Wednesday, May 13, 2020

দেশের করোনা আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ কি ??

দেশের করোনা আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ কি ??

 করোনা আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার কারণ কি ?? 

দেশের করোনা আক্রান্ত বেড়ে যাওয়ার মূল কারণ কি

এই বিষয়ে কথা বলার আগেই আপনাদের মনে করে দিতে চাই যেখানে ১৪ দিনের মধ্যেই করোনার লক্ষণ দেখা দেয় ,সেই খানে আমরা ৬০দিন লকডাউন দিয়েও রোগি আলাদা করতে কেন পারলাম না। ১৫ দিনেই সম্ভব করোনা মুক্ত করা কিন্তু প্রয়োজন ১০০% কার্যকারি পদক্ষেপ। যদি এই পদক্ষেপ নিতে না পারে , তা হলে ১ বছরেও সম্ভব না করোনা মুক্ত করা। দিন দিন বেড়েই যাবে রোগি ।আর মানুষ অভাবে পরে বাড়ি থেকে বেড় হবে। তাই ঈদের ছুটিই হতে পারে সরকারের জন্য শেষ সুযোগ।লক ডাউনের শুরুর আগেই এই বিষয়ে বলেছিলাম ১৫ দিনের পরিকল্পনা নিলে সম্ভব করোনা মুক্ত হওয়া। না হলে ১ বছরেও করোনা সমস্যা থেকে বেড় হওয়া সম্ভব না।


১। স্থানান্তরঃ 

যখন লকডাউন দেয় তখন ঢাকা থেকে ও জেলা শহর থেকে মানুষ গ্রামে গিয়েছে যার জন্য করোনা সংক্রামণ বেশি হয়েছে ।একটা জেলার দিকে লক্ষ্য করেন- বগুড়া জেলার কথায় চিন্তা করেন ৯০% করোনা রোগী ঢাকা ফেরত এবং তাদের সংস্পর্শে এসে ১০% নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।

২। লকডাউন ভুলঃ

লকডাউন নামে মাত্র ছিল। যখন লকডাউন ছিল তখনও আমার দেখা অনেকেই ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছে । এমন কি আমি যে বিল্ডিং এ থাকি তার ৫ তলায় একজন এসেছিল লকডাউনের সময়।যদিও তাকে প্রবেশ করতে দেয়নি ।এমন কি আমার গ্রামের এলাকায় খবর নিয়েছি , সে খানেও অনেকে এসেছে। এইটা শুধু আমাদের কষ্ট বৃদ্ধি করেছে কোন কাজেই দেয়নি। প্রয়োজন ছিল কারফিউ জারি।

৩। করোনা পরীক্ষা সমস্যাঃ

 ২ মাসে করোনা পরীক্ষা তেমন বৃদ্ধি পায়নি। যেখানে উন্নত দেশ ২-৬ লাখ দিনে পরীক্ষা করছে সেখানে আমরা এখনও ১০ হাজারেও যেতে পারি নাই ।

৪।পরিকল্পনায় ভুলঃ 

করোনাকে কি ভাবে মোকাবেলা করবে এমন কোন পরিকল্পনা আমার চোখেই পরে নাই । ২মাস ৮০% মানুষ কে ঘরে বসে রাখলেও , ২০% মানুষ ইচ্ছে মত স্থানান্তর হয়েছে , ফলে এদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত বেশি হয়েছে দেশে । বর্তমানে আবার সেই ৮০% মানুষ কেও ছেড়ে দিচ্ছে , ফলে সহজেই তারা আবার এই ২০% মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছে , আর আক্রান্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে ।শুরুতেই ১০০% মানুষ কে জোর করে নিজের অবস্থানে থাকতে বাধ্য করতে হতো এবং সরকার করোনায় তেমন কোন কঠোর হতে পারে নাই । ফলে যে পরিকল্পনা করেছিল তা ভুল হয়েছে ।

৫।বর্তমানে বড় ভুলঃ 

আক্রান্ত রোগিদের বাসায় রেখে চিকিৎসা। ফলে তার পরিবারে লোক আক্রান্ত হচ্ছে এমনি কি এই ভাবে চলতে থাকলে গ্রামও সম্পূর্ণ আক্রান্ত হয়ে যাবে।

৬। জনগনের অসচেতনতাঃ

 এইটা আমাদের দেশে ছিল আছে এবং থাকবেই। এই জায়গা থেকে আমরা বেড় হতে পারবো না।এই জন্য শুরুতে আমাদের উচিৎ ছিল কঠোর হওয়া। আর একটা টিম গঠন করে প্রতিটা গ্রাম থেকে শুরু করে প্রতিটা বাড়ি পর্যন্ত ১৫-২০ দিন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করা।এই জাতিকে সচেতন করার থেকে সহজ নিয়ন্ত্রণ করা।

