Showing posts with label ভিডিও. Show all posts
Showing posts with label ভিডিও. Show all posts

Thursday, September 10, 2020

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

ভূত প্রেত্নির গল্প কম বেশি সবার কাছে প্রিয়। ছোটোবেলায় নানা-নানী, দাদা-দাদীর কাছে ভূতের গল্প শুনতে সবাই ভালোবাসে রীতিমতো ভয়ও পায়। ভয়ের মধ্যেও যেন এক ধরনের মজা আছে। ভূত দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়! সব মানুষই কম বেশি ভূত পেত্নী আছে বলে বিশ্বাস করে। ইচ্ছেমতো ভূত পেত্নি দেখা না গেলেও কিছু কিছু জায়গায় গেলে ভূত পেত্নি দেখা যায় বলে বিশ্বাস আছে। মানুষ ধারণা করে ভূতেরা সাধারণত ভাঙা পুরানো বাড়ি, গোরস্থান, শ্মশান, বট গাছ, গাব গাছ, শেওড়া গাছ, তাল গাছ, বাঁশ বাগান, বনের পুকুর পাড়ে প্রভৃতি জায়গায় বসবাস করে। কারণ এই জায়গাগুলোতে মানুষ কম যায়।    

পেত্নী কিন্তু দেখতে চাইলেই দেখা যায় না। পেত্নী কি আসলেই আছে? যদি থাকে, তাহলে তারা কোথায় থাকে? তাদের দেখতে কেমন? তাদেরকে কি ধরা যায়? বাড়িতে আনা যায়? কখন তাদের দেখতে পাওয়া যায়?আবার অনেকেই বলে থাকেন পেত্নি গাছের ডালে দুই পা ফাক করে দাঁড়িয়ে থাকে। কেউ কেউ বলে পেত্নির চুল গাছ থেকে মাটিতে ঝুলে  থাকে। রাতের বেলায় যদি কেউ ঐ গাছের তলা দিয়ে যায় তখন শয়তান পেত্নি চড়চড় করে তার মাথার উপর প্রসাব করে দেয়। কেউ কেউ বলে পেত্নির প্রসাব অত্যান্ত গন্ধ। আপনার কি কখনও এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে অথবা আপনি কি পেত্নি দেখেছেন। যদি দেখে থাকেন তাহলে এখনই কমেন্টের মাধ্যমে জানান। এখন আমরা ভূত পেত্নি সম্পর্কে আরও মজার মজার তথ্য জানবো তাই মনোযোগ দিয়ে ভিডিও টি দেখবেন। মোটেই স্কিপ করবেন। 

বাংলা সংস্কৃতিতে ভূত পেত্নি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরাতন এবং নতুন উভয় বাংলা রূপকথায় প্রায়ই ভূত পেত্নির ধারণা ব্যবহার করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যেও প্রায়ই ভূতের উদাহরণ পাওয়া যায়। বিশ্বাস করা হয়, ভূত হল সেই সব অশরীরি আত্মা যারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে শান্তি খুঁজে পায়নি (যাদের অতৃপ্ত আত্মাও বলা হয়ে থাকে) বা পৃথিবীতে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছে (যেমন খুন, আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা)। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয়, অন্যান্য জীবজন্তু বা প্রাণীও তাদের মৃত্যুর পরে ভূতে পরিণত হতে পারে। বাংলায় ভূতকে মাঝে মাঝে প্রেতাত্মা (সংস্কৃত) হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। প্রেতাত্মার নারীবাচক শব্দকে পেত্নী হিসেবে এবং পুরুষবাচক শব্দকে প্রেত বলা হয়ে থাকে। 

পেত্নী হলো নারী ভূত যারা বেঁচে থাকতে কিছু অতৃপ্ত আশা ছিল এবং অবিবাহিতভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। পেত্নী শব্দটি সংস্কৃত প্রেত্নী শব্দ থেকে এসেছে (পুরুষবাচক শব্দ প্রেত)। এসব ভূত সাধারনত যে কোন আকৃতি ধারন করতে পারে, এমনকি পুরুষের আকারও ধারণ করতে পারে। এসব ভূত সাধারনত বেঁচে থাকতে কোন অপরাধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে এবং মৃত্যুর পর অভিশিপ্ত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করে। পেত্নীরা সাধারনত ভীষণ বদমেজাজী হয়ে থাকে এবং কাউকে আক্রোমনের পূর্ব পর্যন্ত স্পষ্টতই মানুষের আকৃতিতে থাকে। পেত্নীদের আকৃতিতে একটিই সমস্যা রয়েছে, তা হলো তাদের পাগুলো পিছনের দিকে ঘোরানো। 

আপনি কি জানেন পেত্নি কত প্রকার ও কি কি। এখন জানবো বিভিন্ন প্রকার পেত্নির সম্পর্কে। 

শাকচুন্নি: শাকচুন্নি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ শঙ্খচূর্ণী থেকে এসেছে। এটা হলো বিবাহিত মহিলাদের ভূত যারা বিশেষভাবে তৈরি বাঙ্গালি শুভ্র পোশাক পরিধান করে এবং হাতে শঙ্খ বা শাঁখা পরিধান করে। শাঁখা হলো বাঙ্গালি বিবাহিত হিন্দু মহিলাদের প্রতীক। শাকচুন্নিরা সাধারনত ধনী বিবাহিত মহিলাদের ভেতর ভর করে বা আক্রমণ করে যাতে করে তারা নিজেরা সেই মহিলার মত জীবন যাপন করতে পারে ও বিবাহিত জীবন উপভোগ করতে পারে। লোকগাঁথা অনুসারে তার আম গাছে বসবাস করে।

চোরাচুন্নিঃ চোরাচুন্নি অত্যন্ত দুষ্ট ভূত। এরা মানুষের অনিষ্ট করে থাকে। সাধারনত কোন চোর মৃত্যুবরণ করলে চোরাচুন্নিতে পরিনত হয়। পূর্ণিমা রাতে এরা বের হয় এবং মানুষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে অনিষ্ট সাধন করে। এদের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাড়িতে গঙ্গাজলের (হিন্দু সংস্কৃতিতে গঙ্গা জলকে পবিত্র জল হিসেবে বিবেচনা করা হয়) ব্যবস্থা করা হয়।।

মেছোভূতঃ এ ধরনের ভূতেরা মাছ খেতে পছন্দ করে। মেছো শব্দটি বাংলা মাছ থেকে এসেছে। মেছো ভূত সাধারনত গ্রামের কোন পুকুর পাড়ে বা লেকের ধারে যেখানে বেশি মাছ পাওয়া যায় সেখানে বসবাস করে। মাঝে মাঝে তারা রান্নাঘর বা জেলেদের নৌকা থেকেও মাছ চুরি করে খায়। বাজার থেকে কেউ মাছ কিনে গাঁয়ের রাস্তা দিয়ে ফিরলে এটি তার পিছু নেয় এবং নির্জন বাঁশঝাঁড়ে বা বিলের ধারে ভয় দেখিয়ে আক্রমণ করে মাছ ছিনিয়ে নেয়।

নিশিঃ ভূতদের মধ্যে অন্যতম ভয়ংকর হলো নিশি। অন্যান্য ভূত সাধারণত নির্জন এলাকায় মানুষকে একা পেলে আক্রমণ করে, কিন্তু নিশি গভীর রাতে শিকারকে তার প্রিয় মানুষের কন্ঠে নাম ধরে ডাকে এবং বাইরে বেরকরে নিয়ে যায়। নিশির ডাকে সারা দিয়ে মানুষ সম্মোহিত হয়ে ঘরের দরজা খুলে বেরিয়ে পড়ে, আর কখনো ফিরে আসে না। মনে করা হয় তারা নিজেরাও নিশিতে পরিনত হয়। কিছু কিছু তান্ত্রিক অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য নিশি পুষে থাকে। লোককাহিনী অনুসারে নিশিরা কোন মানুষকে দুবারের বেশি ডাকতে পারে না, তাই কারো উচিত কেউ তিনবার ডাকলে বের হওয়া তাতে নিশির আক্রমণের ভয় থাকে না।

