সবচেয়ে জনপ্রিয় পোস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সবচেয়ে জনপ্রিয় পোস্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৮

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।

এখনও পর্যন্ত এটিই বড় সাপ লক্ষ লক্ষ মানুষের ভিড়।World longest Snake.

এবার পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সাপটি ধরা পড়ল। তবে এই সাপটি ধরতে গিয়ে বিসর্জন দিতে হয়েছে একজনের প্রাণ। এই ঘটনাটি ঘটে ইন্দোনেশিয়ায়।  ইন্দোনেশিয়ার বৃহৎ এক পাম বাগানে কিছু শ্রমীক কাজ করছিল। হঠাত করে এক বিশাল দেহী এনাকোন্ডা সাপ তাদেরকে আক্রমন করে। তারা ভয়ে দৌড়াতে থাকে। একপর্যায়ে এই সাপটি একজনকে ধরে ফেলে এবং গিলতে শুরু করে। তখন অন্যান্য শ্রমিকরা তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করলেও তাকে বাঁচাতে পারিনি। একপর্যায়ে তারা চিৎকার শুরু করে। 

তখন পাশের গ্রামের সকল মানুষ ছুটে আসে। এবং সাপটিকে ধরার জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এই সংবাদ আশে পাশে দশ গ্রামের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে প্রত্যেক এলাকার মানুষ এসে জড়ো হয়। সকলে মিলে সাপটাকে আঘাত করে। তার পেটের ভিতরে মানুষটি থাকায় সাপটি একটু দুর্বল হয়ে পড়ে। জানা যায় এই সাপটি লম্বায় ৪৮ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ওজনে প্রায় এক টন। যা কিনা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরাট ও বিশাল দেহী সাপ। পরবর্তীতে এই সাপটিকে ক্রেনে বা বিশাল বড় এক গাড়িতে ওঠানো হয়।

সাপটিকে ঐ গাড়িতে ওঠাতে অনেক মানুষের প্রয়োজন হয়েছিল। জানা যায় ঐ সাপটাকে কেন্দ্র করে প্রায় লক্ষাধিক মানুষের সমাগণ ঘটেছিল ঐ পাম বাগানে। এই বিশালদেহী  এনাকোন্ডা সাপটাকে একেবারেই মেরে ফেলা হয়নি। বর্তমানে সাপটি অর্ধমৃত অবস্থায় রয়েছে। বর্তমানে সাপটিকে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় চিড়িয়াখানায় সংরক্ষন করা হয়েছে। সাপটাকে মারতে হবে নাকি? বাঁচিয়ে রাখতে হবে? জানিয়ে দিন আপনার মতামত কমেন্টসের মাধ্যমে। তবে আমি মনে করি এসকল সম্পদকে বাঁচিয়ে রাখা উচিত। 

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর বিশ্বাস না হলে পোস্ট টি সম্পূর্ণ পড়ুন। আর আপনি যদি যশোরের সন্তান হন তাহলে তো কথায় নেই পোস্ট টি আপনাকে পড়তেই হবে!!!
যশোর অবিভক্ত বাংলার প্রথম ও একমাত্র জেলা ছিল। তখন বৃহত্তর বরিশাল, ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, খুলনা ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতা আর চব্বিশপর্গনা বর্তমান জেলাসহ তৎকালিন আরো অনেক অঞ্চলই ছিল এই যশোর জেলারই অন্তর্গত ছোট ছোট মহকুমা। শুধুকি তাই এক সময়কার বাংলার রাজধানিও ছিল এই যশোর।

যশোরের গুরুত্বপূর্ণ অর্জনঃ

  • মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রথম  স্বাধীন জেলা আমাদের এই যশোর।
  • বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা যশোর।
  • বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল মডেল থানা যশোরের সদর মডেল থানা।
  • বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ও বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোঃ শেখ আমাদের বৃহত্তর যশোরের কৃতি সন্তান তথা।

শিল্পী ও কবি সাহিত্যিকের অবদানঃ

  • বাংলাদেশের একমাত্র সনেট কবি বাংলা সর্বর্ন ব্যান্জন বর্ন ও বাংলা নাটকের জনক মহাকবি মাইকেল মধুসুদন দত্ত্ব যশোরের সন্তান।
  • বাংলা ভাষার শুদ্ধ শব্দভাণ্ডার প্রমথ চৌধুরীর জন্মস্থান যশোর।
  • কবি মুনির চৌধুরী, ডঃ লুৎফর রহমান, কবি ফররুখ আহম্মেদ, কবি মোস্তফা কামাল, বিশিষ্ট মিউজিসিয়ান রবী শংকর ও বিশ্ববিখ্যাত চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্মভিটা যশোরে।
  • রাজা প্রতাপাদিত্য রায় বাহাদুর রঘুনাথ ও যদুনাথ মজুমদার যশোরের সন্তান।
  • বাংলা চলচ্চিত্রের একমাত্র আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন, সর্বচ্চো ও সর্বাধীক জাতীয় চলচিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত অভিনেত্রী ববিতা যশোরের সন্তান।
  • শাবনূর, সুচন্দা, চম্পা, চিত্রনায়ক রিয়াজ, তিশা, কেয়া, রত্না, শাহানুর, শশী, নাট্যকার সমু চৌধুরী, সাচ্চু, সুমাইয়া শিমু, যশোরের সন্তান।
  • উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ সুরকার সঙ্গীতজ্ঞ প্রয়াত প্রনব ঘোষ, প্রখ্যাত সুরকার কমলদাস গুপ্ত, প্রখ্যাত গিতিকার মোঃ রফিকুজ্জামান, সঙ্গীতশিল্পী বিজয় সরকার, আগবর, মনির খান, পাগলাকনাই যশোরের সন্তান।

যশোরীয়দের সাথে আত্মীয়তা করেছেন যারাঃ

এই প্রাচীন সভ্য ও আল্ট্রা মডার্ন ডিজিটাল জনপদ যশোরে যারা আত্ত্বীয়তা করেছেন হয়েছেন যশোর অঞ্চলের আদরের জামাই বাবু তাদের মধ্যে রয়েছেন কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, মহা ভারতের মহামান্য মাননীয় রাষ্ট্রপতি জনাব প্রনব মূখার্জী, চিত্রনায়ক ফেরদৌস, নাট্যকার মোস্তফা সারোয়ার ফারুকি, শ্রেষ্ঠ চলচিত্রকার ও উপন্যাসিক জহির রায়হান, বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রথম টেস্ট সেন্চুরীয়ান ও বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল, যশোরের বধু জিবন্ত কিংবদন্তি চিত্রনাইকা শাবানা, বাংলার ফোক সম্রাজ্ঞী মা মাটি ও খেটে খাওয়া মানুষের প্রানের কন্ঠশিল্পী মমতাজ, যশোরের সাবেক জামাই আন্তর্জাতিক ব্যান্ড তারকা নগর বাউল জেম্স, যশোরের আদরের ভাগ্নে ব্যান্ড তারকা হাসান।

