Showing posts with label শিক্ষা ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা ও প্রযুক্তি. Show all posts

Saturday, February 22, 2020

জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর।

জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর।

জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর।

হ্যালো বন্ধুরা আমি আজকে আলোচনা করবো জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর। আজকের এই আলোচনায় উঠে আসবে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহরের কথা। আপনারা জনসংখ্যাকে আয়তনের সাথে গুলিয়ে ফেলবেন না। কারণ কোন কোন জেলার আয়তন বেশি হতে পারে কিন্তু জনসংখ্যার দিক দিয়ে তা কম। কাজেই আজকের টপিক হচ্ছে জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষে থাকা ১০ টি শহরের কথা। এই টপিকটি গুগল, ওয়িকিপিডিয়া,বাংলাদেশ গভমেন্ট সাইট ও বিভিন্ন সোর্স থেকে সম্পূর্ণ নির্ভুলভাবে উপাস্থাপন করা হয়েছে।  

জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর। 

  1. ঢাকা জেলা
  2. চট্টগ্রাম জেলা
  3. কুমিল্লা জেলা
  4. ময়মনসিংহ জেলা
  5. সিলেট জেলা
  6. নারায়ণগঞ্জ জেলা
  7. রংপুর জেলা
  8. রাজশাহী জেলা
  9. বরিশাল জেলা
  10. খুলনা জেলা

১। ঢাকা জেলাঃ 

ঢাকা দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্র বাংলাদেশের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর। প্রশাসনিকভাবে এটি দেশটির ঢাকা বিভাগের প্রধান শহর। ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশের মধ্যভাগে বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তর তীরে একটি সমতল এলাকাতে অবস্থিত। ঢাকা একটি অতিমহানগরী বা মেগাসিটি নামে পরিচিত। ঢাকা মহানগরী ১৬৮৩.২৭ বর্গকিলোমিটার আয়তনের জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫০ লক্ষ। জনসংখ্যার বিচারে এটি দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ বৃহত্তম শহর (দিল্লি, করাচি ও মুম্বইয়ের পরেই) এবং সমগ্র বিশ্বের নবম বৃহত্তম শহর। জনঘনত্বের বিচারে ঢাকা বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ মহানগরী।

২। চট্টগ্রাম জেলাঃ  

চট্টগ্রাম ঐতিহাসিক নাম পোর্টো গ্র্যান্ডে এবং ইসলামাবাদ।  চট্টগ্রাম বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর। বন্দরনগরী নামে পরিচিত শহর, দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত পাহাড়, সমুদ্রে এবং উপত্যকায় ঘেরা চট্টগ্রাম শহর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যে প্রাচ্যের রাণী হিসেবে বিখ্যাত। ঢাকার পর বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ শহর হচ্ছে চট্টগ্রাম। এখানে দেশের সর্ববৃহৎ বন্দর ছাড়াও বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এটি এশিয়ায় ৭ম এবং বিশ্বের ১০ম দ্রুততম ক্রমবর্ধমান শহর। ৫২৮৩ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে  ৭৯ লক্ষ ১৩ হাজার ৩ শত ৬৫ জনের বসবাস রয়েছে। 

৩।  কুমিল্লা জেলাঃ 

কুমিল্লা বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব প্রান্তে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত একটি মহানগর। এটি ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা এর পর বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।এটির মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন ৩০৮৭.৩৩ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ৫৬ লক্ষ ০২ হাজার ৬ শত ২৫ জন। এটি চট্টগ্রাম বিভাগে অবস্থিত কুমিল্লা জেলার প্রশাসনিক কেন্দ্রবিন্দু।

৪। ময়মনসিংহ জেলাঃ  

ময়মনসিংহ বাংলাদেশের সপ্তম বৃহত্তম শহর। বাংলাদেশের প্রধান শহরগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম। এটি ময়মনসিংহ জেলার প্রায় কেন্দ্রভাগে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত। নদীর তীর জুড়ে থাকা শহর-রক্ষাকারী বাঁধের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ে নিয়ে গড়ে উঠেছে ময়মনসিংহ পার্ক যা শহরবাসীর মূল বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত। বর্তমানে পার্কের অনেক দৃশ্যমান উন্নয়ন করা হয়েছে। ৪৩৬৩.৪৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে  ৫৩ লক্ষ ৩০ হাজার ২ শত ৭২ জনের বসবাস রয়েছে।


৫। সিলেট জেলাঃ

সিলেট উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের একটি প্রধান শহর, একই সাথে এই শহরটি সিলেট বিভাগের বিভাগীয় শহর। এটি সিলেট জেলার অন্তর্গত। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন এলাকাই মূলত সিলেট শহর হিসেবে পরিচিত। সিলেট ২০০৯ সালের মার্চ মাসে একটি মেট্রোপলিটন শহরের মর্যাদা লাভ করে। ৩৪৫২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে ৩৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ১ শত ৩৮ জনের বসবাস রয়েছে।

