতলা এদিক সেদিক করে আপনার ব্লগে পাবলিশ করতে পারেন। তার জন্য আপনার ইউনিক আর্টিকেল হতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যারা বিভিন্ন  কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে তাদের প্রোডাক্ট প্রচারনার জন্য। যখন কোন ব্লগার সেই ওয়েবসাইটে একটা একাউন্ট তৈরি করে তখন তারা একটি এড কোড দেই সেটি নিয়ে এসে আপনার ব্লগ সাইটে রাখলেই সেখানে এড শো হওয়ার বিনিময়ে আপনি টাকা পাবেন। কিভাবে আপনারা এই ধরণের ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করবেন এবং এড কোড নিয়ে এসে ব্লগে বসাবেন সে ব্যাপারে ইউটিউবে অনেক ভিডিও রয়েছে। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ দিবেন "how to earn money for blogger without adsense bangla tutorials" তাহলে অনেক অনেক ওয়েবসাইটের ভিডিও পেয়ে যাবেন।

এখন আসুন আমরা জানবো কিভাবে খুব দ্রুত উপায়ে এখান থেকে আয় করবঃ

তার আগে নিচের এই আর্টিকেলটি সময় করে পড়ে নিবেন। তাহলে ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাবেন যার ফলে আপনাদের ইনকামও বেশি হবে।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

  1. আপনার ব্লগে বেশি বেশি কন্টেন্ট পাবলিশ করুন 
  2. এমন কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন যেগুলো মানুষে গুগলে সার্চ দেই
  3. প্রতিদিন ২ টা করে কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন
  4. আপনাদের ব্লগারের কন্টেন্টগুলো ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করবেন
  5. আপনারা এভাবে ইনকাম করতে চাইলে অন্যের কন্টেন্ট কপি করে হালকা পরিবর্তন করে পাবলিশ করতে পারবেন।
  6. এমন এমন কন্টেন্ট লিখবেন যেগুলো মানুষ জানতে চায় বা পড়তে চায়
আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। যদি আর্টিকেলটি পড়ে ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন। আর আপনার যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে উপরে আমাদের কন্টাক্ট পেজে গিয়ে ইমেইল করুন। আমি সাথে সাথে আপনার প্রতিউত্তর দিব। আর আমাদের পেজটি সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন। আপনি যতখন না পর্যন্ত আয় করতে পারছেন আমি ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সর্বাত্মক সাহায্য করবো ইনশাল্লাহ। 

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন। 

মেটা ট্যাগস এবং মেটা বিবরণ সর্বাধিক জনপ্রিয় এইচটিএমএল ট্যাগ। যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করে এবং গুগল র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। তাই ব্লগার ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসার জন্য মেটা ট্যাগস এবং মেটা বিবরণ ব্লগের থিম অপশনে গিয়ে এইচ টি এম এল কোড বসাতে হয়। আজকের এই আর্টিকেলে কিভাবে আপনারা আপনাদের ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণ বসাবেন সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

তার আগে আমার ওয়েবসাইটে ব্লগার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল দুটি পড়ে নিতে পারেন।
  1. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  2. ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বর্ণনাঃ


আপনার ব্লগটিতে সর্বোচ্চ 150 অক্ষরের মধ্যে মূল মেটা ট্যাগস নির্বাচন করুন। আপনি যখন ব্লগে মেটা ট্যাগস যুক্ত করতে যাবেন সেখানে ক্যারেক্টার কাউন্টার সরঞ্জাম আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনি ১৫০ ক্যারেকটারের বেশি মেটা ট্যাগস ব্যবহার করতে পারবেন না। উদাহরণস্বরূপ আমি আমার ব্লগটি বর্ণনা করার জন্য নিম্নলিখিত শব্দগুলি বেছে নিয়েছি।

আমার ব্লগার সাইটের মেটা ট্যাগসঃ   

"ব্লগার ট্রিকস, ব্লগার টেমপ্লেটস, উইজেটস, এসইও, অনলাইনে অর্থোপার্জন, সিএসএস এবং এইচটিএমএল কৌশলগুলি সম্পর্কে একটি ব্লগ"