যশোরের রাজনৈতিক নেতাদের ভূমিকাঃ
  • যশোরের কৃতি সন্তান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম ও সাবেক মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি লতিফুর রহমান, মহান স্বাধীনতা আন্দোলনে সামনে থেকে নেতৃত্ব দানকারী শহিদ মশিয়ুর রহমান, বাংলার কমরেড অমল সেন, কমরেড সুবাশ বোস, কমরেড ইলামিত্র , পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সাবেক মুখ্যেমন্ত্রী ও সিপিএম নেতা কমরেড জ্যোতি বসু, পশ্চিমবঙ্গের জনগনের মাটি ও মানুষের মা তৃনমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জী যশোর অঞ্চলেরই সন্তান।
  • পদ্মার এপাড়ে এই অঞ্চলের তুমুল জনপ্রিয় জননেতা ও সাবেক সফল মন্ত্রীদয় ও জননেতা খালেদুর রহমান টিটো , তরিকুল ইসলাম, সফল শিক্ষামন্ত্রী এ এইছ এস কে সাদেক, খান টিপু সুলতান, রবিউল আলম, আব্দুল হাই, বাবু নিতায় রায় চৌধুরী এনারা সবাই বৃহত্তর যশোরের সন্তান।
  • স্বাধীন বাংলা ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী যশোরের সন্তান।

যশোরের অর্থনীতি ও শিল্পঃ
  • এদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে যশোর।
  • আমাদের দেশের যেকোন রাষ্ট্রিয় অনুষ্ঠান, আপনার স্বপ্নের বাশর ঘর, জাতীয় উৎসব পহেলা বৈশাখ ও ভালোবাসা দিবস কল্পনাই করা যায় না যশোরের ঝিকরগাছার গদখালীর অঞ্চলের ফুল ছাড়া।
  • বাংলাদেশের বিখ্যাত আকিজ গ্রুপের অন্তত একটি পন্য পাওয়া যায়না এমন বাড়ি বাংলার কোথাও নাই, এটা এই যশোরের।
  • যে বাজার থেকে বাজার না করলে বড়লোকের বাজার করায় মন ভরেনা সেই মিনা বাজার এই যশোরের সন্তানের।
  • আপনারা রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়া সেই স্বপ্ন বিলাসী বিনোদনের রং খুজে পান যেখানে গেলে বাংলাশেদের সেই সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন বিনোদন কেন্দ্র ফ্যান্টাসিক কিংডম এই যশোরের সন্তানের।
  • যে বিদ্যুৎ এর পিলার ছাড়া আপনার বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছায় না সেটাও যশোরের।
  • আমার, আপনার শিক্ষার অস্ত্রো সময়ের তুমুল জনপ্রিয় বলপেন ইকোনো বলপেন সেটাও এই যশোরেই তৈরি।
  • যেই সার ছাড়া আপনার ক্ষেতে উন্নতমানের শবজি চাষ হয়না সেই পানপাতা ও নোয়াপাড়া মিস্রসার যশোরের শিল্পনগরী নোয়াপাড়ার তৈরি।
  • যেই মাছের পোনা ছাড়া আপনারা বড় মাছের স্বাদই নিতে পারেননা, মাছও চাষ করতে পারেননা, সেই মাছের পোনাও কিন্তুু উৎপাদন হয় যশোরের মৎস হ্যাচারিতে।
  • যশোরের বিল বাওড়ে পাওয়া যায় বিখ্যাত মাছ কৈ।
  • বিশ্ববিখ্যাত হাইব্রিড পেঁপে এক একটা ৫/১০ কেজি ওজনেরও বেশি যার নাম যশোহরি পেঁপে সেটাও এই যশোরের।
  • আপনার বাসার জামাই আদর আর মিষ্টি মিঠায় খাওয়া এসবতো আমাদের যশোরের খেজুরের রস আর চিটাগুড় ছাড়া চলেইনা।

শিক্ষা, প্রযুক্তি ও বিশ্ববিদ্যালয়ঃ
  • মাইকেল মধুসুদন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ যার নাম যশোর MM কলেজ।
  • যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  • বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
  • টিচার্স ট্রেনিং কলেজ।
  • দেশের প্রাচীন বৃহৎ ও স্বনামধন্য যশোর সরকারি পলিটেকনিক কলেজ।
  • যশোর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
  • দেশের একমাত্র করোনারী কেয়ার ইউনিট।
  • হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ।
  • যশোরেই হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়।
  • যশোরের ঝিনাইদহে রয়েছে বাংলার বৃহৎ ক্যাডেট কলেজ।
  • যশোর শিক্ষাবোর্ড।
  • খুলানা বিভাগের একমাত্র ও ববিভাগীয় বাংলাদেশ স্কাউট প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর।

যশোরের আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও স্থানঃ

বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ জেলা যশোর।

খেলাধূলা ঃ

ক্রিকেটঃ বৃহত্তর যশোরের কৃতি সন্তান বাংলার সোনার ছেলে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের গর্বিত অধীনায়ক মাশরাফী বিন মুর্তজা , বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার বাংলার গর্ব সাকিব আল হাসান, জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার সৈয়দ রাসেল, তুষার ইমরান, ডলার মাহামুদ,আল-আমিন, ইমরুল কায়েস, সানোয়ার,সৌম্যো সরকার।

 ফুটবলঃ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় প্রমিলা অর্থাৎ মহিলা ফুটবল দলের ১৩-জন সদস্যা সহ্ পূর্নাঙ্গ বাংলাদেশ জাতীয় প্রমিলা ফুটবল টিমটায় ছিল একমাত্র আমাদের যশোর জেলা প্রমিলা ফুটবল টিম।
বর্তমানে মালদ্বীপসহ, শ্রীলংকা ও নেপালের মতো দেশের বিভিন্ন ক্লাবে আন্তর্জাতিক পর্যায়েও দেশের হয়ে গর্বের সাথে প্রতিনিধিত্ব করে খেলে আসছে যে কজন নারী ফুটবলার তার মধ্য ৫/৭ জন ফুটবলারই আছে এই যশোরের সন্তান।

হাডুডুঃ কাবাডি খেলা বাংলাদেশের জাতীয় খেলা, আর এই জাতীয় খেলা হাডুডু জগতের জাতীয় বীর টাইগার কবির, যেখানেই চলে টুর্নামেন্ট সেখানেই বাংলাদেশের আন্ঞ্চলিক বাঘা খেলোয়াড়দের অগ্রিম প্রস্তাব থাকে টুর্নামেন্টে টাইগার থাকলে আমরা খেলব না।বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কাবাডি টিম যশোরের টিম।

খুলনা বিভাগের ‘মস্তিস্ক’ যদি খুলনা নগরী হয় তবে যশোর হল তার ‘হৃদপিণ্ড। আমরা আমাদের যশোরকে নিয়ে গর্বিত এবং যশোরকে আমাদের হৃদয়ের অন্তঃস্থলে সর্বদা ধারণ করে চলি।