০৬। নারায়ণগঞ্জ জেলাঃ   

নারায়ণগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলের ঢাকা বিভাগের একটি জেলা। নারায়ণগঞ্জ শহরে এ জেলার প্রশাসনিক সদরদপ্তর অবস্থিত। অত্যন্ত প্রাচীন এবং প্রসিদ্ধ সোনারগাঁও এ জেলার অন্তর্গত। নারায়ণগঞ্জ সোনালী আশঁ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত। শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর একটি বিখ্যাত নদী বন্দর। ৬৮৩.১৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ২০১৫ সালের তথ্য অনুযায়ী জেলার জনসংখ্যা হল ৩০ লক্ষ ৭৪ হাজার ০৭৭ জন মানুষের বসবাস রয়েছে।

৭। রংপুর জেলাঃ   

রংপুর বাংলাদেশের রংপুর বিভাগের অন্যতম প্রধান শহর এবং ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রাচীনতম পৌর কর্পোরেশনের একটি। রংপুর শহর ১৭৬৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিভাগীয় সদর দপ্তর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। ১৮৯০ সালে তৎকালীন পৌর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান ডিমলার জমিদার বাড়ির রাজা জানকীবল্লভ সেন রংপুর শহরে জলাবদ্ধতা নিরসনে তার মা চৌধুরানী শ্যামাসুন্দরী দেবী'র নামে যে খালটি পুনঃখনন করেন তাই আজকের শ্যামাসুন্দরী খাল নামে পরিচিত এবং তার দানকৃত বাগান বাড়ির জমিতে ১৮৯২ খ্রিষ্টাব্দে আজকের পৌরসভা ভবনটি গড়ে ওঠে। ২৪০০.৫৬ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে ২৯ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩ শত ৩৬ জন মানুষের বসবাস রয়েছে।


৮। রাজশাহী জেলাঃ 

রাজশাহী বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন ও ঐত্যিহবাহী মেট্রোপলিটন শহর। এটি উত্তরবঙ্গের সবথেকে বড় শহর। রাজশাহী শহর পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত। যা রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় শহর। রাজশাহী শহরের নিকটে প্রাচীন বাংলার বেশ কয়েকটি রাজধানী শহর অবস্থিত। এদের মাঝে লক্ষণৌতি বা লক্ষনাবতি, মহাস্থানগড় ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। রাজশাহী তার আকর্ষণীয় রেশমীবস্ত্র, আম, লিচু এবং মিষ্টান্নসামগ্রীর জন্য প্রসিদ্ধ। রাজশাহী বাংলাদেশের শহরগুলির মধ্যে সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন এবং সবুজ।  ২৪০৭.০১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে ২৩ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩ শত ১৪ জনের বসবাস রয়েছে। 

৯। বরিশাল জেলাঃ 

বরিশাল বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি শহর। প্রাচ্যের ভেনিস নামে পরিচিত এ শহরটি বরিশাল জেলায় অবস্থিত ও এটি বরিশাল বিভাগের সদর দপ্তর। এটি বাংলাদেশ-এর একটি অন্যতম সুন্দর শহর। কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এই শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। দেশের খাদ্যশস্য উৎপাদনের একটি মূল উৎস এই বৃহত্তর বরিশাল। বরিশালে একটি নদীবন্দর রয়েছে যেটি দেশের অন্যতম প্রাচীন, দ্বিতীয় বৃহত্তম ও গুরুত্বপূর্ণ একটি নদীবন্দর। ২৭৯১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে  ২৩ লক্ষ ২৪ হাজার ৩ শত ১০ জনের বসবাস রয়েছে।

১০। খুলনা জেলাঃ

খুলনা ঢাকা এবং চট্টগ্রামের পরে বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর। খুলনা জেলা এবং খুলনা বিভাগের সদর দপ্তর এই খুলনা শহরে অবস্থিত। খুলনা বাংলাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে রূপসা এবং ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত। বাংলাদেশের প্রাচীনতম নদী বন্দরগুলোর মধ্যে খুলনা অন্যতম। খুলনা বাংলাদেশের অন্যতম শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকা হওয়ায় খুলনাকে শিল্প নগরী হিসেবে ডাকা হয়। খুলনা শহর থেকে ৪৮ কি.মি. দূরে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সমুদ্র বন্দর মংলা সমুদ্র বন্দর অবস্থিত। পৃথিবী বিখ্যাত উপকূলীয় বন সুন্দরবন খুলনা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত। খুলনাকে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার বলা হয়। ৪৩৯৪.৪৫ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে ২৩  লক্ষ ১৮ হাজার ৫ শত ২৭ জন মানুষের বসবাস রয়েছে।

১১। গাজীপুর জেলাঃ

অতিরিক্ত হিসেবে গাজীপুর জেলাকে না উল্লেখ করলেই নয়। তাই বোনাস হিসেবে গাজীপুর জেলা নিয়ে আলোচনা করতে বাধ্য হলাম। গাজীপুর জেলা একটি পুরাতন শহর। এটি ঢাকার সন্নিকটে অবস্থিত। অনেকগুলি ভারী এবং মাঝারি শিল্প এলাকা নিয়ে এই শহর গড়ে উঠেছে। টঙ্গীর অবস্থান এই শহরের মধ্যে। এছাড়াও এখানে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি রয়েছে। ১৭৭০.৫৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই শহরে ২১ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪ শত ১৩ জনের বসবাস রয়েছে।

