চাকরির খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চাকরির খবর লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ এপ্রিল, ২০২৬

চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে ইতিহাসের বৃহত্তম মহাসমাবেশের ডাক।

চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে ইতিহাসের বৃহত্তম মহাসমাবেশের ডাক।

চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে ইতিহাসের বৃহত্তম মহাসমাবেশের ডাক


দেশের লাখো তরুণ-তরুণীর দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও ন্যায্য দাবির প্রতিফলন ঘটাতে আসছে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। “চাকরির বয়স বৃদ্ধি” আন্দোলন নতুন গতি পেয়েছে, আর সেই গতি এক বিশাল গণজোয়ারে রূপ নিতে যাচ্ছে আগামী ৮ মে ২০২৬, দুপুরের পর থেকে। এই দিনটি হতে যাচ্ছে দেশের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম সমাবেশের দিন—যেখানে একত্রিত হবে স্বপ্নবাজ, সংগ্রামী এবং অধিকার সচেতন তরুণ সমাজ।
এই মহাসমাবেশের নেতৃত্ব দেবেন মোঃ শরিফুল ইসলাম শুভ এবং চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত অন্যান্য সম্মানিত নেতৃবৃন্দ। তাদের দৃঢ় নেতৃত্ব ও ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় ইতোমধ্যেই এই আন্দোলন সারাদেশে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এখন সময় এসেছে সেই দাবিকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরার। সরকারি চাকরির বয়স স্থায়ী ৩৫ ও ক্ষতিগ্রস্থ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে অস্থায়ী সর্বনিম্ন ৩৭ করার জন্য এই মহাসমাবেশ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন চাকরি প্রত্যাশী শিক্ষার্থীগণ। 

কেন এই সমাবেশ গুরুত্বপূর্ণ?
বর্তমান বাস্তবতায় শিক্ষাজীবন দীর্ঘ হচ্ছে, চাকরির প্রস্তুতি নিতে সময় বাড়ছে, কিন্তু সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা অপরিবর্তিত থাকায় অসংখ্য যোগ্য প্রার্থী সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এই বৈষম্য দূর করতে এবং তরুণদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে চাকরির বয়স বৃদ্ধির দাবি এখন সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।

৮ মে’র এই মহাসমাবেশ শুধু একটি কর্মসূচি নয়—এটি একটি আন্দোলনের চূড়ান্ত ধাপ, যেখানে আশা করা হচ্ছে একটি সুনির্দিষ্ট ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। তাই এই দিনটি হতে পারে ভবিষ্যৎ নির্ধারণের মোড় ঘোরানো মুহূর্ত।

সকলের প্রতি আহ্বান
দেশের প্রতিটি সচেতন নাগরিক, বিশেষ করে চাকরি প্রত্যাশী তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান—আপনার অধিকার প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামে অংশ নিন। আপনার উপস্থিতিই এই আন্দোলনের শক্তি, আপনার কণ্ঠই পারে পরিবর্তন আনতে।

আসুন, আমরা সবাই একসাথে দাঁড়াই—
অন্যায়ের বিরুদ্ধে, বঞ্চনার বিরুদ্ধে, ন্যায্য অধিকারের পক্ষে।

৮ মে ২০২৬, দুপুরের পর
চলুন আমরা ইতিহাস গড়ি—
চলুন আমরা দাবি আদায়ে ঐক্যবদ্ধ হই।
“আজকের সমাবেশ, আগামীর সম্ভাবনা।”

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

১৮ তমদের জন্য মহা সুসংবাদ।

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন ভাই বোনেরা আজকের ভিডিওতে আপনাদের জন্য বিশেষ কিছু সুসংবাদ তুলে ধরবো। আমি নিয়মিত কষ্ট করে আপনাদের জন্য ভিডিও বানায় কাজেই লাইক,কমেন্ট,শেয়ার করুন। আমাদের Top Bangla Page পেজটি এবং ইউটিউব চ্যানেলটি অনুসরণ করুন। এছাড়াও আমাদের জনপ্রিয় ওয়েবসাইট www.topbanglapages.com  অনুসরণ করুন। 

১৮তম পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু সুসংবাদ। 
  1. বিশেষ গণ বিজ্ঞপ্তি হচ্ছে না। আর হলেও সেটি ১৮ তমদের নিয়োগের আগে হবে না।
  2. ১৮ তম লিখিত খাতা মূল্যায়নের কাজ প্রায় শেষ। এখন রেজাল্ট প্রস্তুতির জন্য স্ক্যানিং এর কাজ শুরু হয়েছে। 
  3. অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রেজাল্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেশি।
  4. ১৮ তমদের জন্য শুন্যপদের সংখ্যা বর্তমানে ১ লাখেরও উপরে।  এজন্য এবার অনেক প্রার্থীকে লিখিত পরিক্ষায় টিকাবে। 
  5. ১৮ তমদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৫০ হাজার নিয়োগ দিতে পারে বা তারও বেশি হতে পারে। 
  6. অলরেডি ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য শূন্য পদ চাওয়া শুরু করেছে এনটিআরসিএ।
  7. এছাড়াও ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দিতে দিতে আরও শুন্যপদ বাড়বে। সেক্ষেত্রে ১৮ তমদের পরীক্ষায় অনেক বেশি পাশ করানো হবে।
  8. সামনে বছরের শুরুর দিকেই ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দিয়ে দিবে। 
  9. ৩৫+ আবেদন করতে পারবে না
  10. জাল সনদ শনাক্ত করা হচ্ছে, এদের ছাটাই করা হবে। সুতরাং পদ সংখ্যা বেড়ে যেতে পারে।
  11. এবার বেশি সংখ্যক ক্যান্ডিডেট পাশ করানো হবে, ভাইভা পরীক্ষার্থী আগের তুলনায় এবার অনেক বেশি । ইনশাআল্লাহ্ সকলের আশা পূর্ণ হোক।
  12. ১৮ তমদের জন্য কাট মার্কস অনেক কম হবে। কোন কোন সাবজেক্টে ৪৫-৫০ পেলেও জব হবে।  


বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

১৮ তম ভাইভা মান বন্টন ও টিপস।

১৮ তম ভাইভা মান বন্টন ও টিপস।

১৮ তম ভাইভা মান বন্টন ও টিপস।  

১৮ তম ভাইভা মান বন্টন ও টিপস।

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন ভাই বোনেরা আজকের ভিডিওতে ১৮ তম ভাইভা সম্পর্কে আলোচনা করবো। ভাইভা নিয়ে যারা দুশ্চিন্তায় আছেন, আজকের এই ভিডিও টি দেখার পর আপনার আর ভাইভা নিয়ে মোটেই চিন্তা করা লাগবে না। ১৮ তম ভাইভাতে আপনারা এমনিতেই পাশ করবেন। এর জন্য সিরিয়াসলি পড়াশোনা করার তেমন কোন প্রয়োজন নেই। চলুন কিভাবে আপনারা খুব সহজেই ভাইভাতে উত্তীর্ণ হবেন তার কিছু যুক্তি উপস্থাপন করি।

শিক্ষক নিবন্ধনের ভাইভা মূলত ২০ মার্কস হয়ে থাকে। এই ২০ মার্কস আবার ২ ভাগে বিভক্ত।

  1. একাডেমিক রেজাল্ট   - ১২ 
  2. ড্রেস কোড + প্রশ্নোত্তর- ০৮ 

  তাহলে ১২+৮= ২০ মার্কস

১. একাডেমিক রেজাল্টের  ১২ মার্কস আবার ৩ ভাগে বিভক্ত রয়েছে যথাক্রমে,

  1. এসএসসি রেজাল্ট - ০৪
  2. এইচএসসি রেজাল্ট- ০৪
  3. গ্রাজুয়েশন রেজাল্ট- ০৪

   তাহলে ৪+৪+৪=১২ মার্কস

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যদি ফার্স্ট ক্লাস থাকে তাহলে প্রতিটিতে পাবেন ৪ মার্কস করে, আর যদি সেকেন্ড ক্লাস থাকে তাহলে ৩ মার্কস করে এবং যদি থার্ড ক্লাস থাকে তাহলে পাবেন ২ মার্কস করে এই ১২ মার্কসের মধ্যে আপনাকে পাশ করতে হলে অবশ্যই ৪০% মার্কস পেতে হবে। তাহলে আপনাকে ১২ মধ্যে প্রায় ৫ এর কাছাকাছি মার্কস পেতে হবে। যা আপনি এমনিতেই পেয়ে বসে আছেন।

২. ড্রেস কোড, বাচনভঙ্গি ও পারফর্মেন্স + প্রশ্নোত্তর ও ড্রয়িং এর ০৮ মার্কস আবার ২ ভাগে বিভক্ত যথাক্রমে,

