সর্বশেষ

সোমবার, ২৭ মে, ২০২৪

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ।

১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ প্রকাশ।


 ১৮ তম শিক্ষক নিবন্ধনের লিখিত পরীক্ষার তারিখ ইতিমধ্যে প্রকাশ করেছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ এনটিআরসিএ। লিখিত পরীক্ষা আগামী ১২ ও ১৩ জুলাই (শুক্র ও শনিবার) নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সোমবার এনটিআরসিএর এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১২ জুলাই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত স্কুল-২ ও স্কুল পর্যায় এবং ১৩ জুলাই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কলেজ পর্যায়ের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এনটিআরসিএর ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ১০ টি ছোটগল্প।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ১০ টি ছোটগল্প।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ১০ টি ছোটগল্প।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ১০ টি ছোটগল্প।

রবি ঠাকুরের ভক্ত সংখ্যা ভারত ও বাংলাদেশে অনেক। তাঁর লেখা আমি ভীষণ পছন্দ করি। তাঁর সকল সৃষ্টির মতো ছোটগল্পগুলোও এককথায় অসাধারণ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ছোটগল্পকার। আসলে বাংলা ভাষায় ছোটগল্প তিনিই প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। তাঁর দেখানো পথেই পরবর্তী লেখকগণ হেঁটেছেন বা চেষ্টা করেছেন। যাইহোক, রবি ঠাকুরের ছোটগল্পের-সমালোচনা আমার উদ্দেশ্য নয়। আসলে আজকের ভিডিও এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো তাঁর বিখ্যাত ১০টি ছোটগল্প রচনার পেছনের কাহিনী বা কোন প্রেক্ষিতে এগুলো লিখেছিলেন তা নিয়ে আলোচনা করা। তো চলুন জেনে নেওয়া যাক কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ১০টি ছোটগল্প রচনার ইতিহাস।   
   

১। পোস্টমাস্টারঃ 

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কলকাতার এক ধনাঢ্য জমিদার পরিবারের অন্যতম সদস্য ছিলেন এই কথা সবারই জানা। কবি হলেও জমিদারী দেখাশোনার দায়িত্ব থেকে রেহাই পাননি তিনি। আপনারা অনেকেই জানেন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে তাঁর একটি কাচারি বাড়ি ছিল। এই বাড়িতে বসেই তিনি জমিদারী দেখাশোনা করতেন। যাইহোক, রবি ঠাকুরের অতি জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প ‘পোস্টমাস্টার’। এই কাচারি বাড়ির একতলাতে একটা পোস্ট অফিস ছিল। সেখানকার পোস্টমাস্টার মহাশয়ের সাথে তাঁর প্রায় প্রতিদিন দেখা হত এবং তাদের মধ্যে অনেক কথা-বার্তা, গল্প-গুজব হত। কবিগুরু প্রায় প্রতিদিন দিনের বা রাতের কোন একটা সময় পোস্টমাস্টার সাহেবের সাথে কাটাতেন। মূলত এই পোস্টমাস্টার মহাশয়ের জীবনের নানা কাহিনী অবলম্বনেই তিনি এই গল্পটি লেখেন। “একবার নিতান্ত ইচ্ছা হইল, ‘ফিরিয়া যাই, জগতের ক্রোড়বিচ্যুত সেই অনাথিনীকে সংগে করিয়া লইয়া আসি’-...ফিরিয়া ফল কি’ এই লেখাটুকু এতই মর্মস্পর্শী যে চোখে পানি এসে যায়।