বেঘোভূতঃ এরা হলো সেইসব মানুষের আত্মা যারা বাঘের আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। সাধারনত সুন্দরবন এলাকায় এধরনের ভূতের কথা বেশি প্রচলিত কারণ বাঘের অভাশ্রম হলো সুন্দরবন। এসব ভুতেরা জঙ্গলে মধু আহোরনে আগত গ্রামবাসীদের ভয় দেখায় এবং বাঘের সন্নিকটে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে এরা গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর জন্য বাঘের স্বরে ডেকে উঠে।

ডাইনীঃ ডাইনী মূলত কোন আত্মা নয়, এরা জীবিত নারী। বাংলা লোকসাহিত্যে সাধারনত বৃদ্ধ মহিলা যারা কালো জাদু বা ডাকিনীবিদ্যাতে পারদর্শী তাদেরকেই ডাইনি বলা হয়ে থাকে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, ডাইনীরা গ্রামের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের ধরে নিয়ে তাদের হত্যা করে এবং তাদের হাড়, মাংস ও রক্ত খেয়ে ১০০ বছর বেঁচে থাকে।।


কিন্তু বিজ্ঞান বলে ভিন্ন কথা। বিজ্ঞানের কাছে আগুনের পাঁচ পা দেখা, রাতে বট গাছে বিশাল লম্বা সাদা মানুষ দেখা, কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলার সময় ঘাড় মটকে দেওয়া সবই কল্পনা। এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। বিজ্ঞান মনে করে ভূতের অস্তিত্ব নেহাৎ একটি কাল্পনিক ব্যাপার। ভূত দেখার ঘটনা মন বা চোখের বিভ্রম ছাড়া কিছুই না। কোনো জিনিসকে অবিকল যা আছে তা আমরা নাও দেখতে পেতে পারি, যদি আমাদের মন ও চোখ তাকে গুরুত্ব না দিয়ে ভিন্ন কিছু দেখতে বা ভাবতে চায়।

মরুভূমিতে যে মরীচিকা দেখা যায় সেও এক রকম চোখের বিভ্রম। জলের পিপাসা যখন বেশি পায় তখন বিশাল মরুভূমিকে সামনে দেখেও আমাদের মনে হয় যেন বিশাল পুকুর।

এক ধরনের বিভ্রমকে বলা হয় মতিভ্রম বা মায়া। ইংরেজিতে একে বলে হ্যালুসিনেশন। এই মতিভ্রম যখন ঘটে তখন মনের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে আমরা যা দেখার নয়, তাই দেখি। তাই, বিজ্ঞানীরা মনে করেন বাস্তবে ভূত পেত্নী বলে কিছু নেই। যা আছে তা পুরোটাই আমাদের মনের বিভ্রম।

এখন আপনার মন্তব্যের পালা। আপনি কি নিজের চোখে ভূত পেত্নি দেখেছেন। দেখে থাকলে কমেন্টের মাধ্যমে জানান। আর আপনি যদি ভূত প্রেতে বিশ্বাস না করে থাকেন তাহলে সেটাও কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ভিডিও টি যদি ভালো লাগে তাহলে সিমপ্লি একটা লাইক দিন। আর আপনি যদি এমনই রহস্যময়, রোমাঞ্চকর, অদ্ভুত, অলৌকিক, ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন তাহলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল বাটনটি বাজিয়ে দিন। আগামীতে আরও সুন্দর ভিডিও পাওয়ার অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।    

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 



কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

সুপ্রিয় ভিউয়ারস আমরা কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিয়ে থাকি। অর্থাৎ আমরা মানুষকে গাধার সাথে তুলনা করি।  কিন্তু আমরা কখনও কি ভেবেছি  এই গাধা শব্দটি কেন ব্যবহার করি। আসলে গাধা শব্দটি ব্যবহার করা কি ঠিক? আপনি মনের অজান্তেই কাউকে না কাউকে গাধা বলে গালি দিয়েই যাচ্ছেন। কিন্তু এটা আমাদের একটি বড় ভুল। কারণ আমরা যে অর্থে গাধা বলে থাকি গাধা কিন্তু গাধায় নয়। বুঝলেন নাতো? আপনার ভুল ধারনাটি পাল্টে দিতে এই কন্টেন্ট সম্পূর্ণ পড়তে  হবে। তো আর ভঙ্গিতা না করে শুরু করা যাক। 

গাধা একটি নিরীহ প্রাণী। এরা মানুষের অত্যন্ত অনুগত।কারো ক্ষতি করে না। মানুষ অপমান বা ভদ্র ভাষার গালি হিসেবে গাধা শব্দটি ব্যবহার করে। এগুলো আমরা সবাই জানি।‘গাধা’ শব্দটা আমরা বেশি ব্যবহার করি নেতিবাচক অর্থে। কিন্তু গাধা কর্মঠ, বুদ্ধিমান এবং উপকারী প্রাণীও বটে। এটা সবাই কি জানি? হয়তো জানি না, হয়তো জানলেও গাধা শব্দটা বলতে, ব্যবহার করতে ভালো লাগে।

তাই যদি না হোতো, তাহলে ক্লাসে পড়া না পারলে শিক্ষকরা বলতেন না গাধা, অফিস বা নিজ কর্মক্ষেত্রে বেশি কাজ করলে কেউ বলতেন না গাধার মতো খাটছিস কেন, কোনো কথা বুঝতে না পারলে, কোনো কাজ ঠিকমতো না করতে পারলে তাকে বলতো না ‘গাধা’। আসলে আমরা গাধা বলতে বোকাসোকা, নির্বোধ, হাফপাগল, মানুষদেরকে বলে থাকি তা কিন্তু নয় কথায় কথায় চতুর লোক কেউ গাধা বলে থাকি। তার মানে গাধার যত দোষ সব মানুষের ঘাড়ে চাপায়।  এটা যেন একটা মুদ্রা দোষে পরিণীত হয়েছে। 

কিন্তু এ প্রশ্ন করা যেতেই পারে যে গাধারা কতটুকু ‘গাধা’। আপনি কি জানেন গাধারা আসলেই নির্বোধ বা বোকা কিনা? আপনি যদি না জানেন তাহলে কথায় কথায় গাধা বলে গালি দেন কেন?  আসলে কি এই উপকারী প্রাণীটির নাম ব্যবহার করে কাউকে অপমান করা উচিত?

আপনারা গাধাকে যতটা বোকা ভাবেন গাধা কিন্তু তার চেয়েও শতগুন চালাক। আপনি কি জানেন ঘোড়ার চেয়ে গাধা বেশি শক্তিশালী এবং বেশি চালাক। হি হি আপনি মনে হয় আগে জানতেন না। এখনই বধহয় জানলেন। এমনকি গাধা গানও গাইতে পারে।   

তাহলে এখন আসা যাক গাধারা কী করে, কী করতে পারে সেসব বিষয়ে।ঘোড়া আমরা সবাই চিনি। গাধাকে ঘোড়ার ছোট সংস্করণ বললে খুব বেশি ভুল হবে না। অথচ, একটি গাধা একই আকারের একটি  ঘোড়া থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী প্রাণী। গাধার অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তি আছে। তারা পর্যন্ত ২৫ বছর আগের এলাকা এবং অন্য গাধাদের তারা চিনতে পারে। গাধা প্রচণ্ড জেদি এবং আত্মরক্ষা করার প্রবল ক্ষমতা আছে। গাধাকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া খুব কঠিন ব্যাপার।  কোনো ঘটনায় গাধা সহজে চমকে ওঠে না। এরা প্রখর কৌতূহলী। গাধার চিন্তাধারা ঘোড়া থেকে স্বাধীন এবং তাদের নিজের নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

