ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ভিডিও লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬

৩ বছর ব্যাকডেট নাকি স্থায়ী ৩৫ বছর কোনটি হচ্ছে।

৩ বছর ব্যাকডেট নাকি স্থায়ী ৩৫ বছর কোনটি হচ্ছে।


"বছরের পর বছর পড়াশোনা…

অসংখ্য রাত জেগে স্বপ্ন গড়া…
কিন্তু একটা বয়সসীমা—সব থামিয়ে দেয়!"

"করোনা গেছে…
সেশন জট গেছে…
কিন্তু হারানো সময় কি কেউ ফেরত দিয়েছে?"

"তাই আজ দাবি—
৩ বছর ব্যাকডেট!
অথবা অন্তত ৩৫ বছর বয়সসীমা!"

"এটা কোনো বিলাসিতা না…
এটা আমাদের ন্যায্য অধিকার!"

"আপনি কোনটার পক্ষে?"

👉 ৩৫ বছর
👉 ৩ বছর ব্যাকডেট

"চুপ থাকবেন না—
এখনই কমেন্ট করুন!

আপনার একটা শব্দই হতে পারে পরিবর্তনের শুরু!" 



শনিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৫

বর্তমান সময়ের জন্য ১০ টি বিজনেজ আইডিয়া।

বর্তমান সময়ের জন্য ১০ টি বিজনেজ আইডিয়া।

বর্তমান সময়ের জন্য ১০ টি বিজনেজ আইডিয়া।


বর্তমান সময়ে বিভিন্ন ধরনের বিজনেস খুব ভালো করা যায়, যা বাংলাদেশের বাজারে এবং গ্লোবাল বাজারে উভয়ের জন্য লাভজনক।

বাংলাদেশের জন্য ব্যবসার আইডিয়াঃ

  1. ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিঃ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যবসা প্রচারের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
  2. ই-কমার্সঃ অনলাইন বিক্রির প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে স্থানীয় পণ্য বা খাবার বিক্রি করা।
  3. আইটি এবং সফটওয়্যার সেবাঃ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডিজাইন, এবং মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট।
  4. অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্মঃ ডিজিটাল শিক্ষার চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে, তাই অনলাইন কোর্স এবং টিউটোরিয়াল সেবা দেয়া।
  5. কৃষি-ভিত্তিক বিজনেসঃ উন্নত কৃষি প্রযুক্তি বা অর্গানিক পণ্যের বাজারজাতকরণ।

গ্লোবাল বাজারের জন্য বিজনেস আইডিয়াঃ

  1. ফ্রিল্যান্সিং সার্ভিসেসঃ গ্রাফিক ডিজাইন, প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল মার্কেটিং ইত্যাদি সার্ভিস গ্লোবাল বাজারে অফার করা।
  2. সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনঃ বাজারের স্পেসিফিক চাহিদা সমূহ পূরণের লক্ষ্যে নতুন সফটওয়্যার তৈরি করা।
  3. ইকমার্স এক্সপোর্টঃ বাংলাদেশে উৎপাদিত পণ্য, যেমন পোশাক, হস্তশিল্প ইত্যাদি বিশ্ববাজারে বিক্রি।
  4. কনটেন্ট ক্রিয়েশন এবং মনেটাইজেশনঃ ইউটিউব, পডকাস্ট, ব্লগিং মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী দর্শকদের টার্গেট করা।
  5. অনলাইন শিক্ষামূলক সেবাঃ গ্লোবাল স্টুডেন্টদের জন্য স্পেশালাইজড কোর্স ও টিউটোরিয়াল প্রদান করা।

মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪

ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের অজানা ব্যক্তিগত জীবন।

ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের অজানা ব্যক্তিগত জীবন।

ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের অজানা ব্যক্তিগত জীবন। 

ডঃ মুহম্মদ ইউনুসের অজানা ব্যক্তিগত জীবন।

১৯৬৭ সালে মুহম্মদ ইউনূস যখন যুক্তরাষ্ট্রের ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিলেন সেসময় ভেরা ফরোস্টেনকোর নামে এক রাশিয়ান মেয়ের সাথে পরিচিত হন। যিনি ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে রাশিয়ান সাহিত্যের একজন ছাত্রী ছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেন্টন, নিউ  জার্সিতে রাশিয়ান অভিবাসীদের কন্যা ছিলেন। 

তারা ১৯৭০ সালে একে অপরে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তারপর ইউনুস ও ভেরা চট্রগ্রামে থাকতে শুরু করেন। ইউনূসের ভেরার সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে ১৯৭৯ সালে। তাদের মেয়ে মনিকা ইউনূসের জন্মের ৪ মাস পরেই এই বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। কারণ হিসেবে ভেরা দাবি করেন যে বাংলাদেশ একটি শিশু পালন করার জন্য উপযুক্ত জায়গা নয় এবং তিনি তার ৪ মাসের মেয়ে মনিকা ইউনুসকে নিয়ে নিউ জার্সিতে ফিরে যান। 

মনিকা নিউ ইয়র্ক সিটিতে একজন অপেরাটিক সোপ্রানো (শাস্ত্রীয় গানের শিল্পী) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। ইউনূস পরে আফরোজি ইউনূসকে বিয়ে করেন, যিনি তখন ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের একজন গবেষক ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্ত হন। তাদের মেয়ে দীনা আফরোজ ইউনূস ১৯৮৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

ইউনূসের ভাই মুহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের একজন প্রাক্তন অধ্যাপক এবং সেন্টার ফর মাস এডুকেশন ইন সায়েন্স (সিএমইএস)-এর প্রতিষ্ঠাতা, যা গ্রামের কিশোরীদের কাছে বিজ্ঞান শিক্ষা পৌঁছে দেয়। তার অন্য ভাই মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর (মৃত্যু ২০১৯) বাংলাদেশে একজন টেলিভিশন উপস্থাপক এবং সামাজিক কর্মী ছিলেন।

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

বিশ্বব্যাপী অনেক হাঁসের জাত থাকলেও আমাদের দেশে কয়েকটি হাঁসের জাত দেখা যায়। আমাদের দেশে প্রাপ্ত জাতগুলির মধ্যে বেশিরভাগই সংকর জাতের। কারন আমদের দেশে খোলামেলা পদ্ধতিতেই বেশি হাঁস পালন করা হয়। এর ফলে জাতের সঠিক বৈশিষ্ট ধরে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। তবে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সঠিকভাবে হাঁসের জাত সংরক্ষনের চেষ্টা চলছে।  
  
হাঁসের জাতঃ

আমাদের দেশে সাধারণত ডিম উৎপাদনের জন্য হাঁস পালন করা হলেও মাংস উৎপাদনের জন্যও পালন করা হয়।  আমাদের দেশে ডিম উৎপাদনের জন্য খাকি ক্যাম্বেলের নাম বেশি শোনা যায়। তবে ডিমের জন্য সবথেকে উপযুক্ত জাত হল জিংডিং হাঁস। এরা বছরে প্রায় ৩০০ ডিম দিতে পারে। এছাড়াও খাকি ক্যাম্পবেল ও ইন্ডিয়ান রানার হাঁস ডিমের জন্য বেশ জনপ্রিয়। 
  
সাধারনত বেইজিং বা পেকিন জাতের হাঁস মাংস উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। এর পাশাপাশি আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলে চীনা হাঁস বা মাসকোভি হাঁস পালন ব্যাপক জনপ্রিয়। 
চলুন এবার জেনে নেওা যাক সেরা ৬ টি হাঁসের জাতের নাম।
             
১। জিংডিং ডিম উৎপাদন

    বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৬-২.২ কেজি

২। খাকি ক্যাম্পবেল
   বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৮-২.৫ কেজি

৩।ইন্ডিয়ান রানার
    বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৫-২.২ কেজি

৪।বেইজিং বা পিকিং
     বছরে ডিমের সংখ্যা= ১৫০
      শারিরিক ওজন = ২.৫-৫.০ কেজি

৫। মাস্কোভি বা চীনা হাঁস
      বছরে ডিমের সংখ্যা= ১২০
      শারিরিক ওজন = ৩-৮ কেজি

৬। দেশি ডিম+মাংস উভয়
      বছরে ডিমের সংখ্যা= ৮০-১২০
      শারিরিক ওজন = ২-২.৫ কেজি 

কোন জাতের হাঁস বেশি ডিম দেয়ঃ 

হাঁস পালনের ক্ষেত্রে সবার মনেই একটা প্রশ্ন থাকে, কোন জাতের হাঁস বেশি ডিম দেয়? এর উত্তর হচ্ছে জিংন্ডিং ও খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস। এরা প্রায় ৮৫% পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। তবে ডিমের প্রডাকশন ভালো ব্যাবস্থাপনার উপর নির্ভর করে। ইন্ডিয়ান রানার হাঁসও বেশ ভালো ডিম পারে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় একটি দিক হচ্ছে পোশাক তৈরি শিল্প। যা বাংলাদেশকে প্রতি বছর বৈদেশিক মুদ্রায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি অর্থ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশ পোশাক শিল্প রপ্তানি দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে এইভাবে যদি দিনকে দিন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প এগিয়ে যেতে থাকে তাহলে ২০২৪ সালে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে । আজকের এই ভিডিও তে চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি গার্মেন্টস কোম্পানি নিয়ে আলোচনা করবো। যেখানে চাকুরী করা যেমন সম্মানের তেমনি ভালো বেতনও পাওয়া যায়। এই সকল তথ্য গুগল ও বিভিন্ন সোর্স থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে কাজেই ১০০% তথ্য নাও মিলতে পারে। তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর আপনাদের যদি কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টস বক্সে লিখে যেতে ভুলবেন না। তো চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক। 
 
বাংলাদেশের সেরা ১০ টি গার্মেন্টস কোম্পানি নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:

১। হা-মিম গ্রুপ

দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প কারখানা হচ্ছে হা-মিম গ্রুপ। তাদের বাংলাদেশে মোট ২৬ টি পোশাক কারখানা রয়েছে। এই পোশাক উৎপাদন কোম্পানির মালিক মালিকানা হচ্ছে একটি বেসরকারি কোম্পানি। তারা প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক ডলার ইনকাম করে।
এই কোম্পানিতে মোট কর্মচারী সংখ্যা রয়েছে ৬০০০০ জনেরও বেশি। এই কোম্পানি যেগুলো তৈরি করে থাকেন তার মধ্যে জিন্স, শার্ট, জ্যাকেট, শাড়ি,অন্যতম। তারা এই পণ্যগুলো বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে  বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক পুরস্কার ও অর্জন করেছেন। এই পোশাক উৎপাদন করার প্রধান কারখানাটি ঢাকার তেজগাঁয়ে অবস্থিত। 

২। স্কয়ার ফ্যাশান লিমিটেড 

স্কয়ার ফ্যাশন লিমিটেড এটি হলো আরেকটি বাংলাদেশের খুবই স্বনামধন্য একটি পোশাক শিল্প কোম্পানি। তারা হচ্ছে স্কয়ার গ্রুপ অফ কোম্পানি যাদের বিভিন্ন সংখ্যক টেক্সটাইল পণ্য রয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদন করে থাকে। তারা বাংলাদেশের পাশাপাশি পুরো বিশ্বকে তাদের পণ্যগুলো আদান প্রদান করে থাকেন। এই উৎপাদনকারী পণ্য সংস্থার ও দৃষ্টিভঙ্গি গ্রাহকের চাহিদা অনেক বেশি। এই পোষাক কোম্পানি  ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত।

৩। বেক্সিমকো( টেক্সটাইল কোম্পানি ) 

