Showing posts with label ভিডিও. Show all posts
Showing posts with label ভিডিও. Show all posts

Sunday, December 16, 2018

দশটি হাত এমনকি নীল তিমি যাদের প্রধান খাদ্য। Giant squid has ten hands.

দশটি হাত এমনকি নীল তিমি যাদের প্রধান খাদ্য। Giant squid has ten hands.

দশটি হাত এমনকি নীল তিমি যাদের প্রধান খাদ্য
Giant squid has ten hands
giant squid-http://www.topbanglapages.com/
বিমানের মতো দেখতে সামুদ্রিক প্রাণী জায়ান্ট  স্কুইড পৃথিবীর সবচেয়ে বিশালদেহী বা বৃহৎ প্রাণীদের  মধ্যে একটি।   বিশালাকৃতির হওয়ার ক্ষমতা এবং পরিবর্তিত নতুন-নতুন রঙের ছটা নিয়ে রঙ পরিবর্তন করার কারণে এ প্রাণীটি কাছে কাছে বিস্ময়করও। স্কুইড অনেকটা অক্টোপাস প্রজাতির মত দেখতে। তবে স্কুইডের আছে অক্টোপাসের চেয়ে দুইটির বেশি অর্থাৎ ১০টি হাত৷ মানুষ বা মেরুদণ্ডী প্রাণীদের মতো দেখতে একটি চোখ ও বুদ্ধিদীপ্ত মস্তিস্ক রয়েছে তাদের। একটি শক্ত খোলসের বাইরে থাকা হাতগুলোর মধ্যে আটটি ছোট ও দুটি  লম্বা হাত দিয়ে তারা শিকার ধরে আর ছোট হাত দিয়ে শিকার মুখে দিয়ে খেয়ে ফেলে।

ঠোঁট  দিয়ে শিকারকে আঁকড়ে ধরে মুখের কঠিন অংশ দাঁত দিয়ে ফুটো করে শিকার খায় স্কুইড।
২৫৫ প্রজাতির মধ্যে কিছুকিছু প্রজাতির স্কুইড সমুদ্রের অনেক গভীরে থাকে আর কয়েকটি থাকে সমুদ্রপৃষ্ঠের ঠিক নিচে৷  স্কুইডদের মধ্যে সবচেয়ে বড় জায়ান্ট স্কুইড গভীর সমুদ্রের শুঁড়ওয়ালা শামুক হিসেবে পরিচিত। জলের উপরিভাগে এদের সচরাচর দেখা যায় না। তবে কখনও কখনও মাছ ধরার জালে আটকা পড়ে বলে জানান জাপানের ইউজো অ্যাকুরিয়ামের অধ্যক্ষ মিতসুহিরো ফুয়া।জায়ান্ট স্কুইড সমুদ্রের সবচেয়ে বড় অমেরুদণ্ডী প্রাণী, যারা মানুষকেও হত্যা করতে সক্ষম। তবে তারা কতো বড় হতে পারে, আমরা এখনও তা ধারণা করতে পারিনি।
জায়ান্ট স্কুইডের শরীরের বড় যে অংশটি সংকুচিত বা প্রসারিত হয় এর আকারের সঙ্গে মাথা ও কর্ষিকাসহ যোগ করে স্কুইডের সামগ্রিক দৈর্ঘ্য মাপা হয়।
 Giant squid has ten hands.
giant squid-http://www.topbanglapages.com/
ইউরোপে ১৬৩৯ সালে প্রথম দেখা গেলেও জায়ান্ট স্কুইডের প্রথম ছবি প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। ২০১৪ সালে তাদের জীবন ও বাসস্থান নিয়ে প্রথম ভিডিওটি প্রকাশিত হয়। ছবি ও ভিডিও ধারণের স্থান দুটি ছিল জাপানে।যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ড সেন্ট অ্যাণ্ড্রুজ বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞানী ড. ক্রিস প্যাক্সটন বলেন, ১৬৩৯ সালে যখন প্রথম জায়ান্ট স্কুইড আবিষ্কৃত হয়, তখন সেটিকে সবচেয়ে বড় মাপের বলে মনে করা হতো। কিন্তু পরে এর চেয়েও বড় আকারের জায়ান্ট স্কুইড দেখা গেছে।তিনি জানান, এ পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৪৬০টি দানব স্কুইডের নমুনা মাপা হয়েছে। সাধারণভাবে ৫.৮৩ থেকে ২৭.৫৩ মিটার দৈর্ঘ্যে সংকুচিত ও প্রসারিত হতে পারে এ প্রাণীটি। বৃহত্তম স্কুইডটি বিস্ময়করভাবে ৫৩ মিটার দীর্ঘ ছিল, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মালদ্বীপে দেখা গিয়েছিল। আর এর শক্ত খোলসের দীর্ঘতম নির্ভরযোগ্যভাবে মাপা দৈর্ঘ্য ছিল ২.৭৯ মিটার।

তবে এর চেয়েও বড় আকারের স্কুইড পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করেন লেখক ড্যারেন নেইশ। তিনি তার একটি নতুন বইয়ে লিখেছেন, জায়ান্ট স্কুইডের পুরো শরীরের পরিমাপ করা কঠিন। কারণ, যখন পানি থেকে ওঠানো হয়, তখন এটির নরম টিস্যু ইলাস্টিকের মতো প্রসারিত বা সংকুচিত হতে পারে। খোলস বা শক্ত আবরণের মধ্যে লুকিয়ে ফেলতে পারে মুহূর্তের মধ্যেই।নিউজিল্যান্ডের কুক প্রণালীতে আটকা পড়া জায়ান্ট স্কুইডটি এখন পর্যন্ত প্রাণীটির বৃহত্তম মৃত নমুনা। ১৮৭৯ সালের মে মাসে পাওয়া এ স্কুইডটির মোট দৈর্ঘ্য ১৪.২৮ মিটার।
স্কুইডও অক্টোপাসের মতোই রং পরিবর্তন করতে পারে। বিপদে পড়লে স্কুইড এক ধরনের রঙিন কালি ছুড়ে মারে, যাতে করে পানিতে রং ছড়িয়ে পড়ে৷ এর ফলে শিকারিরা তাদের দেখতে পায় না এবং তখন তারা দ্রুত স্থান পরিবর্তন করতে পারে৷বড়-বড় স্পার্ম তিমি, যা ২০-৩০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে, এরাই জায়ান্ট স্কুইডদের প্রধান খাবার। এসব তিমিকে অনুসরণ করে ধরে হত্যা করে খেয়ে ফেলতে সক্ষম দানব স্কুইড।       

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

          

Monday, August 6, 2018

ঘৃণিত নারী প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহন করতেন।

ঘৃণিত নারী প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহন করতেন।

ইতিহাসের সবচেয়ে ঘৃণিত নারী যিনি প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহণ করতেন এবং তাদেরকে মেরে ফেলতেন আসুন আমরা বিস্তারিত নিচে পড়িঃ
ঘৃণিত নারী প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহন করতেন
queen cleopatra-http://www.topbanglapages.com/
ফারাও রাজবংশের সর্বশেণ রাণী ক্লিওপেট্রা।তাকে ঘিরে ইতিহাসে বিতর্ক আর রহস্যের কোনো শেষ নেই। যেমন রহস্যময তার জীবন ও রাজ্য শাসন তেমনি রহস্যময় তার প্রেম। ক্লিওপেট্রার প্রেম নিয়ে পৃথিবীর ইতিহাসে অনেক গল্প-অনেক কাহিনীর অবতারণা হয়েছে। এমনকি মহান সাহিত্যিক শেকসপিয়র পর্যন্ত তার নাটকে অমর করে রেখেছেন রানী ক্লিওপেট্রার প্রেমকাহিনীকে। তিনি লিখেছেন অ্যান্টনি-ক্লিওপেট্রা। অন্যদিকে জর্জ বানার্ড শ লিখেছেন সিজার-ক্লিওপেট্রা। এ ছাড়াও ক্লিওপেট্রার চরিত্র নিয়ে লিখেছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক ড্রাইডেন প্লুটার্ক, ড্যানিয়েল প্রমুখ। ফলে হাজার হাজার বছর পরও ক্লিওপেট্রার প্রেম নিয়ে আলোচনা চলছে আজও। লেখালেখিও থেমে নেই। তবে তার এই প্রেম কাহিনীর মধ্যে ছিল নৃশংসতা ও বর্বরতা। নিচে সেই সম্পর্কে আলোচনা করা হবে।
 ক্লিওপেট্রার জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬৯ সালে প্রাচীন মিশরের আলেকজান্দ্রিয়ায়। অধিকাংশ ইতিহাসবিদের মতে খ্রিস্টপূর্ব ৫১ অব্দে রোম সম্রাট টলেমি অলেতিস মারা গেলেন। মারা যাওয়ার আগে তার বিশাল সাম্রাজ্য ১৮ বছর বয়সী কন্যা ক্লিওপেট্রা  পুত্র টলেমি-১৩-কে উইল করে দিয়ে যান। তখনকার মিসরীয় আইন অনুসারে দ্বৈত শাসনের নিয়মে রানী ক্লিওপেট্রার একজন নিজস্ব সঙ্গী থাকা বাধ্যতামূলক ছিল। কাজেই ক্লিওপেট্রাকে বিয়ে করতে হয় তারই ছোটভাই টলেমি-কে, যখন টলেমির বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর। ফলে আইনগতভাবে রাজ্য পরিচালনার দায়িত্বভার অর্পিত হলো ক্লিওপেট্রা এবং তার স্বামী ১২ বছর বয়সী ছোট ভাই ত্রয়োদশ টলেমি এর উপর। ক্ষমতায় আরোহণের পর নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও ক্লিওপেট্রা তার শাসন চালিয়ে গেলেন। এরই মধ্যে ৪৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে ফারসালুসের যুদ্ধে দায়িত্বপ্রাপ্ত সেনাপতি পম্পে পরাজিত হলেন। সে বছরই আলেকজান্দ্রিয়ায় ফেরার পথে ফারসালুসের হাতে নিহত হন। যুদ্ধ থেকে পালাতে গিয়ে ক্লিওপেট্রার স্বামী ও ভাই টলেমি-১৩ মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর পর ক্লিওপেট্রা হয়ে ওঠেন মিসরের একচ্ছত্র রানী।

তিনি যখন একচ্ছত্র রানীর অধিকারিণী হন তখনই তিনি প্রতি রাতে একটা করে স্বামী গ্রহন করতে শুরু করে। এখন আপনার মনে একটা প্রশ্ন আসছে এটি আবার কিভাবে সম্ভব তাই তো? হ্যাঁ সত্যিই তাই কেননা সে অতি সুন্দরী নারী ছিলেন তাই যে কাউকে প্রস্তাব দিলে সাথে সাথে রাজি হয়ে যেতেন। কিন্তু আপনার মনে আরেকটি প্রশ্ন আসছে তাহলে তিনি তাদেরকে কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করতেন। তিনি প্রতি রাতে একজন করে সুন্দর পুরুষ রাজ প্রাসাদে নিয়ে আসতেন এবং সারা রাত ঐ পুরুষের সাথে ফুর্তি করতেন। যখন ঐ পুরুষ ঘুমিয়ে পড়ত তখন ছুরি দিয়ে তার বুকটা ঝাঁজরা করে দিতেন এবং সেই রক্ত দিয়ে গোসল করতেন।

