Tuesday, June 30, 2020

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়ালঃ 

ইসলাম ধর্ম নিয়ে অসংখ্য ডকুমেন্টরি নির্মাণ হয়েছে। বিভিন্ন দেশে টেলিভিশন সিরিয়াল নির্মাণ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ধর্ম নিয়ে নির্মিত সিরিয়ালগুলোর বেশ কদর রয়েছে। এসব সিনেমা অন্যান্য দেশে ডাবিং করে বিপুল অর্থও আয় করা হয়। সিরিয়ালগুলো নির্মাণও হয় অনেক বড় বাজেটে। এসব সিরিয়ালের বিষয়বস্তু এবং সংলাপের মধ্যে ইসলামী ভাবধারা এবং মুসলমান শাসকদের ইতিহাসের কিছু বিষয় আছে। মধ্যপ্রাচ্যে তো মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে আর বাংলাদেশেরও অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য তারা বোধ করে। সেটা থেকে এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হয়। চলুন এমনই রোমাঞ্চকর সেরা ১০টি  বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল নিয়ে আজকের আয়োজন। আশা করি ভিডিও টি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। তো ভিডিও সম্পূর্ণ দেখুন।

১। আসহাবে কাহাফঃ   

আসহাবে কাহাফ হল ১৯৯৭ সালের একটি ইরানি টিভি ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন ফারাজুল্লাহ সালাহশুর। এ সিরিজে আসহাবে কাহাফের ঘটনা ইসলামিক বর্ণনা অনু্যায়ী দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৭ এর এপ্রিল হতে সিরিজটি বাংলায় সম্প্রচার করা শুরু করে। জনাকয়েক পলাতক যুবক, একটি গুহা আর তিন শতাব্দীর নিদ্রা- আসহাবে কাহাফের মূল কাহিনী। আসহাবে কাহাফ কেবল মুসলিমদের কাছেই প্রবল জনপ্রিয় একটি ঘটনা নয়, বরং খ্রিস্টানদের কাছেও ছিল খুব জনপ্রিয় ও অলৌকিক ঘটনা।

২। সুলতান সুলেমানঃ 

সুলতান সুলেমান একটি তুর্কি ধারাবাহিক টেলিভিশন নাটক যা পরিচালনা করেছেন মেরাল ওকেয় ও ইয়িলমায শাহিন।  প্রাথমিকভাবে তুরস্কের "শো" টিভিতে নাটকটির সম্প্রচার শুরু হলেও পরবর্তীকালে তুরস্কের "স্টার" টিভিতে এর সম্প্রচার স্থানান্তর করা হয়। বাংলাদেশের বেসরকারি চ্যানেল "দীপ্ত" টিভি ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় সম্প্রচার শুরু করে। নাটকটি নির্মিত হয়েছে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়কালব্যাপী রাজত্ব বিস্তারকারী উসমানীয় সম্রাট প্রথম সুলাইমান এবং তার স্ত্রী হুররেম সুলতানের জীবনীর উপর ভিত্তি করে, যিনি সুলায়মানের কৃতদাসী হয়েও পরবর্তীকালে তার প্রধান স্ত্রী বা সুলতানা হিসেবে সম্মানিত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন।

৩। ইউসুফ জুলেখাঃ 

ইউসুফ জুলেখা একটি ইরানি সিরিয়াল যা ফারজুল্লাহ সালানশুর পরিচালিত ২০০৮ সালের একটি ইরানি টিভি চলচ্চিত্র, যেখানে নবী ইউসুফ(আঃ)-এর ঘটনা কুরআন এবং ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় ডাবিং এর মাধ্যমে ২০১৬ সাল থেকে ইউসুফ জুলেখা নামে এই ধারাবাহিকটি সম্প্রচার করে আসছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই দুই চরিত্র নিয়ে নির্মিত ধারাবাহিকটি বাংলাদেশ ছাড়াও ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রচারিত হয়েছে।