  1. ড্রেস কোড- ০৪
  2. প্রশ্নোত্তর    - ০৪

তাহলে ৪+৪= ৮ মার্কস

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ যদি ড্রেস কোড, বাচনভঙ্গি ও পারফর্মেন্স খুব ভালো হয় তাহলে ০৩ ± মার্কস পাবেন এবং যদি প্রশ্নোত্তর ও ড্রয়িং এ ভালো হয় তাহলে পাবেন ০৩ ± মার্কস পাবেন

এই ০৮ মার্কসের মধ্যে আপনার পাশ করতে হলে ৪০% মার্কস পেতে হবে। তাহলে ৮ এর মধ্যে ৩.২ মার্কস পেতে হবে। যেটা আপনি অনায়াসে ড্রেস কোডের মাধ্যমে পেয়ে যাবেন। সেক্ষেত্রে দেখা যায় কিছু প্রশ্নের উত্তর করতে না পারলেও পাশ করে যাবেন। তবে আপনি দুই একটি প্রশ্নের উত্তর তো দিতেই পারবেন। কাজেই ভাইভাতে ফেল করার কোন সুযোগ নেই। আমি মনে করি ভাইভাতে যারা ফেল করে তাদের কাগজপত্র ঠিক থাকে না অথবা ব্যবহার ও বাচনভঙ্গি ভালো না। তাছাড়া ভাইভাতে ফেল করা কঠিন বরং পাশ করা একবারেই ইজি। 

সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

 ১৮ তমদের জন্য মহা সুখবর।

১৮ তমদের জন্য মহা সুখবর।

১৮ তমদের জন্য মহা সুখবর।

ইতিমধ্যে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগের জন্য ষষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের কার্যক্রম শুরু করেছে। এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে স্কুল-কলেজের ই-রেজিস্ট্রেশনের কার্যক্রম শুরু করার জন্য তাদের ওয়েবসাইট সচল করেছেন মূলত এই কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের মধ্যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান তাদের শুন্য পদের চাহিদার জন্য ই-রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করবেন।

অনেকেই হয়তো ব্যাপারটা বুঝতে পারছেন না। আরও সহজ করে যদি বলি, তাহলে যে সকল প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষক প্রয়োজন তারা ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য শুন্য পদের চাহিদা ই-রেজিস্ট্রেশন মাধ্যমে এনটিআরসিএ এর কাছে জমা দিবেন।  

২২ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে। ৩০ সেপ্টেম্বরের পরে কোন প্রতিষ্ঠান শুন্য পদের চাহিদা পূরণ করতে পারবেন না। কাজেই এই ভিডিও টি আপনারা বেশি বেশি শেয়ার করুন। কেননা অনেক প্রতিষ্ঠানে শুন্য পদ থাকা সত্ত্বেও এই অল্প সময়ের মধ্যে তথ্যটি না পেলে তারা শুন্য পদের চাহিদার জন্য ই-রেজিস্ট্রেশন মাধ্যমে জমা দিতে ব্যর্থ হবে।

দেরি না করে এখনই শেয়ার করে দিন, একটা কথা মাথায় রাখবেন শুন্যপদের চাহিদা যত বেশি দেওয়া হবে ততবেশি এনটিআরসিএ ১৮ তমদের লিখিত পরীক্ষায় টিকাবেন। 

সবচেয়ে খুশির খবর হলো বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হবে না। তাছাড়া ১৮ তমদের লিখিত ফলাফল শুন্যপদের চাহিদা নেওয়ার উপর ভিত্তি করেই ফলাফল ঘোষণা করবেন। এজন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় দিয়েছে। তার মানে ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে রেজাল্ট দিবে না। কেননা ১৭ তমদের নিয়োগের পর অবশিষ্ট শুন্যপদ ও ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির জন্য নতুন করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাছে শুন্যপদের জন্য যে চাহিদা চাওয়া হয়েছে এই দুইটা যোগ করেই ১৮ তমদের সাবজেক্ট ভিত্তিক টিকানো হবে।   

তার মানে ১৭ তমদের নিয়োগের পর আপনার সাবজেক্টে অবশিষ্ট যে শুন্যপদের হিসাব ইতিমধ্যে আপনি জেনেছেন তার সাথে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরও শুন্যপদ আপনার সাবজেক্টে বাড়বে। আমার চ্যানেলে ১৭ তম নিয়োগের পর আপনার সাবজেক্টের শুন্যপদ কতটি সেটা নিয়ে ভিডিও রয়েছে। এখন এর সাথে আরও অনেক শুন্যপদ যোগ হবে। তাহলে ১৮ তমদের জন্য এটা খুশির খবর। কাজেই ভিডিও টি শেয়ার করে দিন। ইনশাল্লাহ ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের মাধ্যমে অসংখ্য বেকার ভাই বোনেদের কপাল খুলে যাবে। আপনাদের জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রেখে এখানেই শেষ করছি আল্লাহ্‌ হাফেজ।   

বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

১৮ তমদের জন্য খুশির খবর।

১৮ তমদের জন্য খুশির খবর।

১৮ তমদের জন্য খুশির খবর।

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আজকের এই ভিডিও তে আপনাদের জন্য বেশ কিছু খুশির খবর নিয়ে এসেছি। ১৮ তম রিটেন যারা দিয়েছেন এই খবর গুলো আপনাদের জন্য আশান্বিত হবার মত তথ্য দীর্ঘদিন ধরে আপনারা অনেক পরিশ্রম করেছেন প্রিলি, রিটেন এখন ফলাফলের অপেক্ষায় আছেন এই অবস্থায় আপনাদের মনের মধ্যে বিভিন্ন ধরণের চিন্তাভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছে

  1. আমার রেজাল্ট আসবে তো?
  2. আমি পাশ করতে পারবো তো?
  3. কাট মার্কস কত হতে পারে?
  4. শুন্যপদ কেমন হতে পারে?
  5. বিশেষ গনবিজ্ঞপ্তি দিলে আমাদের তো সমস্যা হবে?
  6. রেজাল্ট কবে দিবে ইত্যাদি ইত্যাদি?

চলুন এত চিন্তা ভাবনার ভীড়ে আপনাদের কিছু আশার বাণী শোনায় আশা করি ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার্থীদের জন্য ভালো কিছু হতে যাচ্ছে

  1. ১৮ তম লিখিত খাতা মূল্যায়নের পর পরীক্ষকরা এনটিআরসিএ তে খাতা জমা দেওয়া শুরু করেছে গত সপ্তাহ থেকে যারা আগে খাতা নিয়ে গিয়েছিল তারাই জমা দিচ্ছেকিন্তু যারা দেরি করে নিয়েছে তাদের জন্য ফলাফল আটকে আছে
  2. ১৮ তমদের জন্য শুন্যপদের সংখ্যা বর্তমানে ১ লাখেরও উপরে এছাড়াও ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তি দিতে দিতে আরও শুন্যপদ বাড়বে সেক্ষেত্রে ১৮ তমদের পরীক্ষায় অনেক বেশি পাশ করানো হবে
  3. বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে আর এটা দিলে এনটিআরসিএ বিতর্কিত হবে সুতরাং এই ব্যাপারটি তারা সিরিয়াসলি দেখছে যদিও দেই তবে সেটা ১৮ তমদের নিয়োগের পর
  4. ১৮ তমদের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬০ হাজার নিয়োগ দিতে পারে বা তারও বেশি হতে পারে সেটা এখন নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না সেটা টিকানোর উপর নির্ভর করবে আর বাকি শুন্যপদ ১৯ তমদের জন্য রাখবে
  5. ১৮ তমদের জন্য কাট মার্কস আগের তুলনায় এবার তুলনামূলক একটু কম হবেকোন কোন সাবজেক্টে ৪৫-৫০ পেলেও জব হবে কেননা প্রশ্নপত্রে অথবা না থাকায় সকল প্রশ্নের উত্তর করতে গিয়ে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী হিমশিম খেয়েছে
  6. ১৮ তমদের লিখিত ফলাফল অক্টোবরের ১ তারিখ হতে ১৩ তারিখের মধ্যে দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৯৯ পারসেন্ট

প্রিয় পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা ভিডিও টি যদি ভালো লাগে তাহলে একটি লাইক দিন আর যারা এখনও চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করেননি তারা সাবস্ক্রাইব করে পাশেই থাকুন ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ্হাফেজ

 

 

 

বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ হতে যাচ্ছে।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ হতে যাচ্ছে।

চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ হতে যাচ্ছে।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর করার দাবি জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দিয়েছে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সংগঠন "বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।"

সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের এই চিঠিটি বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠিয়ে এ বিষয়ে খুব দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এর আগেই গত ৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ "অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের" মহাসচিব মোঃ মাহবুবুর রহমান এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে চিঠি দেন। 