একটি গাধা মরু পরিবেশে ৬০ মাইল দূরে থেকে অন্য গাধার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে। ঘোড়ার চেয়ে তাদের আছে অনেক বড় কান, যা তাদের শীতল রাখতে সহায়তা করে। গাধা একা থাকতে পছন্দ করে না। সঙ্গী হিসেবে অন্য প্রাণী তাদের পছন্দ।

পশুপালকদের কাছে গাধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। একজন দক্ষ পশুপালক পশুদের নেতা হিসেবে শক্তিশালী গাধাকে বেছে নেবেন। কারণ, খামারে পালন করা পশুরা অন্য হিংস্র পশু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু গাধা নেকড়ে বাঘ বা অন্য শিকারীর হাত থেকে সবাইকে রক্ষা করতে পারে সংকেত জানিয়ে।

বিশ্ব সভ্যতার ঐতিহ্য গড়তেও গাধাদের ভূমিকা কম নয়। কারণ, ভারি সব উপকরণ বহন করতে ব্যবহার করা হয়েছে গাধাকে। মিশরীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর অধিকাংশ ধাতু বহন করা হয়েছিল গাধার মাধ্যমে। শুধু তাই না, গ্রিসে সংকীর্ণ পথের ওপর কাজ করার জন্যও গাধা ব্যবহার করা হইয়েছিল গাধাকে।

রোমান আর্মিরা গাধাকে কৃশিপালিত ও পণ্য বহনকারী প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করতো। ভারতের মরু অঞ্চল রাজস্থান ও জয়পুরে অন্যতম বাহন গাধা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মালামাল নিয়ে এরা সহজে চলাফেরা করতে পারে।গাধারা বিশ্বের বহু অঞ্চলে জল, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ, জমি চাষ এবং পরিবহন বাজারে উত্পাদনে সাহায্য করতে ব্যবহার করতো।

গাধা গবাদি পশু, ভেড়া এবং ছাগলকে পাহারা দেয়। বন্য কুকুর থেকে রক্ষা করতে গাধা তাদের সতর্ক করে দিতে পারে। গাধা পানি সম্পর্কে খুব সচেতন। তাই পরিষ্কার পানি অপরিহার্য। সে প্রতিদিন ১০ থেকে ২৫ লিটার পানি পান করে। সে কখনও নোংরা পানি খেতে চায় না। গাধারা মাঠ থেকে খুব ভাল তাজা সবুজ ঘাস খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এবং সেটা সারাটা দিনও হতে পারে! গাধারা তাদের বাচ্চাদের খুব ভালোবাসে। অন্য প্রাণীদের মতো তারা লাথি মারে না। তারা তাদের বাচ্চাদের বুদ্ধিমান প্রাণীদের মতো আগলে রাখে। নিজের বাচ্চা ছাড়াও তাদেরকে অন্য প্রাণীর দায়িত্ব নিতে দেখা যায়।

এমন কি প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে তাদের সঙ্গ দেওয়ার কথাও জানা যায়। প্রতিবন্ধীরা গাধাদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিকভাবে অনেক সুস্থবোধ করে! অসুস্থ ঘোড়াদের সঙ্গীও কিন্তু গাধা! কোনো আহত বা অসুস্থ ঘোড়াকে রাখা হয় গাধার সঙ্গে! একটা ঘোড়া থেকে একটি গাধা খুব বেশি পরিছন্ন প্রাণী। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই সহজ। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে তারা খুবই কম সময় নেয়।

গাধা কোনো দিক দিয়েই আমাদের জন্য ক্ষতিকর প্রাণী নয়। তারা মানুষ ও পশুকে শুধু উপকারই করে। গাধাদের বোকা প্রাণী বলা হলেও, উপরের তথ্যগুলো জানার পর নিশ্চয় কেউ গাধাকে শুধু বোকা বলবেন না। কথায় কথায় একে অন্যকে ‘গাধা’ বলার আগে নিশ্চয় একবার ভাববেন।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 


Thursday, August 13, 2020

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

হ্যালো বন্ধুরা কাদা দিয়ে গোসল করা পূর্বে একথা টি কখনও কি শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন তবে আজকের এই  আর্টিকেলটি একটি অসাধারণ ভিডিও হতে চলেছে যা আপনি আগে হয়তো কখনও দেখেননি ও শোনেন নি। তো  চলুন শুরু করা যাক।

এই কাদা স্নান বিশেষ করে রিসোর্ট ও লেকের ধারে করা হয়। এটিকে এক ধরণের থেরাপিও বলা চলে। আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি এই কাঁদা দিয়ে গোসল করা হয় । এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই ইউরোপের অনেক দেশেই কাদা  দিয়ে গোসল করার প্রথা রয়েছে।

কাদা দিয়ে কেন মানুষ গোসল করে এর রহস্যই বা কি? 

কাঁদা দিয়ে গোসল করলে শরীর আসলেই কি ভালো থাকে? কাদা দিয়ে যারা গোসল করেন তারা বিশ্বাস করেন কাদা ত্বক, পেশী ও জয়েন্টগুলি ব্যাথা নিরসনের জন্য বেশ ভুমিকা পালন করে।

"প্রাচীন কাল থেকেই কাদা দিয়ে গোসল করার প্রথা ছিল। "কিছু লোক বিশ্বাস করে কাদা স্নানের আধ্যাত্মিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি মানসিক চাপ, জয়েন্টে ব্যথা, বাতের ব্যথা এবং ত্বকের কিছু অসুস্থতা থেকে মুক্তি দেয় বলেও তারা মনে করেন। কিছু লোক অনাবৃত ও শরীরকে শিথিল করার জন্য কাদা দিয়ে গোসল করে থাকেন।

কাদা স্নান কি?  

কাদা স্নানগুলি স্পা এবং রিসর্টগুলির দ্বারা প্রদত্ত চিকিত্সা।  এই কাদা রান্না করা কচুর শাকের মতো দেখতে হয়। এই চিকিৎসা ব্যবস্থায় কাদার মধ্যে থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য ও নির্দিষ্ট কিছু উপাদান রয়েছে।

কেন কাদা স্নানকে চিকিত্সা হিসাবে বিবেচনা করা হয়?

কাদা স্নানের মধ্যে সালফার, দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম এবং ব্রোমিন জাতীয় খনিজ পদার্থ থাকে। যার মাধ্যমে ত্বকের মলিনতা দূর করে, মৃত কোষগুলোকে জাগ্রত করে, বাতের ব্যথা উপশম করে,পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে। একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের অবস্থার উন্নতি করে।

কাদা কি আসলে থেরাপিউটিক?

এটি মূলত নির্ভর করে কাদার গুনাগুন ও উপাদানের মাধ্যমে। "একটি কাদা স্নানের উপাদানগুলির মধ্যে সাধারণত উষ্ণ খনিজ জল, আগ্নেয়গিরির ছাই, জৈব পিট, হ্রদ কাদা বা নুনের জল অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিটি সংমিশ্রণের পরিবর্তনশীল প্রভাব রয়েছে।"

কাদা স্নানের উপকারিতাঃ

ডাঃ হার্ভে বিশ্বাস করেন যে কাদা স্নানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হ'ল মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উষ্ণ, নরম কাদায় বসে পেশীগুলি শিথিল করতে এবং মনকে প্রশান্ত করতে পারে, যা ত্বকের কিছু উপকার দিতে পারে।

আপনার মানসিক চাপ কমাতে এবং স্নায়ুগুলিকে শান্ত করার সাথে সাথে ত্বকের কিছু নির্দিষ্ট অবস্থার উন্নতি হতে পারে। "স্ট্রেস শরীরে কর্টিসল বাড়িয়ে তোলে যা ত্বকে প্রদাহ বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্ট্রেস হ্রাস দ্বারা একজিমা, সোরিয়াসিস এবং ব্রণ থেকে উপকৃত হতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Wednesday, July 15, 2020

