Showing posts with label শিক্ষা ও প্রযুক্তি. Show all posts
Showing posts with label শিক্ষা ও প্রযুক্তি. Show all posts

Monday, October 7, 2019

Top Bangla Pages Popular Website.

Top Bangla Pages Popular Website.

Top Bangla Pages:

Top Bangla Pages Popular Website.

"Top bangla pages" ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাদের সকলের প্রতি আমাদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।  "Top bangla pages" বাংলাদেশের অতি জনপ্রিয় একটি ওয়েবসাইট।  এই ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরু করা হয় ২০১৭ সালের একদম শুরুতেই। কেন এবং কিভাবে Top Bangla Pages এর যাত্রা শুরু করা হয়েছিল সেই বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করবো। তার আগে বলবো নিজেকে স্মার্ট করতে হলে এবং অনেক কিছু জানতে ও শিখতে হলে Top Bangla Pages এর সাথেই থাকুন। ইনশাল্লাহ আমি আপনাদের বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করবো।      

Top Bangla Pages এর প্রতিষ্ঠাতার পরিচয়ঃ

আমার নাম সাজেদুর রহমান। আমি Top Bangla Pages এর ফাউন্ডার। এছাড়াও আমার আরও ১টি ইংলিশ ওয়েবসাইট রয়েছে সেটির নাম হল Top English page এবং ২টি জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। আমি অত্যান্ত স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে বি.এস.এস এবং এম.এস.এস সম্পন্ন করেছি। এখন আমি একজন পেশাদার ব্লগার এবং ইউটিউবার পাশাপাশি একটি ক্যাডেট স্কুলে শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করছি। 
 

Top Bangla Pages ওয়েবসাইটের আলোচ্য টপিকঃ

আমি আমার নিজস্ব স্টাইলে যে কোনও ধরণের আর্টিকেল লিখতে পারদর্শী।  ব্লগার টিপস এন্ড ট্রিকস, গুগল অ্যাডসেন্স, স্বাস্থ্য টিপস ও মেডিসিন, বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী, ভিন্নরকম সত্য ঘটনা, অজানা ও রহস্যময় ঘটনা, শিক্ষা ও প্রযুক্তি, বিনোদন, খেলাধুলা ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আমার এই ওয়েবসাইট টপ বাংলা পেজের মাধ্যমে চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি যে আমার ব্লগের মাধ্যমে আপনি সমস্ত বিষয় সম্পর্কে প্রচুর তথ্য পাবেন। আমি যদি আপনাকে সহায়তা করতে পারি তবে আমার কঠোর পরিশ্রম সফল হবে।আমার সাথে যোগাযোগ করার জন্য  contact page এর মাধ্যমে ই-মেইল পাঠান। অবশ্যই আমি আপনাকে খুব শীঘ্রই প্রত্যুত্তর দেব। 

Top Bangla Pages এর শুরুর যাত্রাঃ


আগেই বলেছিলাম যে  কেন এবং কিভাবে Top Bangla Pages এর যাত্রা শুরু করা হয়েছিল সেই বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করবো। তাহলে চলুন দেরি না করে একটু আলোচনা করা যাক। আমার লেখালেখি করার একটা নেশা ছিল। আমি প্রচুর গান ও কবিতা লিখতাম। কিন্তু সেগুলো সংরক্ষণ করে রাখতে পারতাম না। একদিন ইন্টারনেট নিয়ে ঘাটাঘাটি করতে করতে জানতে পারলাম ব্লগের মাধ্যমে লেখালেখি করে সংরক্ষণ করা যায় তেমনি সকলের মাঝে সেগুলো ছড়িয়ে দেওয়া যায়। তারপর আমি একটা ব্লগ একাউন্ট তৈরি করে ফেলি।

ব্লগ একাউন্ট তৈরি করার পরে আমার মন মানুসিকতার পরিবর্তন হল যে এখন গান ও কবিতা পাবলিশ করবো না। তারপর আমি প্রথমে স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস নিয়ে লেখালেখি শুরু করি এবং আমার  Top Bangla Pages এই ওয়েবসাইটে পাবলিশ করি। 

 প্রথমে অবশ্য এই ওয়েবসাইটের নাম  Top Bangla Pages  ছিল না। প্রথমে এই ব্লগ সাইটের নাম ছিল banglahealthzone.blogspot.com  আমি পরবর্তীতে এটিকে Top Bangla Pages এ কনভার্ট করি এবং www.topbanglapages.com ডোমেইন টি কিনে নিই। আমার মনে হল আমিও যেমন জানতে পারছি তেমনি এই লেখাগুলো অন্যরাও পড়ে উপকৃত হবে। এরপর ধীরে ধীরে অন্যান্য টপিক নিয়েও লিখতে শুরু করলাম। এভাবেই Top Bangla Pages এর জনপ্রিয়তা বাড়তে লাগলো। 

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ আমার লেখা কবিতা ও গান আমি কিছুদিন পর থেকে Top Bangla Pages  এই ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবো।

কিন্তু তখন বাংলাতে আর্টিকেল লিখে ব্লগের মাধ্যমে ইনকাম করার সুযোগ ছিল না। কারণ তখন বাংলা ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স অনুমোদন করতো না। তখন শুধু মাত্র মানুষের উপকারের কথা ভেবে লেখালেখি করতাম। যাই হোক পরবর্তীতে ২০১৯ সালে বাংলা ব্লগে গুগল এডসেন্স অনুমোদন দেই। আমি তখন গুগলের কাছে এডসেন্সের জন্য আবেদন করি এবং আমার গুগল এডসেন্স আমার  Top Bangla Pages ওয়েবসাইটে অনুমোদন হয়ে যায়। তারপর থেকে আমার টাকা উপার্জন শুরু হয়ে যায়। এখন আমি আরও নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করি। আপনারা চাইলেও কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করে উপার্জন করবেন এ ব্যাপারে আমার বেশ কয়েকটি আর্টিকেল লেখা আছে। আমি নিচে কয়েকটি আর্টিকেলের লিংক দিচ্ছি আপনারা অবশ্যই সেগুলো পড়ে নিবেন যদি আপনি ইনকাম করতে চান।

আশাকরি পোস্টটি পড়ে যদি আপনাদের কোন উপকারে আসে তাহলে এই পোস্টটি আপনাদের বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন। আর অবশ্যই আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আর আপনার যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে অবশ্যই আমার সাথে যোগাযোগ করবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আর আমাদের Top Bangla Pages এর সাথেই থাকবেন।  আপনাদের সকলের প্রতি রইল আমার প্রাণঢালা ভালোবাসা,শুভেচ্ছা ও সালাম। 

Sunday, October 6, 2019

গুগল কী সব সময় সঠিক তথ্য প্রদান করে?

গুগল কী সব সময় সঠিক তথ্য প্রদান করে?

গুগল কি সব সময় সঠিক দেই?

গুগল কী সব সময় সঠিক তথ্য প্রদান করে? গুগল সার্চ ইঞ্জিল, গুগল কন্টেন্ট ডাটা সংরক্ষণ করে, গুগল কি?

গুগল সব সময় সঠিক তথ্য দেই এটা ভুল ধারণা। কারণ গুগল নিজে থেকে কিছু লিখে না।গুগল হল সার্চ ইঞ্জিন। যেখানে বিভিন্ন আর্টিকেল ও ডাটা সংগ্রহ করে রাখে। বিভিন্ন ওয়েবসাইট মালিকেরা তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করে । এই ধরুন আমার ওয়েবসাইট আর তখন আপনি যে বিষয় জানতে চান সেই বিষয়ে গিয়ে গুগলে সার্চ করেন তখন গুগল সার্চ কিওয়ার্ড অনুসারে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে নিয়ে যায়। মূলত সেখান থেকেই আমরা সকল তথ্য পায়। এখন সেই তথ্য ১০০% সত্যি হতেও পারে আবার নাও হতে পারে। এই জন্য কয়েকটি ওয়েবসাইট মিলিয়ে দেখবেন যদি সব যায়গায় একই তথ্য থাকে তাহলে মনে করবেন তথ্য টি সঠিক।

এছাড়াও অনেক বিষয় আছে যেগুলো পরিবর্তনশীল। এখন একজন তার ওয়েবসাইটে যে বিষয়টি লিখেছিল কিন্তু সেটার পরিবর্তন হয়েছে কিন্তু তিনি আপডেট করেননি তাহলে তথ্যটি ভুল হবে এটাই স্বাভাবিক। উদাহরণ স্বরূপ ১জন তার ওয়েবসাইটে গত বছরের শিক্ষার হার উল্লেখ করেছিল কিন্তু পরের বছরে শিক্ষার হার পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু তিনি যদি সেই লেখাটি আপডেট না করে তাহলে তথ্যটি তো ভুল হবে তাই না? আশা করি বোঝাতে পেরেছি।  

Friday, October 4, 2019

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।

আমরা যখন বিভিন্ন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করি তখন সেখানে আমরা ম্যাসেঞ্জার বাটন দেখতে পাই। এই ম্যাসেঞ্জার বাটন সেট করার কারণে যারা ভিজিটর তারা ওয়েবসাইটের মালিকের সাথে খুব সহজেই যোগাযোগ করতে পারে। এবং তাদের কোন কিছু জানার প্রয়োজন থাকলে তৎক্ষণাৎ মেসেজ করে জানতে পারবে। এটার ফলে খুব সহজেই ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায়। যার ফলে ওয়েবসাইটে ক্রমশ ভিজিটর বৃদ্ধি হতে থাকে। তাছাড়াও ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ অনেকেই ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়ের জন্য আলাপ আলোচনা করতে পারবে।  তবে আমরা অনেকেই জানি না যে কীভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করব। আসলে এটি একটি ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করতে হয়। সুতরাং আসুন দেখুন যে, খুব সহজেই কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন।  

সময় থাকলে অবশ্যই নিচের আর্টিকেল ৩টি পড়ে নিবেন আশা করি আপনার অনেক উপকার আসবে।

  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

প্রথম পদক্ষেপঃ  

কিভাবে ওয়েবসাইটে ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত করবেন তার জন্য নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন:

  • প্রথমে আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন। তারপর আপনার "Facebook Page"এ প্রবেশ করুন। 
  • এখন দেখুন যে আপনার "Facebook Page"এর পৃষ্ঠার হোমপেজের উপরের ডানদিকে একটি "setting" বাটন আছে এখন এটিতে ক্লিক করুন।
  • দেখুন যে অনেকগুলি বিকল্প অপশন রয়েছে। এখন  "Messenger platform" ক্লিক করুন।
  • তারপরে "Customer chat Plugin" ক্লিক করুন। এবার "Jump to section" ক্লিক করুন এবং "setup" বাটনে  ক্লিক করুন। 
  • এখন দেখুন যে আপনার পর্দায় একটি নতুন উইন্ডো প্রদর্শিত হচ্ছে এবং সেখানে  "Next" বাটনে ক্লিক করুন। 
  • এখন "Hi!How can we Help You?"এর মতো স্বাগত পাঠ্যটি সেটআপ করুন।  বা আপনার  পছন্দ মত অন্য কিছু সেট করতে পারেন। 
  • ইচ্ছা করলে আপনি বাংলাতে মেসেজটি লিখতে পারেন। যেমন "হ্যালো!কিভাবে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি"। তারপর   "Next" বাটন ক্লিক করুন।
  • এখন আপনি  ম্যাসেঞ্জার আইকনটির সেটআপ কালার পরিবর্তন করতে পারেন অথবা ডিফল্ট কালার রেখে দিতে পারেন।  তারপর "Next" বাটনে ক্লিক করুন। তারপর আপনি এইচটিএমএল কোড টি কপি করুন।  

২য় পদক্ষেপঃ
এখন আপনার ব্লগার ওয়েবসাইটের থিম অপশনে প্রবেশ করুন  বা আপনার ওয়েবসাইট "index" ফাইলটিতে যান এবং <হেড> কোডের পরে এই কোডটি পেষ্ট করুন।
এখন এটি সংরক্ষণ করুন এবং আপনার সাইটে যান এবং আপনার সাইটটি একবার রিফ্রেশ করুন।
আপনার ওয়েবসাইটে এখন একটি ম্যাসেঞ্জার বাটন যুক্ত হয়েছে।
আশা করি বুঝতে পেরেছেন এতক্ষণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এরপরও  আপনাদের যদি কোন সমস্যা হয় তাহলে অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন ইনশাল্লাহ আমি আপনাকে সাহায্য করবো।  

Sunday, September 8, 2019

 ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

 ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়। 

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী প্রক্রিয়া,সোশ্যাল মিডিয়া ,রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করা  সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO),সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক , সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করা,ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়া ,কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করা ,ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া ,ডাটা এনালাইসিস করা  ,হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা, প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট ,ভিডিও মার্কেটিং, বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করা ,বাউন্স রেট চেক করা, নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুন, সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুন

আপনি যদি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করতে চান তাহলে আপনার সাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর থাকতে হবে। ব্লগ বা ওয়েবসাইটের  জন্য ভিজিটর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিজিটর ছাড়া ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কোন মূল্য থাকে না একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমরা বলে থাকি ভিজিটর হল ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রাণ। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে টাকা উপার্জন করার জন্য হউক বা আপনার লেখার সঠিক মূল্য পাওয়ার জন্য অথবা আপনার পরিচিতি পাওয়ার জন্য যেটাই হোক না কেন আপনার প্রথম শর্ত হল আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা।

