ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ৯ মে, ২০২১

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

বাংলাদেশের দামাল  সন্তানেরা নানা সংস্থার মাধ্যেমে দেশসেবায় নিয়োজিত আছে। যেমন সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী, পুলিশ,বিজিবি, আনসার দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি অনেক গোয়েন্দা সংস্থা ও বিশেষ বাহিনী বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে। কাজের ধরন অনুযায়ি এসব বাহিনী পরিচিত। তবে গোয়েন্দা বাহিনীতে দেশের মেধাবীরা কাজ করছেন সবার আগোচরে। সরকারের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিরাই এ বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত। স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স, গুপ্তচর, ইন্টেলিজেন্স, কমান্ডো- এইসব বিষয়ে সবারই একটা আগ্রহ থাকে। ওদের ট্রেনিং, কাজের ধরণ, গোপনীয়তা- সবকিছু যেন লাইভ থ্রিলার মুভি! বাংলাদেশেও তেমনই কিছু স্পেশাল অপারেশন ফোর্স রয়েছে। চলুন আজকের ভিডিও এর মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশের দুর্ধর্ষ ৭টি স্পেশাল ফোর্স সম্পর্কে। 

১। পিজিআরঃ 

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)  বঙ্গভবনে অবস্থিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নির্বাহী অফিসের একটি সত্তা, রাষ্ট্রপতির বিদেশ ভ্রমণ, রাষ্ট্রপতির সাধারণ যাতায়াত, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি চিকিত্সা সেবা, এবং আতিথেয়তা পরিষেবা সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করে। পিজিআর এর প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে এই বাহিনী গঠন করেন। সেই সময় এটি প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স নামে পরিচিত ছিল। ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ এটি পূনর্গঠন করেন এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বাহিনী হিসাবে উন্নীতকরন করেন।  বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাদের পরিবারের নিকটতম সদস্যদের এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদান এই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।
 

২। এনএসআইঃ 

এন এস আই এর পূর্ণরূপ হল ন্যাশনাল সিকউরিটি ইন্টেলিজেন্স যার অর্থ জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা। যুগযুগ ধরে এই বেসামরিক সংস্থাটি বাংলাদেশের প্রাইম গোয়েন্দা সংস্থা ছিল। দেশের প্রতিটা জেলায়, প্রতিটা থানায় রয়েছে এদের অফিস। সমস্ত কিছু হয় সম্পূর্ণ গোপনে। এমনকি তাদের হেডকোয়ার্টারও পুরোপুরি আন্ডারকাভার। এন এস আই এর কাজের ধরণ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অখন্ডতা, বাইরের দেশের হুমকির বিষয়গুলি দেশের ভিতরে ট্যাকল করা, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স। গোয়েন্দা তথ্য জোগাড় করে তা বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজন অনুসারে সরকারকে জানানো। এন এস আই এর ট্রেনিং পুরোপুরি গোপনীয়। দেশে ও দেশের বাইরে। তবে, আর্মি, নেভি, এয়ার, ডিজিএফআই’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ট্রেনিং হয়। এন এস আই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে পরিচালিত হয়। 

 
৩। সোয়াটঃ 

স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স। আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে তাদেরই সমান আকৃতির একটা সোয়াট টিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট। এরা হল ছোট্ট টিম, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক।  যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেওয়া হয়। এই টিমগুলির ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। কিন্তু তারা থাকবে লোকালাইজড সংস্থার সঙ্গে । যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইত্যাদি। খুবই শক্তপোক্ত ভাবে নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়। সব সোয়াট টিমই পঁচিশ-পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ। এরা সরাসরি ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে পরিচালিত হয়।


৪। ফরমেশন কম্যান্ডো কোম্প্যানিঃ 

 দুই থেকে তিনটা প্ল্যাটুন নিয়ে এক কোম্পানি। একজন ক্যাপ্টেন বা মেজরের অধীনে আর্মি ফরমেশনগুলিতে একটা করে কম্যান্ডো কোম্প্যানি থাকার কথা। প্রতি ডিভিশনেই বা ক্যান্টনমেন্টে আছে এমন কোম্পানি। এই বাহিনীর চার থেকে ছয় মাসের অকল্পনীয় ট্রেনিং করানো হয়। এই বাহিনীর বিশেষায়িত অস্ত্র হল টাইপ ফিফটি সিক্সের লাইট ফুলমেটাল ভার্শন (এখানে সবচেয়ে সাধারণ), বিশ্ব কাঁপানো উজি মেশিন পিস্তল ও সাবমেশিনগান, মার্কিন এম ফোর কারবাইন, স্পেশাল ফোর্সেস শর্ট ব্যারেল স্পেশাল এডিশন কারবাইন, কমান্ডো গ্রেনেড-নাইফ-ভেস্ট-এস্কেপ টুলস। এদের প্রধান কাজ হল সামরিক,গোপন তথ্য উদ্ধার/ গোপন স্যাবোট্যাজ, স্পেশাল অ্যাসাইন্ড কিলিং। এছাড়াও স্পর্শকাতর উদ্ধারকাজ বা শত্রুবাহিনীর মূল কোন একটা পয়েন্ট গুঁড়িয়ে দেওয়া।  

 
 ৫। সিটিআইবি-

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো। এদের প্রধান কাজ হল সন্ত্রাস দমন করা। এরা সরাসরি ডিজিএফআই থেকে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। ডিজিএফআই’র একটা পরিদপ্তর উপ-সংস্থা। কিন্তু এর সক্ষমতা ব্যাপক, তাই কোথাও কোথাও একে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়। পৃথিবীর বড় বড় অ্যান্টি টেররিজম অর্গানাইজেশনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আদান-প্রদান হয় এদের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে। মূলত এই বাহিনী বড় আয়তনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নিয়ে ডিপকাভার তদন্ত করে থাকে, এছাড়াও আরো প্রয়োজনে ডিপ আক্রমণ করে থাকে।

৬। র‍্যাবঃ 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এদের ভুমিকা হল কাউন্টার টেরোরিজম, অ্যান্টি ড্রাগ অ্যান্ড নারকোটিকস, স্পেশাল সেফটি অ্যান্ড সিকউরিটি, ইন্টারনাল ব্ল্যাক অপস, সন্ত্রাস দমন, গোয়েন্দা নজরদারী ইত্যাদি। এই বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয় মূলত সেনাবাহিনী থেকে ৪৪%, পুলিশ থেকে ৪৪%, বিজিবি-আনসার-নেভি-এয়ার বাকি ৬%। রেবের ফিল্ডে থাকা সবার ট্রেনিং একই মানের নয়। গোয়েন্দা শাখার ট্রেনিং বিশ্বমানের, ইন্টারোগেশনও সর্ব্বোচ্চ শ্রেণীর। ব্যাবের শুরুতে যখন গঠিত হয়, তখন পুরো ফোর্সের অর্ধেকই ছিলেন শুধু আর্মির প্যারাকমান্ডো। পরে তাদের সবাইকে মূল সার্ভিসে রিপ্লেস করা হয়।

৭। এসএসএফঃ 

স্পেশাল সিকউরিটি ফোর্স হল সরকারপ্রধানের নিরাপত্তার বিশেষায়িত বাহিনী। একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের অধীনে গঠিত ছিল, বর্তমানে মেজর জেনারেলের অধীনেও কাজ করে। এদের তিন বাহিনী থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অপারেটিভরা সাধারণত ক্যাপ্টেন বা সমমানের পদবী থেকে আসা। এই বাহিনীর পুরোপুরি গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। ফিল্ডের অনেক কাজ বাস্তবায়নে পুলিশ-রেব এমনকি সেনাবাহিনীও কাজে লাগানো হয়। এদের কাজের প্রধান ক্ষেত্র হল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, গোয়েন্দা নজরদারি, সফর সঙ্গী হওয়া।

মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১

কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?

কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?

কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?

বর্তমান সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে অনেকে কিম জন উনকে বাংলাদেশের জামাই বলে আখ্যায়িত করেছে৷ যদিও যারা এই কথা বলে,তাদেরও দাবী বাংলাদেশের সাথে কিম জন উনের মতো স্বৈরাচারী শাষকের কোনো যোগসূত্র নেই! কিম জন উন! উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে ভয়ংকর ও দুর্ধর্ষ স্বৈরাচারী শাষক! যেখানে স্বাধীনতা, বাক-স্বাধীনতা,সার্বোভৌমত্ত এইসকল শব্দগুলো অর্থহীন! অপরদিকে বাংলাদেশ, আর যাই হোক বিশ্ব দরবারে শান্তিপূর্ণ, স্বাধীন,সার্বোভৌম এবং গণতান্ত্রিক একটি রাষ্ট্র! সুতরাং দুটি দেশের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা! তবে, বিভিন্ন ঘটনার আঙ্গিকে বাংলাদেশ ও নর্থ কোরিয়া বিশ্ব দরবারে নানা ভাবে আলোচিত ও সমালোচিত! এবং দুটি সমালচিত দেশের ভেতরে কোনো যোগসূত্র থাকবে না তা কি করে হয়? তাহলে চলুন জেনে আশা যাক কষ্মিন কালে এই দুই দেশের ভেতরে আদোও কোনো সম্পর্ক বা যোগসূত্র ছিলো কিনা! যদি থেকেও থাকে তাহলে তা কি? আদোও এই দুই দেশের ভেতরে কখনো কুটনৈতিক সম্পর্ক সৃষ্টি হবে কিনা ইত্যাদি বিষয়! চলুন শুরু করা যাক!  

বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাকঃ 

কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?