নিচের ভিডিও টি দেখুন আশা করি ভাল লাগবে। জনসংখ্যায় বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ শহর। 

Thursday, February 20, 2020

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

আপনি কি একটি চাকরি খুঁজছেন? আপনি কি জানেন বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানির নাম কি? আমি আজকে এই ভিডিও তে বাংলাদেশের র‍্যাঙ্কিংকের ভিত্তিতে  সেরা ১০ টি কোম্পানির নাম তুলে ধরবো। এই সকল কোম্পানি গুলোতে চাকরি করা যেমন সম্মানের তেমনি  ভাল বেতনও রয়েছে। আমি পূর্বে এমন একটি ভিডিও করেছিলাম কিন্তু সেখানে প্রচুর পরিমাণে কমেন্ট আসছে। সেই ভিডিও এর কমেন্টে বেশ কিছু কোম্পানির নাম  সামনে চলে এসেছে। আপনারা সেই ভিডিও টি ডেসক্রিপশন বক্স থেকে দেখে নিবেন। তবে শতভাগ সঠিক ভাবে এই তালিকা করা সম্ভব নয়। কোম্পানির সুনাম, বাজারে পণ্যের মান, জনবল এর ভিত্তিতে এই তালিকাটি গুগল, ফেসবুক, লিঙ্কদিন ও বিভিন্ন সোর্স থেকে নিজস্ব গবেষনায় এই ভিডিও টি করা হয়েছে।  চলুন শুরু করা যাক।


বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

  1. বসুন্ধরা গ্রুপ
  2. যমুনা গ্রুপ
  3. আকিজ গ্রুপ
  4. বেক্সিমকো
  5. স্কয়ার
  6. আবুল খায়ের কোম্পানী
  7. এ সি আই
  8. নাভানা
  9. আর এফ এল কোম্পানী
  10. পারটেক্স

১। বসুন্ধরা গ্রুপঃ

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

বাংলাদেশের একটি অন্যতম বড় ও সেরা কোম্পানী হচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ। দেশ ও মানুষের জন্য এই স্লোগান নিয়ে ১৯৮৭ সালে যাত্রা শুরু করে । প্রথম পর্যায়ে যখন তারা সফল হতে শুরু করে তারপর থেকেই নতুন নতুন সেক্টরে তারা বিনোয়োগ করতে থাকে। বসুন্ধরা গ্রুপ যেসব বিভাগে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করে তার সংক্ষিপ্ত তালিকা নিন্মে দেওয়া হল।

  • বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্ট লিমিটেড
  • বসুন্ধরা পেপার মিলস্‌
  • বসুন্ধরা টিস্যু
  • বসুন্ধরা সিমেন্ট স্যাগ প্ল্যান্ট
  • মেঘনা সিমেন্ট
  • বসুন্ধরা স্টিল
  • বসুন্ধরা এলপি গ্যাস
  • বসুন্ধরা লজিস্টিক্‌স
  • বসুন্ধরা টেকনোলজিস
  • বিএনডিবিল সহ অনেক প্রতিষ্ঠান।
বসুন্ধরা গ্রুপের সর্বশেষ সংযোজন হচ্ছে “East West Media Group Ltd” যা ২০০৯ সালের প্রতিষ্ঠিত হয়। শুধু তাই নয় ২০১৬ সালে বসুন্ধরা গ্রুপের এই প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ কর দেওয়ার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কর্তৃক পুরস্কৃত হয়। এই East West Media Group Ltd এর অধীনে কালের কণ্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ইংলিশ কাগজ ডেইলী সান, অনলাইন পোর্টাল বাংলানিউজ২৪ ডট কম, নিউজ২৪ নামে এইচডি স্যাটেলাইট সংবাদ চ্যানেল রয়েছে। রেডিও ক্যাপিটাল নামে ঢাকাকেন্দ্রিক এফএম রেডিও স্টেশনও আছে তাদের।বসুন্ধরা গ্রুপে সব মিলিয়ে ২৫ হাজার অধিক মানুষ কর্মরত আছে। বাংলাদেশের সেরা কোম্পানী তালিকায় বসুন্ধরা গ্রুপ অন্যতম শীর্ষ নাম্বারে আছে।