আমি ধরেই নিলাম আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে এবং আপনি সেখানে নিয়মিত অনেক কষ্ট করে আর্টিকেল পাবলিশ করেন, কিন্তু আপনার সেই কষ্ট কখনোই স্বার্থক হবে না যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর প্রবেশ করে। যদিও ভিজিটর আনা খুব একটা সহজ কাজ না সকলের পক্ষে এটা সম্ভব পর হয়ও না কিন্তু তারপর ও আপনি যদি সঠিক উপায়ে নিয়মকানুন মেনে চেষ্টা করেন তাহলে আপনার সাইটেও নিয়ে আসতে পারবেন আশানুরুপ ভিজিটর ।

আজ আমি আপনাদেরকে এই বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো যে, কিভাবে আপনার সাইটে বা ব্লগে আশানুরুপ ভিজিটরে নিয়ে আসতে পারবেন খুব কম পরিশ্রমে এবং কম সময়ের মধ্যে।তাই আমি আশা করি সবাই পুরো আর্টিকেলটিকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। যদি সত্যিই আপনাদের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর বাড়াতে চান তাহলে একটু ধৈর্য ধরে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে।

তার আগে আমার ওয়েবসাইটে ব্লগ এবং গুগল এডসেন্সে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে সেগুলো দেখতে চাইলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়ঃ  



১। সোশ্যাল মিডিয়া ঃ

একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যখন আপনি নতুন তৈরি করবেন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার প্রথম কাজ হবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর মানুষের কাছে খুব সহজেই পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া।

এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, ইত্যাদি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে  তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে নিতে পারবেন। এই জন্য আপনাদের নিয়মিত কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দিতে হবে।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ভিজিটর নিজ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৮-১০ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়া গুলো যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, অবস্থান করে । কাজেই আপনারা কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করে ওয়েবসাইটের ভিজিটর  বাড়াতে পারেন।

২। রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করাঃ

রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করার ফলে ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয় যার ফলে প্রতিমাসে একটিভ ভিজিটর বেড়ে যায়। পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুর স্ক্রিন একই রকম হয় না, রেসপন্সিভ বলতে বুঝানো হয়েছে যে সাইট গুলো পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে কোনো সমস্যা হয় না। ওয়েবসাইট বানানোর আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সাইট টি রেসপন্সিভ কিনা।

৩।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনঃ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর সংক্ষিপ্ত নাম হল seo অনেকেই হয়তো বাংলা বললে বুঝতে পারে না।যেকোনো ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায়  হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম ২-৩ টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি।আমরা কখনই নিচে আসা সার্চ ফলাফল গুলো পড়তে চায় না। কারণ সকলে বিশ্বাস করে গুগলে সার্চ করলে যেটি প্রথমে আসবে সেটিই হবে সেরা আর্টিকেল।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের সবচেয়ে উপরে তুলে নিয়ে আসা। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)সম্পর্কে  অনেক কিছু জানতে হয়। এটি শুরু করার আগে অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন।

৪। সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করাঃ


অন্যের কন্টেন্ট কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে পোস্ট করে ভিজিটর আশা করা যায় না। কারণ যেই পোস্ট গুগলে একবার সাবমিট করা হয়েছে সেটা ইতিমধ্যে অনেকেই পড়ে ফেলেছে। কাজেই সেই পোস্ট টি আর পড়তে চাইবে না। আর গুগলে কপি করা কন্টেন্ট র‍্যাঙ্কিং করে না বরং প্যানাল্টি দিতে পারে। কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তাই কন্টেন্ট লেখা এবং সাইটে পাবলিশ করার আগে খেয়াল রাখতে লেখাটি যাতে ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হয়। কন্টেন্ট ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হলে ভিজিটর সেই সাইটে বেশি বেশি প্রবেশ করবে। কারণ সেখান থেকে ভিজিটর অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।

৫। ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়াঃ

গুগল সমীক্ষায় দেখা গেছে একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য সাধারণত ৩সেকেন্ড সময় নেই। অর্থাৎ যদি ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো সাইট লোড না নেয় বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারে তবে ভিজিটর বিরক্ত হয় এবং সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন । তাই বোঝাই যাচ্ছে ভিজিটর বাড়ানো জন্য ওয়েবসাইট স্পিডের  উপর নজর দিতে হবে। ওয়েবসাইটের স্পিড কিভাবে বাড়ানো যায় এ ব্যপাারে পরবর্তীতে আমি নিজেই আর্টিকেল লিখবো।

৬।কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করাঃ 

ফটো বা ইমেজ যেকোনো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে যদি আপনারা আকর্ষণীয় ছবিসহ কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন তাহলে মানুষ খুব সহজেই ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। তাছাড়া অনেকেই গুগলে ইমেজ সার্চ করে সেখান থেকে আপনার ইমেজ পছন্দ হলে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনেক বেড়ে যাবে।

৭। ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া

কমেন্ট সেকশনে এংগেজ থাকলে ওয়েবসাইটের রেগুলার ভিজিটরের সংখ্যা অনেকগুন বেড়ে যায়।এজন্য সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। যার ফলে ভিজিটরদের কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে আপনার কাছে জানতে চায়তে পারবে। তাছাড়াও তারাও বিভিন্ন মতামত প্রদর্শন করতে পারবে। আর আপনি সবসময় কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

৮।  ডাটা এনালাইসিস করাঃ 


ওয়েবসাইট অথরিটিদের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস করা । এর  মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন বয়সের এবং কোন সময়ে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বেশি থাকে। সেই অনুযায়ী ডাটা এনালাইসিস করে পরবর্তী পোষ্ট গুলো ঠিক সেই সময় গুলোতে পাবলিশ করলে ভিজিটর সংখ্যা অবশ্যই বাড়বে। এর জন্য আপনি চাইলে গুগল এ্যানালাইটিকস ব্যবহার করতে পারেন। গুগল এনালাইটিক্সের মাধ্যমে সকল তথ্য জানা যায়।

৯।  হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা: 

যেকোনো পোষ্টে হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা  খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।মনেকরা যাক আপনি একটা আর্টিকেল লিখেছেন কিভাবে ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি এর আগেই কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় এ নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছেন। আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথে  কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় ট্যাগ করে দিতে পারেন। এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা বিরাট চান্স থাকবে।

১০।প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইটঃ 

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অরেকটি চমৎকার উপায় হলো প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট। ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে থাকে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফোরাম সাইট কিংবা প্রশ্ন-উত্তর সাইট গুলোতে উত্তর দেয়ার সময় সেটা যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা পছন্দ করে না। তো এসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে পড়ে নিতে হবে। Quora তাদের মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন- উত্তর বা ফোরাম সাইট।

১১। ভিডিও মার্কেটিংঃ

ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে। অথবা আপনি এমন একটা ভিডিও তৈরি করেছেন তার সাথে মিল রেখে ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করুন। এবার সেই ভিডিও এর ডিসক্রিপশন বক্সে সেই কন্টেন্টের লিঙ্ক দিয়ে দিন এইতো কাম শেষ।

১২। বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করাঃ


ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অন্যতম উপায় হল অন্যের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কমেন্ট করা। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যে ধরণের কন্টেন্ট পাবলিশ করেন সেই ধরণের ব্লগ  বা ওয়েবসাইট গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে। এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলা হয় ব্যাক লিংক। এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট উপরের দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক তৈরি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়। তা না হলে গুগলস সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।

১৩। বাউন্স রেট চেক করাঃ 

বাউন্স রেট সব সময় % হিসেবে প্রকাশ করা হয়। আপনার ওয়েসাইটে আসার পর মোট ভিজিটরের কতো % অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই বন্ধ করে দিয়েছে”অর্থাৎ যদি আপনার ওয়েবসাইটের মোট ভিজিটর যদি হয় ১০০ জন তার মধ্যে ৬০ জন্যই আপনার হোম পেজ লোড হওয়ার পর অণ্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই আপনার ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দেয় তবে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হবে ৬০%।

এখন আপনার কাছে প্রশ্ন আসতে পারে ওয়বেসাইটের বাউন্স রেট কত পারসেন্টের মধ্যে থাকলে ভালো হয়।
বাউন্স রেট
স্টান্ডার্ড=৩০% এর কম
খুব ভালো= ৪১% - ৫৫%
ভালো= ৫৬% - ৭০%
খুব ভালো নয়= ৭০%- ৮০% এর বেশী
খুব খারাপ= ৮০%- ১০০%

এবার আমরা বুঝতে পারলাম একজন ভিজিটরকে শুধু ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই হবে না। তাকে অবশ্যই ওয়েবসাইটে ধরে রাখার মত কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে।

১৪। নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশে আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত হতে হবে । আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর পেতে বা ভিজিটর ধরে রাখতে হলে নিয়মিত হওয়াটা খুবই জরুরী ।কারণ একটি ভিজিটর যখন দেখবে আপনি একটি নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় পরপর আর্টিকেল পাবলিশ করে যাচ্ছেন তাহলে সেও নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে ।আর আপনি যদি ১ দিন ৪-৫ টা আর্টিকেল পাবলিশ করলেন আর ১ সপ্তাহ আপনার কোন খোঁজ নেই । আবার কিছুদিন পর আবার ২-৩ টা করলেন। এভাবে আর্টিকেল পাবলিশ করলে ভিজিটর বিরক্ত হয়। ধীরে ধীরে ভিজিটররা ওয়েব পেজটি আন সাবস্ক্রাইব করে দেই। কারণ তারা অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে সুযোগ সুবিধা গুলো পাওয়ার ফলে চলে যাবে। তাই কোন কাজে নিয়মিত না হলে সফল পাওয়া যায় না।

১৫। সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুনঃ 


আপনার ওয়েবসাইটে ভালমানের ভিজিটর পেতে হলে সঠিক কি ওয়ার্ড চয়ন করতে হবে। এছাড়াও আর্টিকেল থেকে ভালো ভিজিটর পেতে হলে অবশ্যই আপনার আর্টিকেল এর কিওয়ার্ড সঠিক হওয়া চাই। কারণ আপনার আর্টিকেলের কিওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করেই গুগলে সার্চ ফলাফল হিসেবে ফার্স্ট পেজে দেখানো হবে। ধরুন আপনি এমন কিওয়ার্ড বাছাই করলেন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য যে কিওয়ার্ডটি আপনার আগেই অনেকে বড় বড় ওয়েবসাইট বা ব্লগ ব্যবহার করে ফেলেছে তাহলে কিন্তু তাদেরকে টপকিয়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি র‍্যাঙ্ক করানো সহজ হবে না। তবে আপনি যদি র‍্যাঙ্ক করাতে চান তাহলে তাদের চেয়ে দিগুন ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে। আবার আপনি এমন কিছু কিওয়ার্ড বাছাই করলেন যা কেই সার্চই করে না তাহলেও কিন্তু আপনার ভিজিটর পাওয়ার কোন চান্স থাকবে না।

আমি আমার ওয়েবসাইটে কিভাবে বাংলা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন সেই বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে আপনারা সেগুলো দেখতে চাইলে এখানেই ক্লিক করুন। 

Saturday, September 7, 2019

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না। 

প্রতিমাসে লেখালেখি করে আয় করুন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতা লাগবে না।

শুধুমাত্র লেখালেখি করেই প্রতিমাসে আয় করতে পারবেন ২০,০০০ টাকা কোন অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই। আর যদি ইন্টারনেট সম্পর্কে মোটামুটি ধারণা থাকে তাহলে তো কথায় নেই  আপনি আরও বেশি ইনকাম করতে পারবেন। আপনি হয়তো মনে মনে ভাবছেন শুধুমাত্র লেখালেখি করে যদি এত টাকা আয় করা যেত তাহলে লেখাপড়া আর চাকরি বাকরি করার দরকার নেই। হ্যাঁ কথাটা পুরোপুরি সত্য। কিন্তু আমি কোন গাঁজাখুরি গল্প করছি না। আমি নিজেও ২০,০০০ হাজারের উপরে আয় করি। এখন মনে মনে ভাবছেন আপনি সত্য নাকি মিথ্যা বলছেন এটা আমরা বুঝবো কেমনে? হ্যাঁ এই কথাটাও সত্য। আপনার কাছে প্রয়োজন হলে লাইভ পেমেন্ট প্রুভ দেখাবো। আর যারা দ্বিধাদন্দে ভুগছেন তারা আমার ওয়েবসাইটের ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

এখন আর বয়ান মারবো না কাজের কথায় আসি। কারণ যার টাকার প্রয়োজন তার এতকিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। সে এমনিতেই এমন একটি সুযোগের অপেক্ষায় আছে। মাথায় যদি একটু জ্ঞান আর পুষ্টি থাকে তাহলে ইন্টারনেট থেকে খুব সহজেই আয় করা যায়।
কিন্তু অনেকেই এই কৌশলগুলি জানে না। আর যারা জানে তারা হল ঝানুমাল তারাও কাউকে ইনকাম করার পথ দেখায় না। কারণ একা একা খেতে চায়। ছোট্ট একটা গল্প বলবো, আমার এক ক্লজ বন্ধু সে আউট সোর্সিং করে প্রতি মাসে ১ লক্ষ থেকে ২ লক্ষ টাকা ইনকাম করে। তার কথা শুনেই আমি খুব কষ্ট করে একটা ল্যাপটপ কিনি। তারপর তার পেছনে পেছনে ৬ মাস বেকার ঘুরে ঘুরে কিছুই শিখতে পারিনি। সে তার অবসর সময়ে আড্ডা দেওয়ার জন্য আমাকে ব্যবহার করেছে। এরপর থেকে আমি আর তার কাছে কোনদিন যায় না।

