সর্বশেষ

Thursday, September 10, 2020

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

পেত্নি কি সত্যি সত্যিই চড়চড় করে মানুষের শরীরে মুতে দেয়?

ভূত প্রেত্নির গল্প কম বেশি সবার কাছে প্রিয়। ছোটোবেলায় নানা-নানী, দাদা-দাদীর কাছে ভূতের গল্প শুনতে সবাই ভালোবাসে রীতিমতো ভয়ও পায়। ভয়ের মধ্যেও যেন এক ধরনের মজা আছে। ভূত দেখেছেন এমন লোকের সংখ্যাও নেহাত কম নয়! সব মানুষই কম বেশি ভূত পেত্নী আছে বলে বিশ্বাস করে। ইচ্ছেমতো ভূত পেত্নি দেখা না গেলেও কিছু কিছু জায়গায় গেলে ভূত পেত্নি দেখা যায় বলে বিশ্বাস আছে। মানুষ ধারণা করে ভূতেরা সাধারণত ভাঙা পুরানো বাড়ি, গোরস্থান, শ্মশান, বট গাছ, গাব গাছ, শেওড়া গাছ, তাল গাছ, বাঁশ বাগান, বনের পুকুর পাড়ে প্রভৃতি জায়গায় বসবাস করে। কারণ এই জায়গাগুলোতে মানুষ কম যায়।    

পেত্নী কিন্তু দেখতে চাইলেই দেখা যায় না। পেত্নী কি আসলেই আছে? যদি থাকে, তাহলে তারা কোথায় থাকে? তাদের দেখতে কেমন? তাদেরকে কি ধরা যায়? বাড়িতে আনা যায়? কখন তাদের দেখতে পাওয়া যায়?আবার অনেকেই বলে থাকেন পেত্নি গাছের ডালে দুই পা ফাক করে দাঁড়িয়ে থাকে। কেউ কেউ বলে পেত্নির চুল গাছ থেকে মাটিতে ঝুলে  থাকে। রাতের বেলায় যদি কেউ ঐ গাছের তলা দিয়ে যায় তখন শয়তান পেত্নি চড়চড় করে তার মাথার উপর প্রসাব করে দেয়। কেউ কেউ বলে পেত্নির প্রসাব অত্যান্ত গন্ধ। আপনার কি কখনও এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে অথবা আপনি কি পেত্নি দেখেছেন। যদি দেখে থাকেন তাহলে এখনই কমেন্টের মাধ্যমে জানান। এখন আমরা ভূত পেত্নি সম্পর্কে আরও মজার মজার তথ্য জানবো তাই মনোযোগ দিয়ে ভিডিও টি দেখবেন। মোটেই স্কিপ করবেন। 

বাংলা সংস্কৃতিতে ভূত পেত্নি একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পুরাতন এবং নতুন উভয় বাংলা রূপকথায় প্রায়ই ভূত পেত্নির ধারণা ব্যবহার করা হয়। আধুনিক বাংলা সাহিত্যেও প্রায়ই ভূতের উদাহরণ পাওয়া যায়। বিশ্বাস করা হয়, ভূত হল সেই সব অশরীরি আত্মা যারা মৃত্যুর পরবর্তী জীবনে শান্তি খুঁজে পায়নি (যাদের অতৃপ্ত আত্মাও বলা হয়ে থাকে) বা পৃথিবীতে অস্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করেছে (যেমন খুন, আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনা)। এছাড়াও বিশ্বাস করা হয়, অন্যান্য জীবজন্তু বা প্রাণীও তাদের মৃত্যুর পরে ভূতে পরিণত হতে পারে। বাংলায় ভূতকে মাঝে মাঝে প্রেতাত্মা (সংস্কৃত) হিসেবেও উল্লেখ করা হয়। প্রেতাত্মার নারীবাচক শব্দকে পেত্নী হিসেবে এবং পুরুষবাচক শব্দকে প্রেত বলা হয়ে থাকে। 

