Showing posts with label ভিডিও. Show all posts
Showing posts with label ভিডিও. Show all posts

Wednesday, July 15, 2020

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

স্ত্রীর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়েই বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন তার হাসব্যান্ড। দাম্পত্য জীবনে আনন্দ ফিরিয়ে আনতে বরের কাছে স্ত্রীর এক বিশেষ আবেদন।

স্ত্রীকে সামান্য সুখ দিতে স্বামীও একটু সাড়া দেন। তখনি ঘটে যায় বিপত্তি। তাহলে নাটক না করে ঘটনাটি খুলে বলি - স্ত্রীর দেয়া ‘বিশেষ তেলে’ বাড়বে শা-রীরিক সুখ। স্ত্রীযদিও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বি’পদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা যায়,সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই মহারাষ্ট্রের এক যুবক তার স্ত্রীর  বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন।

ওই যুবক ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন আগে ছুটির সময়ে তিনি নিজের বাড়িতে আসেন। আর সেই সময়ে ঘটে এই বিপত্তি।

Monday, May 18, 2020

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী:

রহস্যময় এই পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হাজারো রকমের প্রাণী। একেক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য একেক রকম৷ কেউবা দেখতে সুন্দর, কেউ বেশ উপকারী, কেউ বেশ হিংস্র, কেউ আবার স্বল্প আয়ুর প্রাণী হিসেবেও পরিচিত। ঠিক তেমনি পৃথিবীতে দীর্ঘজীবী অনেক প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। যারা কিনা হাজার হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। আজকে আমরা ঠিক সেরকমই কিছু প্রাণী সম্পর্কে জানবো। যাদেরকে সৃষ্টিকর্তা দীর্ঘদিন যাবৎ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার মতো আয়ু দিয়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

১। টারডিগ্রেডঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


টারডিগ্রেড হচ্ছে অমেরুদণ্ডী প্রাণী। টারডিগ্রেড সাধারণত পানিতে বসবাস করে। তবে তাদের সমুদ্রের ৪০ হাজার ফুট গভীরতায় এমনকি হিমালয়ের ২০ হাজার ফুট উচুতেও তাদের বসবাস করতে দেখা যায়। তাদের রয়েছে ৪ জোড়া অর্থাৎ ৮ টি পা। আর এই টারডিগ্রেডের পায়ে ভালুকের মত থাবা ও নখ রয়েছে একারনে টারডিগ্রেডকে ওয়াটার বিয়ারও বলা হয়ে থাকে। তবে এদের ব্যাপারে সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হল এরা জন্মের পর থেকে আর কখনই মরে না। আপনি মনে চমকে গেলেন এমনটাই দাবি করছেন একদল গবেষকরা। কারণ এরা জন্মের পর থেকে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতে পারে।

২।  জেলিফিশ 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

চিরযৌবন ধরে রাখতে সক্ষম জেলিফিশ । চলতে চলতে একবা পরিণত বয়সে চলে যায় আবার ফিরে আসে শৈশবে । শরীরের এক অংশ ঝেড়ে ফেলে চলে যায় আরেক অংশে । সুতরাং জেলিফিশের বেলায় নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না তার আয়ু কত । সম্ভবত মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ার এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে জেলিফিশ । সাগরে এদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েই চলেছে । মনে হচ্ছে যেন সারা পৃথিবীতে জেলিফিশ এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে ।

৩। কচ্ছপ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


পৃথিবীর দীর্ঘজীবী প্রাণীদের তালিকায় কচ্ছপ সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছে। কচ্ছপ এমন একটি প্রাণী যাদের চোয়াল আছে কিন্তু দাঁত নেই । শক্ত খোলসে ঢাকা পিঠ । চাইলে এ খোলরেস মধ্যে এরা হাত পা মুখ সব গুটিয়ে রাখতে পারে । আপদকালীন একমাস না খেয়ে, পানিতে না নেমেও বাঁচতে পারে । ঘাস লতাপাতা ফলমূল পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে । গ্যালাপাগোস জায়ান্ট কচ্ছপ পৃথিবীর বৃহত্তম কচ্ছপের জাত। সাধারণত এই প্রজাতির কচ্ছপ গড়ে ১৯০ বছর বাঁচে। পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত কচ্ছপটির বয়স ১৮৪ বছর। এই কচ্ছপটির নাম জনাথন, যার জন্ম উনবিংশ শতাব্দীতে। দক্ষিণ আটলান্টিকের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে গভর্নরের বাসভবনে এর বাস।

৪। গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর  

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়ু পায় এই গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর। এরা সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বাস করে। এই গ্রীনল্যান্ড হাঙরদের উপর ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের একটি গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণায় ২৮ টি হাঙ্গরের বয়স নির্ধারণ করা হয় কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে। যদিও কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে একদম নিখুঁত বয়স বের করা যায় না। তবুও এই সময় গবেষণা করে ৪০০ বছর বয়স্ক একটি মেয়ে হাঙ্গরের খোঁজ পান বিজ্ঞানীরা। গ্রীনল্যান্ড হাঙর সাধারণত ১৫০ বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে এদের এতদিন বাঁচার কারণ হলো এরা খুব ধীরে ধীরে বাড়ে। অর্থাৎ প্রতি বছরে এরা প্রায় ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ১০০ বছর বয়সে তারা পরিপূর্ণ আকৃতিতে পৌঁছায়।

৫।  হ্যানাকো কই

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


দেখে মনে হবে যেন রঙবেরঙের গহনা পরে আছে, যাদের অ্যাকুরিয়ামে রেখে পালন করা যায় । এদের কিছু কিছু প্রজাতি ২০০ বছরের বেশি বাঁচে । পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী কেইয়ের নাম ছিল হ্যানাকো । ৭ জুলাই ১৯৭৭ সালে এটি মারা যায় । মৃত্যুকালে এর বয়স হয়েছিল ২২৬ বছর ।


৬।  আর্কটিক তিমি 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

পৃথিবীতে অনেক প্রজাতির তিমি আছে । নীল তিমি, ব্যালেন তিমি, হ্যামার তিমি, গ্রে তিমি, শুশুক ইত্যাদি । এদের আরেকটি প্রজাতি আছে নাম বো-হেড তিমি । আর্কাটিক সাগরে বাস, তাই বো-হেড তিমিকে আর্কটিক তিমিও বলা হয় । মেরু অন্চলের মানুষ আদিকাল থেকেই জীবনধারণের জন্য শিকারের উপর নির্ভরশীল ।  এরা অস্ত্র নিক্ষেপ করে শিকার ধরত । প্রায় ২০০ বছর আগে এমনই অস্ত্র ছুড়ে মারা শিকারির হাত থেকে বেচেঁ যাওয়া একটি আর্কটিক তিমি সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে যা ওই ছুড়ে মারা অস্ত্র শরীরে নিয়ে এখনও বেচেঁ আছে ।

৭। সাগর কাহগ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

এর বৈজ্ঞানিক নাম আর্কটিকা আইল্যান্ডিকা । আঠাঁর মতো লেগে থাকে ।হামাগুড়িঁ দিয়ে চলে । শক্ত খোলসে ঢাকা শরীর । প্রতিবছর এদের খোলসে একটি করে গোলাকার দাগ পড়ে । একে বলা হয় বার্ষিক চিহ্ন । অনেক গাছের গায়েও এমন দাগ দেখে অনুমান করা যায় তার বয়স কত । গবেষকরা এমন কিছু নমুনা সংগ্রহ করে এদের বয়স অনুমান করে দেখেছেন প্রায় ৪০০ বছর ।