আমি যা কিছু শিখেছি সব ইউটিউব ভিডিও দেখে দেখে। এখন আমার ১ টা জনপ্রিয় ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে সাথে দুইটা ওয়েবসাইট রয়েছে। এখন যে ওয়েবসাইটে আপনারা রয়েছেন এটিও আমার নিজের। জীবনে অনেক কষ্ট করেছি তাই আমার কারণে যদি কোন অভাবী অসহায় ভাই ও বোনদের উপকার করতে পারি তাহলে আমার জীবন সার্থক হবে।

চলুন এবার কিভাবে প্রতিমাসে ২০,০০০ হাজার বা তারও বেশি আয় করতে পারবেন সেই প্রসেস গুলো আপনাদেরকে জানাবো। আশা করি এই আর্টিকেল টি মনোযোগ সহকারে পড়বেন। একবার যদি মনোযোগ সহকারে এই পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়েন আমি বিশ্বাস করি আপনি যত বড়ই হাবলা বা বোকা হন না কেন অনলাইন থেকে আয় করতে পারবেন ইনশাল্লাহ।




আয় করার জন্য কি কি প্রয়োজনঃ
  1. আপনার ১ টি এন্ড্রয়েড ফোন পিসি অথবা ল্যাপটপ থাকতে হবে। তবে ল্যাপটপ বা পিসি থাকলে বেশি ভালো হয়।
  2. অবশ্যই ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে। ওয়াইফাই ব্রড ব্যান্ড কানেকশন থাকলে আরও বেশি ভালো হয়। তবে আপনারা সিমের নেট ব্যবহার করতে পারেন। এখন কম টাকায় ইন্টারনেট প্যাকেজ কিনতে পাওয়া যায়। 
  3. অবশ্যই টাইপিং দক্ষতা থাকতে হবে। তবে প্রথম প্রথম এত বেশি দক্ষ না হলেও চলবে। কারণ কাজ করতে করতে আপনার টাইপিং গতি দিগুনের দিগুন হয়ে যাবে। 
কিসের মাধ্যমে আয় করবেন? 
এখন আপনারা মনে মনে  ভাবছেন  লেখালেখি তো করবো ঠিক আছে কিন্তু কোন ওয়েবসাইট বা কিসের মাধ্যমে আয় টা হবে? আমি এখন সেই কথায় বলবো। সেটি হল ব্লগে লেখালেখি করে বা ব্লগিং করে। ব্লগিং করে আপনি সারা জীবনের জন্য ইনকাম করতে পারবেন। এখন এই কথা শুনে আপনার মাথার টনক নড়ে গেছে। আপনি ভাবছেন এইটা তো অনেক কঠিন কাজ। না ভাই মোটেই কঠিন কাজ না তার জন্য আমি তো আছি সবকিছু সহজ করে দেব। আপনারা কিভাবে ফ্রিতে একটা ব্লগার সাইট তৈরি করবেন এবং কিভাবে ব্লগে লেখালেখি পাবলিশ করবেন তার সম্পূর্ণ ৮ টি ভিডিও পেতে এখানে ক্লিক করুন।

ব্লগ থেকে কি কি উপায়ে আয় করা যায়?

ব্লগ থেকে বিভিন্ন উপায়ে আয় করা যায়। কিন্তু আমি আজকে দুইটি কার্যকরী উপায় নিয়ে আলোচনা করবো।
  1. গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে
  2. বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়ে।

এখন এই দুইটি উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবঃ

গুগল এডসেন্সের মাধ্যমেঃ 
গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় অধিক কার্যকরী। তবে গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম করতে হলে বেশ কিছু শর্ত পুরন করতে হয়। তবে আপনারা এই প্রসেসে প্রথম চেষ্টা করবেন। যদি গুগল এডসেন্স একবার পেয়ে যান তাহলে সারাজীবন আয় করতে পারবেন। যদি গুগল এডসেন্স না পান তাহলে ২ নং উপায়ে আয় করা অনেক অনেক সহজ। সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো। তার আগে আমরা জানবোঃ


  1. গুগল এডসেন্স কি?
  2. গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় হয়?
  3. গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্তগুলো কি কি? 
  4. গুগল এডসেন্সের টাকা কিভাবে হাতে পাবো? 

গুগল এডসেন্স কি? 

গুগল এডসেন্স হলো গুগল এর মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বহুল জনপ্রিয় একটি এডভারটাইজিং প্রক্রিয়া।যার মাধ্যমে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অথবা ইউটিউবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। চাইলে আপনিও খুব সহজে আপনার ইউটিউব বা ব্লগ সাইটে এভাবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় হয়?

ভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা ও পণ্যের প্রচার এবং বিক্রয়ের জন্য  গুগল এডসেন্সের  নিকট চুক্তিবদ্ধ করে। যে কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রয় ও প্রচারের জন্য গুগল এডসেন্সকে অর্থ প্রদান করে থাকে। আর গুগল এডসেন্স সেই পণ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে, এই প্রচার বাবদ গুগল এডসেন্স কর্তৃপক্ষ সেই অর্থের একটি অংশ  সেই ইউটিউব ও ওয়েবসাইটের মালিক কে প্রদান করেন। গুগল এডসেন্স বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও, মোবাইল অ্যাপ এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। মূলত তার মাধ্যমেই যাদের ইউটিউব বা ব্লগ ওয়েবসাইট আছে তারা গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে পারে।

একবার যদি গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয় তার মানে লাইফটাইম উপার্জন শুরু হওয়া । যতদিন গুগল থাকবে ততদিন আপনার ইনকাম হতে থাকবে। অনেকেই গুগল এডসেন্সকে সোনার হরিণ বলে মনে করেন। কারণ সবাই মনে করে এটা পাওয়া খুবই কঠিন। আসলে এমন টা নয়, গুগল এডসেন্স এর সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে আবেদন করলে অবশ্যই এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কাজেই কিভাবে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করবেন তার বিস্তারিত আলোচনা নিচে করা হবে।

গুগল এডসেন্স পাওয়ার শর্তগুলো কি কি? 


গুগল এডসেন্স এপরুভ না হওয়ার কিছু বেসিক কারণ থাকে।তাই আপনারা যারা নতুন আছেন তারা যেন প্রথমবার এপ্লাই করেই গুগল এডসেন্স এপরুপ করাতে পারেন সেই সর্ম্পকেই আমরার আজকের এই পোষ্ট।গুগল এডসেন্স এপরুপ করানোর জন্য যা যা থাকতে হবে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলোঃ

  • অবশ্যই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ৩০-৪০ ভালোমানের আর্টিকেল থাকতে হবে। 
  • অন্য কোন কোম্পানির এড ব্লগে সেটিং না করলেই ভালো হয় বরং করবেন না। 
  • পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
  •  অন্যের আর্টিকেল চুরি করে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন না। 
  • গুগল এডসেন্সের কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না। 
  • এডাল্ট, হ্যাকিং,অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না। 
  • সেক্সুয়াল বা দুঃখজনক ঘটনা পরিহার করুন এমন কোন কন্টেন্ট লিখবেন না যার ফলে মানুষ খারাপের দিকে প্রভাবিত হয়। 
  • টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না। (তবে ব্লগস্পট এর বিষয়টা আলাদা)
  • পোষ্টগুলোর সাইজ কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ডের বেশি হলে ভাল হয়। তবে ১০০০ এর বেশি করতে পারলে আরো ভালো।সবসময় চেষ্টা করবেন অনেক বড় আর্টিকেল পোস্ট করতে।
  • আপনার সাইটের ডোমেন এর বয়স এক মাসের বেশি হতে হবে।
  • কমপক্ষে ৬টি পেজ থাকতে হবে। (তা হলো: About Us,Contact Us,Privacy Policy,sitemap,Disclaimer,Terms & Conditions) এই পেজগুলো ছাড়া আপনার ব্লগে এডসেন্স এপরুপ না করার সম্ভাবনা বেশি। 
  • একটি ভালো ও সুন্দর প্রিমিয়ার থিম হলে ভালো হয় । ফ্রি থিম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ভালো মানের আর্টিকেল পাবলিশ করে  গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন ।
  • একটি মাস্টার ডোমেইন (যেমন: .com, .net, .in, .bd, .info, .org )কিনলে সবচেয়ে ভালো হয়।
  • কখনেই অন্যের ইমেজ কপি করবেন না। তবে হ্যা ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ইমেজ ফ্রিতে পাওয়া যায় সেগুলো ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারেন অথবা ফটোশপ দিয়ে ভালো করে এডিটিং করে নিবেন। 
  • উল্টা পাল্টা অশালীন  অথবা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এমন কন্টেন্ট আপনার ব্লগে পাবলিশ করবেন না।

গুগল এডসেন্সের টাকা কিভাবে হাতে পাবো? 


এখন সবার মাথায় একটা কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেটি হলো গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো কিভাবে? এই চিন্তাটা হওয়াটাই স্বাভাবিক কেননা এত পরিশ্রম করে যদি টাকা হাতেই না পায় তাহলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে।যখন আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মধ্যে ১০ ডলার জমা হবে। তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউবের ইমেইলের ঠিকানা অনুযায়ী গুগল এডসেন্স থেকে ৪ ডিজিটের একটি পিন কোড পোস্ট অফিসে প্রেরণ করবে।  সেই পিন কোডটি নিয়ে আপনার গুগল এডসেন্স ভেরিফাইড করতে হবে।তারপর থেকে আর কোন চিন্তা নেই। আপনারা বুঝতে না পারলে ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখে নিবেন। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ করবেন কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পিন ভেরিফিকেশন করব।

গুগল এডসেন্স ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। আমাদের দেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা নেওয়া সবচেয়ে বেশি সুবিধা। আর ব্যাংক চেকের মাধ্যমে টাকা আসতে দেরি হয়। তাই আপনারা গুগল এডসেন্সের মধ্যে লোকাল ব্যাংক এড করে নিবেন। আমার মতে ইসলামি ব্যাংক অথবা ডাজ বাংলা ব্যাংক সবচেয়ে উত্তম। আপনারা চাইলে অন্যকোন ব্যাংক এড করে নিতে পারেন। আপনারা কিভাবে লোকাল ব্যাংক এড করবেন তা ইউটিউবে ভিডিও সার্চ করলে হাজার হাজার ভিডিও পেয়ে যাবেন। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে আপনার লোকাল ব্যাংককে টাকা প্রেরণ করা হবে। তখন ইচ্ছা করলেই আপনারা ব্যাংককে গিয়ে টাকা তুলে নিয়ে আসতে পারেন।


বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়েঃ

বিভিন্ন এড কোম্পানির এড ব্লগে বসিয়ে আপনারা খুব সহজেই ইনকাম করতে পারবেন। এই ভাবে ইনকামের জন্য তেমন কোন শর্ত নেই। আপনি ইচ্ছা করলেই বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে কন্টেন্ট গুলো নিয়ে সেগুলো হালকা পাতলা এদিক সেদিক করে আপনার ব্লগে পাবলিশ করতে পারেন। তার জন্য আপনার ইউনিক আর্টিকেল হতে হবে এমন কোন কথা নেই। অনলাইনে বিভিন্ন ওয়েবসাইট আছে যারা বিভিন্ন  কোম্পানির কাছ থেকে টাকা নিয়ে থাকে তাদের প্রোডাক্ট প্রচারনার জন্য। যখন কোন ব্লগার সেই ওয়েবসাইটে একটা একাউন্ট তৈরি করে তখন তারা একটি এড কোড দেই সেটি নিয়ে এসে আপনার ব্লগ সাইটে রাখলেই সেখানে এড শো হওয়ার বিনিময়ে আপনি টাকা পাবেন। কিভাবে আপনারা এই ধরণের ওয়েবসাইটে একাউন্ট তৈরি করবেন এবং এড কোড নিয়ে এসে ব্লগে বসাবেন সে ব্যাপারে ইউটিউবে অনেক ভিডিও রয়েছে। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ দিবেন "how to earn money for blogger without adsense bangla tutorials" তাহলে অনেক অনেক ওয়েবসাইটের ভিডিও পেয়ে যাবেন।

এখন আসুন আমরা জানবো কিভাবে খুব দ্রুত উপায়ে এখান থেকে আয় করবঃ

তার আগে নিচের এই আর্টিকেলটি সময় করে পড়ে নিবেন। তাহলে ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাবেন যার ফলে আপনাদের ইনকামও বেশি হবে।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

  1. আপনার ব্লগে বেশি বেশি কন্টেন্ট পাবলিশ করুন 
  2. এমন কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন যেগুলো মানুষে গুগলে সার্চ দেই
  3. প্রতিদিন ২ টা করে কন্টেন্ট পাবলিশ করবেন
  4. আপনাদের ব্লগারের কন্টেন্টগুলো ফেসবুক পেজ বা গ্রুপে শেয়ার করবেন
  5. আপনারা এভাবে ইনকাম করতে চাইলে অন্যের কন্টেন্ট কপি করে হালকা পরিবর্তন করে পাবলিশ করতে পারবেন।
  6. এমন এমন কন্টেন্ট লিখবেন যেগুলো মানুষ জানতে চায় বা পড়তে চায়
আজকের মত এখানেই বিদায় নিচ্ছি। যদি আর্টিকেলটি পড়ে ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করে দিন। আর আপনার যদি কোন কিছু জানার থাকে তাহলে উপরে আমাদের কন্টাক্ট পেজে গিয়ে ইমেইল করুন। আমি সাথে সাথে আপনার প্রতিউত্তর দিব। আর আমাদের পেজটি সাবস্ক্রাইব করে সাথেই থাকুন। আপনি যতখন না পর্যন্ত আয় করতে পারছেন আমি ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার সর্বাত্মক সাহায্য করবো ইনশাল্লাহ। 

