সর্বশেষ

সোমবার, ৬ জুন, ২০২২

আপনি জানেন কি আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

আপনি জানেন কি আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

 অণ্ডকোষ সম্পর্কে অজানা তথ্যঃ 

আপনি জানেন কি আপনার দুই ঠ্যাং এর নিচে ঝুলে আছে ৫০ লক্ষ টাকা।

সৃষ্টিকর্তা এই পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টি করেছেন এবং তাদেরকে প্রজনন ক্ষমতা দিয়েছেন, যাতে তারা নিজেরা নিজেদের মতো করে জনসংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারেন । উভয় পুরুষ এবং মহিলাদের তাদের নিজস্ব আলাদা প্রজনন সিস্টেম আছে। এবং যখন কোনো পুরুষ এবং মহিলা, উভয় পরস্পরের সাথে মিলন ঘটে তখন উভয়ের প্রজনন ক্ষমতার বিনিময়ে একটা নতুন জীবনের জন্ম হয়। তাই আজ আমরা পুরুষদের প্রজনন সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পর্কে কথা বলব। যা আমরা টেস্টিকলস বা অণ্ডকোষ হিসাবে জানি।

অন্ডকোষ বা টেস্টিস, পুরুষদের গোপন অংশে থাকা এক রকমের থলি। গোল বা উপবৃত্তাকার দুটি অন্ডকোষ পুরুষদের এই থলির মধ্যে থাকে। এই অন্ডকোষ লক্ষ লক্ষ শুক্রাণু বা স্পার্ম তৈরী করে ও সেগুলিকে সুরক্ষিত রাখে। এ ছাড়া, তারা টেস্টোস্টেরোন হরমোনও তৈরি করে, যা এমন একটি হরমোন যার থেকে পুরুষরাশুক্রাণু উৎপাদন করতে সক্ষম হয়। এছাড়াও টেস্টোস্টেরন, পুরুষদের পেশী এবং চুলের জন্য অপরিহার্য।

আপনি জানেন কী আপনার একটি অণ্ডকোষের দাম ৬০ হাজার ডলার? মানে আপনার দুই পায়ের ফাঁকে ঝুলে আছে প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা। ১৯৬০ এর দশক থেকে, অঙ্গ প্রতিস্থাপন বা ট্রান্সপ্ল্যান্ট প্রযুক্তির উত্থানের পরে পুরুষের অণ্ডকোষের ব্যাপক চাহিদা পেতে থাকে।
 
আন্তর্জাতিক এক সংস্থার গবেষনার মতে মানব অংগগুলোর প্রতিস্থাপনের অধীনে এই বিচি বা অন্ডকোষ প্রতিস্থাপনের ব্যায়ই হচ্ছে প্রায় ৬০,০০০ ডলার। 

সোজা হিসেবে আপনার দুই ঠ্যাং এর মাঝখানে ৬০,০০০ ডলার বা ৫০ লক্ষ টাকা নিয়া ঘুরতেছেন। 
এর মানে আপনি যখনি আপনার বিচি ঝুলাচ্ছেন, চুলকাচ্ছেন, ঘষছেন, নাড়াচ্ছেন তার অর্থ আপনি প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়ে  নাড়াচাড়া করছেন বা খেলা করছেন। 

আজ থেকে নিজেরে ফকির না ভেবে কোটিপতি হিসেবে বিবেচনা করুন। বেশি করে বিচির যত্ন নিন।  

ভিডিও টি দেখুনঃ 

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২

হার্ট ভালো করার ছোট দোয়া।

হার্ট ভালো করার ছোট দোয়া।

 হার্ট ভালো করার ছোট দোয়া। 

হার্ট ভালো করার ছোট দোয়া।


মানুষের প্রত্যেকটি অঙ্গই গুরুত্বপূর্ণ। একটি রেখে আরেকটি কে ভাবা প্রায় অসম্ভব। তবে তার মধ্যে থেকে শরীরের কিছু অঙ্গ আছে যেগুলো সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে হার্ট বা হৃদপিণ্ড অন্যতম। এ হৃদপিণ্ড সম্পর্কে হাদিস শরীফে এসেছে যে, মানুষের শরীরের বুকের বাম পাশে একটি গোস্তের টুকরো আছে, যার এই একটিমাত্র গোশতের টুকরো সুস্থ থাকবে, তার সমগ্র শরীরই সুস্থ থাকবে। আর যার এই গোস্তের টুকরোটি অসুস্থ হয়ে পড়বে, তার পুরো শরীরই অসুস্থ হয়ে পড়বে। আর এই হার্টকে সুস্থ রাখার জন্য সবচেয়ে উত্তম কাজ হলো বেশি বেশি আল্লাহর জিকির করা।  
 
বর্তমান সময়ে মানুষের শরীরের এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটি হার্ট বা হৃদপিণ্ড সবচেয়ে বেশি রোগ-ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। হার্ট বা হৃদপিণ্ডের ব্যথা বা জ্বালা করা অথবা ধড়ফড় করলেই সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। কোনভাবেই রোগটিকে হালকা ভেবে বসে থাকা চলবে না। 

তবে পবিত্র কোরআনের আমলেও হৃদপিণ্ডের ব্যথা ও ব্যধি থেকে মুক্ত থাকা যায়। যারা নিয়মিত কুরআন তেলোয়াত করবে আল্লাহ তাআলা তাদের হৃদপিণ্ডের ব্যথাসহ যাবতীয় রোগ-ব্যধিগুলো দূর করে দেবেন। এছাড়াও কোরআন পাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ আয়াত আছে যা নিয়মিত পাঠ করলে হার্টের রোগ ভালো হয়ে যায়। হার্ট ভালো করার দোয়াটি হলঃ   

উচ্চারণ : আল্লাজিনা আমানু ওয়া তাত্বমাইন্নু ক্বুলুবুহুম বিজিকরিল্লাহি আলা বিজিকরিল্লাহি তাত্বমাইন্নুল ক্বুলুবু।’ (সুরা রাদ : আয়াত ১৩)