৮। অ্যান্টার্কটিক স্পঞ্জ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণীর কথা শুনতেই মস্তিষ্কে এসে যায় কচ্ছপের নাম। কেননা লোকমুখে শোনা কথা কচ্ছপ অনেক দিন বাঁচে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন এর থেকেও দীর্ঘজীবী কোনো প্রাণী আছে কিনা? হ্যাঁ, এর থেকেও অনেক বেশিদিন বাঁচে এমন প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি সামুদ্রিক স্পঞ্জ, যা দীর্ঘ ১১ হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে। এমনটিই দাবি করেছেন একদল প্রাণী গবেষক। ১৫৫০ বছরের পুরনো কিছু স্পঞ্জের সন্ধান পাওয়া গেছে আর্কটিক সাগরে । এই সকল সামুদ্রিক স্পনজ শত শত বছর ধরে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে রয়েছে।

৯। রেড সি আর্চিন

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


গভীর সাগরে বাস করে রেড সি আর্চিন । প্রথমদিকে এরা বাস করত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম তীরে । অগভীর জলাশয় থেকে ৯০ মিটার পযর্ন্ত গভীরে এরা বাস করে । সুঁইয়ের মতো কাঁটার সাহায্যে সাগরের তলদেশে হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ায় । এদের কিছু কিছু সদস্য ২৫০ বছরেরও বেশি জীবন পায় ।

১০। তুয়াতারা

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

আদিম প্রাণী বলতে আমরা বুঝি ডাইনোসরকে, যারা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে বহুকাল আগেই । তারও আগে বাস করত তুয়াতারা । ২০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে তুয়াতারাদের অনেক প্রজাতি ছিল । বর্তমানে মাত্র দুটি প্রজাতি টিকে আছে নিউজিল্যান্ডে । বাকিরা হারিয়ে গেছে প্রকৃতি থেকে । তুয়াতারা পৃথিবীর একটি দীর্ঘজীবী মেরুদন্ডী প্রাণী । বাঁচে প্রায় ২০০ বছর ।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, May 7, 2020

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।


সুন্দরী নারী কেনা পছন্দ করে। প্রত্যেক মানুষই সুন্দরী নারীর সাথে প্রেম করতে চায়। এমনকি জীবনসঙ্গী হিসেবে সুন্দরী নারীকেই সকলেই বেছে নেই। কিন্তু সুন্দরী নারীকে বিয়ে করলে পড়তে হয় বেশ কিছু বিপদে। বিয়ের আগে অন্তত এই বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত তাহলে আপনিও হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা ইতিমধ্যে বিয়ে করে ফেলেছেন তাদেরও জেনে রাখা উচিত কারণ আপনাকে এই সমস্যাই পড়ার আগেই তা সমাধানের পথ খুঁজে রাখতে হবে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।   


১।বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়ে রান্না করতে জানে না। খাবারে লবণ কম-বেশি করতে সুন্দরী মেয়েদের কোনো জুড়ি নেই। তাই কোনো সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করার আগে কোনো রেস্টুরেন্ট মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। কারণ আপনাকে প্রতিনিয়ত রেস্টুরেন্টে খেতে হতে পারে।

২।সুন্দরী মেয়েরা ঘনঘন পার্লারে যেতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে পার্লারের পেছনে টাকা ব্যয় করতে করতে আপনার মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানি ঘটবে।


৩। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার সৌন্দর্য মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাবে। আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা না করে সবাই আপনার সুন্দরী স্ত্রীর প্রশংসা করবে।

৪। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার বন্ধু থেকে শুরু করে পাড়ার ছোট-বড় সবাই কুনজর দেবে। এগুলো দেখে আপনি না পারবেন কিছু বলতে, না পারবেন সইতে। শুধু দেখবেন, জ্বলবেন আর লুচির মতো ফুলবেন।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

৫। সুন্দরী মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে। আপনি অসুস্থ হলেও আপনাকে নিয়ে চিস্তা করবে না। অথচ তাদের গালে ছোট্ট ব্রণ উঠলেও সেটি সারানোর জন্য গালে বেসন অথবা ফলমূলের রস লাগিয়ে বসে থাকবে।

৬। সুন্দরী মেয়েরা শপিং করতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনাকে মাসে যতবার না বাথরুমে যেতে হয় তার চেয়ে বেশিবার আপনাকে শপিংয়ে যেতে হতে পারে।

৭। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরা অত্যন্ত ঝগড়াটে স্বভাবের হয়। এদের বিয়ে করলে অতি সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে আপনার জীবন ঝালাপালা করে দেবে।

৮। সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করার আগে বাড়িতে কাপড় রাখার পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না দেখুন। যদি না থাকে তাহলে অতিরিক্ত ওয়ারড্রোব, আলমারি কিনে রাখুন। এদের কাপড় এত বেশি হয় যে, আপনার নিজের কাপড় রাখার জায়গা থাকবে না। আপনার কাপড়গুলো অনাথের মতো যেখানে সেখানে গড়াগড়ি খাবে।

৯। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরাই ভারতীয় সিরিয়ালের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এসব সিরিয়াল সংসার জীবনের ওপর কী রূপ প্রভাব ফেলে এটা কারো অজানা নয়। কোনো একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখবেন সিরিয়ালের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে আপনার সুন্দরী বউ অন্য কারো সঙ্গে উধাও হয়ে গেছে।

১০। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনি বাড়ির বাইরে যেতে চাইবেন না। আপনার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে। এছাড়া আরো বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী বউ ছেড়ে আপনার অফিসে যেতে ইচ্ছে করবে না। ফলে আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Friday, March 6, 2020

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা কি বলতে পারেন পৃথিবীতে বাবা কতজন হয়। আমার জানা মতে বাবা তো একজনই হয়। এছাড়াও কোন নারী ও পুরুষ বিয়ে করলে শশুর মশাই কে বাবা হিসেবে সম্বোধন করা হয়।  এর বাইরেও বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছ হরেক রকমের বাবা।  রীতিমত অনেক মানুষই এই সকল বাবাদের ব্যাপক ভক্ত।  আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন। তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।

১। বিড়ি বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

 কুমিল্লার বড়ুয়া থানার খোশবাস গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক যিনি বিড়ি বাবা নামে অধিক পরিচিত। তিনি এমন এক আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী যার চিকিৎসা ব্যবস্থায় সকল ধরনের রোগ ভালো হয়ে যায়। তবে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যদের চেয়ে আলাদা ও অভিনব পদ্ধতি। তার চিকিৎসা ব্যবস্থার একমাত্র ঔষধ হল বিড়ি। তার হাতের ১০ টা বিড়ি খেলে সকল ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সর্দি,জর,যক্ষা,ডায়বেটিস এমনকি ক্যান্সার হলেও তার দেওয়া বিড়ি খেলে সব রোগ নিমিষেই পালিয়ে যায়। এছাড়াও পারিবারিক ঝগড়া,বিবাদ ঝুট ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে বিড়ি বাবার দরবারে এসে বিড়ি ফোকালে সেই পরিবারে শান্তি চলে আসে।