পেত্নী হলো নারী ভূত যারা বেঁচে থাকতে কিছু অতৃপ্ত আশা ছিল এবং অবিবাহিতভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। পেত্নী শব্দটি সংস্কৃত প্রেত্নী শব্দ থেকে এসেছে (পুরুষবাচক শব্দ প্রেত)। এসব ভূত সাধারনত যে কোন আকৃতি ধারন করতে পারে, এমনকি পুরুষের আকারও ধারণ করতে পারে। এসব ভূত সাধারনত বেঁচে থাকতে কোন অপরাধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকে এবং মৃত্যুর পর অভিশিপ্ত হয়ে পৃথিবীতে বিচরণ করে। পেত্নীরা সাধারনত ভীষণ বদমেজাজী হয়ে থাকে এবং কাউকে আক্রোমনের পূর্ব পর্যন্ত স্পষ্টতই মানুষের আকৃতিতে থাকে। পেত্নীদের আকৃতিতে একটিই সমস্যা রয়েছে, তা হলো তাদের পাগুলো পিছনের দিকে ঘোরানো। 

আপনি কি জানেন পেত্নি কত প্রকার ও কি কি। এখন জানবো বিভিন্ন প্রকার পেত্নির সম্পর্কে। 

শাকচুন্নি: শাকচুন্নি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ শঙ্খচূর্ণী থেকে এসেছে। এটা হলো বিবাহিত মহিলাদের ভূত যারা বিশেষভাবে তৈরি বাঙ্গালি শুভ্র পোশাক পরিধান করে এবং হাতে শঙ্খ বা শাঁখা পরিধান করে। শাঁখা হলো বাঙ্গালি বিবাহিত হিন্দু মহিলাদের প্রতীক। শাকচুন্নিরা সাধারনত ধনী বিবাহিত মহিলাদের ভেতর ভর করে বা আক্রমণ করে যাতে করে তারা নিজেরা সেই মহিলার মত জীবন যাপন করতে পারে ও বিবাহিত জীবন উপভোগ করতে পারে। লোকগাঁথা অনুসারে তার আম গাছে বসবাস করে।

চোরাচুন্নিঃ চোরাচুন্নি অত্যন্ত দুষ্ট ভূত। এরা মানুষের অনিষ্ট করে থাকে। সাধারনত কোন চোর মৃত্যুবরণ করলে চোরাচুন্নিতে পরিনত হয়। পূর্ণিমা রাতে এরা বের হয় এবং মানুষের বাড়িতে ঢুকে পড়ে অনিষ্ট সাধন করে। এদের হাত থেকে বাঁচার জন্য বাড়িতে গঙ্গাজলের (হিন্দু সংস্কৃতিতে গঙ্গা জলকে পবিত্র জল হিসেবে বিবেচনা করা হয়) ব্যবস্থা করা হয়।।

মেছোভূতঃ এ ধরনের ভূতেরা মাছ খেতে পছন্দ করে। মেছো শব্দটি বাংলা মাছ থেকে এসেছে। মেছো ভূত সাধারনত গ্রামের কোন পুকুর পাড়ে বা লেকের ধারে যেখানে বেশি মাছ পাওয়া যায় সেখানে বসবাস করে। মাঝে মাঝে তারা রান্নাঘর বা জেলেদের নৌকা থেকেও মাছ চুরি করে খায়। বাজার থেকে কেউ মাছ কিনে গাঁয়ের রাস্তা দিয়ে ফিরলে এটি তার পিছু নেয় এবং নির্জন বাঁশঝাঁড়ে বা বিলের ধারে ভয় দেখিয়ে আক্রমণ করে মাছ ছিনিয়ে নেয়।

নিশিঃ ভূতদের মধ্যে অন্যতম ভয়ংকর হলো নিশি। অন্যান্য ভূত সাধারণত নির্জন এলাকায় মানুষকে একা পেলে আক্রমণ করে, কিন্তু নিশি গভীর রাতে শিকারকে তার প্রিয় মানুষের কন্ঠে নাম ধরে ডাকে এবং বাইরে বেরকরে নিয়ে যায়। নিশির ডাকে সারা দিয়ে মানুষ সম্মোহিত হয়ে ঘরের দরজা খুলে বেরিয়ে পড়ে, আর কখনো ফিরে আসে না। মনে করা হয় তারা নিজেরাও নিশিতে পরিনত হয়। কিছু কিছু তান্ত্রিক অন্যের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেয়ার জন্য নিশি পুষে থাকে। লোককাহিনী অনুসারে নিশিরা কোন মানুষকে দুবারের বেশি ডাকতে পারে না, তাই কারো উচিত কেউ তিনবার ডাকলে বের হওয়া তাতে নিশির আক্রমণের ভয় থাকে না।