৭। বর্তমানে প্রয়োজন ১০০% কার্যকারি পদক্ষেপ নেওয়াঃ 

আগে কি ভুল হয়েছে সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে ১৫-২০ দিনের একটা পরিকল্পনা করেন। যে যেখানে আছে সেখানেই থাকবে। ১৫ দিনের মধ্যে যেখানে করোনা আক্রান্ত হবে তাদের আলাদা করতে হবে এবং সরকারের অধিনে নিতে হবে। সেই সাথে তাদের পরিবার কেও আলাদা করে রাখতে হবে ১৫দিন । নতুন কেউ আক্তান্ত হয় কি না দেখার জন্য। এক কথায় প্রতিটা বাড়িকে করোনা মুক্ত করতে হবে ১৫-২০ দিনে । কোন ব্যাক্তিকেই ১৫-২০ দিন বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া যাবে না। একটা টিম থাকবে তারা শুধু মানুষের যা প্রয়োজন তা পৌঁছে দিবে। আর এই টিম শুধু মাত্র একটা অঞ্চলের জন্য বা গ্রামের জন্য থাকবে। উদাহরণঃ আমার গ্রামে একজন করোনা রোগী ধরা পরেছে। তাদের আশে পাশের বাসায় লকডাউন , ফলে বেড় হতে দিচ্ছে না গ্রাম বাসি। তাদের যা প্রয়োজন তা সম্পূর্ণ গ্রামের মানুষের থেকে চাঁদা তুলে দিচ্ছে। এখান থেকে শিক্ষা নিয়ে করোনা রোগীদের আলাদা করতে পারলে এবং তাদের পরিবার কে আলাদা করতে পারলে চালানো অসম্ভ কিছুই না।কারণ বর্তমান পর্যন্ত করোনা রোগী দেশের জনগনের তুলনায় অনেক কম কিন্তু যে ভাবে চলছে এই ভাবে চলতে থাকলে সবাই আক্রান্ত হয়ে যাবে। তখন কেউ কাউকে হেল্প করতে পারবে না।

৮। পদক্ষেপ এখনই নিতে হবেঃ 

ঈদের পরে দেশে যদি লাশের মিছিলও হয় সরকারের পক্ষে জনগণকে বাসায় বসে রাখা সম্ভব হবে না । তাই এখনই এই পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। টার্গেট করোনা রোগী আলাদা করা। টেস্ট করতে না পারলেও প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আলাদা রাখার ব্যবস্থা করতে হবে যাদের লক্ষণ দেখা দিবে।

সর্বশেষ আমি বলতে চাই আমি আগেই ৫ টা পরিকল্পনার কথা বলেছিলাম। এই রকম কোন পরীকল্পনা গ্রহণ করতে পারলেই করোনা মুক্ত করা সম্ভব । তা না হলে কত দিন এই ভাবে সরকার দেশের মানুষ কে নিয়ন্ত্রণ করবে বা গরীব মানুষদের সাহয্য দিবে??? এই ভাবে চলতে থাকলে সরকারের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে না। তাই এই সময় ১৫-২০ দিনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে । তা হলেই একমাত্র সম্ভব হবে মক্ত হওয়া।
১৫ দিনের পরিকল্পনা নিম্নরূপঃ (২২ মার্চ এই পোস্ট দিয়েছিলাম। এইটা কার্যকর হলে এতো দিন করোনা মুক্ত দেশ হয়ে যেতো। )
  1. ১৫ দিন পর্যন্ত কারফিউ জারি । কোন ব্যাক্তি ১৫ দিন পর্যন্ত বাড়ি থেকে বের হতে পারবেনা। যে যেখানে আছে ১৫ দিন সেই খানেই অবস্থান করবে।
  2. প্রতিটা গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষক এবং মসজিদের ইমাম এসব দেখভালের দ্বায়িত্বে থাকবে। ঐ গ্রামের যা কিছু প্রয়োজন তারা একটা টিম করে নিরাপদে বাসায় পাঠিয়ে দিবে।
  3. সেনাবাহিনী , বর্ডার গার্ড , পুলিশ , আনসার সহ সকল বাহিনীর সদস্য প্রতিটা গ্রামে ক্যাম্প করবে যাতে কেউ আইন ভঙ্গ করতে না পারে। এছাড়া তারা বিভিন্ন বিষয়ে তদারকি করবেন। (প্রতিটা গ্রামে গড় ৫০জন সদস্য মোতায়ান করার ক্ষমাতা সরকারের আছে )
  4. জেলা প্রশাসাক সহ টিএনও , ইউএনও , বিসিএস ক্যাডার সহ সকল উচ্চ পদস্থ ব্যক্তির অধীনে একটা করে ইউনিয়ন পরিষদের দ্বায়িত্ব দিতে হবে। তারা সেই ইউনিয়নের সকল ওয়ার্ড পরিচালনা করবে।
  5. যে কোন রোগী বা করোনা আক্রান্ত কোন ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া মাত্র বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে হাঁসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।