সেই চিঠিতে বলা হয়, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা  ও অবসরের বয়স এর আগে যথাক্রমে ৩০ ও ৫৯ (মুক্তিযোদ্ধা কোটাধারীদের যথাক্রমে ৩২ ও ৬০) বছর করা হয়েছিল। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর  তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল বর্তমানে বৃদ্ধি পেয়ে ৭২ দশমিক ৩ বছরে পরিণত হয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষকের চাকরির অবসরের বয়সসীমা ৬৫ বছর এবং সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের চাকরির বয়সসীমা ৬৭ বছর করতে হবে। বিগত এবং বর্তমান সময়ে যেসব চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের অনেকের বয়স ৬৭ বছরের ঊর্ধ্বে।

অ্যাসোসিয়েশন মাধ্যমে জানিয়েছেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানদণ্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বিশ্বের ১৬২টি দেশে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর, কোনো কোনো দেশে আবার এটি উন্মুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে অবসরের বয়সসীমা বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট ভেদে ৬৫ থেকে ৬৭ বছর এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে ৭২ বছর পর্যন্ত রয়েছে। সরকারি চাকরিতে প্রবেশ এবং অবসরের যাওয়ার বয়স বৃদ্ধির বিষয়ে বিভিন্ন সময়ে চাকরিপ্রত্যাশী এবং চাকরিরতদের পক্ষে আন্দোলন ও দাবি উত্থাপিত হয়েছে।

‘বিগত ১৫ বছরের স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের যাতাকলে পড়ে বিভিন্নভাবে নিপীড়িত, বঞ্চিত ও বৈষম্যের শিকার হয়ে সৎ, যোগ্য ও মেধাবী কর্মকর্তা সময় মতো পদোন্নতি ও উপযুক্ত পদে পদায়ন না হওয়ায় সরকারি কাজে তারা তাদের প্রকৃত মেধা ও যোগ্যতার সাক্ষর রাখতে পারেননি। স্বৈরাচারী কায়দায় দলীয় বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়ায় মেধাবী যুবসমাজকে কোটার কারণে বঞ্চিত করাসহ কোনো কোনো ক্ষেত্রে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে কিংবা রাজাকারের সন্তান, ভিন্নমতাবলম্বী তকমা লাগিয়ে দিয়ে বিভিন্ন অপকৌশলের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করায় বৈষম্যহীন, মেধাভিত্তিক ও যোগ্যতাভিত্তিক নিরপেক্ষ প্রশাসন গড়া সম্ভব হয়নি’ বলেও চিঠিতে উল্লেখ করেছে অ্যাসোসিয়েশন।

চিঠিতে আরও বলা হয়, তাই মেধাভিত্তিক নতুন প্রজন্মের চাহিদাভিত্তিক কাঙ্ক্ষিত সংস্কারমুখী পুনর্গঠিত নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে সরকারি চাকরিতে প্রবেশ ও অবসরের সময়সীমা যথাক্রমে ৩৫ ও ৬৫ বছর করার জন্য "অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন" যথাযথ পদক্ষেপ নিতে দাবি জানাচ্ছে।

শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে মহাসমাবেশ শুরু।

ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে মহাসমাবেশ শুরু।

ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে মহাসমাবেশ শুরু।

চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা ন্যূনতম ৩৫ করার দাবিতে চাকরি প্রত্যাশীদের আজ থেকে মহাসমাবেশ শুরু করেছে।

শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এই সমাবেশ শুরু হয়। ৩৫ করার দাবিতে সমাবেশে সারাদেশ থেকে এসে চাকরি প্রত্যাশীরা অংশগ্রহণ করছেন। 
 
সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সরকারি চাকরিতে নিয়োগের ক্ষেত্রে কত যে অনিয়ম চালু আছে সে কথা বলতে গেলে একটা ডিকশনারির লেখা হয়ে যাবে। কত যে অস্থায়ী নিয়োগ আছে, যখন তখন একজনকে কান ধরে বের করে দেওয়া যায়, এমন নিয়মেরও হিসাব নেই। এসবের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ পর্যন্ত নেই।

তিনি বলেন, আমরা যে আন্দোলন করেছি এটা শুধু সরকার পতনের কোনো আন্দোলন ছিল না। আমরা বলেছি এটা দেশ বদলের আন্দোলন, অপশাসন বদলের আন্দোলন। দেশ থেকে বৈষম্য দূর করাই আমাদের আন্দোলনের মুল লক্ষ্য ছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সবকিছু সুন্দরভাবে সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমি মনে করি, আমাদের দেশটা বদলে যাচ্ছে।

আন্দোলনকারী চাকরি প্রত্যাশীরা বলেন, বিশ্বের প্রায় ১৬২টি দেশে চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা কমপক্ষে ৩৫ বছর রয়েছে, তার মধ্যে কিছু দেশে আবার উন্মুক্ত। ভারতসহ বিশ্বের উন্নত রাষ্ট্রগুলো অনেক গবেষণার পরেই চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদন্ড মেনে নূন্যতম ৩৫ বছর করেছে। কিন্তু সেখানে আমাদের দেশে মাত্র ৩০ বছর। নতুন বাংলাদেশে আমরা এই বৈষম্য মানি না।
আন্দোলনকারীরা সমাবেশে স্লোগান দিতে থাকে  ‘বয়স না মেধা-মেধা মেধা মেধা’ ‘আর নয় কালক্ষেপণ-এবার দাও প্রজ্ঞাপন’ ‘৩৫ এর শৃঙ্খল-ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও’ ইত্যাদি ইত্যাদি।

শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

১৮ তমদের কি সত্যিই কপাল পুড়লো।

১৮ তমদের কি সত্যিই কপাল পুড়লো।

১৮ তমদের কি সত্যিই কপাল পুড়লো।

 প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন প্রত্যাশি ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। তবে আজকে আপনাদের সাথে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেয়ার করতে এসেছি যা সত্যিই ১৮ তমদের জন্য দুসংবাদ। জানিনা বিষয়টা আপনারা কিভাবে নিবেন। ভিডিও টি অবশ্যই শেষ পর্যন্ত দেখবেন এবং আপনার মতামত অবশ্যই জানাবেন।

গতকাল ১-১৪ তম নিবন্ধনধারীরা এনটিআরসিএর অফিস ৬ ঘন্টা ধরে অবরোধ করে রাখেন যার ফলে এনটিআরসিএ এর কর্মকর্তাগণ অবরুদ্ধ ছিলেন। ১-১৪ তম নিবন্ধনধারীদের দাবি হলো তাদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। ইতিমধ্যে তাদের লিখিত দাবি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জমা দিয়েছে। ১-১৪ তমদের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে এ বিষয় নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। 

এখন প্রশ্ন হলো সত্যিই যদি ১-১৪ তমদের জন্য বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় তাহলে ১৮ তম বা ১৯ তমদের জন্য প্রভাব পড়বে কিনা? 

১০০% নিশ্চিত যে ১৮ তমদের জন্য ব্যাপক প্রভাব পড়বে। কেননা ১-১৪ তমদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে যদি নিয়োগ দেওয়া হয় তাহলে শুন্যপদের সংখ্যা অনেক কমে যাবে। তাহলে ১৮ তমদের জন্য কাট মার্কস অনেক বেড়ে যাবে। কারণ শুন্যপদ যদি কম হয় তাহলে কাট মার্কস বাড়বে এটাই স্বাভাবিক। এখন যদি আপনারা ৫০ মার্কস পেয়ে টিকেন তখন দেখা যাবে ৬৫ প্লাস মার্কস লাগবে এছাড়াও কিছু কিছু সাবজেক্ট তো একেবারেই নাগালের বাইরে চলে যাবে সেখানে ৭০ প্লাস মার্কস লাগবে।

এমনিতেই ১৮ তমতে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক অনেক বেশি । কাজেই প্রতিযোগিতার হারও অনেক বেশি এছাড়া এবারের প্রশ্নপত্র বিগত যে কোন  নিবন্ধনের চেয়ে অনেক কঠিন ছিল। কাজেই স্বাভাবিক ভাবে কাট মার্কস একটু কম হবে। 

তাহলে যদি ১-১৪ তমদের বিশেষ গণবিজ্ঞপ্তি না দিয়েও ১৮ তমদের সাথে ৬ষ্ঠ গণবিজ্ঞপ্তিতেও সুযোগ দেই তাহলেও ১৮ তমরা ঝুঁকিতে পড়ে যাবে। কেননা আমি আগেই বলেছি এবার প্রশ্নপত্র কঠিন হওয়ায় বিগত নিবন্ধনগুলোর তুলনায় কাট মার্কস কম হবে। এখন ভেবে দেখুন তো ১-১৪ তমরা ১৮ তমদের সাথে আবেদন করলে সমস্যা হবে কিনা। এ যেন এক হুলস্থুর কাণ্ড বেঁধে গেল। 

আপনাদের মতামত এখনই কমেন্ট করে জানান। আসলে যদি এমনটা হয় তাহলে আপনারা কি কখনই এটা মেনে নিবেন। আগামিতে আরও একটি সুন্দর ভিডিও পাওয়ার অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন ৫ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করুন আল্লাহ্‌ হাফেজ। 