বেক্সিমকো হচ্ছে বাংলাদেশের খুবই সুনামধন্য ও জনপ্রিয় পোশাক তৈরি কোম্পানি। তারা তাদের গার্মেন্টস কোম্পানিতে বিভিন্ন ফ্যাশন ডিজাইনের কাপড় তৈরি করে থাকেন। এই গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিটি স্থাপিত হয় ১৯৯৭ সালে ঢাকা ধানমন্ডিতে। এবং এই কোম্পানিটির কারখানা রয়েছে ঢাকা সাভারে। 

৪। ডিবিএল লিমিটেড

ডিবিএল গ্রুপ বাংলাদেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় পোশাক তৈরি এবং টেক্সটাইল উৎপাদনকারী কোম্পানি। তাদের কোম্পানি বাংলাদেশ নিউ এয়ার কোম্পানির নামে পরিচিত লাভ করেছে। বর্তমানে এই কোম্পানিটির মোট কর্মচারীর সংখ্যা, ৪০ হাজারেরও বেশি। তারা তাদের উৎপাদনকারী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে এবং বৈদেশিক বাজারে রপ্তানি করে থাকে। তাদের কোম্পানিটি অবস্থিত, ঢাকা কাওরান বাজারে। 

৫। ফকির গ্রুপ

ফকির গ্রুপ হচ্ছে বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষ স্থানীয় রপ্তানি মুখী পোশাক তৈরি কারী কোম্পানি লিমিটেড। তারা বিভিন্ন কাপড়ের লেভেল ডিজাইন ও ম্যানুফ্যাকচারিং এবং নিউ গার্মেন্টস সহ তাদের সেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই উৎপাদনকারী কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরি হচ্ছে, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ অবস্থিত।

৬। স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ লিমিটেড

স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্থানীয় পোশাক তৈরি কারি শিল্প কোম্পানি যা বাংলাদেশের স্থাপিত করা হয় ১৯৮৫ সালে ঢাকায়। এছাড়াও তারা নৃত্য স্থানীয় পোশাক তৈরি কোম্পানি যাদের ঢাকা শহরে মোট বারোটি পোশাক তৈরি শিল্প কারখানা রয়েছে। বর্তমানে এই পোশাক শিল্প কাজের জন্য ৪৫ হাজার কর্মচারী রয়েছেন। 

৭। এপিলিয়ন গ্রুপ

এপিলিয়ন গ্রুপ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় পোশাক রপ্তানিকারক। কোম্পানীটি 1984 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে এটি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে। এপিলিয়ন গ্রুপের 60,000 জনের বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে।

৮। আকিজ টেক্সটাইল মিলস লি.

আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি প্রধান অন্যতম কোম্পানি। কোম্পানীটি 1987 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এরপর থেকে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানিকারকদের একটিতে পরিণত হয়েছে। আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের 30,000 জনের বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে। 

৯। পালমাল গ্রুপ 

পালমাল গ্রুপ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। কোম্পানীটি 1989 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে এটিও বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে। পালমাল গ্রুপে ২০,000 জনেরও বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে। 

১০। এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড 

এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম ইপিজেডে কোম্পানিটি অবস্থিত। তারা তাদের কোম্পানিতে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে থাকেন যেগুলো তাদের গ্রাহককে খুবই পছন্দ করে থাকে । তারা ওয়ারশিং কাপড়, শাড়ি, থ্রি পিস, প্যান্ট, শার্ট, লুঙ্গি, ইত্যাদি উৎপাদন করে থাকেন। এই কোম্পানিতে মোট কর্মচারীর সংখ্যা রয়েছে ৩৫ হাজার এর অধিক।

মঙ্গলবার, ২৩ মে, ২০২৩

 আজব প্রাণী প্লাটিপাস

আজব প্রাণী প্লাটিপাস

আজব প্রাণী প্লাটিপাস
আজব প্রাণী প্লাটিপাস

প্লাটিপাসদের দেখতে হলে যেতে হবে অস্ট্রেলিয়া মহাদেশে। তবে অস্ট্রেলিয়া থাকে বলে ভেবো না তারা সমুদ্রের পাড়ে বা সমুদ্রে থাকে। প্লাটিপাসদের বসবাস সাধারণত নদী নালা খাল বিলে, যেখানে সাদু পানি পাওয়া যায় সেখানেই তারা বাস করতে বেশি পছন্দ করে। তবে সাদু পানিটা যে উৎসেরই হোক না কেন, প্লাটিপাসদের বসবাস পানিতেই, সেখানেই তারা থাকে সেখানেই খায়।   

হাঁসের মতো দেখতে হলেও প্লাটিপাসরা মোটেই পাখি বা মাছ নয়। প্লাটিপাসরা স্তন্যপায়ী। তারা সন্তান প্রসব করে, এবং সন্তানদের দুধ খাওয়ায়।

তবে স্তন্যপায়ীদের মত তাদের দাঁত নেই, ঐ এক ঠোঁটই তাদের সব। সেই ঠোঁট দিয়ে পানির একদম তলা থেকে চামচের মতো শামুক, গুগলি, জেলিফিশ, লার্ভা, কৃমি সব তুলে নিয়ে আসে। সেগুলোর সঙ্গে তুলে আনে নুড়ি আর মাটিও। তারপর সেগুলো ইচ্ছেমতো চিবিয়ে চিবিয়ে খায়। যেহেতু প্লাটিপাসের দাঁত নেই, এই নুড়িগুলোই দাঁত বানিয়ে প্লাটিপাস শক্ত শক্ত খোলস চিবিয়ে ভেতরের মাংসল অংশ খেয়ে ফেলে। কত বুদ্ধি ওদের! 

এত বুদ্ধি শুনে আবার ভেবো না প্লাটিপাসরা খুব বড় কিছু। প্লাটিপাসরা বেশ ছোট এদের শরীর আর মাথা নিয়ে ১৫ ইঞ্চি আর লেজ ৫ ইঞ্চি। মানে পুরোপুরি ২০ ইঞ্চি।  ওদের শরীরটাও মুখের মতোই চ্যাপটা,তবে পানির মধ্যে দিয়ে ওরা খুব সহজেই চলাচল করতে পারে। প্লাটিপাসদের শরীর পুরু বাদামী লোম দিয়ে আবৃত থাকে। আর লোমগুলোও এমন কার্যকরী যে সেগুলো ভেদ করে পানি প্লাটিপাসের শরীরে ঢুকতেই পারে না। এতে প্লাটিপাস সারাদিন পানিতে থাকলেও ঠাণ্ডায় শরীর জমে যায় না। বেশ গরম থাকে।

প্লাটিপাসের সবচেয়ে দারুণ বিষয় হচ্ছে ওদের চঞ্চু। চ্যাপ্টা চঞ্চুর গাঁয়ে অনেকগুলো সংবেদন গ্রহনকারী স্নায়ু থাকে। ফলে পানির আশেপাশে যেখানেই শিকার থাকুক ঠিক  তারা বুঝে ফেলে।

প্লাটিপাসরা ১২-২০ বছর পর্যন্ত বাচে। তবে তাদের জীবনটা নিঃসঙ্গ অবস্থায়, খেয়েদেয়ে ঘুমিয়ে কেটে যায়।

সোমবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২

 কুখ্যাত ১৫ জন বাঙালি নাস্তিক কবি ও সাহিত্যিক।

কুখ্যাত ১৫ জন বাঙালি নাস্তিক কবি ও সাহিত্যিক।

বাংলাদেশের কিছু মুসলমান লেখক ও সাহিত্যিক বিখ্যাত বনে যাওয়া সত্ত্বেও তারা স্বঘোষিত নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আজকে আমি সর্বকালের সবচেয়ে বিখ্যাত ১৫ জন বাঙালী নাস্তিক কবি  সাহিত্যিক সম্পর্কে আলোচনা করব তাদের নামধাম ও পরিচয় জানলে আপনারা অবাক না হয়ে পারবেন না। আপনি হয়তো কল্পনাই করতে পারবেন না যে, এত বড় মাপের কবি সাহিত্যিকরা নাস্তিক ছিলেন। হ্যাঁ বন্ধুরা আপনাদের চোখ বড় বড় হয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও হতে চলেছে। আপনাদের কাছে আকুল আবেদন করবো এই সকল কবি সাহিত্যিকের বই পড়া থেকে বিরত থাকবেন। তো চলুন জেনে নিই কারা সেই কবি সাহিত্যিক। ইসলাম বিরোধী কুখ্যাত ১৫ জন বাঙালি নাস্তিক কবি ও সাহিত্যিক।

বাংলাদেশের কিছু মুসলমান লেখক ও সাহিত্যিক বিখ্যাত বনে যাওয়া সত্ত্বেও তারা স্বঘোষিত নাস্তিক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। আজকে আমি সর্বকালের সবচেয়ে বিখ্যাত ১৫ জন বাঙালী নাস্তিক কবি  সাহিত্যিক সম্পর্কে আলোচনা করব তাদের নামধাম ও পরিচয় জানলে আপনারা অবাক না হয়ে পারবেন না। আপনি হয়তো কল্পনাই করতে পারবেন না যে, এত বড় মাপের কবি সাহিত্যিকরা নাস্তিক ছিলেন। হ্যাঁ বন্ধুরা আপনাদের চোখ বড় বড় হয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও হতে চলেছে। আপনাদের কাছে আকুল আবেদন করবো এই সকল কবি সাহিত্যিকের বই পড়া থেকে বিরত থাকবেন। তো চলুন জেনে নিই কারা সেই কবি সাহিত্যিক। ইসলাম বিরোধী কুখ্যাত ১৫ জন বাঙালি নাস্তিক কবি ও সাহিত্যিক।  

বাউল লালন শাহ

১। বাউল লালন শাহঃ সুবিধাবাদী সেক্যুলার। কোন ধর্ম পালন করতো না। জীবনে যতবার গাঁজা টেনেছে ততবার ভাত খেয়েছে কিনা সন্দেহ। দেশের সকল নাস্তিক লালন বলতে অজ্ঞান। লালনের অনুসারিরা লালনের জন্মদিনে গাঁজা খাওয়ার উৎসব করে থাকে। লালন এমন এক পৃথিবীর স্বপ্ন দেখতো যেখানে ধর্ম বলে কিছু থাকবে না, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিষ্টান এরকম কোন ধর্মীয় পরিচয় মানুষের থাকবে না।

আহমেদ শরীফ


২। আহমেদ শরীফঃ নতুন প্রজন্মের অনেকেই এই নাস্তিকের নাম জানে না। তার একটা বিখ্যাত উক্তি-“পুরুষদের যদি সততা দরকার না হয় তবে নারীদের সতীত্বের কেন দরকার? নারীরাও যেভাবে খুশি যৌনাঙ্গ বিলাতে পারবে।” স্বঘোষিত নাস্তিক তার ইচ্ছা মেনে মৃত্যূর পর তার জানাজা এবং কবর কোনটাই হয়নি। 

আরজ আলী মাতব্বর

৩। আরজ আলী মাতব্বরঃ অতি সাধারন অশিক্ষিত এক কৃষক হয়েও সে বাংলার নাস্তিক সমাজের মধ্যমনি। ইসলামী জ্ঞানের স্বল্পতা থাকার দরুন না বুঝেই ইসলাম ধর্ম নিয়ে অনেক অভিযোগ উত্থাপন করেছিল। কুরআন-হাদীসের ভূল ধরতে গিয়ে সে কেবল তার নের সীমাবদ্ধতাকেই তুলে ধরতে পেরেছে।তবুও শুধুমাত্র ইসলাম বিরোধীতা করার কারনে নাস্তিকরা তাকে নিজেদের ধর্মগুরু বানিয়ে নিয়েছে।