কোন ব্যক্তি সুরা রাদের উল্লেখিত আয়াত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের শেষে নিয়মিত ৪১ বার পাঠ করবে, আল্লাহ তাআলা তার হার্ট বা হৃদপিণ্ডের ব্যথা ও রোগ-ব্যধি সহজেই দূর করে দেবেন। 
আয়াতের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী বেশি বেশি জিকির করার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। অতএব আল্লাহর জিকির ও কুরআনের আমলই মানুষকে হার্ট বা হৃদপিণ্ডের সকল প্রকার রোগ-ব্যধি ও ব্যথা থেকে মুক্ত রাখতে পারে। 
  

আল্লাহ তাআলা সকল মুসলিম জাতিকে হার্ট বা হৃদপিণ্ডের যত্ন নেয়ার পাশাপাশি নিয়মিত জিকির ও কুরআনের আমল করার তাওফিক দান করুন। বুকের সব   ধরনের ব্যথা থেকে সকলকে হেফজাত করুন। আমিন। 

মঙ্গলবার, ২২ মার্চ, ২০২২

২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।

২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।

২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।


২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকাটি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি। এই আর্টিকেলে ২০২১ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নামের তালিকা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হল যেগুলো আগত সকল প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষাতে খুবই কাজে লাগবে। কাজেই দেরি না করে ঝটপট মুখস্থ করে ফেলুন।   
 
১৯০১ সাল থেকে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের সম্মানে এবং নামানুসারে মোট ছয়টি বিষয়ে (পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাশাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য ও শান্তি) নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়ে আসছে। ২০২১ সালে সাহিত্যে, চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, শান্তি, রসায়ন ও অর্থনীতিতে অবদানের জন্য নোবেল জেতেন মোট ১৩ জন ব্যক্তিত্ব।

২০২১ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ    

২০২১ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীঃ   

২০২১ সালে চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য এ বছরও নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হলেন তিন বিজ্ঞানী। ২০২১ সালে চিকিত্সায় নোবেল পুরস্কার পেলেন ডেভিড জুলিয়াস এবং আর্দেম পাতাপাউসিয়ান ( দুজনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা)।

 
২০২১ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ  

২০২১ সালের পদার্থ বিজ্ঞানে  নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মোট তিন জন । প্রাপকরা হলেন –  সাইকুরো  মানাবে (জাপান), ক্লাউস হাসেলম্যান (জার্মানি)  এবং  জর্জিও পারিসি (ইতালি)।

 
২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ 

২০২১সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হলেন আব্দুলরজাক গুরনাহ(তানজানিয়া)
২০২১ সালে রসায়ন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ   
নোবেল পুরস্কার ২০২১ এ রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ডেভিড ডব্লিউ সি ম্যাকমিলান (স্কটল্যান্ড) এবং বেঞ্জামিন লিস্ট (জার্মানি)

২০২১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীঃ  

2021 সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পেলেন দমিত্রি মুরাতভ (রাশিয়া) এবং মারিয়া রেসা (ফিলিপিন্স)

২০২১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ীঃ 

২০২১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন  মোট তিন জন অর্থনীতিবিদ তাঁরা হলেন – ডেভিড এডওয়ার্ড কার্ড, গুইডো উইলহেলমাস এবং জোশুয়া ডেভিড অ্যাংরিস্ট ( তিন জনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা) 

 
১। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন কে ? তিনি কোন দেশের নাগরিক?  
উত্তরঃ ২০২১ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন আব্দুল রাজাক গুরনাহ
 তিনি হলেন তানজানিয়া নাগরিক।   
 
২। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী কে? 
উত্তরঃ ২০২১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার যৌথভাবে পেলেন দমিত্রি মুরাতভ (রাশিয়া) এবং মারিয়া রেসা (ফিলিপিন্স) 
 
৩। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তারা কোন দেশের নাগরিক? 
উত্তরঃ ২০২১ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেলেন  মোট তিন জন অর্থনীতিবিদ তাঁরা হলেন – ডেভিড এডওয়ার্ড কার্ড, গুইডো উইলহেলমাস এবং জোশুয়া ডেভিড অ্যাংরিস্ট ( তিন জনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা)  

৪। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে পদার্থে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তারা কোন দেশের নাগরিক?  
উত্তরঃ ২০২১ সালের পদার্থ বিজ্ঞানে  নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন মোট তিন জন । প্রাপকরা হলেন –  সাইকুরো  মানাবে (জাপান), ক্লাউস হাসেলম্যান (জার্মানি)  এবং  জর্জিও পারিসি (ইতালি)। 

৫। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে রসায়নে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা?  তাঁরা কোন দেশের নাগরিক?  
উত্তরঃ নোবেল পুরস্কার ২০২১ এ রসায়নে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ডেভিড ডব্লিউ সি ম্যাকমিলান (স্কটল্যান্ড) এবং বেঞ্জামিন লিস্ট (জার্মানি)। 

৬। প্রশ্নঃ ২০২১ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তাঁরা কোন দেশের নাগরিক? 
উত্তরঃ ২০২১ সালে চিকিত্সায় নোবেল পুরস্কার পেলেন ডেভিড জুলিয়াস এবং আর্দেম পাতাপাউসিয়ান ( দুজনেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাসিন্দা)।
একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review.

একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review.

 একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review. 


ইগর নামের একজন ব্যক্তি তিনি বিদেশে একটি জব পায়। তিনি তার একমাত্র বিশ্বস্ত পোষা প্রাণী পালমা নামের এক কুকুরকেও সাথে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু প্লেনে ওঠার আগে নীনা নামের একজন ক্রু মেম্বার ইগর কাছে তার পোষা কুকুরের মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখতে চাই।  কিন্তু ইগোর চেক করে দেখে যে সে তার কুকুরের মেডিকেল সার্টিফিকেট আনতে ভুলে গিয়েছে। তখন ইগর কে তাড়াতাড়ি করে এয়ারপোর্টে থাকা মেডিকেলে যেতে বলেন যাতে করে সে সেখান থেকে একটি মেডিকেল সার্টিফিকেট তৈরি করতে আনতে পারে। ইগর তখন পাল মাকে নিয়ে সেই মেডিকেলে চলে যায় কিন্তু ডক্টর পাল মাকে চেক করার পর জানাই যে পালমার কানে ইনফেকশন হয়েছে তাই সে তাকে মেডিকেল সার্টিফিকেট দিতে পারবে না। তখন নিরাশ হয়ে ইগর সেই ক্রুর কাছে আসে।  বলে আমি অনেক কষ্টের পর বিদেশে একটি জব পেয়েছি যদি আমি সময় মত সেখানে না যেতে পারি তাহলে আমার সকল কষ্ট ব্যার্থ হয়ে যাবে।  

একটি বিশ্বস্ত কুকুরের জীবন কাহিনী? A dog named palma movie review.