৪। আলিফ লায়লাঃ 

আলিফ লায়লা হল আরব্য রজনীর গল্প অবলম্বনে নির্মিত একটি ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক। সাগর ফিল্মস এটি নির্মাণ করে। দুটি আলাদা মৌসুমে টেলিভিশন ধারাবাহিকটি নির্মাণ হয়। প্রথম মৌসুমটি ডিডি ন্যাশনাল (দুরদর্শন ন্যাশনাল) চ্যানেলে প্রচারিত হয় এবং দ্বিতীয় মৌসুমটির প্রচার হয় পাকিস্তানের এ.আর.ওয়াই. ডিজিটাল চ্যানেলে। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে পরবর্তীতে ধারাবাহিকটির বাংলাদেশেও বাংলা ভাষায় ডাব করে সম্প্রচার শুরু হয় বিটিভি এবং একুশে টেলিভিশনে। যা রীতিমত দর্শক সাফল্য পায়। ২০১২ সালে ভারতীয় চ্যানেল ধামাল টিভি এর পঞ্চম সম্প্রচার শুরু করে। বর্তমানে বেসরকারী টিভি চ্যানেল গাজী টিভি নিয়মিতভাবে প্রতি শনিবার থেকে বুধবার রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ৭ টা ৪৫ মিনিটে এই ধারাবাহিকটি বাংলায় প্রচার করছে।


৫। দিরিলিস: আরতুগ্রুলঃ  

দিরিলিস আরতুগ্রুল হল মেহমেত বোজদাগ ও কেমাল তেকদেন কর্তৃক নির্মিত একটি তুর্কি ঐতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক, যার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এনজিন আলতান দোজায়তান। ইস্তাম্বুলের বেয়কোয জেলার রিভা গ্রামে এর চিত্রধারণ করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ১০ই ডিসেম্বর তুরস্কের টি আরটি ১ টেলিভিশনে প্রথম সম্প্রচারিত করা হয়। ২০১৬ সালের ১৪ই নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের একুশে টেলিভিশনে সিরিজটির বাংলা সম্প্রচার শুরু করে "সীমান্তের সুলতান" নামে এবং একই বছর ২৩শে ডিসেম্বর এর সম্প্রচার স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মাছরাঙা টিভিতে ২ এপ্রিল ২০১৭ সাল থেকে "দিরিলিস আরতুগ্রুল" নামে পুনরায় এর সম্প্রচার শুরু করে। ওঘুজ তুর্কিদের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে এটি নির্মিত হয়েছে, যা ১৩ শতাব্দীর মধ্যভাগে উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম উসমানের পিতা এরতুগরুল গাজীর জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। উসমানের জীবদ্দশায় এই সময়কালের প্রাধান্য অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়কালই তার মৃত্যুর পর পরবর্তী ছয় শতাব্দীর জন্য উসমানের রাজবংশের অধীনে একটি বিশ্বময় সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত করেছিল। 
 

৬। কারবালা কাহিনীঃ  

কারবালা কাহিনী হল একটি মহাকাব্যিক ও ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন দাভুদ মিরবাঘেরি, ধারাবাহিকটি মুখতার আল-সাকাফির জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। ১৪০ এরও বেশি অভিনেতা এতে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৮ সালে ধারাবাহিকটি বাংলাদেশে আমদানি করে ও বাংলা ভাষায় ডাবিং করে সম্প্রচার করে। বাংলাদেশ ছাড়াও ধারাবাহিকটি আরো কয়েকটি দেশে কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হয়েছে।


৭। জান্নাতঃ 

কোরিয়ান জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘টিয়ার্স অব হ্যাভেন এর কাহিনী অবলম্বনে জান্নাত পরিচালনা করেছেন তুর্কি নির্মাতা সাদুল্লাহ জেলেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সিরিয়ালটি প্রচারিত হয়েছে তুরস্কের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চ্যানেল এটিভি তে। আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে বাংলায় ডাবিংকৃত এই টিভি সিরিয়ালটি। 