২। যমুনা গ্রুপঃ

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

যমুনা গ্রুপ হচ্ছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কোম্পানি গুলোর মধ্যে একটি। মো: নুরুল ইসলাম বাবুল ১৯৭৪ সালে যমুনা গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। যমুনা গ্রুপের অন্যতম সেরা ব্যবসা ক্ষেএ বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ শপিং মল যমুনা ফিউচার পার্ক প্রায় ৪,১০০,০০ বর্গফুট আয়তনের যা কিনা দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ শপিং মল হিসাবে পরিচিত।যমুনা গ্রুপের অনেক উল্লেখযোগ্য কোম্পানির রয়েছে যেমন যুগান্তর পত্রিকা, যমুনা টেলিভিশন, যমুনা সিটি, নিউ উত্তরা মডেল টাউন, যমুনা ডিনিমস, শামীম কম্পোজিট, যমুনা ইলেকট্রনিক্স সহ গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠানের মালিক।


৩। আকিজ গ্রুপঃ

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

আজ থেকে প্রায় ৭৮ বছর আগে, ১৯৪০ সালে শেখ আকিজউদ্দিন প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশর অন্যতম সেরা কোম্পানি আকিজ গ্রুপ। আজ প্রায় ৩৫০০০ মানুষ আকিজ গ্রুপের সাথে কর্মরত। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ করদাতা হিসাবে এই প্রতিষ্ঠানের সুনাম আছে। আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা শেখ আকিজউদ্দিনের জীবনী তরুন উদ্যোক্তাদের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরনা।

বিড়ি, সিমেন্ট, অটোমোটিভ ইন্ডাষ্ট্রিজ, গ্যাস কোম্পানি, গ্যাস স্টেশন, হোটেল, ম্যাচ ফ্যাক্টরি, জুট মিলস, জর্দা ফ্যাক্টরি, রাইস মিল, সিরামিক, সিকিউরিটিজ, গার্মেন্টস সহ নানা মুখী ব্যবসার মাধ্যে আজকে আকিজ গ্রুপ সেরা কোম্পানির একটি।


৪। বেক্সিমকোঃ 

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

১০০ অধিক দেশে রপ্তানি করা হয় বেক্সিমকোর নানা পণ্য। বাংলাদেশের সেরা কোম্পানীর মধ্যে বেক্সিমকো গ্রুপ অন্যতম। ১৯৭২ সালে সালমান এফ রহমান এবং তার ভাই মিলেই এই কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন।

শেয়ার বাজার বিনিয়োগ, ব্যাংকিং ও অর্থনীতি, ফার্মাসিউটিক্যাল,  গার্মেন্টস, গণমাধ্যম, আইটি সব বিভাগেই বেক্সিমকো রয়েছে। বেক্সিমকো মালিকানাধীন কিছু উল্লেখযোগ্য কোম্পানির নাম না লিখলেই নয়। তারা হচ্ছে বেক্সিমকো ফার্মা, শাইনপুকুর সিরামিকস, আইএফআইসি ব্যাংক, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন, নিউজ পেপার দ্য ইনডিপেনডেন্ট, ক্রিকেট ফ্রাঞ্চাইজ ঢাকা ডায়নামাইটস, ওয়েস্টিন হোটেলস বাংলাদেশ বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।

জনবল নিয়োগেও তারা সেরা। বর্তমানে এই কোম্পানীতে ৭০০০০+ কর্মচারী নিয়োজিত আছে। তাই বলা যায় দেশের আর্থিক উন্নয়নে বেক্সিমকো অন্যতম সেরা কোম্পানী।


৫। স্কয়ারঃ

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পের যে কোম্পানীটি সকলের কাছে সেরা তা হল স্কয়ার কোম্পানী। ঔষধের গুনগত মান ভাল হওয়ায় সকলের কাছে এটি খুবই জনপ্রিয় একটি কোম্পানী। তাছাড়া শুধু বাংলাদেশেই নয়, বিশে^র বহু দেশের মধ্যেও অনেক সুনাম অর্জন করেছে এই কোম্পানী। তাই বৈদেশিক আয়ের ক্ষেত্রে এই কোম্পানী সবার সেরা।

স্কয়ার গ্রুপের যেসকল উল্লেখযোদ্য প্রতিষ্ঠান আছে তা হলো স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল্‌স লিমিটেড, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, মাছরাঙ্গা টিভি, শেলটেক, স্কয়ার অ্যাগ্রো লিমিটেড, স্কয়ার টেক্সটাইল্‌স লিমিটেড, স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেড। তাদের উল্লেখযোদ্য আরেকটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি



৬। আবুল খায়ের কোম্পানীঃ 
 

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

আবুল খায়ের গ্রুপ বাংলাদেশের সেরা কোম্পানী গুলোর মধ্যে অন্যতম। এটিকে সবাই তামাক পন্য বিপনন কোম্পানী হিসেবে জানলেও এর পাশাপাশি তারা ভোগ্য পন্য, সিমেন্ট, ইস্পাত, সিরামিক, মার্বেল এবং শিপিং ব্যবসার কার্যক্রমও পরিচালনা করে থাকে।

৭। এ সি আইঃ 

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

বাংলাদেশের সেরা গ্রুপ অফ কোম্পানীর মধ্যে এসিআই অন্যতম। এটি ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়। জনাব এম আনিস উদ দৌলা এই কোম্পানীর মালিক। বর্তমানে এটি তিনটি বিভাগ নিয়ে কাজ করে। বিভাগ গুলো হলো ফার্মাসিউটিক্যালস, কনসিউমার ব্র্যান্ডস এবং কৃষি শিল্প সংক্রান্ত।