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন। 

মেটা ট্যাগস এবং মেটা বিবরণ সর্বাধিক জনপ্রিয় এইচটিএমএল ট্যাগ। যার মাধ্যমে ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিনে প্রবেশ করে এবং গুগল র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে। তাই ব্লগার ওয়েবসাইটকে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসার জন্য মেটা ট্যাগস এবং মেটা বিবরণ ব্লগের থিম অপশনে গিয়ে এইচ টি এম এল কোড বসাতে হয়। আজকের এই আর্টিকেলে কিভাবে আপনারা আপনাদের ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণ বসাবেন সেটি নিয়ে আলোচনা করব।

তার আগে আমার ওয়েবসাইটে ব্লগার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল দুটি পড়ে নিতে পারেন।
  1. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  2. ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বর্ণনাঃ


আপনার ব্লগটিতে সর্বোচ্চ 150 অক্ষরের মধ্যে মূল মেটা ট্যাগস নির্বাচন করুন। আপনি যখন ব্লগে মেটা ট্যাগস যুক্ত করতে যাবেন সেখানে ক্যারেক্টার কাউন্টার সরঞ্জাম আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনি ১৫০ ক্যারেকটারের বেশি মেটা ট্যাগস ব্যবহার করতে পারবেন না। উদাহরণস্বরূপ আমি আমার ব্লগটি বর্ণনা করার জন্য নিম্নলিখিত শব্দগুলি বেছে নিয়েছি।

আমার ব্লগার সাইটের মেটা ট্যাগসঃ   

"ব্লগার ট্রিকস, ব্লগার টেমপ্লেটস, উইজেটস, এসইও, অনলাইনে অর্থোপার্জন, সিএসএস এবং এইচটিএমএল কৌশলগুলি সম্পর্কে একটি ব্লগ"

উপরের মেটা ট্যাগস গুলো আপনারা ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনার ব্লগার সাইটি ব্যান হয়ে যেতে পারে। আপনাদের ব্লগ টিতে যে মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন ঠিক সেগুলোই মেটা ট্যাগস হিসেবে ব্যবহার করবেন। প্রতি কীওয়ার্ডে সর্বোচ্চ তিনটি শব্দ লিখুন এবং কমা ব্যবহার করে প্রতিটি কীওয়ার্ডকে আলাদা আলাদা করুন। উদাহরণ হিসাবে আমার  উপরের কীওয়ার্ডগুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার সাইটের মূল বিষয়ের বা মেনুর উপর মিল রেখে মেটা ট্যাগস নির্বাচন করুন ।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "search preferences"ক্লিক করবেন তারপর সবার উপরে "meta tags" এর একটু নিচে " Description" এর পাশে "Edit" বক্সে আপনার ১৫০ শব্দের মেটা ট্যাগস লিখে সেভ দিতে হবে। নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ বর্ণনা,ব্লগার ট্রিকস, ব্লগার টেমপ্লেটস, উইজেটস, ব্লগার এসইও,ব্লগার কাস্টমাইজ, অনলাইনে অর্থোপার্জন, সিএসএস এবং এইচটিএমএল কৌশলগুলি সম্পর্কে একটি ব্লগ,কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগস বসাবেন, ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ,কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেন, মেটা লেখক,"Top Bangla Page"মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণ এর জন্য এইচটিএমএল কোড তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন  কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণঃ 

আপনার ব্লগটিতে সর্বোচ্চ 500 অক্ষরের মধ্যে মূল মেটা বিবরণ নির্বাচন করুন। আপনি যখন ব্লগে মেটা বিবরণ যুক্ত করতে যাবেন সেখানে ক্যারেক্টার কাউন্টার সরঞ্জাম আপনাকে সহায়তা করতে পারে। আপনি  500 ক্যারেকটারের বেশি মেটা বিবরণ ব্যবহার করতে পারবেন না। উদাহরণস্বরূপ আমি আমার ব্লগটি বর্ণনা করার জন্য নিম্নলিখিত শব্দগুলি বেছে নিয়েছি।

আমার ব্লগার সাইটের জন্য মেটা বিবরণঃ

আমি ব্লগার কৌশল, ব্লগার টিপস, এসইও গাইড, অনলাইনে অর্থোপার্জন, ব্লগার উইজেট, সিএসএস এইচটিএমএল কৌশল,স্বাস্থ্যের টিপস, ঔষধ, খবর, ভিডিও, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিক্ষা, জানা এবং অজানা তথ্য, বিনোদন সংবাদ, রহস্যময় খবর, বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী এবং আরও কিছু বিষয়ে আলোচনা করার জন্য এই ব্লগের মাধ্যমে চেষ্টা করেছি। আমি আশা করি এবং বিশ্বাস করি যে আমার ব্লগের মাধ্যমে আপনি সমস্ত কিছু সম্পর্কে প্রচুর তথ্য পাবেন। যদি আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি, আমার কঠোর পরিশ্রম সফল হবে। বিশ্বের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ 

উপরের মেটা বিবরণ গুলো আপনারা ব্যবহার করবেন না। তাহলে আপনার ব্লগার সাইটি ব্যান হয়ে যেতে পারে।  আপনাদের ব্লগ টিতে যে মূল বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন ঠিক সেগুলোর উপর ভিত্তি করে মেটা বিবরণ ব্যবহার করবেন। প্রতি কীওয়ার্ড গুলোতে সর্বোচ্চ তিনটি শব্দ লিখুন এবং কমা ব্যবহার করে প্রতিটি কীওয়ার্ডকে আলাদা আলাদা করুন। উদাহরণ হিসাবে আমার  উপরের মেটা বিবরণ কীওয়ার্ডগুলি অনুসরণ করে আপনি আপনার সাইটের মূল বিষয়ের বা মেনুর উপর মিল রেখে মেটা বিবরণ নির্বাচন করুন ।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "Basic"ক্লিক করবেন তারপর "title" এর একটু নিচে " Description" এর পাশে "Edit" বক্সে আপনার 500 শব্দের মেটা বিবরণ লিখে সেভ দিতে হবে।  নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা লেখক বা টাইটেলঃ 

এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ ট্যাগ নয় তবে তবুও প্রত্যেকেই নিজের ওয়েবসাইটে তাঁর নাম সংযুক্ত করতে পছন্দ করে তাই আপনার পিছনে ফেলে রাখা উচিত হবে না। মেটা লেখকের যায়গায় আপনার ব্লগার সাইটের নামটি ব্যবহার করবেন।
যেমন উদাহরণ স্বরূপ আমার ওয়েবসাইটের নাম "Top Bangla Page"

আপনি যদি নিজের নামটি যুক্ত করতে না চান তবে নীচের সরঞ্জামটিতে খালি খালি রাখুন।

কিভাবে আপনার ব্লগার সাইটে মেটা বিবরণ বসাবেনঃ
প্রথমে আপরা ব্লগার হোম পেজে যাবেন তারপর "settings" অপশনে "Basic"ক্লিক করবেন তারপর "title" এর "Edit" বক্সে আপনার ব্লগার সাইটের নাম লিখে সেভ দিতে হবে।  নিচে স্ক্রিন শট দিয়ে দেখানো হলঃ

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগার সাইটে মেটা রোবটঃ

কখনও কখনও আপনি অনুসন্ধান ইঞ্জিন রোবটগুলি আপনার ব্লগটিকে ক্রল এবং সূচীকরণ করতে না চান তাহলে আপনি "no" ব্যবহার করতে পারেন। আর আপনি যদি গুগলে প্রদর্শিত করতে চান তাহলে "index"সেট করে দিবেন। এছাড়াও ডিফল্ট হিসেবে
"all"রেখে দিতে পারেন।

কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন ভিডিও টি দেখুনঃ



মেটা ট্যাগস ও মেটা বিবরণের জন্য এইচটিএমএল কোড তৈরি করতে এখানে ক্লিক করুন  

Sunday, September 1, 2019

গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।

গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।

গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা। 

গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা,গুগল এডসেন্স কি?গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেয়?কিভাবে গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো?কিভাবে এডসেন্সের পেমেন্ট পাবো,গুগল এডসেন্স ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়,গুগল এডসেন্স কিসে কিসে অর্থ প্রদান করে, গুগল এডসেন্স এর প্রকারভেদ,গুগল হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট,গুগল নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট, এডসেন্স অ্যাকাউন্ট আপগ্রেড,গুগল এডসেন্স পলিসি, গুগল এডসেন্সের নীতিমালা,গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করার উপায়,গুগল এডসেন্স ব্যান থেকে বাঁচার উপায়,গুগল এডসেন্স ইউটিউব,গুগল এডসেন্স থেকে টাকা আয়,গুগল এডসেন্স এর নিয়ম, কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলব,গুগল এডসেন্স এর কাজ কি,গুগল এডসেন্স পাওয়ার উপায়,গুগল এডসেন্স টিউটোরিয়াল,গুগল এডসেন্স শর্ত।

গুগল এডসেন্সঃ আপনি যদি সারাজীবনের জন্য আয় করতে চান এবং জীবনে সাফল্য পেতে চান । তাহলে গুগল এডসেন্স একটি নির্ভরযোগ্য উপায় যার মাধ্যমে আজীবন আয় করতে পারবেন। এমনকি আপনি মারা গেলেও গুগল এডসেন্স থেকে আপনার স্ত্রী সন্তান ও অর্থ পেতে পারে। কাজেই আজকের এই আলোচনায় গুগল এডসেন্সের খুঁটিনাটি,নাড়িভুঁড়ি ও আদ্যোপান্ত সকল বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব। কাজেই আপনারা কেউ ধৈর্য হারা হবেন না একটু মনোযোগ সহকারে পড়বেন। আমি যদি কষ্ট করে এত লিখতে পারি তাহলে আপনারা পড়তে পারবেন না কেন? এতটুকু ধৈর্য না থাকলে কেউ সফল হতে পারে না। গুগল এডসেন্স নিয়ে সমস্ত আর্টিকেলটি যদি আপনারা একবার মনোযোগ দিয়ে পড়তে পারেন তাহলে গুগল এডসেন্স সম্পর্কে আর কিছুই অজানা থাকবে না। তাই বিভিন্ন ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ছোটাছুটি না করে এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন। আমি এই একটিমাত্র আর্টিকেলের মাধ্যমে সমস্ত বিষয় বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আশা করি আর কোথাও আপনাকে যেতে হবে না। এবং আপনিও খুব সহজেই গুগল এডসেন্স থেকে খুব ভালমানের অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।

গুগল এডসেন্স কি?

গুগল এডসেন্স হলো গুগল এর মালিকানাধীন বিশ্বের সবচেয়ে বহুল জনপ্রিয় একটি এডভারটাইজিং প্রক্রিয়া।যার মাধ্যমে একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অথবা ইউটিউবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করা যায়। চাইলে আপনিও খুব সহজে আপনার ইউটিউব বা ব্লগ সাইটে এভাবে গুগলের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা উপার্জন করতে পারেন।

বিভিন্ন কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠান তাদের সেবা ও পণ্যের প্রচার এবং বিক্রয়ের জন্য  গুগল এডসেন্সের  নিকট চুক্তিবদ্ধ করে। যে কোনো ব্যক্তি প্রতিষ্ঠান বা কোম্পানি তাদের পণ্য বা সেবা বিক্রয় ও প্রচারের জন্য গুগল এডসেন্সকে অর্থ প্রদান করে থাকে। আর গুগল এডসেন্স সেই পণ্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ইউটিউবের মাধ্যমে প্রচার করে থাকে, এই প্রচার বাবদ গুগল এডসেন্স কর্তৃপক্ষ সেই অর্থের একটি অংশ  সেই ইউটিউব ও ওয়েবসাইটের মালিক কে প্রদান করেন। গুগল এডসেন্স বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও, মোবাইল অ্যাপ এবং ইউটিউব এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে। মূলত তার মাধ্যমেই যাদের ইউটিউব বা ব্লগ ওয়েবসাইট আছে তারা গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে পারে।

একবার যদি গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয় তার মানে লাইফটাইম উপার্জন শুরু হওয়া । যতদিন গুগল থাকবে ততদিন আপনার ইনকাম হতে থাকবে। অনেকেই গুগল এডসেন্সকে সোনার হরিণ বলে মনে করেন। কারণ সবাই মনে করে এটা পাওয়া খুবই কঠিন। আসলে এমন টা নয়, গুগল এডসেন্স এর সকল নিয়ম সঠিকভাবে মেনে আবেদন করলে অবশ্যই এপ্রুভ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। কাজেই কিভাবে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করবেন তার বিস্তারিত আলোচনা নিচে করা হবে।


গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেয়? 

আমাদের মনে একটা প্রশ্ন আসতেই পারে সেটি হল গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেই? গুগলের আরেকটা সেবা আছে, যার নাম গুগল এডওয়ার্ড। গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তাদের ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারনার চুক্তিতে টাকা নেয়। তারপর গুগল এডসেন্স সেবার মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট , ব্লগে ও ইউটিউবে টাকা প্রদানকৃত সেই ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায়। এখন গুগল যত টাকা আয় করে তার থেকে ওয়েবসাইট, ব্লগ ও ইউটিউব মালিকদেরকে ৬৮% পরিমান অর্থ প্রদান করে এবং বাকি ৩২% অর্থ সেবা পরিচালনা ব্যয় হিসেবে গুগল রেখে দেয়।

কিভাবে গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো? 