যশোর শুধু বাংলাদেশের একটি জেলা নয়, যশোর একটি ব্র্যান্ড। আর তাই বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বিভাগের দাবীদার এই যশোর।সেই আঙ্গিকে যদি বাংলাদেশে আর একটিও বিভাগ হয় তবে ফরিদপুর, কুষ্টিয়া, পাবনা, বগুড়া কিংবা কুমিল্লা, নোয়াখালির মতো সাধারন এলাকা নয় একমাত্র সেই বিভাগের দাবীদার এই যশোর।

সোর্সঃ গুগুল, ইন্টারনেট, ফেসবুক
মোঃ সাজেদুর রহমান( শিক্ষক অফ ক্যাডেট শাখা)

শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মন ভালো রাখতে আপনি যেগুলো করবেন না।

মন ভালো রাখতে আপনি যেগুলো করবেন না।

মন ভালো রাখতে আপনি যেগুলো করবেন না।

মন ভালো রাখতে আমরা কত কিছুই না করি। এটা সেটা আরও অনেক কিছু আসলে আমাদের মন কি ভালো হয়? কর্মজীবনের ব্যস্ততা এড়িয়ে মন ভালো রাখা কঠিন কাজগুলোর মধ্যে একটি। দৈনন্দিন জীবনে চাপ এড়িয়ে কীভাবে মন ভালো রাখা যায়, সে বিষয় নিয়ে পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন প্রযুক্তিবিদ ও লেখক ম্যাক্স লুকোমেনেস্কি। তাঁর পরামর্শ নিচে আলোকপাত করা হলঃ

অন্যকে নিয়ে আলাপ আলোচনা করবেন নাঃ
আমরা যে কোন আড্ডায় অন্যদের নিয়ে কথা বলতে পছন্দ করি। আমাদের পছন্দ হলেও বিষয়টি ভালো নয়। অবচেতন মনে অন্যদের নিয়ে কথা বলতে বলতে আমরা নেতিবাচক কথার দিকে চলে যায়। অন্যদের নিয়ে কথা বলার অভ্যাস পরিহার করুন। চেষ্টা করুন নতুন নতুন ধারণা নিয়ে কথা বলতে। নতুন কোন বই , সিনেমা কিংবা ঘরাঘুরি নিয়ে পরিকল্পনা করুন। যতটা সম্ভব আলাপ আলোচনায় নতুনত্ব আনার চেষ্টা করুন। সবসময় দূরে থাকুন অন্যদের নিয়ে বাজে আলোচনা করা তাহলে আপনার মনটা অনেকটা সুন্দর ও সাবলীল থাকবে।

beautiful girls laughing image
beautiful girls laughing image-http://www.topbanglapages.com/

হিংসা করবেন নাঃ 
আমাদের জীবনে অনেক ব্যর্থতা আছে। ব্যর্থতা ছাড়া জীবনে সফলতা হওয়া যায় না। সেই ব্যর্থতার অছিলায় আমরা অন্যদের হিংসা করি। কখনো সজ্ঞানে আবার কখনো জেনেশুনে। হিংসায় বশবতী হয়ে কখনই কোন কাজ করবেন বা অপরের ক্ষতি করবেন না। মনে রাখবেন, হিংসা করে কখনই সুখি কিংবা সফল হওয়া যায় না।

নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করবেন নাঃ
আমরা নিজেদের  অন্যের সাথে তুলনা করতে দারুন পছন্দ করি। কখনো তুলনা করে নিজেকে এগিয়ে রাখি, আবার তুলনায় পিছিয়ে পড়ি। জীবনকে জীবনের মত চলতে দিন, নিজেকে  অন্যের সাথে তুলনা করে অসুখি হবেন কেন?

কাজের জন্য জীবনকে হারিয়ে ফেলবেন নাঃ
বেঁচে থাকতে যেমন কাজ করতে হবে তেমনি বেঁচে থাকাও শিখতে হবে। কাজের জন্য জীবনকে হারিয়ে ফেলবেন না। বেঁচে থাকার জন্য বিনোদন করতে হবে, ঘুরতে যেতে হবে, মানুষের সাথে মিশ্তে হবে। নিত্যনতুন অভিজ্ঞতায় নিজেকে আলোকিত করে এগিয়ে যেতে হবে।

খারাপ আচরণ করবেন নাঃ

অন্যের উপর কখনই খারাপ আচরণ প্রদর্শন করবেন না। যখন আমরা খারাপ বা উদ্ধত আচরণ করি তখন আমারা আমাদের শক্তি প্রকাশ করি। আর তখনই আমরা সবচেয়ে বেশি ভুল করি। ভদ্রতা বজায় রেখে অন্যকে তার প্রাপ্য সম্মান দিয়ে কথা বলুন।

প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি হবেন নাঃ
ফেসবুক কিংবা মুঠোফোন ছাড়া এখন আমাদের সকলের জীবন অচল। বুদ্ধিমানের মত প্রযুক্তিকে প্রয়োজনে ব্যবহার করুন, প্রযুক্তির প্রতি আসক্তি কখনই হবেন না। মনে রাখা দরকার , প্রয়োজনেই প্রযুক্তি ব্যবহার করতে হবে। বিনা কারনে প্রযুক্তি ব্যবহার করে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করবেন না। এতে করে আপনার জীবনে অনেক ক্ষতি আসতে পারে।আপনি স্মার্টফোন ব্যবহার করলেও সবসময় খেয়াল রাখবেন বাজে কোন কাজে ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন না।আপনি যেই এপ্সের মধ্যেই যান না কেন খেয়াল রাখবেন সেখান থেকে কোন কিছু শিখে আসতে। যেটা আপনার ভবিষ্যতে কাজে লাগে। আপনি  স্মার্টফোনে ফেসবুকিং,ইউটিউবে অযথা বাজে ভিডিও না দেখে কোন শিক্ষণীয় ভিডিও দেখুন। এমনকি আপনি বাজে সময় নষ্ট না করে আউটসোর্সসিং শিখতে পারেন তাতে আপনার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল হবে। মোবাইল ফোনে বাজে মেয়েদের সাথে কথা বলা বন্ধ করুন বরং বিভিন্ন ব্লগ অথবা শিক্ষণীয় এপ্স ইন্সটল করে সেগুলো পড়ুন তাতে আপনি অনেক কিছু জানতেও পারবেন এমনকি ভাল কিছু শিখতে পারবেন।

উপরিউক্ত নিয়ম অনুসরণ করলে আপনার জীবন আগের তুলনায় অনেক সুন্দর ও সাবলীল হবে । আপনার মনে সবসময় খুশির আলোকছটা লেগেই থাকবে। আসুন আমরা জীবনকে সুন্দর করে উপভোগ করি এই পৃথিবীকে সাজায় নতুন আঙ্গিকে। প্রত্যেক মানুষের জীবনে আসুক অনাবিল সুখ , শান্তি এবং হাসিমুখ লেগে থাকুক তার প্রত্যেকটি চলার পথ এই কামনায় শেষ করছি আজকের আলোচনা ।
লেখকঃ
মোঃ সাজেদুর  রহমান

বুধবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮

হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয়।

হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয়।

হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য আপনার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয়।

হাতের লেখা সুন্দর করতে প্রয়োজনীয় উপকরণসমুহঃ
১। খাতা তিনটি। যথাঃ
i) দাগটানা বাংলা খাতা ১ টি 
ii)দাগটানা ইংরেজি খাতা ১টি
iii)সাদা রাফ খাতা ১ টি
২। কালিবিহীন কলম
৩।রুলার অথবা স্কেল ১ টি

হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য ১২ টি লক্ষনীয় বিষয়ঃ 
  1. সকল বর্ণ ও letter বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পাঠ্য বই অনুযায়ী লেখা।
  2. সকল কার ও ফলা (া,ি,ী,............)বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত পাঠ্য বই অনুযায়ী লেখা।
  3. বাংলা বর্ণের সঠিক মাত্রা ও ইংরেজি letter সঠিক  Extended অনুযায়ী লেখা।
  4. শব্দ গঠনে বর্ণসমূহের সম-আকৃতির লেখা।
  5. শব্দ গঠনে বর্ণসমূহের সমদূরত্ব বজায় রাখা।
  6. সারি থেকে সারির সমদূরত্ব বজায় রাখা।
  7. বাক্য গঠনে শব্দ সমূহের সমদূরত্ব বজায় রাখা।
  8. স্তবকের শেষ লাইন আংশিক এবং স্তবক থেকে স্তবক সমদূরত্ব বজায় রাখা।
  9. প্রতিটি সারি সোজা হওয়া বাঞ্ছনীয়।
  10. প্রতিটি সারি উভয় পাশে লম্বভাবে সোজা হওয়া বাঞ্ছনীয়।
  11. ইংরেজি বাক্য লেখার ক্ষেত্রে Capital Letter ও  Small letter এর দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  12. যুক্ত বর্ণ গুলো পাঠ্য বইয়ে যেভাবে লেখা থাকে ঐভাবে লিখলে হাতের লেখা অনেক সুন্দর দেখায়।
হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য আপনার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয়।
beautiful handwriting image-http://www.topbanglapages.com/


হাতের লেখা সুন্দর করার আরও কিছু কৌশলঃ

সঠিক প্রবাহঃ
বর্ণ লেখার সময়ে কোন স্থান থেকে শুরু করে কোন স্থানে শেষ করতে হবে তার গতি প্রবাহ নির্দেশনা দেওয়া । শিক্ষার্থীর এটি বোঝাবার জন্য শিক্ষককে নম্বর অনুযায়ী( ১,২,৩....... ) অথবা তীর চিহ্ন এর দিক নির্দেশনা মেনে বর্ণগুলো ধীরে ধীরে লিখতে হয়।

সঠিক আকৃতিঃ
প্রতিটি বর্ণের আকৃতি যাতে সমান হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। তাহলে হাতের লেখা অনেক সুন্দর ও মাধুর্যপূর্ণ  দেখায়।

সমান্তরঃ
বর্ণগুলোর মধ্যকার দূরত্ব সমান রাখতে হবে। এটি বাক্য লেখার ক্ষেত্রে প্রতিটি শব্দের মধ্যকার দূরত্বের ভারসাম্য বজায় রাখে। বর্ণগুলোর আনুভূমিক ও উলম্বিক বিস্তৃতি  হওয়া উচিত।

সমপদঃ
প্রতিটি বর্ণের নিচের অংশে সমান হওয়া দরকার বা মনে মনে একটি রেখা কল্পনা করলে তা যেন সরল রেখায় রুপ নেয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সমশিরঃ
প্রতিটি বর্ণের উপরের অংশ সমান হওয়া দরকার বা মনে মনে একটি রেখা কল্পনা করলে তা যেন সরল রেখায় রুপ নেয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

সঠিকমাত্রাঃ
কোন কোন বর্ণ পূর্ণ মাত্রা, অর্ধমাত্রা , ও মাত্রাহীন হয় সেই বর্ণগুলো লেখার ক্ষেত্রে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।

হাতের লেখা সুন্দরের ক্লাস পদ্ধতিঃ
প্লে থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত প্রতিটি শ্রেণিতে প্রতিদিন হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য আলাদা ২০ মিনিট ক্লাস অনুষ্ঠিত করতে হবে। এই ক্লাস পরিচালনা করার জন্য তিনটি খাতা থাকবে। যথাঃ বাংলা, ইংরেজি ও রাফখাতা। হাতের লেখা সুন্দরের ক্লাস পরিচালনায় দায়িত্বরত শিক্ষক প্রথমে শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ খাতায় পর্যায়ক্রমে বাংলা বর্ণ ও ইংরেজি বর্ণ বোর্ড বই অনুযায়ী লিখে দিবেন যা ছাত্রছাত্রীরা বাংলা বর্ণ বাংলা খাতায় ও ইংরেজি বর্ণ ইংরেজি খাতায় সথিকভাবে  লিখবে। তারপর বাংলা ও ইংরেজি উভয় লেখাটি আবার রাফ খাতায় কালিবিহীন কলমের সাহায্যে দাগ টেনে সোজা করে লিখবে। এই ক্ষেত্রে প্রতিটি দাগের দূরত্ব এক ইঞ্চির চারভাগের দেড় ভাগ হবে। অন্য কথায় অর্থাৎ এক পৃষ্ঠায় ১৭ লাইন।

 তারপর শিক্ষক ছাত্রছাত্রীর নিকট থেকে খাতা সংগ্রহ করে অফিস কক্ষে সংরক্ষন করবেন এবং পরবর্তীতে খাতাগুলি মূল্যায়ন করে অসুন্দর লেখায় গোল দাগ প্রদান করে শিক্ষক নিজ হাতে সুন্দর করে লিখে দেবে। এইভাবে অধিকাংশ ছাত্রছাত্রীর বাংলা বর্ণ ও ইংরেজি বর্ণ সঠিক হলে পরবর্তী সময়ে স্ব - স্ব শ্রেণির বাংলা মাধ্যমের লেখা বই হতে যে কোন গুরুত্বপূর্ণ একটি চরণ এবং ইংরেজি মাধ্যমের বই হতে যে কোন গুরুত্বপূর্ণ একটি বাক্য শিক্ষার্থীদের নিজ নিজ খাতায় লিখে দিবেন। এইভাবে প্রতিদিন হাতের লেখা চলতে থাকবে।