আর আমার এমন কোনো মানুষ নেই  যার কাছে আমি পালমাকে রেখে যেতে পারি। তুমি দয়া করে আমাকে পালমাকে নিয়ে যাওয়ার পারমিশন দাও। এ কথা শোনার পর ইগর উপর তার দয়া হয় তাই সে যখনই ইগরকে পারমিশন দিতে যাবে ঠিক তখনই সেখানে এয়ারপোর্ট এর ম্যানেজার ক্লারা চলে আসে। তখন সম্পূর্ণ ঘটনা খুলে বলে কিন্তু ক্লারা তার কোন কথাই শুনতে চায় না।  সে বলে মেডিকেল  সার্টিফিকেট ছাড়া কোন প্রাণীকে প্লেনে উঠানোর রুলস নেই।  তাই আপনি এই কুকুরটিকে নিয়ে যেতে পারবেন না।  একথা বলে ক্লারা সেখান থেকে চলে যায়। ইগর তখন বুঝতে পারে যে সে পালমাকে তার সাথে নিয়ে যেতে পারবে না।  তাই সে ব্যাগ থেকে একটি বল অনেক দূরে ছুড়ে মারে তখন সঙ্গে সঙ্গে পালমা দৌড়ে বলটি আনতে যায়। পালমা মনে করছিল তার মালিক তার সাথে বল নিয়ে খেলা করছে। কিন্তু  যখনই পালমা পেছনে ঘুরে তাকায় তখন সে দেখতে পায় ইগর তাকে রেখে প্লেনে উঠে পড়েছে।  তারপর পালমা বুঝতে পেরে বিমানটিকে থামানোর চেষ্টা করে। সে দৌড়ে বিমানের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। এক পর্যায়ে বিমান টি দাড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কিছুক্ষন পর পালমাকে ফাকি দিয়ে বিমানটি চলে যায়। 

  
পালমা অপলক দৃষ্টিতে বিমানের দিকে তাকিয়ে থাকে।  অনেকটা সময় পার হয়ে যাওয়ার পরও সেখান থেকে কুকুরটি যাচ্ছিল না।  তাই তাকে ধরার জন্য সেখানেই সিকিউরিটি অফিসার কলিকো চলে আসে। পালমা ব্যাপারটা বুঝতে পেরে সেখান থেকে পালাতে শুরু করে। সে দৌড়াতে দৌড়াতে এয়ারপোর্ট এর মধ্যে থাকা একটি পরিত্যাক্ত ঘরে লুকায়ে যায়। সেখানে টিকলো নামের একজন মেকানিক এই দৃশ্য দেখতে পায়  এবং সে কুকুরটিকে তাদের হাত থেকে বাঁচিয়ে নেই। কারণ সে বুঝতে পেরেছিলো যে হয়তো কুকুরটি কোন দুশ্চিন্তায় আছে।  তাকে একটি জায়গাতে লুকিয়ে রাখে আর তাকে কিছু খাবার খেতে দেয়। কিন্তু ঠিক তখনই পালমা একটি প্লেনের শব্দ শুনতে পায় আর সে খাবার গুলো রেখে দিয়ে অনায়াশেই প্লেনের দিকে চলে যায় কারণ তার কাছে মনে হয়েছে তার মালিক তাকে নিতে এসেছে। 
 
আসলে সেই প্লেনে করে লিস্ট নামের একজন মিনিস্টার কয়েকজন ফরেনারদের সাথে সামনে হতে যাওয়া অলিম্পিক ম্যাচের প্রস্তুতি দেখতে এসেছে। এখানে আমরা প্লেনের পাইলট তার সাথে তার 9 বছরের ছেলে জ্যাকলিন ছিল।  পাইলট  প্লেনটিকে ল্যান্ডিং করার প্রস্তুতি নিয়েছিল কিন্তু ঠিক তখনই পাইলট দেখতে পাই কুকুরটি রান ওয়ে দিকে ছুটে আসছে। সে খুব দ্রুত সময়ে প্লেনটিকে আবারো উপরে তুলে নেয় তা না হলে সেখানে অনেক বড় ধরনের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত কিন্তু হঠাৎ করেই প্লেন্টি উপরে উঠানোর কারণেই প্লেনের মধ্যে থাকা সকলের অনেক জোরে ধাক্কা লাগে। পাইলট কিছুক্ষণের মধ্যেই প্লেনটিকে একটু দুরে নিয়ে গিয়ে ল্যান্ড করে।  তবে এ ঘটনায় মিনিস্টার লিস্ট অনেক রেগে যায়।  প্লেন থেকে নেমে ম্যানেজারের কাছে কমপ্লেইন জানায় তখন ম্যানেজার ক্লারা তাকে বলে আমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কুকুরটিকে এখান থেকে তাড়ানোর ব্যবস্থা করছি । এরপর সঙ্গে সঙ্গে ক্লারা সিকিউরিটি অফিসারকে তার কাছে আসতে বলে।

পালমা প্লেনের প্রতিটি যাত্রীকে মনোযোগ সহকারে দেখতে থাকে কারণ তার কাছে মনে হয় এই প্লেনে হয়তো ইগর রয়েছে।  এমন সময় সিকিউরিটি অফিসার তার কলিগদের সাথে করে সেখানে আসে  এবং অনেক চেষ্টা করার পর কুকুরটিকে একটি বাসের মধ্যে বন্দি করে ফেলে। কিন্তু পালমা কিছুতেই সেখান থেকে যেতে চাইছিল না।  এদিকে ম্যানেজার এর পক্ষ থেকে কুকুর টিকে শুট করে মেরে ফেলার অর্ডার এসেছে।  এ কথা শোনার পর নিনা এবং পাইল্ট এটা করতে বারণ করে। তারা বলে যে একটি অবুঝ প্রাণীকে এভাবে মেরে ফেলাটা ঠিক হবে না।  কিন্তু তাদের কোন কথাই শুনতে চায় না।  এদিকে ৯ বছরের ছেলে জ্যাকলিন দাঁড়িয়ে তাদের সমস্ত কথোপকথন শুনে।