এখন সবার মাথায় একটা কথায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেটি হলো গুগল এডসেন্সের টাকা হাতে পাবো কিভাবে? এই চিন্তাটা হওয়াটাই স্বাভাবিক কেননা এত পরিশ্রম করে যদি টাকা হাতেই না পায় তাহলে সব পরিশ্রম বৃথা হয়ে যাবে।যখন আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মধ্যে ১০ ডলার জমা হবে। তখন অটোমেটিক আপনার ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউবের ইমেইলের ঠিকানা অনুযায়ী গুগল এডসেন্স থেকে ৪ ডিজিটের একটি পিন কোড পোস্ট অফিসে প্রেরণ করবে।  সেই পিন কোডটি নিয়ে আপনার গুগল এডসেন্স ভেরিফাইড করতে হবে।তারপর থেকে আর কোন চিন্তা নেই। আপনারা বুঝতে না পারলে ইউটিউবে সার্চ করে ভিডিও দেখে নিবেন। আপনারা ইউটিউবে এই লিখে সার্চ করবেন কিভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পিন ভেরিফিকেশন করব।

গুগল এডসেন্স ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. ব্যাংক ট্রান্সফার এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। আমাদের দেশে ব্যাংক ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা নেওয়া সবচেয়ে বেশি সুবিধা। আর ব্যাংক চেকের মাধ্যমে টাকা আসতে দেরি হয়। তাই আপনারা গুগল এডসেন্সের মধ্যে লোকাল ব্যাংক এড করে নিবেন। আমার মতে ইসলামি ব্যাংক অথবা ডাজ বাংলা ব্যাংক সবচেয়ে উত্তম। আপনারা চাইলে অন্যকোন ব্যাংক এড করে নিতে পারেন। আপনারা কিভাবে লোকাল ব্যাংক এড করবেন তা ইউটিউবে ভিডিও সার্চ করলে হাজার হাজার ভিডিও পেয়ে যাবেন। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে আপনার লোকাল ব্যাংককে টাকা প্রেরণ করা হবে। তখন ইচ্ছা করলেই আপনারা ব্যাংককে গিয়ে টাকা তুলে নিয়ে আসতে পারেন।


গুগল এডসেন্স কিসে কিসে অর্থ প্রদান করেঃ 

আপনারা ইতোমধ্যে জেনে গেছেন গুগল এডসেন্স কিসের উপর অর্থ প্রদান করে। বলেন তো আপনারা  মনে মনে সেগুলো কি কি? সেগুলো হলো যথাঃ

  1. ব্লগ বা ওয়েবসাইটের উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ফলে।
  2. এবং ইউটিউবের উপর বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের ফলে। 

ব্লগ এবং ইউটিউব থেকে কিভাবে আয় করবেন তার বিস্তারিত বিবরণ নিচে আলোচনা করা হবে। তাই কেউ পোস্টটি না পড়ে যাবেন না।



গুগল এডসেন্স কত প্র্রকার ও কি কি খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনাঃ  

গুগল এডসেন্স আসলে কত প্রকার কি কি? এবং কিভাবে কাজ করে?  সাধারনত গুগল এডসেন্স দুই ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে যথাঃ

  1. গুগল হোস্টেড এডসেন্স 
  2. এবং নন হোস্টেড এডসেন্স 

এখানে গুগল হোস্টেড এডসেন্স এবং নন হোস্টেড এডসেন্স নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করছি। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ

গুগল হোস্টেড এডসেন্স একাউন্টঃ 

হোস্টেড এডসেন্স হলো গুগলের এডসেন্স একাউন্টের একটি অন্যতম প্লাটফর্ম যেখানে ইউটিউব ও ব্লগের কন্টেন্ট বা আর্টিকেল সংরক্ষণ করা হয়।  এটি সাধারনত যারা গুগলের  হোস্ট করা জায়গায ব্যবহার করে থাকে তাদের জন্য। এখন কথা হচ্ছে গুগলের হোস্ট টা কি? “ ব্লগস্পট” এবং  ”ইউটিউব” হলো গুগলের পাটনার আপনি ইউটিউবে লক্ষাধিক ভিডিও যদি আপলোড করেন সেখানে ভিডিওগুলো রাখতে পারেন তার জন্য আলাদা করে আপনাকে কোন হোস্টিং কিনতে হয় না। যত হোস্টিং প্রয়োজন হবে সম্পূর্ণ গুগোল সংরক্ষণ করে থাকবে । আর ইউটিউব ব্যবহার করে যে অ্যাডসেন্স আপনি ব্যবহার করবেন সেটা হলো হোস্টেড একাউন্ট। অন্যদিকে যারা গুগলের ব্লগার প্লাটফর্ম ব্যবহার করে ব্লগিং করেন সেখানে আপনাদেরকে কোন টাকা দিতে হয় না। আপনার সকল পোস্ট ফটো এমনকি ভিডিও সবকিছুর জন্য যে জায়গা প্রয়োজন হয় অর্থাৎ যে হোস্টিং প্রয়োজন হয় সেটা সম্পূর্ণ গুগল ফ্রিতে প্রোভাইড করে থাকে। এবং সেই  ক্ষেত্রে আপনাকে উপার্জন করার জন্য গুগল এডসেন্স এর  যে অ্যাকাউন্ট দিয়ে থাকে সেটা হলো হোস্টেড অ্যাকাউন্ট । আশাকরি হোস্টেড অ্যাকাউন্ট সম্পর্কে জানতে পেরেছেন এখন হোস্টের অ্যাকাউন্টের পাওয়ার সম্পর্কে আপনাদের সাথে কিছু আলোচনা করব।

হোস্টের অ্যাকাউন্ট কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে পারব?

যেহেতু হোস্টেড একাউন্টে গুগলে  হোস্ট করা জায়গার উপর বেসিস করে গুগোল প্রোভাইড করে থাকে, তাই গুগল এটা যে প্ল্যাটফর্মের ওপর আপনাকে দিয়েছে কেবলমাত্র সেখানেই ব্যবহার করতে পারবেন। যদি আপনাকে ইউটিউবের ওপর এডসেন্স একাউন্ট দিয়ে থাকে তাহলে সেই একাউন্টে শুধুমাত্র ইউটিউবে ব্যবহার করতে পারবেন। আর যদি ব্লগারের কোন ব্লগ পোস্টের  জন্য দিয়ে থাকে তখন সেই এডসেন্স টি শুধুমাত্র সেই ব্লগেই ব্যবহার করতে পারবেন। ইউটিউব এবং ব্লগার থেকে যে এডসেন্স একাউন্ট আপনাকে দেওয়া হয়েছে সেটা সেই প্ল্যাটফর্ম ছাড়া অন্য কোথাও ব্যবহার করতে পারবেন না। এখন কথা হল আমার কয়েকটা ওয়েব সাইট রয়েছে, আমি একই একাউন্ট কিভাবে প্রত্যেকটা ওয়েবসাইটের  সাথে একই এডসেন্সে ব্যবহার করতে পারব? পারবেন সেটার জন্য আপনাকে অবশ্যই আপনার গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টটি আপগ্রেড করে নিতে হবে। কিভাবে আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্টে আপগ্রেড করবেন সেটা একটু নিচেই আলোচনা করব। তার আগেই জেনে নেওয়া যাক গুগল নন হোস্টেড একাউন্ট কি?

গুগল নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্টঃ

নন হোস্টেড এডসেন্স হলো যে অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্টে আপনার নিজস্ব হোস্টিং এর ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ আপনি যদি ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন আর হোস্টিং কিনে গুগল এডসেন্সের কাছে আবেদন করেন তখন যদি গুগল যাচাই বাচাই করে এপ্রুভ করে সেটি হল  নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট।একটি  নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্টে ৫০০ টি ওয়েবসাইট কানেক্ট করা যায়। এবং সবগুলো ওয়েবসাইটের টাকা একটি মাত্র  নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্টের মধ্যে জমা হবে। আপনারা বিভিন্ন অনলাইন ওয়েবসাইট থেকে ডোমেইন হোস্টিং কিনতে পারবেন। কিভাবে ডোমেইন ও  হোস্টিং কিনতে হয় ইউটিউবে ভিডিও সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।

নন হোস্টেড একাউন্ট কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে পারব?

আপনার যদি একটি গুগল নন হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট থাকে সে অ্যাডসেন্স দিয়ে আপনি ব্লগারের যেকোনো সাবডোমেইনে ব্যবহার করতে পারবেন। আপনার যদি আরো অনেকগুলো ওয়েবসাইট থেকে সেখানে এড কোড ব্যবহার করে এই এডসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। এমনকি এই এডসেন্স একাউন্ট ইউটিউবে ব্যবহার করতে পারবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার সেলফ হোস্টেড ওয়েবসাইট ব্লগস্পট এমনকি ইউটিউব এর সকল আর্নিং একই জায়গায় একসাথে যোগ হবে। এমনকি সকল আর্নিং একসাথে আপনাকে পেমেন্ট করবে।  এখন কথা হল কিভাবে একটি পোষ্টের একাউন্ট ক্যানন হোস্টের একাউন্টে আপগ্রেড করবেন। পূর্বেই বলেছিলাম কিভাবে এডসেন্স একাউন্ট আপগ্রেড করবেন। এখন সেই বিষয় নিয়েই আলোচনা করব।



এডসেন্স অ্যাকাউন্ট আপগ্রেডঃ 

মনে করুন আপনার একটি ইউটিউবের এডসেন্স রয়েছে এটা হল হোস্টেড একাউন্ট। এ একাউন্ট দিয়ে আপনি আপনার ওয়েব সাইট থেকে ইনকাম করতে পারবেন না অথবা মনে করুন আপনার  ব্লগস্পটের সাবডোমেইনে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে এবং সেখানেও গুগল এডসেন্স রয়েছে সেটাও হোস্টের একাউন্ট। হোস্টেড অ্যাকাউন্ট  যে প্লাটফর্মে আপনাকে দিয়েছে শুধু মাত্র সেখানেই ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু কথা হল আপনার আরো অনেকগুলো ওয়েবসাইট রয়েছে সেখানে কিভাবে সেই এডসেন্সকে ব্যবহার করবেন এবং একই এডসেন্সে কিভাবে কানেক্ট করবেন। খুবই সহজ ব্যাপার।

আপনার জন্য সেলফ হোস্টেড  ওয়েবসাইট রয়েছে সেই ওয়েবসাইট দিয়ে আপনি হোস্টেড একাউন্টকে নন হোস্টেড একাউন্ট এর জন্য আবেদন করবেন। তখন গুগল আপনার ওয়েবসাইটকে রিভিউ করে যদি এডসেন্স এর টার্ম এবং কন্ডিশন ঠিক থাকে তাহলে এডসেন্সে অনুমোদন  দিবে। তখন আপনার গুগল এডসেন্স টি হোস্টেল থেকে নন হোস্টেড একাউন্টে রূপান্তর হয়ে যাবে।


কিভাবে ব্লগারে কাস্টম ডোমেইন দিয়ে নন হোস্টেড একাউন্ট করবেনঃ 

অনেকেই এ ব্যাপারটি নিয়ে দ্বিধা দ্বন্দ্বের মধ্যে থাকে সেটা হল। আমি ব্লগারের হোস্টিং ব্যবহার করি কিন্তু আমার ডোমেইনটি (ডট কম, ডট নেট, বাজে কোন এক্সটেনশন লাগানো) কাস্টম ডোমেইন তখন সেই ক্ষেত্রে আমার গুগল এডসেন্স টি হোস্টেল হবে নাকি নন হোস্টেড হবে? এটা নিয়ে অনেকেই দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মাঝে মাঝে রয়েছে । এটা অবশ্যই গুগল নন হোস্টেড একাউন্ট কেননা যখনই গুগলের হোস্টিং ব্যবহার করে আপনি আপনার কাস্টম ডোমেইন দিয়ে একটি ওয়েবসাইট তৈরি করবেন, তখন ডোমেইন এর উপর ডিপেন্ড করে ওয়েবসাইট নির্মিত আর ডোমেইনটা আপনার  নামে রেজিস্টার করা। তাই এটি আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট আর এই ওয়েবসাইটের ওপর যখন গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভাল দেবে সেটা অবশ্যই নন হোস্টেড একাউন্ট হবে।



কিভাবে ব্লগ থেকে আয় করবেন খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনাঃ 

  কিভাবে ব্লগ থেকে আয় করবেন খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা,ব্লগে গুগল এডসেন্স, ব্লগ বা ওয়েবসাইট কি?কিভাবে ব্লগ থেকে আয় করবেন, ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কি কি ধরনের কন্টেন্ট লিখবেন,ব্লগে এডসেন্স এপ্রুভ করার সহজ উপায়,গুগল এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হওয়ার প্রধান শর্ত সমুহ,ব্লগের পোস্ট কমপক্ষে কতো শব্দের হতে হবে? কন্টেন্টের মান কেমন হতে হবে? ব্লগে Privacy policy, Contact information,টপ লেভেল ডোমেইন কেন প্রয়োজন?কিভাবে ব্লগে কাস্টমাইজ করব,সাইটে কতগুলো কন্টেন্ট থাকতে হবে? ব্লগ সাইট,কিভাবে ব্লগ তৈরি করব, সকল বাংলা ব্লগ,বাংলা ব্লগ সাইট,ব্লগ থেকে আয় করার সহজ উপায়,ব্লগ তৈরি করার নিয়ম,ব্লগিং করে আয়,লেখলেখি করে আয় করার উপায়।