যে দেশের নারীরা বিয়ের আগ পর্যন্ত গাছে রাত যাপন করেন।

যে দেশের নারীরা বিয়ের আগ পর্যন্ত গাছে রাত যাপন করেন।

 যে দেশের নারীরা বিয়ের আগে গাছে রাত কাটান আজকে জানবো সেই দেশটির নাম কি? এবং কেন সেই দেশের নারীরা বিয়ের আগে গাছে গাছে রাত্রি যাপন করে?সেই দেশটির নাম হল নিউ গায়ানা। প্রথমে নিউ গায়ানার পরিচয় জানবো তারপর জানবো বিয়ের আগে কেন তারা গাছে রাত যাপন করে।
যে দেশের নারীরা বিয়ের আগ পর্যন্ত গাছে রাত যাপন করেন
before marriage girls are staying trees-http://www.topbanglapages.com/

নিউ গায়ানার পরিচয়ঃ 

নিউ গায়ানা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলে অবস্থিত একটি দেশ। নিউ গায়ানা পূর্বে একটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং তখন এর নাম ছিল ব্রিটিশ গায়ানা। ১৯৬৬ সালে ১৫০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসন শেষে ব্রিটিশ গায়ানা স্বাধীনতা লাভ করে এবং গায়ানা নাম নিয়ে আত্মপ্রকাশ করে। গায়ানা একটি আদিবাসী আমেরিকান শব্দ, যার অর্থ "পানির দেশ"। নিউ গায়ানার পূর্ণ সরকারি নাম গায়ানা সহযোগিতামূলক প্রজাতন্ত্র । বর্তমানে গায়ানা কমনওয়েল্‌থ অভ নেশন্‌সের সদস্য। এটি দক্ষিণ আমেরিকার কেবলমাত্র ইংরেজিভাষী রাষ্ট্র। নিউ গায়ানা রাজধানীর নাম জর্জটাউন।

গায়ানা বিষুবরেখার উত্তরে, আটলান্টীক মহাসাগরের উপকূলে ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত। নিউ গায়ানার পশ্চিমে ভেনেজুয়েলা,পূর্বে সুরিনাম এবং  দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বে ব্রাজিল অবস্থিত। যদিও এই দেশ দক্ষিণ আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে অবস্থিত, প্রাক্তন ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের ছোট ছোট দ্বীপগুলির সাথে এর সাংস্কৃতিক, ঐতিহাসিক ও অর্থনৈতিক বন্ধনের সাথে মিশে আছে । গায়ানা প্রথমে একটি ওলন্দাজ উপনিবেশ ছিল। পরবর্তীতে আঠারো শতকের শেষ দিকে এটি ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে আসে।
যে দেশের নারীরা বিয়ের আগ পর্যন্ত গাছে রাত যাপন করেন
before marriage girls are staying trees-http://www.topbanglapages.com/
আঠারো শতকের শুরু থেকেই আখ এখানকার প্রধান অর্থকরী ফসল। ইউরোপীয়রা এখানকার চিনির প্ল্যান্টেশনগুলিতে প্রচুর আফ্রিকানদের দাস হিসেবে ব্যবহারের জন্য নিয়ে আসে। ১৮৩০-এর দশকে দাসপ্রথার অবলুপ্তি ঘটলে ভারতীয় উপমহাদেশ থেকে বহু লোক প্ল্যান্টেশনগুলিতে কাজ করার জন্য নিয়ে আসা হয়।বিশ শতকের শেষ নাগাদ ভারতীয় ও আফ্রিকানরা গায়ানার সবচেয়ে বড় দুইটি জাতিগত গোষ্ঠী গঠন করে।
স্বাধীনতার পর গায়ানাতে জাতিগত রাজনৈতিক দল গড়ে ওঠে। এ পর্যন্ত মোটামুটিভাবে বামপন্থী দলগুলিই গায়ানা শাসন করেছে। ১৯৯০-এর দশক পর্যন্ত আফ্রিকান বংশোদ্ভূত গায়ানীয়রা সরকারে আধিপত্য বিস্তার করেছিল। এরপর ভারতীয় বংশোদ্ভূত গায়ানীয়দের একটি রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসে।
বিয়ের আগে গাছে রাত যাপন করার কারণঃ জানা যায় নিউ গায়ানার একটি ধর্মীয় বিশ্বাস আছে যে, বিয়ের আগ পর্যন্ত যদি কোন নারী গাছে রাত যাপন করে তাহলে বিয়ের পরে স্বামীর সংসারে অনেক সুখে থাকবে। তারা আরও বিশ্বাস করেন বিয়ের আগে নারীরা গাছে থাকলে তাদের মন পবিত্র হয়। যার ফলে বাস্তব জীবনে তারা পুরুষের সুখ শান্তি দিতে পারে। তবে আমার কাছে বিষয়টি অদ্ভুত মনে হয়েছে। আপনাদের মন্তব্য কি অবশ্যই জানাবেন।

                 

Wednesday, May 16, 2018

৯বছরের কিশোরকে ভাগিয়ে বিয়ে করল ৪২ বছরের এক নারী।

৯বছরের কিশোরকে ভাগিয়ে বিয়ে করল ৪২ বছরের এক নারী।


`এবার ৯ বছরের কিশোরকে বিশাল আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিয়ে করলেন ৪২ বছরের এক ভদ্র মহিলা। আমরা হয়তবা এমন কিছু খবর গুজব হিসেবে জানতে পারি । কিন্তু বাস্তবে এমনটা ঘটেছে দক্ষিন আফ্রিকার একটি শহরে। তাও আবার ধুমধাম করে এই বিয়েটা সম্পন্ন করেছেন ঐ ভদ্র মহিলা। জানা যায় ঐ মহিলা কিশোরকে ভীষণ পছন্দ করেন। তারপর তিনি ঐ  কিশোরকে বিয়ের প্রস্তাব দেন । বিয়ের প্রস্তাবে  কিশোর রাজি হয়ে যায়। তাছাড়াও এই নারী ধনী ও সম্পদশালী। যার কারনে তিনি এমনটা সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধাবোধ করেনি। তিনি বিয়ের আয়োজন করেন এমনকি গায়ে হলুদের পিড়িতে দুজনই বেশ রঙ মাখামাখি করেছেন। গায়ে হলুদে অনেক মানুষের সমাগন ঘটেছিল।

৯বছরের কিশোরকে ভাগিয়ে বিয়ে করল ৪২ বছরের এক নারী
older woman married younger boy-http://www.topbanglapages.com/
এই ভদ্র মহিলা শহরের গণ্যমান্য ব্যক্তিকে নিমন্ত্রণ করেন। হাজার হাজার মানুষের সমাগণের মধ্যে দিয়েই বিয়ের কাজটা সম্পন্ন করেন। বিয়ের আনন্দে ঐ শহরে চলছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস। বিয়ের পরে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় একসাথে খাওয়ার জন্য ছুটে যাচ্ছেন। এমনকি তারা রাস্তার মাঝখানে একে অপরের হাত ধরে হেটে বেড়াচ্ছেন।
তারা সবার সামনে প্রকাশ্যে একে অপরের গালে চুমু খাচ্ছে। কেউ কেউ মা ছেলে মনে করে বিষয়টা এড়িয়ে যাচ্ছেন। এছাড়াও তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় হানিমুনের উদ্দেশ্যে ছুটে যাচ্ছেন। এই ঘটনাটি ঐ এলাকার মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ঝাঁকে ঝাঁকে লাখে লাখে তাদেরকে দেখতে ছুটে আসছে বিভিন্ন দূরদূরান্তের মানুষ। তবে তারা মানুষের এই সমাগণ দেখে দুজনই খুব উচ্ছ্বাসিত। সাংবাদিকরা ঐ ভদ্রমহিলার কাছে প্রশ্ন করেন আপনাদের বিবাহিত জীবন কেমন কাটছে। জবাবে তিনি বলেন অল ইজ গ্রেট। তিনি আরও বলেন আমি আগের তুলনায় অনেক সুখি অনুভব করছি। কিশোরটির কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমি কল্পনায় করতে পারছি না আমার জীবনে কী ঘটে গেল। তবে আমি খুব আনন্দ উপভোগ করছি।


Thursday, May 10, 2018

জয় কে সরাসরি চুমু খেলো ঋতুপর্ণা হতবাক হলেন  আরফিন শুভ।

জয় কে সরাসরি চুমু খেলো ঋতুপর্ণা হতবাক হলেন আরফিন শুভ।


জয় কে সরাসরি চুমু খেলো ঋতুপর্ণা হতবাক হলেন  আরফিন শুভ

"সেন্স অফ হিউমর" নামক একটি টিভি শোতে  শাহরিয়ার নাজিম জয় ঋতুপর্ণা ও আরফিন শুভকে আমন্ত্রণ করে। সেই অনুষ্ঠানে কলকাতার মুভি ও বাংলাদেশের মুভি নিয়ে আলোচনা করা হয়। কলকাতার মুভি ও বাংলাদেশের মুভির তুলনামূলক আলোচনা করতে গিয়ে ঋতুপর্ণা বলেন বাংলাদেশের মুভিতে অনেক কলা কৌশলের অভাব রয়েছে। আলোচনা শেষে শাহরিয়ার নাজিম জয় ঋতুপর্ণার কাছে একটা চুমু চাই। কিন্তু ঋতুপর্ণা প্রথমে চুমু দিতে রাজি হচ্ছিল না। তারপর শাহরিয়ার নাজিম জয় যখন ঋতুপর্ণাকে বলল তুমি তো কত সিনেমাই প্রসেঞ্জিত ও অন্যান্য নায়কদের চুমু  দিয়েছো তাহলে আমাকে দিতে দোষ কি। তারপর তিনি বলেন চুমু দিবা কি দিবা না তাই বল তখন ঋতুপর্ণা জয়কে সরাসরি চুমু দেয়। 
     