 

























মঙ্গলবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

৩৫ দাবিতে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা।

৩৫ দাবিতে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা।

৩৫ দাবিতে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা।
৩৫ দাবিতে লাগাতার কর্মসূচির ঘোষণা। 

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন চাকরি প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তারা জানান, দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ধারাবাহিক বিভিন্ন কর্মসূচি শেষে আগামী ৭ সেপ্টেম্বরের পর থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালিত হবে। 

গত শুক্রবার বিকেল ৫টায় টিএসসিতে ৩৫ প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে চাকরি প্রত্যাশীরা এ ঘোষণা দেন। 

বক্তারা জানান, বর্তমানে দাবি আদায়ে প্রতিটি জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে। এরপর সারা দেশে একযোগে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হবে। আমরা ইতিমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি জমা দিয়েছি। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বয়স ৩৫ বৃদ্ধির দাবি মেনে না নিলে আগামি ৭ সেপ্টেম্বর মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। তারপরও যদি দাবি মেনে নেওয়া না হয় তাহলে আমরা লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এই কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। ৩৫ প্রত্যাশীদের দাবি, এই আন্দোলন যেমন যৌক্তিক, তেমনি প্রাসঙ্গিক। ফলে কালক্ষেপণ না করে অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করতে হবে। আমরা বারবার বলেছি, যৌক্তিক দাবি মানা না হলে শিক্ষার্থী সমাজ ক্ষোভে ফুঁসে উঠবে।

বিগত সরকার দেখতে পেয়েছে, একটি বৈষম্যের কারণে তারা উৎখাত হয়েছে। ফলে যেকোনো যৌক্তিক আন্দোলন কালক্ষেপণ না করে দ্রুত বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ‘২০১২ সাল থেকে শুরু হয়ে দীর্ঘ ১২ বছর এই আন্দোলন চলছে। বিশ্বের ১৬২টি দেশে এর যৌক্তিকতা আছে। এ ছাড়া বর্তমানে বাংলাদেশে বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গড়ার কাজ চলছে।

তবে আমাদের দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত তা সম্ভব হবে না। আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে আমরা এ বিষয়ে স্মারকলিপি দিয়েছি। আমরা আশা করব, প্রধান উপদেষ্টাসহ বর্তমান সরকারের সবাই আমাদের দাবি মেনে নিয়ে পড়ার টেবিলে ফিরিয়ে নেবেন। আপনারা অবশ্যই ৭ সেপ্টেম্বরে আন্দোলনে সরাসরি যোগদান করবেন। আগামিতে আরও একটি সুন্দর ভিডিও পাওয়ার অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকবেন ও সুস্থ থাকবেন আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি আল্লাহ্‌ হাফেজ। 


সোমবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির লিখিত স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জমা।

সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির লিখিত স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জমা।

সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির লিখিত স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জমা।

প্রিয় সরকারি চাকরি প্রার্থী ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি নিয়ে আমি বেশ কিছু ভিডিও দিয়েছি। অনেকেই আমার ভিডিও দেখে বিশ্বাস করতে চাই না। কেউ কেউ বলে আমাদেরকে মিথ্যা আশ্বাস দিবেন না আবার অনেকেই বলে ভিডিও তে ভিউ পাওয়ার জন্য ভিডিও আপলোড দেই।  

তাদের উদ্দেশ্যে বলতে চাই যারা বিশ্বাস করেন না সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি হবে তারা এই ভিডিও টি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত দেখবেন। আর যারা বিশ্বাস করেন তারা তো দেখবেনই। 

গতকাল সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫ এবং শর্তসাপেক্ষে উন্মুক্ত করার জন্য একটি দল লিখিত স্মারকলিপি প্রধান উপদেষ্টা বরাবর জমা দিয়েছে। এই লিখিত স্মারকলিপির কপিটি অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান আইনবিষয়ক উপদেষ্টা ডঃ আসিফ নজরুল স্যারের হাতে সরাসরি জমা দিয়েছে।

 সাবেক স্বৈরাচার সরকার ক্ষমতায় থাকার সময় ডঃ আসিফ নজরুল সরকারি চাকরির বয়স ৩৫ বৃদ্ধিতে ছাত্র আন্দোলনের সাথে সমর্থন করেছিলেন এবং বয়স বৃদ্ধির ব্যাপারে তিনি কথা বলেছিলেন। 

এই স্মারকলিপিতে সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধির জন্য যে সকল যুক্তি উপস্থাপনা করা হয়েছে তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ আপনাদের মাঝে তুলে ধরছি।   

১৯৯১ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরির বয়সসীমা ২৭ বছর পর্যন্ত ছিল। ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম সরকারি চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি করে ৩০ বছরে উন্নীত করা হয়। তখন বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৫৭ বছর। ১৯৯১ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত এই ৩৩ বছরে এখনও সরকারি চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি করা হয় নি। কিন্তু বর্তমানে মানুষের গড় আয়ু ৭২.৩  বছর। কাজেই গড় আয়ুর বৃদ্ধির সাথে সাথে চাকরির বয়স বৃদ্ধি করা অধিক যুক্তিযুক্ত। এছাড়াও বিগত ৩৩ বছরে সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধির ব্যাপারে কোন কাজ করা হয়নি।  

এছাড়াও স্মারকলিপিতে আরও উল্লেখ করা হয় ২০১১ সাল পর্যন্ত সরকারি চাকরির অবসরের বয়সসীমা ছিল ৫৭ বছর। কিন্তু ২০১১ সালে ৫৯ বছরে উন্নীত করা হয়। তখন যুক্তি দেখানো হয় গড় আয়ু বৃদ্ধির জন্য অবসরের বয়স বৃদ্ধি করা হয়েছে। তাহলে গড় আয়ু বৃদ্ধির জন্য যদি অবসরের বয়স বৃদ্ধি করা যায় তাহলে চাকরিতে প্রবেশের বয়দসসীমা কেন ৩৫ বৃদ্ধি করা যাবে না?  

এছাড়াও করোনার সময়  ২-৩ বছর নষ্ট হয়েছে যার ফলে অনেক ছাত্রছাত্রী এর ফল এখনও ভোগ করছে।  আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী  ১২০ টি দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছরের উপরে। কোন কোন দেশে ৪০,৪৫,৫৫ এবং উন্মুক্তও রয়েছে।  এছাড়াও নানা যুক্তিও দেখানো হয়েছে এই স্মারকলিপিতে। আশা করি এবার চাকরির বয়স ৩৫ বৃদ্ধিতে বর্তমান সরকারের অনীহা থাকার কথা না। ইনশাল্লাহ এবার সরকারি চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি হবেই হবে। 

আপনারা কমেন্ট করে জানাতে পারেন সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫-৪০ নাকি উন্মুক্ত চান।কারণ এখন সময় এসেছে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করা। দাবি যদি না মানে তাহলে নতুন কর্মসূচি এলে আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করার জন্য সবাইকে জোর অনুরোধ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি। "আল্লাহ্‌ হাফেজ" 

রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

চাকরি পাওয়ার পরীক্ষিত দোয়া।

চাকরি পাওয়ার পরীক্ষিত দোয়া।

চাকরি পাওয়ার পরীক্ষিত দোয়া।
চাকরি পাওয়ার পরীক্ষিত দোয়া। 

চাকরির পাওয়ার জন্য কিংবা একটা ভালো কর্ম পাওয়ার জন্য অনেক দোয়া ইন্টারনেটে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। কিন্তু, যার অধিকাংশই শুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত নয় কিংবা দলিল-প্রমাণের মাধ্যমে সাব্যস্ত নয়। তাই এই ভিডিও তে কোরআনে বর্ণিত একটি দোয়া বা আমল তুলে ধরা হয়েছে,যাতে করে চাকরি প্রত্যাশী ভাই বোনেরা সহজে সঠিক ও শুদ্ধ আমলটুকু করতে পারেন। আর এতে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায়, আল্লাহ তাআলা দ্রুততার সাথে ভালো চাকরি বা উত্তম রিজিকের ব্যবস্থা করবেন।   

এই দোয়াটি আল্লাহর একজন প্রিয় নবী মুসা (আ.) করেছিলেন। দোয়াটির প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি আমরা পরে উল্লেখ করব ইনশাআল্লাহ।

আরবি :
رَبِّ إِنِّي لِمَا أَنزَلْتَ إِلَيَّ مِنْ خَيْرٍ فَقِيرٌ 

উচ্চারণ : রাব্বি ইন্নি লিমা- আনজালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাকির।
অর্থ : হে আমার পালনকর্তা, তুমি আমার প্রতি যে অনুগ্রহ পাঠাবে, আমি সেটার মুখাপেক্ষী। (সুরা আল-কাসাস, আয়াত : ২৪)