এই রোগের একমাত্র চিকিৎসা এইটা করোনা রোগীদের আলাদা করা। ১৫ দিনে রোগীদের আলাদা করেন তার পরিবারদের আলাদা করেন ।তার পরে শুধু রুগির পরিবার কে আলাদা করে ১৫ দিন দেখেন কোন রোগী পাওয়া গেলে আলাদা করে তাদের আরো ১৫ দিন দেখেন ।আর নতুন রোগী না পাওয়া গেলে সেই অঞ্চল কে করোনা মুক্ত ঘোষণা করেন। বর্তমানে যা হচ্ছে তাতে এই সব হচ্ছে কিন্তু ছড়িয়ে দেওয়ার পরে তাকে আলাদা করা হচ্ছে আর এই জন্য রোগি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সবাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আমার লেখায় কোন ভুল হলে।আমার চোখের সামনে যা হচ্ছে তাই শুধু আলোচনা করেছি । আমি কোন মহাজ্ঞানী না সাধারণ মানুষ মাত্র।

করোনা থেকে বাঁচতে হলে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, May 7, 2020

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।


সুন্দরী নারী কেনা পছন্দ করে। প্রত্যেক মানুষই সুন্দরী নারীর সাথে প্রেম করতে চায়। এমনকি জীবনসঙ্গী হিসেবে সুন্দরী নারীকেই সকলেই বেছে নেই। কিন্তু সুন্দরী নারীকে বিয়ে করলে পড়তে হয় বেশ কিছু বিপদে। বিয়ের আগে অন্তত এই বিষয়গুলো জেনে রাখা উচিত তাহলে আপনিও হয়তো এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আর যারা ইতিমধ্যে বিয়ে করে ফেলেছেন তাদেরও জেনে রাখা উচিত কারণ আপনাকে এই সমস্যাই পড়ার আগেই তা সমাধানের পথ খুঁজে রাখতে হবে। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।   


১।বেশির ভাগ সুন্দরী মেয়ে রান্না করতে জানে না। খাবারে লবণ কম-বেশি করতে সুন্দরী মেয়েদের কোনো জুড়ি নেই। তাই কোনো সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করার আগে কোনো রেস্টুরেন্ট মালিকের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলুন। কারণ আপনাকে প্রতিনিয়ত রেস্টুরেন্টে খেতে হতে পারে।

২।সুন্দরী মেয়েরা ঘনঘন পার্লারে যেতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে পার্লারের পেছনে টাকা ব্যয় করতে করতে আপনার মানিব্যাগের স্বাস্থ্যহানি ঘটবে।


৩। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার সৌন্দর্য মানুষের কাছে ম্লান হয়ে যাবে। আপনার সৌন্দর্যের প্রশংসা না করে সবাই আপনার সুন্দরী স্ত্রীর প্রশংসা করবে।

৪। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনার বন্ধু থেকে শুরু করে পাড়ার ছোট-বড় সবাই কুনজর দেবে। এগুলো দেখে আপনি না পারবেন কিছু বলতে, না পারবেন সইতে। শুধু দেখবেন, জ্বলবেন আর লুচির মতো ফুলবেন।

 যে ১০ কারণে সুন্দরী নারীকে বিয়ে করা উচিত নয়।

৫। সুন্দরী মেয়েরা নিজের সৌন্দর্য নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকে। আপনি অসুস্থ হলেও আপনাকে নিয়ে চিস্তা করবে না। অথচ তাদের গালে ছোট্ট ব্রণ উঠলেও সেটি সারানোর জন্য গালে বেসন অথবা ফলমূলের রস লাগিয়ে বসে থাকবে।

৬। সুন্দরী মেয়েরা শপিং করতে পছন্দ করে। সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনাকে মাসে যতবার না বাথরুমে যেতে হয় তার চেয়ে বেশিবার আপনাকে শপিংয়ে যেতে হতে পারে।

৭। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরা অত্যন্ত ঝগড়াটে স্বভাবের হয়। এদের বিয়ে করলে অতি সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া করে আপনার জীবন ঝালাপালা করে দেবে।