Thursday, May 3, 2018

এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন নিক ভুজিসিক।

এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন নিক ভুজিসিক।

 এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন নিক ভুজিসিক।

nick vujicic hugging
nick vujicic hugging-http://www.topbanglapages.com/
 মহান আল্লাহ পাক আমাদের সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সৃষ্টি করেছেন। তবুও বিভিন্ন জনের বিভিন্ন ধরণের সীমাবদ্ধতা থাকে। অনেকেরই হাত, পা, চোখ, কান ইত্যাদি নিয়ে বিভিন্নধরণের সমস্যা রয়েছে। এরকম মানুষরাই হতাশাগ্রস্ত হয় সবচেয়ে বেশি।আমরা সাধারনত অল্পতেই হতাশ হয়ে যাই। তরুণ প্রজন্ম যেনো এই হতাশা নামক ব্যাধীর মূল শিকার। তবে সবাই এই হতাশার শিকার হয়ে চুপচাপ বসে থাকে না। কেউ কেউ অদম্য সাহস নিয়ে দুর্বার গতিতে সামনে এগিয়ে চলে সব ধরণের বাধা বিপত্তি ডিঙ্গিয়ে। একজনের জীবনের যত কালো অতীত কিংবা খুতই থাক না কেনো, এভাবে যারা চলতে থাকে তারা সফলতার দ্বারে একদিন না একদিন পৌছুবেই। তবে সবাই সেই হতাশা নিয়ে চলে না। অনেকে সেই হতাশাকে পিছনে ফেলে সামনে এগিয়ে চলে। এমনই একজন হলেন নিক ভুজিসিক। যার চার হাত-পা এর মাঝে কোনোটাই নেই।
নিক ভুজিসিক এর পুরো নাম নিকোলাস জেমস ভুজিসিক। তিনি জন্মসূত্রে সার্বিয়ান অস্ট্রেলিয়ান। বেরিস ভুজিসিক ও ডুসকা ভুজিসিক এর ঘরে নিক এর জন্ম হয় ১৯৮২ সালে। সন্তানের এরূপ আকৃতি দেখে নিক এর মা তাকে দেখতে ও কোলে নিতে অস্বীকার করেন। পরবর্তীতে অবশ্য স্বামী-স্ত্রী দুজনেই তাকে ঈশ্বরের ইচ্ছা হিসেবে বিবেচনা করে মেনে নেন।

অস্বাভাবিক জন্ম হওয়ার কারণঃ
আল্লাহ আমাদের নিখুঁত ভাবে সৃষ্টি করেছেন। যেখানে একটি অনুজীব এর চেয়েও ক্ষুদ্র কোনো এনজাইমের কারণে মানুষের দেহে বড় ধরণের পরিবর্তন ঘটতে পারে। টেট্রা এনিমেলিয়া সিনড্রোমের ফলে মানুষ কোনো হাত পা ছাড়াই জন্ম নেয়। WNT3 জিনের কারণে মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়। ভ্রন অবস্থায় যখন মানুষের হাত পা সৃষ্টি হতে থাকে তখন WNT3 জিনের কারণে হাত পা সৃষ্টি বাধাগ্রস্ত হয়। এর ফলে অন্যান্য বিভিন্ন অঙ্গও স্বাভাবিক গঠনে বাধাগ্রস্ত হয়। তবে নিক ভুজিসিক এর ক্ষেত্রে শুধু হাত-পা সৃষ্টিই বাধাগ্রস্ত হয়েছে। অন্য সব কিছু রয়েছে স্বাভাবিক ।হাত পা না থাকা সত্বেও একটুও দমে যাননি নিক ভুজিসিক। তিনি নিজেই বলেছেন, “আমি উঠে দাড়াবার জন্য শতবার চেষ্টা করবো, যদি এর শতগুনও ব্যার্থ হই তবুও ব্যার্থতা মেনে নিয়ে এটা ছেড়ে উঠবো না। আমি আবার চেষ্টা করবো এবং বলবো, এটাই শেষ নয়”। এবং সত্যি সত্যিই তিনি যা বলেছেন তা করে দেখিয়েছেন।
এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড করেছেন নিক ভুজিসিক
nick vujicic playing football-http://www.topbanglapages.com/
তার কোনো পূর্ণাঙ্গ হাত পা না থাকলেও বাম কোমরে দুই আঙুল বিশিষ্ট অপরিণত একটি পা রয়েছে। এই পা দিয়েই ভারসাম্য রক্ষা করে চলাফেরা করেণ তিনি।  আমারা সাধারণত যেখানে একবার স্নাতক সম্পন্ন করতেই হিমশিম খেয়ে যাই সেখানে দুই আঙুল দিয়েই ফিন্যান্সিয়াল প্ল্যানিং ও অ্যাকাউন্টিং এর মত বিষয় নিয়ে দুইবার স্নাতক সম্পন্ন করেছেন গ্রিফিথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।মাধ্যমিকের গন্ডি পেরোনোর আগেই অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য দেয়া শুরু করেন নিক। ৫৩ বার প্রত্যাখিত হওয়ার পর নিক যখন প্রথম মঞ্চে উঠলেন বক্তব্য দেয়ার জন্য তখন দর্শক সারি প্রায় পুরোটাই খালি হয়ে গিয়েছিলো। কিন্তু তাতেও হতাশ হননি।

ধীরে ধীরে মানুষের কাছে উনি এতটাই জনপ্রিয় হয়ে উঠেন যে ঘন্টায় এক হাজার আটশত লোককে বুকে জড়িয়ে ধরার জন্য গিনেজ বুকেও তার নাম উঠেছে। মাত্র দুইটি আঙ্গুল থাকা সত্বেও উনি এতটা দ্রুত টাইপ করতে পারেন যা অনেক স্বাভাবিক মানুষও পারে না। মিনিটে উনি ৪৫ টি শব্দ টাইপ করতে পারেন। নিক ভুজিসিক পেশায় একজন প্রেরণা সৃষ্টিকারী বক্তা। কণ্ঠ দিয়েই বিশ্ব জয় করেছেন। প্রায় ৬০ টির মত দেশে হাজারেরও বেশি বক্তৃতা দিয়েছেন। প্রেরণা যুগিয়েছেন ৫০ লক্ষাধিক মানুষের মনে। নিজে সকলের মাঝে প্রেরণা সৃষ্টি করে গেলেও ছোটবেলায় বেঁচে থাকার প্রেরণাই হারিয়ে ফেলেছিলেন। বিদ্যালয়ে, প্রতিবেশিদের কাছ থেকে সর্বদা তাকে লাঞ্ছনার শিকার হতো তার দেহের আকৃতির কারণে। তাই ১১ বছর বয়সে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছিলেন।

ব্রিসবেন, অস্ট্রেলিয়া, লস এঞ্জেলস, ক্যালির্ফোনিয়া সহ বিভিন্ন যায়গায় নিক “লাইফ উইদাউট লাইম্বস” নামের একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এর প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি। ২০১০সালে “লাইফ উইদাউট লিমিটসঃ ইন্সপাইরেশন ফর এ রিডিকুলাসলি গুড লাইফ” নামে নিক ভুজিসিক এর প্রথম বই প্রকাশিত হয়। এটি প্রায় ৩০ টি ভাষায় অনুদিত হয়েছে। তাছাড়াও আন্তর্জাতিকভাবে বেস্ট সেলার খেতাব অর্জন করেছে। এটি ছাড়াও এখন  পর্যন্ত উনি আরও পাঁচটি বই লিখেছেন। যেগুলোও প্রায় সমান জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। এছাড়াও তিনি এক ঘণ্টায় ১৮০০ মানুষকে বুকে জড়িয়ে বিশ্ব রেকর্ড।

২০১২ সালে নিক ভুজিসিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কানাই মিয়াহারার সাথে। তাদের এই বিয়ে ছিলো লাভ ম্যারেজ। মিয়াহারা কে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো আপনার সন্তান যদি নিক এর মত হয় তাহলে আপনি কি করবেন? প্রতিউত্তরে তিনি বলেন আমি তাকে আরেকজন নিক ভুজিসিক হিসেবে তৈরি করবো। বর্তমানে তাদের দুটি ছেলেও রয়েছে। ২০১৩ সালে তাদের প্রথম পুত্র কিয়োশি ও ২০১৫ সালে তাদের দ্বিতীয় পুত্র দিজান এর জন্ম হয়। স্ত্রী সন্তান নিয়ে নিক বর্তমানে দক্ষিণ ক্যালির্ফোনিয়া তে বসবাস করেন।
               
nick vujicic family
nick vujicic family-http://www.topbanglapages.com/
বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

  

Wednesday, May 2, 2018

২৫৬ বছরে ২৩ বার বিয়ে করে ২০০ সন্তানের জননী।

২৫৬ বছরে ২৩ বার বিয়ে করে ২০০ সন্তানের জননী।

 ২৫৬ বছরে ২৩ বার বিয়ে করে ২০০ সন্তানের জননী।

২৫৬ বছরে ২৩ বার বিয়ে করে ২০০ সন্তানের জননী
লি চিং- http://www.topbanglapages.com/
২৫৬ বছর বেঁচে থাকার বিষয়টি আপনি কি কখনো কল্পনাও করতে পারেন? অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি, চীনের এক ব্যক্তি ২৫৬ বছর বেঁচেছিলেন। ওই ব্যক্তির নাম লি চিং-ইউয়েন, যিনি একাধারে ছিলেন হারবালিস্ট, মার্শাল আর্টের শিক্ষক এবং যুদ্ধকৌশলী। চীনের সিচুয়ান প্রদেশের কুইজিয়াং জিয়ান গ্রামে তার জন্ম। লি চিং দাবি করেছিলেন, তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৭৩৬ সালে। কিন্তু কাগজপত্রে তার জন্ম তারিখ উল্লেখ ছিল ১৬৭৭ সাল। ১৬৭৭ সালে জন্মগ্রহণ করলে তার বয়স ২৫৬ এবং ১৭৩৬ সালে হলে বয়স ১৯৭ বছর। তবে তিনি যখনই জন্মগ্রহণ করুন না কেন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি দিন বেঁচে থাকা ব্যক্তি কিন্তু তিনিই। এতদিন কোনো ব্যক্তিরই বেঁচে থাকার রেকর্ড নেই। ধারণা করা হয়, তার দীর্ঘ দিন বেঁচে থাকার কারণ ছিল খাদ্যাভ্যাস। তিনি প্রচুর পরিমাণ শাকসবজি, এবং নানারকম বনের ফলমূল খেতেন। ১৬৭৭ সালে জন্মগ্রহণকারী লি চিং জীবদ্দশায় ২৩টি বিয়ে করেন এবং ২০০ সন্তানের জননী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

১৯৩০ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, চীনের চেংদু বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক য়ু চাং শি চায়না সাম্রাজ্যের কিছু নথি পেয়েছিলেন। তাতে দেখা যায়, ১৮২৭ সালে লি চিং-ইউয়েনকে ১৫০ তম জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছিল চীনা সরকার।আরেকটি নথিতে দেখা যায়,  ১৮৭৭ সালে লি চিং-ইউয়েনকে ২০০তম জন্মদিনের শুভেচ্ছাও জানানো হয় সরকারের পক্ষ থেকে।১৭৪৯ সালে ৭১ বছর বয়সে তিনি চীনের সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। সেখানে মার্শাল আর্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিতেন তিনি।