ভালো চাকরি লাভ অনেকের জন্য এখন দুঃস্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। নানা ধরনের অসুবিধা ও বাধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। তাই ভালো ও মানসম্পন্ন চাকরি লাভের প্রত্যাশার আল্লাহর কাছে দোয়া করা উচিত। তার মহান গুণবাচক নামের আমল করা এবং বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা চাই। তার এমন গুণবাচক নামগুলোর মধ্যে একটি হলো-

يَا وَهَّابُ
উচ্চারণ : ‘ইয়া ওয়াহহাবু’

অর্থ : কোনোরূপ প্রতিদান ব্যতীত অধিক দানকারী। 

উলামায়ে কেরাম বলেন, যারা এসব আমল বেশি বেশি করবেন; আল্লাহ তাআলা তাদের রিজিকে বরকত দান করবেন। তাদের কোনো অভাব-অনটন ও প্রয়োজন থাকলে, দ্রুত সবকিছুর সমাধান দেবেন।

শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০২৪

চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত হোক।

চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত হোক।

চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত হোক।
চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত হোক। 

প্রিয় চাকরি প্রার্থী ভাই বোনেরা আশা করি সকলেই ভালো আছেন। চাকরির বয়সসীমা উন্মুক্ত নিয়ে আজকে কিছু আলোচনা করতে চাই। তো চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক। অনেকেই বলে ভিডিও ভিউ পাওয়ার জন্য ভিডিও বানায়। অনেক সময় বাজে কমেন্ট ও করে। একদিন চাকরির বয়সসীমা বৃদ্ধি করে প্রমাণ করে দিব। আমি নিজেও একজন ভুক্তভুগি আমার বয়স এখন ৩২ চলে। বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে  চাকরি করছি কিন্তু সরকারি চাকরি না পাওয়ার বেদনা কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে। 

চীনসহ আমাদের সার্কভুক্ত দেশ পাকিস্তান ছাড়া সকল দেশেই চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ থেকে ৪৫ এর মধ্যে। কিন্তু আমাদের দেশে সরকারী চাকরির বয়স ৩৫ বৃদ্ধিতে সরকারের বাধা কোথায়, কষ্ট কোথায়, ক্ষতি কোথায় সেটা আমার মাথায় আসেনা। অনেকে মনে করে চাকরিতে দেরি করে প্রবেশ করলে আবার নতুন করে অবসরে যাবার বয়সও বাড়াতে হবে। 

কিন্তু আমরা স্পষ্ট করতে চাই, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা বাড়ানো হলেও চাকরি থেকে অবসরের বয়সসীমা বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। ছাত্রসমাজ চায় চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ করা হোক। অনেকেই আবার ৩৭,৩৯,৪০,৪৫ এমনকি উন্মুক্ত করার মতামত প্রকাশ করছেন।

আমরা যে কথায় কথায়  সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়ার উদাহরণ দেই তাদের দেশে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৪৫ বছর। সবচেয়ে ভালো হয় চাকরিতে বয়সের প্রবেশসীমা উন্মুক্ত রাখলে। তা না হলে অন্তত ৩৫ বছর করা হোক।
 
তবে আমি মনে করি চাকরিতে ঢোকার কোনো বয়সই থাকা উচিৎ নয়। ৫০ বছর বয়সে গিয়ে যদি কারো মনে হয় সে প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক হবে তাহলে রাষ্ট্র কেন বাধা হয়ে দাঁড়াবে? অবসরের বয়স থাকবে, কিন্তু সেনাবাহিনী, পুলিশ -এরকম বিশেষ কিছু ক্ষেত্র বাদে চাকরিতে ঢোকার কোনো বয়স থাকবে না। বিশেষ করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষায় শিক্ষক হবার বয়স সীমা উন্মুক্ত রাখার কথা ভাবা যেতেই পারে। আপনার মতামত কমেন্টের মাধ্যমে জানান আপনি মূলত সরকারি চাকরির বয়সসীমা কত চান।

শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৪

১৯ তম নিবন্ধনে প্রশ্ন প্যাটার্ন কেমন হবে?

১৯ তম নিবন্ধনে প্রশ্ন প্যাটার্ন কেমন হবে?

১৯ তম নিবন্ধনে প্রশ্ন প্যাটার্ন কেমন হবে?
১৯ তম নিবন্ধনে প্রশ্ন প্যাটার্ন কেমন হবে?  

প্রিয় নিবন্ধন প্রত্যাশী ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। আপনারা ইতিমধ্যে ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন ভিডিও তে দেখতে পেরেছেন যে ১৯ তম নিবন্ধনে প্রশ্ন প্যাটার্ন পরিবর্তন করা হবে।

কেউ কেউ ভিডিও তে বলছে  ৭৫ মার্কস নৈর্ব্যক্তিক এবং নিজ নিজ সাবজেক্ট থেকে ২৫ মার্কস এই মিলে ১০০ মার্কসের পরীক্ষা হবে।  এই পরীক্ষায় পাশ করার পর সরাসরি ভাইভা নেওয়া হবে। তারপর ভাইভায় পাশ করার পর নিয়োগ দেওয়া হবে। 

কিন্তু এখনও পর্যন্ত এমন কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়নি। ১৯ তম নিবন্ধনে এই নিয়মে পরীক্ষা হবে না। কাজেই পূর্বের নিয়মেই ১৯ তম নিবন্ধন পরীক্ষা নেওয়া হবে।

প্রথমত ১০০ মার্কসের প্রিলিমিনারি হবে। সেখানে ৪০ পেলেই লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এরপর নিজ নিজ সাবজেক্টে ১০০ মার্কসের লিখিত পরীক্ষা হবে। 

এবার যেহেতু প্রশ্নপত্রে কোন অথবা ছিল না। কাজেই ১৯ তমতে প্রশ্নপত্রে অথবা থাকবে না। তাই কোনভাবেই আপনারা অধ্যায় বাদ দিয়ে পড়বেন না। সকল গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন পড়ে ফেলবেন। 

তাই দেরি না করে যারা ১৯ তমতে পরিক্ষা দেওয়ার চিন্তা করছেন তারা এখন থেকেই শুরু করুন। আর যারা ১৮ তমতে ভালো পরীক্ষা দিতে পারেননি তারাও এখন থেকে শুরু করতে পারেন। ১৯ তম সার্কুলার খুব শীঘ্রই দিয়ে দিবে। অক্টোবর ও নভেম্বরের মধ্যে সার্কুলার দিয়ে দিতে পারে। কেননা বেসরকারি স্কুল কলেজে লক্ষাধিক শুন্যপদ রয়েছে যা কেবলমাত্র ১৮ তম দিয়ে পূরণ করা সম্ভব না কিংবা ১৮ তম দিয়ে পূরণও করবেন না। ১৯ তমদের জন্য কমপক্ষে ৫০ হাজার পদ ফাঁকা থাকবে বরং তার চেয়েও বেশি থাকবে এতে কোন সন্দেহ নাই। তাই দেরি না করে এখনই পড়াশোনা শুরু করে দিন।  

বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে বয়স বৃদ্ধি ৪০ করতে হবে।

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে বয়স বৃদ্ধি ৪০ করতে হবে।

বেসরকারি স্কুল ও কলেজে বয়স বৃদ্ধি ৪০ করতে হবে।

প্রিয় নিবন্ধন চাকরি প্রার্থী ভাই বোনেরা আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আপনারা অনেকেই শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। স্কুল ও কলেজে নিবন্ধন পরীক্ষায় চূড়ান্ত পাশ করার পর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়। কিন্তু আমাদের দেশের ১ টি নিবন্ধন পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল পেতে ২-৩ বছর সময় লেগে যায়। 

  • প্রথমে সার্কুলার  
  • তারপর প্রিলিমিনারি
  •  তারপর রিটেন 
  • তারপর ভাইভা 
  • তারপর জাতীয় মেধার রেজাল্ট 
  • তারপর গণবিজ্ঞপ্তি 
  • তারপর স্কুল ও কলেজ পছন্দের আবেদন 
  • তারপর ভি রোল পূরণ
  • পুলিশ ভেরিফিকেশন
  •  তারপর চূড়ান্ত নিয়োগ  

এতসব প্রসেস করতে করতে যাদের বয়স ৩২-৩৩ থাকে তারা পরবর্তীতে গণবিজ্ঞপ্তিতে আবেদন করার সুযোগ পাই না। এতে করে তার শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন অংকুরেই বিনষ্ট হয়ে যায়। দেখা ৩৩-৩৪ বছর বয়সে রিটেন পাশ করেও চাকরি পাওয়াটা অনেক অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। 