বেঘোভূতঃ এরা হলো সেইসব মানুষের আত্মা যারা বাঘের আক্রমণে মৃত্যুবরণ করেছে বলে বিশ্বাস করা হয়। সাধারনত সুন্দরবন এলাকায় এধরনের ভূতের কথা বেশি প্রচলিত কারণ বাঘের অভাশ্রম হলো সুন্দরবন। এসব ভুতেরা জঙ্গলে মধু আহোরনে আগত গ্রামবাসীদের ভয় দেখায় এবং বাঘের সন্নিকটে নিয়ে যেতে চেষ্টা করে। মাঝে মাঝে এরা গ্রামবাসীদের ভয় দেখানোর জন্য বাঘের স্বরে ডেকে উঠে।

ডাইনীঃ ডাইনী মূলত কোন আত্মা নয়, এরা জীবিত নারী। বাংলা লোকসাহিত্যে সাধারনত বৃদ্ধ মহিলা যারা কালো জাদু বা ডাকিনীবিদ্যাতে পারদর্শী তাদেরকেই ডাইনি বলা হয়ে থাকে। এটা বিশ্বাস করা হয় যে, ডাইনীরা গ্রামের ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের ধরে নিয়ে তাদের হত্যা করে এবং তাদের হাড়, মাংস ও রক্ত খেয়ে ১০০ বছর বেঁচে থাকে।।


কিন্তু বিজ্ঞান বলে ভিন্ন কথা। বিজ্ঞানের কাছে আগুনের পাঁচ পা দেখা, রাতে বট গাছে বিশাল লম্বা সাদা মানুষ দেখা, কবরস্থানের পাশ দিয়ে চলার সময় ঘাড় মটকে দেওয়া সবই কল্পনা। এগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই। বিজ্ঞান মনে করে ভূতের অস্তিত্ব নেহাৎ একটি কাল্পনিক ব্যাপার। ভূত দেখার ঘটনা মন বা চোখের বিভ্রম ছাড়া কিছুই না। কোনো জিনিসকে অবিকল যা আছে তা আমরা নাও দেখতে পেতে পারি, যদি আমাদের মন ও চোখ তাকে গুরুত্ব না দিয়ে ভিন্ন কিছু দেখতে বা ভাবতে চায়।

মরুভূমিতে যে মরীচিকা দেখা যায় সেও এক রকম চোখের বিভ্রম। জলের পিপাসা যখন বেশি পায় তখন বিশাল মরুভূমিকে সামনে দেখেও আমাদের মনে হয় যেন বিশাল পুকুর।

এক ধরনের বিভ্রমকে বলা হয় মতিভ্রম বা মায়া। ইংরেজিতে একে বলে হ্যালুসিনেশন। এই মতিভ্রম যখন ঘটে তখন মনের উপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয়। ফলে আমরা যা দেখার নয়, তাই দেখি। তাই, বিজ্ঞানীরা মনে করেন বাস্তবে ভূত পেত্নী বলে কিছু নেই। যা আছে তা পুরোটাই আমাদের মনের বিভ্রম।

এখন আপনার মন্তব্যের পালা। আপনি কি নিজের চোখে ভূত পেত্নি দেখেছেন। দেখে থাকলে কমেন্টের মাধ্যমে জানান। আর আপনি যদি ভূত প্রেতে বিশ্বাস না করে থাকেন তাহলে সেটাও কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। ভিডিও টি যদি ভালো লাগে তাহলে সিমপ্লি একটা লাইক দিন। আর আপনি যদি এমনই রহস্যময়, রোমাঞ্চকর, অদ্ভুত, অলৌকিক, ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন তাহলে আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে পাশে থাকা বেল বাটনটি বাজিয়ে দিন। আগামীতে আরও সুন্দর ভিডিও পাওয়ার অপেক্ষায় সেই পর্যন্ত ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।    