 তবে কী করে এই অসম্ভবকে তিনি সম্ভব করেছিলেন তা হল তিনি লিখতে-পড়তে পারতেন। ১০ বছর বয়সেই তিনি চীনের কানসু, শানসি, তিব্বত, আনাম, সিয়াম ও মাঞ্চুরিয়া প্রদেশ ভ্রমণ করেন ওষুধি লতাপাতা সংগ্রহের করতেন এবং সেগুলো খেতেন। লি চিং-ইউয়েন ভাত থেকে তৈরি মদ ও ওষুধি লতাপাতা খেতেন।দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকার রহস্য নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে , লি চিং ইউয়েন  বলেছিলেন, 'মনকে শান্ত রাখো, কচ্ছপের মতো বসো, কবুতরের ছন্দে হাঁটো আর কুকুরের মতো ঘুমাও।
নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

             
                

Friday, April 20, 2018

মৃত্যুর দরজা যেখানে গেলে মৃত্যু অবধারিত।

মৃত্যুর দরজা যেখানে গেলে মৃত্যু অবধারিত।

মৃত্যুর দরজা-http://www.topbanglapages.com/
 প্রাচীন গ্রিসে একটি রহস্যজনক নিদর্শন রয়েছে। সেই নিদর্শন বা জায়গার কথা বললে আপনার চোখ কপালে উঠবে। তবে তার নিকটে গেলেই বিপদ। মৃত্যুর অন্ধকারে টেনে নিয়ে যায় মানুষকে। বহু বছর ধরে তাই এই জায়গার ধারে-কাছে যায় না কেউ। অবশেষে সেই রহস্যজনক ঘটনা উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। 

‘হেডিস গেট’ নামে পরিচিত এই জায়গা। বর্তমানে এটি তুরস্কের ওয়েস্টার্ন ডেনিজিল প্রদেশে অবস্থিত। জানা যায়, এটির ধারে-কাছে যে কোনও মানুষ বা পশু গেলেই তার মৃত্যু অবধারিত। গবেষণা করে বিজ্ঞানীরা দেখেছেন, এটা কোন রুপকথার গল্পকথা নয়। এটাই বাস্তবে সত্যি ঘটনা।

সম্প্রতি প্রত্নতত্ত্বের উপর লেখা একটি জার্নালে বিজ্ঞানীরা বলছেন, ওই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে  কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়। আজও পর্যন্ত একইভাবেই বেরিয়ে আসছে বিষাক্ত গ্যাস। আর তাই সেখানে গেলেই মৃত্যু অনিবার্য। তবে সূর্য কোনদিকে উঠছে আর বাতাস কোনদিকে বইছে, সেটার উপর নির্ভর করে  কার্বন-ডাই-অক্সাইড নির্গত হয়। রাতে এত বেশি পরিমাণ গ্যাস বেরোয় যে, এক মিনিটের মধ্যে মানুষের মৃত্যু হতে পারে। প্রাচীন গল্পে শোনা যায়, এখানে অনেক মানুষ, ভেড়া, পাখির মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমানে এই জায়গায় সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে। যাতে করে সাধারন মানুষ মনের অজান্তে সেখানে না যেতে পারে। কেননা পিস্তলের গুলি মিস হলেও এখানে যাওয়ার সাথে সাথে মৃত্যু নিশ্চিত। এখানে কার্বন- ডাই- অক্সাইডের পরিমাণ এত বেশি যে মুহূর্তের মধ্যেই যে কোন প্রাণী মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তবে এর আগে অনেক মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। বর্তমানে মানুষ ভুল করেও এর আশেপাশে বা ধারের কাছে যায় না। এ জায়গাটা কিছুটা হলেও জাহান্নামের নমুনা।       

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

               

Sunday, April 15, 2018

হযরত ঈসা নবীর আগমনের অকাট্য প্রমাণ।

হযরত ঈসা নবীর আগমনের অকাট্য প্রমাণ।

হযরত ঈসা নবীর আগমনের অকাট্য প্রমাণ।

কিছুদিন আগে ঈসা নবীর আমলের সিলমোহর পাওয়া গিয়েছে। আর এই সিলমোহরে ঈসা নবির নাম স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে। এথেকে প্রমাণ হয় যে ঈসা নবীর আগমন ঘটেছিল পৃথিবীতে। এই সিলমোহরের প্রমাণ মিলেছে মধ্যেপ্রাচ্যের  ঐতিহাসিক পবিত্র নগরী জেরুজালেমে। সেখানেই সম্প্রীতি আবিষ্কার হয়েছে ২৭০০ বছর আগের পুরানো কয়েকটি পোড়ামাটির সিলমোহর। সেই পোড়ামাটির উপর স্পষ্ট আকারে লেখা আছে হযরত ঈসা নবীর নাম।

কিছুদিন আগে জেরুজালেমের ওজল এলাকায় বা দাউদ নবীর শহর খনন কালে এই সিলমোহরটি আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে কিছু সংখ্যক শ্রমীক মাটি খনন করছিলেন এমন সময় তারা মাটির গভীরে এই সীলমোহরটি দেখতে পায়। মাটি খোঁড়ার সময় কোদালের আঘাতে কিছু অংশ ভেঙ্গে যায় তা সত্ত্বেও ঈসা নবীর নাম স্পষ্ট করে বোঝা যাচ্ছে। এই সিলমোহরে ঈসা নবীর নাম হিব্রু ভাষায় লেখা ছিল। এই সীলমোহরটি ১০ ফুট লম্বা ছিল।

আমরা জানি প্রাচীন কালের কোন ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়নি। কাজেই ২৭০০ বছর আগের কোন কিছুই সঠিক আকারে বা দালিলিক প্রমাণ এখনও মেলেনি। কিন্তু  এই সিলমোহরের মাধ্যমে আমরা ঈসা নবীর আগমনের দালিলিক প্রমাণ পেয়েছি। আমরা জানি ইসলাম ধর্মের প্রধান চারটি কিতাবের মধ্যে একটি কিতাব হযরত ঈসা নবীর উপর নাজিল হয়েছিল। কাজেই ঈসা নবী হযরত মুহাম্মদ সঃ এর আসার পূর্বে একজন বিখ্যাত নবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে গিয়েছেন। তাই আমরা নিঃসন্দেহে ঈসা নবীর আগমনকে মনে প্রাণে বিশ্বাস করব।

আমার ওয়েবসাইট সম্পর্কে আপনার অভিমত বা কোন পরামর্শ থাকলে অবশ্যই জানাবেন।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

        
তারার সমুদ্র সৈকত (সমুদ্র নয় যেন তারার খেলা)

তারার সমুদ্র সৈকত (সমুদ্র নয় যেন তারার খেলা)

তারার সমুদ্র সৈকত (সমুদ্র নয় যেন তারার খেলা)

তারার সমুদ্র সৈকত
ভাদু আইল্যান্ড- http://www.topbanglapages.com/
 সমু্দ্র যাদের প্রিয় তাদের কাছে মালদ্বীপ অত্যন্ত পছন্দের একটি জায়গা। অপূর্ব সৌন্দর্য, মৃদুমন্দ বাতাস, শান্ত পরিবেশ এবং মধুচন্দ্রিমার জন্য একেবারে আদর্শস্থল। এই দ্বীপরাষ্ট্রেই লুকিয়ে রয়েছে একটি আশ্চর্য সমুদ্র সৈকত। যাইহোক, বলাই তো হয়নি কোন সৈকতে এইরকম নীল আলোর দেখা মিলে। মালদ্বীপের ভাধু দ্বীপের সৈকতে এই দৃশ্য দেখতে পারবেন। মালে থেকে ১৯৪ কিলোমিটার দূরে রা অ্যাটোলে এই সৈকত রয়েছে। ১.৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যে আর প্রস্থে ০.৪ কিলোমিটার এই দ্বীপে লোকসংখ্যা ৫৫০ জন।

মালদ্বীপ হচ্ছে পাহাড় ও দ্বীপের স্বর্গরাজ্য। প্রকৃতি তার অপরূপ রূপ যেন ঢেলে দিয়েছে সেখানে। বিশাল সমুদ্র, নীল আকাশ আর প্রবাল দ্বীপ। দ্বীপে দ্বীপে অসাধারণ সব সমুদ্র সৈকত। ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন মালদ্বীপ থেকে। দেখে আসতে পারেন মালদ্বীপের বিস্ময়কর এক সমুদ্র সৈকত। সেই সমুদ্র সৈকতে সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে ঢেউয়ের সাথে ভেসে আসে কোটি কোটি তারা।রাতের বেলা যখন ভাধু দ্বীপের তীরে আছড়ে পড়ে সাগরের ঢেউ, তখন মনে হয় যেনো আয়নার মতো স্বচ্ছ পানিতে প্রতিফলিত হচ্ছে রাতের আকাশের অসংখ্য উজ্জ্বল তারা।আবার কখনো কখনো মনে হয় বুঝি আকাশের তারাগুলো সব নেমে এসেছে ভাধু দ্বীপের তীরে। কথাটি মিথ্যে না বাস্তবে একদম সত্যি! দেখুন ছবিতেই কেমন লাখে লাখে তারা সৈকতে নেমে এসেছে।
তারার সমুদ্র সৈকত
vadu island maldiv-http://www.topbanglapages.com/
সৈকতে যেন তারাবাতি জ্বালিয়ে দিয়েছে কেউ। এই তারাবাতির রহস্য প্রকৃতির আরেক রহস্য। মনে হয় প্রকৃতি সৈকতকে সাজিয়ে দিয়েছে ফ্লুরোসেন্ট লাইটে। মিটিমিট নীল আলোয় তাক লাগানো এক বিস্ময়কর সুন্দর। এই উজ্জ্বল নীল আলো আর কিছুর নয়, এক ধরণের সামুদ্রিক ফাইটোপ্লাঙ্কটনের। ফাইটোপ্লাঙ্কটনের নাম ডিনোফ্লাজেলাটিস। এইসব ফাইটোপ্লাঙ্কটনে রয়েছে লুসিফেরাস নামক রাসায়নিক উপাদান যা আলো সৃষ্টি করতে পারে।

জোনাকি, জেলিফিসের মতো অনেক জীবেরই আছে আলো তৈরির করার ক্ষমতা। জীবের আলো তৈরি করার এই ক্ষমতাকে বলে বায়লুমিসেন্সসেস। এটা অবশ্যই প্রকৃতির এক আশ্চর্য ঘটনা। সাধারণত নিজেদের আত্মরক্ষা, শিকার ধরা, আক্রমনকারী প্রাণীকে বিভ্রান্ত করা জন্য এইসব ফাইটো প্লাঙ্কটন আলো বিচ্ছুরণ করে। এই ফাইটোপ্ল্যাঙ্কটগুলো নিজের উৎপাদিত নিল রঙের আলো বিকিরণ করে নীল আলোর ফিনকি ছড়িয়ে বিশ্বের অন্যতম সুন্দর ও অসাধারণ প্রাকৃতিক আলোর খেলার নিদর্শন তৈরি করে চলেছে, হাজার বছর ধরে রাতের আলো আঁধারিতে মালদ্বীপের ভাধু দ্বীপের তীরে।

        বিস্তারিত দেখতে ভিডিও টি দেখুনঃ

        