পারিবারিক ও বর্তমান সময়ের গল্প নিয়ে জান্নাত নির্মিত হয়েছে। যেখানে একটি এতিম মেয়ের জীবনসংগ্রামের নানা বিষয় উঠে এসেছে। দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হওয়া মেয়েটি যখন স্থপতি হয়ে তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান। তখন তিনি ভাবেন তার জীবনের দুঃখ-দুর্দশা হয়তো দূর হতে শুরু করেছে। কিন্তু উল্টো তার জীবনে নতুন করে আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাকে ফেলে যাওয়া মা আবারও ফিরে আসে তার জীবনে। তবে ভালোবাসা নিয়ে নয়, বরং তার প্রতি তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষ নিয়ে। অন্যদিকে মেয়েটির জীবনে যে প্রেমএসেছিল সেখানেও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়ায় তার বোন।

৮। মহাবীর গাজী সালাউদ্দিনঃ 

সালাহ আল-দিন আল আইয়ুবি বা বাংলায় ক্রুসেড বা মহাবীর গাজী সালাউদ্দিন‎ হল হাতেম আলী পরিচালিত একটি ২০০১ সালের আরব ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক, যাতে হিজরি ৬ষ্ঠ শতকে মিশর ও ল্যাভান্টের নিকটবর্তী এলাকায় ক্রুসেডের ঘটনা সম্পর্কিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মূলত ধারাবাহিকটিতে সালাহ উদ্দিন আয়ুবির জীবনী তুলে ধরা হয়েছে, যিনি হাত্তিনের যুদ্ধের দ্বারা বিনা রক্তপাতে জেরুজালেম দখল করতে সমর্থ হন। ৩০ পর্বের এই ধারাবাহিকটি সালাদিনের জন্ম হতে শুরু করে ঐতিহাসিক ক্রমধারায় সকল ঘটনা পর্যায় ক্রমিকভাবে দেখানো হয়েছে। এর ১ বছর পূর্বে সিরিয়ান পরিচালক নাজদাত আঞ্জুর "সার্চিং ফর সালাদিন" নামে একই বিষয়বস্তু নিয়ে একটি টিভি ধারাবাহিক নির্মাণ করেন। এই ঐতিহাসিক সিরিজটি ২০১৭ সালের ২ই জুলাই হতে বাংলাদেশের এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলায় সম্প্রচার শুরু করে।


৯। হাতেম তাইঃ  

আরব্য রজনীর সেই অমর চির সবুজ চরিত্র ‘হাতেম’। ৭ টি ধাঁধাঁর দারণ বিপজ্জনক রহস্য ভেদ করে সাধারন মানুষের উপকারকারী হাতেম এর শত্রু এবার ইবলিশ শয়তানের দোসর দাজ্জাল। যে কিনা তার কালো জাদুর রাজ্য বিস্তার করতে চায় পৃথিবীব্যাপী, কিন্তু তার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহর ন্যায়পরায়ন বান্দা হাতেম।

দাজ্জাল ইবলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত তার শয়তানী শক্তির পূর্ণ প্রয়োগ করলেও হাতেম তার ঈমানী শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করে দাজ্জাল এবং তার কালো জাদু দিয়ে তৈরি দুষ্ট সাঙ্গ-পাঙ্গদের!!! ধাঁধাঁর রহস্য ভেদ করতে গিয়ে নানা রকম বিপদের মুখোমুখী হয় হাতেম। কিন্তু সততা আর সাহসিকতা দিয়ে বারবার বিভিন্ন ধরনের শয়তানী শক্তিকে পরাজিত করে সে।

১০। ওমরঃ

ওমর হল একটি ঐতিহাসিক আরব টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ যেটি প্রযোজনা এবং সম্প্রচার করেছিল মিডিল ইস্ট ব্রডকাস্টিং সেন্টার। সিরিজটি পরিচালনা করেন সিরিয়ান পরিচালক হাতিম আলী।