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 



কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিই কিন্তু গাধা প্রচন্ড চালাক প্রাণী।

সুপ্রিয় ভিউয়ারস আমরা কথায় কথায় মানুষকে গাধা বলে গালি দিয়ে থাকি। অর্থাৎ আমরা মানুষকে গাধার সাথে তুলনা করি।  কিন্তু আমরা কখনও কি ভেবেছি  এই গাধা শব্দটি কেন ব্যবহার করি। আসলে গাধা শব্দটি ব্যবহার করা কি ঠিক? আপনি মনের অজান্তেই কাউকে না কাউকে গাধা বলে গালি দিয়েই যাচ্ছেন। কিন্তু এটা আমাদের একটি বড় ভুল। কারণ আমরা যে অর্থে গাধা বলে থাকি গাধা কিন্তু গাধায় নয়। বুঝলেন নাতো? আপনার ভুল ধারনাটি পাল্টে দিতে এই কন্টেন্ট সম্পূর্ণ পড়তে  হবে। তো আর ভঙ্গিতা না করে শুরু করা যাক। 

গাধা একটি নিরীহ প্রাণী। এরা মানুষের অত্যন্ত অনুগত।কারো ক্ষতি করে না। মানুষ অপমান বা ভদ্র ভাষার গালি হিসেবে গাধা শব্দটি ব্যবহার করে। এগুলো আমরা সবাই জানি।‘গাধা’ শব্দটা আমরা বেশি ব্যবহার করি নেতিবাচক অর্থে। কিন্তু গাধা কর্মঠ, বুদ্ধিমান এবং উপকারী প্রাণীও বটে। এটা সবাই কি জানি? হয়তো জানি না, হয়তো জানলেও গাধা শব্দটা বলতে, ব্যবহার করতে ভালো লাগে।

তাই যদি না হোতো, তাহলে ক্লাসে পড়া না পারলে শিক্ষকরা বলতেন না গাধা, অফিস বা নিজ কর্মক্ষেত্রে বেশি কাজ করলে কেউ বলতেন না গাধার মতো খাটছিস কেন, কোনো কথা বুঝতে না পারলে, কোনো কাজ ঠিকমতো না করতে পারলে তাকে বলতো না ‘গাধা’। আসলে আমরা গাধা বলতে বোকাসোকা, নির্বোধ, হাফপাগল, মানুষদেরকে বলে থাকি তা কিন্তু নয় কথায় কথায় চতুর লোক কেউ গাধা বলে থাকি। তার মানে গাধার যত দোষ সব মানুষের ঘাড়ে চাপায়।  এটা যেন একটা মুদ্রা দোষে পরিণীত হয়েছে। 

কিন্তু এ প্রশ্ন করা যেতেই পারে যে গাধারা কতটুকু ‘গাধা’। আপনি কি জানেন গাধারা আসলেই নির্বোধ বা বোকা কিনা? আপনি যদি না জানেন তাহলে কথায় কথায় গাধা বলে গালি দেন কেন?  আসলে কি এই উপকারী প্রাণীটির নাম ব্যবহার করে কাউকে অপমান করা উচিত?

আপনারা গাধাকে যতটা বোকা ভাবেন গাধা কিন্তু তার চেয়েও শতগুন চালাক। আপনি কি জানেন ঘোড়ার চেয়ে গাধা বেশি শক্তিশালী এবং বেশি চালাক। হি হি আপনি মনে হয় আগে জানতেন না। এখনই বধহয় জানলেন। এমনকি গাধা গানও গাইতে পারে।   

তাহলে এখন আসা যাক গাধারা কী করে, কী করতে পারে সেসব বিষয়ে।ঘোড়া আমরা সবাই চিনি। গাধাকে ঘোড়ার ছোট সংস্করণ বললে খুব বেশি ভুল হবে না। অথচ, একটি গাধা একই আকারের একটি  ঘোড়া থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী প্রাণী। গাধার অবিশ্বাস্য স্মৃতিশক্তি আছে। তারা পর্যন্ত ২৫ বছর আগের এলাকা এবং অন্য গাধাদের তারা চিনতে পারে। গাধা প্রচণ্ড জেদি এবং আত্মরক্ষা করার প্রবল ক্ষমতা আছে। গাধাকে ভয় দেখিয়ে বা জোর করে কোনো কাজ করিয়ে নেওয়া খুব কঠিন ব্যাপার।  কোনো ঘটনায় গাধা সহজে চমকে ওঠে না। এরা প্রখর কৌতূহলী। গাধার চিন্তাধারা ঘোড়া থেকে স্বাধীন এবং তাদের নিজের নিরাপত্তার দিকে খেয়াল রেখে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