Tuesday, April 10, 2018

চার বছর বয়সে আট ভাষা শিখে রেকর্ড গড়েছেন একটি শিশু।

চার বছর বয়সে আট ভাষা শিখে রেকর্ড গড়েছেন একটি শিশু।

চার বছর বয়সে আট ভাষা শিখে রেকর্ড গড়েছেন এই শিশু।

চার বছর বয়সে আট ভাষা শিখে রেকর্ড গড়েছেন একটি শিশু
bella devyatkina-http://www.topbanglapages.com/
 চার বছরের এক শিশুকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়েছে।এই শিশুটির বাসস্থান রাশিয়াতে। এই শিশুটি মাত্র চার বছর বয়সে ৮টি বিদেশি ভাষায় গুলির বেগে কথা বলতে পারে। রাশিয়ার রাজধানী মস্কোতে বসবাস করেন এই শিশু। এই প্রতিভাবান শিশুটির নাম হল বেল্লা দেভিয়াতকিনা । বেল্লা দেভিয়াতকিনা মূলত একটি মেয়ে শিশু।
সম্প্রতি রাশিয়ার জনপ্রিয় টিভি চ্যানেলের একটি রিয়েলিটি শোতে  বেল্লা দেভিয়াতকিনা  বিদেশি ভাষায় তার পারদর্শিতা প্রমাণ করেছে। বেল্লা দেভিয়াতকিনা ইংরেজি,  রুশ,স্প্যানিশ, জার্মান, ফরাসি,  ইতালিয়ান,আরবি ও চায়নিজ ভাষায় কথা বলতে পারে।
বেল্লা দেভিয়াতকিনা-http://www.topbanglapages.com/
সাংবাদিকরা তার বাবা মায়ের কাছে তার পারদর্শিতার কথা জানতে চাই তখন তারা বলেন, তার বয়স যখন মাত্র দুই বছর, তখন থেকেই সে রুশ ভাষার পাশাপাশি ইংরেজি ভাষা শিখতে শুরু করে। বেল্লা দেভিয়াতকিনা খেলার ছলেই শিখতে বেশি পছন্দ করে। ভাষার প্রতি তার আগ্রহ বাড়তে থাকায় ধীরে ধীরে আরও যোগ হতে থাকে নতুন নতুন বিদেশি ভাষা। যখন বেল্লা দেভিয়াতকিনার চার বছর হয় তখন সে  আটটি ভাষায় পারদর্শিতা প্রমাণ করেছে।

টিভিতে লাইভ সম্প্রচারিত অনুষ্ঠানে দেখা যায়, আটটি দেশের প্রতিনিধিত্বকারী আটজনের সঙ্গে বেল্লা  দেভিয়াতকিনা অত্যন্ত সাবলীল ভঙ্গিতে তাদের সাথে কথা বলছে। শুধু বলতে পারাই নয়, বড় পর্দায় তাকে যখন প্রশ্ন পড়তে দেওয়া হয়, তা-ও সে পড়ে শোনায়। অনুষ্ঠানের উপস্থাপকিরা একটি গান গাইতে অনুরোধ করলে  বেল্লা দেভিয়াতকিনা স্প্যানিশ ভাষায় একটি গান গেয়ে শোনায়। বেল্লা দেভিয়াতকিনার এই অসাধারণ প্রতিভা দেখে  বিচারকসহ উপস্থিত দর্শকেরা রীতিমতো অবাক হয়ে যায়।
   
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও টির মাধ্যমে ঃ

                   

Monday, April 9, 2018

প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়ে।

প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়ে।

 প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়েঃ

প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়ে।
প্রজাপতি মাছ-http://www.topbanglapages.com/
প্রজাপতির মাছটি সাধারণত সামুদ্রিক মাছের একটি ছোট আকারের প্রজাতি, যা ক্রান্তীয় এবং উপজাতীয় জলে পাওয়া যায়, মূলত প্রবালদ্বীপগুলির কাছাকাছি। প্রজাপতি মাছটি তার উজ্জ্বল রঙীন শরীর এবং বিস্তৃত চিহ্নগুলির জন্য সুপরিচিত।প্রজাপতি মাছের ১০০ টিরও বেশি বিভিন্ন প্রজাতি রয়েছে যা আটলান্টিক, ভারতীয় ও প্রশান্ত মহাসাগর জুড়ে বিতরণ করা হয়েছে, যার মানে প্রজাপতি মাছটি (সামুদ্রিক) মাছের লবণাক্ত মাছ।

গড় প্রজাপতি মাছ মোটামুটি ছোট এবং প্রায় ৪ বা ৫ইঞ্চি দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি পায়। তবে প্রজাপতির মাছের কিছু প্রজাতি 8 ইঞ্চি (২0 সেমি) দীর্ঘ বৃদ্ধি পায় এবং কিছু প্রজাপতি মাছের মানুষ ৩০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পায় বলে জানা যায়।প্রজাপতি মাছ একটি ভাল রাখা অ্যাকোয়ারিয়ামে ১০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে তবে বন্যায় প্রায় ৭ বছর বয়সে পৌঁছে যাবে। প্রজাপতি মাছটি রাখা কঠিন মাছ কারণ এটি নিয়মিত এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য খুব নির্দিষ্ট জল অবস্থার প্রয়োজন এবং তাই প্রজাপতির মাছ বন্যার নির্দিষ্ট জলের অবস্থানে পাওয়া যায়।

প্রজাপতি মাছ সামুদ্রিক angelfish সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত যা রঙের অনুরূপ কিন্তু সামুদ্রিক angelfish প্রায়ই প্রজাপতি মাছ চেয়ে আকারে অনেক বড়। বাটারফ্লাই মাছটি তাদের শরীরের গাঢ় দাগ দ্বারা অন্ধকারাচ্ছন্ন, তাদের চোখের চারপাশে গাঢ় ব্যান্ড দ্বারা এবং প্রজাপতির মুখের মুখটি angelfish এর মুখের চেয়ে আরও বেশি নকশা দিয়ে আঁকা।

বাটারফ্লাই মাছ সারা দিনের মধ্যে খাবার খায় এবং রাতে প্রবাল শৈবালের মধ্যে বিশ্রাম নেয়। প্রজাপতির মাছের বেশিরভাগ প্রজাতি জল, প্রবাল এবং সমুদ্রের অ্যানোমোনগুলিতে প্ল্যাংক্টনকে খায় এবং মাঝে মাঝে ছোট ক্রাস্টেস্যান্সগুলিতে নষ্ট করে। প্রজাপতির মাছের বড় প্রজাতিগুলি মোটামুটি একক বা তার দলবদ্ধভাবে ঘোরাঘুরি করে।স্ন্যাপার, ঈল এবং হাঙ্গারের মতো মাছ সহ বেশ কয়েকটি বড় শিকারী দ্বারা প্রজাপতি মাছ শিকার হয়। প্রজাপতির মাছটি আকারে ছোট, কারণ এটি বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এবং নিজেকে রোধ করার জন্য প্রবালের ভেতরে সহজে ঢুকে যায়।
প্রজাপতি মাছ অবিকল প্রজাপতির মত উড়ে।
butterfly fish-http://www.topbanglapages.com/
বাটারফ্লাই মাছ তাদের ডিমকে পানিতে ফেলে দেয় যা প্ল্যাঙ্কটনের অংশ হিসাবে তৈরি হয় (এটি কারণে যে অনেক প্রজাপতি মাছের ডিম প্ল্যান্টনে বসবাসকারী প্রাণীদের দ্বারা অকস্মাৎ খেয়ে যায়)। যখন ডিমগুলি ছিঁড়ে যায়, শিশুর প্রজাপতি মাছ (ফ্রাই নামে পরিচিত) তাদের দেহে বর্মযুক্ত প্লেটগুলি বিকাশ করে। বাটারফ্লাই মাছের গড় জীবদ্দশায় ৮ থেকে ১০ বছর থাকে যদিও বড় বড় প্রজাপতির মাছ প্রজাতিগুলি পুরোনো হওয়ার জন্য পরিচিত।বর্তমানে, প্রজাপতি মাছটি একটি বিপন্ন প্রাণী হিসাবে বিবেচিত হয়, কারণ প্রজননের অভাব,পানি দূষণ এবং বাসস্থানের ক্ষতির কারণে হুমকির মুখে পড়ে।

বিস্তারিত  জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

 

কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ।

কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ।

কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ:

এই মাছের নাম হলো পিরানহা বা রাক্ষুসে মাছ। আসুন আমরা এই মাছ সম্পর্কে বিস্তারিত জানি। 

এদের আদি নিবাস দক্ষিণ আমেরিকা। ভেনিজুয়েলাতে এদেরকে বলা হয় কারিবেস । তীক্ষ্ণ দাঁত যুক্ত রাক্ষুসে মাছ হিসাবে এদের কুখ্যাতি আছে।সাধারণত পিরানহা পাওয়া যায় দক্ষিণ আমেরিকার ওরিনকো, আমাজান সাও ফ্রান্সিসকো নদীর অববাহিকায় এদের সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। যদিও শীতল পানিতে এরা বাঁচে না, তারপরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উইনেবাগো এবং উইসকোনসিন হ্রদেও এই মাছ দেখা পাওয়া যায়। এদের কিছু প্রজাতি এ্যাকুইরিয়ামে পালা হয়। বিভিন্ন সৌখিন মৎস্য প্রেমিকের দ্বারা এই মাছ পৃথিবীর অন্যান্য অঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়েছে। যেমন বাংলাদেশের কাপ্তাই হ্রদ এবং অন্যান্য জলাশয়ে এই মাছ কিছু কিছু ধরা পড়ছে। সম্প্রতি চীনের লিজিয়াং নদীতে এই মাছ পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে অসৎ মৎস্য ব্যবসায়ী থাই রূপচাঁদা নামে এই মাছ বাজারে বিক্রয় করে থাকে। বাংলাদেশে এই মাছের চাষ বা বিক্রয় নিষিদ্ধ।বাংলাদেশে এই মাছ কীভাবে এলো সেটা জানা না গেলেও ধারণা করা হয় থাইল্যান্ড থেকে প্রথম এই মাছ বাংলাদেশে আনা হয়।
কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ।
piranha fish-http://www.topbanglapages.com/
এ্যাকুয়ারিয়ামের বাহারি মাছ হিসেবে বাংলাদেশে এর আগমন হলেও প্রথমে উৎসাহী হ্যাচারি টেকনিশিয়ানের হাতে সফল প্রজননের পর এ্যাকুয়ারিয়ামের গণ্ডি ছাড়িয়ে চলে যায় চাষের পুকুরে। বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এই মাছ চাষ ও বিক্রি হচ্ছে। রাক্ষুসে প্রজাতির এই মাছে রয়েছে শক্ত ও তীক্ষ্ণ দাঁত এবং শক্তিশালী চোয়াল। এ জন্য এরা খুব সহজেই শিকারি প্রাণীর দেহ ফুটো বা মাংস ছিঁড়ে নিতে পারে। সাধারণত এরা মাংসাশী স্বভাবের মাছ।বর্তমানে যে সকল প্রজাতির পিরানহা দেখা যায়, সেগুলোর প্রকৃত সংখ্যা যথার্থরূপে উপস্থাপন করাটা মুশকিল। কারণ এর নতুন নতুন প্রজাতি এখনো আবিস্কৃত হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০ প্রকার পিরানহা শনাক্ত করা হয়েছ। ধারণা করা হচ্ছে শেষ পর্যন্ত এর প্রজাতির সংখ্যা ৬০ এর বেশিও হতে পারে।