৮। নাভানাঃ  

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

পন্য এবং প্রকল্প বিপনন, নির্মাণ ও রিয়েল এস্টেট বিজনেস, আন্তর্জাতিক বানিজ্য এবং আরও বিপনন পন্যের উৎপাদন করে থাকে এই নাভানা গ্রুপ। বর্তমানে এই কোম্পানীর মালিক হচ্ছে শফিউল ইসলাম এবং তার অধিনেই এই গ্রুপের সকল কাজ সম্পন্ন হচ্ছে।

৯। আর এফ এল কোম্পানীঃ 

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

আরএফএল যার পূর্ণ নাম রংপুর ফাউন্ড্রি লিমিটেড। প্রাণ কোম্পানীর নাম মুখে আসলেই আমরা সবাই বুঝে থাকি বিভিন্ন ফলমূল আর শাকসবজি প্রক্রিয়াজাতকরণকে। এই কোম্পানী ১৯৮১ সালে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে ১৯৯৬ সালে আরএফএল নামে প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য তৈরীর কাজেও তাদের কার্যক্রম শুরু করে। আর এই আরএফএল কোম্পানীই দেশের সেরা প্লাস্টিক তৈরীর কারখানা হিসেবে সকলের কাছে জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।


১০। পারটেক্সঃ  

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানি।

বাংলাদেশের বৃহৎ কোম্পানীর মধ্যে পারটেক্স কোম্পানী অন্যতম। এই গ্রুপের আওতাধীন পন্য গুলো হল বিভিন্ন ধরনের পানীয়, ইস্পাত, আসবাবপত্র, কৃষি ও প্লাস্টিক জাতীয় পণ্য ইত্যাদি। শিল্পপতি এম এ হাশেমের হাত ধরে ১৯৫৯ সালে এর যাত্রা শুরু হয়। ব্যবস্থাপনা এবং অধিনস্ত কোম্পানী গুলোর উন্নতির জন্য বর্তমানে এই কোম্পানী ২টি শাখায় বিভক্ত রয়েছে।

এই ১০টি কোম্পানি ছাড়াও বেশ কয়েকটি কোম্পানি সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে তাদের নাম উল্লেখ না করলেই নয় সেগুলো হলো- এস আলম গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, এ কে খান ও কোম্পানি, ব্রাক, ইস্পাহানি, বিএসআরএম বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য।

চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি কোম্পানির ভিডিও টি দেখুনঃ



Sunday, October 13, 2019

ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের ১৫০+ তালিকা।

ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের ১৫০+ তালিকা।

ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের ১৫০+ তালিকা।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমি আপনাদের এই আর্টিকেলের মধ্যে ১৫০ টিরও বেশি ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের তালিকা দিয়ে দেব। তার আগে আপনাদের এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। কারণ এই আর্টিকেলটি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারলে আপনারা খুব সহজেই জানতে পারবেন কিভাবে ডু-ফলো ব্যাকলিংক তৈরি করবেন?কিভাবে ডু-ফলো ব্যাকলিংক কাজ করে?কিভাবে ডু-ফলো ব্যাকলিংক চেক করবেন?ডু-ফলো ব্যাকলিংক করা জরুরী কেন? তাই আর্টিকেল টি সম্পূর্ণ পড়ুন। আশা করি আর এই আর্টিকেলটি একবার পড়লে আপনাদের আর কোনও কিছু অজানা থাকবে না।

আপনি যদি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করতে চান তাহলে আপনার সাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর থাকতে হবে। ব্লগ বা ওয়েবসাইটের  জন্য ভিজিটর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিজিটর ছাড়া ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কোন মূল্য থাকে না একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমরা বলে থাকি ভিজিটর হল ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রাণ। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে টাকা উপার্জন করার জন্য হউক বা আপনার লেখার সঠিক মূল্য পাওয়ার জন্য অথবা আপনার পরিচিতি পাওয়ার জন্য যেটাই হোক না কেন আপনার প্রথম শর্ত হল আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা।

আমি ধরেই নিলাম আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে এবং আপনি সেখানে নিয়মিত অনেক কষ্ট করে আর্টিকেল পাবলিশ করেন, কিন্তু আপনার সেই কষ্ট কখনোই স্বার্থক হবে না যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর প্রবেশ করে। যদিও ভিজিটর আনা খুব একটা সহজ কাজ না সকলের পক্ষে এটা সম্ভব পর হয়ও না কিন্তু তারপর ও আপনি যদি সঠিক উপায়ে নিয়মকানুন মেনে চেষ্টা করেন তাহলে আপনার সাইটেও নিয়ে আসতে পারবেন আশানুরুপ ভিজিটর ।