২০১৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক করে ১ বিলিয়ন ডলার হাতিয়ে নেয়ার পেছনে দেশ গভীর ষড়যন্ত্র এবং যোগসূত্র রয়েছে উত্তর কোরিয়ার একনায়কতন্ত্র শাসক কিম জং উনের। যদিও কিম জং উনকে বাংলাদেশ সম্পর্কে কখনো কোনো বিবৃতি দিতে দেখা যায়নি। তবে এটা ভাল করেই জানেন বিশ্বদরবারে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার একটি দুর্লভ দৃষ্টান্ত সে কারণেই হয়তো ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক করার জন্য উত্তর কোরিয়ার একটি হ্যাকার কমিউনিটিকে লেলিয়ে দিয়েছিলেন এবং তাতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা প্রদান করে চীনের আরেকবার কমিউনিটি এটা ২০১৬ সালের ঘটনা যখন বাংলাদেশে দিনকে দিন আর্থিকভাবে উন্নয়নের পথে অগ্রযাত্রা শুরু করে। ঠিক সেই সময়টাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সেন্ট্রাল প্রিন্টিং মেশিন যেটির মাধ্যমে সমগ্র ব্যাংকের সকল ধরনের তথ্য-উপাত্ত নিয়ন্ত্রণ করা হয় সেটি হ্যাক হয়ে যায়। 

 অতঃপর বেশ মোটা অংকের একটি অর্থ আত্মসাৎ করে শ্রীলংকা ,সিঙ্গাপুর ,চীন-জাপান, সৌদি আরব সহ আরো বেশ কয়েকটি দেশের বেসরকারি ব্যাংকের বিভিন্ন ব্রাঞ্চের পাঠানো হয়। অতঃপর সেখান থেকে কেবলমাত্র একটি ঠিকানায় টাকাগুলো পুঞ্জিভূত হয় এবং সেটি হল উত্তর কোরিয়ার কোষাগার। সুতরাং নিঃসন্দেহে এর পেছনে উত্তর কোরিয়ার একনায়কতন্ত্র শাসক কিম জং উনের হস্তক্ষেপ ছিল, সেটি বলার অপেক্ষা রাখে না। এমনকি হ্যাকারদের থেকে উদ্ধার করা ডিভাইসগুলোতে কোরিয়ান ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করার নজির মেলে। এমন ঘটনা শুধু বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে নয়, গেল দশকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশের সেন্ট্রাল ব্যাংক থেকে টাকা আত্মসাতের নজির পাওয়া যায়। তবে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে কোনো ধরনের কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় সে টাকাগুলো উদ্ধার করা ছিল রীতিমতো অসম্ভব। যার ফলে 2016-17 অর্থবছরে বেশ বড় আর্থিক মন্দা পড়তে হয় বাংলাদেশকে। সম্প্রতি সময়ে পুনরায় বাংলাদেশ ব্যাংক হ্যাক হবার একটি গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এবং এর পেছনে উত্তর কোরিয়ার হস্তক্ষেপ থাকতে পারে বলে ধারণা বেশকিছু ইন্টারন্যাশনাল নিউজ মিডিয়ার। 

বাংলাদেশের সিনেমা দেখেন কিম জং উনঃ 

কিম জন উনের সাথে বাংলাদেশের যোগসূত্র কোথায়?

শুনে হয়তো কিছুটা অবাক হচ্ছেন! হ্যা! অবাক হওয়াটাই স্বাভাবিক। যে যাই বলুক না কেন, কিম জং-উন কিন্তু খুব সৌখিন মানুষ। যিনি কিনা দিনের অর্ধেক সময় কাটান সিনেমা দেখে। তিনি এতটাই সৌখিন যে নিজ বাসস্থানে ১৮০০ বিশিষ্ট একটি সিনেমা প্রেক্ষগৃহ নির্মাণ করেছেন। এবং তার কালেকশন রয়েছে । ১০ হাজারেরও বেশি সিনেমা। এবং এই ১০ হাজার সিনেমা কিম জং উন নির্বাচন করেছেন আইএমডিবি এর রেংক লিস্ট এর উপর ভিত্তি করে। সুতরাং আদৌ যদি কিম জং উন আইএমডিবি রেংক লিস্ট এর ওপর ভিত্তি করে সিনেমা নির্বাচন করেন তাহলে নিঃসন্দেহে সেখানে ১০ টির অধিক সিনেমা জায়গা করে নেবে । যার ভেতরে উল্লেখযোগ্য মাটির ময়না, আয়নাবাজি, একুশে গান, জীবন থেকে নেওয়া , নয় নম্বর বিপদ সংকেত ইত্যাদি ! 


উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে এক কোটি ডলার টাকা পায় বাংলাদেশঃ 

 এটা কি কখনো ভেবে দেখেছেন? বাংলাদেশের মতো উদীয়মান একটি সাবলম্বী রাষ্ট্র কিনা প্রথম শ্রেণীর দেশ উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে ১০০ কোটির ডলারের বেশি অর্থ পায়? তাও আবার পাওনা হিসেবে! মূল ঘটনাটি জানার জন্য আমাদেরকে ফিরে যেতে হবে ১৯৯৪ সালে! ১৯৯৪ সালে দ্রব্য পণ্য রপ্তানি বাবদ উত্তর কোরিয়ার কাছে বাংলাদেশের পাওনা ছিল আনুমানিক ১০০ কোটি ডলার ।মুদ্রাস্ফীতি হিসাব করলে যেটির বর্তমান সময়ে গিয়ে দাঁড়ায় ১২০ কোটি ডলার। সে সময় ও অর্থের বদলে ,পন্য এর বদলে পন্য রপ্তানি করার ব্যবস্থা চালু ছিল। এই যেমন বাংলাদেশ যদি উত্তর কোরিয়াকে পাট, পোশাক, চা, তামাক ইত্যাদি রপ্তানি করে তাহলে ফলস্বরূপ উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে বাংলাদেশের পাওনা হবে পনির, অ্যালকোহল সহ অন্যান্য খাদ্য দ্রব্যাদি। পরবর্তীতে এই নীতি বাতিল করা হয়। যার ফলে একটি দেশ অপর একটি দেশের কাছে খাদ্য আমদানি রপ্তানি করার বদলে নগদ অর্থ পেতে শুরু করে। তবে হুট করে সরকার বদলের ক্ষনে কর্পুরের মতো উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে পাওনার হিসেব বাতাসে মিলিয়ে যায়। 

অবশ্য পরবর্তীতে বিভিন্ন ব্যাংকের মাধ্যমে বারবার উত্তর কোরিয়ার সেন্ট্রাল ব্যাংক গুলোতে একটি নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যেখানে পাওনা টাকা ফিরিয়ে দেওয়ার বদলে বলা হয়। তবে এখন অব্দি কোন ধরনের প্রতুত্তর পায়নি বাংলাদেশ। কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকার ফলে অর্থ ফিরিয়ে আনতে বেশ বেগ পেতে হবে বাংলাদেশকে । যদিও এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষের কোনো ধরনের নজরদারী নেই। সুতরাং অর্থ একরকম আত্মসাৎ করে বসে আছে উত্তর কোরিয়া সে কথা বলাই চলে। এখন এ অর্থ ফেরত আনার একটাই পথ ! কিম জন উনের মতো জানোয়ার ন্যায় শাসকের মুখোমোখি হওয়া । তবে বিড়ালের গলায় ঘন্টা টা পড়াবে কেন ?

শনিবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২১

চাঁদ সম্পর্কে অজানা ও অবাক করা ৮টি তথ্য।

চাঁদ সম্পর্কে অজানা ও অবাক করা ৮টি তথ্য।

চাঁদ সম্পর্কে অজানা ও অবাক করা ৮টি তথ্য।

চাঁদকে ঘিরে এখনও অনেক রহস্য। পৃথিবীর এই উপগ্রহটি সম্পর্কে শোনা যায় নানা গল্প কথা। চাঁদের অনেক রোমান্টিক নামও আছে যেমন- ব্লু মুন, ক্রিসেন্ট মুন, ফুল মুন ইত্যাদি। 

রাতের আকাশে খালি চোখে দেখা এই উপগ্রহটি সম্পর্কে জানবো অজানা ৮ টি তথ্য। এছাড়াও এই ভিডিও এর মাধ্যমে জানতে পারবেন পারমানবিক বোমা মেরে চাঁদকে ধ্বংস করার জন্য কেন সেদিন পরিকল্পনা করেছিল আমেরিকা।  চাঁদ সম্পর্কে বেশ কিছু মজার ও অদ্ভুত বিষয় জানতে চলেছেন এই আর্টিকেলটির মাধামে। কাজেই আর্টিকেল টি শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য সাদর আমন্ত্রন জানিয়ে শুরু করছি।  
  

১. চাঁদ গোলাকার নয়ঃ

চাঁদের আকৃতি আসলে ডিমের মতো। আপনি যখন এর দিকে তাকান তখন কিন্তু এর ছোট দুই প্রান্তের কোন একটিকে দেখতে পান। চাঁদের ভরের কেন্দ্র ঠিক এর জ্যামিতিক কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। এটি জ্যামিতিক কেন্দ্র থেকে ১ দশমিক ২ মাইল দূরে।

২. সবসময় আমরা চাঁদের পুরোটা দেখতে পাই নাঃ

আমরা যখন চাঁদের দিকে তাকাই তখন এর ৫৯ শতাংশ দেখতে পাই। পৃথিবী থেকে চাঁদের বাকি ৪১ শতাংশ কখনোই দেখা যায় না। আপনি যদি এই তথ্য বিশ্বাস না করেন এবং এটা সত্য কিনা সেটা যাচাই করে দেখতে চাঁদের লুকিয়ে থাকা ওই ৪১ শতাংশের উপরে গিয়ে দাঁড়ান তাহলে কিন্তু সেখান থেকে আপনি এই পৃথিবীকে দেখতে পাবেন না।

৩. ব্লু মুন হয়েছে আগ্নেয়গিরি কারণেঃ

ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাতের পর ১৮৮৩ সালে 'ব্লু মুন' পরিভাষার জন্ম হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। সেসময় অগ্নুৎপাতের ফলে বায়ুমণ্ডলে এতো বেশি ধুলো ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছিল যে মানুষ যখন পৃথিবী থেকে চাঁদের থেকে তাকিয়েছিল তখন তাকে দেখতে নীল মনে হয়েছিল। আর এ থেকেই তৈরি হয়েছে 'ওয়ান্স ইন এ ব্লু মুন' কথাটি। বিরল কোন ঘটনা বলতে এই বাক্যটি ব্যবহার করা হয়।

৪. ড্রাগনের কারণেই গ্রহণের ঘটনাঃ  

সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে পড়লে অথবা সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে দাঁড়ালে তখন সূর্য বা চাঁদের আলো সাময়িকভাবে ম্লান হয়ে যায়। একে বলা হয় চন্দ্রগ্রহণ কিম্বা সূর্যগ্রহণ। একটি প্রাচীন চীনা বিশ্বাস হচ্ছে- একটি ড্রাগন যখন সূর্যকে গিলে খেয়ে ফেলে তখন সূর্যগ্রহণ হয়। তখন চীনারা তাদের পক্ষে যতোটা সম্ভব আওয়াজ সৃষ্টি করতে থাকে যাতে ড্রাগনটি ভয় পেয়ে দূরে চলে যায়।
চীনারা একসময় আরো বিশ্বাস করতো যে চাঁদের গর্তের ভেতরে একটি বিশাল আকৃতির ব্যাঙ বসবাস করতো। চারশো কোটি বছর আগে মহাকাশ থেকে ছুটে যাওয়া একটি পাথর চাঁদকে আঘাত করলে ওই গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল।