 তখন তার পালমার জন্য অনেক মায়া হয় তাই সে পালমাকে তাদের হাত থেকে বাঁচানোর সিদ্ধান্ত নেয় ফলে লুকিয়ে লুকিয়ে পেছনের জানালা দিয়ে সেই বাসের মধ্যে প্রবেশ করে যেখানে তারা পালমাকে আটকে রেখেছে এরপর সে একটি বাটন প্রেস করে বাসটির দরজা খুলে দেয় ফলে সঙ্গে সঙ্গেই পালমা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে।  এ দৃশ্য দেখে নি্না অনেক খুশি হয়-কিন্তু সিকিউরিটি অফিসার  জ্যাকলিনের এর উপর অনেক রেগে যাই এবং অনেক বকা দিতে থাকে।  কারণ সে মনে করে জ্যাক্লিন হয়তো বিমানবাহিনীর কারও ছেলে হবে।  তখনই সেখানে জ্যাকের বাবা স্লেভ  চলে আসে এবং সিকুরিতি অফিসারকে বলে  এটা আমার ছেলে আপনার সাহস কি করে হয় ওকে বকা দেওয়ার।  একথা বলেই ছেলেকে নিয়ে সেখান থেকে চলে আসে।  এরপর এয়ারপোর্ট ম্যানেজার ক্লারা স্লেভকে তার রুমে ডেকে পাঠায় এবং এমন ল্যান্ডিংয়ের জন্য অনেক বকাঝকা করে এবং বলে তোমার এই কাজের জন্য তোমার ইন্টারন্যাশনাল পাইলট হতে অনেক বাধা আসতে পারে । তখন পাইলট বলে আসলে কিছুদিন আগে আমার ওয়াইফ মারা গিয়েছে আর এ কারণে আমি এবং আমার ছেলে অনেক দুশ্চিন্তায় আছি তাছাড়া আমি যদি প্লেন থেকে উপরে না চলতাম তাহলে সেখানে অনেক বড়

ধরনের অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে যেত।এই কথা শুনে ক্লারা বিষয়টিকে বুঝতে পারে তাকে সান্ত্বনা দেয় আর বলে তুমি কোন চিন্তা করো না আশা করি খুব শীঘ্রই সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।  রাতের বেলা স্লেভ জেকে নিয়ে তার বাড়িতে ফিরে আসে আর এখানে আমরা তাদের কথোপকথন শুনে বুঝতে পারি যে  জ্যাক তার বাবাকে খুব একটা পছন্দ করে না কারণ তার বাবা তাকে এবং তার মাকে খুব একটা সময় দিতে পারত না। জ্যাক এবং তার বাবা বর্তমানে একটি নতুন বাড়িতে শিফট হয়েছে । কিন্তু জ্যাকের কাছে এই নতুন জায়গাটি একদমই পছন্দ হয় না তাই রাতের বেলা সে লুকিয়ে লুকিয়ে সেই এয়ারপোর্টে চলে যায় যাতে করে সে একটি ফ্লাইটে করে তার আগের বাড়িতে চলে যেতে পারে।  কিন্তু এখানকার কাউন্টার অফিসার তাকে কোন টিকেট দেয় না কারণ সে একটি ছোট বাচ্চা ছিল তাছাড়া কাউন্টার অফিসারের কাছে মনে হয় যে এই বাচ্চাটি হয়তো তার বাড়ি থেকে পালিয়ে এসেছে তাই সে একটি পুলিশ অফিসারকে জ্যাক এর পেছনে লাগিয়ে দেয়।  এভাবেই এয়ারপোর্টে যাওয়া আসার ফলে কুকুরটির সাথে জ্যাকের আলাদা একটা সম্পর্ক হয়ে যায়। 

এক পর্যায়ে কুকুরের এমন কার্যকলাপ দেখে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ রানওয়ের সামনে পালমার জন্য একটি খাচা তৈরি করে দেই। যাতে করে কোন যাত্রী নামলে পালমা সেখান থেকেই সবকিছু দেখতে পারে। কিন্তু তাতে জ্যাক্লিন অঙ্কে কষ্ট পায় কারণ সে চায় পালমা খোলামেলা থাকুক। এতে করে পালমাও খাওয়া দাওয়া ছেড়ে দেয় এবং অসুস্থ হয়ে পড়ে। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পালমাকে ডাক্তার দেখানো হয় কিন্তু তাতে কোন লাভ হয় না। জ্যকক্লিন তার বাবার কাছে পালমাকে মুক্তির জন্য অনুরোধ করে। তখন জ্যাক্লিন একজন সাংবাদিকের সাথে যোগাযোগ করেন এবং পালমার সকল ইতিহাস তুলে ধরেন। সেই সাংবাদিক পালমার এই করুন ইতিহাস জানার পর সে এই ঘটনাটি সংবাদের মাধ্যমে প্রচার করে। তারপর পালমাকে সেখান থেকে জ্যাকলিনের বাড়িতে নিয়ে আসে। তারা বাড়িতে খুব আন্নদের সাথেই পার করে। হঠাত এয়ারপোর্ট থেকে স্লেভের কাছে একটি ফোন আসে। পালমাকে নিতে তার মালিক ইগর এসেছে। তখন স্লেভ তার ছেলে জ্যাক ও পালমাকে নিয়ে এয়ারপোর্টে চলে আসেন। 
  