আজ আমি আপনাদেরকে এই বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো যে, কিভাবে আপনার সাইটে বা ব্লগে আশানুরুপ ভিজিটরে নিয়ে আসতে পারবেন খুব কম পরিশ্রমে এবং কম সময়ের মধ্যে।তাই আমি আশা করি সবাই পুরো আর্টিকেলটিকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। যদি সত্যিই আপনাদের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর বাড়াতে চান তাহলে একটু ধৈর্য ধরে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে।

যেকোনো ওয়েবসাইট বা ব্লগার সাইটকে গুগলের ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসতে হলে সেই সাইটের জন্য ব্যাকলিংক করা অত্যান্ত জরুরী। আমি নয় বরং বিখ্যাত বিখ্যাত এসইও বিশেষজ্ঞরা এই কথায় বলেছেন। এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে যেকোন ওয়েবসাইটের জন্য ব্যাকলিংক সত্যিই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা বহন করে। এটি ওয়েবসাইটের ট্রাফিক প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে পাশাপাশি গুগল, বিং এবং ইয়াহুর মত সার্চ ইঞ্জিনে আপনার ওয়েব সাইটের র‍্যাঙ্ককিং অনেকগুন বাড়িয়ে দেয়। তবে সব ধরণের ব্যাকলিংক কার্যকরী নয়। আমরা সকলেই জানি ব্যাকলিংক দুই প্রকার যথাঃ ডু-ফলো ব্যাকলিংক ও নো -ফলো ব্যাকলিংক। মূলত ডু-ফলো ব্যাকলিংক একটি ওয়েবসাইটকে র‍্যাঙ্ক করতে সাহায্য করে পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর আনতে সাহায্য করে।

ডু-ফলো ব্যাকলিংক কি?

মনে করুন,আপনার কোন আর্টিকেলের মধ্যে অন্য কোন ওয়েবসাইটের লিংক দিতে চাইছেন। কিন্তু আপনি চাচ্ছেন গুগল আপনার সাইট ক্রল করার সাথে সাথে ওই ব্যাকলিংক করা সাইটটিকেও যাতে ক্রল করে। আর এজন্য আপনি যেভাবে লিংক তৈরি করবেন একে বলে ডু-ফলো ব্যাকলিংক

ডু ফলো ব্যাকলিংক এসইও এর জন্য বিরাট ভূমিকা পালন করে। তাই আপনার সাইটের ব্যাকলিংক করতে হলে ২০-৬০% ডু-ফলো ব্যাকলিংক করার চেষ্টা করুন।

ডু-ফলো লিংক কোডঃ <a href=”https://www.topbanglapages.com”> topbanglapages</

নো ফলো ব্যাকলিংক কি? 

আরেকটি লিংকিং হচ্ছে নো- ফলো ব্যাকলিংক। নো ফলো ব্যাকলিংক হচ্ছে ডু-ফলো ব্যাকলিংকের উল্টো। মানে কোনো সাইটকে লিংক দিবেন কিন্তু গুগলকে ঐ লিংকটি দ্বারা সাইটটি ক্রল করার জন্য মানা করবেন। অর্থাৎ নো- ফলো ব্যাকলিংক হলে গুগল বা বিং সার্চ ইঞ্জিন ঐ লিংকে প্রবেশ করবেনা।

নো ফলো ব্যাকলিংক কোডঃ <a href=”https://www.topbanglapages.com” rel=”nofollow”>topbanglapages</a>


কিভাবে ডু ফলো ব্যকলিংক তৈরি করব?


ব্যকলিংক তৈরি করা একটি ওয়েবসাইটকে গুগলে র‍্যাঙ্ক করানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। এই লেখাটিতে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ডু ফলো ব্যকলিংক তৈরি করবেন, do follow backlink তৈরির নিয়ম কানুন সম্পর্কে আলোচনা করবো। Do follow ব্যকলিংক তৈরি করতে হলে আপনাকে প্রথমে এমন কিছু ওয়েবসাইট খুঁজে বের করতে হবে যেই সাইট গুলো ডু ফলো ব্যকলিংক দিয়ে থাকে। গুগল এ সার্চ দিয়ে এরকম অনেক সাইট এর লিস্ট পাবেন , যার থেকে আপনার সাইটের জন্য সহজেই ডু ফলো ব্যকলিংক পেতে পারেন। তবে আপনাকে গুগলে সার্চ দিয়ে কষ্ট করে ডু-ফলো ওয়েবসাইটের লিস্ট বের করতে হবে না। আমি আপনাদের একদম ফ্রিতে ১৫০ টির বেশি ডু-ফলো  ওয়েবসাইটের তালিকা দিয়ে দেব। আপনারা সেখান থেকেই খুব সহজেই হাই কুয়ালিটি ডু-ফলো ব্যাকলিংক তৈরি করতে পারবেন।

কিভাবে বুঝবেন আপনার ব্যাকলিংক কাজ করছে? 