হুমায়ুন আজাদ

৪। হুমায়ুন আজাদঃ বাংলা সাহিত্যের অশ্লীল ও কুরুচিপুর্ণ লেখার জনক। সারাজীবন ধর্মের প্রতি বিষোদগার করে গেলেও মৃত্যূর পর ধর্ম মেনে ঠিকই তার জানাজা ও কবর দেয়া হয়েছে, সে এটাই চেয়েছিল কারন মুখে নাস্তিকতার বড় বড় বুলি আওড়ালেও মৃত্যূ পরবর্তী জীবন নিয়ে সম্ভবত সে ভীত ছিল। মেয়ে মৌলি আজাদের ভাষায়-মাত্রাতিরিক্ত সেক্সের প্রাধান্য থাকতো বাবার উপন্যাসে। তাই মাঝে মধ্যে বিরক্তই হতাম হুমায়ুন আজাদের কুখ্যাত কিছু উক্তি-এক একটি উর্বশীকে আমি মেপে মেপে দেখি।মাঝারী স্তন আমার পছন্দ, সরু মাংসল উরু আমার পছন্দ চোখের সামনে আমার মেয়ে বড় হচ্ছে। কিন্তু সামাজিক নিয়মের বেড়াজালে আমারহাত-পা বাঁধা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের চুইংগামের মতো চাবাতে ইচ্ছে করে। 

কবি শামসুর রহমানঃ

৫। কবি শামসুর রহমানঃ শামসুর রহমানের একটি কুখ্যাত উক্তি- আযানের ধ্বনি বেশ্যার খদ্দের ডাকার ধ্বনির মত মনে হয় নাউজুবিল্লাহ। এই একটা উক্তিই প্রমান করে শামসুর রহমান কি পরিমাণ ইসলাম বিদ্বেষী ছিল। তাকে একবার প্রশ্ন করা হয়েছিল- আপনি কি চান আপনার কবর হোক আপনার খালার কবরের পাশে? নাস্তিকটা জবাব দিয়েছিল-আমি তো আমার কবর হোক এটাই চাই না।

তসলিমা নাসরিন

৬। তসলিমা নাসরিনঃ তাকে চেনে না এমন লোক খুব কমই আছে। তার একটি বিখ্যাত উক্তি-পুরুষরা যেমন গরম লাগলে খালি গায়ে ঘুরে বেড়ায় নারীরাও তেমনি খালিগায়ে ঘুরে বেড়াবে, তাদের স্তন সবাই দেখবে লেখক ইমদালুল হক মিলন, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়, রুদ্র মুহম্মদ, সৈয়দ শামসুল হক, মিনার মাহমুদ সহ আরো অসংখ্য পুরুষ বৈধ/অবৈধভাবে তাকে ভোগ করেছে বলে তসলিমা তার আত্মজীবনিতে অভিযোগ করেছে!! সে কি মাপের ইসলামবিদ্বেষী সেটা নিশ্চয়ই কাউকে বুঝিয়ে বলতে হবে না। সে নিজেকে নাস্তিক দাবী করলেও খেয়াল করলে দেখবেন তার যত ক্ষোভ, যত ঘৃণা সব কিছুই ঝাড়ে কেবল ইসলাম ধর্মের উপর। সনাতন ধর্ম কিংবা খ্রিস্ট ধর্ম অথবা ইহুদীদের নিয়ে তার কোন মাথাব্যথা তেমন চোখে পড়ে না। 

জাফর ইকবাল

৭। জাফর ইকবালঃ বাংলাদেশের নাস্তিকতা প্রচারের মিশন দিয়ে আমেরিকার একটি বিশেষ সংস্থা তাকে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে বলে ধারনা করা হয়। তরুন সমাজকে নাস্তিক হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নিজে মুক্তিযুদ্ধ না করলেও জাফর এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি করে পেট চালায়। জাফরের দাবী সে পাকিস্তানের দোষর রাজাকারদের ঘৃণা করে,কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্য ৭১ সালে পাকিস্তানকে সর্বপ্রকার সমর্থন ও সামরিক সাহায্য দেয়া রাষ্ট্র আমেরিকার ব্যাপারে তার কোন চুলকানিই নেই। জাফর নিজে আমেরিকায় চাকরী করতো, এখন সে তার ছেলে-মেয়েদেরকেও আমেরিকা পাঠিয়েছে পড়াশোনা করার জন্য।

লেখক আনিসুল হক

৮। লেখক আনিসুল হকঃ সেক্যূলারপন্থী লেখক আনিসুল হক নাস্তিকপন্থী পত্রিকা প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক। ১৯৯১ সালে সে কুরআনের একটি সূরাকে ব্যঙ্গ করে প্যারোডি সূরা রচনা করে, বছরখানেক আগে তার ঐ লেখা পুনঃপ্রকাশিত হলে দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। সেক্যুলারপন্থী আনিসুল হক ভয় পেয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা চায়। এরপর সে আরো কৌশলী হয়ে যায়, সরাসরি ইসলাম অবমাননা না করে এখন সে তার নাটক-সিনেমা ও পত্রিকা দ্বারা ইসলাম বিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

সুলতানা কামাল

 ৯। সুলতানা কামালঃ জন্মসূত্রে মুসলমান হলেও বিয়ে করেছে শ্রী সুপ্রিয় চক্রবর্তী নামে এক হিন্দুকে।কপালে সবসময় একটা ট্রেডমার্ক টিপ থাকে। সংবিধান থেকে বিসমিল্লাহ ও রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম তুলে দেয়ার জন্য বহু বছর ধরে চেষ্টা করে যাচ্ছে এই কুখ্যাত সেক্যুলার। ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিকদের প্রতি সে প্রকাশ্য সমর্থন দিয়ে থাকে। আসিফ মহিউদ্দিন নামক উগ্র নাস্তিককে ইসলাম অবমাননার অভিযোগে যখন ডিবি পুলিশ গ্রেফতার করেছিল তখন সে আসিফকে ছাড়ানোর চেষ্টা করেছিল। সারারাত থানায় অবস্থান করে নাস্তিক আসিফকে নৈতিক সমর্থন দিয়েছিল।

কবির চৌধুরী (গজবতুল্লাহ

১০। কবির চৌধুরী (গজবতুল্লাহ)ঃ চরমপন্থী এই নাস্তিক একবার বলেছিল- তোমরা আমার মরণের সময় মোহাম্মদের জ্বালাও-পুড়াও ঐ কালেমা শুনাবে না, বরং রবীন্দ্রনাথের একটি সংগীত আমাকে শুনাবে এই উগ্র নাস্তিক মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী ছিল এবং ৭১ সালে পাক সরকারের বিশ্বস্ত অনুচর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। কিন্তু নাস্তিক হওয়ার কারনে আজ তার সাত খুন মাফ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাধারীরা আজ তাকে মাথায় তুলে নাচে।সংবিধানে ’বিসমিল্লাহ’ রাখার ব্যাপারেও কবির চৌধুরী আপত্তি তুলেছিলো। আজ সে মালিক ফিসিস্তার তত্ত্বাবধান আছে । 

সৈয়দ শামসুল হক

১১। সৈয়দ শামসুল হকঃ এটা আরেক উগ্র সেক্যুলার। অন্যান্য নাস্তিকের মত এটাও ছিল নোংরামিতে সিদ্ধহস্ত। তার একটা কবিতা হল এরকম-যখন দু’স্তন মেলে ডেকে নিলে বুকের ওপরে স্বর্গের জঘন খুলে দেখালে যে দীপ্তির প্রকাশ মুহুর্তেই ঘুচে গেল তৃষিতের অপেক্ষার ত্রাশ আরেকটা কবিতা এরকম- শত বাধা সত্ত্বেও থামতে পারে না কামুক পুরুষ দুজনের দেহ ছিড়ে বের হয় দুধ-পূর্ণিমাআর তা নেমে আসে স্তনের চুড়ায় যাদের সাহিত্যের ভাষা এমন নোংরা তারা সেক্যুলার/নাস্তিক হবে এটাই স্বাভাবিক। এরা যদি নিজেকে মুসলমান দাবী করতো তাহলে সেটাই বরং আশ্চর্য্যের ব্যাপার হত।

মুনতাসির মামুন

১২। মুনতাসির মামুনঃ এই স্বঘোষিত নাস্তিক একবার বলেছিল-সভা-সমাবেশে বিসমিল্লাহ বলা বা কুরআন পড়ার দরকার নেই। সংবিধানে বিসমিল্লাহ থাকা আমাদের জন্য অপমান সরূপ। আমরা তো সংবিধানে আল্লাহর নাম অথবা বিছমিল্লাহ থাকবে সেজন্য দেশ স্বাধীন করিনি। ধর্ম যেমন ভন্ডামী তেমনি মৌলবাদিদের সব ভন্ডামী । বঙ্গ ভবনের দেয়ালে কুরান শরীফের আয়াত লেখা এটা একটা চরম ভন্ডামী মুনতাসির মামুনের দূঃসাহসী আরেকটা মন্তব্য-এদেশে এক জন মুসলমানও যত দিন থাকবে ততদিন পর্যন্ত আমাদের সংগ্রাম চলবেই চলবে।

ফরহাদ মজহার

১৩। ফরহাদ মজহারঃ এই লিস্টে উনার নাম দেখে অনেকেই চমকে গেছেন!! তাইনা?? আওয়ামীলীগ-বিরোধী অবস্থান নেয়ার কারনে অনেকে তার আসল পরিচয় জানে না। এক সময় সে ছিল একজন কুখ্যাত ইসলামবিদ্বেষী নাস্তিক, বর্তমানে তার ভূমিকা বেশ রহস্যজনক। সে এখন আর আগের মত নাস্তিকতা প্রচার করে বেড়ায় না, বরং ইসলামপন্থীদের পক্ষাবলম্বন করে কলাম লেখে-বিবৃতি দেয়। কিন্তু সেটা যতটা না আদর্শগত কারনে তারচেয়ে বেশি রাজনৈতিক কারনে। {{সে এখনো নাস্তিক আছে নাকি তওবা করে মুসলমান হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায় নি।তওবা করেছে কিনা জানিনা }} নব্বইয়ের দশকে “এবাদত নামা” নামে একটি ইসলাম বিদ্বেষী কাব্যগ্রন্থ লিখে সে বেশ বিতর্কিত হয়েছিল। কয়েকটা লাইন উল্লেখ করছি: বিবি খাদিজার নামে আমি এই পদ্যটি লিখি, বিসমিল্লাহ কহিব না, শুধু খাদিজার নাম নেবো। নবীজীর নাম? উহু, তার নামও নেবোনা মালিক শুধু খাদিজার নাম- দুনিয়ায় আমি সব নাম ভুলে যাব তোমাকেও ভুলে যাবো, ভুলে যাবে নবীকে আমার।

শফিক রেহমান

 ১৪। শফিক রেহমানঃ বাংলাদেশে “ভ্যালেন্টাইন ডে” নামক বিজাতীয় সংস্কৃতির প্রবর্তক। ১৯৯৩ সালে এই নাস্তিক সর্বপ্রথম তার পত্রিকা যায়যায়দিন এর মাধ্যমে এদেশে ভালবাসা দিবস এর প্রচলন ঘটায়। শফিক রেহমানকে বাংলাদেশের চটি সাহিত্যের জনক বলা হয়। অশ্লীলতার দিক দিয়ে হুমায়ুন আজাদও উনার কাছে নস্যি। শফিক “মৌচাকে ঢিল” নামক একটি সেমি-চটি ম্যাগাজিনের সম্পাদক। এছাড়া বাংলাদেশে লিভ টুগেদার ছড়িয়ে দেয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি অবদান শফিক রেহমানের। তার বিরুদ্ধে সমকামীতার অভিযোগও রয়েছে।