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

স্ত্রীর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়েই বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন তার হাসব্যান্ড। দাম্পত্য জীবনে আনন্দ ফিরিয়ে আনতে বরের কাছে স্ত্রীর এক বিশেষ আবেদন।

স্ত্রীকে সামান্য সুখ দিতে স্বামীও একটু সাড়া দেন। তখনি ঘটে যায় বিপত্তি। তাহলে নাটক না করে ঘটনাটি খুলে বলি - স্ত্রীর দেয়া ‘বিশেষ তেলে’ বাড়বে শা-রীরিক সুখ। স্ত্রীযদিও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বি’পদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা যায়,সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই মহারাষ্ট্রের এক যুবক তার স্ত্রীর  বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন।

ওই যুবক ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন আগে ছুটির সময়ে তিনি নিজের বাড়িতে আসেন। আর সেই সময়ে ঘটে এই বিপত্তি।

Monday, May 18, 2020

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী:

রহস্যময় এই পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হাজারো রকমের প্রাণী। একেক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য একেক রকম৷ কেউবা দেখতে সুন্দর, কেউ বেশ উপকারী, কেউ বেশ হিংস্র, কেউ আবার স্বল্প আয়ুর প্রাণী হিসেবেও পরিচিত। ঠিক তেমনি পৃথিবীতে দীর্ঘজীবী অনেক প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। যারা কিনা হাজার হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। আজকে আমরা ঠিক সেরকমই কিছু প্রাণী সম্পর্কে জানবো। যাদেরকে সৃষ্টিকর্তা দীর্ঘদিন যাবৎ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার মতো আয়ু দিয়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

১। টারডিগ্রেডঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


টারডিগ্রেড হচ্ছে অমেরুদণ্ডী প্রাণী। টারডিগ্রেড সাধারণত পানিতে বসবাস করে। তবে তাদের সমুদ্রের ৪০ হাজার ফুট গভীরতায় এমনকি হিমালয়ের ২০ হাজার ফুট উচুতেও তাদের বসবাস করতে দেখা যায়। তাদের রয়েছে ৪ জোড়া অর্থাৎ ৮ টি পা। আর এই টারডিগ্রেডের পায়ে ভালুকের মত থাবা ও নখ রয়েছে একারনে টারডিগ্রেডকে ওয়াটার বিয়ারও বলা হয়ে থাকে। তবে এদের ব্যাপারে সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হল এরা জন্মের পর থেকে আর কখনই মরে না। আপনি মনে চমকে গেলেন এমনটাই দাবি করছেন একদল গবেষকরা। কারণ এরা জন্মের পর থেকে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতে পারে।

২।  জেলিফিশ 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

চিরযৌবন ধরে রাখতে সক্ষম জেলিফিশ । চলতে চলতে একবা পরিণত বয়সে চলে যায় আবার ফিরে আসে শৈশবে । শরীরের এক অংশ ঝেড়ে ফেলে চলে যায় আরেক অংশে । সুতরাং জেলিফিশের বেলায় নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না তার আয়ু কত । সম্ভবত মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ার এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে জেলিফিশ । সাগরে এদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েই চলেছে । মনে হচ্ছে যেন সারা পৃথিবীতে জেলিফিশ এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে ।

৩। কচ্ছপ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


পৃথিবীর দীর্ঘজীবী প্রাণীদের তালিকায় কচ্ছপ সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছে। কচ্ছপ এমন একটি প্রাণী যাদের চোয়াল আছে কিন্তু দাঁত নেই । শক্ত খোলসে ঢাকা পিঠ । চাইলে এ খোলরেস মধ্যে এরা হাত পা মুখ সব গুটিয়ে রাখতে পারে । আপদকালীন একমাস না খেয়ে, পানিতে না নেমেও বাঁচতে পারে । ঘাস লতাপাতা ফলমূল পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে । গ্যালাপাগোস জায়ান্ট কচ্ছপ পৃথিবীর বৃহত্তম কচ্ছপের জাত। সাধারণত এই প্রজাতির কচ্ছপ গড়ে ১৯০ বছর বাঁচে। পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত কচ্ছপটির বয়স ১৮৪ বছর। এই কচ্ছপটির নাম জনাথন, যার জন্ম উনবিংশ শতাব্দীতে। দক্ষিণ আটলান্টিকের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে গভর্নরের বাসভবনে এর বাস।

৪। গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর  

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়ু পায় এই গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর। এরা সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বাস করে। এই গ্রীনল্যান্ড হাঙরদের উপর ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের একটি গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণায় ২৮ টি হাঙ্গরের বয়স নির্ধারণ করা হয় কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে। যদিও কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে একদম নিখুঁত বয়স বের করা যায় না। তবুও এই সময় গবেষণা করে ৪০০ বছর বয়স্ক একটি মেয়ে হাঙ্গরের খোঁজ পান বিজ্ঞানীরা। গ্রীনল্যান্ড হাঙর সাধারণত ১৫০ বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে এদের এতদিন বাঁচার কারণ হলো এরা খুব ধীরে ধীরে বাড়ে। অর্থাৎ প্রতি বছরে এরা প্রায় ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ১০০ বছর বয়সে তারা পরিপূর্ণ আকৃতিতে পৌঁছায়।

৫।  হ্যানাকো কই

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


দেখে মনে হবে যেন রঙবেরঙের গহনা পরে আছে, যাদের অ্যাকুরিয়ামে রেখে পালন করা যায় । এদের কিছু কিছু প্রজাতি ২০০ বছরের বেশি বাঁচে । পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী কেইয়ের নাম ছিল হ্যানাকো । ৭ জুলাই ১৯৭৭ সালে এটি মারা যায় । মৃত্যুকালে এর বয়স হয়েছিল ২২৬ বছর ।


৬।  আর্কটিক তিমি 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

পৃথিবীতে অনেক প্রজাতির তিমি আছে । নীল তিমি, ব্যালেন তিমি, হ্যামার তিমি, গ্রে তিমি, শুশুক ইত্যাদি । এদের আরেকটি প্রজাতি আছে নাম বো-হেড তিমি । আর্কাটিক সাগরে বাস, তাই বো-হেড তিমিকে আর্কটিক তিমিও বলা হয় । মেরু অন্চলের মানুষ আদিকাল থেকেই জীবনধারণের জন্য শিকারের উপর নির্ভরশীল ।  এরা অস্ত্র নিক্ষেপ করে শিকার ধরত । প্রায় ২০০ বছর আগে এমনই অস্ত্র ছুড়ে মারা শিকারির হাত থেকে বেচেঁ যাওয়া একটি আর্কটিক তিমি সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে যা ওই ছুড়ে মারা অস্ত্র শরীরে নিয়ে এখনও বেচেঁ আছে ।

৭। সাগর কাহগ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

এর বৈজ্ঞানিক নাম আর্কটিকা আইল্যান্ডিকা । আঠাঁর মতো লেগে থাকে ।হামাগুড়িঁ দিয়ে চলে । শক্ত খোলসে ঢাকা শরীর । প্রতিবছর এদের খোলসে একটি করে গোলাকার দাগ পড়ে । একে বলা হয় বার্ষিক চিহ্ন । অনেক গাছের গায়েও এমন দাগ দেখে অনুমান করা যায় তার বয়স কত । গবেষকরা এমন কিছু নমুনা সংগ্রহ করে এদের বয়স অনুমান করে দেখেছেন প্রায় ৪০০ বছর ।

৮। অ্যান্টার্কটিক স্পঞ্জ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণীর কথা শুনতেই মস্তিষ্কে এসে যায় কচ্ছপের নাম। কেননা লোকমুখে শোনা কথা কচ্ছপ অনেক দিন বাঁচে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন এর থেকেও দীর্ঘজীবী কোনো প্রাণী আছে কিনা? হ্যাঁ, এর থেকেও অনেক বেশিদিন বাঁচে এমন প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি সামুদ্রিক স্পঞ্জ, যা দীর্ঘ ১১ হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে। এমনটিই দাবি করেছেন একদল প্রাণী গবেষক। ১৫৫০ বছরের পুরনো কিছু স্পঞ্জের সন্ধান পাওয়া গেছে আর্কটিক সাগরে । এই সকল সামুদ্রিক স্পনজ শত শত বছর ধরে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে রয়েছে।