ইগর বিমান থেকে নামার পর পালমার দিকে তাকায়। পালমাও ইগরের দিকে তাকায় কিন্তু প্রথমে চিনতে কষ্ট হয়। এরপর পালমা ইগর কাছে চলে যায়। কিন্তু পালমা ইগর প্রতি আগের মত এক্সসাইটেট ছিল না। এরপর জ্যাক্লিন পালমার গলার বেল্টি ইগরকে দিয়ে মন খারাপ করে সেখান থেকে চলে যেতে থাকে। এরপর পালমাও বিমানে উঠতে চাইছিল না। সবাই অনেক কষ্ট করে পালমাকে বিমানে উঠিয়ে দেই। কিন্তু এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের সাময়িক সমস্যার কারণে ফ্লাইট লেট হয় এতে করে সেই ফ্লাইটে থাকা মিনিস্টার লিস্ট খুব রেগে যায়। তারপর সে ইগর আর সেই কুকুরটিকে দেখতে পায় ঐ সময় এয়ারপোর্টের ম্যানেজার ক্লারা চলে আসেন এবং ইগরের কাছে পালমার মেডিকেল সার্টিফিকেট চাই। ঐ সময় মিনিস্টার জানতে চায় মেডিকেল সার্টিফিকেট কেন লাগবে। তখন ক্লারা বলে মেডিকেল সার্টিফিকেট এয়ারফরসের একটি গুরুত্তপুরন রুলস। তাছাড়া এটা না মানলে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যায়। তখন ইগর চালাকি করে বলে এটা আমার কুকুর না। এই বলে কুকুরকে ছেড়ে দেই। তখন কুকুরটি দৌড়ে জ্যাক্লিনের কাছে ছুটে যায়।  এ থেকে বুঝলাম চোখের আড়াল হলে মনের আড়ালও হয়ে যায় । তাছাড়াও ভালোবাসা দিয়ে সবকিছু জয় করা যায়। 
দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।

দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।

দৌলতদিয়া পতিতালয় কি কেন কিভাবে? এই পতিতালয়ের আসল রহস্য এবং অতি গোপন কিছু অজানা তথ্য ফাঁস করলাম। ভিডিও টি দেখুনঃ

 প্রিয় বন্ধুরা আজকের ভিডিও তে দৌলতদিয়া পতিতালয়ের রহস্য উন্মোচন করবো। এই ভিডিও তে জানতে পারবেন দৌলতদিয়া পতিতালয়ের পতিতার সংখ্যা কত। তাদের দৈনিক আয় কত। এখানে কোন ধরণের মানুষ বেশি যায়। এখানে কোন কোন সিন্ডিকেট কাজ করে। এদের কারণে সাধারণ পাবলিকের কেন ভোগান্তি পেতে হয়। আপনি কি জানেন এদের জন্য প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ মারা যায়। কিভাবে মারা যায় কেন মারা যায়। এর পেছনে কোন কোন নেতা কাজ করে।
এই অন্ধকার জগতের  রহস্য কি? আরও নানা প্রশ্নের উওর পাবেন আজকের এই ভিডিও এর মাধ্যমে। কাজেই ভিডিও টি কন্টিনিউ করতে থাকুন। দৌলতদিয়া এক অন্ধকার জগতের নাম। অতি সাধারণ মানুষের এই জায়গাটির সম্পর্কে ধারণা নেই বললেই চলে। 
দৌলতদিয়া পতিতালয়ের অজানা কিছু তথ্য ফাঁস হল।
 
আপনি কি জানেন? বাংলাদেশের সর্ববৃহত এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম পতিতালয় হল দৌলতদিয়া। দৌলতদিয়া ঘাটটি রাজবাড়ী জেলার অর্ন্তগত গোয়ালন্দ উপজেলার একটি ইউনিয়ন।
দৌলতদিয়ায় ‘মুক্তি মহিলা সমিতি’ নামে পতিতাদের একটি রেজিষ্টার্ড সংগঠন রয়েছে। এই সংগঠনের রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে এই পতিতালয়ে পতিতার সংখ্যা প্রায় চার হাজার। এখানে প্রায় তিনশ থেকে সাড়ে তিনশ বাড়ীওয়ালী রয়েছে।  এই সব বাড়ীওয়ালীর আন্ডারে সর্বোনিন্ম ৫ থেকে সর্বোচ্চ ৫০ জন করে পতিতা রয়েছে।
 
এই সব বাড়ীওয়ালীর প্রতিদিনের সর্বনিন্ম আয় ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। অবস্থাশালী বাড়ীওয়ালীদের আয় দিনে ২ থেকে ৩ লক্ষ টাকা। মদ, গাঁজা, হেরোইন থেকে শুরু করে সকল প্রকার মাদক ব্যবসা এখানে ওপেন-সিক্রেট। এই পতিতালয়ের প্রধান ক্লায়েন্ট হচ্ছে মটর শ্রমিকরা, ট্রাক/বাস ড্রাইভাররা। ৪ পাঁচ ঘন্টার জ্যামে পড়লে হেলপারকে গাড়ীর ষ্ট্রেয়ারিং-এ বসিয়ে দিয়ে পতিতালয়ে চলে আসেন। অন্যান্য ধরণের ক্লায়েন্টও এখানে কম নয়।

কারন এখানে পতিতালয় এবং ঘাট থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট কয়েকজন রাজনৈতিক নেতা ২০ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা উপার্জন করেন। এখানে ঘাট না থাকলে পতিতালয় কেন্দ্রীক যাদের আয় তাদের কি হবে? শুধুমাত্র পদ্মাসেতু এই ঘাট দিয়ে নির্মাণ বন্ধ করলেই তো হবে না।

ঘাটে কৃত্রিম যানযটও তৈরি করতে হবে। কারন মটর শ্রমিকরাই মূলত দৌতলদিয়া পতিতালয়ের প্রধান কাষ্টমার। শীতকালে ফেরী বন্ধ করে এবং গরমকালে ঘাটের গুটি কয়েক নেতা বা পতিতালয়ের দালাল নিজেদের বাস-ট্রাক দিয়ে কৃত্তিম জ্যাম তৈরি করে পতিতালয়ের ক্লায়েন্ট জোগাড় করা হয়।
 