কবি দাউদ হায়দার

১৫। কবি দাউদ হায়দারঃ বাংলাদেশে স্বাধীন হওয়ার পর মাথাচাড়া দিয়ে জেগে উঠা স্বঘোষিত নাস্তিকদের অন্যতম সে। তার কবিতাগুলো অশ্লীলতা ও গালাগালীতে ঠাসা ।তার “জন্মই আমার আজন্ম পাপ”বইয়ের একটি কবিতার কয়েটি লাইন এমন–“শালা শুয়োরের বাচ্চা ….. কোথায় যাও হে…. আমরাই পাপীরে হারামজাদা…”। অন্য এক জায়গায় আলেমদের উদ্দেশ্য করে লিখেছে–“মাথায় টুপি, মুখে দাড়ি….. আননে কি রুপের বাহার…….এক্ষনি পশ্রাবে ভরে দেব মুখ”। 


রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০২২

সৌদি আরবে নির্যাতিত এক নারীর করুণ ইতিহাস।

সৌদি আরবে নির্যাতিত এক নারীর করুণ ইতিহাস।

সৌদি আরবে নির্যাতিত এক নারীর করুণ ইতিহাস। আমি একজন পঁয়ত্রিশ বছর বয়সী নারী, তখনও বুঝতে পারেনি, কী হতে যাচ্ছে আমার সাথে।  বিদেশের মাটিতে আসার  পর ,দুই দিনের মধ্যেই এই ঘটনাটি ঘটে। বাসায় কেউ নেই। সকালে গাড়িতে করে, অ্যারাবিয়ান পরিবারের সবাই, বেড়াতে গেছেন আত্মীয়দের বাসায়। এরমধ্যেই একটা জরুরি  কাজে বাসায় ফিরেন বাড়ির মালিক। তিনি ব্যবসায়ী। বাসায় ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাকে ডাকেন নিজের রুমে। শরীর খারাপ লাগার অজুহাতে শরীর ম্যাসাজ করতে বলেন। পঞ্চাশ বছর বয়সী ব্যক্তি, বিছানায় কাত হয়ে আছেন। সুঠাম দেহে প্যান্ট ছাড়া কোনো বস্ত্র নেই। আমি লাজুক প্রকৃতির। লোকটি কী করবেন আমি বুঝতে পারছিলাম না। এরমধ্যেই আবার ডাকেন। শয়ন কক্ষে গিয়েও দাঁড়িয়ে থাকি আমি। এরমধ্যেই হাতটা ধরে টেনে পাশে বসিয়ে ম্যাসাজ করতে বলেন। অনিচ্ছাসত্ত্বেও আমি ম্যাসাজ করতে থাকি। 

সৌদি আরবে নির্যাতিত এক নারীর করুণ ইতিহাস।

তার কিছুক্ষণ পরেই ঘটে যায় অঘটন। প্রথমে হাতটা জোর করে টেনে ধরেন। তারপর একটানে খাটে শুইয়ে দেই আমাকে। আমি তার কাছে অনুনয় বিনয় করি। আমি এরকম কিছুই করতে চাই না। আধো আধো আরবি ভাষা জানতাম। যা বিদেশে যাওয়ার আগে শিখেছিলেন। ওই ভাষাতেই অ্যারাবিয়ান পুরুষকে বুঝানোর চেষ্টা করি। স্বামী ছাড়া কারও সঙ্গে এমন সম্পর্ক করতে চাই না আমি। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আমি আপ্রাণ চেষ্টা করি। বাধা দিতে দিতে ক্লান্ত। অ্যারাবিয়ানের সঙ্গে হেরে যায়। সর্বস্ব লুটে নেয় আমার।  আমি কান্না করতে থাকি।  সৌদি আরবের রিয়াদে ঘটে ঘটনাটি।    

কয়েক মাস নিরবে সহ্য করছিলাম এই অত্যাচার। বাসায় অন্য কেউ না থাকলে, আমাকে যৌন নির্যাতন করা হতো। দিন-দিন তা বাড়তে থাকে। এবার বিভিন্ন বন্ধুদের  বাসায় ডেকে আনতেন। রাতভর পার্টি করতেন। সেই পার্টির আকর্ষণ করা হয় আমাকে। কখনও কখনও ইন্দোনেশিয়ার এক তরুণী, স্বেচ্ছায় অংশ নিতেন ওই পার্টিতে। নাচ, গানের আয়োজন থাকতো এতে। বিষয়টি জানতেন মালিকের বউ। তার কাছে প্রতিকার চেয়েছিলাম আমি। আমি হতভম্ব হয়ে যায়। ওই নারী তার স্বামীর যৌন নির্যাতনের বিষয়টি জানার পর, উল্টো আমার ওপর ক্ষিপ্ত হন। চাকরি করতে হলে, পুরুষদের এই আচরণ মেনেই চলতে হবে বলে জানিয়ে দেন তিনি।  

সর্বশেষ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়ে দেশে ফিরেছি গত বছর। দেশে মা-বাবাকে নির্যাতনের বিষয়টি জানানোর পর, সৌদি আরবস্থ দূতাবাসের সহযোগিতায় দেশে ফিরি আমি। আমার মতো যৌন  নির্যাতনের শিকার হয়ে, অনেকেই দেশে ফিরেছেন শূন্যহাতে। আমার মত ভুল করে যেন কেউ আরবে না যায়। যতই বলুক ভালো কাজ দিবে। কিন্তু দিন শেষে আপনার সাথে ঐ কামই করবে।

ভিডিও টি আপনাদের সচেতন করার জন্য ইউটিউবে দেওয়া হল। একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনার জীবনটা তছনছ হয়ে যেতে পারে। তাই এখনই সিদ্ধান্ত নিন নারী কর্মী হিসেবে আর বিদেশ নয়।   

সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

 আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

 অণ্ডকোষ সম্পর্কে অজানা তথ্যঃ 

আপনি জানেন কি আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাদেরকে প্রজনন ক্ষমতা দিয়েছেন, যাতে তারা নিজেরা নিজেদের মতো করে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারেন । উভয় পুরুষ এবং মহিলাদের তাদের নিজস্ব আলাদা প্রজনন সিস্টেম আছে। এবং যখন কোনো পুরুষ এবং মহিলা, উভয় পরস্পরের সাথে মিলন ঘটে তখন উভয়ের প্রজনন ক্ষমতার বিনিময়ে একটা নতুন জীবনের জন্ম হয়। তাই আজ আমরা পুরুষদের প্রজনন সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পর্কে কথা বলব। যা আমরা টেস্টিকলস বা অণ্ডকোষ হিসাবে জানি।

অন্ডকোষ বা টেস্টিস, পুরুষদের গোপন অংশে থাকা এক রকমের থলি। গোল বা উপবৃত্তাকার দুটি অন্ডকোষ পুরুষদের এই থলির মধ্যে থাকে। এই অন্ডকোষ লক্ষ লক্ষ শুক্রাণু বা স্পার্ম তৈরী করে ও সেগুলিকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া, তারা টেস্টোস্টেরোন হরমোনও তৈরি করে, যা এমন একটি হরমোন যার থেকে পুরুষরাশুক্রাণু উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও টেস্টোস্টেরন, পুরুষদের পেশী এবং চুলের জন্য অপরিহার্য।

আপনি জানেন কী আপনার একটি অণ্ডকোষের দাম ৬০ হাজার ডলার? মানে আপনার দুই পায়ের ফাঁকে ঝুলে আছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। ১৯৬০ এর দশক থেকে, অঙ্গ প্রতিস্থাপন বা ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রযুক্তির উত্থানের পরে পুরুষের অণ্ডকোষের ব্যাপক চাহিদা পেতে থাকে।
 
আন্তর্জাতিক এক সংস্থার গবেষনার মতে মানব অংগগুলোর প্রতিস্থাপনের অধীনে এই বিচি বা অন্ডকোষ প্রতিস্থাপনের ব্যায়ই হচ্ছে প্রায় ৬০,০০০ ডলার। 

সোজা হিসেবে আপনার দুই ঠ্যাং এর মাঝখানে ৬০,০০০ ডলার বা ৫০ লক্ষ টাকা নিয়া ঘুরতেছেন। 
এর মানে আপনি যখনি আপনার বিচি ঝুলাচ্ছেন, চুলকাচ্ছেন, ঘষছেন, নাড়াচ্ছেন তার অর্থ আপনি প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে  নাড়াচাড়া করছেন বা খেলা করছেন। 

আজ থেকে নিজেরে ফকির না ভেবে কোটিপতি হিসেবে বিবেচনা করুন। বেশি করে বিচির যত্ন নিন।  




মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী।

একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী।

ইগর নামের একজন ব্যক্তি তিনি বিদেশে একটি জব পায়। তিনি তার একমাত্র বিশ্বস্ত পোষা প্রাণী পালমা নামের এক কুকুরকেও সাথে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু প্লেনে ওঠার আগে নীনা নামের একজন ক্রু মেম্বার ইগর কাছে তার পোষা কুকুরের মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখতে চাই।  কিন্তু ইগোর চেক করে দেখে যে সে তার কুকুরের মেডিকেল সার্টিফিকেট আনতে ভুলে গিয়েছে। তখন ইগর কে তাড়াতাড়ি করে এয়ারপোর্টে থাকা মেডিকেলে যেতে বলেন যাতে করে সে সেখান থেকে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট তৈরি করতে আনতে পারে। ইগর তখন পাল মাকে নিয়ে সেই মেডিকেলে চলে যায় কিন্তু ডক্টর পাল মাকে চেক করার পর জানাই যে পালমার কানে ইনফেকশন হয়েছে তাই সে তাকে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে পারবে না। তখন নিরাশ হয়ে ইগর সেই ক্রুর কাছে আসে।  বলে আমি অনেক কষ্টের পর বিদেশে একটি জব পেয়েছি যদি আমি সময় মত সেখানে না যেতে পারি তাহলে আমার সকল কষ্ট ব্যার্থ হয়ে যাবে।  

একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review.

আর আমার এমন কোনো মানুষ নেই  যার কাছে আমি পালমাকে রেখে যেতে পারি। তুমি দয়া করে আমাকে পালমাকে নিয়ে যাওয়ার পারমিশন দাও। এ কথা শোনার পর ইগর উপর তার দয়া হয় তাই সে যখনই ইগরকে পারমিশন দিতে যাবে ঠিক তখনই সেখানে এয়ারপোর্ট এর ম্যানেজার ক্লারা চলে আসে। তখন সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলে কিন্তু ক্লারা তার কোন কথাই শুনতে চায় না।  সে বলে মেডিকেল  সার্টিফিকেট ছাড়া কোন প্রাণীকে প্লেনে উঠানোর রুলস নেই।  তাই আপনি এই কুকুরটিকে নিয়ে যেতে পারবেন না।  একথা বলে ক্লারা সেখান থেকে চলে যায়। ইগর তখন বুঝতে পারে যে সে পালমাকে তার সাথে নিয়ে যেতে পারবে না।  তাই সে ব্যাগ থেকে একটি বল অনেক দূরে ছুড়ে মারে তখন সঙ্গে সঙ্গে পালমা দৌড়ে বলটি আনতে যায়। পালমা মনে করছিল তার মালিক তার সাথে বল নিয়ে খেলা করছে। কিন্তু  যখনই পালমা পেছনে ঘুরে তাকায় তখন সে দেখতে পায় ইগর তাকে রেখে প্লেনে উঠে পড়েছে।  তারপর পালমা বুঝতে পেরে বিমানটিকে থামানোর চেষ্টা করে। সে দৌড়ে বিমানের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে বিমান টি দাড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কিছুক্ষন পর পালমাকে ফাকি দিয়ে বিমানটি চলে যায়। 