৯। রেড সি আর্চিন

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


গভীর সাগরে বাস করে রেড সি আর্চিন । প্রথমদিকে এরা বাস করত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম তীরে । অগভীর জলাশয় থেকে ৯০ মিটার পযর্ন্ত গভীরে এরা বাস করে । সুঁইয়ের মতো কাঁটার সাহায্যে সাগরের তলদেশে হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ায় । এদের কিছু কিছু সদস্য ২৫০ বছরেরও বেশি জীবন পায় ।

১০। তুয়াতারা

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

আদিম প্রাণী বলতে আমরা বুঝি ডাইনোসরকে, যারা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে বহুকাল আগেই । তারও আগে বাস করত তুয়াতারা । ২০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে তুয়াতারাদের অনেক প্রজাতি ছিল । বর্তমানে মাত্র দুটি প্রজাতি টিকে আছে নিউজিল্যান্ডে । বাকিরা হারিয়ে গেছে প্রকৃতি থেকে । তুয়াতারা পৃথিবীর একটি দীর্ঘজীবী মেরুদন্ডী প্রাণী । বাঁচে প্রায় ২০০ বছর ।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, May 7, 2020

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।


সুন্দরী নারী কেনা পছন্দ করে। প্রত্যেক মানুষই সুন্দরী নারীর সাথে প্রেম করতে চায়। এমনকি জীবনসঙ্গী হিসেবে সুন্দরী নারীকেই সকলেই বেছে নেই। কিন্তু সুন্দরী নারীকে বিয়ে করলে পড়তে হয় বেশ কিছু বিপদে। বিয়ের আগে অন্তত এই বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত তাহলে আপনিও হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা ইতিমধ্যে বিয়ে করে ফেলেছেন তাদেরও জেনে রাখা উচিত কারণ আপনাকে এই সমস্যাই পড়ার আগেই তা সমাধানের পথ খুঁজে রাখতে হবে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।   


১।বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়ে রান্না করতে জানে না। খাবারে লবণ কম-বেশি করতে সুন্দরী মেয়েদের কোনো জুড়ি নেই। তাই কোনো সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করার আগে কোনো রেস্টুরেন্ট মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। কারণ আপনাকে প্রতিনিয়ত রেস্টুরেন্টে খেতে হতে পারে।

২।সুন্দরী মেয়েরা ঘনঘন পার্লারে যেতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে পার্লারের পেছনে টাকা ব্যয় করতে করতে আপনার মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানি ঘটবে।


৩। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার সৌন্দর্য মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাবে। আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা না করে সবাই আপনার সুন্দরী স্ত্রীর প্রশংসা করবে।

৪। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার বন্ধু থেকে শুরু করে পাড়ার ছোট-বড় সবাই কুনজর দেবে। এগুলো দেখে আপনি না পারবেন কিছু বলতে, না পারবেন সইতে। শুধু দেখবেন, জ্বলবেন আর লুচির মতো ফুলবেন।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

৫। সুন্দরী মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে। আপনি অসুস্থ হলেও আপনাকে নিয়ে চিস্তা করবে না। অথচ তাদের গালে ছোট্ট ব্রণ উঠলেও সেটি সারানোর জন্য গালে বেসন অথবা ফলমূলের রস লাগিয়ে বসে থাকবে।

৬। সুন্দরী মেয়েরা শপিং করতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনাকে মাসে যতবার না বাথরুমে যেতে হয় তার চেয়ে বেশিবার আপনাকে শপিংয়ে যেতে হতে পারে।

৭। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরা অত্যন্ত ঝগড়াটে স্বভাবের হয়। এদের বিয়ে করলে অতি সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে আপনার জীবন ঝালাপালা করে দেবে।

৮। সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করার আগে বাড়িতে কাপড় রাখার পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না দেখুন। যদি না থাকে তাহলে অতিরিক্ত ওয়ারড্রোব, আলমারি কিনে রাখুন। এদের কাপড় এত বেশি হয় যে, আপনার নিজের কাপড় রাখার জায়গা থাকবে না। আপনার কাপড়গুলো অনাথের মতো যেখানে সেখানে গড়াগড়ি খাবে।

৯। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরাই ভারতীয় সিরিয়ালের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এসব সিরিয়াল সংসার জীবনের ওপর কী রূপ প্রভাব ফেলে এটা কারো অজানা নয়। কোনো একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখবেন সিরিয়ালের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে আপনার সুন্দরী বউ অন্য কারো সঙ্গে উধাও হয়ে গেছে।

১০। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনি বাড়ির বাইরে যেতে চাইবেন না। আপনার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে। এছাড়া আরো বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী বউ ছেড়ে আপনার অফিসে যেতে ইচ্ছে করবে না। ফলে আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Friday, March 6, 2020

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা কি বলতে পারেন পৃথিবীতে বাবা কতজন হয়। আমার জানা মতে বাবা তো একজনই হয়। এছাড়াও কোন নারী ও পুরুষ বিয়ে করলে শশুর মশাই কে বাবা হিসেবে সম্বোধন করা হয়।  এর বাইরেও বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছ হরেক রকমের বাবা।  রীতিমত অনেক মানুষই এই সকল বাবাদের ব্যাপক ভক্ত।  আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন। তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।

১। বিড়ি বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

 কুমিল্লার বড়ুয়া থানার খোশবাস গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক যিনি বিড়ি বাবা নামে অধিক পরিচিত। তিনি এমন এক আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী যার চিকিৎসা ব্যবস্থায় সকল ধরনের রোগ ভালো হয়ে যায়। তবে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যদের চেয়ে আলাদা ও অভিনব পদ্ধতি। তার চিকিৎসা ব্যবস্থার একমাত্র ঔষধ হল বিড়ি। তার হাতের ১০ টা বিড়ি খেলে সকল ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সর্দি,জর,যক্ষা,ডায়বেটিস এমনকি ক্যান্সার হলেও তার দেওয়া বিড়ি খেলে সব রোগ নিমিষেই পালিয়ে যায়। এছাড়াও পারিবারিক ঝগড়া,বিবাদ ঝুট ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে বিড়ি বাবার দরবারে এসে বিড়ি ফোকালে সেই পরিবারে শান্তি চলে আসে।

এই বিড়ি বাবার কারিশমায় ছোট ছোট বাচ্চাদের ও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিড়ি টানতে হয়। আর যারা বিড়ি টানতে না পারে তাদেরকে তামাক পানিতে গুলিয়ে খাওয়ায় দেওয়া হয়। বাবার সমস্ত রোগের ঔষধ একমাত্র বিড়ি। এটা নাকি বাবার তাবারক। ভক্তকুলের সাথে বাবাকেও বিড়ি ফোঁকাতে দেখা যায়। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন তিনি বিড়ি না ফুকিয়ে সমান তালে অভিনয় করে যাচ্ছে। যেখানে বিড়ি খেলে মানুষের মৃত্যুর ঝুকি বহুগুন বেড়ে যায় সেখানে বিড়ি বাবার বিড়ি খেলে সব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর এসব ভন্ড বাবার গাঁজাখুরি ব্যবসায় তাল দিয়ে যাচ্ছে বাঙালি ভক্তকুল। হায়রে অশিক্ষিত সমাজ।