এই রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কয়েকজন নেতৃবৃন্দ বর্তমানে এক ধাপ এগিয়ে আছেন অবৈধ আয়ে। তারা বর্তমানে দৌলতদিয়া এলাকার দু’একজন প্রভাবশালী লোকের মাধ্যমে। সকল প্রকার টোল আদায়সহ সকল প্রকার কু-কর্ম সম্পাদনের দায়িত্ব অপর্ণ করেছেন। বর্তমানে তারা এতোই ক্ষমতাশালী হয়েছেন যে, থানার ওসি থেকে শুরু করে জেলার এস.পি পর্যন্ত বদলী করার ক্ষমতা তারা রাখেন। প্রতিদিনের পেমেন্ট ছাড়াও তাদেরকে মাসে কোটি কোটি টাকা প্রদান করতে হয় উপর মহলে।
যে লোকটি এ্যাম্বুলেন্সের মধ্যে ঘাটের এই কৃত্রিম যানযটে পড়ে মারা গেলেন। তিনি বা তার আত্মীয় স্বজনরা কি জানেন? এর জন্য দায়ী এই পতিতালয়ের দালালেরা? বাংলাদেশের পশ্চিম অঞ্চলের ২১ টি জেলার মানুষ যারা ঢাকায় আশা যাওয়া করেন । তারা কি হিসাব করেছেন পতিতালয়ের দালালেরা আপনার জীবনের কত ঘন্টা কেড়ে নিয়েছে?

বুধবার, ৯ মার্চ, ২০২২

 ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য। 

ক্যামেরুন মধ্য আফ্রিকার এটি দেশ। এর পশ্চিমে নাইজেরিয়া, উত্তর-পূর্বে চাদ প্রজাতন্ত্র, পূর্বে মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ও ইকুয়াটরিয়াল গিনি, গ্যাবন, দক্ষিণে কঙ্গো প্রজাতন্ত্র। ক্যামেরুন দুই শতাধিক ভাষাভাষী গোষ্ঠীর বাসস্থান। 

আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে শিক্ষার হার সবচেয়ে বেশি যে দেশগুলোতে তার মধ্যে ক্যামেরুন অন্যতম। তবে দুর্নীতির কারণে এর অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ব্রিটেন ও ফ্রান্সের দুটি ঔপনিবেশিক অঞ্চল একত্র হয়ে ১৯৬১ সালে ক্যামেরুন গঠিত হয়। এখনো শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে আধুনিক ক্যামেরুন।

দেশটির পুরো নাম ক্যামেরুন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী ইয়াউন্দে। সরকারি ভাষা ফরাসি, ইংরেজি, বিভিন্ন ও জাতি-গোষ্ঠীর নিজস্ব ভাষা। প্রধান ধর্মীয় গোষ্ঠী খ্রিস্টান ও মুসলমান। ক্যামেরুনের আয়তন চার লাখ ৭৫ হাজার ৪৪২ বর্গকিলোমিটার বা এক লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৯ বর্গমাইল।

ক্যামেরুন দেশ সম্পর্কে অজানা সব তথ্য।



১৮০০ শতকে ক্যামেরুনে মুসলিম বণিক ও সুফি-ধর্ম প্রচারকদের মাধ্যমে ইসলামের প্রচার-প্রসার ঘটে। বর্তমানেও ক্যামেরুনের প্রায় ৪৮ শতাংশ মানুষ সুফি মতবাদে বিশ্বাসী। পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম যাযাবর জনগাষ্ঠী ‘ফোলানি জাতি’ ১৯ শতকের গোড়ার দিকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম ও সুফি মতাদর্শ প্রতিষ্ঠার জন্য সেখানে বসবাস করতে শুরু করে।

ক্যামেরুনে মুসলমানদের সঠিক সংখ্যা নিয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। আল মুসলিম ডটনেটের তথ্য মতে, দেশটিতে মুসলিম সংখ্যা মোট অধিবাসীর ২৪ শতাংশ। সিআইএর দ্য ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুকের তথ্য মতে, ক্যামেরুনে মুসলিম জনসংখ্যা মোট অধিবাসীর ২০.৯ শতাংশ।

তবে অন্যান্য সূত্র থেকে জানা যায় যে ক্যামেরুনের জনগোষ্ঠীর প্রায় ৩০ শতাংশ মুসলিম। সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে পরাশক্তি হিসেবে বিশ্বরাজনীতিতে মুসলমানরা হাজার বছরের বেশি সময় অধিষ্ঠিত থাকলেও বিগত কয়েক শ বছর থেকে তারা পাশ্চাত্যের ষড়যন্ত্রের জালে আটকে রয়েছে। এখন তারা পৃথিবীর অন্যতম নির্যাতিত ও বিভক্ত জাতি। সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে তাদের পশ্চিমারা কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে দিচ্ছে না।

ক্যামেরুনের মুসলিম শিশুদের মধ্যে কোরআনচর্চার বেশ আগ্রহ দেখা যায়। জুমার দিন বিভিন্ন মসজিদে কোরআনের কপি বিতরণ করা হয়। সেখানে মুসলিমদের জন্য ৫০টি প্রাথমিক ও পাঁচটি মাধ্যমিক স্কুল রয়েছে এবং প্রায় ৯০টি মসজিদ রয়েছে।

ক্যামেরুনের মুসলিমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারী তথা সুন্নি মুসলিম। ক্যামেরুনের মুসলমানরা বেশির ভাগ আফ্রিকান দেশে বাণিজ্য এবং নিজস্ব ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। ক্যামেরুন আফ্রিকার অন্য দেশগুলোর মতো নয়, ক্যামেরুনিয়ান সংবিধানে ধর্মের স্বাধীনতার বিধান রয়েছে এবং সরকার সাধারণত এই অধিকারকে সম্মান করে। তবে মুসলিমদের মধ্যে কিছু বিভক্তিও দেখা যায়। বলা যায়, ভালো-মন্দ নিয়েই বেঁচে আছে ক্যামেরুনের মুসলিমরা।

সোমবার, ৭ মার্চ, ২০২২

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


১৯৭০ এর দশকে মহিলা শরীরচর্চা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিল। মহিলা শরীরচর্চা বাস্তব প্রচার ১৯৭৭ সালে শুরু হয়। আজকের এই ভিডিওতে আপনাদেরকে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডারের তালিকা উপস্থাপন করব , যা আপনাকে অবাক করে দেবে।  