একটি গাধা মরু পরিবেশে ৬০ মাইল দূরে থেকে অন্য গাধার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে। ঘোড়ার চেয়ে তাদের আছে অনেক বড় কান, যা তাদের শীতল রাখতে সহায়তা করে। গাধা একা থাকতে পছন্দ করে না। সঙ্গী হিসেবে অন্য প্রাণী তাদের পছন্দ।

পশুপালকদের কাছে গাধা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। একজন দক্ষ পশুপালক পশুদের নেতা হিসেবে শক্তিশালী গাধাকে বেছে নেবেন। কারণ, খামারে পালন করা পশুরা অন্য হিংস্র পশু দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কিন্তু গাধা নেকড়ে বাঘ বা অন্য শিকারীর হাত থেকে সবাইকে রক্ষা করতে পারে সংকেত জানিয়ে।

বিশ্ব সভ্যতার ঐতিহ্য গড়তেও গাধাদের ভূমিকা কম নয়। কারণ, ভারি সব উপকরণ বহন করতে ব্যবহার করা হয়েছে গাধাকে। মিশরীয় ঐতিহ্যবাহী স্থাপনাগুলোর অধিকাংশ ধাতু বহন করা হয়েছিল গাধার মাধ্যমে। শুধু তাই না, গ্রিসে সংকীর্ণ পথের ওপর কাজ করার জন্যও গাধা ব্যবহার করা হইয়েছিল গাধাকে।

রোমান আর্মিরা গাধাকে কৃশিপালিত ও পণ্য বহনকারী প্রাণী হিসেবে ব্যবহার করতো। ভারতের মরু অঞ্চল রাজস্থান ও জয়পুরে অন্যতম বাহন গাধা। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মালামাল নিয়ে এরা সহজে চলাফেরা করতে পারে।গাধারা বিশ্বের বহু অঞ্চলে জল, জ্বালানি কাঠ সংগ্রহ, জমি চাষ এবং পরিবহন বাজারে উত্পাদনে সাহায্য করতে ব্যবহার করতো।

গাধা গবাদি পশু, ভেড়া এবং ছাগলকে পাহারা দেয়। বন্য কুকুর থেকে রক্ষা করতে গাধা তাদের সতর্ক করে দিতে পারে। গাধা পানি সম্পর্কে খুব সচেতন। তাই পরিষ্কার পানি অপরিহার্য। সে প্রতিদিন ১০ থেকে ২৫ লিটার পানি পান করে। সে কখনও নোংরা পানি খেতে চায় না। গাধারা মাঠ থেকে খুব ভাল তাজা সবুজ ঘাস খেতে সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এবং সেটা সারাটা দিনও হতে পারে! গাধারা তাদের বাচ্চাদের খুব ভালোবাসে। অন্য প্রাণীদের মতো তারা লাথি মারে না। তারা তাদের বাচ্চাদের বুদ্ধিমান প্রাণীদের মতো আগলে রাখে। নিজের বাচ্চা ছাড়াও তাদেরকে অন্য প্রাণীর দায়িত্ব নিতে দেখা যায়।

এমন কি প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে তাদের সঙ্গ দেওয়ার কথাও জানা যায়। প্রতিবন্ধীরা গাধাদের সঙ্গে সময় কাটালে মানসিকভাবে অনেক সুস্থবোধ করে! অসুস্থ ঘোড়াদের সঙ্গীও কিন্তু গাধা! কোনো আহত বা অসুস্থ ঘোড়াকে রাখা হয় গাধার সঙ্গে! একটা ঘোড়া থেকে একটি গাধা খুব বেশি পরিছন্ন প্রাণী। তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া খুবই সহজ। প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে তারা খুবই কম সময় নেয়।