এই বিড়ি বাবার কারিশমায় ছোট ছোট বাচ্চাদের ও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিড়ি টানতে হয়। আর যারা বিড়ি টানতে না পারে তাদেরকে তামাক পানিতে গুলিয়ে খাওয়ায় দেওয়া হয়। বাবার সমস্ত রোগের ঔষধ একমাত্র বিড়ি। এটা নাকি বাবার তাবারক। ভক্তকুলের সাথে বাবাকেও বিড়ি ফোঁকাতে দেখা যায়। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন তিনি বিড়ি না ফুকিয়ে সমান তালে অভিনয় করে যাচ্ছে। যেখানে বিড়ি খেলে মানুষের মৃত্যুর ঝুকি বহুগুন বেড়ে যায় সেখানে বিড়ি বাবার বিড়ি খেলে সব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর এসব ভন্ড বাবার গাঁজাখুরি ব্যবসায় তাল দিয়ে যাচ্ছে বাঙালি ভক্তকুল। হায়রে অশিক্ষিত সমাজ।

২। হজ বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

মুসলিম উম্মাহদের হজ্জ পালনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যেতে হয় মক্কা মদিনায়। অথচ মাত্র কয়েকশ টাকা খরচ করেই বাংলাদেশেই হজ পালন করা যায়। আপনার হয়তো বিশ্বাস হচ্ছে না।  ঢাকার অদূরে দোহারে হজ বাবার আয়োজনে প্রতিবছর ৯ সেপ্টেম্বর কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে হজ পালন করা হয়। এ সকল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বারোটা বাজাচ্ছে তথাকথিত হজ বাবা ও তার ভক্তকুল। হজ বাবার প্রধান সাঙ্গপাঙ্গ হল নারী। সারা বছর জুড়ে হজ বাবার কাবা ঘরে থাকে নারীদের আনাগোনা। এছাড়াও তার অনেক নারী ভক্তকুল তার খেদমতে সমস্ত শরীর সারাক্ষণ টিপে দেন। এই হজ বাবা নামের ভন্ড প্রতারকের কারণে আমাদের পবিত্র কাবা শরীফকে অবমাননা করা হচ্ছে। জানিনা এর ভক্তকুল কারা তারা কি গাঁজা খেয়ে হজ পালন করে আর প্রশাসন কি তাদের তামাশা দেখে আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল।


৩। নাচ বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

আরেক ভন্ড বাবার সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্থপুর থানার পারবর্তীপুর গ্রামে। যেখানে বড় বড় এম বি বি এস ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা করতে ব্যর্থ সেখানে নাকি নাচ বাবার চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায় সমস্ত রোগ। তাই তার ভিজিট ও অনেক গুন বেশি এক একজন রোগীর জন্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন তিনি। নাচ বাবার অভিনব চিকিৎসা পদ্ধতি দেখতে তাই জড়ো হয়েছে গ্রামের সকল নারী ও পুরুষ। তার চিকিৎসা পদ্ধতি হল রোগীকে একটি আসরে বসিয়ে রোগীর চারপাশে নাচ গান করা। আর এই নাচ গানের ফলে রোগী নাকি সুস্থ হয়ে যায়। এই নাচ বাবার ভন্ডামি গ্রামের মানুষ খুব যত্ন সহকারে দেখছে আর মজা লুটছে। কিন্তু বাস্তবে কতটা বাশ যাচ্ছে যে রোগী সেই ভাল জানে। আমার মনে হয় নাচ বাবা গাঁজা তো খাইছেই সেই সাথে সাথে গ্রামের মানুষ জনও গাঁজা খেয়ে তামাশা দেখছে। এই মজমায় সবগুলোরে কি বাশ দেওয়া যায় কমেন্ট করে জানাবেন।

৪। আগুন বাবাঃ  

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লায় বসবাসরত আরেকজন ভন্ড প্রতারকের নাম হল জয়নাল কবিরাজ ওরফে আগুন বাবা। তিনি একজন  বিখ্যাত ফকির,সাধক ও মন্ত্র বশীকরণ বাবা হিসেবে অধিক পরিচিত। তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার মধ্যে অন্যতম হল তিনি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঠেকাতে পারেন। মাত্র ৫০০ টাকা দিলেই বন্যা, ঝড় ঠেকিয়ে দেন। এ যেন এক আধ্যাত্মিক খমতার মালিক। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ ও জিন আছর থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারেন। এই ভন্ড আগুন বাবার পানি পড়া খেলে আর কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। বাঙালি পাবলিক যেমন তেমনি ভন্ড বাবারাও খুলে বসেছেন ভন্ডামির আসর। এতে আর আগুন বাবার দোষ কি?এই আগুন বাবার কাছে যে সকল মানুষ চিকিৎসা করতে যায় তাদের মদ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। শালার মূর্খ পাবলিক।

৫। লাঠি বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লার চান্দিনা বাস স্ট্যান্ডে বসে থাকেন লাঠি বাবা। তার নাম ধাম বেশ চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দূর দুরন্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে তার কাছে চিকিৎসা নিতে। অনেকের মতে তার সুনজরে যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে। কোন গাড়ি চালকের উপরে লাঠি বাবার কুনজর পড়লে তার  মেলে দুর্ঘটনা। তিনিও সব রোগের চিকিৎসক।   বিভিন্ন ধরণের তাবিজ ও ঝাড় ফুক দিয়ে সরল সহজ মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সর্বশেষ একটা কথায় বলবো এই ধরণের ভন্ড বাবারা আমাদের সমাজ ও দেশের ক্ষতি করছে।  এমনকি সরল সহজ মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তাই  আপনারা এই সকল ভন্ড বাবাদের থেকে দূরে থাকুন। আর একটা কথা না বলেও পারছি না এই সকল ভন্ড বাবারা তাদের ভন্ডামির সাম্রাজ্য বাড়াচ্ছে আর প্রশাসন কি ঘোড়ার ঘাস কাটছে। নাকি এদের পেছনের অন্তরালে রয়েছে আরও বড় বড় ভন্ড বাবাদের দল। যাই হোক আমাদের সাধারণ মানুষের হতে হবে সচেতন।

আরও বিস্তারিত জানতে অবশ্যই নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, March 5, 2020

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

গ্রাম শব্দটি বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত নাম। কেননা বাংলাদেশ একটি গ্রাম প্রধান রাষ্ট্র। সবুজ-শ্যামল আর গাছপালায় ভরা আমাদের গ্রামের পরিবেশ। আমাদের বাংলাদেশের গ্রামে রয়েছে দিগন্ত জোড়া মাঠ, ধানের  আউলা বাতাস। বাঙালির মনোজগতে গ্রামের এই চিত্র শুধু কল্পনাই নয় বাস্তবে বাংলাদেশের প্রতিটি আনাচে কানাচে গ্রামের এই চিত্র ফুটে উঠেছে।

শুধু যে কেবলমাত্র আমাদের বাংলাদেশে গ্রামের পরিবেশ এত সুন্দর তা কিন্তু নয়। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই রয়েছে অপরূপ সুন্দর সব গ্রামের দৃশ্য। ছবির মতো সাজানো গোছানো সেসব গ্রামের চিত্র দেখলে পলকেই ছুটে যেতে ইচ্ছে করবে হয়তো সেখানে।

চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রামের কথা।

১। পানতুমাই (সিলেট, বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় জনপদ সিলেটের জেলার জাফলং ইউনিয়নে রয়েছে এমন একটি সুন্দর গ্রাম যা পলকেই যে কোনও মানুষকে নিয়ে যেতে পারে স্বপ্নের এক জগতে। সেই গ্রামের নাম হলো পানতুমাই। পানতুমাই নামটি স্থানীয় জনপদ খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া।