এটা বুঝতে হলে আপনাকে পেইজের বা ঐ সাইটের নির্দিষ্ট পেজ টিতে যেতে হবে ( যেখানে আপনার লিংক দিয়েছেন )সেই লিংকের উপর মাউসের কারসরটি রেখে মাউসের রাইট সাইডে ক্লিক করবেন তারপর একদম নিচেই "inspect" অপশনে ক্লিক করলে HTMLকোড দেখতে পারবেন। সেখান থেকেই আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন আপনার লিংকটি ডু-ফলো নাকি নো-ফলো। এখন  আপনার সাইটের কোডে যদি rel="nofollow" লেখা থাকে তাহলে এই লিংকটি তেমন কোন কাজে আসবে না। যদি না থাকে তবে বুঝতে পারবেন আপনার সাইটের জন্য ডু-ফলো ব্যকলিংক তৈরি হয়ে গেছে।

ডু ফলো ব্যাকলিংকের জন্য ডিএ  প্রোফাইল সাইট গুলিই ভালো আর এগুলো খুব সহজেই তৈরি করা যায়। এসকল সাইটের কনটেন্ট তাড়াতাড়ি বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে ইন্ডেক্স করে। প্রোফাইল লিংক তৈরি হচ্ছে অফ পেজ এসইও করার একটি জনপ্রিয় মাধ্যম। আর এর মাধ্যমে নিজের সাইটকে জনসাধারণের কাছে খুব সহজেই পৌছানো যায়। সোশ্যাল মিডিয়া সাইট গুলোতে নিজের ব্লগের লিংক শেয়ার দেয়া যায়। প্রোফাইল তৈরির সাইটের মাধ্যমে সহজেই আপনার ওয়েবসাইটের টার্গেট ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছিয়ে দেওয়া যায়। উন্নত মানের ডিএ প্রোফাইল ব্যাকলিংক তৈরির সাইটগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো এরা আপনাকে অনেকদিন ডু-ফলো (Dofollow) প্রোফাইল ব্যাকলিংক সরবরাহ করবে। এখানে কিছু ক্যাটাগরি আছে যেগুলতে আপনাকে অবশ্যই প্রোফাইল তৈরি করতে হবে যদি কোয়ালিটি ব্যাকলিংক পেতে চান। প্রোফাইল সাবমিশন সাইট সত্যিই খুবই গুরুত্বপূর্ণ যেমন গুরুত্বপূর্ণ সোশ্যাল মিডিয়া বুকমার্কিং সাইট, ফোরাম সাবমিশন সাইট, ডিরেক্টরি সাবমিশন সাইট, বিজনেস লিস্টিং সাইট এবং অন্যান্য কিছু কৌশল যা ব্যাকলিংক পেতে এবং সাইটে ট্র্যাফিক বাড়াতে সাহায্য করে। 

এই আর্টিকেলে, আমরা  জানবো কীভাবে আপনার সাইটের জন্য উন্নত মানের ডিএ ওয়েবসাইটগুলোর মধ্যে নিজের প্রোফাইল ব্যাকলিংক তালিকা তৈরি করতে হয় এবং এই প্রোফাইল সাইটগুলি থেকে গুণগতমানের ডু-ফলো ব্যাকলিংক কীভাবে পাওয়া যায় সে সম্পর্কে।

কিভাবে প্রোফাইল তৈরি করে ওয়েবসাইটের জন্য ডু-ফলো ব্যাকলিংক তৈরি করব?

  • নিচে দেওয়া প্রত্যেক ওয়েবসাইট একের পর এক প্রোফাইল সাইটগুলি দেখুন এবং কিছু বাছাই করুন এবং সেখানে প্রোফাইল ব্যাকলিংক তৈরি করুন।  
  • আপনার নাম বা ব্যবহারকারীর নাম, ইমেল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে আরো কিছু তথ্য চাইলে সেগুলো প্রদান করে সাইটের মধ্যে সাইন আপ করুন।
  • সাইন আপ করার পরে আপনার ইমেলে তাদের পাঠানো কনফারমেশন ইমেল পাঠানো হবে সেখান থেকে কনফার্ম করে নিন। এখন আপনি তাদের রেজিস্টার্ড ইউসার হয়ে যাবেন।  
  • এখন, আপনি যে সাইটে প্রোফাইল তৈরি করেছেন সে সাইটে লগইন করুন এবং ইডিট প্রোফাইলে ক্লিক করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদনা করুন।
  • এখন সব ডিটেইলস দিন, এবাউট মি বা ডেসক্রিপশন যা আছে এবং সোশ্যাল মিডিয়া লিঙ্ক সহ সমস্ত বিবরণ লিখুন। আর আপনার ওয়েব সাইটের লিঙ্ক অবশ্যই যোগ করতে ভুলবেন না কারণ এটিই আপনার কার্যকরী ডু-ফলো ব্যাকলিংক দিতে সাহায্য করবে। 
  • বিস্তারিত দেওয়ার পরে, "সেইভ" বাটন টিতে ক্লিক করুন এবং আপনার প্রোফাইল সফলভাবে তৈরি করা হয়েছে।
 আমাদের আরও আর্টিকেল পড়ুন 