২। হজ বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

মুসলিম উম্মাহদের হজ্জ পালনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যেতে হয় মক্কা মদিনায়। অথচ মাত্র কয়েকশ টাকা খরচ করেই বাংলাদেশেই হজ পালন করা যায়। আপনার হয়তো বিশ্বাস হচ্ছে না।  ঢাকার অদূরে দোহারে হজ বাবার আয়োজনে প্রতিবছর ৯ সেপ্টেম্বর কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে হজ পালন করা হয়। এ সকল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বারোটা বাজাচ্ছে তথাকথিত হজ বাবা ও তার ভক্তকুল। হজ বাবার প্রধান সাঙ্গপাঙ্গ হল নারী। সারা বছর জুড়ে হজ বাবার কাবা ঘরে থাকে নারীদের আনাগোনা। এছাড়াও তার অনেক নারী ভক্তকুল তার খেদমতে সমস্ত শরীর সারাক্ষণ টিপে দেন। এই হজ বাবা নামের ভন্ড প্রতারকের কারণে আমাদের পবিত্র কাবা শরীফকে অবমাননা করা হচ্ছে। জানিনা এর ভক্তকুল কারা তারা কি গাঁজা খেয়ে হজ পালন করে আর প্রশাসন কি তাদের তামাশা দেখে আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল।


৩। নাচ বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

আরেক ভন্ড বাবার সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্থপুর থানার পারবর্তীপুর গ্রামে। যেখানে বড় বড় এম বি বি এস ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা করতে ব্যর্থ সেখানে নাকি নাচ বাবার চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায় সমস্ত রোগ। তাই তার ভিজিট ও অনেক গুন বেশি এক একজন রোগীর জন্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন তিনি। নাচ বাবার অভিনব চিকিৎসা পদ্ধতি দেখতে তাই জড়ো হয়েছে গ্রামের সকল নারী ও পুরুষ। তার চিকিৎসা পদ্ধতি হল রোগীকে একটি আসরে বসিয়ে রোগীর চারপাশে নাচ গান করা। আর এই নাচ গানের ফলে রোগী নাকি সুস্থ হয়ে যায়। এই নাচ বাবার ভন্ডামি গ্রামের মানুষ খুব যত্ন সহকারে দেখছে আর মজা লুটছে। কিন্তু বাস্তবে কতটা বাশ যাচ্ছে যে রোগী সেই ভাল জানে। আমার মনে হয় নাচ বাবা গাঁজা তো খাইছেই সেই সাথে সাথে গ্রামের মানুষ জনও গাঁজা খেয়ে তামাশা দেখছে। এই মজমায় সবগুলোরে কি বাশ দেওয়া যায় কমেন্ট করে জানাবেন।

৪। আগুন বাবাঃ  

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লায় বসবাসরত আরেকজন ভন্ড প্রতারকের নাম হল জয়নাল কবিরাজ ওরফে আগুন বাবা। তিনি একজন  বিখ্যাত ফকির,সাধক ও মন্ত্র বশীকরণ বাবা হিসেবে অধিক পরিচিত। তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার মধ্যে অন্যতম হল তিনি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঠেকাতে পারেন। মাত্র ৫০০ টাকা দিলেই বন্যা, ঝড় ঠেকিয়ে দেন। এ যেন এক আধ্যাত্মিক খমতার মালিক। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ ও জিন আছর থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারেন। এই ভন্ড আগুন বাবার পানি পড়া খেলে আর কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। বাঙালি পাবলিক যেমন তেমনি ভন্ড বাবারাও খুলে বসেছেন ভন্ডামির আসর। এতে আর আগুন বাবার দোষ কি?এই আগুন বাবার কাছে যে সকল মানুষ চিকিৎসা করতে যায় তাদের মদ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। শালার মূর্খ পাবলিক।

৫। লাঠি বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লার চান্দিনা বাস স্ট্যান্ডে বসে থাকেন লাঠি বাবা। তার নাম ধাম বেশ চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দূর দুরন্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে তার কাছে চিকিৎসা নিতে। অনেকের মতে তার সুনজরে যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে। কোন গাড়ি চালকের উপরে লাঠি বাবার কুনজর পড়লে তার  মেলে দুর্ঘটনা। তিনিও সব রোগের চিকিৎসক।   বিভিন্ন ধরণের তাবিজ ও ঝাড় ফুক দিয়ে সরল সহজ মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সর্বশেষ একটা কথায় বলবো এই ধরণের ভন্ড বাবারা আমাদের সমাজ ও দেশের ক্ষতি করছে।  এমনকি সরল সহজ মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তাই  আপনারা এই সকল ভন্ড বাবাদের থেকে দূরে থাকুন। আর একটা কথা না বলেও পারছি না এই সকল ভন্ড বাবারা তাদের ভন্ডামির সাম্রাজ্য বাড়াচ্ছে আর প্রশাসন কি ঘোড়ার ঘাস কাটছে। নাকি এদের পেছনের অন্তরালে রয়েছে আরও বড় বড় ভন্ড বাবাদের দল। যাই হোক আমাদের সাধারণ মানুষের হতে হবে সচেতন।

আরও বিস্তারিত জানতে অবশ্যই নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, March 5, 2020

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

গ্রাম শব্দটি বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত নাম। কেননা বাংলাদেশ একটি গ্রাম প্রধান রাষ্ট্র। সবুজ-শ্যামল আর গাছপালায় ভরা আমাদের গ্রামের পরিবেশ। আমাদের বাংলাদেশের গ্রামে রয়েছে দিগন্ত জোড়া মাঠ, ধানের  আউলা বাতাস। বাঙালির মনোজগতে গ্রামের এই চিত্র শুধু কল্পনাই নয় বাস্তবে বাংলাদেশের প্রতিটি আনাচে কানাচে গ্রামের এই চিত্র ফুটে উঠেছে।

শুধু যে কেবলমাত্র আমাদের বাংলাদেশে গ্রামের পরিবেশ এত সুন্দর তা কিন্তু নয়। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই রয়েছে অপরূপ সুন্দর সব গ্রামের দৃশ্য। ছবির মতো সাজানো গোছানো সেসব গ্রামের চিত্র দেখলে পলকেই ছুটে যেতে ইচ্ছে করবে হয়তো সেখানে।

চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রামের কথা।

১। পানতুমাই (সিলেট, বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় জনপদ সিলেটের জেলার জাফলং ইউনিয়নে রয়েছে এমন একটি সুন্দর গ্রাম যা পলকেই যে কোনও মানুষকে নিয়ে যেতে পারে স্বপ্নের এক জগতে। সেই গ্রামের নাম হলো পানতুমাই। পানতুমাই নামটি স্থানীয় জনপদ খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া।

এই গ্রামে রয়েছে পাহাড়ি ঝরনা, সবুজঘেরা লেক। তেমনি দূরে তাকালেই দেখা মিলবে কুয়াশা ঢাকা সবুজ মেঘালয়ের পাহাড়। বিশেষ করে বর্ষার দিনে এই গ্রামের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই গ্রাম থেকে কিছুদূর হাঁটলেই পাওয়া যাবে বিছানাকান্দি নামে এক মনোরম সুন্দর এক পাহাড়ি প্রপাত। যার স্বচ্ছ টলটলে জল মুহূর্তে চাঙ্গা করে দিতে সক্ষম অতি  নিঃসঙ্গ মানুষটির মনও। এছাড়া এখানে আরও রয়েছে বড়হিল ঝর্না, ইসলামাবাদ নামে সবুজ এক পাহাড়ি ভূমি।
সেজন্যই পানতুমাই কে বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও অপূর্ব এক নিরালা গ্রাম। ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে সিলেট নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে বা বাস অথবা সিএনজি অটোরিক্সায় যেতে হবে জাফলংয়ের গোয়াইনঘাট। তারপর সেখান থেকে আবার সিএনজি অটোরিক্সা বা রিক্সায় করে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় পানতুমাই গ্রামে।

২। বুরানো (ভেনিস, ইতালি)