২। কংকালঃ

ছোটবেলায় কবি যে ঘরে শুতেন সেখানে একটা মেয়ে মানুষের skeleton ঝুলানো ছিল। সে সময় তাঁর তেমন একটা ভয়-টয় করত না। পরিণত বয়সে একদিন বাড়িতে অতিথি সমাগম হওয়াতে তাকে বাইরে শোবার দরকার পরেছিল। অনেকদিন পরে সেই ঘরে তিনি আবার শুয়েছেন। শুয়ে তাঁর মনে হতে লাগল, সেজের আলোটা ক্রমে কাঁপতে কাঁপতে নিভে গেলো। তাঁর আরও মনে হতে লাগল, কে যেন মশারির চারদিকে ঘুরে বেড়াচ্ছে আর বলছে ‘আমার কংকালটা কোথায় গেল’, ‘আমার কংকালটা কোথায় গেল’? ক্রমে মনে হতে লাগল সে দেয়াল হাতড়ে বন বন করে ঘুরতে আরম্ভ করেছে। এভাবেই তাঁর মাথায় এসে গেল এই ‘কংকাল’ গল্পটা।

৩। জীবিত ও মৃতঃ

কবিগুরুর ভোররাতে উঠে অন্ধকার ছাদে ঘুরে বেড়ানোর অভ্যাস ছিল। তেমনি একদিন রাত্রে ঘুম ভেঙ্গে যেতেই তিনি উঠে পড়লেন, ভেবেছিলেন উঠার সময় হয়েছে, আসলে তখন গভীর রাত। অভ্যাশবসতঃ তিনি হাঁটতে লাগলেন। সব ঘরের দরজা বন্ধ। সব একেবারে নিরব, নিঝুম। খানিক পড়েই ঢং ঢং করে দু’টো বাজার ঘন্টা পড়ল। তিনি থমকে দাঁড়ালেন, ভাবলেন-তাই তো, এই গভীররাত্রে আমি সারা বাড়িময় এমন করে ঘুরে বেড়াচ্ছি। হঠাত তাঁর মনে হল তিনি যেন প্রেতাত্বা, এ বাড়ি haunt করে বেড়াচ্ছেন। তিনি যেন মোটেই তিনি নন, তাঁর রুপ ধরে বেড়াচ্ছেন মাত্র। এই idea টাই তাকে পেয়ে বসল, যেন একজন জীবিত মানুষ সত্যসত্যই নিজেকে মৃত ব’লে মনে করছে। এভাবেই জীবিত ও মৃত গল্পের সৃষ্টি।


৪। ছুটিঃ

এটাও শাহজাদপুরে কাচারিবাড়ি বসে লেখা তাঁর আর একটি অনবদ্য ছোটগল্প। তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম বাহন ছিল নৌকা। তিনিও নৌকাযোগেই তাঁর কাচারি বাড়িতে তাঁর জমিদারী দেখাশুনা করতে আসতেন। এমনি একদিন ওই রকম নৌকা ঘাটে ভিড়িয়েছেন। নদীর তীরে গ্রামের অনেক ছেলে খেলা করতে এসেছে। তার মধ্যে সর্দার গোছের একটি ছেলে ছিল। অনেক ডানপিটে স্বভাবের ছিল সে। তার কাজই হলো, এ-নৌকা ও-নৌকা করে বেড়ানো, মাঝিদের কাজ দেখা, মাস্তলের পাল গোটানো দেখা ইত্যাদি। তীরে অনেকগুলো গুড়িকাঠ গাদা-করা অবস্থায় ছিল। মাঝে ছেলেটি তড়াক করে নৌকা থেকে এই কাঠগুলি গড়িয়ে গড়িয়ে নদীতে ফেলতে আরম্ভ করলে। কিন্তু তার আমোদের পথে একটা বিঘ্ন এসে উপস্থিত হল। একটি ছোট মেয়ে এসে গুড়ি চেপে বসল। ছেলেটি তাকে উঠাবার চেস্টা করলে, কিন্তু মেয়েটি তা গ্রাহ্যও করলে না। তখন ছেলেটি তাকে সুদ্দই গুড়িটি উলটে দিলে। মেয়েটি পড়ে গিয়ে বিকট কান্না জুড়ে দিলে, এবং কাঁদতে কাঁদতে উঠেই ছেলেটিকে কষে এক চড় লাগালো। এই ঘটনা থেকেই ‘ছুটি’-র শুরু। সৃষ্টি হলো অন্যতম সেরা একটি গল্পের। এই গল্পে ফটিকের ‘ছুটি’ হয়েছিল চিরতরে।