৮। সুন্দরী মেয়ে বিয়ে করার আগে বাড়িতে কাপড় রাখার পর্যাপ্ত জায়গা আছে কি না দেখুন। যদি না থাকে তাহলে অতিরিক্ত ওয়ারড্রোব, আলমারি কিনে রাখুন। এদের কাপড় এত বেশি হয় যে, আপনার নিজের কাপড় রাখার জায়গা থাকবে না। আপনার কাপড়গুলো অনাথের মতো যেখানে সেখানে গড়াগড়ি খাবে।

৯। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সুন্দরী মেয়েরাই ভারতীয় সিরিয়ালের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয়। এসব সিরিয়াল সংসার জীবনের ওপর কী রূপ প্রভাব ফেলে এটা কারো অজানা নয়। কোনো একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখবেন সিরিয়ালের প্রভাবে প্রভাবিত হয়ে আপনার সুন্দরী বউ অন্য কারো সঙ্গে উধাও হয়ে গেছে।

১০। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী মেয়েকে বিয়ে করলে আপনি বাড়ির বাইরে যেতে চাইবেন না। আপনার বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে। এছাড়া আরো বড় সমস্যা হলো, সুন্দরী বউ ছেড়ে আপনার অফিসে যেতে ইচ্ছে করবে না। ফলে আপনার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হবে।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Monday, April 6, 2020

করোনায় যে ১০ জেলার মানুষ বেশি হুমকিতে।

করোনায় যে ১০ জেলার মানুষ বেশি হুমকিতে।

করোনায় যে ১০ জেলার মানুষ বেশি হুমকিতে।

দেশের ১০টি জেলায় এ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটেছে। সনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এখন ৭০ জন।
মোট ১০ জেলায় বিস্তার ঘটেছে করোনা ভাইরাসের। জেলাগুলো হলোঃ

১। ঢাকা,
২। নারায়ণগঞ্জ
৩। মাদারীপুর
৪। গাজীপুর
৫। কুমিল্লা
৬। কক্সবাজার
৭। গাইবান্ধা
৮। মানিকগঞ্জ
৯। চুয়াডাঙ্গা
১০। চট্টগ্রাম

এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিস্তার ঘটেছে ঢাকায়, এরপরই আছে মাদারীপুর। এই ১০ জেলার সকল মানুষকে খুব সচেতন থাকার আহবান জানাচ্ছি। এই মুহূর্তে আপনাদের জন্য যা যা করনীয় তা এই ভিডিও তে উল্লেখ করা হবে।

আক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে। আইইডিসিআর-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটেও এ সংক্রান্ত তথ্য দেয়া রয়েছে।

দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মার্চ। তিনি মাদারীপুরের বাসিন্দা। এরপর রোগী শনাক্ত হয় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে। প্রাথমিক অবস্থায় এটি বিদেশ ফেরত ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ধীরে ধীরে তা স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জন বিদেশ ফেরত। মূলত তাদের মাধ্যমে দেশে করোনার সংক্রমণ ঘটেছে। বিদেশ ফেরতদের মধ্যে ইতালির ৬ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ৩ জন, সৌদি আরবের দুজন এবং ভারত, ফ্রান্স, জার্মানি, কুয়েত ও বাহরাইনের একজন করে রয়েছেন।

ভাইরাসের পূর্ববর্তী লক্ষণগুলো:

১. সর্দি
২. গলা ব্যথা
৩. কাশি
৪. মাথা ব্যাথা
৫. জ্বর
৬. হাঁচি
৭. অবসাদ
৮. শ্বাসকষ্ট


করোনা ভাইরাস থেকে বেঁচে থাকতে যে ১০ টি কাজ অত্যান্ত জরুরি:

১. ঘরের বাইরে মাস্ক ব্যবহার করুন
২. গণপরিবহন এড়িয়ে চলার চেষ্টা করুন
৩. প্রচুর ফলের রস ও পর্যাপ্ত পানি পান করুন
৪.প্রতি ২০ মিনিট পরপর  হ্যান্ডওয়াশ কিংবা সাবান দিয়ে ভাল করে হাত ধুয়ে নিন
৫. কিছু খাওয়া কিংবা রান্না করার আগে ভাল করে ধুয়ে নিন
৬. ডিম কিংবা মাংস রান্নার সময় ভাল করে সেদ্ধ করুন
৭. ময়লা কাপড়  দ্রুত ধুয়ে ফেলুন
৮. নিয়মিত থাকার ঘর এবং কাজের জায়গা পরিষ্কার করুন
৯. অপ্রয়োজনে ঘরের দরজা, জানালা খোলা রাখবেন না
১০. প্রতিদিন গোসলের সময় ১ বালতি পানিতে ২ মুটকি স্যাভলন ব্যবহার করুন।