 ১০। গ্ল্যাডিজ পোর্টাগুজ  

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


গ্ল্যাডিজ পর্তুগিজ  ৩০ শে  সেপ্টেম্বর ১৯৫৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার স্বামী জাঁ ক্লড ভ্যান ডেমি একজন বিখ্যাত বেলজিয়ান অভিনেতা ছিলেন । তিনি দুই সন্তানের জন্ম দেন, ক্রিস্টোফার ১৯৮৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং বায়ানকা ১৯৯০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। গ্ল্যাডিজ পোর্টাগুজ রাশেল ম্যাকলিশের কাছ থেকে অনুপ্রেরণা পেয়েছিলেন, যিনি অলিম্পিকের বিজয়ী ছিলেন। রাছেল ম্যাক্লিশকেই দেখে গ্ল্যাডিস পোর্টগুয়েজ শরীরের বিল্ডিংকে গুরুত্ব দিতে শুরু করেন। গ্ল্যাডিজ পর্তুগিজ  শীর্ষ অলিম্পিয়ার মধ্যে শীর্ষ ১০ এ অবস্থান করে নিয়েছিল। 
 

৯। জেনিফার ব্রুমফিল্ড  

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


জেনিফার ব্রুমফিল্ড ১৯৮৩ সালের ৫ সেপ্টেম্বর আমেরিকার ম্যাসাচুসেটস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। শৈশবে তিনি ফুটবল খেলতে এবং কুস্তি খেলতে ভালবাসতেন। জেনিফার ব্রুমফিল্ড পরবর্তীতে  শরীরচর্চা করেন এবং আকর্ষণীয় শরীর তৈরী করতে সফল হয়। ২০০২ সালে যখন তিনি কিশোর ছিলেন, তখন তিনি বডি বিল্ডিঙের কাজ শুরু করেন। একবার একটি সাক্ষাত্কারে তিনি বলেছিলেন যে তিনি সবসময় শরীরচর্চা এবং ওজন প্রশিক্ষণের ব্যাপারে আগ্রহী ছিলেন কারণ তার পরিবারের অধিকাংশ লোকই কিছু সময় ক্রীড়াবিদ এবং পেশীও তৈরিতে সবসময় চর্চা করত। শরীরের বিল্ডিং ছাড়াও তিনি শরীরচর্চা অন্যান্য নারী প্রশিক্ষণ,অধ্যয়ন, বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, মডেলিং এবং বাণিজ্য শো করে থাকেন। 
 

৮। রাছেল ম্যাকলিশ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


রাছেল ম্যাকলিশ ১৫ জুন ১৯৫৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সাস শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি স্বাস্থ্য পুষ্টি এবং শারীরবৃত্তিকা অধ্যয়নর করতেন। পরে মহিলা শরীরচর্চা ম্যাগাজিনগুলি দেখার পর তিনি শরীরচর্চা করার জন্য অনুপ্রাণিত  হয়েছিলেন। ১৯৮০ সালে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চ্যাম্পিয়নশিপ জেতার পর থেকে রাছেল ম্যাকলিশ সুপরিচিত হয়ে ওঠে। এর পর চার বছর পর তিনি সর্বকালের সেরা পাঁচটি স্থান দখল করেন। এমনকি নিউ ইয়র্ক টাইমস মহিলাদের জন্য ওজন প্রশিক্ষণ নিবন্ধটি লিখেছিলেন। তিনি লৌহ ইগল, শারীরিক এবং রেভেন হক মত চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি হেরব অ্যালপার্টের 'রেড হট' সঙ্গীত ভিডিওতেও কাজ করেছিলেন। রাছেল ম্যাকলিশ তার শরীরের নির্মাণ করতে খুব কঠোর পরিশ্রম করেছে।
 

৭।  ব্রিজিটা ব্রেজোভ্যাক

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


ব্রিজিটা স্লোভেনিয়াতে ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে জন্মগ্রহণ করে।ব্রিজিটা ব্রেজোভ্যাক যখন কিশোর ছিলেন,তখন তিনি আনা ল্যাঙ্গার এবং করি ইভারসন এর ছবি দেখে বডি বিল্ডার হতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। ২০০১ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে চতুর্থ স্থানে ব্রিজিটা ব্রেজোভ্যাক আইএফবিবি ট্যাম্পা প্রো, ইউরোপ্যাড ব্যাটালিয়ন চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিলেন এবং মিসেস অলিম্পিয়ার ৭ তম অবস্থান করে নিয়েছিলেন। ব্রিজিটা ব্রেজোভকে ২০১৩ সালে মিস অলিম্পিয়ায় অংশগ্রহণের পর শরীরের বিল্ডিং থেকে অবসর গ্রহণ করেন। ব্রিজিটা ব্রেজোভ্যাকের খুব সুন্দর শারীরিক গঠন, তার পেশী খুব বড় এবং সামগ্রিক শরীর সত্যিই চিত্তাকর্ষক। 

৬।  জেনিফার রিশ

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


তিনি কিশোর বয়স থেকেই  ভাল পালোয়ান এবং একজন কিক বক্সার ছিলেন। কিশোর বয়সে, তাকে প্রতিযোগিতা, ফিটনেস মডেলিং এবং নার্স হিসাবে বহু কাজ করতে হয়েছিল। তিনি তার সময়ে শরীরের বিল্ডিং প্রতিযোগিতায় অনেক জিতেছে। ২০০৮ সালের জুনে, ক্রিস্ট স্টুডিওস তাকে সবচেয়ে সৌন্দর্য বডি বিল্ডার নারী হিসেবে প্রশংসিত করেছিল। তার  খুব উষ্ণ হাসি এবং সুন্দর চোখ আছে। তিনি বডি বিল্ডার নারীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন । তিনি তার চিত্তাকর্ষক দেহ , দীর্ঘ সুন্দর চুল এবং হট চেহারার অধিকারিণী ছিলেন।
 