৫। সমাপ্তিঃ

শাহজাদপুরে বসে লেখা তাঁর আর একটি অনবদ্য সৃষ্টি। (আমার অতি প্রিয় একটি ছোটগল্প; এই গল্পটি কলেজে পড়াকালীন সময়ে অসংখ্যবার পড়েছি আর ভেবেছি জীবনে মৃন্ময়ীর মত কোন মেয়ে যদি পেতাম! )। যাক, তাঁর কাচারি বাড়ির ঘাটে একটি নৌকা লেগে (ভিড়ে) আছে। এবং এখানকার ‘জনপদবধু’ তার সম্মুখে ভিড় করে দাঁড়িয়েছে। বোধহয় কাউকে বিদায় দিতে সবাই এসেছে। কিন্তু ওদের মধ্যে একটা মেয়ে আছে, তার প্রতিই রবীঠাকুরের মনোযোগটা সর্বাপেক্ষা আকৃষ্ট হচ্ছে। বার-তেরো বছরের স্বাস্থ্যবতী, একটু কালো অথচ দেখতে বেশ, ছেলেদের মত চুল ছাঁটা, বুদ্ধিমান এবং স্বপ্রতিভ ও সরল ভাবের একটি মেয়ে। একটা ছেলে কোলে করে এমন নিঃসংকোচে কৌতূহলের সঙ্গে কবিকে চেয়ে দেখতে লাগল। মেয়েটিকে ডেকে দু’একটা কথা জিজ্ঞাসা করতে তাঁর ইচ্ছে হয়েছিল। কিন্তু আবার কি ভেবে পারলেন না। মেয়েটি মাঝে মাঝেই আসত। যাইহোক, হটাৎ একদিন দেখা গেল, বধূবেশে শ্বশুরবাড়ি চলল সেই মেয়েটি। সেই ঘাটে নৌকা বাধা। কী তার কান্না! অন্য মেয়েদের বলাবলি কানে এল- ‘যা দুরন্ত মেয়ে! কী হবে এর শ্বশুরবাড়িতে! কবির ভারি দুঃখ হল তার শ্বশুরবাড়ি যাওয়া দেখে। চঞ্চলা হরিণীকে বন্দিনী করবে। ওর কথা মনেই করেই কবি লেখে ফেললেন ‘সমাপ্তি’ গল্পটি। খুবই রোমান্টিক ধাঁচের এই গল্পটি সুজোগ থাকলে পড়ে নিবেন (যারা এখনো পড়ে উঠতে পারেন নি)।

৬। ক্ষুধিত পাষাণঃ

কবির মতে, ‘ক্ষুধিত পাষাণের কল্পনা কল্পলোক থেকে আমদানি’। তবে তাঁর এই কল্পনার পেছনেও একটি কাহিনী আছে। কবি বিলেত যাওয়ার আগে তাঁর মেঝদাদার কর্মস্থল আহমেদাবাদ গিয়েছিলেন। তাঁর বড় ভাই জজিয়তি করতেন। আহমেদাবাদের জজের বাসা ছিল শাহিবাগে, বাদশাহী আমলের রাজবাড়ীতে। দিনের বেলায় তাঁর মেঝদাদা চলে যেতেন কাজে, তখন তাঁর মনে হত, বড়োবড়ো ফাঁকা ঘর হাঁ হাঁ করছে, সমস্ত দিন ভূতে পাওয়ার মতো ঘুরে বেড়াতেন তিনি। বাড়ির সামনে প্রকান্ড চাতাল, সেখান থেকে দেখা যেত সাবরমতি নদী (গল্পের ‘শুস্তা’ নদী)। তাঁর মতে, কোলকাতার মানুষ হিসেবে ইতিহাসের মাথা তোলা চেহারা কোথাও তিনি দেখেননি। আহমেদাবাদ এসে তিনি প্রথম দেখলেন চলতি ইতিহাস থেমে গিয়েছে, দেখা যাচ্ছে তার পিছন-ফেরা বড়োঘরোআনা। তাঁর সাবেক দিনগুলো যেন যক্ষের ধনের মতো মাটির নীচে পোঁতা। তাঁর মনের মধ্যে প্রথম আভাস দিয়েছিল ক্ষুধিত পাষাণের গল্প।