Friday, March 6, 2020

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

হ্যালো বন্ধুরা, আপনারা কি বলতে পারেন পৃথিবীতে বাবা কতজন হয়। আমার জানা মতে বাবা তো একজনই হয়। এছাড়াও কোন নারী ও পুরুষ বিয়ে করলে শশুর মশাই কে বাবা হিসেবে সম্বোধন করা হয়।  এর বাইরেও বাংলাদেশের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছ হরেক রকমের বাবা।  রীতিমত অনেক মানুষই এই সকল বাবাদের ব্যাপক ভক্ত।  আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানতে পারবেন বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন। তাই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধ রইল।

১। বিড়ি বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

 কুমিল্লার বড়ুয়া থানার খোশবাস গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মালেক যিনি বিড়ি বাবা নামে অধিক পরিচিত। তিনি এমন এক আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী যার চিকিৎসা ব্যবস্থায় সকল ধরনের রোগ ভালো হয়ে যায়। তবে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা অন্যদের চেয়ে আলাদা ও অভিনব পদ্ধতি। তার চিকিৎসা ব্যবস্থার একমাত্র ঔষধ হল বিড়ি। তার হাতের ১০ টা বিড়ি খেলে সকল ধরণের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। সর্দি,জর,যক্ষা,ডায়বেটিস এমনকি ক্যান্সার হলেও তার দেওয়া বিড়ি খেলে সব রোগ নিমিষেই পালিয়ে যায়। এছাড়াও পারিবারিক ঝগড়া,বিবাদ ঝুট ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে বিড়ি বাবার দরবারে এসে বিড়ি ফোকালে সেই পরিবারে শান্তি চলে আসে।

এই বিড়ি বাবার কারিশমায় ছোট ছোট বাচ্চাদের ও রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য বিড়ি টানতে হয়। আর যারা বিড়ি টানতে না পারে তাদেরকে তামাক পানিতে গুলিয়ে খাওয়ায় দেওয়া হয়। বাবার সমস্ত রোগের ঔষধ একমাত্র বিড়ি। এটা নাকি বাবার তাবারক। ভক্তকুলের সাথে বাবাকেও বিড়ি ফোঁকাতে দেখা যায়। কিন্তু একটু লক্ষ্য করে দেখুন তিনি বিড়ি না ফুকিয়ে সমান তালে অভিনয় করে যাচ্ছে। যেখানে বিড়ি খেলে মানুষের মৃত্যুর ঝুকি বহুগুন বেড়ে যায় সেখানে বিড়ি বাবার বিড়ি খেলে সব রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আর এসব ভন্ড বাবার গাঁজাখুরি ব্যবসায় তাল দিয়ে যাচ্ছে বাঙালি ভক্তকুল। হায়রে অশিক্ষিত সমাজ।

২। হজ বাবাঃ

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

মুসলিম উম্মাহদের হজ্জ পালনের জন্য লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে যেতে হয় মক্কা মদিনায়। অথচ মাত্র কয়েকশ টাকা খরচ করেই বাংলাদেশেই হজ পালন করা যায়। আপনার হয়তো বিশ্বাস হচ্ছে না।  ঢাকার অদূরে দোহারে হজ বাবার আয়োজনে প্রতিবছর ৯ সেপ্টেম্বর কয়েক হাজার মানুষ নিয়ে হজ পালন করা হয়। এ সকল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বারোটা বাজাচ্ছে তথাকথিত হজ বাবা ও তার ভক্তকুল। হজ বাবার প্রধান সাঙ্গপাঙ্গ হল নারী। সারা বছর জুড়ে হজ বাবার কাবা ঘরে থাকে নারীদের আনাগোনা। এছাড়াও তার অনেক নারী ভক্তকুল তার খেদমতে সমস্ত শরীর সারাক্ষণ টিপে দেন। এই হজ বাবা নামের ভন্ড প্রতারকের কারণে আমাদের পবিত্র কাবা শরীফকে অবমাননা করা হচ্ছে। জানিনা এর ভক্তকুল কারা তারা কি গাঁজা খেয়ে হজ পালন করে আর প্রশাসন কি তাদের তামাশা দেখে আপনাদের কাছে প্রশ্ন রইল।