শারীরিক গঠনঃ

প্রায় সব ধরনের পিরানহা মাছেই আছে রেজরের মত ধারালো দাঁত ও অত্যন্ত শক্ত নিম্ন চোয়াল। আর এজন্যই ওরা খুব দ্রুত কামড়িয়ে খেতে পারে। এতে শক্তিশালী নিম্ন চোয়াল ছাড়াও আছে উন্নত ও পুরু মাংসপেশি ও পার্শ্বীয়ভাবে চাপা দেহ। লক্ষণীয় যে, পিরানহার নৌকার পাটাতনের (keel ) ন্যায় শারীরিক গঠন (মাথা হতে লেজ পর্যন্ত), বড় ও শক্তিশালী লেজ, ছোট ছোট আঁইশ দিয়ে ঢাকা শরীর দেখতে পাওয়া যায়; যা দ্রুত সাঁতরানোর জন্য সহায়ক। পিরানহার চোখ দুটি বেশ বড় এবং দ্রুত শিকার ধরে সহায়ক। আবার এর নাকটিও বেশ বড় যাতে আছে অধিক দ্রুত পানি প্রবাহ নির্গমনের উপযোগী বড় বড় নাসারন্ধ্র এবং এটি শিকারের গন্ধ অনুসরণের জন্য উপযোগী। এই ধরনের শারীরিক গঠনের জন্যই এটি যেমন ক্ষিপ্র গতি সম্পন্ন তেমনি শক্তিশালী আক্রমণকারী। এসব বৈশিষ্ট্যই পিরানহাকে ভয়ঙ্কর এক রাক্ষুসে মাছের পরিচিতি প্রদান করেছে।
কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ
পিরানহা মাছ-http://www.topbanglapages.com/

পিরানহা বসবাসের স্থানঃ

খুবই আক্রমণাত্মক পিরানহা মাছের অনেক প্রজাতি স্বাদু পানিতে  এবং কিছু প্রজাতি লোনা পানিতে বসবাস করে। দক্ষিণ আমেরিকা, উত্তর আমেরিকা এমনকি আফ্রিকাতেও এদের নানা প্রজাতির বিচরণ দেখতে পাওয়া যায়। এসব এলাকার প্রচুর সংখ্যক নদী, খাল ও হ্রদে এরা বসবাস করে। বড় ও অগভীর জলাশয়ে বেশি দেখা গেলেও এ্যাকুয়ারিয়ামের ছোট্ট পরিবেশও এরা স্বচ্ছন্দে মানিয়ে নিতে পারে।

পিরানহার আচার আচরণ কেমনঃ

পিরানহা সাধারণত দলবদ্ধভাবে শিকার অনুসরণ ও আক্রমণ করে । দলবদ্ধভাবে অবস্থানকারী পিরানহা মাছকে আপাতদৃষ্টিতে শান্ত-ভদ্র মনে হলেও তাদের মধ্যে সবসময় পারস্পারিক অবিশ্বাস ও ভয় কাজ করে। কারণ তাদের মধ্যে ক্ষুধার্ত অবস্থায় তথা খাদ্য স্বল্পতা অবস্থায় নিজের প্রজাতির সদস্যদের ভক্ষণের প্রবণতা দেখা যায়। এ স্বভাবের জন্য  তারা পরস্পরকে মারাত্মকভাবে আহত করতে বা পরস্পরকে হত্যা করতেও সক্ষম। আর বেঁচে থাকার তাগিদে তাদের সবসময় অন্যদের অবস্থান জানা এবং আক্রমণের জন্য বা আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য প্রস্তুত থাকার প্রয়োজন হয়। তারা কুমিরের ন্যায় ধৈর্যের সাথে পাখির ছানাটি কখন ভুলক্রমে বাসা হতে পানিতে পড়বে এজন্যও অপেক্ষায় থাকে। এমনকি শক্ত খোসা বিশিষ্ট ফল, সাধারণ ফলফলারি,  বীজ বা পাতা খেয়েও ক্ষুধা নিবারণ করে। শুষ্ক মৌসুমে খাদ্যাভাব দেখা দিলে সবল পিরানহা নিজেদের দলের দুর্বল সদস্যকে আক্রমণ করে থাকে। খাদ্য স্বল্পতা বা ক্ষুধার্থ অবস্থার চেয়ে প্রজননকালে এরা আরও বেশি আগ্রাসী স্বভাব প্রদর্শন করে, এ সময় তারা হায়েনার মত পরস্পরের উপর বেশি আক্রমণাত্মক হয়। এ অবস্থায় একই জলাশয়ে স্বাভাবিকভাবেই তারা অন্য মাছের উপস্থিতিই সহ্য করে না, যদিও কখনো কখনো শান্ত আচরণও প্রকাশ করে থাকে। তাই বিজ্ঞানীরা মনে করেন যে এটি পরিবেশগত, খাদ্য ও বাসস্থানের অভাবের কারণেই হয়।
কুকুরের মত ঘেও ঘেও করে এক আশ্চর্য মাছ
piranha fish-http://www.topbanglapages.com/

পিরানহা খাদ্যভাসঃ 

পিরানহা সর্বভুক প্রকৃতির অর্থাৎ এরা উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় ধরণের খাবারই খেয়ে থাকে। তবে প্রাণীই এদের প্রথম পছন্দ। তবে মূল বিষয় হচ্ছে খাবার গ্রহণের সময় প্রকাশিত এদের আক্রমাত্মক চরিত্র যা বিশেষত খাদ্য স্বল্পতায় অধিক প্রদর্শিত হয়ে থাকে।

পিরানহার প্রধান প্রধান খাদ্যের তালিকাঃ

  1. জলজ উদ্ভদরাজির পাতা, ফল ও ফলের বীজ শামুক, ঝিনুক বা এদের ডিম
  2. জলজ মাছ ও পোকামাকড়ের ডিম, পোকামাকড়
  3. ছোট-বড় মাছ ,মৃত প্রাণী এবং যে কোন বয়সের ব্যাঙ ইত্যাদি



বিস্তারিত দেখতে ভিডিও টি দেখুনঃ

       

Tuesday, October 24, 2017

যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায় আর ফিরে আসে না।

যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায় আর ফিরে আসে না।

 যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায় আর ফিরে আসে না ঃ

যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায়
bermuda triangle-http://www.topbanglapages.com/
বিশ্বের যতোগুলো রহস্য নিয়ে এতদিন ধরে মানুষের সবচেয়ে বেশি জানার উৎসাহ ও জিজ্ঞাস্য ছিল, বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল তাদের মধ্যে থেকে প্রধানতম। এ এক এমন ধাঁধার নাম যা বছরের পর বছর ধরে মানুষকে বিস্ময়ে রেখে দিয়েছিল। হাজারো চেষ্টা করেও এর রহস্য সমাধান করতে পারছিলেন না কোন বিজ্ঞানীরা। মানুষ সর্বদা  জ্ঞানপিপাসু তাই অজানাকে জানতে আর নতুন কিছু প্রমাণের যে স্পৃহা তা সর্বদা বিজ্ঞানীদের মধ্যে পরিলক্ষিত হলেও তরুণ সমাজে আমাদের কাছে তা সর্বদাই আকর্ষণীয় একটা বিষয় হয়ে থাকে।তবে সম্ভবত বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যভেদে শেষপর্যন্ত সূত্র পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। ৫ লক্ষ বর্গ কিমি এই এলাকা জুড়ে বারমুডা, ফ্লোরিডা ও পুয়ের্তো রিকোকে ঘিরে ত্রিভূজ আকৃতির বলয় তৈরি করেছে।

একটি ধারণা সবার মধ্যে প্রচলিত আছে যে, বহিঃবিশ্বের কোনো অজানা প্রাণীর বাস সেখানে, যারা সর্বদা বসে আছে আশেপাশের সবকিছু গ্রাস করে নেবার জন্য। ধারণামতে ভিনগ্রহের মানুষেরা পৃথিবীতে এসে এ স্থানটিকে তাদের ঘাঁটি বানিয়ে নেয় এবং এ অঞ্চলের ভিতরে প্রবেশকারী সকল কিছুর চিহ্ন তারা গায়েব করে দেয় যাতে কেউ তাদের ব্যাপারে কিছুই জানতে না পারে। মজার বিষয় হিসেবে এই জায়গাকে তুলনা করা যেতে পারে ব্ল্যাকহোলের সাথে। যেখানে একবার কেউ প্রবেশ করলে বের হওয়া তো দূরের কথা তার কোনো অস্তিত্বও খুঁজে পাওয়া যায় না।
যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায়
bermuda triangle-http://www.topbanglapages.com/
যদিও আজ অব্দি অনেক গবেষণা হয়েছে এই ট্রায়াঙ্গল সম্পর্কে, তারপরও সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানীদের থেকে উঠে এসেছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এর আসল রহস্য। তারা বর্ণনা করেছেন যে সমুদ্রের এ জায়গায় ষড়যন্ত্র মেঘ  এর কারণে এক বায়ু গোলার সৃষ্টি হয় যার কারনে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৭০ কিলোমিটার ছাড়িয়ে যায়, যার কারনে আশেপাশের সবকিছু এই বিশাল ঢেউ সহ্য করতে না পেরে মিলিয়ে যায় আটলান্টিক সমুদ্রের বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এর অতল গহ্বরে। এই গবেষণাটিকেই আজ পর্যন্ত সমস্ত গবেষণার ঊর্ধ্বে স্থান দেওয়া হচ্ছে। আশা করা যায় সামনে নতুন কিছু কংক্রিট গবেষণার মাধ্যমে বের হয়ে আসবে নতুন আরো অজানা রহস্য, যার ফলশ্রুতিতে বাঁচানো যাবে অসংখ্য নিরীহ প্রাণ।