৩১ পর্বের এই সিরিজটি ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক-এর জীবনের ১৮ বছর থেকে শুরু করে মৃত্যুকালীন সময়ের মধ্যকার প্রবাহমান প্রাসঙ্গিক ও পারিপার্শীয় সমসাময়িক ঘটনাবলির উপর ভিত্তি করে এই ধারাবাহিকটি নির্মাণ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ইউসূফ আল-কারযাভি ও সালমান আল আওদাহ-এর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত হয়, পাশাপাশি পুরো আরব ও ইসলামিক বিশ্বজুড়ে এটি ব্যাপক বিতর্ক এবং আলোচনা ও সমালচনার ঝড় তোলে। মরোক্কোতেই সিরিজটি্র সকল দৃশ্যের শ্যুটিং করা হয় এছাড়াও মারাক্কেশ, তাঞ্জিয়ায়, এল জাদিদা, কাসাব্লাংকা এবং মহাম্মাদিয়ায় এর প্রধান প্রধান দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয়। ২০১২ সালের ২০শে জুলাই থেকে অর্থাৎ রমজানের ৩০ দিন ব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে এবং একইসঙ্গে তুরস্কের এটিভি ও ইন্দোনেশিয়ার এমএনসিটিভিতে প্রচারিত হয়। এছাড়াও ইউটিউবে এর পর্বগুলো টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই ইংরেজি সাবটাইটেল সহ প্রকাশ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি বিশ কোটি সৌদি রিয়াল ব্যয়ে নির্মিত এবং এপর্যন্ত নির্মিত আরবি ভাষার সবচেয়ে ব্যয়বহুল টিভি ধারাবাহিক হিসেবে অধিক সমাদৃত।

ভিডিও এর মাধ্যমে বিস্তারিত দেখুনঃ
লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। আর রাত ১০টার দিকে ডুবে যাওয়া 'মর্নিং বার্ড' লঞ্চ থেকে ১৩ ঘন্টা পর অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে ফিরলেন লঞ্চটির একযাত্রী। ১৩ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার ওই ব্যক্তির নাম সুমন বেপারী। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীর আবদুল্লাহপুরে।

ফায়ার সার্ভিস মাধ্যমে জানা গেছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য পানির নিচে এয়ার লিফটিং ব্যাগ বসানোর কাজ করছিলেন একদল ডুবুরিরা। এ সময়, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির একাংশ ভেসে উঠেছিলো তখন লঞ্চের ভিতর থেকে বের হয়ে আসেন সুমন বেপারী। পরে তাকে উদ্ধার করেন ডুবুরিরা।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় । এ সময় ডুবুরিরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লাইফ জ্যাকেটে ঢেকে এবং শরীর মেসেজ করে তার শরীর গরম করার চেষ্টা করেন। এছাড়া তার শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক আছে বলেও জানানো হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।


শারীরিক  সুস্থ থাকলেও উদ্ধারের পর তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়।

এরপর ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার অভিযানে আসার সময় বুড়িগঙ্গা-১ সেতুতে আটকে যায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। এ সময় সেতু এবং উদ্ধারকারী জাহাজের আংশিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে আর উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে পারেনি  উদ্ধারকারী জাহাজ 'প্রত্যয়'।

ফলে, প্রাচীন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে লঞ্চ উদ্ধারের নতুন চিন্তা করেন বিআইডব্লিউটিএ'র  কর্মকর্তারা। সে চিন্তার পথ ধরেই এয়ারলিফটিং ব্যাগ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা।ব

মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা 'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ৩৬ জনের মরদেহ ইতিমধ্যে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে  ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌবাহিনী সদস্য এবং কোস্টগার্ড এখনও কাজ করছে ।

এর আগে  'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ এলাকার কাঠপট্টি থেকে ঢাকার সদরঘাটে আসছিলো। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সদরঘাটে ঘাটে যাত্রী নামানোর প্রায় আগ মুহূর্তে "ময়ূর-২" নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় শ্যামবাজারের কাছে মাঝ নদীতে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি। তবে এটি ধারণা করা হচ্ছে অর্ধ শতাধিক যাত্রী ছিল।  এর চেয়েও বেশি হতে পারে। আমরা পরবর্তীতে আরও কিছু জানতে পারব।    