৩। নাচ বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

আরেক ভন্ড বাবার সাম্রাজ্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্থপুর থানার পারবর্তীপুর গ্রামে। যেখানে বড় বড় এম বি বি এস ডাক্তার রোগীদের চিকিৎসা করতে ব্যর্থ সেখানে নাকি নাচ বাবার চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায় সমস্ত রোগ। তাই তার ভিজিট ও অনেক গুন বেশি এক একজন রোগীর জন্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে থাকেন তিনি। নাচ বাবার অভিনব চিকিৎসা পদ্ধতি দেখতে তাই জড়ো হয়েছে গ্রামের সকল নারী ও পুরুষ। তার চিকিৎসা পদ্ধতি হল রোগীকে একটি আসরে বসিয়ে রোগীর চারপাশে নাচ গান করা। আর এই নাচ গানের ফলে রোগী নাকি সুস্থ হয়ে যায়। এই নাচ বাবার ভন্ডামি গ্রামের মানুষ খুব যত্ন সহকারে দেখছে আর মজা লুটছে। কিন্তু বাস্তবে কতটা বাশ যাচ্ছে যে রোগী সেই ভাল জানে। আমার মনে হয় নাচ বাবা গাঁজা তো খাইছেই সেই সাথে সাথে গ্রামের মানুষ জনও গাঁজা খেয়ে তামাশা দেখছে। এই মজমায় সবগুলোরে কি বাশ দেওয়া যায় কমেন্ট করে জানাবেন।

৪। আগুন বাবাঃ  

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লায় বসবাসরত আরেকজন ভন্ড প্রতারকের নাম হল জয়নাল কবিরাজ ওরফে আগুন বাবা। তিনি একজন  বিখ্যাত ফকির,সাধক ও মন্ত্র বশীকরণ বাবা হিসেবে অধিক পরিচিত। তার আধ্যাত্মিক ক্ষমতার মধ্যে অন্যতম হল তিনি যে কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঠেকাতে পারেন। মাত্র ৫০০ টাকা দিলেই বন্যা, ঝড় ঠেকিয়ে দেন। এ যেন এক আধ্যাত্মিক খমতার মালিক। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ ও জিন আছর থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে পারেন। এই ভন্ড আগুন বাবার পানি পড়া খেলে আর কোন ডাক্তারের কাছে যেতে হয় না। বাঙালি পাবলিক যেমন তেমনি ভন্ড বাবারাও খুলে বসেছেন ভন্ডামির আসর। এতে আর আগুন বাবার দোষ কি?এই আগুন বাবার কাছে যে সকল মানুষ চিকিৎসা করতে যায় তাদের মদ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছি। শালার মূর্খ পাবলিক।

৫। লাঠি বাবাঃ 

 বাবা কত প্রকার কি কি? ভন্ড বাবাদের মুখোশ উন্মোচন।

কুমিল্লার চান্দিনা বাস স্ট্যান্ডে বসে থাকেন লাঠি বাবা। তার নাম ধাম বেশ চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছে। বিভিন্ন দূর দুরন্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে তার কাছে চিকিৎসা নিতে। অনেকের মতে তার সুনজরে যানবাহন নিরাপদে চলাচল করতে পারে। কোন গাড়ি চালকের উপরে লাঠি বাবার কুনজর পড়লে তার  মেলে দুর্ঘটনা। তিনিও সব রোগের চিকিৎসক।   বিভিন্ন ধরণের তাবিজ ও ঝাড় ফুক দিয়ে সরল সহজ মানুষের কাছ থেকে টাকা পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সর্বশেষ একটা কথায় বলবো এই ধরণের ভন্ড বাবারা আমাদের সমাজ ও দেশের ক্ষতি করছে।  এমনকি সরল সহজ মানুষদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকা। তাই  আপনারা এই সকল ভন্ড বাবাদের থেকে দূরে থাকুন। আর একটা কথা না বলেও পারছি না এই সকল ভন্ড বাবারা তাদের ভন্ডামির সাম্রাজ্য বাড়াচ্ছে আর প্রশাসন কি ঘোড়ার ঘাস কাটছে। নাকি এদের পেছনের অন্তরালে রয়েছে আরও বড় বড় ভন্ড বাবাদের দল। যাই হোক আমাদের সাধারণ মানুষের হতে হবে সচেতন।

আরও বিস্তারিত জানতে অবশ্যই নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Thursday, March 5, 2020

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রাম এর মধ্যে সিলেটের পানতুমাই।

গ্রাম শব্দটি বাংলাদেশের একটি অতি পরিচিত নাম। কেননা বাংলাদেশ একটি গ্রাম প্রধান রাষ্ট্র। সবুজ-শ্যামল আর গাছপালায় ভরা আমাদের গ্রামের পরিবেশ। আমাদের বাংলাদেশের গ্রামে রয়েছে দিগন্ত জোড়া মাঠ, ধানের  আউলা বাতাস। বাঙালির মনোজগতে গ্রামের এই চিত্র শুধু কল্পনাই নয় বাস্তবে বাংলাদেশের প্রতিটি আনাচে কানাচে গ্রামের এই চিত্র ফুটে উঠেছে।