  
পালমা অপলক দৃষ্টিতে বিমানের দিকে তাকিয়ে থাকে।  অনেকটা সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও সেখান থেকে কুকুরটি যাচ্ছিল না।  তাই তাকে ধরার জন্য সেখানেই সিকিউরিটি অফিসার কলিকো চলে আসে। পালমা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে সেখান থেকে পালাতে শুরু করে। সে দৌড়াতে দৌড়াতে এয়ারপোর্ট এর মধ্যে থাকা একটি পরিত্যাক্ত ঘরে লুকায়ে যায়। সেখানে টিকলো নামের একজন মেকানিক এই দৃশ্য দেখতে পায়  এবং সে কুকুরটিকে তাদের হাত থেকে বাঁচিয়ে নেই। কারণ সে বুঝতে পেরেছিলো যে হয়তো কুকুরটি কোন দুশ্চিন্তায় আছে।  তাকে একটি জায়গাতে লুকিয়ে রাখে আর তাকে কিছু খাবার খেতে দেয়। কিন্তু ঠিক তখনই পালমা একটি প্লেনের শব্দ শুনতে পায় আর সে খাবার গুলো রেখে দিয়ে অনায়াশেই প্লেনের দিকে চলে যায় কারণ তার কাছে মনে হয়েছে তার মালিক তাকে নিতে এসেছে। 
 
আসলে সেই প্লেনে করে লিস্ট নামের একজন মিনিস্টার কয়েকজন ফরেনারদের সাথে সামনে হতে যাওয়া অলিম্পিক ম্যাচের প্রস্তুতি দেখতে এসেছে। এখানে আমরা প্লেনের পাইলট তার সাথে তার 9 বছরের ছেলে জ্যাকলিন ছিল।  পাইলট  প্লেনটিকে ল্যান্ডিং করার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু ঠিক তখনই পাইলট দেখতে পাই কুকুরটি রান ওয়ে দিকে ছুটে আসছে। সে খুব দ্রুত সময়ে প্লেনটিকে আবারো উপরে তুলে নেয় তা না হলে সেখানে অনেক বড় ধরনের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত কিন্তু হঠাৎ করেই প্লেন্টি উপরে উঠানোর কারণেই প্লেনের মধ্যে থাকা সকলের অনেক জোরে ধাক্কা লাগে। পাইলট কিছুক্ষণের মধ্যেই প্লেনটিকে একটু দুরে নিয়ে গিয়ে ল্যান্ড করে।  তবে এ ঘটনায় মিনিস্টার লিস্ট অনেক রেগে যায়।  প্লেন থেকে নেমে ম্যানেজারের কাছে কমপ্লেইন জানায় তখন ম্যানেজার ক্লারা তাকে বলে আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুকুরটিকে এখান থেকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করছি । এরপর সঙ্গে সঙ্গে ক্লারা সিকিউরিটি অফিসারকে তার কাছে আসতে বলে।

পালমা প্লেনের প্রতিটি যাত্রীকে মনোযোগ সহকারে দেখতে থাকে কারণ তার কাছে মনে হয় এই প্লেনে হয়তো ইগর রয়েছে।  এমন সময় সিকিউরিটি অফিসার তার কলিগদের সাথে করে সেখানে আসে  এবং অনেক চেষ্টা করার পর কুকুরটিকে একটি বাসের মধ্যে বন্দি করে ফেলে। কিন্তু পালমা কিছুতেই সেখান থেকে যেতে চাইছিল না।  এদিকে ম্যানেজার এর পক্ষ থেকে কুকুর টিকে শুট করে মেরে ফেলার অর্ডার এসেছে।  এ কথা শোনার পর নিনা এবং পাইল্ট এটা করতে বারণ করে। তারা বলে যে একটি অবুঝ প্রাণীকে এভাবে মেরে ফেলাটা ঠিক হবে না।  কিন্তু তাদের কোন কথাই শুনতে চায় না।  এদিকে ৯ বছরের ছেলে জ্যাকলিন দাঁড়িয়ে তাদের সমস্ত কথোপকথন শুনে।

 তখন তার পালমার জন্য অনেক মায়া হয় তাই সে পালমাকে তাদের হাত থেকে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফলে লুকিয়ে লুকিয়ে পেছনের জানালা দিয়ে সেই বাসের মধ্যে প্রবেশ করে যেখানে তারা পালমাকে আটকে রেখেছে এরপর সে একটি বাটন প্রেস করে বাসটির দরজা খুলে দেয় ফলে সঙ্গে সঙ্গেই পালমা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে।  এ দৃশ্য দেখে নি্না অনেক খুশি হয়-কিন্তু সিকিউরিটি অফিসার  জ্যাকলিনের এর উপর অনেক রেগে যাই এবং অনেক বকা দিতে থাকে।  কারণ সে মনে করে জ্যাক্লিন হয়তো বিমানবাহিনীর কারও ছেলে হবে।  তখনই সেখানে জ্যাকের বাবা স্লেভ  চলে আসে এবং সিকুরিতি অফিসারকে বলে  এটা আমার ছেলে আপনার সাহস কি করে হয় ওকে বকা দেওয়ার।  একথা বলেই ছেলেকে নিয়ে সেখান থেকে চলে আসে।  এরপর এয়ারপোর্ট ম্যানেজার ক্লারা স্লেভকে তার রুমে ডেকে পাঠায় এবং এমন ল্যান্ডিংয়ের জন্য অনেক বকাঝকা করে এবং বলে তোমার এই কাজের জন্য তোমার ইন্টারন্যাশনাল পাইলট হতে অনেক বাধা আসতে পারে । তখন পাইলট বলে আসলে কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফ মারা গিয়েছে আর এ কারণে আমি এবং আমার ছেলে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি তাছাড়া আমি যদি প্লেন থেকে উপরে না চলতাম তাহলে সেখানে অনেক বড়

ধরনের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত।এই কথা শুনে ক্লারা বিষয়টিকে বুঝতে পারে তাকে সান্ত্বনা দেয় আর বলে তুমি কোন চিন্তা করো না আশা করি খুব শীঘ্রই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।  রাতের বেলা স্লেভ জেকে নিয়ে তার বাড়িতে ফিরে আসে আর এখানে আমরা তাদের কথোপকথন শুনে বুঝতে পারি যে  জ্যাক তার বাবাকে খুব একটা পছন্দ করে না কারণ তার বাবা তাকে এবং তার মাকে খুব একটা সময় দিতে পারত না। জ্যাক এবং তার বাবা বর্তমানে একটি নতুন বাড়িতে শিফট হয়েছে । কিন্তু জ্যাকের কাছে এই নতুন জায়গাটি একদমই পছন্দ হয় না তাই রাতের বেলা সে লুকিয়ে লুকিয়ে সেই এয়ারপোর্টে চলে যায় যাতে করে সে একটি ফ্লাইটে করে তার আগের বাড়িতে চলে যেতে পারে।  কিন্তু এখানকার কাউন্টার অফিসার তাকে কোন টিকেট দেয় না কারণ সে একটি ছোট বাচ্চা ছিল তাছাড়া কাউন্টার অফিসারের কাছে মনে হয় যে এই বাচ্চাটি হয়তো তার বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে তাই সে একটি পুলিশ অফিসারকে জ্যাক এর পেছনে লাগিয়ে দেয়।  এভাবেই এয়ারপোর্টে যাওয়া আসার ফলে কুকুরটির সাথে জ্যাকের আলাদা একটা সম্পর্ক হয়ে যায়। 

এক পর্যায়ে কুকুরের এমন কার্যকলাপ দেখে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ রানওয়ের সামনে পালমার জন্য একটি খাচা তৈরি করে দেই। যাতে করে কোন যাত্রী নামলে পালমা সেখান থেকেই সবকিছু দেখতে পারে। কিন্তু তাতে জ্যাক্লিন অঙ্কে কষ্ট পায় কারণ সে চায় পালমা খোলামেলা থাকুক। এতে করে পালমাও খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পালমাকে ডাক্তার দেখানো হয় কিন্তু তাতে কোন লাভ হয় না। জ্যকক্লিন তার বাবার কাছে পালমাকে মুক্তির জন্য অনুরোধ করে। তখন জ্যাক্লিন একজন সাংবাদিকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং পালমার সকল ইতিহাস তুলে ধরেন। সেই সাংবাদিক পালমার এই করুন ইতিহাস জানার পর সে এই ঘটনাটি সংবাদের মাধ্যমে প্রচার করে। তারপর পালমাকে সেখান থেকে জ্যাকলিনের বাড়িতে নিয়ে আসে। তারা বাড়িতে খুব আন্নদের সাথেই পার করে। হঠাত এয়ারপোর্ট থেকে স্লেভের কাছে একটি ফোন আসে। পালমাকে নিতে তার মালিক ইগর এসেছে। তখন স্লেভ তার ছেলে জ্যাক ও পালমাকে নিয়ে এয়ারপোর্টে চলে আসেন। 
  
ইগর বিমান থেকে নামার পর পালমার দিকে তাকায়। পালমাও ইগরের দিকে তাকায় কিন্তু প্রথমে চিনতে কষ্ট হয়। এরপর পালমা ইগর কাছে চলে যায়। কিন্তু পালমা ইগর প্রতি আগের মত এক্সসাইটেট ছিল না। এরপর জ্যাক্লিন পালমার গলার বেল্টি ইগরকে দিয়ে মন খারাপ করে সেখান থেকে চলে যেতে থাকে। এরপর পালমাও বিমানে উঠতে চাইছিল না। সবাই অনেক কষ্ট করে পালমাকে বিমানে উঠিয়ে দেই। কিন্তু এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের সাময়িক সমস্যার কারণে ফ্লাইট লেট হয় এতে করে সেই ফ্লাইটে থাকা মিনিস্টার লিস্ট খুব রেগে যায়। তারপর সে ইগর আর সেই কুকুরটিকে দেখতে পায় ঐ সময় এয়ারপোর্টের ম্যানেজার ক্লারা চলে আসেন এবং ইগরের কাছে পালমার মেডিকেল সার্টিফিকেট চাই। ঐ সময় মিনিস্টার জানতে চায় মেডিকেল সার্টিফিকেট কেন লাগবে। তখন ক্লারা বলে মেডিকেল সার্টিফিকেট এয়ারফরসের একটি গুরুত্তপুরন রুলস। তাছাড়া এটা না মানলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যায়। তখন ইগর চালাকি করে বলে এটা আমার কুকুর না। এই বলে কুকুরকে ছেড়ে দেই। তখন কুকুরটি দৌড়ে জ্যাক্লিনের কাছে ছুটে যায়।  এ থেকে বুঝলাম চোখের আড়াল হলে মনের আড়ালও হয়ে যায় । তাছাড়াও ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়। 
দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।

দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।

প্রিয় বন্ধুরা আজকে দৌলতদিয়া পতিতালয়ের রহস্য উন্মোচন করবো। এই ভিডিও তে জানতে পারবেন দৌলতদিয়া পতিতালয়ের পতিতার সংখ্যা কত। তাদের দৈনিক আয় কত। এখানে কোন ধরণের মানুষ বেশি যায়। এখানে কোন কোন সিন্ডিকেট কাজ করে। এদের কারণে সাধারণ পাবলিকের কেন ভোগান্তি পেতে হয়। আপনি কি জানেন এদের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মারা যায়। কিভাবে মারা যায় কেন মারা যায়। এর পেছনে কোন কোন নেতা কাজ করে।
এই অন্ধকার জগতের  রহস্য কি? আরও নানা প্রশ্নের উওর পাবেন আজকের এই ভিডিও এর মাধ্যমে। কাজেই ভিডিও টি কন্টিনিউ করতে থাকুন। দৌলতদিয়া এক অন্ধকার জগতের নাম। অতি সাধারণ মানুষের এই জায়গাটির সম্পর্কে ধারণা নেই বললেই চলে। 

দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।
 
আপনি কি জানেন? বাংলাদেশের সর্ববৃহত এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পতিতালয় হল দৌলতদিয়া। দৌলতদিয়া ঘাটটি রাজবাড়ী জেলার অর্ন্তগত গোয়ালন্দ উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
দৌলতদিয়ায় ‘মুক্তি মহিলা সমিতি’ নামে পতিতাদের একটি রেজিষ্টার্ড সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে এই পতিতালয়ে পতিতার সংখ্যা প্রায় চার হাজার। এখানে প্রায় তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ বাড়ীওয়ালী রয়েছে।  এই সব বাড়ীওয়ালীর আন্ডারে সর্বোনিন্ম ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন করে পতিতা রয়েছে।
 
এই সব বাড়ীওয়ালীর প্রতিদিনের সর্বনিন্ম আয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। অবস্থাশালী বাড়ীওয়ালীদের আয় দিনে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা। মদ, গাঁজা, হেরোইন থেকে শুরু করে সকল প্রকার মাদক ব্যবসা এখানে ওপেন-সিক্রেট। এই পতিতালয়ের প্রধান ক্লায়েন্ট হচ্ছে মটর শ্রমিকরা, ট্রাক/বাস ড্রাইভাররা। ৪ পাঁচ ঘন্টার জ্যামে পড়লে হেলপারকে গাড়ীর ষ্ট্রেয়ারিং-এ বসিয়ে দিয়ে পতিতালয়ে চলে আসেন। অন্যান্য ধরণের ক্লায়েন্টও এখানে কম নয়।

কারন এখানে পতিতালয় এবং ঘাট থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উপার্জন করেন। এখানে ঘাট না থাকলে পতিতালয় কেন্দ্রীক যাদের আয় তাদের কি হবে? শুধুমাত্র পদ্মাসেতু এই ঘাট দিয়ে নির্মাণ বন্ধ করলেই তো হবে না।

ঘাটে কৃত্রিম যানযটও তৈরি করতে হবে। কারন মটর শ্রমিকরাই মূলত দৌতলদিয়া পতিতালয়ের প্রধান কাষ্টমার। শীতকালে ফেরী বন্ধ করে এবং গরমকালে ঘাটের গুটি কয়েক নেতা বা পতিতালয়ের দালাল নিজেদের বাস-ট্রাক দিয়ে কৃত্তিম জ্যাম তৈরি করে পতিতালয়ের ক্লায়েন্ট জোগাড় করা হয়।
 
এই রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বর্তমানে এক ধাপ এগিয়ে আছেন অবৈধ আয়ে। তারা বর্তমানে দৌলতদিয়া এলাকার দু’একজন প্রভাবশালী লোকের মাধ্যমে। সকল প্রকার টোল আদায়সহ সকল প্রকার কু-কর্ম সম্পাদনের দায়িত্ব অপর্ণ করেছেন। বর্তমানে তারা এতোই ক্ষমতাশালী হয়েছেন যে, থানার ওসি থেকে শুরু করে জেলার এস.পি পর্যন্ত বদলী করার ক্ষমতা তারা রাখেন। প্রতিদিনের পেমেন্ট ছাড়াও তাদেরকে মাসে কোটি কোটি টাকা প্রদান করতে হয় উপর মহলে।
যে লোকটি এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ঘাটের এই কৃত্রিম যানযটে পড়ে মারা গেলেন। তিনি বা তার আত্মীয় স্বজনরা কি জানেন? এর জন্য দায়ী এই পতিতালয়ের দালালেরা? বাংলাদেশের পশ্চিম অঞ্চলের ২১ টি জেলার মানুষ যারা ঢাকায় আশা যাওয়া করেন । তারা কি হিসাব করেছেন পতিতালয়ের দালালেরা আপনার জীবনের কত ঘন্টা কেড়ে নিয়েছে?

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২

 ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন মধ্য আফ্রিকার এটি দেশ। এর পশ্চিমে নাইজেরিয়া, উত্তর-পূর্বে চাদ প্রজাতন্ত্র, পূর্বে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও ইকুয়াটরিয়াল গিনি, গ্যাবন, দক্ষিণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র। ক্যামেরুন দুই শতাধিক ভাষাভাষী গোষ্ঠীর বাসস্থান। 

আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি যে দেশগুলোতে তার মধ্যে ক্যামেরুন অন্যতম। তবে দুর্নীতির কারণে এর অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের দুটি ঔপনিবেশিক অঞ্চল একত্র হয়ে ১৯৬১ সালে ক্যামেরুন গঠিত হয়। এখনো শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে আধুনিক ক্যামেরুন।

দেশটির পুরো নাম ক্যামেরুন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী ইয়াউন্দে। সরকারি ভাষা ফরাসি, ইংরেজি, বিভিন্ন ও জাতি-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা। প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠী খ্রিস্টান ও মুসলমান। ক্যামেরুনের আয়তন চার লাখ ৭৫ হাজার ৪৪২ বর্গকিলোমিটার বা এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৯ বর্গমাইল।




১৮০০ শতকে ক্যামেরুনে মুসলিম বণিক ও সুফি-ধর্ম প্রচারকদের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে। বর্তমানেও ক্যামেরুনের প্রায় ৪৮ শতাংশ মানুষ সুফি মতবাদে বিশ্বাসী। পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম যাযাবর জনগাষ্ঠী ‘ফোলানি জাতি’ ১৯ শতকের গোড়ার দিকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও সুফি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সেখানে বসবাস করতে শুরু করে।

ক্যামেরুনে মুসলমানদের সঠিক সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। আল মুসলিম ডটনেটের তথ্য মতে, দেশটিতে মুসলিম সংখ্যা মোট অধিবাসীর ২৪ শতাংশ। সিআইএর দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকের তথ্য মতে, ক্যামেরুনে মুসলিম জনসংখ্যা মোট অধিবাসীর ২০.৯ শতাংশ।

তবে অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ক্যামেরুনের জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম। সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পরাশক্তি হিসেবে বিশ্বরাজনীতিতে মুসলমানরা হাজার বছরের বেশি সময় অধিষ্ঠিত থাকলেও বিগত কয়েক শ বছর থেকে তারা পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্রের জালে আটকে রয়েছে। এখন তারা পৃথিবীর অন্যতম নির্যাতিত ও বিভক্ত জাতি। সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে তাদের পশ্চিমারা কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিচ্ছে না।

ক্যামেরুনের মুসলিম শিশুদের মধ্যে কোরআনচর্চার বেশ আগ্রহ দেখা যায়। জুমার দিন বিভিন্ন মসজিদে কোরআনের কপি বিতরণ করা হয়। সেখানে মুসলিমদের জন্য ৫০টি প্রাথমিক ও পাঁচটি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে এবং প্রায় ৯০টি মসজিদ রয়েছে।

ক্যামেরুনের মুসলিমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী তথা সুন্নি মুসলিম। ক্যামেরুনের মুসলমানরা বেশির ভাগ আফ্রিকান দেশে বাণিজ্য এবং নিজস্ব ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। ক্যামেরুন আফ্রিকার অন্য দেশগুলোর মতো নয়, ক্যামেরুনিয়ান সংবিধানে ধর্মের স্বাধীনতার বিধান রয়েছে এবং সরকার সাধারণত এই অধিকারকে সম্মান করে। তবে মুসলিমদের মধ্যে কিছু বিভক্তিও দেখা যায়। বলা যায়, ভালো-মন্দ নিয়েই বেঁচে আছে ক্যামেরুনের মুসলিমরা।

বুধবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

প্রতিবন্ধকতা যাদের হার মানাতে পারিনি।

প্রতিবন্ধকতা যাদের হার মানাতে পারিনি।

 
প্রতিবন্ধকতা যাদের হার মানাতে পারিনি।

প্রতিবন্ধকতা মানুষের জীবনকে নানান সমস্যায় জর্জরিত করে। বিশেষ করে যারা প্রতিবন্ধি তাদের জীবন আর ৫ জন স্বাভাবিক মানুষের মত না। তাই বলে কি মানুষের জীবন থেমে থাকে। আজকের এই ভিডিও তে এমন কিছু প্রতিবন্ধিদের তুলে ধরব যাদের শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাদের জীবনকে হার মানাতে পারি নি। 
 
দুই পায়ে জন্মগত সমস্যায় দাড়াতে পারেন না জামাল্পুরের মেলানদহের নয়ানগর গ্রামের নুর ইসলাম। বছর কয়েক আগে নয়ানগর ক্রসিঙে ট্রেনের ধাক্কায় ইজি বাইকের ৭ যাত্রীর মৃত্যু নাড়া দেই তাকে। এরপর থেকেই স্বেচ্ছায় অরক্ষিত ক্রসিংটি পাহারা দেন বিনা স্বার্থে। নিজেই  বানিয়েছেন বাঁশের বেরিকেট। বাঁশি আর লাল সবুজের পতাকা নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বসে থাকে রেল লাইনের পাশে। ট্রেনের শব্দ পেলেই রশি টেনে নামিয়ে দেন বাঁশের বেরিকেট। ৪ বছর ধরে বিনা স্বার্থে কাজটি তিনি এখনও করে যাচ্ছেন। 

দুই হাত নেই অথচ থেমে নেই তার জীবন। বলছি ভারতের ফতেহাবাদ জেলার মদন লালের কথা। জীবিকার তাগিদে পা দিয়ে  নিখুঁতভাবে সেলাই করেন জামা কাপড়। তাকে একজন দক্ষ দর্জিও বলা হয়। পা দিয়েই তিনি জামাকাপড় মাপ নেন। বেচে থেকে লড়াই করার উদ্দ্যাম সাহসিকতা তার শারীরিক অক্ষমতাকেও হার মানিয়েছে।  

পা দিয়েই সংসারের সকল কাজ কর্ম করে যাচ্ছেন গাইবান্ধার সাঘাটার আয়েশা আক্তার। ১৯৯৩ সালে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার পূর্ব কচুয়ায় এক গরীব পরিবারে জন্মগ্রহন করে আয়েশা আক্তার।   গাইবান্ধা সরকারি কলেজে মাস্টার্সে পরছেন আয়েশা আক্তার। পা দিয়েই তার স্বপ্ন জয় করার ইচ্ছা। পেতে চান একটি সরকারি চাকুরী। 

এই ভিডিও টি দেখার পর আপনারা যারা এত দিন নিজেকে অসহায় মনে করতেন  হয়তো আজ থেকে নিজেকে আর অসহায় মনে হবে না। এরপরও যদি নিজেকে এখনও অসহায় মনে হয় তাহলে মনে করবো আপনি সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধি। জীবনে অনেক বাঁধা বিপত্তি দুঃখ কষ্ট আসবে তাই বলে থেমে না থেকে সবকিছুকেই পেছনে ফেলে সামনের দিকে অগ্রসর হতে হবে। প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও তারা যদি পারে তাহলে আপনি পারবেন না একথাটি বলার আগে আপনার বেচে থেকেও আরও একবার মৃত্যু হয়ে গেল।  প্রতিবন্ধদের নিয়ে যদি সেকেন্ড পার্ট ভিডিও পেতে চান তাহলে চ্যানেল্টি সাবক্রাইব করে কমেন্ট করে যান। 

সোমবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

আজব খেলা থাপ্পড় কাবাডি।

আজব খেলা থাপ্পড় কাবাডি।

পৃথিবীতে নানান ধরনের খেলা রয়েছে, কিন্তু থাপ্পড় মারার খেলা যেন একটু অদ্ভুত ধরণের। যিনি চড় থাপ্পড় খেয়ে টিকে থাকতে পারবেন, তিনি পেয়ে যাবেন প্রচুর টাকা। আজ আজব খেলা থাপ্পড় কাবাডি সম্পর্কে জানতে পারবেন।
পাকিস্তানের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা হল স্ল্যাপ বক্সিং বা স্ল্যাপিং গেম। মানে থাপ্পড় মারামারি খেলা। এটিকে আবার থাপ্পড় কাবাডিও বলা হয়ে থাকে। ২০১৯ সাল থেকে এই খেলাটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খেলার ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়। তারপর থেকে বিশ্বের অন্যান্য দেশের জনগণ এই খেলার ব্যাপারে জানতে পারে। পাকিস্তানের অনেকেই আছেন, যারা এই খেলায় পুরস্কার জেতার জন্য উদগ্রীব থাকেন।