৫. চাঁদের কারণে পৃথিবীর গতি ধীর হয়ঃ

চাঁদ যখন পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসে, তখন জোয়ারের সৃষ্টি হয়। নতুন কিম্বা ফুল মুনের পরপরই এরকম হয়ে থাকে।
তখন পৃথিবীর ঘূর্ণন শক্তিও চাঁদ চুরি করে নেয়। আর সেকারণে পৃথিবীর গতিও প্রতি ১০০ বছরে প্রায় ১ দশমিক ৫ মিলি-সেকেন্ড করে শ্লথ হয়ে যাচ্ছে।

৬. চাঁদের আলোঃ

সূর্য একটি পূর্ণ চাঁদের চেয়েও ১৪ গুণ মাত্রায় বেশি উজ্জ্বল। সূর্যের মতো সমান উজ্জ্বলতায় জ্বলতে হলে প্রায় চার লাখ পূর্ণ চাঁদের প্রয়োজন। চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ যখন পৃথিবীর ছায়ার ভেতরে চলে যায় তখন চন্দ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রা দেড় ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে ৫০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটও কমে যেতে পারে। 

৭. লিওনার্দো দা ভিঞ্চি বুঝেছিলেন ক্রিসেন্ট কি জিনিসঃ 

চাঁদকে আমরা যখন ক্রিসেন্টের আকারে বা অর্ধচন্দ্রাকৃতির মতো দেখি তখন আমরা চাঁদ থেকে ছিটকে আসা সূর্যের আলোকেই দেখতে পাই। চাঁদের বাকি অংশটা খুব অস্পষ্ট দেখা যায়। সেটাও নির্ভর করে আবহাওয়ার উপরে। শিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চিই হলেন প্রথম কোন ব্যক্তি যিনি উপলব্ধি করতে পারছিলেন যে চাঁদ আসলে সঙ্কুচিত ও প্রসারিত হচ্ছে না, বরং এর কিছু অংশ লুকানো থাকে।

৮. চাঁদ পনির দিয়ে তৈরিঃ 

চাঁদের আরো অনেক কিছুই আছে যা এখনও আমাদের অজানা। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনায় এনিয়ে একটি জরিপ চালানো হয়েছিল। তাতে দেখা গেছে জরিপে অংশ নেওয়া লোকজনের ১৩ শতাংশ বিশ্বাস করেন যে চাঁদ চীজ বা পনির দিয়ে তৈরি।

কেন আমেরিকা চাঁদকে উড়িয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিল? 

যুক্তরাষ্ট্র একবার সত্যিই সত্যিই চাঁদের উপর পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণের কথা চিন্তা করেছিল। উদ্দেশ্য ছিল এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা। বিশেষ করে রাশিয়াকে ভয় দেখানো। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার অত্যন্ত গোপনীয় এই পরিকল্পনার নাম ছিল "এ স্টাডি অফ লুনার রিসার্চ ফ্লাইটস" অথবা "প্রজেক্ট ১১৯।"

বুধবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২১

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ।

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ।

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ।

মাছে ভাতে বাঙালি এ কথা কে না জানে। কারণ মাছ আমাদের অত্যান্ত প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি জানেন কি? এই পৃথিবীতে ৪০ হাজারেরও বেশি প্রজাতি মাছের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু আপনি কত প্রকার মাছ সম্পর্কে জানেন? এই পৃথিবীতে এমনও সুন্দর সুন্দর মাছ আছে যেগুলো আপনি জীবনে হয়তো নামও শোনেননি এমনকি দেখেননি। আজ হিডেন ফক্স ওয়ার্ল্ড চ্যানেলের ভিউয়ারসদের জন্য এমন ১০ অপূর্ব সুন্দর মাছের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব, এই মাছ গুলো দেখার সাথে সাথে আপনার চোখ দুটো বিমোহিত হয়ে যাবে। তাই ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখার জন্য আপনাকে আমন্ত্রণ জানিয়ে শুরু করছি।  

১০।  প্যারোটফিশ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

মাছটি দেখলে মনে হবে কোনও চিত্রশিল্পী হয়তো একে ধরে ইচ্ছেমতো রঙ মেখে দিয়েছেন। এই মাছের সৌন্দর্য তোতাপাখির চেয়ে কোনো দিক দিয়েই কম নয়। সেজন্যই সম্ভবত এর নাম তোতামাছ বা প্যারোট ফিশ হয়েছে। অবাক করা বিষয় হলো, পুরুষ মাছ মারা গেলে যেকোনো একটি স্ত্রী-মাছ তার লিঙ্গ পরিবর্তন করে, রঙ পরিবর্তন করে এবং এটি প্রভাব বিস্তারকারী পুরুষে পরিণত হয়। তোতামাছের আরেকটি মজার বিষয় হলো, এরা নিজেদেরকে অভিনব কায়দায় লুকিয়ে রাখে। প্রতি রাতে এরা এদের মাথার একটি অংশ থেকে নিঃসৃত মিউকাস দিয়ে দেহকে আবৃত করে রাখে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন, এরা এভাবে এদের দেহের ঘ্রাণকে আড়াল করে রাখে, যাতে নিশাচর শিকারি প্রাণী আক্রমণ করতে না পারে। তোতামাছ এক থেকে চার ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এদের সুখাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পলিনেশিয়ায় এদেরকে কাঁচা খাওয়া হয়। একসময় এ দেশে তোতামাছকে রাজকীয় খাবার হিসেবে বিবেচনা করা হতো। শুধু রাজাই খেতেন এ মাছ।

৯। অ্যাঞ্জেলফিশ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

দক্ষিণ আমেরিকাকে এদের আদি বাসস্থান ভাবা হয়। এরা  দৈর্ঘ্যে ১৫ – ২৬ সেমি এবং চওড়ায় ১১ – ১৫ সেমি পর্যন্ত হয়। পায়ুর কাছের পাখা বড় এবং খাড়া। গায়ে সাদা ও কালো রঙের ছোপ। বসবাসের উপযোগী জলের উত্তাপ কমপক্ষে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এরা জীবন্ত খাবার বেশি পছন্দ করে, কিন্তু তৈরি খাবারও খায়। এরা শান্তিপ্রিয়,অন্য মাছের সঙ্গে এদের থাকতে কোনও অসুবিধা হয় না। তবে খুব ছোট মাছ বা মাছের বাচ্চা থাকলে খেয়ে ফেলার সম্ভাবনা থাকে। এদের স্ত্রী মাছেরা ডিম পাড়ে। ডিম পাড়ার পর মাছগুলোকে আলাদা করে রাখাই ভালো। জলের গভীরতা ৪ – ৬ সেমি হওয়া দরকার। খাবার হিসাবে সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম প্রাণীকণা বা জুপ্ল্যাঙ্কটন এদের পক্ষে বেশি উপযোগী।

৮। প্রজাপতি মাছ 

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

নয়নাভিরাম সামুদ্রিক মাছের নাম প্রজাপতি মাছ। পৃথিবীর অধিকাংশ সামুদ্রিক এলাকায় এদের দেখা যায়। এরা সমুদ্র তলদেশের শৈলভূমিতে ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে। কখনও ঝাঁক বেঁধে, কখনও জোড়ায় জোড়ায়। এদের গায়ের রং এদের মূল সৌন্দর্য। তবে কোনো কোনো প্রজাপতি মাছের দেহের রং অনুজ্জ্বল হলেও অধিকাংশের দেহে রয়েছে উজ্জ্বল নীল, লাল, কমলা ও হলদে রঙের বিচিত্র নকশা। ছোট ছোট মাছগুলো ৫ থেকে ৮ ইঞ্চি লম্বা হয়ে থাকে। দেহ চ্যাপ্টা ও পাতলা, অনেকটা চাকতির মতো। দিনের বেশির ভাগ সময় এরা প্রবালের মধ্যে ঘুরে-ফিরে কাটিয়ে দেয়। কোনো কোনো প্রজাপতি মাছ প্রবাল ছাড়া কিছুই খায় না। রাতে এরা অন্ধকার প্রবালের ফাঁকে লুকিয়ে থাকে। এ সময় এদের উজ্জ্বল রঙ আর বিচিত্র নকশা প্রবালের সঙ্গে মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।

৭। লিপস্টিক টাং 

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

"লিপস্টিক টাং" নামে একটি মাছের প্রজাতির নাম রাখা সত্যিই একটা মজার ব্যাপার? এই অদ্ভুত প্রকৃতির মাছের ঠোঁটে নারীরা যেভাবে লিপস্টিক লাগায় ঠিক তেমন দেখায়। এজন্য এ মাছের নামকরণ করা হয়েছে লিপস্টিক টাং। ভারত মহাসাগর ও প্রশান্ত মহাসাগরে পাওয়া এই মাছের ঠোঁট হয় হলুদ বা কমলা রঙের। এরা লম্বায় 45 সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়।  এরা সাধারণত রাক্ষুসে টাইপের মাছ। । তাই এদের অন্যান্য মাছের সাথে রাখা হয় না, কারণ তারা এগুলি খেয়ে ফেলে।   


৬। গাপ্পি মাছ 

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

এরা ভেনেজুয়ালা, ব্রাজিল ইত্যাদি দেশের মাছ। এরা নানা জাতের হয়, বিচিত্র রঙেরও হয়। এদের আকতি-প্রকৃতিও নানা রকম। এদের চোখগুলো বড় বড়, ঠোঁট একটু উপরের দিকে ওঠা। পুরুষদের পাখাগুলো মেয়েদের পাখার চেয়ে বড়। পুরুষের রঙের বাহারও মেয়েদের চেয়ে বেশি। মেয়েরা আকারে বড় (২ – ৬ সেমি ) হয় ছেলেদের (১.৫ – ৩ সেমি ) তুলনায়। এরা সব রকম আবহাওয়ায় বাঁচে। জলাশয়ের উপরের স্তরেই মূলত ঘোরাফেরা করে। ২০ ডিগ্রি থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাই এদের বেশি পছন্দ। এরা সব রকম খাবারই খেয়ে থাকে। 