Thursday, June 25, 2020

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে। সম্প্রতি এর কারণ বিশ্লেষণ করেছেন একদল গবেষকরা। পুরুষেরা ভোরে যৌ’নতায় আগ্রহী হলেও নারী এ সময় যৌ’নতায় সেই ভাবে আগ্রহী থাকে না। এর মূল কারণ টেস্টোস্টেরন হরমোন বলে মনে করছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বি’ষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 


সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকার কারণঃ

রাতে যখন নারী ভালোবাসার পরিপূর্ণ স্বাদ নিতে চান তখন পুরুষরা গভীর ঘুমে মগ্ন থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এর মূল কারণ হলো নারী ও পুরুষের হরমোনের পার্থক্য। আর এ পার্থক্যের কারণেই উভয়ের দেহঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে নারী-পুরুষের হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

ভোর ৫টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন সর্বাধিক বেশি থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় ভোর রাত্রে এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি হয়। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে। তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। 

ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (American Medical Association) জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ভোর ৫টা থেকে সকাল ৭ টায়  যদি কোনো পুরুষ ঘুম থেকে উঠে তখন তার দেহে যতখানি টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা থাকে তা সর্বাধিক। কিন্তু একজন নারীর সে সময় সবচেয়ে কম থাকে।
অন্যদিকে দিন শেষে পুরুষের এ হরমোনটির মাত্রা সবচেয়ে কমে যায় আর নারীর সবচেয়ে বেশি থাকে। আর এ কারণেই সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে। 

Sunday, June 14, 2020

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার রাতে মারা যাওয়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার একান্ত সহকারী সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত।
তিনি জানান,গতকাল রাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পরই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার নমুনা হাসপাতালে সংগ্রহ করা হয়। আজ সকালে জানা যায় যে ধর্মমন্ত্রী  করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন। 
প্রতিমাসে দুইবার করে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করা হতো। গত কয়েকমাস করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আর করা হয়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর একান্ত সচিব ইয়াসির আরেফিন জানান, "তার ডায়বেটিস ছিল এবং মাঝেমধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যাও হতো। বার্ধক্যজনিত সব ধরণের রোগেরই উপসর্গ ছিল তার মধ্যে।" ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন। 
তবে এই দুই কর্মকর্তাই জানান তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকার সংসদীয় প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৯ এর জানুয়ারি মাসে তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। বাংলাদেশের মন্ত্রীসভার কোনো সদস্যের করোনাভাইরাসে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।
এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোজাম্মেল হক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন।
শনিবার (১৩ই মে) মারা যাওয়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর কয়েকদিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসলেও মারা যাওয়ার সপ্তাহ দুয়েক আগে তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন।অনেক বিষয় আমাদের মাঝে খোলসা হয় না। তারপরও মরন কাউকে ছাড়বে না। আসুন আমরা সবাই ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি সদা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলি। 

Saturday, June 13, 2020

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত রয়েছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ বলে তারা মনে করেন। হোটেলে মিলনস’ঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।

মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা আপনি থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন।

হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল প’তিতাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা মিলন সংস’র্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের। দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে মি’লনবৃত্তি চরিতার্থ করার

উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক। পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকারপ’তিতাদেরকে মা’দক সেবনে বাধ্য করা হবে না।

ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খ’দ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলাম সম্মত ভাবেই যৌ’নসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের মিলন সংসর্গ ইসলাম সম্মত হবে কিভাবে? এই বিষয়ে ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন। এভাবেই আজ সৌদি আরবের সমাজ ব্যবস্থা আবার সেই বর্বর যুগে ফিরে যাচ্ছে।