এমতাবস্থায় সকলেই স্কুল ও কলেজ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধনে চাকরির বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বৃদ্ধির জন্য মতামত প্রকাশ করছেন। কিন্তু নিবন্ধনে ৪০ বৃদ্ধির জন্য তেমন কোন আন্দোলন নেই। কাজেই যারা বেসরকারি স্কুল কলেজে বয়স বৃদ্ধি ৪০ করতে আগ্রহী তারা সকলেই কমেন্ট করে জানান। যদি এই ভিডিও তে ৫ হাজার লাইক, ৫ হাজার কমেন্ট ও ৫০ হজার ভিউ আসে তাহলে সকলের সমর্থনের ভিত্তিতে লিখিত আকারে দাবি উপস্থাপন করার সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। এবং আন্দোলন করার জন্য কর্মসূচির ব্যবস্থা করা হবে। 

কোন আন্দোলনকে সফলতা করতে হলে অবশ্যই সেই আন্দোলনের সমর্থন থাকতে হবে। কাজেই আপনি কি বেসরকারি স্কুল এবং কলেজের বয়স বৃদ্ধি ৪০ করতে  আপনার সম্মতি আছে কিনা আমাদেরকে জানান এবং কিছু যৌক্তিক কারণ লিখে কমেন্টস করলে আরও বেশি ভালো হয়। 

সকলেই একমত হয়ে মাঠে নামলে অবশ্যই সেই আন্দোলন সফল করা সম্ভব। কেননা যেভাবে কচ্ছপের গতিতে বেসরকারি স্কুল ও কলেজের নিয়োগ হয় তাতে করে বয়স ৪০ বৃদ্ধি করা আসলেই  জরুরী।  

বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৪

১৮ তম নিবন্ধনে আমার রেজাল্ট আসবে কি?

১৮ তম নিবন্ধনে আমার রেজাল্ট আসবে কি?

১৮ তম নিবন্ধনে আমার রেজাল্ট আসবে কি?
১৮ তম নিবন্ধনে আমার রেজাল্ট আসবে কি? 

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আশা করি সকলেই ভালো আছেন। আমি কমেন্টে সবচেয়ে বেশি যে ধরণের প্রশ্নের সম্মুখীন হয়েছি সেই সকল প্রশ্ন নিয়ে আজকের আয়োজন। আপনারা ১৮ তম রিটেন রেজাল্ট নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় আছেন সেটি আপনাদের কমেন্টস দেখেই আমি বুঝতে পারছি। 

চলুন ১৮ তম রিটেন পরীক্ষা অনুযায়ী আপনাদের কমন কিছু প্রশ্নের উত্তর ঝটপট দিয়ে ফেলি।

১ প্রশ্নঃ  আমি ৭০ বা ৮০ মার্কসের উত্তর করেছি আমার রেজাল্ট আসবে কি? 

উত্তরঃ যে যাই বলুক না কেন আমি মনে করি শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষা হলো সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরিক্ষা। এখানে সবচেয়ে বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়ে থাকে। কাজেই প্রতিযোগিতার হারও অনেক বেশি। সেক্ষেত্রে আপনি ৭০ বা ৮০ মার্কসের উত্তর লিখে পাশ করা অনেক কঠিন ব্যাপার। কথায় বলে না, ভাগ্যে গুণে যদি হয় তাছাড়া সম্ভব না।

পরামর্শ বা করনীয়ঃ এখন যারা ৭০ বা ৮০ মার্কসের উত্তর করেছেন তারা মন খারাপ না করে আবার চেষ্টা করুন অন্যান্য জবের ট্রাই করুন। আল্লাহ্‌ পাক নিশ্চয়ই আপনাদের জন্য ভালো কিছু রেখেছেন।

২ প্রশ্নঃ আমি ৯০ মার্কসের উত্তর করেছি আমার রিটেন রেজাল্ট আসবে কি?

উত্তরঃ সহজ কথায় আপনার রেজাল্ট আসার সম্ভাবনা রয়েছে। কেননা এবার প্রশ্নের প্যাটার্ন ভিন্ন ছিল, প্রশ্নে কোন অথবা ছিল না। বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী প্রশ্ন দেখেই ঘাবড়ে গেছে। এজন্য অল্প সময়ে বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী ১০০ মার্কসের উত্তর লিখতে পারিনি। কাজেই আপনি যদি ৯০ মার্কসের উত্তর ভালোভাবে লিখতে পারেন তাহলেও আপনার রেজাল্ট আসার চান্স রয়েছে। এতে কোন সন্দেহ নাই।

৩ প্রশ্নঃ আমি ৭ টি প্রশ্ন ভালো লিখেছি ২ টা প্রশ্ন মোটামুটি লিখেছি ১ টা প্রশ্ন কমন ছিল না বানিয়ে লিখেছি আমার কি রেজাল্ট আসবে? 

উত্তরঃ সহজ কথায় আপনার রিটেন রেজাল্ট আসার চান্স ৫০% পারসেন্ট। হাতের লেখা যদি ভালো হয় এবং প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত হাতের লেখা সেইম থাকে এবং বানিয়ে লিখলেও যদি প্রশ্নের সাথে উত্তর সামঞ্জস্য থাকে তাহলে রেজাল্ট আসতে পারে। কিন্তু প্রথমে ৭ টি প্রশ্ন ভালো লিখলেন এবং শেষের ৩ টি প্রশ্নে হাতের লেখা বিশ্রী এবং বড় বড় ও ফাঁকা ফাঁকা করে লিখে খাতা ভরাট করলে সোজা কথা রেজাল্ট আসবে না। 

৪ প্রশ্নঃ আমি বড় প্রশ্ন ৩ টি ভালো লিখেছি ১ টি মোটামুটি লিখেছি আর ১ টি বানিয়ে লিখেছি  এবং ছোট প্রশ্ন ৫টি মোটামুটি লিখেছি আমার রেজাল্ট  কি আসবে? 

উত্তরঃ এক কথায় আপনার রেজাল্ট আসবে না। কারণ এভাবে লিখলে আপনার ৬০ মার্কস কাভার করবে না। 

৫ প্রশ্নঃআমি বড় প্রশ্ন ৪ টি ভালো লিখেছি ১ টি মোটামুটি লিখেছি  এবং ছোট প্রশ্ন ৫টি  ভালো লিখেছি আমার রেজাল্ট  কি আসবে? 

উত্তরঃ হ্যাঁ আপনার রেজাল্ট আসবে। আপনার হাতের লেখা যদি মোটামুটি ভালো হয় এবং বড় প্রশ্নের জন্য ১২ টি করে পয়েন্ট এবং সংজ্ঞামূলক প্রশ্নে ২-৩ টি করে প্রামাণ্য সংজ্ঞা লিখেন এবং ছোট প্রশ্নের জন্য ৫-৭ টি করে পয়েন্ট অথবা সংজ্ঞামূলক প্রশ্নের জন্য ২-৩ টি করে প্রামাণ্য সংজ্ঞা দিয়ে থাকেন তাহলে আপনার রেজাল্ট আসার চান্স অনেক বেশি। 

৬ প্রশ্নঃ সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদে কত পেলে রেজাল্ট আসবে?

উত্তরঃ ৫৫ মার্কস পেলে আপনি টিকবেন। ৬০ মার্কস পেলে আপনার চাকরি নিশ্চিত হবে। ৬৫ মার্কস পেলে ভালো ভালো স্কুল পছন্দ দিয়ে চাকরি পাবেন। আর ৭০ পেলে যেই স্কুল প্রথম পছন্দ দিবেন সেটাই পাওয়ার চান্স প্রায় ১০০%। 

প্রশ্ন ৭ঃ কলেজ পর্যায়ে প্রভাষক পদে কত মার্কস পেলে চাকরি নিশ্চিত হবে? 

উত্তরঃ এবার ৬৫ প্লাস মার্কস পেলে কলেজ পর্যায়ে প্রায় সকল সাবজেক্টে চাকরি নিশ্চিত হবে। এতে কোন সন্দেহ নেই। তবে কিছু কিছু সাবজেক্ট আছে যেগুলোতে হবে না। কারণ ঐ সকল সাবজেক্টের শুন্যপদ খুবই কম। তাদের ক্ষেত্রে ৭০, ৭৫ বা তারও বেশি মার্কস লাগতে পারে। 

আপনার আরও কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে জানতে পারেন। এখনও যারা আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করেননি তারা এখনই সাবস্ক্রাইব করে পাশেই থাকুন। আগামিতে আরও একটি সুন্দর ভিডিও এর অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। সকলেই ৫ ওয়াক্ত নামাজ কায়েম করুন। আল্লাহ্‌ হাফেজ। 

১৮ তম রিটেন খাতা প্রথম পরীক্ষক কতদূর দেখলেন।

১৮ তম রিটেন খাতা প্রথম পরীক্ষক কতদূর দেখলেন।

১৮ তম রিটেন খাতা প্রথম পরীক্ষক কতদূর দেখলেন।
১৮ তম রিটেন খাতা প্রথম পরীক্ষক কতদূর দেখলেন। 

প্রিয় ১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন।  তবে এই মুহূর্তে সকলের মাথায় একটা জিনিসই ঘুরপাক খাচ্ছে আমাদের খাতা দেখা কতদূর হলো? আমাদের রেজাল্ট কবে দিবে? 