দুজন প্রতিযোগী মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকবেন। থাপ্পড় খেতে হবে এবং থাপ্পড় দিতে হবে খালি হাতে। মাথায় থাকবে না কোন সুরক্ষা বা হেলমেট জাতীয় কিছু। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এই খেলায় প্রত্যেক প্রতিযোগী চোয়ালে এবং বুকে থাপ্পড় মারামারি করে।  জন্য পাঁচবার করে সুযোগ পান। দুই প্রতিযোগীর মধ্যে থাপ্পড় মারার প্রচেষ্টা শেষ হলে বিচারকরা ঠিক করেন কে ভালো ফল করেছেন। তারপর বিজয়ী চলে যান পরবর্তী রাউন্ডে। 

আজব খেলা থাপ্পড় কাবাডি।

কিন্তু এখানেই শেষ নয়, থাপ্পড় মারার পর নিজেদের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য প্রতিযোগি আপ্রাণ চেষ্টা করে থাকে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নিজের পায়ের উপরে ভরসা করতে হয়। থাপ্পড় খেয়ে পড়ে গেলেই অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
 
এছাড়াও যিনি থাপ্পড় মারবেন তাকে প্রতিপক্ষকে শুধুমাত্র হাতের তালুর উপরের অংশ দিয়েই মারতে হবে। একেবারেই কানে মারা চলবে না। তবে অনেক জায়গায় কানের নিচে অর্থাৎ গলার অংশে মারতে দেখা গেছে। বেশিরভাগ প্রতিযোগী প্রথম থাপ্পড়েই ছিটকে যান।

এই খেলাটি বিনোদনের হলেও জীবনের জন্য যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। এমনকি প্রতি পদক্ষেপে আহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অনেকে আছেন থাপ্পড় খেয়ে পড়ে গিয়ে তৎক্ষণাৎ অজ্ঞান হয়ে যান। অনেকে আবার মঞ্চে দাঁড়িয়েই খুশি হয়ে ওঠেন যখন থাপ্পড় খেয়েও নিজেকে শক্ত ভাবে দাঁড় করিয়ে রাখতে পারেন। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর পরিবারের সদস্যরাও পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান দেখতে ভয় পান।
সাধারণত ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই প্রথমেই প্রতিযোগীদের নিয়ম-কানুন ভালোভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। কারণ প্রতিপক্ষ ইচ্ছা করে ভুল জায়গায় থাপ্পড় মারলে মানুষ মারাও যেতে পারে। তাই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককেই সই করতে হয় একটি চুক্তি পত্রে।

খেলার মঞ্চের আশেপাশেই ব্যবস্থা করা থাকে চিকিৎসক থেকে শুরু করে নানান ব্যান্ডেজ, তুলার প্যাড, অ্যান্টিসেপটিক, যা যা প্রয়োজন লাগে একজন জখম ব্যক্তির চিকিৎসার জন্য। অনেকে খেলায় নামার আগে নিজেদের হাতের আঙুল কনুই এবং গাল ভালো ভাবে গরম করে নেন।

এই থাপ্পড় মারার খেলা শুধুমাত্র পুরুষরা ছাড়াও নারীরাও অংশগ্রহণ করেন। এখানে মূলত হাতের তালুর জোরটাই আসল। তবে এখানে খেলায় অংশগ্রহণ করেন সবাই মজা করে। কারোর উপর রাগ মেটানোর জন্য নয়।

এই খেলায় জিতলে প্রায় লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করা যায়। 

মঙ্গলবার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করে।

জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করে।

জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করেঃ

জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করে। আপনাদের কাছে জিন সম্পর্কে নানাবিধ প্রশ্ন রয়েছে।  জ্বিনরা কি মানুষের সাথে শারিরীক সম্পর্ক করে? বিশেষ করে নারীদের সাথে? করলে কেনো করে? এটা বুঝার উপায় কি? এই সকল প্রশ্নের ব্যাপারে সঠিক ব্যাখা পাবেন এই ভিডিও এর মাধ্যমে। 

হ্যাঁ জ্বীনেরা মানুষের সাথে শারিরীক সম্পর্ক করে থাকে। তবে সেটা প্রত্যক্ষ ভাবে না পরক্ষভাবে সহবাস করতে পারে। প্রথমে একজন আলেমের কাছ থেকে বিষয়টা জেনে নিব। তারপর জিন যেভাবে নারীদের কষ্ট দেয় বা নষ্ট করে অথবা নানাবিধ সমস্যা করে সেগুলো দেখতে পারবেন। 

জিন যেভাবে গোপনে গোপনে সুন্দরী নারীদের নষ্ট করে।

জিন ঘুমের মধ্যেও নারীদের আক্রমণ করে থাকে এবং বিভিন্নভাবে কষ্ট দেই। মানুষকে জাদু দিয়ে অচেতন করেও তারা জোরপূর্বক সম্পর্ক তৈরি করতে পারে। অনেক সময় জাগ্রত অবস্থায়ও তারা কষ্ট দেই। তবে আক্রান্ত ব্যক্তি যখন সুস্থ হয়ে যায় পরবর্তীতে আক্রান্ত ব্যক্তির আর এটা মনে থাকেনা।
 
কেনো শারিরীক সম্পর্ক করে এটা ব্যখা করা নিষ্প্রয়োজন, তবে জ্বীনেরা বেকুব মানুষ দেখলে উত্তেজনা বোধ করে। কিছু দুষ্ট জিন আছে, যারা সুযোগ পেলেই মানুষের ক্ষতি করে বসে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এরা বাচ্চা ও সুন্দরী নারীদের ওপর আক্রমণ করে। আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন—ঘুমন্ত অবস্থায় হঠাৎ কেঁদে ওঠা।

উচ্চৈঃস্বরে কথা বলা, জোরে জোরে নিঃশ্বাস ফেলা এবং ঘুম থেকে আতঙ্কিত অবস্থায় বসে পড়া বা দাঁড়িয়ে যাওয়া। জাগ্রত অবস্থায় এমন কিছু দেখা, যা স্বপ্ন মনে হবে। হঠাৎ হঠাৎ বেহুঁশ হয়ে যাওয়া। সব সময় ভীতু ভাব থাকা। কখনো ভিন্ন ভাষায় ও ভঙ্গিতে কথা বলা। আশ্চর্যজনক আচরণ প্রকাশ পাওয়া, যেমন অল্প সময়ে বহুদূর চলে যাওয়া। মেয়েদের ক্ষেত্রে অনেক সময় স্বামী-সন্তান ও সংসার বিরক্তিকর হয়ে ওঠা। কোরআন তেলাওয়াত ও জিকির শুনলে অস্থিরতা সৃষ্টি হওয়া। যেহেতু খারাপ জিনরা এসব সহ্য করতে পারে না। আক্রমণাত্মক ও ভয়ংকর স্বপ্ন দেখা। যেমন—কালো কুকুর, কালো সাপ, কালো বিড়াল অথবা পাহাড় বা উঁচু স্থান থেকে পড়ে যাওয়া অথবা পানিতে পড়ে যাওয়া। কানে শোঁ শোঁ আওয়াজ শোনা। শরীরের ভারসাম্যহীনতা অনুভব করা। অল্পতেই রেগে যাওয়া। সর্বদা ঘুমের ভাব লেগে থাকা এবং গভীর ঘুম থেকে জেগে কষ্ট অনুভব হওয়া। কাজকর্মে অনীহা ও বিরক্তি প্রকাশ করা। একাকী ও নির্জনতা পছন্দ করা। হঠাৎ হঠাৎ আশ্চর্য ধরনের দুর্গন্ধ পাওয়া। এমন কাজ করেছে মনে হওয়া, যা সে করেনি। কাজেকর্মে বেশি ভুল হওয়া। দীর্ঘ সময় টয়লেটে অবস্থান করা, কারো সঙ্গে কথা বলা ইত্যাদিসহ আরো অনেক অদ্ভুত আচরণ দেখা দিতে পারে। 

জিন থেকে বাঁচার উপায় সম্পর্কে আমার চ্যানেলে ভিডিও রয়েছে সেগুলো দেখে নিতে পারেন।
জিন বিষয় নিয়ে আমার অনেকগুলো ভিডিও আছে। আশা করি এই সকল ভিডিও দেখলে আপনি জিন থেকে বাঁচার সকল উপায়ও জানতে পারবেন। কাজেই প্রত্যেকটি ভিডিও মনোযোগ সহকারে দেখবেন। 
https://youtu.be/e9l97RswrIM
https://youtu.be/8itTYEKYoPw
https://youtu.be/6nUmhiEL6wg
https://youtu.be/Ipo4r8BK-IU
https://youtu.be/Hj8YLGsWhWk
https://youtu.be/hldqo-Yk4QI
https://youtu.be/Cl71AsexAls 
https://youtu.be/ZMRd_tbfdE8

রবিবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২২

বাংলা ভাই যেভাবে হলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী।

বাংলা ভাই যেভাবে হলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী।

বাংলা ভাই যেভাবে হলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসীঃ 

বাংলা ভাই যেভাবে হলেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী।

বাংলা ভাইয়ের জন্ম ১৯৭০ সালে। তার আসল নাম ছিল সিদ্দিকুল ইসলাম। তবে তিনি পরিচিত ছিলেন শাইখ আজিজুর রহমান নামে। তাঁর পরিচিতি তাকে বাংলা ভাই হিসেবে বিখ্যাত করে তুলেছে। ১৯৯০ সালে মাত্র ২০ বছর বয়সে তিনি আফগানে গিয়ে স্বশস্ত্র জ্বিহাদে অংশ নেন। এরপর শাইখ উসামা বিন লাদিন এর সাথে সরাসরি যোগাযোগের কারনে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন। এই বাংলা ভাইয়ের হাত ধরেই শাইখ উসামা একটু একটু বাংলা শিখেছিলেন।

বাংলাদেশে ফিরে এসেই মুসলিম যুবকদের নিয়ে তৈরী করেন জ্বিহাদী সংগঠন JMJB বা জাগ্রত মুসলিম জনতা বাংলাদেশ যা আল কায়েদার মতানুসরণ করতো। রাজশাহী অঞ্চলের আশেপাশে বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে সবচেয়ে বেশি সক্রিয় ছিল, বাংলা ভাই বোমা হামলা এবং অন্যান্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের জন্য দেশব্যাপী এবং বিশ্বব্যাপী কুখ্যাতি অর্জন করেছে।  

বাংলা ভাই জাতীয় ও স্থানীয় সাংবাদিককে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে তার জীবন সম্পর্কে বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানা যায়। তার পিতা বগুড়ার গাবতলী উপজেলার কানিপাড়া গ্রামের নাজির হোসেন প্রামাণিক। তিনি ১৯৯৫  সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন বলে দাবি করেন। ডেইলি স্টার রিপোর্টার তার দাবি যাচাই করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করেছিল ১৯৯৫ সালে বাংলা বিভাগে আজিজুর রহমান নামে কোনো ছাত্র ছিল না। ডেইলি স্টার রিপোর্ট করলে এই বৈপরীত্য তুলে ধরে বাংলা ভাই জবাব দেন: "আমি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত আজিজুল হক বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে বাংলা পড়তাম।