উপরের মেটা ট্যাগস গুলো আপনারা ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনার ব্লগার সাইটি ব্যান হয়ে যেতে পারে। আপনাদের ব্লগ টিতে যে মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন ঠিক সেগুলোই মেটা ট্যাগস হিসেবে ব্যবহার করবেন। প্রতি কীওয়ার্ডে সর্বোচ্চ তিনটি শব্দ লিখুন এবং কমা ব্যবহার করে প্রতিটি কীওয়ার্ডকে আলাদা আলাদা করুন। উদাহরণ হিসাবে আমার  উপরের কীওয়ার্ডগুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার সাইটের মূল বিষয়ের বা মেনুর উপর মিল রেখে মেটা ট্যাগস নির্বাচন করুন ।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "search preferences"ক্লিক করবেন তারপর সবার উপরে "meta tags" এর একটু নিচে " Description" এর পাশে "Edit" বক্সে আপনার ১৫০ শব্দের মেটা ট্যাগস লিখে সেভ দিতে হবে। নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ বর্ণনা,ব্লগার ট্রিকস, ব্লগার টেমপ্লেটস, উইজেটস, ব্লগার এসইও,ব্লগার কাস্টমাইজ, অনলাইনে অর্থোপার্জন, সিএসএস এবং এইচটিএমএল কৌশলগুলি সম্পর্কে একটি ব্লগ,কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বসাবেন, ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ,কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেন, মেটা লেখক,"Top Bangla Page"মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণ এর জন্য এইচটিএমএল কোড তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন  কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণঃ 

আপনার ব্লগটিতে সর্বোচ্চ 500 অক্ষরের মধ্যে মূল মেটা বিবরণ নির্বাচন করুন। আপনি যখন ব্লগে মেটা বিবরণ যুক্ত করতে যাবেন সেখানে ক্যারেক্টার কাউন্টার সরঞ্জাম আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনি  500 ক্যারেকটারের বেশি মেটা বিবরণ ব্যবহার করতে পারবেন না। উদাহরণস্বরূপ আমি আমার ব্লগটি বর্ণনা করার জন্য নিম্নলিখিত শব্দগুলি বেছে নিয়েছি।

আমার ব্লগার সাইটের জন্য মেটা বিবরণঃ

আমি ব্লগার কৌশল, ব্লগার টিপস, এসইও গাইড, অনলাইনে অর্থোপার্জন, ব্লগার উইজেট, সিএসএস এইচটিএমএল কৌশল,স্বাস্থ্যের টিপস, ঔষধ, খবর, ভিডিও, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জানা এবং অজানা তথ্য, বিনোদন সংবাদ, রহস্যময় খবর, বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী এবং আরও কিছু বিষয়ে আলোচনা করার জন্য এই ব্লগের মাধ্যমে চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি যে আমার ব্লগের মাধ্যমে আপনি সমস্ত কিছু সম্পর্কে প্রচুর তথ্য পাবেন। যদি আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি, আমার কঠোর পরিশ্রম সফল হবে। বিশ্বের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ 

উপরের মেটা বিবরণ গুলো আপনারা ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনার ব্লগার সাইটি ব্যান হয়ে যেতে পারে।  আপনাদের ব্লগ টিতে যে মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন ঠিক সেগুলোর উপর ভিত্তি করে মেটা বিবরণ ব্যবহার করবেন। প্রতি কীওয়ার্ড গুলোতে সর্বোচ্চ তিনটি শব্দ লিখুন এবং কমা ব্যবহার করে প্রতিটি কীওয়ার্ডকে আলাদা আলাদা করুন। উদাহরণ হিসাবে আমার  উপরের মেটা বিবরণ কীওয়ার্ডগুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার সাইটের মূল বিষয়ের বা মেনুর উপর মিল রেখে মেটা বিবরণ নির্বাচন করুন ।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "Basic"ক্লিক করবেন তারপর "title" এর একটু নিচে " Description" এর পাশে "Edit" বক্সে আপনার 500 শব্দের মেটা বিবরণ লিখে সেভ দিতে হবে।  নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা লেখক বা টাইটেলঃ 

এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগ নয় তবে তবুও প্রত্যেকেই নিজের ওয়েবসাইটে তাঁর নাম সংযুক্ত করতে পছন্দ করে তাই আপনার পিছনে ফেলে রাখা উচিত হবে না। মেটা লেখকের যায়গায় আপনার ব্লগার সাইটের নামটি ব্যবহার করবেন।
যেমন উদাহরণ স্বরূপ আমার ওয়েবসাইটের নাম "Top Bangla Page"

আপনি যদি নিজের নামটি যুক্ত করতে না চান তবে নীচের সরঞ্জামটিতে খালি খালি রাখুন।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "Basic"ক্লিক করবেন তারপর "title" এর "Edit" বক্সে আপনার ব্লগার সাইটের নাম লিখে সেভ দিতে হবে।  নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা রোবটঃ

কখনও কখনও আপনি অনুসন্ধান ইঞ্জিন রোবটগুলি আপনার ব্লগটিকে ক্রল এবং সূচীকরণ করতে না চান তাহলে আপনি "no" ব্যবহার করতে পারেন। আর আপনি যদি গুগলে প্রদর্শিত করতে চান তাহলে "index"সেট করে দিবেন। এছাড়াও ডিফল্ট হিসেবে
"all"রেখে দিতে পারেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন ভিডিও টি দেখুনঃ



মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণের জন্য এইচটিএমএল কোড তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন  