৫।  ম্যান্ডারিন ফিশ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

ম্যান্ডারিন ফিশ একটি দুর্দান্ত চেহারার মাছ যা দেখে মনে হয় যেন পুরো শরীরে কোন চিত্রশিল্পী পেইন্টিং করেছে। রঙে খুব উজ্জ্বল, অ্যাকোরিয়াম ব্যবসায়ের জন্য বিক্রি হওয়া সবচেয়ে সুন্দর এক মাছ । ম্যান্ডারিন ফিশ মূলত উষ্ণ জলে বসবাস করতে ভালবাসে।  এবং এই মাছ অস্ট্রেলিয়ায় সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।  এটি প্রশান্ত মহাসাগরে অস্ট্রেলিয়া এবং রিউক্যু দ্বীপপুঞ্জের প্রবাল প্রাচীরের নিকটে বাস করে এবং ধীর গতি সত্ত্বেও, এই মাছটিকে প্রকৃতিতে সনাক্ত করা কঠিন কারণ এটি প্রায়শই সমুদ্রের তলদেশের নীচে বসবাস করে থাকে।

৪।  ক্লাউন ফিশ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

অসাধারণ সুন্দর এই মাছের নামটি বড়ই অদ্ভুত, ক্লাউন ফিশ বা "জোকার মাছ"। ক্লাউন ফিশকে বিশ্বের সব থেকে সুন্দর মাছ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। সৌন্দর্যের জন্য একে অনেকে একুরিয়ামে পালন করে থাকে। ক্লাউন ফিশের সারা দেহ কমলা, হলুদ এবং লালচে ও কালচে রঙের হয়। এছাড়াও এদের দেহে অনেক সাদা সাদা রেখা দেখা যায়। এরা লম্বায় ১৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এরা ভারত মহাসাগর ও প্যাসিফিক মহাসাগরে বাস করে।  কোন কারণে যদি একটি দল থেকে স্ত্রী মাছ মারা যায় বা হারিয়ে যায় বা অন্যত্র চলে যায় তাহলে তাঁর স্থানে চলে আসে লিঙ্গ পরিবর্তনকারী একটি পুরুষ মাছ।  এক বারে একটি ক্লাউন ফিশ একশত থেকে একহাজারটি পর্যন্ত ডিম দেয়। পুরুষ ক্লাউন ফিশ ডিমগুলো পাহারা দেয়। ৬ থেকে ১০ দিনের মধ্যে ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়। এভাবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ক্লাউন ফিসের বংশগতির ধারা বজায় থাকে।

৩।  বাংগাই কার্ডিনাল ফিশ 

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

অ্যাকুরিয়ামে ব্যবসায়ের জন্য ব্যাঙ্গাই কার্ডিনালফিশকে সর্বাধিক বিখ্যাত বলে মনে করা হয়। দীর্ঘ, কোঁকড়ানো ডানা দিয়ে সজ্জিত এই ক্ষুদ্র ও অনন্য মাছটি কেবলমাত্র বিশ্বের এক জায়গায় তাদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল,শুধুমাত্র ইন্দোনেশিয়ার বাংগাই দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়। এই মাছগুলি খুব সুন্দর এবং বিরল, বাণিজ্যিক মাছের বাজারে এগুলির অত্যান্ত চাহিদা।  কিন্তু এদের বংশবিস্তার কম হওয়ায়  এবং নানাবিধ কারনে এই মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। 

২। ফাইটিং ফিশ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

এশিয়া মহাদেশের মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড এদের স্বদেশ বলে মনে করা হয়। লম্বা, দুই পার্শ্বদেশ চ্যাপটা, পায়ুর পাখনা বেশ প্রশস্ত। পিঠের পাখনা বেশ লম্বা ও উঁচু। লেজের পাখনা গোলাকৃতি। এরা নানা রঙের হয়। পুরুষ মাছেরা বেশি রঙবাহারি হয়। পিঠের ও লেজের পাখনা পুরুষদের বড় হয়। এরা দৈর্ঘ্যে ৬ সেমি মতো হয়। ২৫ – ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস উত্তাপে সাধারণ জল এদের বসবাসের পক্ষে উপযোগী। জলাশয়ের নীচের দিকে শ্যাওলার মধ্যে থাকতে এরা বেশি পছন্দ করে। এরা মুখ্যত জুপ্ল্যাঙ্কটনই খায়। এদের একটা পুরুষ অন্য পুরুষ মাছের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন। স্ত্রী মাছেরা শান্ত, তারা অন্য জাতীয় বা সমগোত্রীয় মাছের প্রতি অশান্ত ভাবাপন্ন হয় না।
 

১।  সিংহমাছ

অপূর্ব অসম্ভব সুন্দর ১০ টি চমৎকার মাছ

সিংহমাছ মূলত বিষাক্ত সামুদ্রিক মাছ। পৃথিবীর সবচেয়ে বিষাক্ত মাছদের মধ্যে অন্যতম এটি। কিন্তু বিষাক্ত হলে কী হবে, এর সৌন্দর্য দেখার মতো। এ যেন গোলাপের মতোই, সৌন্দর্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে কাঁটার বিষ। এর পাখনায় রয়েছে সুচের মতো তীক্ষ কাঁটা। এ কাঁটা দিয়ে এরা শত্রুর দেহে শক্তিশালী বিষ ছড়িয়ে দেয়। এ বিষের প্রভাবে এদের সাধারণ শত্রু প্রাণী মারা যায়। তবে এদের বিষের প্রভাবে মানুষের মৃত্যুর ঘটনা বিরল। এরা স্করপিয়ন, ড্রাগন ও টার্কি ফিশ নামেও পরিচিত। সিংহমাছের দেহে রয়েছে বিচিত্র ডোরা দাগ। এদের পাখনাগুলো পাখির পালকের মতো নরম। যখন এরা বিচিত্র রঙের পাখনাগুলো মেলে ধরে তখনই এদের আসল সৌন্দর্য প্রকাশ পায়।  এদের দেহের গড় দৈর্ঘ্য এক ফুট। তবে সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য ১৫ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়। গড় ওজন এক দশমিক দুই কেজি।  অ্যাকুইরিয়ামে এ মাছ পালন করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এর বিষ মানুষের জন্য প্রাণঘাতী না হলেও প্রচণ্ড ব্যথাদায়ক। এর বিষের প্রভাবে মানুষের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টসহ বিতৃষ্ণাভাব দেখা যায়। সিংহমাছ সর্বোচ্চ ১৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

কিভাবে বুঝবেন আপনার বাড়িতে দুষ্ট বা শয়তান জিনের বসবাস।

কিভাবে বুঝবেন আপনার বাড়িতে দুষ্ট বা শয়তান জিনের বসবাস।

কিভাবে বুঝবেন আপনার বাড়িতে জিনের বসবাসঃ  

কিভাবে বুঝবেন আপনার বাড়িতে জিনের বসবাস

কিভাবে বুঝবেন আপনার ঘরে দুষ্ট জিন অথবা আপনার বাড়িতে খারাপ জ্বিনের বসবাস রয়েছে কিনা? 
জ্বিন এক অদৃশ্য জাতি মানব চোখে এদের দেখা কখনো সম্ভব না। যদি কেউ সরাসরি জিনের আকার আকৃতি দেখে তাহলে সাথে সাথে সে অজ্ঞান হয়ে যাবে। সশরীরে তাদেরকে দেখা খুবি দুস্কর ব্যপার।  মতভেদ হিসেবে জ্বিন জাতি চার জায়গায় বসবাস করে। 

১। মানুষের বসতবাড়ি ও টয়লেটে বসবাস করে।    
২। পরিত্যক্ত জায়গায় বা নির্জন জায়গায় বসবাস করে।      
৩। খাল, বিল ও পানিতে বসবাস করে।  
৪। বড় বড় গাছ যেমন বটগাছ, শিমুলগাছ, তালগাছ, আমগাছ, ও শেওড়া গাছ ইত্যাদিতে বসবাস করে। 

 
বেশিরভাগ জ্বিন সাপ এবং কুকুরের বেশে চলাফেরা করে। স্থান ভেদে এরা অন্য আকৃতি ও ধারণ করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এরা সাপ ও কুকুরের বেশ ধারণ করে থাকে বেশি। এজন্য সাপ দেখলে তিন বার বলা উচিৎ জ্বিন হলে চলে যাও যদি না যায় তখন বুঝতে হবে আসলেই সাপ। আর কুকুর হিসেবে এরা কাল কুকুরের বেশ ধারণ করে থাকে বেশি। আর হাদিসে কাল কুকুর কে শয়তান বলেই আখ্যায়িত করা হয়েছে। 

আপনার ঘরে বা বাড়িতে  জ্বিনের বসবাস আছে কিনা যেভাবে বুঝবেনঃ 

 ১। ঘরে রক্তের ছিটা পাওয়া।
২। ঘরে পানির ছিটা পাওয়া। অর্থাৎ কোন কারণ ছাড়া রক্ত এবং পানির ছিটা পাওয়া। 
৩। লম্বা বা গোল আকারে কাপড় কাটা পাওয়া, অনেক সময় পরিধানের কাপড় চোখের সামনে ছিড়ে যাচ্ছে দেখতে পাওয়া।
৪। গোশতের টুকরা পাওয়া। 
৫। আচমকা ভাবে ঘরের জিনিসপত্র পড়ে যাওয়া।  
৬। ঘরের ভিতরে অজানা আওয়াজ শুনতে পাওয়া।
৭। ঘরের ভিতরে জিনিসপত্র ঘুছিয়ে রাখার পরেও উলট পালট দেখতে পাওয়া।
৮। ঘরের ছাদে বা টিনের উপর ঢিলের শব্দ হলে।
৯। যদি শিশু বাচ্চা রাত্রে কিছুক্ষন পর পর কান্নাকাটি করলে। তবে খেয়াল করবেন অসুস্থার জন্য কাঁদছে কিনা। 
১০। বাড়িতে কোন সদস্য অস্বাভাবিক আচরণ করলে। যেমন মাথার চুল ছিড়া, মাটিতে শুয়ে লাফালাফি করা অথবা গুংরানোর আওয়াজ করা। 

ঘরের বাহিরে যে লক্ষণগুলি পাবেনঃ

১। চলাফেরার ক্ষেত্রে ঝড় বৃষ্টি নেই পানির ছিটা নিজের উপরে পড়ছে এমন দেখা।
২। পিচ্ছিল খেয়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই অথচ আপনি পড়ে গেছেন।
৩। বাসার ছাদে মানুষ নেই অথচ মানুষের আওয়াজ পাওয়া ইত্যাদি। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