এই অঞ্চলের রহস্যের মূল কারণ হল এখানে কোনও জাহাজ বা বিমান একবার প্রবেশ করার পরই তার বেতার যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়, দিক নির্দেশক কম্পাস ভুল দিক নির্দেশ করতে থাকে। একসময় জাহাজটি বা উড়োজাহাজটি অদৃশ্য হয়ে যায়। যে জাহাজ বা বিমান একবার এর মধ্যে ঢুকেছে, তাদের আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। এসবই যুগের পর যুগ ধরে মিথ হয়ে রয়েছে এই রহস্যময় অঞ্চলকে ঘিরে।
যেখানে পৌঁছালে চলন্ত জাহাজ ও উড়োজাহাজ যাত্রীসহ উধাও হয়ে যায়
bermuda triangle-http://www.topbanglapages.com/
আর তাই একে ঘিরে তৈরি হয়েছে একেরপর এক গল্প। কখনও শত্রুপক্ষের আক্রমণের গল্প করা হয়েছে, আবার কখনও এমনকী ভিনগ্রহের বাসিন্দাদেরও এই ঘটনার নেপথ্যে থাকার জন্য দায়ী করা হয়েছে।তবে সমাধান সম্ভবত পেয়ে গিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।সম্প্রতি ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেলে একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে, তাতে বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, চূড়ান্ত আবহাওয়ার কারণে এই অঞ্চলে ষড়ভূজ মেঘের উৎপত্তি ও গঠনই জাহাজ ও বিমানের গায়েব হওয়ার পিছনে দায়ী।

বলা হচ্ছে, এই অঞ্চলে এই ষড়ভূজী মেঘ এমনভাবে জমাট বাঁধছে যে তার ফলে 'বায়ুবোমা' তৈরি হচ্ছে। যার ফলে বাতাসের গতি বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১৭০ মাইল বা ২৭৩ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যার ক্ষমতা রয়েছে জলে ভাসা বড় জাহাজ অথবা আকাশে ওড়া বিমানকে সমুদ্রের বুকে আছড়ে ফেলার।এই ধরনের বায়ুর গোলা সমুদ্রের উপরে আছড়ে পড়ে বিস্ফোরণ করে, ফলে তুমুল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয় যা এই অঞ্চলকে অশান্ত করে তোলে, এমনটাই জানানো হয়েছে রিপোর্টে।তবে এই ধরনের রিপোর্ট কিছু নতুন নয়। এর আগেও বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে অনেক রিপোর্ট বেরিয়েছে। এই ঘটনাই আসল কারণ কিনা সেটা আরও ভবিষ্যতে যাচাইয়ের পরই বোঝা যাবে।

সর্বপ্রথম এই জায়গার আবিষ্কার করেন আমেরিকার উদ্ভাবক কলম্বাস। তার বর্ণনামতে, তার জাহাজের নাবিকেরা বারমুডা ট্রায়াঙ্গল পাড়ি দেবার সময় দেখেছিল আলোর নাচানাচি আর আকাশে ধোঁয়া। এছাড়া কলম্বাস আরো লিখেছেন যে এই জায়গায় এসে তার কম্পাসও ভুল নির্দেশনা দিচ্ছিলো। আজ পর্যন্ত অসংখ্য জাহাজ এবং উড়োজাহাজ হারিয়ে গেছে এই ট্রায়াঙ্গলে যার কোনো চিহ্ন আজও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হয় এ পর্যন্ত ৫০টি বাণিজ্যিক জাহাজ ও ২০ টি বিমান হারিয়ে গেছে এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

Tuesday, May 30, 2017

দেখুন বিস্ময়কর আত্মার প্রতিচ্ছবি।

দেখুন বিস্ময়কর আত্মার প্রতিচ্ছবি।

দেখুন বিস্ময়কর আত্মার প্রতিচ্ছবিঃ

দেখুন বিস্ময়কর আত্মার প্রতিচ্ছবি

আত্মা শব্দটি বহুল সমালোচিত একটি শব্দ। বিভিন্ন ধর্মে আত্মাকে নিয়ে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। তবে অন্যান্য ধর্মে আত্মা কথাটির সঠিক সংজ্ঞা আজও পর্যন্ত পাওয়া যায় নি। কেবলমাত্র ইসলাম ধর্মে আত্মা  কথাটির স্পষ্ট সংজ্ঞা পাওয়া গিয়েছে।পবিত্র কুরআনে আত্মাকে বলা হয়েছে রুহ্ বা নফ্স। ইসলামে দেহের সাথে সংযুক্তির পূর্বে আত্মার অস্তিত্ব নেই। দেহ বা আত্মা একই সাথে অস্তিত্ব লাভ করে।মানুষের সব ক্রিয়াকাণ্ডের মূলে রয়েছে আত্মার সক্রিয় ভূমিকা। মানবাত্মা আল্লাহ তায়ালার এক বিস্ময়কর ও রহস্যময় সৃষ্টি। আত্মা দেহকে সঞ্জীবিত করে তোলে এবং দেহে গতি সঞ্চার করে। দেহ ছাড়াও আত্মা থাকতে পারে তবে আত্মা ছাড়া দেহ অচল। মানবদেহ আত্মার নির্দেশ পালনের হাতিয়ারস্বরূপ। হুকুম তামিল করার জন্য সে সদা প্রস্তুত।

মানুষ যখন ঘুমায় তখন তার আত্মা কোথায় থাকে? কেউই জানেনা সে কখন ঘুমিয়ে যায়। আর ঘুমের মধ্যে যে আলাদা জগত সে সম্পর্কেও মানুষ অজ্ঞ। কখনো কি ভেবে দেখেছেন সে জগত সম্পর্কে? আজ আমরা জানবো কোথায় থাকে মানুষের আত্মা। ইসলাম ধর্ম অনুসারে মানুষ যখন ঘুমায় তার আত্মাকে আসমানে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে আত্মা বা রূহ শব্দের নির্ভরযোগ্য সংজ্ঞা হল,আত্মা হলো জীবেরই একটি অংশ। মানুষ যখন জীবিত থাকে তখন তার দেহের মধ্যে আত্মা থাকে আর মানুষ যখন মৃত্যুবরণ করে তখন তার দেহ থেকে আত্মা বের হয়ে যায়। তখন তার দেহের আর কোন মূল্য থাকে না,দেহ তখন পুরোটাই অচল হয়ে যায়। তবে ইসলাম অনুসারে যদি কোন ব্যক্তি সৎ বা পূর্ণ কাজ করে থাকে তাহলে তার আত্মাকে  জান্নাতের আরোশে নিয়ে যাওয়া হয়। আর যদি খারাব বা মন্দ কাজ করে থাকে তাহলে আত্মাকে জাহান্নামী করা হয়।

মৃত্যুর পর কোনো মানুষ পুনরায় দুনিয়ায় আগমন করে না। এটা সম্ভবও নয়। তবে ভারতীয় হিন্দু সম্প্রদায় মনে করেন, আত্মা ভারতীয় ধর্ম ও দর্শনের একটি মৌলিক ধারণা। আত্মার ধারণা সম্পর্কে প্রাচ্য ও প্রতীচ্য ভাবধারায় দুটি বিপরীতধর্মী মতামত রয়েছে। আত্মাকে সাধারণত একটি স্থায়ী আধ্যাত্মিক সত্তা মনে করা হয়। এই সত্তা দেহকে কেন্দ্র করে বেঁচে থাকে ও মৃত্যুবরণ করে এবং মৃত্যুর পর অন্য দেহে অবস্তান্তর প্রাপ্তি হয়।মৃত্যুর পর পুনর্জন্ম ও জন্মান্তরের বিশ্বাস হিন্দু ও বৌদ্ধদের বিশ্বাস। তাদের ধারণামতে, মানুষ পৃথিবীতে সৎ কর্মশীল হলে মৃত্যুর পর তারা সৎ মানুষ হিসেবে পৃথিবীতে পুনর্জন্ম লাভ করে ফিরে আসে। আর অসৎ মানুষ কুকুর, বিড়াল, শূকর ইত্যাদি বিভিন্ন পশু রুপে পৃথিবীতে ফিরে আসে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

       

Tuesday, May 16, 2017

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না। The birds can not fly despi...

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না। The birds can not fly despi...

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে নাঃ

পৃথিবীতে এমন কিছু পাখি আছে যাদের ডানা থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে না। আজকে আমি এমন কয়েকটি পাখি সম্পর্কে আলোচনা করব। 

উটপাখিঃ

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না।
উটপাখি-http:// www.topbanglapages.com
পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ ও বড় পাখির নাম হল উটপাখি।তবে এই পাখিটি কোনরকম উড়তে পারে না।আফ্রিকার সাহারা মরুভূমির দক্ষিণের তৃণভূমিতে এরা বসবাস করে। এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৯৯ লক্ষ ৮০ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এদেরবসবাস। বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই কমছে, তবে আশঙ্কাজনক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।  এই উটপাখি উচ্চতায় ৩ মিটার ওজনে ১৫০ কেজি হতে পারে।পাখিদের মধ্যে এটাই সবচেয়ে দ্রুতগামী।এরা ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে দৌড়াতে পারে। একমাত্র পাখি যার পায়ে দুটি মাত্র আঙুল রয়েছে।

খাদ্যাভ্যাসের দিক থেকে উটপাখি তৃণভোজী হলেও এটি প্রায়ই অমেরুদণ্ডী প্রাণী শিকার করে। এরা দলবদ্ধ জীব। ৫ থেকে ৫০টি সদস্যের যাযাবর দলে এরা ঘুরে বেড়ায়। হরিণ, জেব্রা, প্রভৃতির সাথেও দল বেঁধে চলাফেরা করে। বিপদে পড়লে উটপাখি সাধারণত শুয়ে লুকিয়ে পড়ে অথবা দৌড়ে পালিয়ে যায়। কোণঠাসা হয়ে পড়লে শক্তিশালী পা দিয়ে লাথি দেয় বা শক্ত ঠোঁট দিয়ে ঠোক দেয়। অঞ্চলভেদে প্রজননে বিভিন্নতা দেখা দেয়। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে একটি পুরুষ তার নিজস্ব এলাকা দখল করে ফেলে।বিশ্বে উটপাখি পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। বিশ্ববাজারে এর চামড়া, মাংস, পালক ইত্যাদির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।

ইমু পাখিঃ 

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না।
emu pakhi-http:// www.topbanglapages.com
অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্যতিক্রমী পাখির নাম হলো ইমু, যারা উড়তে অক্ষম। অস্ট্রেলিয়া মহাদেশের বৃহত্তম এই পাখিটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাখি হিসেবে পরিচিত। পাখিটি উচ্চতায় প্রায় মানুষের সমান হয়ে থাকে। গড়ে ইমু পাখির উচ্চতা প্রায় পাঁচ ফুট এবং ওজন প্রায় ৪৫ কেজি। উড়তে না পারলেও ইমুরা দ্রুতগতিতে দৌড়াতে পারে। ঘণ্টায় প্রায় ৫০ কিলোমিটার বেগে ইমুরা ছুটতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার বিস্তৃত সমতল ভূমি আর ঝোপঝাড়ের মধ্যে এই পাখি বাস করে। শান্ত স্বভাবের এই পাখি ফলমূল, ঘাসপাতা খেয়ে থাকে। মেয়ে পাখিরা ডিম দিয়ে তা মাটিতে ছোট গর্ত করে লুকিয়ে রাখে। ইমুদের সবুজ রঙের ডিমগুলো দেখতে খুবই সুন্দর। এই ডিমগুলোর ওজন এক কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। মজার ব্যাপার হলো, ডিম থেকে বাচ্চা ফোটানোর দায়িত্ব পুরুষ ইমুদের। পুরুষ ইমুরা ডিমে তা দিয়ে বাচ্চা ফোটানো এবং বাচ্চাদের দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করে থাকে। একেকটি ইমু ১০-২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। বর্তমানে এই পাখিগুলোর অনেক প্রজাতি বিলুপ্ত হয়ে গেছে। একসময় ইউরোপে ইমুর চর্বি জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। সে সময়ে বহু ইমু হত্যা করা হয়। পরে অস্ট্রেলিয়া সরকার আইন করে ইমু হত্যা বন্ধ করে তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। 