জলের শহর বলে খ্যাত ইতালির ভেনিস শহরের সৌন্দর্য এমনিতেই জগত বিখ্যাত। তার ওপর এই শহরে রয়েছে এমন এক গ্রাম যেখানে গেলে রঙে রঙে রঙিন হয়ে ওঠে মন। ভেনিসের অন্যান্য জায়গার মতো এই গ্রামের মাঝ দিয়েও বয়ে গেছে একটি খাল। কিন্তু এই খালের দুই পাড়ে নানান রঙে রঙ করা বাড়ি-ঘর, দরজা-জানলা,আর অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলে মনে হবে হঠাৎ করেই যেন চলে এসেছি এক রূপকথার দেশে। এমনকি এই গ্রামের খালে চলা বড় নৌকা গুলোও বিভিন্ন রঙের যেগুলো দেখলে মনে হবে অপূর্ব সব কারুকার্য।

অনেকে এই গ্রামকে ভেনিসের সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। ইউরোপের নতুন বিবাহিত দম্পতিরা প্রায়ই এখানে আসেন তাদের হানিমুন কে রঙিন করে তোলার জন্য।

৩। গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন, ব্যাভারিয়া, জার্মানিঃ 

জার্মানির ব্যাভারিয়াতে অবস্থিত নয়নাভিরাম গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন গ্রামটি অবস্থিত জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ায়। যা জার্মানির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নাম পরিচিত। মনোরম সব দৃশ্য দেখা যায় এই নিরালা প্রত্যন্ত গ্রামটিতে গেলে। অল্প কিছু সংখ্যক মানুষের বসবাস রয়েছে সেখানে। বাসিন্দাদের অধিকাংশই ভেড়ার খামারের মালিক আর কাঠুরিয়া।
 
ওই গ্রামে গেলে যেদিকে চোখ যায় চারদিকে কেবল দেখা যায় সবুজে ঘেরা দিগন্ত মাঠ। জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ার সৌন্দর্য্য দেখলে অনেকেরই মনে হতে পারে এই বুঝি সেই ভূস্বর্গ তে পা রাখলাম।

৪। রিইনা (নরওয়ে)

রিইনাকে বলা হয় ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর গ্রামগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি অবস্থিত নরওয়ের মনোরম সৌন্দর্য আর্কটিক চ্যানেলের মসকেনিসোয়া দ্বীপে। সুউচ্চ পাথুরে পাহাড় আর লেকঘেরা এই গ্রামটিতে বাস মাত্র ৩৫০ জন মানুষের। কিন্তু তারপরও ইউরোপের ভ্রমণপিয়াসী মানুষেরা ঠিকই খুঁজে নেন রিইনার ঠিকানা।

5. ওইয়া (গ্রিস)

গ্রিসের অপরূপ দ্বীপ সান্তোরিনির মনোরম এক গ্রাম ওইয়া। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে বানানো দুধ সাদা সব বাড়ি দেখলে পলকেই আপনার মনটা ভরে যাবে। বলা হয় যে, কেউ যদি কিছুদিন শান্ত ও নির্মল জীবন উপভোগ করতে চান তাকে যেতে হবে অবশ্যই ওইয়া গ্রামে। সেখানের প্রায় প্রতিটি বাড়ির বারান্দা বা ছাদে উঠলেই দেখা যায় সমুদ্রে অসাধারণ সুর্যাস্তের দৃশ্য। শুধু বাড়িই নয়, পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সবুজ ঘাসের আস্তরন আর বুনো ফুলের ঘ্রাণ মন ভরে দিতে বাধ্য। আর পর্যটকদের জন্য ওইয়ার আরেকটি আকর্ষণ হলো সমুদ্রস্নান।


৬। কোলমার (ফ্রান্স)

ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আলসাসের কোলমার গ্রামটিকে দেখলে যে কেউ বলতে বাধ্য হবে এ যেন এক রূপকথার নগরী। কারণ একটি গ্রাম এত সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো ও পরিপাটি করে রাখা যায় তার প্রমাণ কোলমার গ্রামটি। পুরো গ্রামটিই জুড়ে রয়েছে বাগানের সমারোহ। এখানে অক্সিজেনের কোনরকম ঘাটতি নেই।  যে দিকে তাকানো যায়, বাস্তা, বাড়ি, ঘর, ফুটপাত সব জায়গাতেই সারা বছর পাওয়া যায় নানা রঙের ফল সেই সাথে ফুটে থাকে নানান রঙের ফুল। আর ফুল দিয়ে সাজানো নৌকায় কোলমারের লেকে ভ্রমণ করলে দেখতে পাবেন রূপকথার নগরীর মতো চকলেটের রঙে রাঙানো বাড়ি ঘর আর সবু‌‌‌জের সমারোহ। 

৭। গিথরন, (নেদারল্যান্ডস)

নেদারল্যান্ডসের ওভেরিজসেল প্রদেশের স্টিনউইজকারল্যান্ডস শহরের কাছে অবস্থিত এক অনন্য সবুজ গ্রামের নাম হলো গিথরন। এটিও বিখ্যাত তার শান্ত,কোলাহলমুক্ত ও নির্মল পরিবেশর জন্য। এই গ্রামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ যানবাহন মুক্ত । এই গ্রামে কোথাও গাড়ি চলতে পারে না যার ফলে কোন ধুল-বালি হয় না। ভাবছেন তাহলে গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতের বাহন কি?

গ্রামের মাঝ বরাবর দিয়ে বয়ে গিয়েছে একটি খাল। আর এই খালের সাহায্যে মানুষ নৌকার মাধ্যমে চলাচল করে।

৮। অ্যালবিরোবিলো (ইতালি) 

প্রাচীনত্ব আর মনোরম সৌন্দর্যের জন্য এরইমধ্যে ইউনেস্কো অ্যালবিরোবিলোকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই গ্রামের নির্মল ও শান্ত পরিবেশ ও হাসিখুশি মানুষগুলো যে কাউকে নিমিষেই আকর্ষণ করতে বাধ্য। এই গ্রামের বৈশিষ্ট হলো, এতে রয়েছে প্রাচীন পোড়া মাটির তৈরি ইট আর চুনাপাথর দিয়ে বানানো ১৫’শ লম্বাটে গম্বুজওয়ালা বাড়ি। দূর থেকে সাদা রঙের এসব গম্বুজওয়ালা বাড়ি দেখতে খুবই চমৎকার। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুন আশা করি ভালো লাগবেঃ 

Wednesday, March 4, 2020

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন।

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন।

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে সারা পৃথিবী জুড়ে রয়েছে নানা বিচিত্র নিয়মকানুন। অনেকেরই হয়তো জানা নেই সেসব নিয়ম-কানুন ও আইনের কথা। চলুন আজকে জেনে নেয়া যাক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত নিয়ম-কানুন ও আইনের কথা। 

১। মৃত মানুষকে বিয়ে করার অনুমতিঃ 

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন2।

 ফ্রান্সে রয়েছে বিয়ে বিষয়ে একটি অদ্ভুত আইন। আইনটি হলো- রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে মৃত মানুষকে আয়োজন করে বিয়ে করা যাবে। তবে রাষ্ট্রপতি থেকে অনুমতি নিতে প্রয়োজন পড়বে কিছু প্রমাণাদির।
মৃত মানুষটি জীবদ্দশায় ঐ পুরুষ বা ঐ নারীকে ভালোবাসত কিনা বা তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল কিনা, এসব তথ্যাদি পেশ করতে হয় রাষ্ট্রপতির কাছে।

২। এক বছরের খোরপোষ দিলেই দিতে পারবেন ডিভোর্সঃ 

আমেরিকার টেনেসি প্রদেশে বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য রয়েছে খোরপোষ বিষয়ক একটি আইন। আইনটি হলো- স্ত্রীর এক বছর চলে যাবে এমন পরিমাণ খাবারের জোগান দিতে পারলে একজন স্বামী যে কোনো মুহূর্তে আর কোনো কারণ না দেখিয়েই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন।

খাবারের তালিকায় রয়েছে- শুকনো শস্যদানা, শুকনো ফলমূল এবং মাংস। আর পরিধানের জন্য রেশমি বস্ত্র এবং উল।