 মোটা নারীদের নিয়ে আপনাদের যতসব ভুল ধারণা।

মোটা নারীদের নিয়ে আপনাদের যতসব ভুল ধারণা।

মোটা নারীদের নিয়ে আপনাদের যতসব ভুল ধারণাঃ

মোটা নারীদের নিয়ে আপনাদের যতসব ভুল ধারণা।

কথায় আছে, আগে দর্শনধারী পরে গুণ বিচারি! খুব সম্ভবত এ প্রবচনটি আমাদের মাথায় এমনভাবে গেঁথে গিয়েছে যে, অনেক ক্ষেত্রে আমরা শুধু দেখেই অনেক কিছু ভেবে ফেলি। এর রেশ ধরে জন্ম নেয় অনেক ভুল ধারণাও। যেমন মোটা নারীদের নিয়ে আমাদের সমাজে বেশ কিছু ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে। হ্যাঁ, এমনকি সেসব ভুল ধারণা আছে আপনার মনেও! মোটা নারীরা আমাদের সমাজে এমনিতেই উপেক্ষিত, তার ওপরে এসব ভুল ধারণা তাঁদের জীবনকে করে তোলে আরো দুর্বিষহ। আসুন আজকের এই আর্টিকেলটির মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক মোটা নারীদের সম্পর্কে আমরা কি কি ভুল ধারণা পোষণ করে থাকি। তো দেরি না করে শুরু করা যাকঃ 

আমরা সবাই মনে করি মোটা নারীদের যৌনজীবন সুখের হয় নাঃ

যৌনতা আমাদের সমাজে খুবই রাখঢাকের ব্যাপার হলেও এ নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই। শেষ নেই এ নিয়ে জল্পনা-কল্পনারও। এরই মাঝে একটা হলো মোটা নারীদের যৌনজীবন নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা। কোনো এক বিচিত্র কারণে প্রায় বেশির ভাগ মানুষেরই এই ধারণা যে, মোটা নারীদের যৌনজীবন সুখের হয় না। অথচ এটা একটা ভুল ধারণা। আর দশটা সাধারণ নারীদের মতোই তাঁদের যৌনজীবনও স্বাভাবিক ও সুখের হয়। এমনকি তাঁদের দাম্পত্যজীবনেও কোনো সমস্যা হয় না। বরং এক গবেষণায় দেখা গেছে চিকন নারীর থেকে মোটা নারীর যৌন জীবন সুখের হয় বেশি।    
 

মোটা নারীদের বুদ্ধিও মোটা হয়ঃ

আমাদের সমাজে এই ধারণাটা একেবারেই বদ্ধমূল যে, মোটা নারীদের বুদ্ধি কম থাকে! অথচ বুদ্ধি মোটেও শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল নয়। একজন মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি তার মস্তিষ্কের গঠনের ওপর নির্ভরশীল। তাই মোটা নারীদের বুদ্ধিও মোটা হবে, এটা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ধারণা।
  

মোটা নারীরা বেশি খায়ঃ

অতিরিক্ত খাবার মানুষের মোটা হবার অন্যতম কারণ এটা সত্য, তবে সব মোটা মানুষই বেশি খায় না। অনেকেই আছেন যাঁরা হরমোনজনিত কারণে বা বংশগতভাবেই মোটা। তাই সব মোটা নারীরাই যে বেশি খায়, এটা মোটেও সত্যি কথা নয়।

মোটা নারীরা অলস বেশি হয়ঃ  

ভারী শারীরিক গঠনের জন্য মোটা নারীদের নড়াচড়া করা একটু কষ্টকর বটে, তবে তার মানে এই নয় যে তাঁরা অলস হন। অনেকেই আছেন যাঁরা প্রচুর শারীরিক পরিশ্রম করে থাকেন। শারীরিক পরিশ্রম করলে ওজন কমে বটে তবে সব ক্ষেত্রে নয়। যাঁরা হরমোনের সমস্যার কারণে মোটা হয়ে যান তাঁদের কায়িক পরিশ্রম করেও ওজন কমানো বেশ কঠিন। ফলে তাঁরা কাজ করলেও শারীরিক গঠনের ওপর খুব বেশি প্রভাব ফেলে না। তাই মোটা মাত্রেই যে অলস, এ কথাটি একেবারেই ভুল ধারণা। 

মোটা নারীদের কেউ ভালোবাসে নাঃ

সুন্দরের প্রতি মানুষের আকর্ষণ চিরদিনের। সুন্দর শারীরিক গঠনের নারী ও পুরুষরা সবাইকে আকৃষ্ট করে সহজেই। তাই এ ধারণাটা আমাদের সমাজে বহুলভাবে প্রচলিত যে মোটাদের কেউ ভালোবাসে না। অথচ এটিও ভুল ধারণা। মোটা মানুষদের জীবনেও প্রেম আসে, তাঁদেরকেও কেউ না কেউ ভালোবাসে। বরং পুরুষরা প্রেম করার চিকন নারী খোঁজে আর বিয়ে করে মোটা নারী। বিশ্বাস না হলে মিলিয়ে দেখুন। 

মোটা নারীরা সৃজনশীল হয় নাঃ 

প্রতিটি নারীই জন্মগত ভাবে সৃজনশীল ক্ষমতা নিয়ে পৃথিবীতে আসে, কেউ কম কেউ বেশি। এই সৃজনীশক্তি কারোটা বিকশিত হয়, কারোটা হয় না। মোটা নারীদের সৃজনশীল হয় না এ কথা মোটেও ঠিক না। শিল্পকলার অনেক ক্ষেত্রেই অনেক মোটা মানুষ অবদান রেখেছেন। যেমন  নায়িকা গায়িকা, চাকুরীজীবী সবখেত্রেই একটু লক্ষ্য করে দেখুন বেশিরভাগ নারীই কিন্তু মোটা।  কাজেই তাঁদের ভারী শরীর কখনোই তাঁদের সৃজনশীলতায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২০

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

ভূত প্রেত্নির গল্প কম বেশি সবার কাছে প্রিয়। ছোটোবেলায় নানা-নানী, দাদা-দাদীর কাছে ভূতের গল্প শুনতে সবাই ভালোবাসে রীতিমতো ভয়ও পায়। ভয়ের মধ্যেও যেন এক ধরনের মজা আছে। ভূত দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়! সব মানুষই কম বেশি ভূত পেত্নী আছে বলে বিশ্বাস করে। ইচ্ছেমতো ভূত পেত্নি দেখা না গেলেও কিছু কিছু জায়গায় গেলে ভূত পেত্নি দেখা যায় বলে বিশ্বাস আছে। মানুষ ধারণা করে ভূতেরা সাধারণত ভাঙা পুরানো বাড়ি, গোরস্থান, শ্মশান, বট গাছ, গাব গাছ, শেওড়া গাছ, তাল গাছ, বাঁশ বাগান, বনের পুকুর পাড়ে প্রভৃতি জায়গায় বসবাস করে। কারণ এই জায়গাগুলোতে মানুষ কম যায়।    

পেত্নী কিন্তু দেখতে চাইলেই দেখা যায় না। পেত্নী কি আসলেই আছে? যদি থাকে, তাহলে তারা কোথায় থাকে? তাদের দেখতে কেমন? তাদেরকে কি ধরা যায়? বাড়িতে আনা যায়? কখন তাদের দেখতে পাওয়া যায়?আবার অনেকেই বলে থাকেন পেত্নি গাছের ডালে দুই পা ফাক করে দাঁড়িয়ে থাকে। কেউ কেউ বলে পেত্নির চুল গাছ থেকে মাটিতে ঝুলে  থাকে। রাতের বেলায় যদি কেউ ঐ গাছের তলা দিয়ে যায় তখন শয়তান পেত্নি চড়চড় করে তার মাথার উপর প্রসাব করে দেয়। কেউ কেউ বলে পেত্নির প্রসাব অত্যান্ত গন্ধ। আপনার কি কখনও এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে অথবা আপনি কি পেত্নি দেখেছেন। যদি দেখে থাকেন তাহলে এখনই কমেন্টের মাধ্যমে জানান। এখন আমরা ভূত পেত্নি সম্পর্কে আরও মজার মজার তথ্য জানবো তাই মনোযোগ দিয়ে ভিডিও টি দেখবেন। মোটেই স্কিপ করবেন। 

বাংলা সংস্কৃতিতে ভূত পেত্নি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরাতন এবং নতুন উভয় বাংলা রূপকথায় প্রায়ই ভূত পেত্নির ধারণা ব্যবহার করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যেও প্রায়ই ভূতের উদাহরণ পাওয়া যায়। বিশ্বাস করা হয়, ভূত হল সেই সব অশরীরি আত্মা যারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে শান্তি খুঁজে পায়নি (যাদের অতৃপ্ত আত্মাও বলা হয়ে থাকে) বা পৃথিবীতে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছে (যেমন খুন, আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা)। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয়, অন্যান্য জীবজন্তু বা প্রাণীও তাদের মৃত্যুর পরে ভূতে পরিণত হতে পারে। বাংলায় ভূতকে মাঝে মাঝে প্রেতাত্মা (সংস্কৃত) হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। প্রেতাত্মার নারীবাচক শব্দকে পেত্নী হিসেবে এবং পুরুষবাচক শব্দকে প্রেত বলা হয়ে থাকে। 

পেত্নী হলো নারী ভূত যারা বেঁচে থাকতে কিছু অতৃপ্ত আশা ছিল এবং অবিবাহিতভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। পেত্নী শব্দটি সংস্কৃত প্রেত্নী শব্দ থেকে এসেছে (পুরুষবাচক শব্দ প্রেত)। এসব ভূত সাধারনত যে কোন আকৃতি ধারন করতে পারে, এমনকি পুরুষের আকারও ধারণ করতে পারে। এসব ভূত সাধারনত বেঁচে থাকতে কোন অপরাধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে এবং মৃত্যুর পর অভিশিপ্ত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করে। পেত্নীরা সাধারনত ভীষণ বদমেজাজী হয়ে থাকে এবং কাউকে আক্রোমনের পূর্ব পর্যন্ত স্পষ্টতই মানুষের আকৃতিতে থাকে। পেত্নীদের আকৃতিতে একটিই সমস্যা রয়েছে, তা হলো তাদের পাগুলো পিছনের দিকে ঘোরানো। 

আপনি কি জানেন পেত্নি কত প্রকার ও কি কি। এখন জানবো বিভিন্ন প্রকার পেত্নির সম্পর্কে। 