৫।  ডায়ানা  ক্যাডু

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


ডায়ানা  ক্যাডু ২১ শে জুন ২০০৮ সালে হাইতিতে জন্মগ্রহণ করেন। ডায়ানা  ক্যাডু  আইএফবিবি ইভেন্টের জন্য বছরের পর বছর ধরে শক্তিশালী প্রতিযোগীদের মধ্যে একজন। তিনি শ্রীযুক্ত আন্তর্জাতিক এবং মিসেস অলিম্পিয়া মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে  সফল ছিল। তিনি লাইটওয়েট বর্গ প্রথম অবস্থানে পেয়ে সফল ছিল। ডায়ানা  ক্যাডু  কানাডা থেকে সবচেয়ে সফল বডিবিল্ডার হিসাবে গণ্য করা হয়। তিনি একমাত্র কানাডিয়ান যিনি মিসেস অলিম্পিয়া লাইটওয়েট জিতেছেন। তার চিত্তাকর্ষক শরীর, চমৎকার পেশী যা স্পষ্টভাবে সকল মানুষকে অনুপ্রাণিত করত। 

৪। নিকী ফুলার 

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


নিকী ফুলার ২৩ জানুয়ারি ১৯৬৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ওহিতে জন্মগ্রহণ করেন। নিকী ফুলার শারীরিকভাবে খুব শক্তিশালী ছিলেন,তিনি প্রাথমিকভাবে বডি বিল্ডার  হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তিনি জিমে যোগ দেন এবং খুব শীঘ্রই কাজ শুরু করেন এবং খুব শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। ১৯৮৬ সালে, তিনি জল পোলো রাজ্য  চ্যাম্পিয়ন  ছিলেন। নিকী ফুলার ১৯৯২ সালে মিসেস ইন্টারন্যাশনাল এবং মিস অলিম্পিয়া জিতেছিলেন। এমনকি দ্য উইমেনের কভারেও তাকে দেখানো হয়েছিল, যা বিট ডব্বিনস কর্তৃক শীর্ষস্থানীয় মহিলাদের একটি ফটোগ্রাফি বইয়ে সংকলিত হয়েছিল। ১৯৯৯ সালের পর, ফুলার শরীরের তৈরির পরিবর্তে হলিউডের প্রতি আরও বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করে। এমনকি তিনি আলি ম্যাকবেইল, নিক্কি এবং জাস্ট মুট মে এর মতো বেশ কিছু টেলিভিশন অনুষ্ঠানও করেছেন।

 
৩। ইয়াক্সি অরিকুইন

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


ইয়াক্সি অরিকুইন ১৯৬৬ সালে ৩ সেপ্টেম্বর ভেনেজুয়েলায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৯ সালে ইয়াক্সি অরিকুইন  শরীরচর্চা খেলাধুলা গুরুতরভাবে কাজ শুরু করেন। ১৯৯৩ সালের প্রতিযোগিতায়, তিনি চারটি স্বর্ণ জিতেছিলেন। তিনি মহিলা শরীরচর্চা ক্ষেত্রে বিশ্বের একটি অসাধারণ কৃতিত্ব রাখছেন। ইয়াক্সি অরিকুইন ২০০৫ সালে অলিম্পিয়া জিতেছিলেন এবং ২০০২, ২০০৩,২০০৫ এবং ২০০৮ সালে মিসেস ইন্টারন্যাশনাল জিতেছিলেন। আইএফবিবি প্রতিযোগিতায় তিনি সবসময় শীর্ষ ১০ তালিকায় থাকতেন। তার দৃঢ় শরীর সবসময় যেখানেই যায় সেখানে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠে এবং একই সাথে মিডিয়াকে আকৃষ্ট করে। 

২। চায়না  

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউ ইয়র্কে ১৯৭০ সালের ২৭শে ডিসেম্বর চায়না জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯২ সালে টাম্পা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন, তিনি স্প্যানিশ সাহিত্যে লেখাপড়া  করেছেন। এমনকি তিনি জার্মান ও ফ্রেঞ্চ ভাষাও অধ্যয়ন করেছেন। চায়না সমগ্র বিশ্বে একজন সুপরিচিত বডিবিল্ডার। তার মূল নাম জোয়ান মেরি লরার। ১৯৯৭ সালে তিনি ওয়ার্ল্ড রেস্টলিং ফেডারেশন   (ডব্লিউডএফএইচ) এ কাজ শুরু করার পর তিনি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছিলেন। তিনি ডব্লিউডব্লিউএফ-এর বিখ্যাত ব্যক্তি ছিলেন এজন্য সমগ্র পৃথিবীর বেশীরভাগ ছেলেমেয়েই তাকে চিনেন।  তিনি 2002 সালে নিউ জাপান প্রো রেসলিং এবং ননস্টপ অ্যাকশন কুস্তির জন্য ২০১১ সাল পর্যন্ত শীর্ষ বডি বিল্ডার নারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন। এমনকি কয়েকটি টেলিভিশন চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। ২০০১ সালে তিনি ফিয়ার ফ্যাক্টর হিসেবে বিশেষ সেলিব্রিটি হিসেবে আবির্ভূত হন। ২০০২ সালে, রোবট যুদ্ধের হোস্ট: গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়নস হন। 

১। আইরিস কাইল

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১০ জন মহিলা বডিবিল্ডার।


আইরিস কাইল ২২ আগস্ট ১৯৭৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করেন। মহিলা  শরীরচর্চা মধ্যে, তিনি বিশ্বের সবচেয়ে সফল হয়েছিলেন । আইরিস কাইল বিশ্বের সবচেয়ে বড় মহিলা বডি বিল্ডিং সংস্থায় কাজ করছেন। ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি একটানা মিসেস অলিম্পিয়ান্স ৫ বার জিতেছেন। আইরিস কাইল সারা বিশ্ব জুড়ে একটি অত্যন্ত চিত্তাকর্ষক শরীরের অধিকারী। তিনি ইন্টারনেটে সর্বাধিক অনুসন্ধানকারী বডিবিল্ডার নারী। তার শক্তিশালী পেশী দেখে অনেক মানুষ মুগ্ধ হয়েছে।  তিনি সত্যিই বিশ্বের সবচেয়ে স্মরণীয় মহিলা বডিবিল্ডার। তার চিত্তাকর্ষক শরীর এবং যে প্রচেষ্টায় অর্জন করেছেন সবসময় এটা মনে রাখার মত।