কিউই পাখিঃ  

ডানা থাকা সত্ত্বেও যে পাখিগুলো উড়তে পারে না।
kiwi pakhi-http:// www.topbanglapages.com
নিউজিল্যান্ডের জাতীয় পাখির নাম হল কিউই। বিপন্ন এই পাখিটি শুধুমাত্র নিউজিল্যান্ডেই পাওয়া যায়। কিউই পাখি হলেও স্তন্যপায়ী প্রাণীদের অনেক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে এদের মিল রয়েছে। শরীরের পালক স্তন্যপায়ীদের শরীরের লোমের মতো পাতলা ও চিকন, মানুষের মতো এদেরও অস্থিমজ্জা থাকে। সারা বিশ্বে এটিই সম্ভবত একমাত্র পাখি যার নাসারন্ধ্র অবস্থিত চঞ্চুর একদম শেষ প্রান্তে। এদের দৃষ্টিশক্তি খুব ক্ষীণ, দিনের বেলায় মাত্র ২ ফুট দূরত্বে দেখতে পারে। আর এ কারণেই অত্যন্ত প্রখর ঘ্রাণশক্তির মাধ্যমে এরা খাদ্য খুঁজে বের করে। এদের শরীরে পাখনা থাকলেও উড়তে পারে না। অন্যান্য পাখির একটিমাত্র গর্ভাশয় থাকলেও স্ত্রী কিউই পাখির গর্ভাশয় দুটি। এরা নিশাচর প্রকৃতির পাখি। এদের প্রধান খাদ্য কেঁচো হলেও শামুক, ঘুণপোকা, মাকড়সা, বিছেসহ বিভিন্ন উদ্ভিদের বীজ, ফল ইত্যাদি খেয়ে থাকে। এরা সাধারণত ৮০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে এবং স্ত্রী পাখি পুরুষ পাখির চেয়ে আকারে বড়। মজার বিষয় হল- অন্যান্য পাখির সঙ্গে তুলনা করলে শরীরের আকারের পরিপ্রেক্ষিতে এরা সবচেয়ে বড় ডিম পাড়ে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

 

Sunday, May 14, 2017

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী।

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী।

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণীঃ

 পৃথিবীতে এমন কিছু প্রাণী আছে যাদের ডানা না থাকা সত্ত্বেও আকাশে উড়তে পারে। এসকল প্রাণী গুলো সাধারণত অন্যান্য প্রাণী থেকে বিশেষ গুণ ক্ষমতার অধিকারী হয়। আজকে এমন পাঁচটি প্রাণী সম্পর্কে আলোচনা করব।

১. উড়ুকুক সাপঃ 

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী

এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছে উড়ুকুক সাপ। সাপ হচ্ছে এক প্রকার সরীসৃপ জাতীয় প্রাণী যারা বুকে ভর করেই চলা ফেরা করে থাকে। সেই সাপকে যদি দেখা যায় বাতাসে সাহায্যে উড়ে বেড়াতে তখন ব্যাপারটা একটু আশ্চর্যকর! পৃথিবীতে এমন প্রজাতির সাপও আছে যারা বাতাসে ভেসে পথ পাড়ি দিতে পারে। আর এমন কিন্তু সাপ আমাদের দেশেও দেখতে পাওয়া যায়। আর আমরা এই সাপদের বলা থাকি উড়ুক্কু সাপ। এই উড়ুক্কু সাপ বিশেষ এক কৌশল অবলম্বন করে বাতাসে ভেসে থাকার জন্য সক্ষমতা অর্জন করে। তাদের শারীরিক গঠনও অন্যান্যদের চেয়ে একটু বিশেষ ধরনের। এদের শরীর অন্যান্য সাপের তুলনায় অনেক হালকা। আর যার ফলে তারা তাদের নিজের শরীরটাকে প্রথমে একেবারে কুঁচকে ফেলে। তারপর লেজের শেষ অংশ দিয়ে বিশেষভাবে মাটিতে জোরে ধাক্কা দিয়ে মাথাটাকে শূণ্যের দিকে দিয়ে আকাশে উড়ে। উড়ার সময় বাতাসে এরা তাদের শরীরটাকে কিছুটা প্রসারিত করে যার ফলে এরা উড়ে যেতে পারে নিজেদের কাঙ্ক্ষিত জায়গাতে।

২. গিরগিটিঃ 

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী

তালিকায় ২য় স্থানে রয়েছে গিরগিটি। গিরগিটি আছে নানান প্রজাতির। এদের মধ্যে থেকে কয়েকটি প্রজাতি উড়ে বেড়াতে পারে। যে সব গিরগিটি ভেসে ভেসে উড়ে বেড়াতে পারে তাদের দৈহিক ভাবে কিছু বিশেষ গুণ ক্ষমতা রয়েছে। এসব গিরগিটিদের শরীরের দুই পাশে রয়েছে একটু বাড়তি চামড়া। এই চামড়া অনেকটা পাখির ডানার মতো কাজ করে। এজন্য কোনো গাছের ওপরের দিকের ডাল থেকে এই গিরগিটিরা প্রথমে লাফ দেয় শূণ্যের দিকে। তারপর তাদের শরীরের দুপাশে ভাঁজ করে রাখা চামড়া মেলে ধরে দুপাশে, ঠিক যেন পাখির ডানার মতো। তারপর বাতাসের গতি এবং শরীরের ভরকে কাজে লাগিয়ে তারা উড়ে বেড়াতে সক্ষম হয়। এই চামড়া আবার উড়ুক্কু গিরগিটিরা ভাঁজ করে লুকিয়ে রাখতে পারে তাদের শরীরের দুইপাশে। যখন  তাদের বাতাসে ভেসে বেড়ানোর প্রয়োজন হয় তখনই তারা অংশটুকু বের করে এরা আকাশে ভাসে।

৩.লেমুরঃ

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী

এই তালিকায় ৩য় স্থানে রয়েছে লেমুর। লেমুর হল মাদাগাস্কারের প্রাইমেট গোত্রভুক্ত কিছু প্রাণীর সমষ্টিগত নাম। ল্যাটিন শব্দ lemurs থেকে লেমুর শব্দটির উৎপত্তি যার অর্থ ভূতের মত। রাতের আধারে লেমুরের মুখে আলো ফেললে অনেকটা ভূতের মত দেখায় তাই এর নামকরণ এভাবে করা হয়েছে। প্রাকৃতিক ভাবে লেমুর সাধারনত আফ্রিকার মাদাগাস্কারেই দেখতে পাওয়া যায়।লেমুররা সামাজিক প্রাণী এবং এরা দলগত ভাবে বসবাস করে। একটি দলে সর্বোচ্চ ১৫ টি লেমুর থাকতে পারে।দলবদ্ধ ভাবে থাকার পরেও এদের সামাজিক অবস্থানটা অনেকটা স্বতন্ত্র। এরা জোড়ায় বা একাধিক পুরুষ বিশিষ্ট পরিবারেও থাকতে পারে। নিশাচর লেমুররা সচরাচর স্বতন্ত্র ভাবে ঘোরাফেরা করলেও সচরাচর দিনের বেলা এরা দলের সাথে যোগ দেয়।তবে এই প্রাণীর কোন রকম ডানা নেই তা সত্ত্বেও পা দিয়ে মাটিতে জোরে ধাক্কা দিয়ে বেশ দূর পর্যন্ত উড়ে যেতে পারে।

৪.পেঙ্গুইনঃ 

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী

এই তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে পেঙ্গুইন। পেঙ্গুইনের বাস দক্ষিণ মেরুবলয়ের আশেপাশে। এরা সবাই দিবাচর আর সমুদ্রবাসী। দুর্দান্ত সাঁতারু এবং তাড়া করে মাছ ধরে। হাঁটতে অপটু, তবে উবুড় হয়ে শুয়ে দুই হাতডানা নেড়েচেড়ে বরফের উপর দিয়ে এগিয়ে যায়। বুক পেট ধবধবে সাদা, বাকি শরীর কালো বা নীলচে। বরফরাজ্যের বাসিন্দা পেঙ্গুইন সাঁতারে দারুণ পটু। আর এই বিশেষ দক্ষতার কারণেই হয়তো আকাশে ভেসে বেড়ানোর ক্ষমতা তাদের একটু কম। গবেষকেরা এমনটিই বিশ্বাস করেন। পেঙ্গুইনের ডানা খুবই ছোট এবং সাঁতারের জন্য যতটা উপযোগী, উড়ার জন্য ঠিক ততটাই উপযোগী নয়। কিন্তু সম্প্রতিকালে কিছু গবেষকরা আবিষ্কার করেছেন পেঙ্গুইন আকাশে উড়তে পারে। নিচের দেওয়া ভিডিও টির মাধ্যমে বিস্তারিত দেখে নিবে।
     

৫. উড়ন্ত কাঠবিড়ালীঃ  

ডানা না থাকা সত্ত্বেও উড়তে পারে এমন ৫ টি আজব প্রাণী

তালিকায় ৫ম স্থানে রয়েছে উড়ন্ত কাঠবিড়ালী। কাঠবিড়ালীরা সাধারণত গাছের এডাল ওডাল সারাদিন ঘুরে উড়ে বেড়ায়। তবে কিছুকিছু কাঠবিড়ালী আছে যারা এগাছ থেকে ওগাছে যাবার জন্য ব্যবহার করে তাদের উড়তে পারার সক্ষমতা। আর তাদের উড়তে সাহায্য করে তাদের শরীরের ও লেজের গঠন। এদের লেজ এদের শরীরের থেকেও বড় ও লোমশ হয় । উড়ার জন্য কাঠবিড়ালীরা এক গাছের উঁচু ডাল থেকে লাফিয়ে পড়ে এবং তাদের শরীরের দুইপাশে থাকা চামড়া সম্প্রসারিত করে যার ফলে শূন্যে ভাসতে থাকে। উড়ার সময় কাঠবিড়ালীরা তাদের মোটা লোমশ লেজটাকে কাজে লাগায় যার মাধ্যমে তারা সঠিক গন্তব্যে পৌছায়। লেজের মাধ্যমে দিক নির্ণয় করে কিছুদূর গিয়ে কাঁঠবেড়ালী কাছের যে কোন স্থানে নেমে আসে। আর এ সময় বিড়ালের মতো কাঁঠবিড়ালীর পায়ের নিচে থাকা নরম মাংশপিন্ড তাকে সাহায্য করে মাটিতে নেমে আসার জন্য।


বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