শাকচুন্নি: শাকচুন্নি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ শঙ্খচূর্ণী থেকে এসেছে। এটা হলো বিবাহিত মহিলাদের ভূত যারা বিশেষভাবে তৈরি বাঙ্গালি শুভ্র পোশাক পরিধান করে এবং হাতে শঙ্খ বা শাঁখা পরিধান করে। শাঁখা হলো বাঙ্গালি বিবাহিত হিন্দু মহিলাদের প্রতীক। শাকচুন্নিরা সাধারনত ধনী বিবাহিত মহিলাদের ভেতর ভর করে বা আক্রমণ করে যাতে করে তারা নিজেরা সেই মহিলার মত জীবন যাপন করতে পারে ও বিবাহিত জীবন উপভোগ করতে পারে। লোকগাঁথা অনুসারে তার আম গাছে বসবাস করে।

চোরাচুন্নিঃ চোরাচুন্নি অত্যন্ত দুষ্ট ভূত। এরা মানুষের অনিষ্ট করে থাকে। সাধারনত কোন চোর মৃত্যুবরণ করলে চোরাচুন্নিতে পরিনত হয়। পূর্ণিমা রাতে এরা বের হয় এবং মানুষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে অনিষ্ট সাধন করে। এদের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাড়িতে গঙ্গাজলের (হিন্দু সংস্কৃতিতে গঙ্গা জলকে পবিত্র জল হিসেবে বিবেচনা করা হয়) ব্যবস্থা করা হয়।।

মেছোভূতঃ এ ধরনের ভূতেরা মাছ খেতে পছন্দ করে। মেছো শব্দটি বাংলা মাছ থেকে এসেছে। মেছো ভূত সাধারনত গ্রামের কোন পুকুর পাড়ে বা লেকের ধারে যেখানে বেশি মাছ পাওয়া যায় সেখানে বসবাস করে। মাঝে মাঝে তারা রান্নাঘর বা জেলেদের নৌকা থেকেও মাছ চুরি করে খায়। বাজার থেকে কেউ মাছ কিনে গাঁয়ের রাস্তা দিয়ে ফিরলে এটি তার পিছু নেয় এবং নির্জন বাঁশঝাঁড়ে বা বিলের ধারে ভয় দেখিয়ে আক্রমণ করে মাছ ছিনিয়ে নেয়।

নিশিঃ ভূতদের মধ্যে অন্যতম ভয়ংকর হলো নিশি। অন্যান্য ভূত সাধারণত নির্জন এলাকায় মানুষকে একা পেলে আক্রমণ করে, কিন্তু নিশি গভীর রাতে শিকারকে তার প্রিয় মানুষের কন্ঠে নাম ধরে ডাকে এবং বাইরে বেরকরে নিয়ে যায়। নিশির ডাকে সারা দিয়ে মানুষ সম্মোহিত হয়ে ঘরের দরজা খুলে বেরিয়ে পড়ে, আর কখনো ফিরে আসে না। মনে করা হয় তারা নিজেরাও নিশিতে পরিনত হয়। কিছু কিছু তান্ত্রিক অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য নিশি পুষে থাকে। লোককাহিনী অনুসারে নিশিরা কোন মানুষকে দুবারের বেশি ডাকতে পারে না, তাই কারো উচিত কেউ তিনবার ডাকলে বের হওয়া তাতে নিশির আক্রমণের ভয় থাকে না।

বেঘোভূতঃ এরা হলো সেইসব মানুষের আত্মা যারা বাঘের আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। সাধারনত সুন্দরবন এলাকায় এধরনের ভূতের কথা বেশি প্রচলিত কারণ বাঘের অভাশ্রম হলো সুন্দরবন। এসব ভুতেরা জঙ্গলে মধু আহোরনে আগত গ্রামবাসীদের ভয় দেখায় এবং বাঘের সন্নিকটে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে এরা গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর জন্য বাঘের স্বরে ডেকে উঠে।

ডাইনীঃ ডাইনী মূলত কোন আত্মা নয়, এরা জীবিত নারী। বাংলা লোকসাহিত্যে সাধারনত বৃদ্ধ মহিলা যারা কালো জাদু বা ডাকিনীবিদ্যাতে পারদর্শী তাদেরকেই ডাইনি বলা হয়ে থাকে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, ডাইনীরা গ্রামের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের ধরে নিয়ে তাদের হত্যা করে এবং তাদের হাড়, মাংস ও রক্ত খেয়ে ১০০ বছর বেঁচে থাকে।।


কিন্তু বিজ্ঞান বলে ভিন্ন কথা। বিজ্ঞানের কাছে আগুনের পাঁচ পা দেখা, রাতে বট গাছে বিশাল লম্বা সাদা মানুষ দেখা, কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলার সময় ঘাড় মটকে দেওয়া সবই কল্পনা। এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। বিজ্ঞান মনে করে ভূতের অস্তিত্ব নেহাৎ একটি কাল্পনিক ব্যাপার। ভূত দেখার ঘটনা মন বা চোখের বিভ্রম ছাড়া কিছুই না। কোনো জিনিসকে অবিকল যা আছে তা আমরা নাও দেখতে পেতে পারি, যদি আমাদের মন ও চোখ তাকে গুরুত্ব না দিয়ে ভিন্ন কিছু দেখতে বা ভাবতে চায়।

মরুভূমিতে যে মরীচিকা দেখা যায় সেও এক রকম চোখের বিভ্রম। জলের পিপাসা যখন বেশি পায় তখন বিশাল মরুভূমিকে সামনে দেখেও আমাদের মনে হয় যেন বিশাল পুকুর।

এক ধরনের বিভ্রমকে বলা হয় মতিভ্রম বা মায়া। ইংরেজিতে একে বলে হ্যালুসিনেশন। এই মতিভ্রম যখন ঘটে তখন মনের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে আমরা যা দেখার নয়, তাই দেখি। তাই, বিজ্ঞানীরা মনে করেন বাস্তবে ভূত পেত্নী বলে কিছু নেই। যা আছে তা পুরোটাই আমাদের মনের বিভ্রম।

এখন আপনার মন্তব্যের পালা। আপনি কি নিজের চোখে ভূত পেত্নি দেখেছেন। দেখে থাকলে কমেন্টের মাধ্যমে জানান। আর আপনি যদি ভূত প্রেতে বিশ্বাস না করে থাকেন তাহলে সেটাও কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ভিডিও টি যদি ভালো লাগে তাহলে সিমপ্লি একটা লাইক দিন। আর আপনি যদি এমনই রহস্যময়, রোমাঞ্চকর, অদ্ভুত, অলৌকিক, ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন তাহলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল বাটনটি বাজিয়ে দিন। আগামীতে আরও সুন্দর ভিডিও পাওয়ার অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।    

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 



কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

সুপ্রিয় ভিউয়ারস আমরা কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিয়ে থাকি। অর্থাৎ আমরা মানুষকে গাধার সাথে তুলনা করি।  কিন্তু আমরা কখনও কি ভেবেছি  এই গাধা শব্দটি কেন ব্যবহার করি। আসলে গাধা শব্দটি ব্যবহার করা কি ঠিক? আপনি মনের অজান্তেই কাউকে না কাউকে গাধা বলে গালি দিয়েই যাচ্ছেন। কিন্তু এটা আমাদের একটি বড় ভুল। কারণ আমরা যে অর্থে গাধা বলে থাকি গাধা কিন্তু গাধায় নয়। বুঝলেন নাতো? আপনার ভুল ধারনাটি পাল্টে দিতে এই কন্টেন্ট সম্পূর্ণ পড়তে  হবে। তো আর ভঙ্গিতা না করে শুরু করা যাক। 

গাধা একটি নিরীহ প্রাণী। এরা মানুষের অত্যন্ত অনুগত।কারো ক্ষতি করে না। মানুষ অপমান বা ভদ্র ভাষার গালি হিসেবে গাধা শব্দটি ব্যবহার করে। এগুলো আমরা সবাই জানি।‘গাধা’ শব্দটা আমরা বেশি ব্যবহার করি নেতিবাচক অর্থে। কিন্তু গাধা কর্মঠ, বুদ্ধিমান এবং উপকারী প্রাণীও বটে। এটা সবাই কি জানি? হয়তো জানি না, হয়তো জানলেও গাধা শব্দটা বলতে, ব্যবহার করতে ভালো লাগে।

তাই যদি না হোতো, তাহলে ক্লাসে পড়া না পারলে শিক্ষকরা বলতেন না গাধা, অফিস বা নিজ কর্মক্ষেত্রে বেশি কাজ করলে কেউ বলতেন না গাধার মতো খাটছিস কেন, কোনো কথা বুঝতে না পারলে, কোনো কাজ ঠিকমতো না করতে পারলে তাকে বলতো না ‘গাধা’। আসলে আমরা গাধা বলতে বোকাসোকা, নির্বোধ, হাফপাগল, মানুষদেরকে বলে থাকি তা কিন্তু নয় কথায় কথায় চতুর লোক কেউ গাধা বলে থাকি। তার মানে গাধার যত দোষ সব মানুষের ঘাড়ে চাপায়।  এটা যেন একটা মুদ্রা দোষে পরিণীত হয়েছে। 

কিন্তু এ প্রশ্ন করা যেতেই পারে যে গাধারা কতটুকু ‘গাধা’। আপনি কি জানেন গাধারা আসলেই নির্বোধ বা বোকা কিনা? আপনি যদি না জানেন তাহলে কথায় কথায় গাধা বলে গালি দেন কেন?  আসলে কি এই উপকারী প্রাণীটির নাম ব্যবহার করে কাউকে অপমান করা উচিত?