৭। দুরাশাঃ

টেনিসনের ‘Princess’ গল্পটি নাকি কয়েকজন বন্ধু মুখে মুখে রচনা করেছিলেন। একজন আরম্ভ করলে, খানিক দূরে অগ্রসর হয়ে আর-একজনকে বলতেন, এইবার তুমি গল্পটি চালিয়ে নাও; দ্বিতীয় ব্যক্তি থামলে আর-একজন গল্পটাকে আরো খানিকাটা অগ্রসর করে দিলেন-এই রকম করে যেন গল্পটি রচিত হয়েছে। কিন্তু আগাগোড়াই কবি লিখেছেন। তো অনেকের মন্তব্য কবির দুরাশা গল্পটা তেমনি। এ ব্যাপারে কবির বক্তব্য হলো, ‘দার্জিলিংয়ে একদিন কুচবিহারের মহারানী [সুনীতি দেবী] বলেলেন, ‘আসুন, সকলে মিলিয়া একটা গল্প রচনা করা যাক, আগে আপনি আরম্ভ করুন’। আমি আমাদের বাঙ্গালী সমাজ ছাড়া একটা romantic গল্পের অবতারণা করিবার প্রয়াসে বলিলাম ‘আচ্ছা বেশ’; এই বলিয়া আরম্ভ করিয়া দিলাম- ‘দার্জিলিংয়ে ক্যালকাটা রোডের ধারে ঘন কুজঝটিকার মধ্যে বসিয়া একটি হিন্দুস্থানী রমণী কাঁদিতেছে।’ এই বলিয়া ছাড়িয়া দিলাম। কিন্তু দেখিলাম, গল্পটা অন্যের মুখে অগ্রসর হইতে চাহিল না’ অগত্যা আমাকেই সমস্ত রচনা করিয়া লইতে হইল। এই রকম করিয়া আমার ‘দুরাশা’ গল্পটি রচিত হইয়াছে’।

৮। মাস্টারমশায়ঃ

এটাও যথারীতি কল্পনালোক থেকে আমদানি। একদিন কবি কুচবিহারের রানির আমন্ত্রণ রক্ষা করতে যান। খাওয়া-দাওয়ার পর রানি কবির কাছে ভূতের গল্প শুনতে পীড়াপীড়ি করতে লাগলেন। তার ধারনা রবিবাবু অবশ্যই ভুত দেখেছেন। অগত্যা তিনি বললেন, ‘আচ্ছা, তবে একটা ঘটনা বলিতে পারি...’ তিনি শুরু করলেন তাঁর গল্প বলা। তাঁর বলা গল্পটি এমন চমকপ্রদ বা ভীতি জাগানীয়া ছিল যে রানি বলে বসলেন, ‘বলেন কি, সত্য নাকি?’ কবি হেসে বললেন, ‘না, মোটেই সত্য নয়, গল্প করিলাম মাত্র’। এই গল্পটি পরে নূতন করে লিখেছিলেন।


৯। কাবুলিওয়ালাঃ

"কাবুলিওয়ালা" অধ্যায়টি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি গল্প যা আফগানিস্তানের একজন ফল বিক্রেতা মিনি এবং একটি কাবুলিওয়ালার মধ্যে বন্ধুত্বকে ঘিরে আবর্তিত হয়েছে। রহমত নামে কাবুলিওয়ালা মিনির সাথে একটি বিশেষ বন্ধন তৈরি করে, তার সাথে তার নিজের মেয়ের মতো আচরণ করে। যাইহোক, অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির কারণে, রহমত একটি অপরাধের জন্য কারাগারে বন্দী। অনেক বছর পর, যখন সে মুক্তি পায়, তখন সে মিনিকে দেখতে যায়, যে এখন বড় হয়েছে। গল্পটি বন্ধুত্ব, নস্টালজিয়া এবং সময় অতিবাহিত করার বিষয়গুলি অন্বেষণ করে৷
 