১৫০ টিরও বেশি ডু-ফলো ব্যাকলিংক ওয়েবসাইটের তালিকাঃ


Serial
  Backlink
    Type                
Website Name
Website Link
1
Dofollow
Facebook
2
Dofollow
Twitter
3
Dofollow
Blogger
4
Dofollow
 youtube
5
Dofollow
flickr
6
Dofollow
wordpress
7
Dofollow
pinterest
8
Dofollow
linkedin
9
Dofollow
reddit
10
Dofollow
weheartit
12
Dofollow
amazon
13
Dofollow
vimeo
14
Dofollow
forums.adobe.com
16
Dofollow
addons.mozilla.org
17
Dofollow
myspace
18
Dofollow
 en.gravatar
19
Dofollow
soundcloud
20
Dofollow
vk.com
22
Dofollow
livejournal
23
Dofollow
github
24
Dofollow
imgur
25
Dofollow
etsy.com
28
Dofollow
addons.mozilla.org/en-US/firefox
29
Dofollow
disqus
30
Dofollow
slideshare
31
Dofollow
opera.com
32
Dofollow
stumbleupon
34
Dofollow
support.addthis
35
Dofollow
500px.com
36
Dofollow
my.opera.com
37
Dofollow
blogs.forbes.com
38
Dofollow
caloriecount.about
39
Dofollow
archive.org
40
Dofollow
scribd.com
41
Dofollow
liveinternet.ru
42
Dofollow
goodreads
43
Dofollow
forum.parallels
44
Dofollow
 last.fm
45
Dofollow
 ted.com
46
Dofollow
kickstarter
47
Dofollow
xing.com
48
Dofollow
lifestream.aol
49
Dofollow
behance
50
Dofollow
4shared
51
Dofollow
bloglovin
52
Dofollow
quora
53
Dofollow
about.me
55
Dofollow
storify
56
Dofollow
liveinternet.ru
57
Dofollow
 twitpic
58
Dofollow
change.org
59
Dofollow
instructables
60
Dofollow
groups.drupal
61
Dofollow
openstreetmap
62
Dofollow
academia
63
Dofollow
en.community.dell
64
Dofollow
deviantart
65
Dofollow
rottentomatoes
66
Dofollow
dribbble
67
Dofollow
slashdot
68
Dofollow
independent.academia
69
Dofollow
app.box
70
Dofollow
 afternic
71
Dofollow
ask.fm
72
Dofollow
fanpop
73
Dofollow
coursera
74
Dofollow
discogs
75
Dofollow
zillow
76
Dofollow
8tracks
77
Dofollow
bleacherreport
78
Dofollow
plurk
79
Dofollow
community.sony
80
Dofollow
forums.lenovo
81
Dofollow
connect.lulu
83
Dofollow
crunchbase
84
Dofollow
my.fool
85
Dofollow
seekingalpha
86
Dofollow
dailykos
87
Dofollow
pbase
88
Dofollow
sbnation
90
Dofollow
fiverr
91
Dofollow
buzznet
92
Dofollow
thomsonreuters
93
Dofollow
knowyourmeme
94
Dofollow
blogtalkradio
95
Dofollow
forum.support.xerox
96
Dofollow
activerain
97
Dofollow
anobii
98
Dofollow
docstoc
99
Dofollow
kiva.org
100
Dofollow
magcloud
101
Dofollow
audioboom
102
Dofollow
orcid
103
Dofollow
vocabulary
104
Dofollow
apsense
105
Dofollow
socialmediatoday
106
Dofollow
community.hpe
107
Dofollow
thelocal.se
108
Dofollow
flattr.com
109
Dofollow
fodors.com
110
Dofollow
netbeans.org
111
Dofollow
aeriagames
112
Dofollow
23hq.com
   113
Dofollow
community.linksys
114
Dofollow
mobypicture
115
Dofollow
calendly
116
Dofollow
steepster
117
Dofollow
dead.net
118
Dofollow
chatroll
119
Dofollow
kaboodle
120
Dofollow
rhizome
121
Dofollow
forum.audacityteam
122
Dofollow
forums.cat
123
Dofollow
mootools
124
Dofollow
metroblog
125
Dofollow
everytrail
126
Dofollow
wayn.com
127
Dofollow
aboutus.org
128
Dofollow
archilovers
129
Dofollow
forum.openwrt
130
Dofollow
creattica
131
Dofollow
myfolio
132
Dofollow
photopeach
133
Dofollow
imageevent
134
Dofollow
stocktwits
135
Dofollow
bagtheweb
136
Dofollow
itsmyurls
137
Dofollow
ckeditor
138
Dofollow
tripit.com
139
Dofollow
uploadhouse
140
Dofollow
premium.wpmudev
141
Dofollow
mgl.scripps
142
Dofollow
lookuppage
143
Dofollow
delphiforums
144
Dofollow
forums.delphiforums
145
Dofollow
alpha.app
146
Dofollow
profiles.delphiforums
147
Dofollow
fashiolista
148
Dofollow
jimdo
149
Dofollow
flyertal
150
Dofollow
yourlisten
151
Dofollow
plaxo
152
Dofollow
answerbag
153
Dofollow
brandyourself