হাতের লেখা সুন্দর প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষা, মুল্লায়ন ও পুরষ্কার প্রদান পদ্ধতিঃ
প্রত্যেক মাসের শেষ কার্যদিবসে প্রত্যেক শ্রেণিতে হাতের লেখা সুন্দরের প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষা শ্রেণিভিত্তিক একই প্রশ্নে অনুষ্ঠিত করতে হবে।

প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর খাতা থেকে নামের অংশ কেটে কোড নম্বরের সাহায্যে খাতা মূল্যায়ন করতে হবে।
শ্রেণিভিত্তিক হাতের লেখা সুন্দরের শিক্ষক ব্যতিত অন্য শিক্ষক দ্বারা প্রতিটা শ্রেণির অপেক্ষাকৃত সুন্দর লেখার খাতা বাছায় করে প্রতিটি শ্রেণিতে তিন জনকে পুরস্কার প্রদান করতে হবে।

হাতের লেখা সুন্দর করার জন্য সকল শিক্ষকের করণীয়ঃ
ছাত্রছাত্রী প্রতিদিন C.W,H.W and C.T খাতায় লিখে থাকে। বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকগণ প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীর  C.W এবং H.W খাতা যত্নসহকারে দেখবেন এবং অসুন্দর লেখা কেটে ছাত্রছাত্রীর কাছে গিয়ে তাকে দেখিয়ে সুন্দর করে লিখে দেবেন।

****  প্রথম শ্রেণি হতে দশম শ্রেণি পর্যন্ত শ্রেণিগুলোতে প্রতিদিন কালিবিহীন কলম দিয়ে ১৫ লাইন করে দাগ  টেনে লেখা বাধ্যতামূলক করতে হবে।

**** পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণিতে যে সকল শিক্ষার্থীদের লেখা তুলনামূলক খারাপ তাদেরকে কিছু বর্ণ শিখিয়ে উপরিউক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে হাতের লেখা ভাল করার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

লেখকঃ
মোঃ সাজেদুর রহমান
সুন্দর হাতের লেখা ট্রেইনার
গাজীপুর শাহীন ক্যাডেট শাখা















শুক্রবার, ৩ আগস্ট, ২০১৮

অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।

অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।

অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা

অ্যাডল্ফ হিটলার (জার্মান: [অ্যাডলফ হটল]  (এই শব্দটি শুনেছেন): 20 এপ্রিল 1882  - 30 এপ্রিল 1945 ) ছিলেন একজন জার্মান রাজনীতিবিদ, এবং প্যান-জার্মান বিপ্লবী।তিনি ছিলেন নাজির পার্টির নেতা ও জার্মানির চ্যান্সেলর। 1933 থেকে 1945 সাল পর্যন্ত পার্টির সদস্য ছিলেন। স্বৈরশাসক হিসেবে হিটলার ইউরোপে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু করেছিলেন পোল্যান্ডের আক্রমণে হোলোকাস্ট কেন্দ্রীয় ছিল।


অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।

1933 সাল নাগাদ নাৎসি পার্টি ছিল জার্মান রেইচস্টাগের বৃহত্তম নির্বাচিত দল, কিন্তু তার অধিকাংশই ছিল না এবং কোনও পার্টি চ্যান্সেলরের প্রার্থীকে সমর্থনের জন্য বেশিরভাগ সংসদীয় দল গঠন করতে সমর্থ হয়নি। এর ফলে প্রাক্তন চ্যান্সেলর ফ্রাঞ্জ ভন পাপেন এবং অন্যান্য রক্ষণশীল নেতাদের নেতৃত্বে 1933  সালের 30 জানুয়ারি হিটলারকে চ্যান্সেলর নিয়োগের জন্য রাষ্ট্রপতি পল ভন হিন্দেনবার্গকে রাজি করানো হয়। এর অল্প কিছু পরেই রিকস্টাগ 1933সালের সক্রিয়ীকরণ আইন পাস করেন, যা ভিয়ের প্রজাতন্ত্রকে নাজি জার্মানি, জাতীয় সমাজতন্ত্রের সর্বগ্রাসী ও স্বৈরাচারী মতাদর্শের উপর ভিত্তি করে একটি একক একনায়কত্ব। হিটলারের লক্ষ্য ছিল ইহুদিদের জার্মানি থেকে বের করে দেয়া এবং ব্রিটেন ও ফ্রান্সের আধিপত্যের প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আন্তর্জাতিক মানবাধিকারের প্রতি অবিচারের মতো একটি নতুন আদেশ জারি করার একটি নতুন আদেশ স্থাপন করা।


অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।

অ্যাডলফ হিটলারের মৃত্যু:

1944 সালের শেষের দিকে, লাল বাহিনী এবং পশ্চিমা মিত্ররা উভয়ই জার্মানিতে অগ্রসর হয়। লাল বাহিনীর শক্তি ও সংজ্ঞার স্বীকৃতিস্বরূপ, হিটলার আমেরিকান ও ব্রিটিশ সেনাদের বিরুদ্ধে তার অবশিষ্ট মোবাইল রিজার্ভ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেন। কিছু অস্থায়ী সফলতার পর আক্রমণাত্মক ব্যর্থ হয়েছে। জানুয়ারী 1 9 45 সালে জার্মানির বেশির ভাগ ধ্বংসাবশেষের সাথে হিটলার রেডিওতে বক্তব্য রাখেন: "যদিও এই মুহুর্তে সংকট হতে পারে । এই ক্ষতপ্রাপ্ত পৃথিবী নীতি প্রয়োগ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি গোপনে অমান্য করেছিলেন।  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্টের মৃত্যু 1945 সালের 1২ এপ্রিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এবং ব্রিটেনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করার জন্য হিটলারের আশা উত্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু তার প্রত্যাশার বিপরীতে, এটি অ্যালিজের মধ্যে কোনও ত্রাস সৃষ্টি করেনি।

অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।

20 এপ্রিল, তার 56 তম জন্মদিনে, হিটলার ফিউরারব্যাঙ্কার (ফুহেরার আশ্রয়) থেকে তার পৃষ্ঠভূমিতে তার সর্বশেষ ভ্রমণ করেন। রেইচ চ্যান্সেলেরির ধ্বংসপ্রাপ্ত বাগানবাগে, হিটলার ইয়ুথের ছেলে সৈন্যদের কাছে আইওন ক্রস প্রদান করেন,যা ওয়াফেন-এসএস জেনারেল ফেলিক্স স্টিনারের আন্ডারটেড ছিল।

1945 সালের ২0 এপ্রিল হিটলার তাঁর শেষ জনসাধারণের অনুষ্ঠানে রাইচ চ্যান্সেলেরির বাগানটিতে দশ দিন আগে এবং ইভ ব্রাউনে আত্মহত্যা করেছিলেন।

অ্যাডলফ হিটলারের জীবনী ও তার সাহসিকতা।


বুধবার, ৮ মার্চ, ২০১৭

প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণ, লক্ষণ ও আরও কিছু আলোচনা।

প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণ, লক্ষণ ও আরও কিছু আলোচনা।