প্রিয় পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আমরা ইতিমধ্যে ভিডিও তে জানিয়েছিলাম গত ১৩ই আগস্ট থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত পরীক্ষকরা এনটিআরসিএ থেকে খাতা নিয়ে গেছে। আমরা সকলেই জানি প্রথম পরীক্ষককে ১৫ দিন এবং দ্বিতীয় পরীক্ষককে ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়।  

সেই হিসাব করলে ইতিমধ্যে প্রথম পরীক্ষকের খাতা দেখার কাজ চলমান রয়েছে। এই মাসের শেষের দিকে অথবা ৫-৭ তারিখের মধ্যে প্রথম পরীক্ষকের সকল বিষয়ের খাতা দেখার কাজ সম্পন্ন হবে। আমি এক ভাইয়ের কাছ থেকে জানতে পারলাম ইতিমধ্যে তার খাতা দেখা শেষ হয়েছে। এখন দ্বিতীয় পরীক্ষকের কাছে জমা দেওয়া হবে। 

কিন্তু সকল বিষয়ের খাতা আগামি সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয় পরীক্ষকের কাছে চলে যাবে। এরপর দ্বিতীয় পরীক্ষক ১৫ দিন সময় নিলে সেপ্টেম্বরের ২০ তারিখ পর্যন্ত সময় চলে যাবে। 

এরপর এনটিআরসিএ তে সকল খাতা পৌছাতেও কিছুদিন সময় লাগবে। তারপর এনটিআরসিএ রেজাল্ট প্রস্তুত করতে ৭-১০ দিন সময় নিবেন। এনটিআরসিএ  এর চেয়ারম্যান বলেছিলেন আমরা সেপ্টেম্বর মাসের একদম শেষের দিকে রিটেন রেজাল্ট দিতে পারবো। 

তবে খাতা দেখার জন্য পরীক্ষকরা যে সময় পাচ্ছে তাতে করে একটু দেরি করলে সেপ্টেম্বরের শেষে রেজাল্ট দিতে না পারলেও অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রেজাল্ট দিতে পারবে বলে মনে করছি। 


সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০২৪

 সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির নতুন সিদ্ধান্ত।

সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির নতুন সিদ্ধান্ত।

সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির নতুন সিদ্ধান্ত।
 সরকারি চাকরির ৩৫ বৃদ্ধির নতুন সিদ্ধান্ত। 

প্রিয় সরকারি চাকরি প্রার্থী ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন। তবে এই মুহূর্তে যাদের বয়স ৩০ পার হয়েছে তারা অত্যান্ত হতাশা এবং মানুসিক বিপর্যয়ের মধ্যে আছেন। আমাদের যাদের বয়স ৩০ পার হয়েছে তারাই কেবল বুঝতে পারছি জীবন এই মুহূর্তে কতটা কষ্টের ও বেদনার। আর যারা একেবারেই বেকার আছেন তাদের সম্পর্কে বলার কোন ভাষা নেই। 

বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে কোম্পানি ও প্রাইভেট জব পাওয়াও এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। এখানেও এখন লবিং ছাড়া জব পাওয়া বেশ কষ্টসাধ্য।  সব মিলিয়ে অনেকেই কঠিন সময় পার করছেন। বেকার থাকা কতটা কষ্টের আর লজ্জার যে বেকার আছে সেই কেবল জানে। ১৬ বছর স্বৈরাচার সরকার ক্ষমতায় থাকার দরুন বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। বেশির ভাগ ঘুষ ও প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে।  

এছাড়াও করোনার কারণে আরও ৩ বছর মানুষের জীবন থেকে চলে গেছে। এমতাবস্থায় সরকারি চাকরির বয়স ৩৫ বৃদ্ধি করা এখন জীবন মরণের প্রশ্ন এসে দাঁড়িয়েছে। হয় ৩৫ করো না হয় গুলি করে মেরে ফেল।

কাজেই৩৫বছর করার দাবিতে আমরা জোরালো আন্দোলন শুরু করেছিলাম। এরই অংশ হিসেবে গত ১৭ আগস্ট বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছিলাম। গত ২৪ আগস্ট শনিবার বেলা ১১টায়  মহাসমাবেশের ডাক দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে এই মহাসমাবেশ স্থগিত করা হয়েছিল। এরই মাঝে আনসার বাহিনী গতকাল আন্দোলন করেছে আবার আজ রিকশাওয়ালারাও আন্দোলন করছে। কিন্তু বাংলাদেশে সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধির ৩৫ আন্দোলন থেমে আছে। 

পরিস্থিতি ঠিক হলে আমরা আমাদের যৌক্তিক দাবি আদায়ের জন্য আবার নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করবো।অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু ছাত্র আন্দোলনের ফলেই গড়ে উঠেছে সেহেতু চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫করা কঠিন হবে না।

আমরা ইতিমধ্যে চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়েছি। শর্তসাপেক্ষে বয়সসীমা উন্মুক্ত করার দাবিও আমাদের। তবে এবার আমরা এই যৌক্তিক দাবি আদায়ে সক্ষম হবো এতে কোন সন্দেহ নেই। 

আপনারা কমেন্ট করে জানাতে পারেন সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫-৪০ নাকি উন্মুক্ত চান।কারণ এখন সময় এসেছে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করা। নতুন কর্মসূচি এলে আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করার জন্য সবাইকে জোর অনুরোধ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি। "আল্লাহ্‌ হাফেজ"

শনিবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৪

চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য ৭টি ওয়েবসাইট।

চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য ৭টি ওয়েবসাইট।

চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য ৭ টি ওয়েবসাইট।  

চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য ৭টি ওয়েবসাইট।
চাকরি খোঁজার নির্ভরযোগ্য ৭টি ওয়েবসাইট।  

অনেকেই পড়া-লেখা শেষ করে এখনও পছন্দের চাকরি খুঁজে পায়নি। নিজেদের পছন্দের প্লাটফর্মে চাকরি খোঁজা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে বর্তমানে ইন্টারনেটের কল্যানে চাকুরী খোঁজা অনেকটা সহজ। এখন প্রায় দেশের সকল কোম্পানী গুলো অনলাইনে চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানী চাকরির বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে ইন্টরভিউও অনলাইনে আয়োজন করে থাকেন।

আজকে আমি আপনাদের কয়েকটি নির্ভরযোগ্য চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানাবো এবং আশাকরি খুব সহজে আপনি অনলাইনের মাধ্যমে আপনার পছন্দের চাকরি খুঁজে নিতে পারবেন।  

চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইটসমুহঃ

  1. বিডিজবস ডট কম (bdjobs.com)
  2. চাকরি ডট কম (chakri.com)
  3. কর্মবিডি ডট কম (kormo)
  4. রুটিরুজি ডট কম (rutiruji.com)
  5. বিডিজবস টুডে ডট কম (bdjobstoday.com)
  6. বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (bpsc.gov.bd)
  7. লিংকডইন (Linkedin)

১। বিডিজবস ডট কম (bdjobs.com)

বিডিজবস ডট কম এই চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট সম্পর্কে  আমরা সবাই কমবেশি জানি।  দেশের সবচেয়ে বড়ও জনপ্রিয় চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট বিডিজবস ডট কম। হিউম্যান রিসোর্চ, এডমিন, ম্যানেজার, ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রায় ৫০ টিরও বেশি ক্যাটাগরির চাকরি খোাঁজ করার ব্যবস্থা রয়েছে এখানে।এছাড়া এখানে জায়গা ভিত্তিতে অর্থাৎ, বিভাগীয় পর্যায়ে ফিল্টার করে চাকরি খোঁজা যায়। তাই আপনি রাজধানীর বাইরে থাকলেও অনলাইনের মাধ্যমে দেশের যেকোন বিভাগে চাকরির সন্ধান করতে পারেন।


২। চাকরি ডট কম (chakri.com)

বিডিজবস ডট কম-এর মত আরও একটি চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট চাকরি ডট কম। এখানেও ৫০টিরও বেশি ক্যাটাগরির চাকরি খোঁজা যায়। চাকরি ডট কম-এ আপনি স্থান ভিত্তিতে চাকরির খুঁজে নিতে পারেন। এখানে আপনি ক্যারিয়ার সম্পর্কিত বিভিন্ন কন্টেন্ট পাবেন যা আপনার স্কিল বাড়াতে অনেক সাহায্য করবে।


৩। কর্মবিডি ডট কম (kormo)