Thursday, August 29, 2019

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন। 

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট কে নজরকাড়া বা দৃষ্টিনন্দিত করতে হলে সেই ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সুন্দরভাবে কাস্টমাইজ করতে হয়। আপনার যদি নিউজ ভিত্তিক অথবা ই-কমার্স ওয়েবসাইট থাকে তাহলে অবশ্যই এই আর্টিকেল টি পড়া অত্যান্ত জরুরী।আপনি এই আর্টিকেলের সাহায্যে আপনার ওয়েবপেজটি একটা নতুন রূপ দিতে যাচ্ছেন যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়বে।  এমনকি আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি দেখতে আগের চেয়ে অনেক জাঁকজমকপূর্ণ হবে।  

একটা ভালমানের ওয়েবসাইটে দেখতে পারবেন সেখানে সময় তারিখ উল্লেখ করা আছে। এছাড়াও প্রতিদিনের ব্রেকিং নিউজগুলো প্রদর্শন করা হয়। অর্থাৎ হেডলাইন গুলো ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট জায়গায় মুভিং করতে থাকে। কিভাবে ওয়েবসাইটে সময় তারিখ এবং হেডলাইন বা শিরোনাম ব্রেকিং নিউজ আকারে দেখাতে হবে সেই জন্য আপনি নিচের প্রক্রিয়া গুলো অবলম্বন  করুন।

আমি আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময় এবং তারিখ সেটিং করবেন।এছাড়াও দেখাবো কিভাবে আপনারা ব্লগ বা ওয়েবসাইটে হেডলাইন বা শিরোনাম ব্রেকিং নিউজ হিসেবে প্রদর্শন করবেন।
  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

কীভাবে সময় এবং তারিখ সেটিংস করবেনঃ 

Step-1:
প্রথমে আপনারা ব্লগার লেআউটের মধ্যে যাবেন।
কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

Step 2:
তারপর ওয়েবসাইটের যে জায়গায় সময় এবং তারিখ দেখাতে চাচ্ছেন ঠিক সেখানে গিয়ে Add a Gadget এ ক্লিক করবেন। সেখানে ক্লিক করলে HTML/JavaScript দেখতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

Step-3
তারপর HTML/JavaScriptমধ্যে ক্লিক করবেন। এরপর নিচের দেওয়া এই কোড টি কপি করে নিয়ে পেস্ট করবেন। তারপর সেভ করে দিবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

সময় এবং তারিখের জন্য এইচ. টি. এম. এল কোডঃ

<div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on">
<div style="padding: 1em 0; text-align: center;">
<h3>
<span style="color: #20124d; font-size: x-large;">সময় এবং তারিখ</span></h3>
<h3>
<span style="color: #cc0000; font-size: x-large;">ঢাকা,বাংলাদেশ&nbsp;</span></h3>
<iframe frameborder="0" height="115" seamless="" src="https://www.zeitverschiebung.net/clock-widget-iframe-v2?language=en&amp;size=medium&amp;timezone=Asia%2FDhaka" width="100%"></iframe> </div>
</div>


 কীভাবে হেডলাইন ,শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ দেখাবেনঃ

Step-1
প্রথমে আপনারা ব্লগার লেআউটের মধ্যে যাবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।


Step-2
তারপর ওয়েবসাইটের যে জায়গায় সময় এবং তারিখ দেখাতে চাচ্ছেন ঠিক সেখানে গিয়ে Add a Gadget এ ক্লিক করবেন।  সেখানে ক্লিক করলে HTML/JavaScript দেখতে পারবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।


Step-3
তারপর HTML/JavaScript মধ্যে ক্লিক করবেন। এরপর নিচের দেওয়া এই কোড টি কপি করে নিয়ে পেস্ট করবেন। তারপর সেভ করে দিবেন।

কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।

হেডলাইন ,শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজের  জন্য এইচ. টি. এম. এল কোডঃ

<marquee>আমাদের ওয়েবসাইটে  প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম। আমাদের নিয়মিত আপডেট খবর পেতে এখনই ওয়েব পেজটি সাবস্ক্রাইব করুন।</marquee>

বাংলা কীওয়ার্ডস: গুগলে সর্বাধিক সন্ধান করা শব্দের তালিকা  জানতে এখানে ক্লিক করুন 



আশা করি উপিরিউক্ত নিয়ম অনুসরণ করলে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময় তারিখ এবং শিরোনাম ব্রেকিং নিউজ খুব সুন্দরভাবে সেটিং করতে পারবেন। আমি খুব সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আপনাদেরকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কাজেই যদি এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা উপকৃত হন তাহলে আমাদের ওয়েবপেজটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। ভাল লাগলে কমেন্ট করুন এবং আর্টিকেলটি শেয়ার করে অন্যদেরকেও দেখার সুযোগ করে দিন।