প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণ, লক্ষণ ও আরও কিছু আলোচনা।


যদি আপনার বয়স ৪৫ বছরের নিচে থাকে  তাহলে আপনার প্রস্রাবে ইনফেকশনের সম্ভাবনা একেবারেই কম। এ ক্ষেত্রে সাধারণত এক কোর্স ওষুধ খেলে রোগী সুস্থ হয়ে যায়। কখনও কখনও মূত্রথালি, প্রোস্টেট কিংবা কিডনি দেখার জন্য পরীক্ষা করার পরামর্শ দেয়া হয়, বিশেষ করে তিন মাসের মধ্যে যদি দু’বার বা তার বেশি বার ইনফেকশন হয়, অথবা যদি কিডনি সংক্রমিক হয়। এই লেখাটিতে আমি শুধু পুরুষদের প্রস্রাবে ইনফেকশনের কথা উল্লেখ করছি। যেসব যৌনবাহিত রোগে যেমন ক্লামাইডিয়ার কারণে মূত্রনালী সংক্রামিত হয় এবং যার কারণে একই ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়- সেসব এখানে আমি উল্লেখ করছি।


প্রস্রাব বা মূত্রপথ সম্পর্কে ধারণাঃ
পেটের দু’পাশে দুটো কিডনি থাকে। এরা প্রস্রাব তৈরি করে। এই প্রস্রাব মূত্রথলিতে জমা থাকে এবং আমরা যখন টয়লেটে যাই তখন প্রস্রাব মূত্রথলি থেকে মূত্রনালী পথে বের হয়ে আসে।

প্রস্রাবে ইনফেকশন কী এবং তার কারণগুলো কী?
বেশির ভাগ প্রস্রাবে ইনফেকশন ঘটায় ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু। এই ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুগুলো আসে আপনার নিজস্ব অন্ত্র থেকে। অন্ত্রে এগুলো কোনো ক্ষতি করে না, কিন্তু শরীরের অন্য কোনো অঙ্গে এরা গেলে তখন ক্ষতি করে। কিছু ব্যাকটেরিয়া আপনার পায়ুপথে অবস্থান করে (মলত্যাগের পর এটা হয়)। এসব ব্যাকটেরিয়া কখনও কখনও আপনার মূত্রনালী দিয়ে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে। কিছু ব্যাকটেরিয়া প্রস্রাবের মধ্যে বলিষ্ঠ হয় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটিয়ে ইনফেকশন ঘটায়। ঘন ঘন ইনফেকশন হয় মূত্রথলিতে। একে বলে সিস্টাইটিস বা মূত্রথলির প্রদাহ। কখনও কখনও এই ইনফেকশন একটি বা দুটো কিডনিতেই ছড়িয়ে যায়। প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে চিকিৎসকরা সচরাচর তাকে বলেন ‘মূত্রপথের সংক্রমণ বা ইউটিআই’।


প্রস্রাবে ইনফেকশন কাদের বেশি হয়?
৫০ বছরের কম বয়সী পুরুষদের প্রস্রাবে ইনফেকশন খুব কম হয়। অধিক বয়সী পুরুষদের এটা অতি সাধারণ। ৬০ বছর বয়সী পুরুষদের প্রতি ১০০ জনের মধ্যে প্রায় ৩ জনের এবং ৮০ বছর বয়সী পুরুষদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে প্রায় ১ জনের প্রস্রাবে ইনফেকশন হয়। (প্রস্রাবে ইনফেকশন সবচেয়ে বেশি হয় মহিলাদের। এর কারণ হলো মহিলাদের মূত্রনালী অনেক ছোট এবং তা মলদ্বারের কাছে থাকে)।

কেন কিছু পুরুষের প্রস্রাবের ইনফেকশন হয়?
অনেক ক্ষেত্রে প্রসাবে ইনফেকশনের সুস্পষ্ট কারণ পাওয়া যায় না। মূত্রথলি, কিডনি, প্রোস্টেট কিংবা শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থারও কোনো সমস্যা পাওয়া যায় না। এটা স্রেফ ‘উপরোক্ত বিষয়গুলোর একটি। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিচের যেকোনো একটি সমস্যা প্রস্রাবে ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। সমস্যাগুলো হচ্ছেঃ

প্রোস্টেট বড় হওয়া-
এটা মূত্রথলি ঠিকমতো খালি হতে বাধা দেয়। তখন কিছু প্রস্রাব মূত্রথলিতে থেকে যেতে পারে। এই জমা থাকা প্রস্রাবে ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে এবং ইনফেকশন ঘটায়। ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের ক্ষেত্রে বড় প্রোস্টেট একটি সাধারণ সমস্যা।

মূত্রথলি বা কিডনির সমস্যা-
মূত্রথলি ও কিডনির সমস্যাগুলো আরও বেশি ইনফেকশন ঘটাতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কিডনিতে পাথর হলে প্রস্রাব ঠিকমতো বের হতে পারে না।

অরক্ষিত পায়ুসঙ্গম-
এটা খুবই অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস। যারা এটা করে তাদের ইনফেকশনের ঝুঁকি অনেক বেশি থাকে।
দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা

যাদের শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল, তাদের যেকোনো ইনফেকশনের ঝুঁকি বেশি থাকে, এর মধ্যে প্রস্রাবের ইনফেকশনও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার এইডস থাকে কিংবা কেমোথেরাপি নেন তাহলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল হয়ে পড়ে।

প্রস্রাবের ইনফেকশনের লক্ষণগুলো কী?
মূত্রথলিতে ইনফেকশন (সিস্টাইটিস) এক্ষেত্রে সাধারণত প্রস্রাব করার সময় ব্যথা করে। ঘন ঘন প্রস্রাব হয়। আপনার তলপেটে ব্যথা হতে পারে, প্রস্রাবের সাথে রক্ত যেতে পারে এবং জ্বর থাকতে পারে।

কিডনিতে ইনফেকশনঃ
এ ক্ষেত্রে কোমরের পশ্চাদ্ভাগে (কিডনির উপর পেটের পাশে) ব্যথা হতে পারে। বমি বমি ভাব, বমি, পাতলা পায়খানা হতে পারে, সার্বিকভাবে আপনি অসুস্থ বোধ করতে পারেন।

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন এবং মূত্ররোগ বিশেষজ্ঞ।
চেম্বার : কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৬২৮৮৮৫৫।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০০৯

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার।

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার।

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়ার কারণ ও প্রতিকার।


অণ্ডথলি ফুলে যাওয়া হলো অণ্ডথলি অস্বাভাবিক বড় হওয়া। আর অণ্ডথলি হলো এমন একটা থলি যার মধ্যে অণ্ডকোষ থাকে। যেকোনো বয়সী পুরুষের অণ্ডথলি ফুলে যেতে পারে। এর সাথে ব্যথা থাকতে পারে, আবার না-ও থাকতে পারে। এটা অণ্ডথলির এক পাশে অথবা দু’পাশেই হতে পারে। অণ্ডকোষ এবং পুরুষাঙ্গ জড়িত থাকতে পারে, অথবা না-ও থাকতে পারে।