শুধু যে কেবলমাত্র আমাদের বাংলাদেশে গ্রামের পরিবেশ এত সুন্দর তা কিন্তু নয়। পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই রয়েছে অপরূপ সুন্দর সব গ্রামের দৃশ্য। ছবির মতো সাজানো গোছানো সেসব গ্রামের চিত্র দেখলে পলকেই ছুটে যেতে ইচ্ছে করবে হয়তো সেখানে।

চলুন আজকে জেনে নেওয়া যাক বিশ্বের শীর্ষ ৮ টি সুন্দর গ্রামের কথা।

১। পানতুমাই (সিলেট, বাংলাদেশ)

বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চলীয় জনপদ সিলেটের জেলার জাফলং ইউনিয়নে রয়েছে এমন একটি সুন্দর গ্রাম যা পলকেই যে কোনও মানুষকে নিয়ে যেতে পারে স্বপ্নের এক জগতে। সেই গ্রামের নাম হলো পানতুমাই। পানতুমাই নামটি স্থানীয় জনপদ খাসিয়া সম্প্রদায়ের মানুষের দেওয়া।

এই গ্রামে রয়েছে পাহাড়ি ঝরনা, সবুজঘেরা লেক। তেমনি দূরে তাকালেই দেখা মিলবে কুয়াশা ঢাকা সবুজ মেঘালয়ের পাহাড়। বিশেষ করে বর্ষার দিনে এই গ্রামের সৌন্দর্য বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই গ্রাম থেকে কিছুদূর হাঁটলেই পাওয়া যাবে বিছানাকান্দি নামে এক মনোরম সুন্দর এক পাহাড়ি প্রপাত। যার স্বচ্ছ টলটলে জল মুহূর্তে চাঙ্গা করে দিতে সক্ষম অতি  নিঃসঙ্গ মানুষটির মনও। এছাড়া এখানে আরও রয়েছে বড়হিল ঝর্না, ইসলামাবাদ নামে সবুজ এক পাহাড়ি ভূমি।
সেজন্যই পানতুমাই কে বলা হয় বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর ও অপূর্ব এক নিরালা গ্রাম। ঢাকা থেকে বাস বা ট্রেনে সিলেট নেমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে বা বাস অথবা সিএনজি অটোরিক্সায় যেতে হবে জাফলংয়ের গোয়াইনঘাট। তারপর সেখান থেকে আবার সিএনজি অটোরিক্সা বা রিক্সায় করে খুব সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় পানতুমাই গ্রামে।

২। বুরানো (ভেনিস, ইতালি)

জলের শহর বলে খ্যাত ইতালির ভেনিস শহরের সৌন্দর্য এমনিতেই জগত বিখ্যাত। তার ওপর এই শহরে রয়েছে এমন এক গ্রাম যেখানে গেলে রঙে রঙে রঙিন হয়ে ওঠে মন। ভেনিসের অন্যান্য জায়গার মতো এই গ্রামের মাঝ দিয়েও বয়ে গেছে একটি খাল। কিন্তু এই খালের দুই পাড়ে নানান রঙে রঙ করা বাড়ি-ঘর, দরজা-জানলা,আর অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখলে মনে হবে হঠাৎ করেই যেন চলে এসেছি এক রূপকথার দেশে। এমনকি এই গ্রামের খালে চলা বড় নৌকা গুলোও বিভিন্ন রঙের যেগুলো দেখলে মনে হবে অপূর্ব সব কারুকার্য।

অনেকে এই গ্রামকে ভেনিসের সবচেয়ে রোমান্টিক জায়গা হিসেবেও বর্ণনা করেছেন। ইউরোপের নতুন বিবাহিত দম্পতিরা প্রায়ই এখানে আসেন তাদের হানিমুন কে রঙিন করে তোলার জন্য।

৩। গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন, ব্যাভারিয়া, জার্মানিঃ 

জার্মানির ব্যাভারিয়াতে অবস্থিত নয়নাভিরাম গারমিশ্চ-পারতেনকিরচেন গ্রামটি অবস্থিত জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ায়। যা জার্মানির সর্বোচ্চ শৃঙ্গ নাম পরিচিত। মনোরম সব দৃশ্য দেখা যায় এই নিরালা প্রত্যন্ত গ্রামটিতে গেলে। অল্প কিছু সংখ্যক মানুষের বসবাস রয়েছে সেখানে। বাসিন্দাদের অধিকাংশই ভেড়ার খামারের মালিক আর কাঠুরিয়া।
 
ওই গ্রামে গেলে যেদিকে চোখ যায় চারদিকে কেবল দেখা যায় সবুজে ঘেরা দিগন্ত মাঠ। জুগসপিৎজ পর্বতের চুড়ার সৌন্দর্য্য দেখলে অনেকেরই মনে হতে পারে এই বুঝি সেই ভূস্বর্গ তে পা রাখলাম।