এই গ্রামে রয়েছে পাহাড়ি ঝরনা, সবুজঘেরা লেক। তেমনি দূরে তাকালেই দেখা মিলবে কুয়াশা ঢাকা সবুজ মেঘালয়ের পাহাড়। বিশেষ করে বর্ষার দিনে এই গ্রামের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই গ্রাম থেকে কিছুদূর হাঁটলেই পাওয়া যাবে বিছানাকান্দি নামে এক মনোরম সুন্দর এক পাহাড়ি প্রপাত। যার স্বচ্ছ টলটলে জল মুহূর্তে চাঙ্গা করে দিতে সক্ষম অতি  নিঃসঙ্গ মানুষটির মনও। এছাড়া এখানে আরও রয়েছে বড়হিল ঝর্না, ইসলামাবাদ নামে সবুজ এক পাহাড়ি ভূমি।
সেজন্যই পানতুমাই কে বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও অপূর্ব এক নিরালা গ্রাম। ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে সিলেট নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে বা বাস অথবা সিএনজি অটোরিক্সায় যেতে হবে জাফলংয়ের গোয়াইনঘাট। তারপর সেখান থেকে আবার সিএনজি অটোরিক্সা বা রিক্সায় করে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় পানতুমাই গ্রামে।

২। বুরানো (ভেনিস, ইতালি)

জলের শহর বলে খ্যাত ইতালির ভেনিস শহরের সৌন্দর্য এমনিতেই জগত বিখ্যাত। তার ওপর এই শহরে রয়েছে এমন এক গ্রাম যেখানে গেলে রঙে রঙে রঙিন হয়ে ওঠে মন। ভেনিসের অন্যান্য জায়গার মতো এই গ্রামের মাঝ দিয়েও বয়ে গেছে একটি খাল। কিন্তু এই খালের দুই পাড়ে নানান রঙে রঙ করা বাড়ি-ঘর, দরজা-জানলা,আর অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলে মনে হবে হঠাৎ করেই যেন চলে এসেছি এক রূপকথার দেশে। এমনকি এই গ্রামের খালে চলা বড় নৌকা গুলোও বিভিন্ন রঙের যেগুলো দেখলে মনে হবে অপূর্ব সব কারুকার্য।

অনেকে এই গ্রামকে ভেনিসের সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। ইউরোপের নতুন বিবাহিত দম্পতিরা প্রায়ই এখানে আসেন তাদের হানিমুন কে রঙিন করে তোলার জন্য।

৩। গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন, ব্যাভারিয়া, জার্মানিঃ 

জার্মানির ব্যাভারিয়াতে অবস্থিত নয়নাভিরাম গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন গ্রামটি অবস্থিত জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ায়। যা জার্মানির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নাম পরিচিত। মনোরম সব দৃশ্য দেখা যায় এই নিরালা প্রত্যন্ত গ্রামটিতে গেলে। অল্প কিছু সংখ্যক মানুষের বসবাস রয়েছে সেখানে। বাসিন্দাদের অধিকাংশই ভেড়ার খামারের মালিক আর কাঠুরিয়া।
 
ওই গ্রামে গেলে যেদিকে চোখ যায় চারদিকে কেবল দেখা যায় সবুজে ঘেরা দিগন্ত মাঠ। জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ার সৌন্দর্য্য দেখলে অনেকেরই মনে হতে পারে এই বুঝি সেই ভূস্বর্গ তে পা রাখলাম।

৪। রিইনা (নরওয়ে)

রিইনাকে বলা হয় ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর গ্রামগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি অবস্থিত নরওয়ের মনোরম সৌন্দর্য আর্কটিক চ্যানেলের মসকেনিসোয়া দ্বীপে। সুউচ্চ পাথুরে পাহাড় আর লেকঘেরা এই গ্রামটিতে বাস মাত্র ৩৫০ জন মানুষের। কিন্তু তারপরও ইউরোপের ভ্রমণপিয়াসী মানুষেরা ঠিকই খুঁজে নেন রিইনার ঠিকানা।

5. ওইয়া (গ্রিস)

গ্রিসের অপরূপ দ্বীপ সান্তোরিনির মনোরম এক গ্রাম ওইয়া। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে বানানো দুধ সাদা সব বাড়ি দেখলে পলকেই আপনার মনটা ভরে যাবে। বলা হয় যে, কেউ যদি কিছুদিন শান্ত ও নির্মল জীবন উপভোগ করতে চান তাকে যেতে হবে অবশ্যই ওইয়া গ্রামে। সেখানের প্রায় প্রতিটি বাড়ির বারান্দা বা ছাদে উঠলেই দেখা যায় সমুদ্রে অসাধারণ সুর্যাস্তের দৃশ্য। শুধু বাড়িই নয়, পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সবুজ ঘাসের আস্তরন আর বুনো ফুলের ঘ্রাণ মন ভরে দিতে বাধ্য। আর পর্যটকদের জন্য ওইয়ার আরেকটি আকর্ষণ হলো সমুদ্রস্নান।


৬। কোলমার (ফ্রান্স)

ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আলসাসের কোলমার গ্রামটিকে দেখলে যে কেউ বলতে বাধ্য হবে এ যেন এক রূপকথার নগরী। কারণ একটি গ্রাম এত সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো ও পরিপাটি করে রাখা যায় তার প্রমাণ কোলমার গ্রামটি। পুরো গ্রামটিই জুড়ে রয়েছে বাগানের সমারোহ। এখানে অক্সিজেনের কোনরকম ঘাটতি নেই।  যে দিকে তাকানো যায়, বাস্তা, বাড়ি, ঘর, ফুটপাত সব জায়গাতেই সারা বছর পাওয়া যায় নানা রঙের ফল সেই সাথে ফুটে থাকে নানান রঙের ফুল। আর ফুল দিয়ে সাজানো নৌকায় কোলমারের লেকে ভ্রমণ করলে দেখতে পাবেন রূপকথার নগরীর মতো চকলেটের রঙে রাঙানো বাড়ি ঘর আর সবু‌‌‌জের সমারোহ। 

৭। গিথরন, (নেদারল্যান্ডস)

নেদারল্যান্ডসের ওভেরিজসেল প্রদেশের স্টিনউইজকারল্যান্ডস শহরের কাছে অবস্থিত এক অনন্য সবুজ গ্রামের নাম হলো গিথরন। এটিও বিখ্যাত তার শান্ত,কোলাহলমুক্ত ও নির্মল পরিবেশর জন্য। এই গ্রামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ যানবাহন মুক্ত । এই গ্রামে কোথাও গাড়ি চলতে পারে না যার ফলে কোন ধুল-বালি হয় না। ভাবছেন তাহলে গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতের বাহন কি?