আপনারা গাধাকে যতটা বোকা ভাবেন গাধা কিন্তু তার চেয়েও শতগুন চালাক। আপনি কি জানেন ঘোড়ার চেয়ে গাধা বেশি শক্তিশালী এবং বেশি চালাক। হি হি আপনি মনে হয় আগে জানতেন না। এখনই বধহয় জানলেন। এমনকি গাধা গানও গাইতে পারে।   

তাহলে এখন আসা যাক গাধারা কী করে, কী করতে পারে সেসব বিষয়ে।ঘোড়া আমরা সবাই চিনি। গাধাকে ঘোড়ার ছোট সংস্করণ বললে খুব বেশি ভুল হবে না। অথচ, একটি গাধা একই আকারের একটি  ঘোড়া থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী প্রাণী। গাধার অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তি আছে। তারা পর্যন্ত ২৫ বছর আগের এলাকা এবং অন্য গাধাদের তারা চিনতে পারে। গাধা প্রচণ্ড জেদি এবং আত্মরক্ষা করার প্রবল ক্ষমতা আছে। গাধাকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া খুব কঠিন ব্যাপার।  কোনো ঘটনায় গাধা সহজে চমকে ওঠে না। এরা প্রখর কৌতূহলী। গাধার চিন্তাধারা ঘোড়া থেকে স্বাধীন এবং তাদের নিজের নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

একটি গাধা মরু পরিবেশে ৬০ মাইল দূরে থেকে অন্য গাধার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে। ঘোড়ার চেয়ে তাদের আছে অনেক বড় কান, যা তাদের শীতল রাখতে সহায়তা করে। গাধা একা থাকতে পছন্দ করে না। সঙ্গী হিসেবে অন্য প্রাণী তাদের পছন্দ।

পশুপালকদের কাছে গাধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। একজন দক্ষ পশুপালক পশুদের নেতা হিসেবে শক্তিশালী গাধাকে বেছে নেবেন। কারণ, খামারে পালন করা পশুরা অন্য হিংস্র পশু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু গাধা নেকড়ে বাঘ বা অন্য শিকারীর হাত থেকে সবাইকে রক্ষা করতে পারে সংকেত জানিয়ে।

বিশ্ব সভ্যতার ঐতিহ্য গড়তেও গাধাদের ভূমিকা কম নয়। কারণ, ভারি সব উপকরণ বহন করতে ব্যবহার করা হয়েছে গাধাকে। মিশরীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর অধিকাংশ ধাতু বহন করা হয়েছিল গাধার মাধ্যমে। শুধু তাই না, গ্রিসে সংকীর্ণ পথের ওপর কাজ করার জন্যও গাধা ব্যবহার করা হইয়েছিল গাধাকে।

রোমান আর্মিরা গাধাকে কৃশিপালিত ও পণ্য বহনকারী প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করতো। ভারতের মরু অঞ্চল রাজস্থান ও জয়পুরে অন্যতম বাহন গাধা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মালামাল নিয়ে এরা সহজে চলাফেরা করতে পারে।গাধারা বিশ্বের বহু অঞ্চলে জল, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ, জমি চাষ এবং পরিবহন বাজারে উত্পাদনে সাহায্য করতে ব্যবহার করতো।

গাধা গবাদি পশু, ভেড়া এবং ছাগলকে পাহারা দেয়। বন্য কুকুর থেকে রক্ষা করতে গাধা তাদের সতর্ক করে দিতে পারে। গাধা পানি সম্পর্কে খুব সচেতন। তাই পরিষ্কার পানি অপরিহার্য। সে প্রতিদিন ১০ থেকে ২৫ লিটার পানি পান করে। সে কখনও নোংরা পানি খেতে চায় না। গাধারা মাঠ থেকে খুব ভাল তাজা সবুজ ঘাস খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এবং সেটা সারাটা দিনও হতে পারে! গাধারা তাদের বাচ্চাদের খুব ভালোবাসে। অন্য প্রাণীদের মতো তারা লাথি মারে না। তারা তাদের বাচ্চাদের বুদ্ধিমান প্রাণীদের মতো আগলে রাখে। নিজের বাচ্চা ছাড়াও তাদেরকে অন্য প্রাণীর দায়িত্ব নিতে দেখা যায়।

এমন কি প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে তাদের সঙ্গ দেওয়ার কথাও জানা যায়। প্রতিবন্ধীরা গাধাদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিকভাবে অনেক সুস্থবোধ করে! অসুস্থ ঘোড়াদের সঙ্গীও কিন্তু গাধা! কোনো আহত বা অসুস্থ ঘোড়াকে রাখা হয় গাধার সঙ্গে! একটা ঘোড়া থেকে একটি গাধা খুব বেশি পরিছন্ন প্রাণী। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই সহজ। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে তারা খুবই কম সময় নেয়।

গাধা কোনো দিক দিয়েই আমাদের জন্য ক্ষতিকর প্রাণী নয়। তারা মানুষ ও পশুকে শুধু উপকারই করে। গাধাদের বোকা প্রাণী বলা হলেও, উপরের তথ্যগুলো জানার পর নিশ্চয় কেউ গাধাকে শুধু বোকা বলবেন না। কথায় কথায় একে অন্যকে ‘গাধা’ বলার আগে নিশ্চয় একবার ভাববেন।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 


বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২০

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

হ্যালো বন্ধুরা কাদা দিয়ে গোসল করা পূর্বে একথা টি কখনও কি শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন তবে আজকের এই  আর্টিকেলটি একটি অসাধারণ ভিডিও হতে চলেছে যা আপনি আগে হয়তো কখনও দেখেননি ও শোনেন নি। তো  চলুন শুরু করা যাক।

এই কাদা স্নান বিশেষ করে রিসোর্ট ও লেকের ধারে করা হয়। এটিকে এক ধরণের থেরাপিও বলা চলে। আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি এই কাঁদা দিয়ে গোসল করা হয় । এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই ইউরোপের অনেক দেশেই কাদা  দিয়ে গোসল করার প্রথা রয়েছে।

কাদা দিয়ে কেন মানুষ গোসল করে এর রহস্যই বা কি? 

কাঁদা দিয়ে গোসল করলে শরীর আসলেই কি ভালো থাকে? কাদা দিয়ে যারা গোসল করেন তারা বিশ্বাস করেন কাদা ত্বক, পেশী ও জয়েন্টগুলি ব্যাথা নিরসনের জন্য বেশ ভুমিকা পালন করে।

"প্রাচীন কাল থেকেই কাদা দিয়ে গোসল করার প্রথা ছিল। "কিছু লোক বিশ্বাস করে কাদা স্নানের আধ্যাত্মিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি মানসিক চাপ, জয়েন্টে ব্যথা, বাতের ব্যথা এবং ত্বকের কিছু অসুস্থতা থেকে মুক্তি দেয় বলেও তারা মনে করেন। কিছু লোক অনাবৃত ও শরীরকে শিথিল করার জন্য কাদা দিয়ে গোসল করে থাকেন।

কাদা স্নান কি?  

কাদা স্নানগুলি স্পা এবং রিসর্টগুলির দ্বারা প্রদত্ত চিকিত্সা।  এই কাদা রান্না করা কচুর শাকের মতো দেখতে হয়। এই চিকিৎসা ব্যবস্থায় কাদার মধ্যে থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য ও নির্দিষ্ট কিছু উপাদান রয়েছে।

কেন কাদা স্নানকে চিকিত্সা হিসাবে বিবেচনা করা হয়?

কাদা স্নানের মধ্যে সালফার, দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম এবং ব্রোমিন জাতীয় খনিজ পদার্থ থাকে। যার মাধ্যমে ত্বকের মলিনতা দূর করে, মৃত কোষগুলোকে জাগ্রত করে, বাতের ব্যথা উপশম করে,পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে। একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের অবস্থার উন্নতি করে।

কাদা কি আসলে থেরাপিউটিক?

এটি মূলত নির্ভর করে কাদার গুনাগুন ও উপাদানের মাধ্যমে। "একটি কাদা স্নানের উপাদানগুলির মধ্যে সাধারণত উষ্ণ খনিজ জল, আগ্নেয়গিরির ছাই, জৈব পিট, হ্রদ কাদা বা নুনের জল অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিটি সংমিশ্রণের পরিবর্তনশীল প্রভাব রয়েছে।"

কাদা স্নানের উপকারিতাঃ

ডাঃ হার্ভে বিশ্বাস করেন যে কাদা স্নানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হ'ল মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উষ্ণ, নরম কাদায় বসে পেশীগুলি শিথিল করতে এবং মনকে প্রশান্ত করতে পারে, যা ত্বকের কিছু উপকার দিতে পারে।

আপনার মানসিক চাপ কমাতে এবং স্নায়ুগুলিকে শান্ত করার সাথে সাথে ত্বকের কিছু নির্দিষ্ট অবস্থার উন্নতি হতে পারে। "স্ট্রেস শরীরে কর্টিসল বাড়িয়ে তোলে যা ত্বকে প্রদাহ বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্ট্রেস হ্রাস দ্বারা একজিমা, সোরিয়াসিস এবং ব্রণ থেকে উপকৃত হতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২০

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

স্ত্রীর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়েই বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন তার হাসব্যান্ড। দাম্পত্য জীবনে আনন্দ ফিরিয়ে আনতে বরের কাছে স্ত্রীর এক বিশেষ আবেদন।

স্ত্রীকে সামান্য সুখ দিতে স্বামীও একটু সাড়া দেন। তখনি ঘটে যায় বিপত্তি। তাহলে নাটক না করে ঘটনাটি খুলে বলি - স্ত্রীর দেয়া ‘বিশেষ তেলে’ বাড়বে শা-রীরিক সুখ। স্ত্রীযদিও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বি’পদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা যায়,সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই মহারাষ্ট্রের এক যুবক তার স্ত্রীর  বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন।

ওই যুবক ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন আগে ছুটির সময়ে তিনি নিজের বাড়িতে আসেন। আর সেই সময়ে ঘটে এই বিপত্তি।

সোমবার, ১৮ মে, ২০২০

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী:

রহস্যময় এই পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হাজারো রকমের প্রাণী। একেক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য একেক রকম৷ কেউবা দেখতে সুন্দর, কেউ বেশ উপকারী, কেউ বেশ হিংস্র, কেউ আবার স্বল্প আয়ুর প্রাণী হিসেবেও পরিচিত। ঠিক তেমনি পৃথিবীতে দীর্ঘজীবী অনেক প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। যারা কিনা হাজার হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। আজকে আমরা ঠিক সেরকমই কিছু প্রাণী সম্পর্কে জানবো। যাদেরকে সৃষ্টিকর্তা দীর্ঘদিন যাবৎ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার মতো আয়ু দিয়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

১। টারডিগ্রেডঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


টারডিগ্রেড হচ্ছে অমেরুদণ্ডী প্রাণী। টারডিগ্রেড সাধারণত পানিতে বসবাস করে। তবে তাদের সমুদ্রের ৪০ হাজার ফুট গভীরতায় এমনকি হিমালয়ের ২০ হাজার ফুট উচুতেও তাদের বসবাস করতে দেখা যায়। তাদের রয়েছে ৪ জোড়া অর্থাৎ ৮ টি পা। আর এই টারডিগ্রেডের পায়ে ভালুকের মত থাবা ও নখ রয়েছে একারনে টারডিগ্রেডকে ওয়াটার বিয়ারও বলা হয়ে থাকে। তবে এদের ব্যাপারে সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হল এরা জন্মের পর থেকে আর কখনই মরে না। আপনি মনে চমকে গেলেন এমনটাই দাবি করছেন একদল গবেষকরা। কারণ এরা জন্মের পর থেকে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতে পারে।