গাধা কোনো দিক দিয়েই আমাদের জন্য ক্ষতিকর প্রাণী নয়। তারা মানুষ ও পশুকে শুধু উপকারই করে। গাধাদের বোকা প্রাণী বলা হলেও, উপরের তথ্যগুলো জানার পর নিশ্চয় কেউ গাধাকে শুধু বোকা বলবেন না। কথায় কথায় একে অন্যকে ‘গাধা’ বলার আগে নিশ্চয় একবার ভাববেন।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 


Thursday, August 13, 2020

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

কাদা দিয়ে গোসল এক আজব প্রথা।

হ্যালো বন্ধুরা কাদা দিয়ে গোসল করা পূর্বে একথা টি কখনও কি শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন তবে আজকের এই  আর্টিকেলটি একটি অসাধারণ ভিডিও হতে চলেছে যা আপনি আগে হয়তো কখনও দেখেননি ও শোনেন নি। তো  চলুন শুরু করা যাক।

এই কাদা স্নান বিশেষ করে রিসোর্ট ও লেকের ধারে করা হয়। এটিকে এক ধরণের থেরাপিও বলা চলে। আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি এই কাঁদা দিয়ে গোসল করা হয় । এছাড়াও প্রাচীনকাল থেকেই ইউরোপের অনেক দেশেই কাদা  দিয়ে গোসল করার প্রথা রয়েছে।

কাদা দিয়ে কেন মানুষ গোসল করে এর রহস্যই বা কি? 

কাঁদা দিয়ে গোসল করলে শরীর আসলেই কি ভালো থাকে? কাদা দিয়ে যারা গোসল করেন তারা বিশ্বাস করেন কাদা ত্বক, পেশী ও জয়েন্টগুলি ব্যাথা নিরসনের জন্য বেশ ভুমিকা পালন করে।

"প্রাচীন কাল থেকেই কাদা দিয়ে গোসল করার প্রথা ছিল। "কিছু লোক বিশ্বাস করে কাদা স্নানের আধ্যাত্মিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এগুলি মানসিক চাপ, জয়েন্টে ব্যথা, বাতের ব্যথা এবং ত্বকের কিছু অসুস্থতা থেকে মুক্তি দেয় বলেও তারা মনে করেন। কিছু লোক অনাবৃত ও শরীরকে শিথিল করার জন্য কাদা দিয়ে গোসল করে থাকেন।

কাদা স্নান কি?  

কাদা স্নানগুলি স্পা এবং রিসর্টগুলির দ্বারা প্রদত্ত চিকিত্সা।  এই কাদা রান্না করা কচুর শাকের মতো দেখতে হয়। এই চিকিৎসা ব্যবস্থায় কাদার মধ্যে থেরাপিউটিক বৈশিষ্ট্য ও নির্দিষ্ট কিছু উপাদান রয়েছে।

কেন কাদা স্নানকে চিকিত্সা হিসাবে বিবেচনা করা হয়?

কাদা স্নানের মধ্যে সালফার, দস্তা, ম্যাগনেসিয়াম এবং ব্রোমিন জাতীয় খনিজ পদার্থ থাকে। যার মাধ্যমে ত্বকের মলিনতা দূর করে, মৃত কোষগুলোকে জাগ্রত করে, বাতের ব্যথা উপশম করে,পেশি ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে। একজিমা এবং সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের অবস্থার উন্নতি করে।

কাদা কি আসলে থেরাপিউটিক?

এটি মূলত নির্ভর করে কাদার গুনাগুন ও উপাদানের মাধ্যমে। "একটি কাদা স্নানের উপাদানগুলির মধ্যে সাধারণত উষ্ণ খনিজ জল, আগ্নেয়গিরির ছাই, জৈব পিট, হ্রদ কাদা বা নুনের জল অন্তর্ভুক্ত থাকে। প্রতিটি সংমিশ্রণের পরিবর্তনশীল প্রভাব রয়েছে।"

কাদা স্নানের উপকারিতাঃ

ডাঃ হার্ভে বিশ্বাস করেন যে কাদা স্নানের সবচেয়ে বড় সুবিধা হ'ল মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। উষ্ণ, নরম কাদায় বসে পেশীগুলি শিথিল করতে এবং মনকে প্রশান্ত করতে পারে, যা ত্বকের কিছু উপকার দিতে পারে।