বাংলা ভাই তার শিক্ষা ও ব্যাকগ্রাউন্ড সম্পর্কে গোপন রাখতেন। এই সাক্ষাৎকারের সময় তার সংগঠনের সিনিয়র অফিসার আমির মাওলানা আবদুর রহমান উপস্থিত ছিলেন তিনি জানিয়েছেন যে বাংলা ভাই তরফসারতাজ সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেছেন। বাংলা ভাই তার উপনাম সম্পর্কে বলেছেন "ঢাকার দুটি শীর্ষ কোচিং সেন্টারে আমি একজন বাংলা শিক্ষক ছিলাম। আমার ছাত্ররা বাংলায় ভালো করেছে বলে কোচিং সেন্টার কর্তৃপক্ষ আমাকে বাংলা ভাই বলে ডাকে, "তিনি কোচিং সেন্টারের নাম বা তাদের সঠিক অবস্থানের নাম বলেননি। বাংলা ভাই ছাত্রলীগের সাথে যুক্ত ছিলেন। স্কুল জীবনে তিনি এটাকে সমর্থন করেছিলেন। তিনি আরও বলেন কলেজে পড়ার সময় আমি ছাত্র শিবিরে যোগদান করি। ১৯৯৫ সালে আমার পড়াশুনা শেষ করি, তখন আমি শিবির ছেড়ে দেই কারণ জামায়াত মহিলা নেতৃত্বকে গ্রহণ করেছিল যদিও এটি বলেছিল যে এটি মহিলা নেতৃত্বকে অপবিত্র বলে মনে করে।

বাংলা ভাই ২০০৪ সালে উত্তর রাজশাহী লোকাল পুলিশ এবং কিছু প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সহায়তায় আশেপাশের দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে ক্রুসেডিংয়ের মাধ্যমে অভিযান শুরু করেন। এই সকল নির্যাতনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশী মানবাধিকার সংস্থা ২০০২ সালে একটি টাস্কফোর্স গঠন করেন। এই সংস্থাটি বাংলা ভাই এবং তার  সহযোগীদের দ্বারা হুমকি ও নির্যাতনের ৫০০ টিরও বেশি ঘটনা রেকর্ড করেছে।   
আবদুর রহমান এবং বাংলা ভাই মাদ্রাসা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে, বেশিরভাগ ঘন বন ও পাহাড়ি এলাকায় সাংগঠনিক ঘাঁটি এবং জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবির স্থাপন করেন। মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য বিদেশী দেশ থেকে বিপুল তহবিলের সাহায্যে তারা তাদের পরিকল্পনাকে বাস্তবে রূপান্তরিত করে।

আগস্ট ২০০৫, আনুমানিক এক ঘন্টার মধ্যে একটি ছাড়া বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ৫০০টি বোমা বিস্ফোরিত হয়েছিল। বিস্ফোরণে তিনজন নিহত এবং প্রায় ১০০ জন আহত হয়। ২০০৫ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে ঝালকাটি শহরে বোমা নিক্ষেপের সময় দুই বিচারক নিহত হন। ২৯ নভেম্বর ২০০৫- গাজীপুরে হামলায় সন্দেহভাজন আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ সাতজন নিহত হন। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই ছিল প্রথম আত্মঘাতী বোমা হামলা। এছাড়াও চট্টগ্রামে বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন, যাদের মধ্যে ১৩ জন পুলিশ অফিসার খুন হয়। 

বাংলাদেশ সরকার বাংলা ভাইকে ধরার জন্য ৫ মিলিয়ন টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেন। র‌্যাব ও গোয়েন্দা ইউনিট ৬ মার্চ ২০০৬ ভোরে ময়মনসিংহে অভিযান চালায় এবং বিকেল ৫টার দিকে ময়মনসিংহ শহরের রাম কৃষ্ণ মিশন রোডের একটি বাসা থেকে বাংলা ভাইয়ের স্ত্রী ফাহিমা ও নাবালক শিশু সাদকে ধরে ফেলে। তার স্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার প্রধান লেফটেন্যান্ট কর্নেল গুলজার উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে র‌্যাবের সদস্যরা সকাল ৭টার দিকে ময়মনসিংহ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে মুক্তাগাছার রামপুরে ডাক্তার উমেদ আলীর বাড়ি ঘেরাও করে এবং খোঁজ করতে থাকে। 

 র‌্যাব সার্জেন্ট রফিক, যিনি একটি পাশের টিনের ছাদের ঘরে নিযুক্ত ছিলেন, ভিতরে কারা আছে তা দেখার জন্য। উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করলে বাংলা ভাই তাকে একবার মাথায় গুলি করে। র‌্যাব সদস্যরা সার্জেন্টকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে সক্ষম হয়। বাংলা ভাই সার্জেন্ট রফিককে লাঞ্ছিত করার দুই বা তিন মিনিট পর, টিনের ছাদের ঘরে যেখানে বাংলা ভাই ছিলেন সেখানে একটি কার্যকর বোমা বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণে ছাদটি ধ্বংস হয়ে যায় এবং ঘরের একটি প্রান্তে আগুন ধরে যায়। র‌্যাব তাকে আত্মসমর্পণ করতে বলে, এবং তাকে ঘিরে রাখা হয় বলে জানায়।

বাংলা ভাই সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে আত্মসমর্পণ করেন। বিস্ফোরণ থেকে তার গায়ে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। বাংলা ভাইয়ের দেহরক্ষী মাসুদকে মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়, বিস্ফোরণে তিনি গুরুতর আহত হন।  পুরো বাড়িটি ধোঁয়ায় ভরে যায় এবং শুধু কলামগুলো রয়ে গেছে। আহত র‌্যাব সার্জেন্ট রফিককে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে যাওয়া হয়। র‌্যাব সূত্র উপস্থিত সাংবাদিকদের জানায়, সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করা হবে- একটি অস্ত্র আইনে, আরেকটি বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে এবং তৃতীয়টি কর্মকর্তাদের আঘাতের অভিযোগে।

বাংলা ভাইয়ের ধরা পড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে কাছাকাছি শহর থেকে অনেক লোক রামপুরে ছুটে আসে। আহত বাংলা ভাইকে হাসপাতালে নেওয়ার সময় বাড়ির ছাদে, গাছে ও রাস্তার দু’ধারে জনতার ঢল বয়। ময়মনসিংহ শহরে, বাংলা ভাইকে দেখার জন্য বেশ কয়েকজন ব্যক্তি তাদের বাড়ি, কর্মস্থল এবং দোকান থেকে বেরিয়ে আসেন এবং র‌্যাবের সদস্যরা তাকে নিরাপত্তার কাফেলায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় সাধারন পাবলিক করতালি দিতে থাকেন।

মূলত ঝালকাঠিতে দুই সহকারী জজ হত্যা মামলায় জেএমবি নেতা শেখ আবদুর রহমান ও সিদ্দিকুর রহমান ওরফে বাংলা ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্য ৫ জঙ্গির সাথে, সিদ্দিক উল-ইসলামকে ৩০ মার্চ ২০০৭ সালে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়। 


রবিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২১

 শহীদী মৃত্যু কতই না সুন্দর।

শহীদী মৃত্যু কতই না সুন্দর।

জন্ম মানেই মৃত্যুর অপেক্ষা। অর্থাৎ জন্ম হয়েছে যার মৃত্যু তার অবধারিত। এটাই দুনিয়ার নিয়ম। ‘প্রত্যেক প্রাণীই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করবে’ (সূরা আলে ইমরান-১৮৫)। মুমিনের মৃত্যু আর অন্যদের মৃত্যু একরকম নয়। আল্লাহ তায়ালা হজরত মুহাম্মদ সা:কে বলেছেন, ‘আপনি বলুন, আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ বিশ্ব প্রতিপালক আল্লাহরই জন্য’ (সূরা আনআম-১৬২)।

একজন মুমিনের স্বীকৃতি এটিই যে, আমার সব কাজ এবং জীবন-মরণ আল্লাহর জন্য নিবেদিত। আল্লাহ তায়ালা আরো ইরশাদ করেন, ‘তিনি জান্নাতের বিনিময়ে মুমিনদের জীবন ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন’ (সূরা তাওবা-১১১)। মুমিনের কামনা-বাসনা হলো শহীদি মৃত্যু। কেননা, মহানবী সা: বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করল অথচ জিহাদ করেনি এমনকি মনে জিহাদের তথা শহীদি মৃত্যুর চিন্তাও করেনি, সে যেন মুনাফেকির অবস্থায় মৃত্যুবরণ করল’ (সহিহ মুসলিম)।

মৃত্যুর মধ্যে সর্বোত্তম ও সম্মানজনক মৃত্যু হলো শহীদি মৃত্যু। স্বয়ং নবীজী সা: বারবার শাহাদত কামনা করেছেন। রাসূল সা: সর্বদায় মহান আল্লাহর কাছে শহীদি মৃত্যু কামনা করে বলতেন, ‘আল্লাহুম্মার যুকনি শাহাদাতান ফি সাবিলিক’। অর্থাৎ : হে আল্লাহ! তুমি আমাকে তোমার পথে শাহাদাত নসিব করো (আমি তোমার পথে শহীদ হতে চাই)। সব সাহাবায়ে কেরাম রা: সর্বদায় শাহাদাতের মৃত্যু কামনা করেছেন।
শহীদী মৃত্যু কতই না সুন্দর।


শহীদদের মর্যাদা বর্ণনা করতে গিয়ে পবিত্র কুরআনে কারিমের অন্য এক জায়গায় বর্ণিত রয়েছেÑ ‘আর যারা আল্লাহর রাস্তায় নিহত হয়, তাদের তোমরা মৃত বলো না, তারা জীবিত এবং তারা তাদের রবের কাছ থেকে রিজিকপ্রাপ্ত’ (সূরা আল ইমরান)। শহীদের মর্যাদা এত বেশি যা রাসূলের হাদিসে প্রমাণ পাওয়া যায়। হজরত আনাস রা: বর্ণনা করেন, রাসূল সা: বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করার পর আর দুনিয়ায় ফিরে যেতে চাইবে না। যদি সে দুনিয়ার তামাম জিনিস পেয়ে যায়, তবুও না।

অবশ্য শহীদের কথা আলাদা। সে চাইবে যে, তাকে দুনিয়ায় ফিরিয়ে আনা হোক এবং ১০ বার তাকে আল্লাহর পথে শহীদ করা হোক। এগুলো ছাড়াও মহানবী সা: অন্য এক জায়গায় বলেছেন, শহীদ ব্যক্তির শুধু জানাজা দিয়ে পরনের জামাকাপড়সহ দাফন করে দেয়া হবে এবং কিয়ামতের দিন তারা রক্তমাখা জামাকাপড়সহ আল্লাহর কাছে উপস্থিত হবেন। তখন আল্লাহ তায়ালা শহীদ ব্যক্তিকে দেখে খুশি হয়ে যাবেন।

শহীদের প্রাপ্তি ও মর্যাদা সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল সা: আরো বলেন, ‘একজন শহীদ আল্লাহর কাছ থেকে আরো ছয়টি পুরস্কার পাবেন আর সেগুলো হলোঃ
  1. প্রথম রক্তের ফোঁটা বের হওয়ার সাথে সাথেই তাকে ক্ষমা করে দেয়া হয় এবং শহীদ ব্যক্তি জান্নাতে তার স্থান দেখে নেয়।
  2. কবরের আজাব থেকে তাকে দূরে রাখা হয়।
  3. বড় ভীতি অর্থাৎ কিয়ামতের কঠিন অবস্থা থেকে নিরাপদ থাকবে।
  4. তাকে ঈমানের একজোড়া অলঙ্কার পরানো হবে।
  5. হুরদের সাথে বিয়ে দেয়া হবে।
  6. নিকটাত্মীয়দের থেকে ৭০ জন ব্যক্তিকে সুপারিশ করতে পারবে।