২।  জেলিফিশ 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

চিরযৌবন ধরে রাখতে সক্ষম জেলিফিশ । চলতে চলতে একবা পরিণত বয়সে চলে যায় আবার ফিরে আসে শৈশবে । শরীরের এক অংশ ঝেড়ে ফেলে চলে যায় আরেক অংশে । সুতরাং জেলিফিশের বেলায় নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না তার আয়ু কত । সম্ভবত মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ার এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে জেলিফিশ । সাগরে এদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েই চলেছে । মনে হচ্ছে যেন সারা পৃথিবীতে জেলিফিশ এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে ।

৩। কচ্ছপ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


পৃথিবীর দীর্ঘজীবী প্রাণীদের তালিকায় কচ্ছপ সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছে। কচ্ছপ এমন একটি প্রাণী যাদের চোয়াল আছে কিন্তু দাঁত নেই । শক্ত খোলসে ঢাকা পিঠ । চাইলে এ খোলরেস মধ্যে এরা হাত পা মুখ সব গুটিয়ে রাখতে পারে । আপদকালীন একমাস না খেয়ে, পানিতে না নেমেও বাঁচতে পারে । ঘাস লতাপাতা ফলমূল পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে । গ্যালাপাগোস জায়ান্ট কচ্ছপ পৃথিবীর বৃহত্তম কচ্ছপের জাত। সাধারণত এই প্রজাতির কচ্ছপ গড়ে ১৯০ বছর বাঁচে। পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত কচ্ছপটির বয়স ১৮৪ বছর। এই কচ্ছপটির নাম জনাথন, যার জন্ম উনবিংশ শতাব্দীতে। দক্ষিণ আটলান্টিকের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে গভর্নরের বাসভবনে এর বাস।

৪। গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর  

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়ু পায় এই গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর। এরা সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বাস করে। এই গ্রীনল্যান্ড হাঙরদের উপর ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের একটি গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণায় ২৮ টি হাঙ্গরের বয়স নির্ধারণ করা হয় কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে। যদিও কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে একদম নিখুঁত বয়স বের করা যায় না। তবুও এই সময় গবেষণা করে ৪০০ বছর বয়স্ক একটি মেয়ে হাঙ্গরের খোঁজ পান বিজ্ঞানীরা। গ্রীনল্যান্ড হাঙর সাধারণত ১৫০ বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে এদের এতদিন বাঁচার কারণ হলো এরা খুব ধীরে ধীরে বাড়ে। অর্থাৎ প্রতি বছরে এরা প্রায় ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ১০০ বছর বয়সে তারা পরিপূর্ণ আকৃতিতে পৌঁছায়।

৫।  হ্যানাকো কই

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


দেখে মনে হবে যেন রঙবেরঙের গহনা পরে আছে, যাদের অ্যাকুরিয়ামে রেখে পালন করা যায় । এদের কিছু কিছু প্রজাতি ২০০ বছরের বেশি বাঁচে । পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী কেইয়ের নাম ছিল হ্যানাকো । ৭ জুলাই ১৯৭৭ সালে এটি মারা যায় । মৃত্যুকালে এর বয়স হয়েছিল ২২৬ বছর ।


৬।  আর্কটিক তিমি 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

পৃথিবীতে অনেক প্রজাতির তিমি আছে । নীল তিমি, ব্যালেন তিমি, হ্যামার তিমি, গ্রে তিমি, শুশুক ইত্যাদি । এদের আরেকটি প্রজাতি আছে নাম বো-হেড তিমি । আর্কাটিক সাগরে বাস, তাই বো-হেড তিমিকে আর্কটিক তিমিও বলা হয় । মেরু অন্চলের মানুষ আদিকাল থেকেই জীবনধারণের জন্য শিকারের উপর নির্ভরশীল ।  এরা অস্ত্র নিক্ষেপ করে শিকার ধরত । প্রায় ২০০ বছর আগে এমনই অস্ত্র ছুড়ে মারা শিকারির হাত থেকে বেচেঁ যাওয়া একটি আর্কটিক তিমি সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে যা ওই ছুড়ে মারা অস্ত্র শরীরে নিয়ে এখনও বেচেঁ আছে ।

৭। সাগর কাহগ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

এর বৈজ্ঞানিক নাম আর্কটিকা আইল্যান্ডিকা । আঠাঁর মতো লেগে থাকে ।হামাগুড়িঁ দিয়ে চলে । শক্ত খোলসে ঢাকা শরীর । প্রতিবছর এদের খোলসে একটি করে গোলাকার দাগ পড়ে । একে বলা হয় বার্ষিক চিহ্ন । অনেক গাছের গায়েও এমন দাগ দেখে অনুমান করা যায় তার বয়স কত । গবেষকরা এমন কিছু নমুনা সংগ্রহ করে এদের বয়স অনুমান করে দেখেছেন প্রায় ৪০০ বছর ।

৮। অ্যান্টার্কটিক স্পঞ্জ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণীর কথা শুনতেই মস্তিষ্কে এসে যায় কচ্ছপের নাম। কেননা লোকমুখে শোনা কথা কচ্ছপ অনেক দিন বাঁচে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন এর থেকেও দীর্ঘজীবী কোনো প্রাণী আছে কিনা? হ্যাঁ, এর থেকেও অনেক বেশিদিন বাঁচে এমন প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি সামুদ্রিক স্পঞ্জ, যা দীর্ঘ ১১ হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে। এমনটিই দাবি করেছেন একদল প্রাণী গবেষক। ১৫৫০ বছরের পুরনো কিছু স্পঞ্জের সন্ধান পাওয়া গেছে আর্কটিক সাগরে । এই সকল সামুদ্রিক স্পনজ শত শত বছর ধরে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে রয়েছে।

৯। রেড সি আর্চিন

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


গভীর সাগরে বাস করে রেড সি আর্চিন । প্রথমদিকে এরা বাস করত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম তীরে । অগভীর জলাশয় থেকে ৯০ মিটার পযর্ন্ত গভীরে এরা বাস করে । সুঁইয়ের মতো কাঁটার সাহায্যে সাগরের তলদেশে হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ায় । এদের কিছু কিছু সদস্য ২৫০ বছরেরও বেশি জীবন পায় ।

১০। তুয়াতারা

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

আদিম প্রাণী বলতে আমরা বুঝি ডাইনোসরকে, যারা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে বহুকাল আগেই । তারও আগে বাস করত তুয়াতারা । ২০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে তুয়াতারাদের অনেক প্রজাতি ছিল । বর্তমানে মাত্র দুটি প্রজাতি টিকে আছে নিউজিল্যান্ডে । বাকিরা হারিয়ে গেছে প্রকৃতি থেকে । তুয়াতারা পৃথিবীর একটি দীর্ঘজীবী মেরুদন্ডী প্রাণী । বাঁচে প্রায় ২০০ বছর ।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২০

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।


সুন্দরী নারী কেনা পছন্দ করে। প্রত্যেক মানুষই সুন্দরী নারীর সাথে প্রেম করতে চায়। এমনকি জীবনসঙ্গী হিসেবে সুন্দরী নারীকেই সকলেই বেছে নেই। কিন্তু সুন্দরী নারীকে বিয়ে করলে পড়তে হয় বেশ কিছু বিপদে। বিয়ের আগে অন্তত এই বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত তাহলে আপনিও হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা ইতিমধ্যে বিয়ে করে ফেলেছেন তাদেরও জেনে রাখা উচিত কারণ আপনাকে এই সমস্যাই পড়ার আগেই তা সমাধানের পথ খুঁজে রাখতে হবে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।   


১।বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়ে রান্না করতে জানে না। খাবারে লবণ কম-বেশি করতে সুন্দরী মেয়েদের কোনো জুড়ি নেই। তাই কোনো সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করার আগে কোনো রেস্টুরেন্ট মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। কারণ আপনাকে প্রতিনিয়ত রেস্টুরেন্টে খেতে হতে পারে।

২।সুন্দরী মেয়েরা ঘনঘন পার্লারে যেতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে পার্লারের পেছনে টাকা ব্যয় করতে করতে আপনার মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানি ঘটবে।


৩। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার সৌন্দর্য মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাবে। আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা না করে সবাই আপনার সুন্দরী স্ত্রীর প্রশংসা করবে।

৪। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার বন্ধু থেকে শুরু করে পাড়ার ছোট-বড় সবাই কুনজর দেবে। এগুলো দেখে আপনি না পারবেন কিছু বলতে, না পারবেন সইতে। শুধু দেখবেন, জ্বলবেন আর লুচির মতো ফুলবেন।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

৫। সুন্দরী মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে। আপনি অসুস্থ হলেও আপনাকে নিয়ে চিস্তা করবে না। অথচ তাদের গালে ছোট্ট ব্রণ উঠলেও সেটি সারানোর জন্য গালে বেসন অথবা ফলমূলের রস লাগিয়ে বসে থাকবে।

৬। সুন্দরী মেয়েরা শপিং করতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনাকে মাসে যতবার না বাথরুমে যেতে হয় তার চেয়ে বেশিবার আপনাকে শপিংয়ে যেতে হতে পারে।

৭। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরা অত্যন্ত ঝগড়াটে স্বভাবের হয়। এদের বিয়ে করলে অতি সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে আপনার জীবন ঝালাপালা করে দেবে।

৮। সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করার আগে বাড়িতে কাপড় রাখার পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না দেখুন। যদি না থাকে তাহলে অতিরিক্ত ওয়ারড্রোব, আলমারি কিনে রাখুন। এদের কাপড় এত বেশি হয় যে, আপনার নিজের কাপড় রাখার জায়গা থাকবে না। আপনার কাপড়গুলো অনাথের মতো যেখানে সেখানে গড়াগড়ি খাবে।

৯। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরাই ভারতীয় সিরিয়ালের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এসব সিরিয়াল সংসার জীবনের ওপর কী রূপ প্রভাব ফেলে এটা কারো অজানা নয়। কোনো একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখবেন সিরিয়ালের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে আপনার সুন্দরী বউ অন্য কারো সঙ্গে উধাও হয়ে গেছে।

১০। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনি বাড়ির বাইরে যেতে চাইবেন না। আপনার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে। এছাড়া আরো বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী বউ ছেড়ে আপনার অফিসে যেতে ইচ্ছে করবে না। ফলে আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