আপনার মানসিক চাপ কমাতে এবং স্নায়ুগুলিকে শান্ত করার সাথে সাথে ত্বকের কিছু নির্দিষ্ট অবস্থার উন্নতি হতে পারে। "স্ট্রেস শরীরে কর্টিসল বাড়িয়ে তোলে যা ত্বকে প্রদাহ বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্ট্রেস হ্রাস দ্বারা একজিমা, সোরিয়াসিস এবং ব্রণ থেকে উপকৃত হতে পারেন।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ 

Friday, July 17, 2020

Fart fact is big fact.

Fart fact is big fact.

Fart fact is big fact.

What is a fart?

Fart is an essential daily function of mammals.Fart coming out of the anus is a very common word. There is no man on earth who has not fart yet. Small-big, rich-poor, common people-celebrities all do this job perfectly. Many people have written their name in Guinness Book of World Records by farting.


Authentic definition of foot?

According to the experts: the fart, the compressed annus, the ishit expands and sometimes comes out in its own words, sometimes in silence, forcing the human race to wrinkle its nose, it is called fart.

In simple terms: the special process by which the evil air hidden in the stomach is expelled from the anus is called the fart. Being a fart is a very important approach for mankind.

Fart in scientific terms: The methane gas that is produced inside our stomach due to various magic tricks of the digestive system is called fart in scientific terms.


Different types of fart: 

The different types of fart can be discussed in detail below: -

Foss fart: Another name is Gentleman's fart. The fart comes out after not being able to hold it for a long time. The smell is so bad.

Dhoom fart: It is basically for those who are not ashamed of fart. As soon as they felt gas in their stomach, they let it out loud. Because it does not ferment, it usually does not smell.

Silent fart: Its other name is Churapad. This is the next step in keeping the toilet closed for a long time. The fart is more dangerous than the Hiroshima bomb. 

Sour fart: When left unmanaged, they can be left astray and lose the right path. It can be called the god father of fart. 

Tanning fart: This fart is when the toilet is tanned. This fartt is as difficult as the toilet. If it is given, there is a possibility of breaking the secret door. There is a lot of smell. However, due to the low water content, the smell does not last long.

Almond / Egg fart: This fart is made by eating the yolk of almond or boiled egg. It usually smells like nuts / eggs / beetle, almost impossible to separate! Smells for a long time. If there is gas in the stomach of people on bus or train, many people eat it wisely. After eating, he tried to cover the smell of his fart.

Soup fart: This fart is used during diarrhea. Given the moment of movement is a little risky. At any time, the pants can be rubbed with yellow glue. Its word is usually ‘ferfed’ or ‘varvar’.

Conclusion: The importance of fart in human life is immense. Methane gas would accumulate in the stomach of a person if he could not step on it. And then people would fly into space. Let us adorn the fart as the national wind.

Wednesday, July 15, 2020

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

বিছানায় ঝড় তুলতে গিয়ে,খাট ভেঙে হাসপাতালে ভর্তি দম্পতি।

স্ত্রীর প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়েই বড় ধরনের সমস্যায় পড়েন তার হাসব্যান্ড। দাম্পত্য জীবনে আনন্দ ফিরিয়ে আনতে বরের কাছে স্ত্রীর এক বিশেষ আবেদন।

স্ত্রীকে সামান্য সুখ দিতে স্বামীও একটু সাড়া দেন। তখনি ঘটে যায় বিপত্তি। তাহলে নাটক না করে ঘটনাটি খুলে বলি - স্ত্রীর দেয়া ‘বিশেষ তেলে’ বাড়বে শা-রীরিক সুখ। স্ত্রীযদিও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের বি’পদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন তিনি।

ভারতের মহারাষ্ট্রে এই ঘটনাটি ঘটেছে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা যায়,সম্প্রতি ভারতের মুম্বাই মহারাষ্ট্রের এক যুবক তার স্ত্রীর  বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন।

ওই যুবক ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কাজ করেন। কিছুদিন আগে ছুটির সময়ে তিনি নিজের বাড়িতে আসেন। আর সেই সময়ে ঘটে এই বিপত্তি।