৩। স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে গেলে শাস্তিঃ 

ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র ওশেনিয়ার সামোয়া। সেখানে রয়েছে বিয়ে বিষয়ক অদ্ভুত এক আইন। জন্মদিনকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকে দেশটি।সেখানে কোনো স্বামী যদি তার স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যায় ও সময়মতো শুভেচ্ছা না জানায়, তা হলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সেই স্ত্রী তার ভুলোমনা স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার অধিকার পেয়ে যান। কিন্তু আইনটি স্ত্রীর বেলায় প্রযোজ্য নয়।

৪। রোববার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করলেই আইনি ব্যবস্থাঃ  

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় রয়েছে একটি আইন। রোববারে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করতে একেবারেই নিষেধ। অন্যদিন গুলোতে যত খুশি ঝগড়া করুক সমস্যা নেই।রোববার স্ত্রীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলেই বিপদ। শুধু বিচ্ছেদই নয় স্বামীকে কারাগারেও পাঠাতে পারেন স্ত্রী।

৫। বিয়ের পূর্বে ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলকঃ 

ইচ্ছেমতো দিনে বিয়ে করা যায়না মোনাকোয়। দেশটির নিয়মানুযায়ী, দুটি রোববারসহ মোট দশ দিন হাতে রেখে বিয়ের ঘোষণা দিতে হবে। তারপরেই বিয়ে করতে পারবেন হবু স্বামী-স্ত্রী। তা না করলে সে বিয়ে বৈধতা দেওয়া হয় না সেখানে।

৬। সন্তান ধারণে বিধিনিষেধঃ

যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ প্রদেশে আপন চাচাতো ভাইবোনদের মধ্যে বিয়ে নিয়ে রয়েছে একটি আইন। নিকটাত্মীয় বা রক্তের সম্পর্কের মধ্য বিয়ে হলে সন্তান হতে পারে প্রতিবন্ধী বা শারীরিকভাবে অপরিপক্ব।এমন বিয়েতে নিরুৎসাহিত করলেও বাধা দেয় না প্রশাসন। তারা বিয়ে করতে পারেন কিন্তু সন্তান নেয়া যাবে না। পরবর্তী প্রজন্ম যেন জিনগত ত্রুটি ও শারীরিক সমস্যা নিয়ে না জন্মায় সে ধারণা থেকেই সন্তান ধারণের জন্য বিধিনিষেধের এমন অদ্ভুত আইন রয়েছে দেশটির সেসব প্রদেশে।

আরও বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Tuesday, February 18, 2020

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

একজন মা তার সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সব ধরণের অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলতে পারেন। সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সে সমস্ত কিছু ত্যাগ বিসর্জন দিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকেন।। এমনই এক দৃষ্টান্ত দেখা গেলো তামিলনাড়ুর অন্তর্গত সেলিম শহরে। এক মা তার ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য বিক্রি করলেন নিজের মাথার চুল।



মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

আমি এতক্ষণ ধরে বলছিলাম তামিলনাড়ুর সেলিম শহরের বাসিন্দা প্রেমার কথা। আট মাস আগে আত্মহত্যা করে মৃত্যু হয় স্বামীর। স্বামী মারা যাওয়ার পর রোজগারের মত তেমন আর কেউ থাকে না। এতদিন ঋণ ধার করে কোন রকম চলছিল তার সংসার। আস্তে আস্তে ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে। তার মোট  তিন সন্তান একজন ৫ বছরের এবং বাকি দুজন ২ ও ৩ বছরের হবে।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

শুক্রবার তার হাতে  কিছু কিনে খাওয়ার মত কোন টাকা পয়সা ছিল না। প্রচন্ড খিদের জালায় কাঁদছিল তার ছোট ছোট তিন শিশু। এই সময় কি করবে বুঝে উঠতে পারছিলনা অসহায় প্রেমা। ঐ সময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল এক চুল ক্রেতা। তার কাছে মাত্র ১৫০ টাকায় বিক্রি করে নিজের সমস্ত চুল। সেখান থেকে ১০০ টাকায় সন্তানদের খাওয়ায় আর ৫০ টাকায় কীটনাশক কিনে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। প্রেমার এক বোন আত্মহত্যা থেকে তাকে রক্ষা করে।



মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

চুল বিক্রির সময় জি বালা নামের এক ব্যক্তি দেখেন।  তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটি পোষ্ট করেন এবং সাহায্যের জন্য অনেকেই হাত বাড়িয়ে দেই। সাহায্যের পরিমাণ এসে দাড়ায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বর্তমানে ইটভাটায় কাজ করেন প্রেমা।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

একমাত্র মা তার সন্তানের জন্য এমন ত্যাগ তিতিক্ষা বিসর্জন দিতে পারেন। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত মাকে ভালোবাসা। মাকে কোন রকম কস্ট না দেওয়া। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে মা বাবার পাশে থাকা প্রত্যেক সন্তানের নৈতিক কর্তব্য। যারা মা বাবাকে ভালবাসবে না তাদের ইহকাল ও পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। আসুন আমরা সবাই ওয়াদা করি মা বাবাকে কখনই অবহেলা করব না। 

নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

Friday, January 24, 2020

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা। 
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা যাবে কিনা?অমুসলিমরা তাদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহোযোগিতা চাইলে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা যাবে কিনা? আজকের এই সকল বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করা হবে। কাজেই আমাদের সাথেই থাকুন।

পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, সাহায্য-সহযোগিতা হতে হবে শুধু সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে। গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না। (সূরা মায়েদা ২)

উক্ত মূলনীতির আলোকে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা জায়েয হবে না।

আল্লামা ইবন নুজাইম মিসরি রহ. বলেন,

( والإعطاء باسم النيروز والمهرجان لا يجوز ) أي الهدايا باسم هذين اليومين حرام بل كفر , وقال أبو حفص الكبير رحمه الله لو أن رجلا عبد الله خمسين سنة ثم جاء يوم النيروز , وأهدى لبعض المشركين بيضة ، يريد به تعظيم ذلك اليوم ، فقد كفر , وحبط عمله

নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। অর্থাৎ এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরং কুফর। আবুল আহওয়াছ আল-কাবির রহ. বলেন, যদি কোন ব্যক্তি পঞ্চাশ বছর আল্লাহর ইবাদত করার পর নওরোজের দিন এসে কতিপয় মুশরিককে কিছু উপহার দেয় এবং এ উপহারের মাধ্যমে এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তার সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে। (তাবইনুল হাকায়েক ৬/২২৮)

ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়াতে (ফতওয়া নং ৪৭০১৬) এসেছে,

حكم مشاركة المسلم في بناء كنيسة يعمل أوتبرع غيرجائِزلأنه على الباطل

গির্জা বানানোর সময় কাজের মাধ্যমে কিংবা দানের মাধ্যমে শরিক হওয়া মুসলিমের জন্য জায়েয নয়। কেননা, এতে বাতিলের সহযোগিতা হয়।

 অনেক সময় মুসলিমরা বিভিন্ন কারণে মন্দির ইত্যাদিতে সাহায্য করতে বাধ্য হয়। এরুপ পরিপ্রেক্ষিতে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে কিংবা তার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে মর্মে ফতওয়া দেয়া যাবে না। তবে কাজটি নিঃসন্দেহে অন্যায় ও ঈমানের দুর্বলতার আলামত। তাই কেউ করে ফেললে তাওবা করতে হবে। (ফাতাওয়া রাহিমিয়া ১/৬৮)

মুসলমানের উচিত তার ধর্ম নিয়ে গর্ববোধ করা। ধর্মীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা। লজ্জাবোধ করে অথবা সৌজন্য দেখাতে গিয়ে এক্ষেত্রে কোন শৈথিল্য না দেখানো। বরং আল্লাহকে লজ্জাবোধ করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

          এই বিষয়ে নিচের ভিডিও ফুটেজ টি দেখতে পারেন