কর্ম বিডি মূলত  একটি  চাকরি খোঁজার অসাধারণ অ্যাপ। কর্ম অ্যাপে রেজিষ্ট্রেশন করলে আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন চাকরির তথ্য সামনে চলে আসে। এখানে আপনি একটি প্রফাইল/সিভি তৈরী করে বিভিন্ন চাকরির আবেদন করতে পারবেন খুব সহজেই। এখানে সিভি আপলোডও করে আবেদন করা যায়।


৪। রুটিরুজি ডট কম (rutiruji.com)

চাকরি খোঁজার ওয়েবসাইট রুটিরুজি ডট কম একটু ভিন্নরকম। এখানে আপনি রেজিষ্ট্রেশন করার পর আপনার পছন্দের চাকরির খবর ফোন বা এসএমএস-এর মাধ্যমে আপনার কাছে সয়ংক্রিয়ভাবে পৌঁছে দেবে এই পোর্টালটি। 


৫। বিডিজবস টুডে ডট কম (bdjobstoday.com)

মূলত বিভিন্ন পত্র-পত্রিকার চাকরির খবর গুলো এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। সরকারি-বেসরকারি প্রায ১৫টি চাকিরর ক্যাটাগরি রয়েছে এখানে।


৬। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (bpsc.gov.bd)

বাংলাদেশের সরকারি চাকরির বিজ্ঞাপন গুলো এই ওয়েবসাইটে পাওয়া যায়। এই ওয়েবসাইটে বিসিএস পরীক্ষা, ক্যাডার-নন ক্যাডার সহ সরকারী চাকরির অনলাইন আবেদনের অনলাইন রেজিষ্ট্রেশন হয়।


৭। লিংকডইন (Linkedin)

আমরা সবাই কমবেশি এই সোশ্যাল মিডিয়া সম্পর্কে জানি, বিশ্বের প্রায় প্রতিটি দেশে এখন চাকরির বিজ্ঞাপনও চাকরি খোঁজার জন্য লিংকডইন অনেক বেশি পরিচিত। চাকরি খোঁজার জন্য বা চাকরির বিজ্ঞপ্তির জন্য লিংকডইন ব্যবহার করে। অনেক বড় বড় কোম্পানী লিংকডইন এর চাকরি বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৪

সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫ মহাসমাবেশ আগামীকাল।

সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫ মহাসমাবেশ আগামীকাল।

সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫ মহাসমাবেশ আগামীকাল।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে ফের জোরালো আন্দোলন শুরু করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা। এরই অংশ হিসেবে গত শনিবার বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছিলাম। এবার মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আগামী ২৪ আগস্ট  শনিবার বেলা ১১টায় এ সমাবেশ করা হবে। এ দাবি মেনে দ্রুত প্রজ্ঞাপন দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তারা। ঢাকার আশেপাশে এবং ঢাকার মধ্যে যারা আছেন তাদের সবাইকে আন্দোলনে যোগদান করার জন্য অনুরোধ করা হলো। আগামিকাল কারা আন্দোলনে আসবেন কমেন্ট করে জানান। 

চাকরিপ্রার্থীরা জানিয়েছেন, ৩৫ প্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হবে। শাহবাগ প্রজন্ম চত্বরে বেলা ১১টায় এ কর্মসূচি পালন করবেন আপনারা সকলেই ১০ টার মধ্যে হাজির হবেন। জানা গেছে, বিভিন্ন চাকরির গ্রুপে এ বিষয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন চাকরিপ্রার্থীরা। চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে ফেসবুকে কয়েকটি পেজ এবং গ্রুপ খোলা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার যেহেতু ছাত্র আন্দোলনের ফলেই গড়ে উঠেছে সেহেতু চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫ নিয়ে এত তালবাহানা কেন? সরকার পতনের আন্দোলনে অনেক ছাত্রই ৩৫ আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছিল আজ তারা নিরব কেন? সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি এখন আমাদের সময়ের দাবি।  

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৩৫ বছর করার দাবি জানিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। শর্তসাপেক্ষে বয়সসীমা উন্মুক্ত করারও দাবি তাদের। এ সাতদিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন তারা। এরপরও দাবি না মানলে ২৪ আগস্ট মহাসমাবেশ করা হবে। এদিন উপদেষ্টার বাসবভন অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণাও দিয়েছেন তারা। 

আপনারা কমেন্ট করে জানাতে পারেন সরকারি চাকরির বয়স বৃদ্ধি ৩৫, ৪০ নাকি উন্মুক্ত কোনটিতে সমর্থন করেন। কারণ এখন সময় এসেছে যা করার এখনই করতে হবে। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে জোর অনুরোধ জানিয়ে এখানেই শেষ করছি। "আল্লাহ্‌ হাফেজ"

বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৪

পরীক্ষকরা যেভাবে খাতা দেখছেন। কত দিন সময় নিবে।

পরীক্ষকরা যেভাবে খাতা দেখছেন। কত দিন সময় নিবে।

পরীক্ষকরা যেভাবে খাতা দেখছেন। কত দিন সময় নিবে।
১৮ তম লিখিত রেজাল্ট

১৮ তম নিবন্ধন পরীক্ষার্থী ভাই বোনেরা আসসালামু আলাইকুম। আশা করি আপনারা সকলেই ভালো আছেন তবে এই মুহূর্তে যারা এই ভিডিও টি দেখছেন তারা সকলেই ১৮ তম রিটেন রেজাল্টের অপেক্ষায় আছেন। চলুন আজকের ভিডিও এর মাধ্যমে জানতে পারবেন বর্তমানে খাতা কোন পর্যায়ে আছে। 

প্রথম পরীক্ষক কতদিন ধরে খাতা দেখছেন।

কবে দ্বিতীয় পরীক্ষকের কাছে খাতা যাবে।

রেজাল্ট দিতে কত দিন সময় লাগবে। 

সরাসরি এনটিআরসিএ অফিসে গিয়ে দেখেছিলাম গত ১৯ তারিখ পর্যন্ত পরীক্ষকরা খাতা নিয়ে যাচ্ছিলেন। তারপরও কিছু খাতা সেখানে পড়ে ছিল। তবে ইতিমধ্যে সকল খাতা পরীক্ষকদের কাছে পৌঁছে গেছে। এমতাবস্থায় আমারা এনটিআরসিএ কর্মকর্তাদের কাছে জানতে চাই, কেবলমাত্র খাতা মূল্যায়নের কাজ শুরু হলো তাহলে ১৮ তম রিটেন রেজাল্ট কবে নাগাদ দেওয়া সম্ভব হবে।

এনটিআরসিএ এর পরিচালক মহাদয় জনাব মোঃ সাইফুল্লাহ আজম বলেন, আমরা পরীক্ষকদের নিকট খাতা দেওয়ার সময় পরীক্ষকদের সময় বেঁধে দিয়েছি। আমরা আগামি ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সকল খাতা এনটিআরসি তে জমা দেওয়ার কথা বলেছি। তিনি আরও বলেন , দেশে চলমান অবস্থা না থাকলে আমরা এই সময়ই রিটেন রেজাল্ট দেওয়ার প্রস্তুতি গ্রহণ করতাম। তবে একটু দেরি হলেও বেশি সময় লাগবে না আমরা সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে রেজাল্ট দিতে পারবো।  

এনটিআরসিএ এর নিয়ম অনুযায়ী প্রথম পরীক্ষক ১৫ এবং দ্বিতীয় পরীক্ষক ১৫ দিন খাতা মূল্যায়ন করেন। তাহলে প্রথম পরীক্ষক যদি ১৫ দিন সময় নিয়ে থাকে তাহলে অন্তত সেপ্টেম্বর মাসের ৫ তারিখ পর্যন্ত প্রথম পরীক্ষক খাতা দেখবেন এরপর দ্বিতীয় পরীক্ষক আরও ১৫ দিন সময় নিলে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলে যায়। কাজেই আমার মতে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পরীক্ষকরা সকল খাতা জমা দিতে পারবে না। 

তাহলে দেখা যায় ২০-২৫ সেপ্টেম্বরে সকল খাতা এনটিআরসিতে পৌঁছাবে এবং রেজাল্ট প্রস্তুত করতে আরও ৭-১০ দিন লাগবে। তাহলে হিসাব করলে দেখা যায় সেপ্টেম্বরের একদম শেষের দিকে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে রেজাল্ট দিতে পারে।

সবসময় দেখা যায় এনটিআরসিএ কথার বেলায় ষোলোআনা কিন্তু কাজের বেলায় গড়িমসি। তবে এবার দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হয়েছে। আশা করা যায় এবার যথাসময়ে রেজাল্ট দিতে পারবে। 

ভিডিও টি ভালো লাগলে লাইক দিন, এবং আপনার মতামত শেয়ার করুন। আর যে সকল ভাই বোনেরা এখনও সাবস্ক্রাইব করেননি তারা সাবস্ক্রাইব করে পাশেই থাকতে পারেন। আজ এখানেই বিদায় নিচ্ছি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। "ধন্যবাদ"