অণ্ডথলি ফুলে যাওয়ার কারণ-
  • আঘাত
  • হার্নিয়া
  • কনজেসটিভ হার্ট ফেইলিওর
  • হাইড্রোসিল
  • অণ্ডকোষের প্রদাহ
  • অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়া
  • ভ্যারিকোসিল বা অণ্ডথলির শিরার স্ফীতি
  • কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ
  • যৌনাঙ্গ এলাকায় শল্য চিকিৎসা
অণ্ডকোষে প্যাঁচ খাওয়া একটি মারাত্মক জরুরি অবস্থা। এ ক্ষেত্রে অণ্ডথলির মধ্যে অণ্ডকোষ পেঁচিয়ে যায় এবং এর ফলে অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। যদি দ্রুত প্যাঁচ খোলা না যায় তাহলে অণ্ডকোষ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।


ঘরোয়া চিকিৎসা-
  • প্রথম ২৪ ঘণ্টা অণ্ডথলিতে বরফের সেক দিতে হবে। এরপর সিজবাথ নিলে ফোলা কমবে।
  • যদি ব্যথা তীব্রহয় তাহলে একটি তোয়ালে পাকিয়ে অণ্ডকোষের ঠিক নিচে দু’পায়ের মাঝে রাখতে হবে। এতে ব্যথা ও ফোলা দুটোই কমবে।
  • দৈনন্দিন কাজ করার পর ঢিলেঢালা অ্যাথলেটিক সাপোর্টার পরা যেতে পারে। ফোলা কমে যাওয়া না পর্যন্ত কাজকর্ম করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন-
যদি আপনার অণ্ডথলি ফুলে যায়, যদি ফোলাটা ব্যথাযুক্ত হয়, কিংবা যদি অণ্ডকোষে চাকা অনুভব করেন তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন।


চিকিৎসক যা করবেন-
চিকিৎসক আপনাকে শারীরিক পরীক্ষা করবেন ও রোগের ইতিহাস নেবেন। তিনি আপনাকে নিচের প্রশ্নগুলো উত্তর জানতে চাইতে পারেন।


চিকিৎসক যে প্রশ্নগুলো করবেন-
  • কখন ফোলা শুরু হয়?
  • এটা হঠাৎ করে হয়েছে?
  • অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে?
  • ফোলাটা কত বড়?
  • ফোলাটায় কি পানি জমেছে?
  • ফোলা কি অণ্ডথলির এক দিকে, নাকি সমগ্র অণ্ডথলিতে?
  • দু’পাশের ফোলা কি একই ধরনের? (কখনো কখনো অণ্ডথলির ফোলা প্রকৃতপক্ষে বড় অণ্ডকোষ, অণ্ডকোষে চাকা অথবা শুক্রবাহী নালির ফুলে যাওয়ার কারণে হয়।)
  • আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কোনো অপারেশন হয়েছে?
  • আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কি কোনো আঘাত পেয়েছেন?
  • আপনার যৌনাঙ্গ এলাকায় কি সম্প্রতি কোনো সংক্রমণ হয়েছে?
  • আপনি বিছানায় বিশ্রাম নিলে কি ফোলা চলে যায়?
  • আপনার অণ্ডথলিতে কি কোনো ব্যথা আছে?
চিকিৎসক যথাযথ অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিতে পারেন।

ডা. মিজানুর রহমান কল্লোল
জেনারেল ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন এবং মূত্ররোগ বিশেষজ্ঞ। চেম্বার : কমপ্যাথ লিমিটেড, ১৩৬ এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। ফোন : ০১৭১৬২৮৮৮৫৫।
সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক, অক্টোবর ২৬, ২০০৯
ওজন কমাতে সহজ কিছু উপায় এবং আপনার করনীয়।

ওজন কমাতে সহজ কিছু উপায় এবং আপনার করনীয়।

ওজন কমাতে সহজ কিছু উপায় এবং আপনার করনীয়।


শরীরে বাড়তি ওজন সৃষ্টিতে শর্করাজাতীয় খাবার বেশি প্রভাব বিস্তার করে।তাই আমরা মনে করি, শর্করাজাতীয় খাবার বর্জন ওজন কমানোর চাবিকাঠি। কারণ, শকর্রাবর্জিত খাবার দিনের পর দিন খেতে থাকলে শরীরে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। হয়তো দু-চার দিন এ ধরনের খাবার গ্রহণ করা যায়, দিনের পর দিন নয়। যেমন—মাছ, মাংস, ডিম, তেল, ঘি, মাখন এগুলো একেবারেই শর্করাবর্জিত খাবার। ভাবুন তো, এসব খাবার খেয়ে কি জীবন কাটাতে পারবেন? আসলে সবই খেতে হবে, তবে তা হওয়া উচিত পরিমিত।

শর্করাজাতীয় খাবার কতটুকু খাওয়া যাবে বা যাবে না সে ব্যাপারে বারডেম জেনারেল হাসপাতালের পুষ্টি বিভাগের প্রধান আখতারুন নাহার বলেন, শর্করা শক্তির অন্যতম উৎস। পুষ্টিবিজ্ঞানের মতে, মানুষের প্রতিদিনের খাবারে মোট ক্যালরির ৫৫ থেকে ৬০ শতাংশ শর্করা থাকা উচিত। তবে যাঁরা ওজন কমাতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে শর্করার অংশটি ভাত-রুটি ইত্যাদি মিলে ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ হলেই ভালো হয়।
আখতারুন নাহারের মতে, শিশুদের ক্ষেত্রে একই নিয়ম প্রযোজ্য। তবে তাদের খাবারে অবশ্যই শরীর গঠনকারী উপাদান বা দুধ থাকতেই হবে। যদিও দুধে আছে পর্যাপ্ত শর্করা। খাবারের মধ্যে শর্করা থাকে বিভিন্ন রূপে। যেমন—গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ, গ্যালাক্টোজ, সুক্রোজ, মল্টোজ। আমাদের দেহের কার্যপ্রক্রিয়ায় গ্লুকোজ প্রয়োজনীয় উপাদান। ফ্রুক্টোজ হলো ফলের চিনি। 

সুক্রোজ প্রায় সব উদ্ভিদেই কমবেশি থাকে। তবে আখ ও বিটে থাকে উচ্চমাত্রায়। এ জন্য এই দুটো দিয়ে সহজেই চিনি তৈরি করা যায়। ল্যাক্টোজ হলো দুধের চিনি। অঙ্কুরিত শস্যের মধ্যে মল্টোজ থাকে। গ্লুকোজ একাই স্নায়ুতন্ত্রের শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। এ কারণে শর্করাজাতীয় খাবারের অভাবে শরীরে দহন ক্রিয়া থেমে যায়। এর ফলে কিটোন বডি নামে শরীরে ক্ষতিকর পদার্থ উৎপন্ন হয়। শর্করা বাদ দেওয়া যেমন খারাপ, তেমনি অতিরিক্ত শর্করা খাওয়াও ক্ষতিকর। কেননা অতিরিক্ত শর্করা শরীরে চর্বি তৈরি করে। ফলে ওজন বেড়ে যায় ও অন্ত্রকে উত্তেজিত করে। এ জন্য শর্করা খেতে হবে সীমিত পরিমাণে, তবে একেবারে বর্জন নয়।