লেখালেখি করে আয় করার একটা  চমৎকার সহজ মাধ্যম হচ্ছে গুগল এডসেন্স। যারা এর আগে বাংলায় লেখালেখি করতেন তাদের ইনকাম করার উপায় ছিল না। কারণ বাংলা আর্টিকেল গুগল এডসেন্স এপ্রুভ করত না। কিন্তু বর্তমানে বাংলা কন্টেন্ট গুগলে বৈধ করা হয়েছে। এখন অনায়াসে বাংলা কন্টেন্ট লিখে গুগল এডসেন্স পেতে পারেন। এখন থেকে গুগল এডসেন্সে অফিশিয়াল ভাবে বাংলা সাপোর্ট করবে। এখন যে কেউ বাংলা কন্টেন্টে এডসেন্স ব্যবহার করতে পারবেন। যেহেতু আমরা বাঙালি সেহেতু বাংলা কন্টেন্ট লিখতে সহজ হয়। তাছাড়াও অনেকেই আছে ইংরেজিতে খুবই দুর্বল। আমি কিন্তু মোটেই দুর্বল না আমার আরেকটি জনপ্রিয় ইংলিশ ওয়েবসাইট আছে।

যদিও ইংরেজী কন্টেন্টে আগে থেকে বাংলাদেশ থেকে এডসেন্স সাপোর্ট ছিল। বাংলাদেশে অনেকেই অনেক ভালোমানের আয় করত এবং এখনো করছে। ব্লগ বা ওয়েবসাইটে আর্টিকেল লিখে অনেক ভালো আয় করা যায়। এছাড়া এডসেন্স ছাড়াও আরো অনেক ভাবে ব্লগ বা ওয়েব সাইট থেকে আয় করা যায়, যেমন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং অথবা নিজের প্রডাক্ট প্রমোট করেও সেই মানের উপার্জন করা যায়। শুধুমাত্র মাথায় একটু পুষ্টি থাকতে হবে।

আমরা অনেকেই ফেসবুকে অনেক স্ট্যাটাস লিখে অযথা সময় নষ্ট করে থাকি। স্ট্যাটাস আকারে না লিখে  আপনি যদি নিয়মিত ব্লগ একাউন্ট খুলে লেখা শুরু করেন তাহলে এখন থেকে নিজের লেখা গুলো থেকেই আয় করার একটা সুযোগ পাওয়া যাবে। যেহেতু বাংলায় এডসেন্স সাপোর্ট রয়েছে, ইংরেজী দক্ষতা ছাড়াও সুন্দর কন্টেন্ট লিখে ভালমানের ইনকাম করতে পারবেন। এই ধরুন আমি বাংলা কন্টেন্ট লিখে ইনকাম করতেছি।

ব্লগ সম্পর্কে আরও দুটি আর্টিকেলের লিংক নিচে দেওয়া হলো অবশ্যই পড়ে নিবেন। 

  1. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  2. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগ বা ওয়েবসাইটে কি কি ধরনের কন্টেন্ট লিখবেনঃ

ব্লগ লেখার জন্য আপনাকে খুব একটা এক্সপার্ট বা বিশেষজ্ঞ হতে হবে এমনটা কিন্তু নয়। আপনি পড়ালেখা করেন যে বিষয়ে, ঐ বিষয় নিজে জানার পাশাপাশি লিখে রাখতে পারেন যেন নতুনরা উপকৃত হয়। লিখতে পারেন আপনার
পছন্দের বিষয়ে, যেমন ক্রিকেট, ফুটবল বা যে কোন খেলাধুলা,রান্নাবান্না,গল্প,কৌতুক,ছড়া,গান,কবিতা,উপন্যাস,নাটক,
বই নিয়ে রিভিউ, কোন গ্যাজেট নিয়ে রিভিউ, খাবার দাবার, লাইফস্টাইল সহ আরো কত কিছু পৃথিবীতে নানান বিষয় নিয়ে লিখতে পারেন।

মনে রাখতে হবে যেন অন্যের কন্টেন্ট নিজের ব্লগে সরাসরি কপি পেস্ট না করা হয়। যে কোন কিছু নিজের মত করে লিখতে হবে কোনপ্রকার অন্যের আর্টিকেল চুরি করা যাবে না। আর যদি অন্যের কন্টেন্ট চুরি করে কপি পেস্ট করা হয়, গুগল পেনাল্টি হিসেবে এডসেন্স একাউন্ট ব্যান করে দিতে পারে। একই কন্টেন্ট বা বিষয়বস্তু হোক সেটা সমস্যা না কিন্তু আপনার নিজের মত করে লিখতে চেষ্টা করবেন।

লেখালেখি প্রকাশ করার জন্য একটা ওয়েব সাইট লাগে। তার জন্য প্রতিবছর টাকা গুনতে হয় যেমন ডোমেইন হোস্টিং কিনতে হয়। যারা ফ্রিতে শুরু করতে চাচ্ছেন, তাদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ হতে পারে blogspot.com এ একটা ব্লগ খুলে লেখালেখি শুরু করে দেন। এখানে ফ্রিতে একটা সাবডোমেইন পাওয়া যাবে। এছাড়া লেখালেখি করার জন্য প্রয়োজনীয় টুলস যুক্ত রয়েছে। এছাড়া এখানে এডসেন্স এপ্রুভ করিয়ে এডও দেখানো যাবে। এটা দিয়ে শুরু করলে অনলাইনে কিভাবে নিজের লেখা প্রকাশ করা যায়, কিভাবে ব্লগ বা ওয়েব সাইট গুলো কাজ করে, এসব সম্পর্কে আইডিয়া হয়ে যাবে। এরপর ভালো আইডিয়া হলে নিজস্ব ওয়েব সাইট খুলতে পারবেন। কারণ ভালো রেভিনিউর এর জন্য দরকার নিজস্ব ওয়েবসাইট। তখন না হয় ডোমেইন হোস্টিং  কিনে এড করে দিবেন। এই যে ধরুন আমার এই ওয়েবসাইট প্রথমে ব্লগে খোলা ছিল কিন্তু পরে আমি ডোমেইন কিনে নিয়েছি।

লেখালেখি যাদের ভালো লাগে, তাদের জন্য এটা দারুণ একটা দারুণ সুযোগ। যারা পড়ালেখা করে, এ সুযোগকে কাজে লাগালে নিজের পকেট খরচ নিজেই উঠাতে পারবেন। এছাড়া ভালো লিখতে পারলে এখানেই ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ রয়েছে। একজন ভালো লেখক প্রতি ঘন্টায় ১০০ ডলার বা তারো বেশি উপার্জন করতে পারবেন।
ব্লগিং এত সুবিধা দেখে আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যে ব্লগিংকে পেশা হিসেবে নিতে চায় । আর তার জন্য অনেকে একটি ওয়েবসাইট তৈরি ও করে ফেলে এবং সেখানে নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ ও করতে থাকে।



ব্লগে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হলেই কি টাকা আসা শুরু হবে?

ব্লগে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হলেই  টাকা আসা শুরু হবে এটা আরেকটা ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন ব্লগে এড বসালেই টাকা আসা শুরু বাস্তবে তেমনটা নয়। আপনি ভেবে দেখুন গুগল কেন আপনাকে টাকা দিবে?বিনা কারণে গুগল কখনই আপনাকে টাকা দিবে না। যখন মানুষ আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে এবং এডসেন্স এর এড এ ক্লিক করবে তখন আপনি টাকা আয় করতে পারবেন। এইজন্য এডসেন্স থেকে টাকা আয় করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে প্রচুর ট্রাফিক বা ভিজিটর। যখন আপানার ব্লগ পোস্ট পড়ে মানুষের উপকার আসবে অথবা সে আনন্দ পাবে তখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে অনেকক্ষণ থাকবে। এর ফলে সে কোন না কোন বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। তাছাড়াও ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনেকক্ষণ থাকলে এড ইম্প্রেশন বাড়ে যার ফলেও উপার্জন হয়। তাহলে এখন বলুন গুগলের এড ব্লগে বসালেই কি টাকা আসা শুরু হবে?

কিভাবে বুঝবো আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা? 

কিভাবে বুঝব আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা? এইটার জন্য আমি আপনাকে একটা সহজ সল্যুশন দিচ্ছি।  নিজের ব্লগটিকে আপনি মালিক না ভেবে বরং নিজেকে ভিজিটর হিসেবে দেখুন। আমি নিশ্চিত আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। তারপরেও যদি বুঝতে না পারেন যে, আমার সাইটে কোন সমস্যা আছে কিনা। তাহলে সোজা গিয়ে এডসেন্স এ এপ্লাই করুন। আপনার সাইট ভালো হলে গুগল আপনাকে এডসেন্স দিয়ে দিবে অথবা কি সমস্যা আছে সেটা তারা আপনার ই-মেইলের মাধ্যমে বিস্তারিত জানিয়ে দেবে।  আপনি সেই সমস্যা গুলো সমাধান করে আবার পুনরায় এপ্লাই করবেন। আপনি একবার নয় হাজার বার এপ্লাই করতে পারবেন যতক্ষণ পর্যন্ত আপনি এডসেন্স এপ্রুভ করাতে না পাচ্ছেন। তাতে আপনার ব্লগের কোন ক্ষতি হবে না। যেমন আমি ১৪ বারের মাথাই এপ্রুভ করাতে পেরেছিলাম। তার মানে ১৩ বার আমার এডসেন্স এপ্রুভ করে নাই গুগল এডসেন্স টিম। আমি ১৪ বারে গিয়ে সফল হয়। আপনিও ইনশাল্লাহ সফল হবেন।



গুগল এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হওয়ার প্রধান শর্ত সমুহঃ

গুগল এডসেন্স এপরুভ না হওয়ার কিছু বেসিক কারণ থাকে।তাই আপনারা যারা নতুন আছেন তারা যেন প্রথমবার এপ্লাই করেই গুগল এডসেন্স এপরুপ করাতে পারেন সেই সর্ম্পকেই আমরার আজকের এই পোষ্ট।গুগল এডসেন্স এপরুপ করানোর জন্য যা যা থাকতে হবে আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হলোঃ

  • অবশ্যই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে ৩০-৪০ ভালোমানের আর্টিকেল থাকতে হবে। 
  • অন্য কোন কোম্পানির এড ব্লগে সেটিং না করলেই ভালো হয় বরং করবেন না। 
  • পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
  •  অন্যের আর্টিকেল চুরি করে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে পাবলিশ করবেন না। 
  • গুগল এডসেন্সের কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না। 
  • এডাল্ট, হ্যাকিং,অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না। 
  • সেক্সুয়াল বা দুঃখজনক ঘটনা পরিহার করুন এমন কোন কন্টেন্ট লিখবেন না যার ফলে মানুষ খারাপের দিকে প্রভাবিত হয়। 
  • টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না। (তবে ব্লগস্পট এর বিষয়টা আলাদা)
  • পোষ্টগুলোর সাইজ কমপক্ষে ৫০০ ওয়ার্ডের বেশি হলে ভাল হয়। তবে ১০০০ এর বেশি করতে পারলে আরো ভালো।সবসময় চেষ্টা করবেন অনেক বড় আর্টিকেল পোস্ট করতে।
  • আপনার সাইটের ডোমেন এর বয়স এক মাসের বেশি হতে হবে।
  • কমপক্ষে ৬টি পেজ থাকতে হবে। (তা হলো: About Us,Contact Us,Privacy Policy,sitemap,Disclaimer,Terms & Conditions) এই পেজগুলো ছাড়া আপনার ব্লগে এডসেন্স এপরুপ না করার সম্ভাবনা বেশি। 
  • একটি ভালো ও সুন্দর প্রিমিয়ার থিম হলে ভালো হয় । ফ্রি থিম ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ভালো মানের আর্টিকেল পাবলিশ করে  গুগল এডসেন্স এর জন্য এপ্লাই করবেন ।
  • একটি মাস্টার ডোমেইন (যেমন: .com, .net, .in, .bd, .info, .org )কিনলে সবচেয়ে ভালো হয়।
  • কখনেই অন্যের ইমেজ কপি করবেন না। তবে হ্যা ইন্টারনেটে অনেক ওয়েবসাইট আছে যেখানে অনেক সুন্দর সুন্দর ইমেজ ফ্রিতে পাওয়া যায় সেগুলো ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারেন অথবা ফটোশপ দিয়ে ভালো করে এডিটিং করে নিবেন। 
  • উল্টা পাল্টা অশালীন  অথবা সমালোচনার মুখে পড়তে হয় এমন কন্টেন্ট আপনার ব্লগে পাবলিশ করবেন না।

ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য গুগল এডসেন্স সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ১০টি প্রশ্নঃ  

এই পর্বে আমি আলোচনা করব গুগলের কাছে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য গুগল এডসেন্স সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ১০ টি কমন প্রশ্ন। যেগুলো প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষ হরহামেশায় জানতে চায়। তো চলুন সেই ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সম্পর্কে আলোচনা করি। 

প্রশ্ন : ব্লগের পোস্ট কমপক্ষে কতো শব্দের হতে হবে?
উত্তর : কেউ  কেউ বলে ৫০০ আবার কেউ বলে ১০০০ শব্দের হতে হবে আসলে তেমন কোন কথা নয়!  আমার অনেক পোস্ট আছে ২০০-২৫০ শব্দের মধ্যে তারপরও আমি এডসেন্স এপ্রুভ করাতে পেরেছি। আসল কথা হলো কন্টেন্টের মান ভাল থাকতে হবে যেগুলো পড়ে মানুষের উপকারে আসে। আবোল তাবোল লিখে ২০০০-৪০০০ শব্দের কন্টেন্ট লিখে কাজ নেই। বরং মানুষে সেগুলো পড়ে বিরক্ত হবে।

প্রশ্ন : কন্টেন্টের মান কেমন হতে হবে?অন্যের কন্টেন্ট নেওয়া যাবে কিনা? 
উত্তর : কপি পেস্ট যে করা যাবেনা সেটা গুগল তার শর্তাবলিতে বলে দিয়েছে! আমিও কোন রকম কপি পেস্ট করি না এই যে এত বড় পোস্ট লিখেছি কিন্তু কারো কাছ থেকে কপি পেস্ট করিনি। যা লেখা হয়েছে সব নিজ থেকেই লেখা। শুধুমাত্র কিছু আইডিয়া নেওয়া হয়েছে। তবে তারমানে এই নয় যে নেট থেকে কোনো তথ্য নেয়া যাবেনা। প্রয়োজনীয় তথ্য নেট থেকে সংগ্রহ করে নিজের ভাষায় লেখা যাবে। যাতে করে অন্যের সাথে মিলে না যায়।

প্রশ্ন : শুধু একটি নির্দিষ্ট বিষয় নিয়েই লিখতে হবে?নাকি একাধিক বিষয় নিয়েও ব্লগে লেখা যাবে?
উত্তর : আমার ব্লগে দেখতেই পাচ্ছেন একাধিক বিষয় নিয়ে লেখা হয়েছে। অবশ্যই একাধিক বিষয় নিয়ে আপনি লেখালেখি করতে পারবেন। তবে কিছু বিষয় আছে সেগুলো লেখা যাবে না যা আমি পূর্বেই বলে দিয়েছি।

প্রশ্ন : কি ধরণের টেমপ্লেট ব্যবহার করলে ভালো হয়?
উত্তর : আপনি শুরুতেই ব্লগের ফ্রী টেমপ্লেট ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু ভালমানের রেসপন্সিভ টেমপ্লেট  হলে ব্লগ বা ওয়েবসাইটি দেখতে সুন্দর হয়। যার ফলে ব্লগে ভিজিটর বেশি আসে।

প্রশ্ন : ব্লগে Privacy policy, Contact information ইত্যাদি দেয়া কি জরুরি?
উত্তর :এগুলো স্পষ্টভাবেই ব্যবহার করা অত্যান্ত জরুরী।আমি পূর্বেই বলেছি ৬ টি পেজ আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে রাখতে হবে তাহলে গুগলে এডসেন্স এপ্রুভ হতে আপনাকে সাহায্য করবে।

প্রশ্নঃ টপ লেভেল ডোমেইন কেন প্রয়োজন? 
সাব ডোমেইন বা ফ্রী ডোমেই (যেমন: .tk .ga ইত্যাদি) দিয়ে আপনি কখনোই এডসেন্স পাবেন না।অ্যাডসেন্স পাওয়ার জন্য অবশ্যই আপনাকে ভালো মানের ডোমেইন সিলেক্ট করতে হবে। যেমন .com .net .org হলে ভালো হয়। অবশ্য আগে গুগোল Blogger এর সাব ডোমেইন হলেই অ্যাডসেন্স দিয়ে দিত। কিন্তু বর্তমানে অনলাইনে অনেকেই কাজ করছে। বর্তমানে অনেকেই কাজের জন্য উৎসাহ হচ্ছেন। কাজেই গুগল  তাই যেকোনো ধরনের সাইট হোক না কেন সবার আগে ভালো ডোমেইন কেই এপ্রুভ করবেন।

প্রশ্নঃ সাইটে কতগুলো কন্টেন্ট থাকতে হবে? 
অনেকেই ৮-১০ টা কনটেন্ট দিয়েই এডসেন্সে আবেদন করে থাকেন আর ভাবেন আগে এডসেন্স পাই তারপর বেশি কনটেন্ট দিব। এটা একটা বড় ধরনের ভুল। কেননা পর্যাপ্ত কনটেন্ট না থাকলে গুগল কখনোই আপনার এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ করবে না। কাজেই আপনাকে মিনিমাম ৩০-৪০ টা ভালো কনটেন্ট দিয়ে গুগল এডসেন্সে আবেদন করতে হবে। প্রত্যেকটি কনটেন্ট মিনিমাম ৩০০ থেকে ১০০০ ওয়ার্ডের হতে হবে এবং চেষ্টা করবেন ১৫০০,২০০০,২৫০০,যত বেশি লিখতে পারেন।

প্রশ্নঃ  সাইটে লোকাল কোন অ্যাড বসানো যাবে কিনা? 
গুগল এডসেন্স কখনোই একাধিক ঝামেলা পছন্দ করে না। তাই আপনার সাইটে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক কোম্পানির এড থাকলে তা সরিয়ে ফেলুন। তারপর ফ্রেশ ভাবে এডসেন্সে এপ্লাই করুন। এডসেন্স পাওয়ার পর আপনি আবার অন্য কম্পানির অ্যাড ব্যবহার করতে পারেন।তবে একটা পেজে একধিক এড থাকলে মানুষ বিরক্ত হয় ফলে আপনার সাইটের ভিজিটর কমে যাবে।

প্রশ্নঃ সাইটে কি ইউনিক ভিজিটর জরুরী? 
আপনার সাইটে অ্যাডসেন্স পাওয়ার সম্ভাবনা তখনই বেড়ে যায় যখন আপনার সাইটে প্রতিদিন নতুন বা ইউনিক ভিজিটর আসতে থাকবে। তাই আপনার সাইটের SEO করার মাধ্যমে সাইটে প্রতিদিন নতুন নতুন ভিজিটর নিয়ে আসুন।কেননা ভিজিটর ছাড়া একটি সাইট মেরুদণ্ডহীন।

প্রশ্নঃ সাইটে  ডোমেইনের বয়স কত মাস হতে হবে?
অনেকেই বলে থাকেন এডসেন্স পাওয়ার জন্য সাইটের বয়স ৬ মাস হতে হবে,আবার অনেকেই বলে থাকেন মিনিমাম ৩ মাস বয়স হতে হবে। আসলে অনেক সাইটে ২-১ মাসের মধ্যেই এডসেন্স এপ্রুভ হয়ে যায়। অর্থাৎ একটি সাইটে পর্যাপ্ত কনটেন্ট থাকলে এবং সব কিছু  ঠিকঠাক থাকলে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয়ে যাবে।



কিভাবে ইউটিউব থেকে  আয় করবেন খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনাঃ

কিভাবে ইউটিউব থেকে  আয় করবেন খুঁটিনাটি বিস্তারিত আলোচনা,ইউটিউব কি?ইউটিউব থেকে আয়,কিভাবে ইউটিউবে চ্যানেল খুলবেন,ইউটিউব থেকে আয়ের প্রধান প্রধান উৎস,গুগল ইউটিউব এডসেন্স,এফিলিয়েট মার্কেটিং,বিভিন্ন পণ্যের রিভিউ,স্পন্সরড ভিডিও,কিভাবে ইউটিউবে সফল হবেন,কিভাবে ইউটিউবে এডসেন্স এপ্রুভ করাবেন,ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ১০ টি সেরা আইডিয়া,ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায়,ইউটিউব এডসেন্সের গাইডলাইন,ইউটিউব এডসেন্স পাওয়ার শর্তাবলী, ইউটিউব কপিরাইট আইন,ইউটিউব কমুনিটি গাইডলাইন,

 আজ আপানাদের ইউটিউব থেকে টাকা আয় করার জন্য কিভাবে ভেরিফাইড চ্যানেল খুলতে হবে সেটি বিস্তারিত আলোচনা করব। প্রথমেই বলে নেই ইউটিউব এডেসেন্স পাওয়া তেমন কঠিন কিছু না।আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়লে আর সেই অনুযায়ী কাজ করলে পেয়ে যাবেন। তো চলুন দেরি না করে বিস্তারিত আলোচনা শুরু করা যাক।

ইউটিউব কি?

ইউটিউব হলো বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে বৃহৎ ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট । যেখানে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ নতুন নতুন ভিডিও পাবলিশ হয় । এবং প্রতিদিন সারা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ এইসব ভিডিও দেখার জন্য ইউটিউবে ভিজিট করে থাকে। এই ভিডিও গুলো ইউটিউবের নিজস্ব পণ্য না। বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগতভাবে ভিডিও আপলোড করে। যার ফলে ইউটিউব থেকে গুগল এডসেন্সের মাধ্যমে ঐ সকল প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত ইউটিউবার রা অর্থ উপার্জন করে থাকে।

ইউটিউব থেকে আয়ঃ

ইউটিউব থেকে আয় করতে হলে শুধুমাত্র আপনার থাকতে হবে একটি ইউটিউব চ্যানেল । যেকেউ সেটি সর্ম্পূণ ফ্রিতে খুলে নিতে পারে। তাই দেরি না করে আপনিও একটা ইউটিউব একাউন্ট এখনই খুলে ফেলুন।


কিভাবে ইউটিউবে চ্যানেল খুলবেনঃ

ইউটিউব চ্যানেল খোলার জন্য আপনার লাগবে একটি জিমেইল একাউন্ট । এক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে শুধু মাত্র জিমেইল একাউন্ট দিয়েই চ্যানেল খুলতে হয়। তবে আপনার অবশ্যই ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বয়স হতে হবে। ১৮ বছরের নিচে বয়স হলে ইউটিউব এডসেন্স পাবেন না। আপনি ইচ্ছা করলে আপনার বাবা অথবা মায়ের ভোটার আইডি দিয়ে জিমেইল খুলতে পারেন। আপনার যদি ১৮ বছর বয়স হয় তাহলে তো কথায় নেই।  তবে সঠিক নাম বয়স তারিখ ঠিক রেখে জিমেইল একাউন্ট খুলতে হবে। এবং যেই মোবাইল নাম্বারটি আপনি সারা জীবন ব্যবহার করবেন সেটি দিয়েই জিমেইল একাউন্ট ভেরিফিকেশন করুন। এই জিমেইল অ্যাকাউন্ট দিয়ে ইউটিউবে লগইন করো। সেখানে ‘Create Channel’ পাবে। তার মাধ্যমে নিজের চ্যানেল তৈরি করো। এবার একটি ভালো প্রোফাইল পিকচার এবং কভার ফটো অ্যাড করো । এবং তোমার নিজের ক্যামেরায় তৈরি যে কোনো ফুটেজ আপলোড করো। এইতো আপনার অর্ধেক কাজ শেষ।



গুগল ইউটিউব এডসেন্সের গুরুত্বপূর্ণ শর্তাবলীঃ  

ইউটিউব থেকে আয়ের অন্যতম উৎস হলো গুগল এডসেন্স। তবে ইউটিউব থেকে এডসেন্স পেতে হলে কিছু শর্ত পুরন করতে হয়। তার আগে গুগল এডসেন্স এপ্রুভ হয় না। শর্তগুলো হলোঃ

  1. ১ বছরের মধ্যে ৪০০০ হাজার ওয়াচ টাইম হতে হবে।
  2. ১বছরের মধ্যে ১ হাজার সাবস্ক্রাইব হতে হবে।
  3. অন্যের ভিডিও আপলোড করা যাবে না।
  4. বর্তমানে স্লাইড শো ভিডিও এর গ্রহণযোগ্যতা নেই বললেই চলে।
  5. ইউটিউবের সকল গাইডলাইন মেনে চলতে হবে। ইউটিউব গাইডলাইন লিঙ্ক Community Guidelines here

ইউটিউব থেকে আয়ের প্রধান প্রধান উৎসঃ 

ইউটিউব থেকে আয়ের বেশ কয়েকটি উপায় রয়েছে। সেগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করার চেষ্টা করব।

এফিলিয়েট মার্কেটিংঃ 

ইউটিউবের ভিডিও এর মাধ্যমে এফিলিয়েট মার্কেটিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। অনলাইনে অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যাদের পণ্য আপনার ভিডিও এর মাধ্যমে সেল করে দিলে পারসেনটেজ অনুযায়ী টাকা প্রদান করে থাকবে। এ সকল প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জনপ্রিয় হলো আমাজন,আলি এক্সপ্রেস,ডারাজ,পিকাবু,আরও অনেক হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

বিভিন্ন পণ্যের রিভিউঃ 

 বর্তমানে এমন অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এই সুবিধাটি দিয়ে থাকে। ধরো তুমি তোমার কোনো একটি ভিডিওতে তাদের পণ্য সম্পর্কে আলোচনা করলে । এক্ষেত্রে তাদের পণ্যের প্রচারণা হয়ে যাবে, আর তারা তোমাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে। তবে এই ধরনের অফার শুধুমাত্র মানসম্মত এবং অধিক ভিউ সম্পন্ন ভিডিও মালিকগণ পেয়ে থাকেন।


স্পন্সরড ভিডিওঃ

ইউটিউব অ্যাড অথবা অ্যাফিলিয়েট লিংক  হতে যে পরিমাণ আয় করা সম্ভব তার থেকেও বেশি আয় করা সম্ভব শুধু স্পন্সরড ভিডিও পাবলিশ করে।এক্ষেত্রে বিভিন্ন কোম্পানি তাদের প্রোডাক্ট বা সেবার বিক্রয় বৃদ্ধির জন্য তোমার চ্যানেলে প্রোডাক্ট বা সেবাটির স্পন্সরড ভিডিও করার জন্য যোগাযোগ করবে এবং তোমাকে ঐ প্রোডাক্ট বা সেবার বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা তুলে ধরে একটি ভিডিও তৈরি করে তা ইউটিউবে পাবলিশ করতে হবে। এক্ষেত্রে তোমার ফ্যান ফলোয়ার যারা আছেন তারা ওই প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হবে। এর বিনিময়ে কোম্পানি প্রতি মাসে তোমাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ প্রদান করবে।তবে এই ধরনের সুযোগ সুবিধা অধিক জনপ্রিয় চ্যানেলগুলোই পেয়ে থাকে।



ইউটিউব ভিডিও তৈরি করার ১০ টি সেরা কন্টেন্ট আইডিয়াঃ 

কিভাবে ইউটিউবে সফল হবেনঃ 
অনেকেই ইউটিউবে অনেক দিন ধরে লেগে থেকেও অনেক ভিডিও আপলোড করা সত্ত্বেও সফলতার দেখা পাচ্ছে না । ইউটিউবে এরকম অনেক মানুষেরই হয়ে থাকে যে আপনি অনেক দিন যাবত ইউটিউবে কাজ করে যাচ্ছেন নিয়মিত ভালো ভালো ভিডিও আাপলোড করছেন তবুও ভালো পরিমাণে অর্থ উপার্জন করতে পাচ্ছেন না। এ ব্যাপারটা বুজতে হলে কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

সঠিক টপিক বাছাই করার উপায়ঃ 
ইউটিউবে সফল হতে হলে আপনাকে সবার প্রথমে একটি টপিকের উপর ভিডিও বানাতে হবে। এটি অনেক গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনি যখন একটি নির্দিষ্ট টপিকরে উপর ভিডিও করতে থাকবেন। তখন আপনার চ্যানেলটি দর্শকদের কাছে অনেক বেশি গুরুত্ব পাবে ,কারণ তখন কোনো দর্শক যখন আপনার চ্যানেলে একবার প্রবেশ করবে তখন সে যদি দেখে আপনার চ্যানেলে একই  বিষয়ের উপর বিস্তারিত সব ভালো তথ্য দেওয়া আছে তখন সে আবশ্যই সেই বিষয়টা জানার জন্য আপনার চ্যানেলটিকেই সবচেয়ে  বেশি বেশি প্রধান্য দেবে তাই একটি টপিকের উপর ভিডিও তৈরি করা সবচেয়ে উত্তম। তবে আপনি বিভিন্ন টপিকের উপরে পার্ট বাই পার্ট ভিডিও বানাতে পারেন যাতে পাবলিক আপনার ভিডিও দেখে বিরক্ত না হয়। ইউটিউব কন্টেন্ট বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আপনাদেরকে ১০ টি ধারনা নিচে প্রদান করব।

১.ফানি ভিডিও:আপনি মজার মজার বিভিন্ন ফানি ভিডিও তৈরি করতে পারেন। যা অতি জনপ্রিয় একটি টপিক।

২.রিভিউ ভিডিও: আপনি বিভিন্ন ইলেক্টিকেল যন্ত্রপাতির রিভিউ দিতে পারেন । যেগুলো কেমন হবে কোনটা ভালো কোনটার কাজ কেমন ইত্যাদি । এই টপিকটা ও বেশ জনপ্রিয়।ইচ্ছা করলে প্রসাধনী টপিকের উপর রিভিউ করতে পারেন

৩. খাবার রেসিপি: আপনি বিভিন্ন ধরণের খাবার রেসিপ বানিয়ে সেটা ভিডিও করে ইউটিউবে আপলোড করতে পারেন যা দেখে অনেকে রান্না শিখতে পারবে। এটাও বেশ জনপ্রিয় একটি টপিক। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য এটা বেশ ভালো একটি টপিক। এবং এই বিষয়ের উপরে অনেক ইউটিউবার ব্যাপক সফলতা পেয়েছে।

৪.টেকনোলজি:  আপনি বিভিন্ন নতুন নতুন এন্ড্রইড মোবাইল বা ল্যাপটপ টেকনোলজি আপডেট নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন।

৫.টিউটেরিয়াল: প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এর টিউটোরিয়াল নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন। এতে আপনি নিজে যেমন শিখতে পারবেন সাথে আপনার ভিডিও দেখে অনেক মানুষ উপকৃত হবে। বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার রা টিউটোরিয়াল বানিয়ে জনপ্রিয় হয়েছে এমনকি প্রচুর ইনকাম করছে। আমি তো অনেকের নাম জানি।

৬.মটিভেশনাল বক্তব্য: আপনি বিভিন্ন  মোটিভেশনমূলক বা শিক্ষামূলক ভিডিও  করে মানুষদেরকে উৎসাহিত করতে পারেন।

৭.জীবন কাহিনী: আপনি বিভিন্ন  মানুষের জীবন কাহিনী নিয়ে ভিডিও বানাতে পারেন বিশেষ করে জনপ্রিয় মানুষের জীবন কাহিনী।

৮.ইতিহাস ঐতিহ্য: আপনি বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় জায়গা বা ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারেন।

৯.মানুষের অভিজ্ঞতা: মানুষের উপর বিভিন্ন  অভিজ্ঞতামূলক ভিডিও আপলোড করতে পারেন।সেখান থেকে আপনিও কিছু শিখতে পারলেন সেই সাথে ভিজিটর রা অনেক কিছু শিখতে পারবে।

১০.ভ্রমণ বিষয়ক ভিডিও: আপনি যদি বিভিন্ন  জায়গায় ভ্রমন করতে পছন্দ করেন তাহলে সেই সকল জায়গার গুরুত্বপূর্ণ জায়গা বা বিষয়গুলি ভিডিও ধারণ করতে পারেন। তারপর ভিডিও এর সাথে কিছু আলোচনাও করতে পারেন। আর কত আইডিয়া দেব আপনাদের মাথা থেকে কিছু বের করেন। হা হা হা


ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায়ঃ
বেশিরভাগ মানুষই ইউটিউবিং শুরু করার আগে এ কথাটা চিন্তা করে থাকে যে ইউটিউব থেকে কত টাকা আয় করা যায়। এই চিন্তা মাথায় থাকলে আপনার ইউটিউবে আসার দরকার নেই। বাড়ি গিয়ে মুড়ি খাও আর ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে চিন্তা কর। এই চিন্তা না করে কাজে লেগে যাও ভালো কাজ কর ইনকাম আপনার হবেই। সবাই করতে পারছে আর আপনি পারবেন না কেন? তবে এতটুকু বলতে পারি খুব ভালমানের ইনকাম করা যায়। কারণ আমারও ইউটিউব চ্যানেল আছে আমিও সেখান থেকে যা ইনকাম করি তাই দিয়ে রাজার হালে চলছি। আমার ইউটিউব চ্যানেলের নাম HiddenFolksWorld লিখে ইউটিউবে সার্চ দিলেই সাথে সাথে পেয়ে যাবে। তবে সঠিক বানান লিখে সার্চ করবেন।

এতোক্ষণ  আমরা ইউটিউবের মাধ্যমে আয় করার উপায়গুলো  জানলাম। এবার জেনে নিই কিছু কৌশল যা ব্যবহার করে আমরা পেতে পারি অধিক আয়।
  • নিয়মিত নিত্য নতুন ভালো মানের ভিডিও আপলোড করার চেষ্টা করতে হবে। তাহলে চ্যানেলের ভিউয়ার  বাড়তে থাকবে।
  • নতুন ভিডিও আপলোড করার পর সাথে সাথে ভিডিওটি সম্পর্কে তার নিচে বর্ণনা দিয়ে দিতে হবে। তাহলে ইউটিউব সহজেই সেই ভিডিওটি সম্পর্কে ধারণা পেয়ে যাবে।
  • ভিডিও টাইটেলটি যাতে আকর্ষণীয় হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে যেন টাইটেলের সাথে ভিডিও মিল থাকে। 
  • ভিডিও পাবলিশ করার পর বিভিন্ন  সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম যেমন-ফেইসবুক, টুইটার, ম্যাসেঞ্জার ইত্যাদি সাইটগুলোতে ভিডিওটি শেয়ার করা যেতে পারে।
  • তুমি যে বিষয়ে  ভিডিও তৈরি করেছো এরকম অন্য জনপ্রিয় সাইটগুলোতে তোমার ভিডিওটির লিংক দিয়ে দিতে পারো । এতে করে সেখান থেকেও তোমার ভিডিওতে প্রচুর ভিজিটর পেয়ে যাবে।
  • আরেকটি উপায় হচ্ছে SEO টেকনিক ব্যবহার করা। SEO মানে হচ্ছে Search Engine Optimization. প্রত্যেকটি ভিডিও তে ৩-৪ টি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করবে  এমন কিছু কমন শব্দ ব্যবহার করা যা সকল শ্রেণীর মানুষ সার্চ করে। 
সবশেষে আমি আপনাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলতে চাই। সেটি হলো ইউটিউব চ্যানেল বানানোর পরপরই কিন্তু হাতে টাকা টাকা ইনকাম হবে না। খুব ধৈর্য ধরে এবং আপনভাবে ভক্তির সাথে কাজ চালিয়ে যেতে হবে।আর সবসময় গুগল এডসেন্সের শর্তাবলি মেনে চলতে হবে।  আর কখনও  ভুলেও ইউটিউবের পলিসি টার্মস এন্ড কন্ডিশনে আঘাত করে এরকম কোনো প্রকার ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করা যাবে না।



গুগল এডসেন্স নিষিদ্ধ  এড়াতে কি কি উপায় অবলম্বন করবেনঃ  

বর্তমানে বাংলাদেশ সহ অনেক পৃথিবীর অনেক দেশেই গুগল এডসেন্স ভালো মানের ইউটিউব,ওয়েবসাইট বা ব্লগ না হলে এপ্রুভ করছেনা।বর্তমানে ইউটিউবের ক্ষেত্রে ১ বছরে ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ টাইম এবং ১০০০ হাজার সাবস্ক্রাইব লাগবে। অন্যদিকে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়স হতে হবে। এখন আপনার যদি একটা গুগল এডসেন্স একাউন্ট নামক সোনার হরিণ থাকে আর হঠাত করে যদি সেই একাউন্ট ব্যান হয়ে যায় তাহলে কেমন লাগবে?
 কিছু ব্যাপার না জানার কারনে এডসেন্স ব্যান হয়… তখন মন মানুষিকতা ই নষ্ট হয়ে যায়। এডসেন্স খুব ই সংবেদনশীল একটা ব্যাপার। আর এ ব্যাপারে যদি সঠিক নিয়ম কানুন  অনুসরণ করতে হয়। আজ আমার এই পোষ্টটি এডসেন্স ব্যান ঠেকানোর বিস্তারিত ব্যাপার নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করব। আশা করি আপনাদের উপকারে আসবে। কথা না বাড়িয়ে শুরু করা যাক।


  • নিজের এড এ নিজে কখনই ক্লিক করবেন না এতে অতিমাত্রায় Invalid Clicks ও Impressions বাড়ে যা এডসেন্স ব্যান হওয়ার অন্যতম কারণ।
  • বন্ধু বা পরিচিতদের ও আপনার সাইটের এড এ ক্লিক করতে অনুপ্রাণিত করবেন না।
  • সাইবার ক্যাফে বা বন্ধুর পিসি’তে আপনার এডসেন্স একাউন্টে লগিন করা থেকে বিরত থাকুন যার ফলে আপনার সাইট নিয়ে গুগল সংশয়ে পড়বে। 
  • নোংরা বা পর্নগ্রাফি টাইপের সাইটে এবং হ্যাকিং ও ক্রেকিং বিষয়ক সাইটে এডসেন্সের এড বসাবেন না (অন্যের ডাউনলোড লিংক ব্যাবহারের ক্ষেত্রেও সতর্ক হোন)।
  • কোন  সহিংস, হত্যা, ক্রাইম, অস্ত্র বিক্রি রিলেটেড কনটেন্ট নিয়ে লেখা সাইটে এড বসানো যাবেনা যা কিনা গুগলের কাছে ইলিগেল বলে বিবেচিত। 
  • কপিরাইট আইনে পড়ে এমন সাইটে এড বসানো যাবেনা সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
  • গুগল চায় কন্টেন্ট আর অবশ্যই ভালো মানের ইউনিক কন্টেন্ট, সুতরাংঅন্যের কন্টেন্ট কপি পেস্ট এডসেন্স ব্যান হওয়ার জন্য দায়ী হতে পারে। কনটেন্ট হীন পাতায় এ্যাড বসাবেন না এবং পেজে হিডেন টেক্সট ও লিংক ব্যবহার করবেন না। 
  • ভিজিটরকে কখনই এড এ ক্লিক করার জন্য উৎসাহিত করবেন না। বিভিন্ন লেখার (Click here,Click this) মাধ্যমে এড এ ক্লিক করতে অনুপ্রাণিত করবেন না। 
  • সাইটে র বাজে  ডিজাইন, অপ্রয়োজনীয় Widgets ব্যবহার করা ঠিক হবে না। যা এডসেন্স ব্যান হওয়ার কারন হতে পারে। 
  • পোস্টে অতি মাত্রায় H2 Tag এর ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন
  • নিয়মিত আপনার এডসেন্স একাউন্ট ভালভাবে চেক করবেন। 
  • হঠাৎ করে কেন আপনার ব্লগে ক্লিক বেড়ে গেল তা চেক করবেন। চেক করে সেটি এডসেন্সকে মেইল করে জানান।মেইল করার ঠিকানা Invalid Activity Appeal মেইল করলে এডসেন্স সেই আইপিটি ব্লক করে দিবে। আর তখন আপনার একাউন্টটি নিরাপদ থাকবে। 

এডসেন্স ব্যান এড়াতে উপরের বিষয়গুলো খুব মনোযোগ সহকারে দৃষ্টি দিন ইনশাআল্লাহ্‌ আপনার এডসেন্স সুরক্ষিত থাকবে।এতক্ষণ আমার এই পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদেরকে ধন্যবাদ সবাই ভালো থাকবেন।আর আমার জন্য দোয়া করবেন । আর অবশ্যই এই আর্টিকেলটি শেয়ার করে আপনার বন্ধু বান্ধুবিদের পড়ার সুযোগ করে দিবেন।  আর কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করে জানাবেন। "আল্লাহ হাফেজ"