গ্রামের মাঝ বরাবর দিয়ে বয়ে গিয়েছে একটি খাল। আর এই খালের সাহায্যে মানুষ নৌকার মাধ্যমে চলাচল করে।

৮। অ্যালবিরোবিলো (ইতালি) 

প্রাচীনত্ব আর মনোরম সৌন্দর্যের জন্য এরইমধ্যে ইউনেস্কো অ্যালবিরোবিলোকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই গ্রামের নির্মল ও শান্ত পরিবেশ ও হাসিখুশি মানুষগুলো যে কাউকে নিমিষেই আকর্ষণ করতে বাধ্য। এই গ্রামের বৈশিষ্ট হলো, এতে রয়েছে প্রাচীন পোড়া মাটির তৈরি ইট আর চুনাপাথর দিয়ে বানানো ১৫’শ লম্বাটে গম্বুজওয়ালা বাড়ি। দূর থেকে সাদা রঙের এসব গম্বুজওয়ালা বাড়ি দেখতে খুবই চমৎকার। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুন আশা করি ভালো লাগবেঃ 

Wednesday, March 4, 2020

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন।

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন।

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে সারা পৃথিবী জুড়ে রয়েছে নানা বিচিত্র নিয়মকানুন। অনেকেরই হয়তো জানা নেই সেসব নিয়ম-কানুন ও আইনের কথা। চলুন আজকে জেনে নেয়া যাক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত নিয়ম-কানুন ও আইনের কথা। 

১। মৃত মানুষকে বিয়ে করার অনুমতিঃ 

বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে যতসব অদ্ভুত আইন2।

 ফ্রান্সে রয়েছে বিয়ে বিষয়ে একটি অদ্ভুত আইন। আইনটি হলো- রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে মৃত মানুষকে আয়োজন করে বিয়ে করা যাবে। তবে রাষ্ট্রপতি থেকে অনুমতি নিতে প্রয়োজন পড়বে কিছু প্রমাণাদির।
মৃত মানুষটি জীবদ্দশায় ঐ পুরুষ বা ঐ নারীকে ভালোবাসত কিনা বা তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল কিনা, এসব তথ্যাদি পেশ করতে হয় রাষ্ট্রপতির কাছে।

২। এক বছরের খোরপোষ দিলেই দিতে পারবেন ডিভোর্সঃ 

আমেরিকার টেনেসি প্রদেশে বিবাহ-বিচ্ছেদের জন্য রয়েছে খোরপোষ বিষয়ক একটি আইন। আইনটি হলো- স্ত্রীর এক বছর চলে যাবে এমন পরিমাণ খাবারের জোগান দিতে পারলে একজন স্বামী যে কোনো মুহূর্তে আর কোনো কারণ না দেখিয়েই স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন।

খাবারের তালিকায় রয়েছে- শুকনো শস্যদানা, শুকনো ফলমূল এবং মাংস। আর পরিধানের জন্য রেশমি বস্ত্র এবং উল।

৩। স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে গেলে শাস্তিঃ 

ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্র ওশেনিয়ার সামোয়া। সেখানে রয়েছে বিয়ে বিষয়ক অদ্ভুত এক আইন। জন্মদিনকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকে দেশটি।সেখানে কোনো স্বামী যদি তার স্ত্রীর জন্মদিন ভুলে যায় ও সময়মতো শুভেচ্ছা না জানায়, তা হলে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে সেই স্ত্রী তার ভুলোমনা স্বামীকে ডিভোর্স দেয়ার অধিকার পেয়ে যান। কিন্তু আইনটি স্ত্রীর বেলায় প্রযোজ্য নয়।

৪। রোববার স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করলেই আইনি ব্যবস্থাঃ  

যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডোয় রয়েছে একটি আইন। রোববারে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করতে একেবারেই নিষেধ। অন্যদিন গুলোতে যত খুশি ঝগড়া করুক সমস্যা নেই।রোববার স্ত্রীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করলেই বিপদ। শুধু বিচ্ছেদই নয় স্বামীকে কারাগারেও পাঠাতে পারেন স্ত্রী।

৫। বিয়ের পূর্বে ঘোষণা দেওয়া বাধ্যতামূলকঃ 

ইচ্ছেমতো দিনে বিয়ে করা যায়না মোনাকোয়। দেশটির নিয়মানুযায়ী, দুটি রোববারসহ মোট দশ দিন হাতে রেখে বিয়ের ঘোষণা দিতে হবে। তারপরেই বিয়ে করতে পারবেন হবু স্বামী-স্ত্রী। তা না করলে সে বিয়ে বৈধতা দেওয়া হয় না সেখানে।

৬। সন্তান ধারণে বিধিনিষেধঃ

যুক্তরাষ্ট্রের ২৬ প্রদেশে আপন চাচাতো ভাইবোনদের মধ্যে বিয়ে নিয়ে রয়েছে একটি আইন। নিকটাত্মীয় বা রক্তের সম্পর্কের মধ্য বিয়ে হলে সন্তান হতে পারে প্রতিবন্ধী বা শারীরিকভাবে অপরিপক্ব।এমন বিয়েতে নিরুৎসাহিত করলেও বাধা দেয় না প্রশাসন। তারা বিয়ে করতে পারেন কিন্তু সন্তান নেয়া যাবে না। পরবর্তী প্রজন্ম যেন জিনগত ত্রুটি ও শারীরিক সমস্যা নিয়ে না জন্মায় সে ধারণা থেকেই সন্তান ধারণের জন্য বিধিনিষেধের এমন অদ্ভুত আইন রয়েছে দেশটির সেসব প্রদেশে।

আরও বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Tuesday, February 18, 2020

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

একজন মা তার সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সব ধরণের অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলতে পারেন। সন্তানের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য সে সমস্ত কিছু ত্যাগ বিসর্জন দিতে সর্বদা প্রস্তুত থাকেন।। এমনই এক দৃষ্টান্ত দেখা গেলো তামিলনাড়ুর অন্তর্গত সেলিম শহরে। এক মা তার ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য বিক্রি করলেন নিজের মাথার চুল।



মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

আমি এতক্ষণ ধরে বলছিলাম তামিলনাড়ুর সেলিম শহরের বাসিন্দা প্রেমার কথা। আট মাস আগে আত্মহত্যা করে মৃত্যু হয় স্বামীর। স্বামী মারা যাওয়ার পর রোজগারের মত তেমন আর কেউ থাকে না। এতদিন ঋণ ধার করে কোন রকম চলছিল তার সংসার। আস্তে আস্তে ঋণের পরিমাণ বাড়তে থাকে। তার মোট  তিন সন্তান একজন ৫ বছরের এবং বাকি দুজন ২ ও ৩ বছরের হবে।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

শুক্রবার তার হাতে  কিছু কিনে খাওয়ার মত কোন টাকা পয়সা ছিল না। প্রচন্ড খিদের জালায় কাঁদছিল তার ছোট ছোট তিন শিশু। এই সময় কি করবে বুঝে উঠতে পারছিলনা অসহায় প্রেমা। ঐ সময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল এক চুল ক্রেতা। তার কাছে মাত্র ১৫০ টাকায় বিক্রি করে নিজের সমস্ত চুল। সেখান থেকে ১০০ টাকায় সন্তানদের খাওয়ায় আর ৫০ টাকায় কীটনাশক কিনে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করে। প্রেমার এক বোন আত্মহত্যা থেকে তাকে রক্ষা করে।



মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

চুল বিক্রির সময় জি বালা নামের এক ব্যক্তি দেখেন।  তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘটনাটি পোষ্ট করেন এবং সাহায্যের জন্য অনেকেই হাত বাড়িয়ে দেই। সাহায্যের পরিমাণ এসে দাড়ায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। বর্তমানে ইটভাটায় কাজ করেন প্রেমা।

মা তার মাথার চুল বিক্রি করে ক্ষুধার্ত সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিলেন।

একমাত্র মা তার সন্তানের জন্য এমন ত্যাগ তিতিক্ষা বিসর্জন দিতে পারেন। তাই আমাদের প্রত্যেকের উচিত মাকে ভালোবাসা। মাকে কোন রকম কস্ট না দেওয়া। বিশেষ করে বৃদ্ধ বয়সে মা বাবার পাশে থাকা প্রত্যেক সন্তানের নৈতিক কর্তব্য। যারা মা বাবাকে ভালবাসবে না তাদের ইহকাল ও পরকালে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে। আসুন আমরা সবাই ওয়াদা করি মা বাবাকে কখনই অবহেলা করব না। 

নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

Friday, January 24, 2020

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা?