শিশু, কিশোর ও বয়স্কদের বেলায় একইভাবে জাঙ্ক ফুড অর্থাৎ পিৎজা, বার্গার, স্যান্ডউইচ, কোমলপানীয় বন্ধ করে সুষম খাবার গ্রহণ করা উচিত। কারণ, জাঙ্ক ফুডে ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ থাকে অনেক বেশি। সুষম খাবার গ্রহণ করতে গেলে খাবারের সব কয়টি উপাদান যেমন—আমিষ, শর্করা, চর্বি যার যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু খেতে হবে।

মোট কথা হলো, কোনোটাই বাদ দেওয়া যাবে না আবার কোনোটাই অতিরিক্ত খাওয়া যাবে না। কাজেই আমাদের সকল খাবার স্বাস্থ্যবিধি নিয়ম মেনেই খেতে হবে। তাহলে আমরা আমাদের শরীরকে সুস্থ সাবলীল রাখতে সক্ষম হব।

গ্রন্থনা: মো. শরিফুল ইসলাম
জানুয়ারি ০৮, ২০১৪
মডেল: মাহা। ছবি: অধুনা
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

মঙ্গলবার, ৭ মার্চ, ২০১৭

পিত্তথলিতে পাথরের কারণ এবং তার প্রতিকার।

পিত্তথলিতে পাথরের কারণ এবং তার প্রতিকার।

পিত্তথলিতে পাথরের কারণ এবং তার প্রতিকার।


পিত্তথলিতে পাথর হওয়া এটি একটি মারাত্মক সমস্যা। চারপাশের অনেকেরই কাছ থেকেই  এই  ব্যাপারে ভিন্ন রকম অভিজ্ঞতা শুনতে পারি। আসলে এই পাথর কি ইটের খোয়া নাকি পথে কুড়িয়ে পাওয়া নুড়ি পাথরের মতো? আর কীভাবেই বা আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার পিত্তথলিতে পাথর হয়েছে আসুন সম্পূর্ণ লেখাটি পড়ি।


পাথর আসলে কী?
পিত্তথলির পাথর আসলে ছোট ছোট বালুর দানার মতো থেকে শুরু করে মটরের দানা বা তার চেয়েও বড় শক্ত দানাদার বস্তু, যা বিভিন্ন রঙের ও বিভিন্ন আকৃতির হতে পারে। এটা নির্ভর করে কী পদার্থ দিয়ে পাথরটা তৈরি তার ওপর। কোলেস্টেরল, বিলিরুবিন বা ক্যালসিয়াম ইত্যাদি পদার্থের সংমিশ্রণে তৈরি এই পাথরগুলো পিত্তরসের সঙ্গে মেশানো অবস্থায় থাকে এবং হালকা বাদামি, ময়লাটে সাদা বা কুচকুচে কালো রঙেরও হতে পারে। পেটের ডানদিকে যকৃতের পেছনে ও তলার দিকে থাকে পিত্তথলি। পিত্তরস তৈরি করাই এর কাজ। খাবার হজমে, বিশেষ করে চর্বিজাতীয় খাবার হজম করতে পিত্তরস দরকার হয়। নানা কারণে এই পিত্তথলিতে বিভিন্ন পদার্থ অতিরিক্ত জমে গিয়ে পাথরের সৃষ্টি করে।

কাদের হয় বেশি?
স্থূল ও ওজনাধিক্য ব্যক্তিদের পিত্তথলিতে পাথর বেশি হতে দেখা যায়। পুরুষদের তুলনায় নারীদের এই প্রবণতা বেশি। এ ছাড়া চল্লিশোর্ধ্ব বয়স, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি খাবার অভ্যাস, অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাদ্য গ্রহণ ইত্যাদি এই ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।


কীভাবে বুঝবেন?
পিত্তথলির অবস্থানটা পেটের কোথায় তা আগেই বলা হয়েছে। পিত্তথলিতে পাথর হলে এতে প্রদাহ হয়, যাকে কোলেসিস্টাইটিস বলা হয়। তখন ওপর পেটের ডানদিকে তীব্র ব্যথা হতে পারে। মিনিট খানেক হতে ঘণ্টা খানেক স্থায়ী হতে পারে এই ব্যথা। পেটের পেছন দিকে, কাঁধে, পেটের মাঝ বরাবর এমনকি বুকের ভেতরও ছড়িয়ে পড়তে পারে ধীরে ধীরে। সেই সঙ্গে বমি ভাব বা বমি, হালকা জ্বর ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে। অনেক সময় পাথর পিত্তথলি থেকে বোরোতে গিয়ে পিত্তনালিতে আটকে যায় এবং তখন বিলিরুবিনের বিপাক ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার দরুন জন্ডিসও হতে পারে। রোগ নির্ণয়ের জন্য এই উপসর্গের পাশাপাশি পেটের আলট্রাসনোগ্রামই যথেষ্ট। পাথরের অবস্থান জানতে বা প্রয়োজনে বের করতে ইআরসিপি জাতীয় পরীক্ষা করা যেতে পারে। তবে পেটের আলসার, যকৃতের কোনো সমস্যা বা এমনকি হূদেরাগেও কাছাকাছি ধরনের ব্যথা হতে পারে বলে সেগুলোর অবস্থাও নির্ণয় করে নেওয়া দরকার হয়।


চিকিৎসা কী?
প্রদাহ ও তীব্র ব্যথার সময় কোনো অস্ত্রোপচার করা হয় না। সাধারণত কয়েক দিনের জন্য মুখে খাদ্য গ্রহণ বন্ধ করে দিয়ে স্যালাইন, অ্যান্টিবায়োটিক ও ব্যথানাশক ওষুধ দিয়ে প্রাথমিক উপশমের চেষ্টা করা হয়। পরে পিত্তথলি ফেলে দেওয়ার অস্ত্রোপচারটি সপ্তাহ দুয়েক পর বা দু-তিন মাস পর করলেও ক্ষতি নেই। পেট কেটে বা ফুটো করে—দুভাবেই এই অস্ত্রোপচার করা যায়। তবে পিত্তনালিতে পাথর আটকে গিয়ে থাকলে ইআরসিপি যন্ত্রের সাহায্যে সেটি বের করে আনা হয়।

ডা. মহিউদ্দিন কাউসার | জানুয়ারি ০৮, ২০১৪ |
সার্জারি বিভাগ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো