সোমবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৫

মাথা ব্যথা থেকে মুক্তির সহজ দোয়া।

মাথা ব্যথা থেকে মুক্তির সহজ দোয়া।

মাথা ব্যথা থেকে মুক্তির সহজ দোয়া।

মাথা ব্যথা নাই পৃথিবীর এমন একটা  মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না। মাথা ব্যথা সাধারণ সমস্যা হলেও, অনেকের জন্য এটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে থাকে। তবে বিভিন্ন কারণে মাথা ব্যথা হতে পারে, যেমন – অতি মানসিক চাপ, শারীরিক অস্বস্তি, সঠিক পুষ্টির অভাব, তীব্র গরম অথবা দুশ্চিন্তা ইত্যাদি। তবে মাথা ব্যথা শুধু শারীরিক সমস্যা নয়, এটি কখনো কখনো মানসিক সমস্যারও সৃষ্টি করতে পারে।

তবে আজকে আপনাদেরকে মাথা ব্যথার জন্য বিশেষ কিছু দোয়া শিখিয়ে দিব, যা নিয়মিত পড়লে আল্লাহর রহমতে মাথা ব্যথা উপশম হবে। ইসলামের মতে, দোয়া শুধুমাত্র একটি আধ্যাত্মিক শক্তি নয়, বরং এটি শারীরিক এবং মানসিক প্রশান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

মাথা ব্যথার দোয়া বাংলা উচ্চারণ ও অর্থঃ

এই ব্লগ পোস্টে আমরা আলোচনা করবো মাথা ব্যথার জন্য কিছু কার্যকরী দোয়া, তার বাংলা উচ্চারণ এবং অর্থ, দোয়া পড়ার সঠিক নিয়ম, এবং এর ফজিলত কী। আল্লাহর রহমতে এই দোয়া গুলি নিয়মিত পাঠ করলে, মাথা ব্যথার সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। এখানে আমরা মাথা ব্যথার জন্য দুটি প্রধান দোয়া বাংলা উচ্চারণ এবং অর্থসহ উপস্থাপন করছি:

আরও পড়ুনঃ ক্যান্সার থেকে মুক্তির দোয়া।

১.মাথা ব্যথার দোয়া

আরবি: 

اللهم إني أعوذ بك من الجوع فإنه بئس الضجيع، وأعوذ بك من الخيانة فإنه بئس البطانة

বাংলা উচ্চারণ:

আল্লাহুম্মা ইন্নি আ’উযু বিকা মিন আল-জুউ’আনি ফাইননিহি বি’সাস-সাদজী‘ঈ, ওয়া আ’উযু বিকা মিন আল-খাইয়ানতী ফাইননিহি বি’সা-ল-বাতানাহ।

অর্থ:

হে আল্লাহ! আমি তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি ক্ষুধা থেকে, কারণ এটি খুব খারাপ বন্ধু। এবং আমি তোমার শরণাপন্ন হচ্ছি বিশ্বাসঘাতকতা থেকে, কারণ এটি অত্যন্ত খারাপ সহচর।

এ দোয়া মাথা ব্যথা সহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যার জন্য খুবই উপকারী। এর মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য প্রাপ্তি হয় এবং শারীরিক অস্বস্তি দূর হয়।

আরও পড়ুনঃ যে দোয়া পড়লে ১০০% প্রেম হবেই।

২.মাথা ব্যথার দোয়া:

আরবি:

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

বাংলা উচ্চারণ:

বিসমিল্লাহিল্লাযি লা ইয়াদুরু মা’আ ইসমিহি শায়’উন ফি আল-আরদি ওয়া লা ফি আস-সামায়ী, ওয়া হুয়াস-সামিউল আলীম।

অর্থ:

আল্লাহর নামে যার নাম উচ্চারণে পৃথিবী ও আকাশে কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।

এ দোয়া পড়ে আল্লাহর সাহায্য আশা করা হয়, যা মাথা ব্যথা সহ অন্যান্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যার সমাধান করতে পারে।

মাথা ব্যথার দোয়া  

اللّهُمّ إني أعوذُ بكَ من البرَصِ والجذامِ ومن سيِّئِ الأسقامِ

(আল্লাহুম্মা ইন্নি আউঝু বিকা মিনাল বারাসি ওয়া জিলামি ওয়া মিন সাইয়ি আল আস্কাম)

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি তোর কাছে আশ্রয় চাই পীড়া, কুষ্ঠরোগ এবং অন্যান্য অসুখ থেকে।”

মাথা ব্যথার দোয়া হাদিসঃ

আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন শার্রি মা আহু, ওয়া মিন শাররি মা মাবত (হাদিস, সহীহ মুসলিম)

অর্থ: “হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আশ্রয় চাই সেই সকল বিপদ থেকে যা আমি জানি, এবং যা জানি না।”

এই দোয়া পাঠ করলে সমস্ত শারীরিক সমস্যার মধ্যে মাথাব্যথাও দূর হতে পারে।

জ্বর মাথা ব্যথার দোয়াঃ 

“اللّهُمّ ربّ النّاس، أذهب البأس، اشفِ أنت الشّافي، لا شفاء إلا شفاؤك، شفاء لا يغادر سقمًا.”

অর্থ: “হে আল্লাহ, মানুষের রব, কষ্ট দূর কর, তুমি শিফা দানকারী, তুমিই একমাত্র শিফা দানকারী, শিফা দাও যা কোনো রোগ রেখে যাবে না।”

এটি অত্যন্ত শক্তিশালী একটি দোয়া, যা জ্বর, মাথাব্যথা বা অন্যান্য অসুখের ক্ষেত্রে পড়লে উপকার পাওয়া যায়।



শুক্রবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৫

চরিত্রহীন নারী চেনার ২০ টি সহজ উপায়।

চরিত্রহীন নারী চেনার ২০ টি সহজ উপায়।

চরিত্রহীন নারী চেনার ২০ টি সহজ উপায়।

আমাদের আজকের আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চরিত্রহীন নারী চেনার কতকগুলো সহজ উপায় সম্পর্কে। প্রত্যেকে মানুষই চায় দাম্পত্য জীবনে সুখি হতে। তাই জীবনে একজন চরিত্রবান সঙ্গী থাকার গুরুত্ব অপরিসীম। যারা জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তাদেরকে অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারীদের চেনার উপায়। তাহলে চরিত্রবান নারীসঙ্গী নির্বাচনে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকবেন।

কাজেই অনেকেই প্রশ্ন করে ? চরিত্রহীন নারী চেনার সহজ উপায়গুলো কি কি? চরিত্রহীন নারীর কোন কোন লক্ষণ দেখে বুঝা যায় এরা অসৎ। কিছু লক্ষণ ও বৈশিষ্ট্য দেখেই আপনি খুব সহজেই বুঝে নিতে পার আপনার সঙ্গী চরিত্রহীন কিনা। নারীর বাহ্যিক সৌন্দর্যের চেয়ে তার  চারিত্রিক সৌন্দর্য বেশি জরুরি। চলুন জেনে নেয়া যাক, চরিত্রহীন নারী চেনার কিছু সহজ উপায়ঃ 
 

চলুন জানা যাক অসৎ নারীদের চেনার ২০ টি সহজ উপায়ঃ 

চরিত্রহীন নারী চেনার উপায়- 
  1. একই সময়ে একাধিক পুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পছন্দ করে এবং এই ধরণের নারীর ছেলে বন্ধুর সংখ্যা অনেক বেশি থাকে। এই ধরণের নারীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে।  
  2. আমরা সকলেই জানি, লজ্জা নারীর অন্যতম ভূষণ। কিন্তু বর্তমানে চরিত্রহীন নারীর মধ্যে লাজ লজ্জার কোন বালাই দেখা যায় না। চরিত্রহীন নারী একেবারেই নির্লজ্জের হয়ে থাকে।
  3. চরিত্রহীন মেয়েরা ছেলেদের চোখের দিকে তাকিয়ে থাকে। আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন যে আপনাকে চোখ দিয়েই যেন গিলে খাচ্ছে। 
  4. চরিত্রহীন নারীরা কথা বলার সময় নিজেদের সৌন্দর্যকে পুরুষের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করে। বিশেষ পোশাক বা চুল নাড়াচাড়া করে অথবা বুকের ওড়না বারবার ঠিক করার ছলে পুরুষকে আকৃষ্ট করতে চায়।  
  5. চরিত্রহীন নারীরা বারবার পুরুষের সাথে কথা বলতে চায়। পুরুষের সাথে কথা বলে এরা অনেক মজা পায়।
  6. চরিত্রহীন নারীর লক্ষণ এরা বারবার দেখা করার সুযোগ খোঁজে। একা একা পুরুষের সাথে দেখা করা এদের খুব পছন্দের।
  7. চরিত্রহীন নারীর বৈশিষ্ট্য এরা আলোচনার মাঝে মাঝে যৌনতা নিয়ে কথা বলে। এরা নিরিবিলিতে কথা বলে পুরুষের পাশাপাশি নিজেও উত্তেজিত হওয়ার চেষ্টা করে।
  8. চরিত্রহীন নারীরা মদ্যপান বা নেশায়ও আসক্ত থাকে।
  9. চরিত্রহীন নারীরা বিয়ের আগেই তাদের কুমারিত্ব বিলিয়ে দেই ।
  10. চরিত্রহীন নারীরা প্রথমে পুরুষের সাথে বন্ধুত্ব করে তারপর তাদের সাথে যৌনতা বিষয়ে আলোচনা করে।
  11. চরিত্রহীন নারীরা একসাথে একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে লিপ্ত হয়। এরা বহু পুরুষের সাথে সঙ্গমেও লিপ্ত হয়। এদের অনেক ছেলে বন্ধু থাকে।
  12. চরিত্রহীন নারীরা সবসময় খোলামেলা পোশাক পড়ে। নিজেদের শরীর পুরুষদের দেখিয়ে এরা আনন্দ পায়। কোনো পুরুষ কাম বাসনা নিয়ে তাকিয়ে থাকলে এরা মজা পায়।
  13. চরিত্রহীন নারীরা লোভী হয়ে থাকে। চরিত্রহীন নারীরা নিজের স্বার্থের জন্য এক সময় একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। এরা কখনো অল্পতে খুশি হয় না।
  14. চরিত্রহীন নারীরা বড়দের সম্মান করতে জানে না।বাবা মায়ের অবাধ্য হয়। এরা বড়দের কথা অমান্য করে। সব সময় নিজেদের মতোই চলে।
  15. চরিত্রহীন নারীরা প্রচুর মিথ্যা কথা বলে। এরা কখনোই কথা দিয়ে কথা রাখে না। কোনো না কোনো সময় এরা কথার বর খেলাফ করবেই।
  16. মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২ টার সময়ও তাদের ফেসবুক মেসেঞ্জারে, হটসএপে, ইমোতে অনলাইনে পাবেন।
  17. চরিত্রহীন মেয়েরা তাদের বাসায় পিতামাতা অনুপস্থিত থাকলে এই ফাঁকে ছেলে বন্ধুদের বাসায় নিয়ে আসে। মনের ভুলেও এই ধরণের ফাঁদে পা দিবেন না। 
  18. চরিত্রহীন নারী সবসময় নির্জনে যেতে পছন্দ করে। বিশেষ করে সুযোগ পেলে ছেলে বন্ধুদের সাথে আত্মীয় বাড়ি যেতেও রাজি হয়ে যায়। 
  19. চরিত্রহীন নারী সবসময় পুরুষের সাথে ঘরাঘুরি করতে পছন্দ করে। সবসময় পুরুষের গাঁ ঘেঁষে থাকতে চায়। এই ধরণের মেয়ে দেখলেই বুঝতে পারবেন যে এরা সব সময় পুরুষের মুখে মুখেই থাকে। 
  20. ইদানিং কালে এই ধরণের নারীরা ছেলে বন্ধু অথবা কলিগের সাথে চায়ের দোকানে আড্ডা দেই এমনকি ছেলেদের সাথে বসে ধূমপানও করে। চায়ের দোকানে উচ্চস্বরে খোশগল্প করে। দেখে মনে হবে পুরুষরা এদের কাছে জিম্মি।  
আশা করি এই ২০ টি উপায় জানা থাকলে আপনারা খুব সহজেই চরিত্রহীন মেয়ে চিনতে ভুল করবেন না। কাজেই এই ধরণের নারী থেকে সকলেই দূরে থাকুন। আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন আপনাদের সকলেরই হেফাজত করুক। আমিন। 

মঙ্গলবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৫

কিডনিতে পাথর হলে করণীয় ও চিকিৎসা।

কিডনিতে পাথর হলে করণীয় ও চিকিৎসা।

কিডনি পাথর হলে করণীয় ও চিকিৎসা।

মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ যেমন পিত্তথলি, কিডনি, অগ্ন্যাশয়ে পাথর তৈরি হতে পারে। কিন্তু বর্তমানে কিডনিতে পাথর আমাদের দেশে প্রায়ই দেখা যায়।
 
বিপাক ক্রিয়ায় যেসব বর্জ্য পদার্থ সৃষ্টি হয়, তা প্রস্রাবের সঙ্গে বেরিয়ে যায়। সেই উপাদানগুলো দ্রবীভূত অবস্থা থেকে ঘনীভূত ও কঠিন হয়ে ক্ষুদ্র কণায় বা পাথরে পরিণত হয়। এ স্ফটিকের চারপাশে আরও ছোট ছোট কণা জমে ধীরে ধীরে বড় হয়ে পাথরে পরিণত হয়। ক্যালসিয়াম বা ইউরিক অ্যাসিডের ঘনত্ব বা পরিমাণ বেড়ে গেলে পাথর সৃষ্টি হতে পারে। 

কিডনিতে পাথর এখন খুবই সাধারণ সমস্যা। এই রোগ নারী বা পুরুষ সবাই উভয়ই আক্রান্ত হতে পারেন। এই পাথর ধীরে ধীরে শরীরের কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। আর দেরিতে এই রোগ ধরা পড়ায় অনেকের মৃত্যু হচ্ছে।  

কিডনিতে পাথর কেন হয়? 

যাঁরা গরম আবহাওয়ায় কাজ করেন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করেন না, তাঁদের ক্ষেত্রে কিডনিতে পাথর হওয়ার প্রবণতা বাড়ে। প্রস্রাবে বারবার সংক্রমণ, মূত্রপ্রবাহে বাধ, অতিরিক্ত লাল গোশত খাওয়া, হাইপার প্যারাথাইরয়েডিজম, বেশি বেশি ফাস্ট ফুড খাওয়া, ভাঁজাপোড়া খাওয়া,  রেনাল টিউবুলার অ্যাসিডোসিস ও নেফ্রোক্যালসিনোসিসের মতো রোগ এবং কিছু জন্মগত ত্রুটিতেও পাথর হয়। প্রয়োজন ছাড়া অযথা অতিরিক্ত ভিটামিন সেবন, বিশেষ করে ভিটামিন সি ও ডি অক্সালেট ও ক্যালসিয়ামের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে। 
 

তবে আপনি চাইলে ঘরোয়া পদ্ধতিতে খুব সহজেই দূর করতে পারেন কিডনির পাথর।   

মূলত কিডনি পাথর কী? 

কিডনির ভেতরে মিনারেল জমে স্ফটিকের মতো দানা পদার্থ তৈরি করে। এটাকেই  কিডনি পাথর বলা হয়। অর্থাৎ ক্যালসিয়াম ও অক্সালেটের ডিপোজিশন হলে এই রোগের সৃষ্টি হয়। 

কিডনি রোগের লক্ষণ

  1. অনেক সময় কোনো লক্ষণ না–ও থাকতে পারে। মেরুদণ্ড বা অন্য কারণে চেকআপের সময় পাথর থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে।
  2. পেটের ওপরের দিক অথবা পিঠের দুপাশে ডানে বা বাঁয়ে মৃদু বা তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়।
  3. ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা অল্প একটু প্রস্রাব হয়েই আর না হওয়া, মাঝে মাঝে প্রস্রাবের সঙ্গে ছোট পাথর যেতে পারে।
  4. কখনো কখনো কাঁপুনি দিয়ে জ্বর উঠে, বমিবমি ভাব বা বমি।
  5. ওপরের পেট বা পিঠের পাশ থেকে কুঁচকির দিকে বা পেটের নিচের দিকে দুপাশে বা কিংবা কোমরে তীব্র ব্যথা এবং সঙ্গে বমিবমি ভাব।
  6. বমি বমি ভাব হওয়া বা কখনও কখনও বমি হয়। 
  7. তলপেটের নিচে এবং কুঁচকিতে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়। 
  8. পাঁজরের নিচে অসহ্য যন্ত্রণা হওয়া এবং এই ব্যথার তীব্রতা ২ ঘন্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। 
  9. প্রস্রাব করতে গেলে ব্যথা হয় বা জ্বালা পোড়া করে এবং কালচে লাল, লাল কিংবা বিভিন্ন রঙের প্রস্রাব হওয়া।  
  10. বারবার প্রসাবের বেগ আসে এবং স্বাভাবিকের তুলনায় প্রস্রাব বেশি পরিমাণে হওয়া। 
  11. দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাব হয়। কিডনিতে পাথর বিকাশের ক্ষেত্রে ডিহাইড্রেশনের অবদান অনেক। 

কিডনিতে পাথর নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা–নিরীক্ষা 

প্রস্রাব, আল্ট্রাসনোগ্রাম ও এক্সরে করে পাথরের উপস্থিতি নিশ্চিত করা যায়। সঠিক চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণের জন্য আইভিইউ অথবা সিটি স্ক্যান করতে হয়।   

কিডনি রোগের চিকিৎসা

যথাযথ চিকিৎসার আগপর্যন্ত সাধারণ ব্যথানাশক ও অ্যান্টিস্পাজমোডিক ওষুধ প্রয়োজন হয়। অনেক রোগীই এমন ওষুধ চান, যা খেলে পাথর গলে বের হয়ে যাবে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে এমন কোনো কার্যকর ওষুধ নেই। পাথর ক্ষুদ্র হলে নিজেই বের হয়ে যেতে পারে, তবে পাথর বড় হলে অস্ত্রোপচার করে বের করতে হয়। পেট না কেটে নানাভাবে চিকিৎসা করে পাথর নিরাময় করা যায়। 

তবে কয়েকটি ঘরোয়া প্রতিকারেরও চেষ্টা করতে পারেন। আসুন জেনে নিই ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে কিডনি পাথর দূর করবেনঃ 
  1. প্রচুর পানি পান করতে হবে। দৈনিক আড়াই-তিন লিটার পানি পান করতে হবে ও সুষম খাদ্য খেতে হবে। খুব ছোট আকারের পাথর দেখা দিলে পরিমাণমতো পানি পানের মাধ্যমে তা সারিয়ে তোলা সম্ভব। তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।  
  2. রেডমিট কম খেতে হবে। যেসব খাদ্যে অক্সালেট বেশি থাকে তা–ও কম খেতে হবে যেমন, পালংশাক, স্ট্রবেরি, মাখন, চকলেট, দুগ্ধজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে হবে।
  3. তুলসী পাতায় থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কিডনির পাথরকে ভেঙে ফেলতে সাহায্য করে। প্রতিদিন অন্তত দুবার করে তুলসী পাতার রস খান। আর তুলসীর পাতা দিয়ে চা করেও পান করতে পারেন। 
  4. পাতিলেবুর রসে থাকা সাইট্রিক অ্যাসিড ক্যালসিয়ামজাত পাথর তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করে এবং ছোট পাথরগুলোকে ভেঙে বের করে। রোজ সকালে পানির সঙ্গে লেবুর রস মিশ্রিত করে পান করুন অথবা দিনের যেকোনো সময়ে লেবুর রস পান করুন।
  5. প্রয়োজন ছাড়া ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত নয়।
  6. ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম বা কায়িক শ্রম জরুরি।
  7. ডালিম রসে থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট কিডনিকে সুস্থ রাখতে এবং পাথর ও অন্যান্য টক্সিনকে দূর করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সারাদিনে কতবার এটি পান করবেন তা ঠিক করুন। 
  8. আপেল সিডার ভিনিগারে থাকা অ্যাসিটিক অ্যাসিড কিডনিতে পাথর দূর করে এবং ব্যথা কমাতেও সাহায্য করে। আপেল সিডার ভিনিগারের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে পান করুন। তবে একদিনে ১৫ চামচের বেশি খাবেন না।
  9. কালিজিরা বীজ একটি গবেষণা অনুযায়ী, কালিজিরার বীজ কিডনিতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট স্টোন গঠনে উল্লেখযোগ্যভাবে বাধা দেয়। ২৫০ এমএল গরম জলে হাফ চা চামচ শুকনো কালিজিরা বীজ দিন। এটি দিনে দু'বার পান করুন। 
তবে এগুলো ব্যবহারের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
 

সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪

  ১৮ তম লিখিত ফলাফল নিয়ে সর্বশেষ ভিডিও।

১৮ তম লিখিত ফলাফল নিয়ে সর্বশেষ ভিডিও।

১৮ তম লিখিত ফলাফল নিয়ে সর্বশেষ ভিডিও।

প্রিয় ১৮ তম লিখিত ফলাফল প্রত্যাশী ভাই বোনেরা আশা করি আপনারা ভালো আছেন। আসলে এই মুহূর্তে ভালো আছেন এই কথা বলার যুক্তিকথাও হারিয়ে ফেলেছি।

 এনটিআরসিএ এর নাটক দেখতে দেখতে আপনারা ইতিমধ্যে হয়রান হয়ে গেছেন। আমি নিজেও ১৮ তম ফলাফল নিয়ে ভিডিও দেওয়ার মন মানুসিকতা হারিয়ে ফেলেছি। তবুও আপনারা অনেকেই আমার ভিডিও এর জন্য অপেক্ষায় থাকেন।  

তবে আপনাদের বলতে চায় এতদিন যেহেতু কষ্ট করেছেন তাহলে আর কয়েকটা দিন ধৈর্য ধরুন। আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখুন আর একে অপরের জন্য দোয়া করুন। আমিও আপনাদের জন্য মন প্রাণ দিয়ে দোয়া করি আল্লাহ্‌ রব্বুল আলামিন আপনাদের সকলের হালাল ও উত্তম রিযিকের ব্যবস্থা করে দিন। “আমিন”

এখন এনটিআরসি এর চলমান কার্যক্রম গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করবো সেগুলো জানার পরিপ্রেক্ষিতে আপনারা সহজেই অনুমান করতে পারবেন আসলে কবে নাগাদ ১৮ তমদের লিখিত রেজাল্ট দিতে চলেছে।  

আপনারা ইতিমধ্যে বিভিন্ন নিউজ বা পত্রিকায় দেখেছেন এনটিআরসিএ সকল ওয়েমার শীট এসে পৌঁছায় নি। কিছু পরিমান ওয়েমার শীট না আসার কারণে মূলত রেজাল্ট আটকে আছে। পূর্বের ওয়েমার শীটের স্ক্যানিং এর কাজ শেষ। বাকি ওয়েমার শীট গুলো এনটিআরসিতে পৌঁছালেই রেজাল্ট প্রস্তুত হয়ে যাবে।   

এরই মাঝে এনটিআরসিএ টেলিটকের সাথে আলাপ আলোচনা করেছেন। সকল কাজ কমপ্লিট হলেই এনটিআরসিএ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও এনটিআরসিএ টেলিটক বিডি ডট কমের মাধ্যমে রেজাল্ট প্রকাশ করবেন। এছাড়াও লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের টেলিটক ম্যাসেজের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এনটিআরসিএ এর এসকল কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে বলা যায় আগামি ১০ তারিখ থেকে ১৭ তারিখের মধ্যে রেজাল্ট নিশ্চিত পেয়ে যাবেন। তবে বাকি ওয়েমার শিট ২ কর্ম দিবসের মধ্যে জমা হলে আগামি ১০ তারিখে রেজাল্ট দেওয়ার একটা সম্ভাবনা রয়েছে।

যদি ১০ তারিখে দিতে না পারে তাহলে ১১-১৩ তারিখ এই তিন দিন সরকারি ছুটি থাকার কারণে এই রেজাল্ট ১৭ তারিখ পর্যন্ত যেতে পারে। তবে আরও একটি সত্যি কথা হলো ওয়েমার শীট নিয়ে এনটিআরসিএ মূলত দোহায় দেখাচ্ছে। 

আমার মনে হচ্ছে  এনটিআরসিএ  যে কোন মুহূর্তে ফল প্রকাশ করে দিবে। ১৭ তমতেও এমনটা করছিল কিন্তু হঠাত করেই রেজাল্ট দিয়ে দেই। কাজেই আর কয়েকটা দিন ধৈর্য ধরুন আর আল্লাহর উপর ভরশা করুন। সবার প্রতি দোয়া রেখে এখানেই শেষ করছি। “আল্লাহ্‌ হাফেজ”   

সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

 অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত ফল আগামী সপ্তাহে।

অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত ফল আগামী সপ্তাহে।

আমাদের www.topbanglapage.com ওয়েবসাইট

প্রিয় ১৮ তম পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আমাদের Top Bangla Page ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পেজ এবং আমাদের www.topbanglapage.com ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সরকারি, বেসরকারি, ব্যাংক, প্রাইমারী ও এনটিআরসিএর প্রতিনিয়ত আপডেট নিউজ পাবলিশ করা হয়। কাজেই সাবস্ক্রাইব ও ফলো করে আমাদের সাথেই থাকুন। 

অষ্টাদশ শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল আগামী সপ্তাহে প্রকাশ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে প্রধান পরীক্ষকরা সকল বিষয়ের খাতা মূল্যায়ন শেষ করে এনটিআরসিএ অফিসে জমা দিয়েছেন। বর্তমানে খাতাগুলোর স্ক্যানিং কাজ চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের সচিব এ এম এম রিজওয়ানুল হক। 

এনটিআরসিএ এর সচিব রিজওয়ানুল হক বলেন, ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার ফল প্রস্তুতের কাজ অত্যান্ত দ্রুতগতিতে চলছে। তিনি আরও বলেন,  আমরা চেষ্টা করছি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ১৮ তমদের ফল প্রকাশ করবো।  সেক্ষেত্রে অক্টোবরের প্রথমদিকে ফল প্রকাশ করতে পারবো বলে আশা করছি।   

আপনারা সকলেই জানেন শিক্ষক নিবন্ধনের খাতা মুল্যায়নের জন্য ৪৫ দিন সময় নেওয়া হয় কিন্তু ক্ষেত্র বিশেষ এবং অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে আরও ১৫ দিন বাড়িয়ে অর্থাৎ ৬০ দিনের রেজাল্ট দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। কিন্তু ইতিমধ্যে ৭৯ দিন পার হতে যাচ্ছে। কাজেই আমার ব্যক্তিগত মতামত অনুযায়ী আগামী ১০ তারিখের মধ্যে লিখিত রেজাল্ট প্রকাশ হয়ে যাবে। “ইনশাল্লাহ”

 

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

নিবন্ধন ভাইভার জন্য কি কি কাগজ লাগে ও বিশেষ কিছু পরামর্শ।

নিবন্ধন ভাইভার জন্য কি কি কাগজ লাগে ও বিশেষ কিছু পরামর্শ।

নিবন্ধন ভাইভার জন্য কি কি কাগজ লাগে ও বিশেষ কিছু পরামর্শ।

প্রিয় নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আজকের ভিডিও তে আলোচনা করবো তম শিক্ষক নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষার জন্য কোন কোন ডকুমেন্টস সঙ্গে নিয়ে যেতে হবে। এছাড়াও নিবন্ধনের মৌখিক পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পর্কে অভিজ্ঞতার আলোকে এমন কিছু পরামর্শ দিব যেগুলো অবশ্যই ভাইভা তে অংশগ্রহণ করার আগে একবার হলেও দেখে যেতে হবে। আমাদের প্রতিদিনের নিয়মিত ভিডিও পেতে পেজটি ফলো করুন এবং Top Bangla Page ইউটিউব চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করুন। এছাড়াও আমাদের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট www.topbanglapages.com অনুসরণ করুন।

১৮তম ভাইভা পরীক্ষার জন্য যেসকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:-

  1. ভাইভার জন্য মূল প্রবেশপত্র নিয়ে যেতে হবে। অর্থাৎ লিখিত তে টিকলে ভাইভার জন্য নতুন প্রবেশপত্র দেওয়া হবে।
  2. সকল সনদের মূল কপি এসএসসি, এইসএসসি ও অনার্সের মূল সনদ সঙ্গে নিয়ে যাবেন। মাস্টার্সের সনদ লাগে না তবে আপনি চাইলে সাথে রাখতে পারেন।
  3. এসএসসি, এইসএসসি ও অনার্সের মূল নম্বরপত্র বা মার্কশীট সঙ্গে নিবেন
  4. জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপি অবশ্যই সঙ্গে নিবেনতবে সার্টিফিকেট ও জাতীয় পরিচয় পত্রের সাথে আপনার নাম মিল থাকতে হবে।  
  5. নাগরিক সনদপত্র ও চারিত্রিক সনদপত্র সঙ্গে নিয়ে যাবেন।

 

১৮তম ভাইভা পরীক্ষার জন্য বিশেষ পরামর্শ।

মৌখিক পরীক্ষার প্রতিটি বোর্ডে এনটিআরসিএর তিনজনের অধিক সদস্য থাকেন। প্রতি বোর্ডে প্রতিদিন ৪০ থেকে ০ জনের ভাইভা হয়। বোর্ডে আপনার বিষয়ের একজন বিশেষজ্ঞ, এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি সব বোর্ডে উপসচিব বা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তাসহ এনটিআরসিএর কর্মকর্তারা থাকেন। প্রার্থীর আবেদনের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে ভাইভা বোর্ডে দেওয়া তথ্যর অমিল থাকলে প্রার্থীকে ফেল করানো হয়। এ জন্য ভোটার আইডি কার্ডের সাথে প্রার্থীর নাম, পিতা ও মাতার নাম যেন সনদের নামের সঙ্গে অমিল না থাকে, সে ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে।


বিষয়ভিত্তিক প্রস্তুতির জন্য করণীয়ঃ 

বিষয়ভিত্তিক প্রশ্নের পাশাপাশি প্রার্থীকে এনটিআরসিএ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ও সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়,প্রার্থীর নিজ জেলা সম্পর্কে ধারণা, গুরুত্বপূর্ণ কবি সাহিত্যিকদের সম্পর্কে ধারণা, মুক্তিযুদ্ধ ও বঙ্গবন্ধু-সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য, শিক্ষাসম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের পাশাপাশি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন কার্যাবলী সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যাবেন।

 

ভাইভার জন্য করণীয়ঃ 

  1. ভাইভা শুরুর কিছুদিন আগে মোবাইল ফোনে মেসেজ পাবেন। সেই ম্যাসেজের মাধ্যমে আপনার ভাইভার তারিখ ও বোর্ড নম্বর জানতে পারবেন। ভাইভা শুরুর কমপক্ষে এক ঘণ্টা আগে বোর্ডের সামনে উপস্থিত হবেন। সিরিয়াল দেখে বুঝতে পারবেন আপনার ভাইভা কখন ও কতজনের পরে। মনে রাখবেন, আপনি আবেদন ফরমে যে স্বাক্ষর দিয়েছিলেন, তা হুবহু লেখার চেষ্টা করবেন। স্বাক্ষর ও কাগজপত্র যাচাই শেষে আপনি ভাইভা বোর্ডের সামনে আপনার ভাইভার অ্যাডমিট কার্ড ও সনদপত্র নিয়ে চেয়ারে বসে থাকবেন একদম নম্র ও ভদ্রভাবে। কেননা ওখানে সিসি ক্যামেরা আছে। মূলত আপনাকে তাঁরা পর্যবেক্ষণ করছেন।
  2. আপনার সিরিয়াল এলে আপনি শান্তভাবে দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অনুমতি নেবেন এবং সামনের দিকে এগিয়ে বোর্ডের কাছাকাছি গিয়ে নম্রভাবে সালাম  দেবেন।  
  3. ভাইভা বোর্ডে আপনার বসার জন্য একটা চেয়ার সেখানে রাখা থাকবে। আপনি সেখানে গিয়ে নম্রভাবে ও বিনয়ী লুকে দাঁড়াবেন। অনুমতি ছাড়া হুট করে বসে পড়বেন না, দাঁড়িয়েই থাকবেন। পরীক্ষকরা অনেক সময় বসতে না বলেই প্রশ্ন করে, যখন বসতে বলবে তখনই বসবেন। বসার অনুমতি দিলে, ভাইভা বোর্ডে যিনি অনুমতি দেবেন তার দিকে তাকিয়ে ধন্যবাদ দেবেন। 
  4. ভাইভা বোর্ড আপনাকে কিছু বলতে বললে, প্রথমবার ধন্যবাদ স্যার” বলবেন। তারপর ঠান্ডা মাথায় শান্তভাবে প্রশ্নের উত্তর দিবেন। কোন প্রশ্নের উত্তর জানা না থাকলে উল্টাপাল্টা উত্তর না করে একবারেই বলবেন সরি। তখন স্যার যদি বলে এই প্রশ্ন টি আপনি জানেন না? তখন চিন্তিত না হয়ে সোজা সাপটা বলবেন স্যার আমি নিশ্চয়ই প্রশ্নের উত্তরটি জেনে নিব। 

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন ভাই বোনেরা আজকের ভিডিওতে আপনাদের জন্য বিশেষ কিছু সুসংবাদ তুলে ধরবো। আমি নিয়মিত কষ্ট করে আপনাদের জন্য ভিডিও বানায় কাজেই লাইক,কমেন্ট,শেয়ার করুন। আমাদের Top Bangla Page পেজটি এবং ইউটিউব চ্যানেলটি অনুসরণ করুন। এছাড়াও আমাদের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট www.topbanglapages.com  অনুসরণ করুন। 

১৮তম পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু সুসংবাদ। 
  1. বিশেষ গণ বিজ্ঞপ্তি হচ্ছে না। আর হলেও সেটি ১৮ তমদের নিয়োগের আগে হবে না।
  2. ১৮ তম লিখিত খাতা মূল্যায়নের কাজ প্রায় শেষ। এখন রেজাল্ট প্রস্তুতির জন্য স্ক্যানিং এর কাজ শুরু হয়েছে। 
  3. অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রেজাল্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেশি।
  4. ১৮ তমদের জন্য শুন্যপদের সংখ্যা বর্তমানে ১ লাখেরও উপরে।  এজন্য এবার অনেক প্রার্থীকে লিখিত পরিক্ষায় টিকাবে। 
  5. ১৮ তমদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ হাজার নিয়োগ দিতে পারে বা তারও বেশি হতে পারে। 
  6. অলরেডি ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য শূন্য পদ চাওয়া শুরু করেছে এনটিআরসিএ।
  7. এছাড়াও ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দিতে দিতে আরও শুন্যপদ বাড়বে। সেক্ষেত্রে ১৮ তমদের পরীক্ষায় অনেক বেশি পাশ করানো হবে।
  8. সামনে বছরের শুরুর দিকেই ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিবে। 
  9. ৩৫+ আবেদন করতে পারবে না
  10. জাল সনদ শনাক্ত করা হচ্ছে, এদের ছাটাই করা হবে। সুতরাং পদ সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।
  11. এবার বেশি সংখ্যক ক্যান্ডিডেট পাশ করানো হবে, ভাইভা পরীক্ষার্থী আগের তুলনায় এবার অনেক বেশি । ইনশাআল্লাহ্ সকলের আশা পূর্ণ হোক।
  12. ১৮ তমদের জন্য কাট মার্কস অনেক কম হবে। কোন কোন সাবজেক্টে ৪৫-৫০ পেলেও জব হবে।