মন্দির ও গির্জায় অমুসলিমদের দান করা যাবে কিনা। 
অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা যাবে কিনা?অমুসলিমরা তাদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানের জন্য সহোযোগিতা চাইলে তাদের সাহায্য সহযোগিতা করা যাবে কিনা? আজকের এই সকল বিষয়গুলোর সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা করা হবে। কাজেই আমাদের সাথেই থাকুন।

পারস্পরিক সাহায্য-সহযোগিতার ক্ষেত্রে ইসলামের মূলনীতি হল, সাহায্য-সহযোগিতা হতে হবে শুধু সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির ক্ষেত্রে। গুনাহ ও জুলুমের ক্ষেত্রে কাউকে সহযোগিতা করা যাবে না। আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَتَعَاوَنُوا عَلَى الْبِرِّ وَالتَّقْوَى وَلَا تَعَاوَنُوا عَلَى الْإِثْمِ وَالْعُدْوَانِ

তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতিতে একে অন্যের সহযোগিতা করো, গুনাহ ও জুলুমের কাজে একে অন্যের সহায়তা করো না। (সূরা মায়েদা ২)

উক্ত মূলনীতির আলোকে অমুসলিমদের ধর্মীয় উৎসবে বা প্রতিষ্ঠানে সহযোগিতা করা জায়েয হবে না।

আল্লামা ইবন নুজাইম মিসরি রহ. বলেন,

( والإعطاء باسم النيروز والمهرجان لا يجوز ) أي الهدايا باسم هذين اليومين حرام بل كفر , وقال أبو حفص الكبير رحمه الله لو أن رجلا عبد الله خمسين سنة ثم جاء يوم النيروز , وأهدى لبعض المشركين بيضة ، يريد به تعظيم ذلك اليوم ، فقد كفر , وحبط عمله

নওরোজ ও মেলার নামে কিছু দেয়া নাজায়েয। অর্থাৎ এ দুই দিনের নামে প্রদত্ত হাদিয়া হারাম; বরং কুফর। আবুল আহওয়াছ আল-কাবির রহ. বলেন, যদি কোন ব্যক্তি পঞ্চাশ বছর আল্লাহর ইবাদত করার পর নওরোজের দিন এসে কতিপয় মুশরিককে কিছু উপহার দেয় এবং এ উপহারের মাধ্যমে এ দিনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে এবং তার সব আমল বরবাদ হয়ে যাবে। (তাবইনুল হাকায়েক ৬/২২৮)

ফাতাওয়া শাবাকাতুল ইসলামিয়াতে (ফতওয়া নং ৪৭০১৬) এসেছে,

حكم مشاركة المسلم في بناء كنيسة يعمل أوتبرع غيرجائِزلأنه على الباطل

গির্জা বানানোর সময় কাজের মাধ্যমে কিংবা দানের মাধ্যমে শরিক হওয়া মুসলিমের জন্য জায়েয নয়। কেননা, এতে বাতিলের সহযোগিতা হয়।

 অনেক সময় মুসলিমরা বিভিন্ন কারণে মন্দির ইত্যাদিতে সাহায্য করতে বাধ্য হয়। এরুপ পরিপ্রেক্ষিতে সে ইসলাম থেকে বের হয়ে গেছে কিংবা তার বিয়ে ভেঙ্গে গেছে মর্মে ফতওয়া দেয়া যাবে না। তবে কাজটি নিঃসন্দেহে অন্যায় ও ঈমানের দুর্বলতার আলামত। তাই কেউ করে ফেললে তাওবা করতে হবে। (ফাতাওয়া রাহিমিয়া ১/৬৮)

মুসলমানের উচিত তার ধর্ম নিয়ে গর্ববোধ করা। ধর্মীয় বিধানগুলো বাস্তবায়ন করা। লজ্জাবোধ করে অথবা সৌজন্য দেখাতে গিয়ে এক্ষেত্রে কোন শৈথিল্য না দেখানো। বরং আল্লাহকে লজ্জাবোধ করা অধিক যুক্তিযুক্ত।

          এই বিষয়ে নিচের ভিডিও ফুটেজ টি দেখতে পারেন 

Wednesday, January 15, 2020

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।বিশ্বের অন্যতম এক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে নাম ঠিকানাবিহীন এক প্রেমিক জানতে চান যে- ‘তিনি এক মেয়েকে খুব ভালোবাসেন। এমন কোনো দোয়া কিংবা আমল আছে কি? যে আমল বা দোয়া পড়লে তিনি যে মেয়েকে ভালোবাসেন তাকে পাবেন কিংবা সে মেয়ে তাকে ভালোবাসবে। নতুবা সে মেয়ে তাকে বিয়ে করতে রাজি হবে? এই সকল প্রশ্নের জবাবে প্রতিষ্ঠানটি একটি দোয়ার কথা বলেছেন। দোয়াটি জানতে হলে সম্পূর্ণ পড়ুন । 

এ জিজ্ঞাসার জবাবে প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ জানান-
ইসলামি শরিয়া মোতাবেক কোনো মেয়েকে একান্তভাবে বা গোপনে গোপনে ভালোবাসা অবৈধ এবং কবিরা গোনাহ। বর্তমানে ভালবাসা মানেই নির্জনে দেখা করা,বাদাম খাওয়া, ফুসকা খাওয়া,পার্কে ঘুরতে যাওয়া, ডেটিং করা আরও কত কিছু। তাই কোনো মেয়েকে ভালোবাসার বিষয়টি এড়িয়ে চলাই উচিত।

একান্তই যদি কেউ কারো প্রেমে পড়ে যায়, তবে তাকে একটি আমল করার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ফতোয়া বিভাগ। আর তাহলো-

যে ব্যক্তি কোনো মেয়েকে ভালোবাসে তাকে শুক্রবার মধ্যরাতে উঠতে হবে এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য কামনা করতে হবে। মনের আশা পূরণের নিয়তে এ দোয়াটি পড়া যেতে পারে-

فَإِن تَوَلَّوْاْ فَقُلْ حَسْبِيَ اللّهُ لا إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
উচ্চারণ : ‘ফা ইং তাওয়াল্লাও ফাকুল হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজিম।’ (সুরা তাওবা : আয়াত ১২৯)

অর্থ : এ সত্ত্বেও যদি তারা বিমুখ হয়ে থাকে, তবে বলে দাও, আল্লাহই আমার জন্য যথেষ্ট, তিনি ব্যতীত আর কারো বন্দেগী নেই। আমি তাঁরই ভরসা করি এবং তিনিই মহান আরশের অধিপতি।

এ বিষয়ে বিস্তারিত পড়তে আল্লামা কাশ্মীরি রহ. রচিত কিতাব গাঞ্জিনা ই আসরার পড়ার পরামর্শও দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটি।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে সঠিকভাবে জীবন-যাপন ও সঠিক পদ্ধতি তার দরবারে প্রার্থনা করার তাওফিক দান করুন। দুনিয়া ও পরকালের যাবতীয় কল্যাণ দান করুন। আমিন।