৪। রিইনা (নরওয়ে)

রিইনাকে বলা হয় ইউরোপের সবচেয়ে সুন্দর গ্রামগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি অবস্থিত নরওয়ের মনোরম সৌন্দর্য আর্কটিক চ্যানেলের মসকেনিসোয়া দ্বীপে। সুউচ্চ পাথুরে পাহাড় আর লেকঘেরা এই গ্রামটিতে বাস মাত্র ৩৫০ জন মানুষের। কিন্তু তারপরও ইউরোপের ভ্রমণপিয়াসী মানুষেরা ঠিকই খুঁজে নেন রিইনার ঠিকানা।

5. ওইয়া (গ্রিস)

গ্রিসের অপরূপ দ্বীপ সান্তোরিনির মনোরম এক গ্রাম ওইয়া। পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে বানানো দুধ সাদা সব বাড়ি দেখলে পলকেই আপনার মনটা ভরে যাবে। বলা হয় যে, কেউ যদি কিছুদিন শান্ত ও নির্মল জীবন উপভোগ করতে চান তাকে যেতে হবে অবশ্যই ওইয়া গ্রামে। সেখানের প্রায় প্রতিটি বাড়ির বারান্দা বা ছাদে উঠলেই দেখা যায় সমুদ্রে অসাধারণ সুর্যাস্তের দৃশ্য। শুধু বাড়িই নয়, পাহাড়ের খাঁজে খাঁজে সবুজ ঘাসের আস্তরন আর বুনো ফুলের ঘ্রাণ মন ভরে দিতে বাধ্য। আর পর্যটকদের জন্য ওইয়ার আরেকটি আকর্ষণ হলো সমুদ্রস্নান।


৬। কোলমার (ফ্রান্স)

ফ্রান্সের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আলসাসের কোলমার গ্রামটিকে দেখলে যে কেউ বলতে বাধ্য হবে এ যেন এক রূপকথার নগরী। কারণ একটি গ্রাম এত সুন্দরভাবে সাজানো গোছানো ও পরিপাটি করে রাখা যায় তার প্রমাণ কোলমার গ্রামটি। পুরো গ্রামটিই জুড়ে রয়েছে বাগানের সমারোহ। এখানে অক্সিজেনের কোনরকম ঘাটতি নেই।  যে দিকে তাকানো যায়, বাস্তা, বাড়ি, ঘর, ফুটপাত সব জায়গাতেই সারা বছর পাওয়া যায় নানা রঙের ফল সেই সাথে ফুটে থাকে নানান রঙের ফুল। আর ফুল দিয়ে সাজানো নৌকায় কোলমারের লেকে ভ্রমণ করলে দেখতে পাবেন রূপকথার নগরীর মতো চকলেটের রঙে রাঙানো বাড়ি ঘর আর সবু‌‌‌জের সমারোহ। 

৭। গিথরন, (নেদারল্যান্ডস)

নেদারল্যান্ডসের ওভেরিজসেল প্রদেশের স্টিনউইজকারল্যান্ডস শহরের কাছে অবস্থিত এক অনন্য সবুজ গ্রামের নাম হলো গিথরন। এটিও বিখ্যাত তার শান্ত,কোলাহলমুক্ত ও নির্মল পরিবেশর জন্য। এই গ্রামের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এটি সম্পূর্ণ যানবাহন মুক্ত । এই গ্রামে কোথাও গাড়ি চলতে পারে না যার ফলে কোন ধুল-বালি হয় না। ভাবছেন তাহলে গ্রামের মানুষজনের যাতায়াতের বাহন কি?

গ্রামের মাঝ বরাবর দিয়ে বয়ে গিয়েছে একটি খাল। আর এই খালের সাহায্যে মানুষ নৌকার মাধ্যমে চলাচল করে।

৮। অ্যালবিরোবিলো (ইতালি) 

প্রাচীনত্ব আর মনোরম সৌন্দর্যের জন্য এরইমধ্যে ইউনেস্কো অ্যালবিরোবিলোকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই গ্রামের নির্মল ও শান্ত পরিবেশ ও হাসিখুশি মানুষগুলো যে কাউকে নিমিষেই আকর্ষণ করতে বাধ্য। এই গ্রামের বৈশিষ্ট হলো, এতে রয়েছে প্রাচীন পোড়া মাটির তৈরি ইট আর চুনাপাথর দিয়ে বানানো ১৫’শ লম্বাটে গম্বুজওয়ালা বাড়ি। দূর থেকে সাদা রঙের এসব গম্বুজওয়ালা বাড়ি দেখতে খুবই চমৎকার। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুন আশা করি ভালো লাগবেঃ