Sunday, August 4, 2019

গরুর দাম চাইলো ৫০ লাখ বিক্রি হলো ৩৭ লাখে।

গরুর দাম চাইলো ৫০ লাখ বিক্রি হলো ৩৭ লাখে।

গরুর দাম চাইলো ৫০ লাখ বিক্রি হলো ৩৭ লাখে।

গরুর দাম চাইলো ৫০ লাখ বিক্রি হলো ৩৭ লাখে।

এবার একটি কুরবানীর গরু ৩৭ লাখে বিক্রি হয়েছে। গরুর দাম চাওয়া হয়েছিল ৫০ লাখ কিন্তু শেষমেশ বিক্রি হল ৩৭ লাখে। আপনারা অনেকেই হয়তো বিশ্বাস করতে চাইছেন না যে গরুর দাম ৩৭ লাখ টাকা। বিশ্বাস না হলে ইউটিউবে সার্চ দিয়ে ভিডিও টি দেখতে পারেন। ওজন ১৫০০ কেজি এর উপরে। এটি আমেরিকান ব্রাহমা জাতের গরু । এসব গরু সাধারনত বিমানে করে আনা হয়। এটি এনেছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরুর খামার সাদেক এগ্রো। ঈদুল আযহা ২০১৯ উপলক্ষে গাবতলী গরুর হাট ২০১৯ শুরু হলেই জমে উঠবে গরুর হাট বাজার।

এবার কুরবানি হাটে দেশী বিদেশি অনেক গরু আসছে। তবে তার আগেই অনেক গরু খামার থেকে বিক্রি শুরু হয়েছে।এতে অনেক ক্রেতারা আগ্রহি হচ্ছে। সাদেক এগ্রো হল মোহাম্মদ পুরের একটি বড় গরুর খামার। এতে অনেক দেশি বিদেশী বড় বড় গরু আছে। আমরা সরজমিনে গিয়ে দেখে আসলাম অনেক বড় বড় গরু।
তাদের নাম ও অনেক বাহারি। অনেক গরু দেখতে অনেক বিশাল। নাম হল বস, টাইটানিক, মেসি, জোজো, কালা বাহাদুর, সুন্দরী,যুবরাজ, ভাগ্যরাজ ইত্যাদি আরও অনেক গরু আছে বড় জাতের। বড় জাতের গরুগুলো আমেরিকা থেকে প্লেনে করে আনা হয়েছে। আবার অনেক গরু আছে ব্রাহমা জাতের গরু। এগুলো আনা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া থেকে। আবার অনেক বড় জাতের গরু আছে যা আনা হয়েছে পাশের দেশ ভারত থেকে। এই খামারের মালিকপক্ষ বলছেন এখানে কম করে হলে ১২০০ গরু আছে। আর এর মধ্যে অনেক গরু আছে আমাদের দেশিয় গরু। দাম অনেক অনেক কম। তবে সবচেয়ে বড় কথা হল সব গরুর ওজন করে বিক্রি করা হয়ে থেকে এবং শতভাগ অরগানিক গরু। যাতে কোন প্রকার ভেজাল নেই।

Tuesday, July 23, 2019

Husband and Wife divorce for bathing twice in morning.

Husband and Wife divorce for bathing twice in morning.

সকালে দুইবার গোসলের সন্দেহে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে ডিভোর্স।

আপনার কাছে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হচ্ছে কারণ সকালে দুইবার, তিনবার, চারবার গোসল করার সাথে এখানে ডিভোর্সের সম্পর্ক কি? যারা বাচ্চা তারা এই বিষয়টি হয়তবা বুঝবেন না। কিন্তু যারা ঝানু মাল তারা এতক্ষণে বিষয়টি বুঝে গেছেন। তবে ঘটনাটি একেবারেই সত্য। আমি আমার ব্লগে এই ধরনের পোস্ট সহজে লিখি না । কারণ এই সকল বিষয় নিয়ে আমার কোন ইন্টারেস্ট নেই। কিন্তু এই ঘটনাটি যার জীবনে ঘটেছে সে আমার খুব পরিচিত। তার রিকুয়েস্টের কারণে আজকের এই পোস্টটি লিখতে বসলাম। তিনি মনে করেন এই পোস্টটি পড়ে অনেকেই আগে থেকে সচেতন হতে পারবেন। যার ফলে তার মত যেন মানুষ কষ্ট না পায়। 

মেয়েটির নাম বীথি এবং ছেলেটির নাম ইমরান। তাদের দুইজনের ৯ বছরের সংসার।তাদের ১ টি ১২ বছরের কন্যা সন্তান রয়েছে। সে এখন ক্লাস সিক্স এ পড়ে। মেয়েটি নানীর বাড়িতে থাকে। বীথি এবং ইমরান চাকরির কারণে গাজীপুর থাকে। কিন্তু সকাল বেলা দুইবার গোসল করার কেন্দ্র করেই তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। আসুন ভঙ্গিতা না করে বিষয়টি আপনাদের মাঝে খোলসা করি। বিস্তারিত পড়ুন...........

Husband and Wife divorce for bathing twice in the morning.

Husband and Wife divorce for bathing twice in morning.

বীথি একজন চাকরিজীবী সে একটি ভালো প্রতিষ্ঠানে সরকারি চাকরি করে । আর তার স্বামী ইমরান মুদির দোকানের পণ্য বাড়িতে বাড়িতে বিক্রি করে। এইটা তার পেশা। বীথি সরকারি চাকরি করার  কারণে সরকারি কোয়ার্টারে থাকে। স্বামী স্ত্রীর বেশ সুখের সংসার এক কথায় তাই বলা চলে। কিন্তু বীথি প্রায় একটা জিনিস লক্ষ্য করতে থাকে তাদের মধ্যে রাত্রে প্রেম প্রণয় হওয়ার পর তারা দুজনেই রীতিমত সকালে গোসল করেন। কিন্তু তার স্বামী সকাল ভোরেই বাড়িতে বাড়িতে মুদির পণ্য দিতে চলে যায়। দুই ঘণ্টা পর বাড়িতে ফিরে এসেই আবার সে গোসল করে ততক্ষণে বীথির অফিসে যাওয়ার সময় হয়ে আসে। একদিন নয়, দুই দিন নয়, প্রায় দিন গুলোতে বীথি এমন কাণ্ড দেখতে পায়। যে ব্যক্তি ২ ঘণ্টা আগে গোসল করে গেল তার আবার গোসলের প্রয়োজন কেন।  একদিন দুইদিন হতে পারে গরমের কারণে তাই বলে প্রায়  দিন গুলোতে এমন হওয়ার কথা না। এর পেছনে তো কোন একটা রহস্য আছে। 

এই বিষয় নিয়ে বীথি ও তার স্বামীর মাঝে একদিন  সকালে বিশাল ঝগড়া হয়। বীথির স্বামী ইমরান তাকে প্রচণ্ড মারধর করে । এমনকি মেরে তার এক হাত ভেঙ্গে দেই। বীথিকে মেরে ধরে ইমরান বাড়ি থেকে চলে যায়। বীথি কোন উপায় না পেয়ে অফিস থেকে কয়েকদিনের ছুটি নিয়ে বাড়িতে চলে যায়। 
কিন্তু কিছুদিন পরে বীথি জানতে পারে ঐ এলাকাতে ইমরান আরেকটি নারীকে বিয়ে করেছে। 
বীথির স্বামী বাড়িতে বাড়িতে মুদির পণ্য দিতে যেত সেখান থেকেই ঐ নারীর সাথে পরিচয় হয়। যার ফলে তাদের মধ্যে প্রেম প্রণয় হতে থাকে। বীথি আরও বলেন আমার স্বামী খারাপ স্বভাবের এর আগেও সে বেশ কয়েকজন নারীর সাথে প্রেম প্রণয় করেছেন। প্রেম প্রণয় বলতে আমি কি বোঝাতে চেয়েছি আপনারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন। কারণ আমি খারাপ ভাষা ব্যবহার করতে পারব না। এর আগেই আমি বলেছি এই ধরণের পোস্ট আমি লিখি না। 


তারপর বীথি ভেবেচিন্তে তার স্বামীকে ডিভোর্স দিয়ে দিল। বর্তমানে বীথি আবারো তার চাকরিতে ফিরে এসেছে। সে এখন নতুন জীবনের সাথে যুদ্ধ করছে।  ৯ বছরের সংসার এক নিমিষেয় শেষ হয়ে গেল শুধুমাত্র গোসল কে কেন্দ্র করে। আসলে এই সকল ছোটখাটো বিষয়ের মাঝে বড় কিছু লুকিয়ে থাকে। তাই স্বামী অথবা স্ত্রীর মাঝে এই ধরণের কোন বিষয় আপনি দেখতে পান অথবা অন্য কোন বিষয় যা আপনার কাছে সন্দেহজনক মনে হচ্ছে তাহলে আগে থেকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন।
পোস্টটি আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে সচেতন করে তুলুন। আপনার এই বিষয়ে কোন মন্তব্য থাকলে অবশ্যই আমাদেরকে জানাতে ভুলবেন না। 

Wednesday, December 19, 2018

বর্তমান সময়ের কুখ্যাত ৪ জন বাঙালি নাস্তিক।The most notorious 4th bengali...

বর্তমান সময়ের কুখ্যাত ৪ জন বাঙালি নাস্তিক।The most notorious 4th bengali...

বর্তমান সময়ের কুখ্যাত চার জন বাঙালি নাস্তিক আছেন যারা ইসলামের বিরুদ্ধে নানারকম অপপ্রচার চালাচ্ছেন।তাদের কারণে লাখ লাখ তরুণ যুবসমাজ আজ বিভ্রান্তে আছে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে ইসলাম ত্যাগ করে ফেলেছেন। এর পেছনে এই চার জন নাস্তিকের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। তারা ইসলাম ত্যাগ করে বর্তমানে বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন। সেখান থেকে বসে তারা বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে ভিডিও ছেড়ে ইসলাম সম্পর্কে নানারকম কটূক্তি এবং নবী রাসুল ও আল্লাহ পাক সম্পর্কে অপপ্রচার করছেন। আজ এমন কুখ্যাত চার জন বাঙালি নাস্তিক সম্পর্কে আলোচনা করব।      

বর্তমান সময়ের কুখ্যাত ৪ জন বাঙালি নাস্তিক:

হাফেজ মাওলানা মুফতি আব্দুল্লাহ আল মাসুদঃ

mufti masud
mufti masud- http://www.topbanglapages.com
বর্তমান সময়ের কুখ্যাত বাঙালিদের মধ্যে অন্যতম নাস্তিক হলেন মুফতি মাসুদ। তিনি একজন হাফেজ মাওলানা ও মুফতি।তিনি কিছুদিন আগে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছেন। তিনি দীর্ঘকাল ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকার পশ্চিম মানিকদি আল আমিন জামে মসজিদে ইমামতি করেছেন। জানা যায় তিনি দীর্ঘ ১০ বছর ধরে ইমামতি করেছিলেন এই মসজিদে। এছাড়াও তিনি ঢাকার একটি বৃহৎ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ছিলেন। বর্তমানে ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও ছেড়ে মুসলমানদের বিভ্রান্ত করছেন। তিনি নবি ও রাসুল সম্পর্কে বিভিন্ন কটূক্তি করে কথা বলছেন। 

মুফাসসিল ইসলামঃ 

mufassil islam
mufassil islam-http://www.topbanglapages.com
মুফাসসিল ইসলাম বর্তমান সময়ের আরেকজন কুখ্যাত নাস্তিক। বর্তমানে তিনি ইংল্যান্ডে আছেন। তবে তার অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট জায়গা নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। কারণ তিনি নিজেকে গাঁ ঢাকা দিয়ে রেখেছেন।কেননা তিনি ইসলাম সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক অপপ্রচার করছেন যার ফলে বিশ্বের মুসলমান জাতি তার উপরে ক্ষিপ্ত। সে কারণে তার সঠিক লোকেশন জানা যায় নি। তিনি হযরত মুহাম্মদ (সঃ) কে শিশু ধর্ষক এমনকি উন্মাদ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি আল্লাহ পাক বা কোন সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করেন না। তিনি সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করেন না সেটি তার ব্যাপার তবে তিনি অন্য কোন ধর্মের উপর আঘাত করেন না বরং ইসলাম ধর্মের বিরুদ্ধেই কথা বলছেন। 

লোপা রহমানঃ

nstik lopa
nstik lopa-http://www.topbanglapages.com
বাংলাদেশে মহিলা নাস্তিক একেবারেই নেই বললেই চলে। তবে বর্তমান সময়ে একজন মহিলা নাস্তিকের উৎপত্তি ঘটেছে তিনি হলেন লোপা রহমান। তিনি নবী ও আল্লাহ পাক সম্পর্কে নানারকম কটূক্তি করে কথা বলছেন। তিনি তার একটা ভিডিও তে বলেছেন আমাদের নবীর হর্স পাওয়ার ছিল তিনি নাকি বিভিন্ন নারীর সাথে ভালো বাসাবাসি খেলতেন। আমিও নবীর সাথে ভালো বাসাবাসি খেলব। তবে আমি কাওকে ভাগ দিব না। কারণ আমার অনেক প্রয়োজন। এছাড়াও তিনি ইসলাম সম্পর্কে নানারকম অশালীন কথাবার্তা বলছেন। তবে নাস্তিক মুফাসসিলের সাথে তার যোগসূত্র আছে । কারণ এই দুই নাস্তিকের একসাথে কতগুলো ভিডিও ইউটিউবে রয়েছে।

আসিফ মহিউদ্দিনঃ
asif mohiuddin
asif mohiuddin-http://www.topbanglapages.com
আসিফ মহিউদ্দিন একজন ব্লগার। তিনি ব্লগারের মাধ্যমে ইসলামের অপপ্রচারের যাত্রা শুরু করেন। ইসলাম সম্পর্কে নানারকম অযৌক্তিক কথাবার্তা লিখলে তার উপর কিছু যুবক ক্ষিপ্ত হয়ে আক্রমণ করেন। বর্তমানে তিনি জার্মানিতে আছেন এবং সেখানে বসেই ইসলাম সম্পর্কে নানারকম সমালোচনা করছেন। আসিফ মহিউদ্দিন নিজেদের উদারপন্থী মুক্তচিন্তার নাস্তিক হিসেবে দাবী করে থাকেন। তারা দীর্ঘদিন থেকেই মুক্তচিন্তার নামে ধর্মকে, বিশেষ করে ইসলামকে নানা ভাবে হেয় করে আসছেন। একজন মানুষ তখনই নিজেকে সুস্থধারার মুক্তচিন্তার দাবী করতে পারেন, যখন তার আচরনে কোন আক্রোশ বা বিদ্বেষ প্রকাশ না পেয়ে বরং যৌক্তিকভাবে তার অভিমত প্রকাশ পাবে। আসিফ মহিউদ্দিন তাদের মুক্তচিন্তার মুখোশের আড়ালে ইসলামের প্রতি তাদের বিদ্বেষকে ঢেকে রাখতে পারেননি। সেটা তাদের বিভিন্ন লিখা থেকেই প্রকাশ পায়। 

 বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