১০। গিন্নিঃ 

এই গল্পটির অনেক সত্যতা আছে। সেটা কবির নর্মাল স্কুলের স্মৃতি হতে লিখিত। তাদের স্কুলে এক পন্ডিত ছিলেন যিনি ক্লাসের ছেলেদের অদ্ভুত নামকরণ করে ছাত্রদেরকে অনেক লজ্জা দিতেন। তার ভাষা এত কুত্সিত ছিল যে তার প্রতি অশ্রদ্ধাবশত কেউই কোন প্রশ্নের উত্তর করত না। যেমন একটি ছেলেকে তিনি ভেটকি বলে ডাকতেন, সে বেচারার গ্রীবার অংশটা কিছুটা প্রশস্ত ছিল।

সুপ্রিয় ভিউয়ারসগণ, আমি যে নিজে গবেষণা করে এসব বের করিনি এটা আপনারা ভাল করেই জানেন। কবির ছোট গল্পগুলোর একত্রিত সংস্করণ ‘গল্পগুচ্ছ’ থেকে সংকলন করে আমি তুলে দিয়েছি মাত্র। যে কোন ভুলের জন্য আগেই দুঃখিত বলে রাখছি। ভুল ধরিয়ে দিলে আরও খুশি হব। 
ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

ডিম উৎপাদনে সেরা ৬ টি হাঁসের জাত।

বিশ্বব্যাপী অনেক হাঁসের জাত থাকলেও আমাদের দেশে কয়েকটি হাঁসের জাত দেখা যায়। আমাদের দেশে প্রাপ্ত জাতগুলির মধ্যে বেশিরভাগই সংকর জাতের। কারন আমদের দেশে খোলামেলা পদ্ধতিতেই বেশি হাঁস পালন করা হয়। এর ফলে জাতের সঠিক বৈশিষ্ট ধরে রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। তবে বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সঠিকভাবে হাঁসের জাত সংরক্ষনের চেষ্টা চলছে।  
  
হাঁসের জাতঃ

আমাদের দেশে সাধারণত ডিম উৎপাদনের জন্য হাঁস পালন করা হলেও মাংস উৎপাদনের জন্যও পালন করা হয়।  আমাদের দেশে ডিম উৎপাদনের জন্য খাকি ক্যাম্বেলের নাম বেশি শোনা যায়। তবে ডিমের জন্য সবথেকে উপযুক্ত জাত হল জিংডিং হাঁস। এরা বছরে প্রায় ৩০০ ডিম দিতে পারে। এছাড়াও খাকি ক্যাম্পবেল ও ইন্ডিয়ান রানার হাঁস ডিমের জন্য বেশ জনপ্রিয়। 
  
সাধারনত বেইজিং বা পেকিন জাতের হাঁস মাংস উৎপাদনের জন্য পালন করা হয়। এর পাশাপাশি আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলে চীনা হাঁস বা মাসকোভি হাঁস পালন ব্যাপক জনপ্রিয়। 
চলুন এবার জেনে নেওা যাক সেরা ৬ টি হাঁসের জাতের নাম।
             
১। জিংডিং ডিম উৎপাদন

    বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৬-২.২ কেজি

২। খাকি ক্যাম্পবেল
   বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৮-২.৫ কেজি

৩।ইন্ডিয়ান রানার
    বছরে ডিমের সংখ্যা= ২৫০-৩০০
    শারিরিক ওজন = ১.৫-২.২ কেজি

৪।বেইজিং বা পিকিং
     বছরে ডিমের সংখ্যা= ১৫০
      শারিরিক ওজন = ২.৫-৫.০ কেজি

৫। মাস্কোভি বা চীনা হাঁস
      বছরে ডিমের সংখ্যা= ১২০
      শারিরিক ওজন = ৩-৮ কেজি

৬। দেশি ডিম+মাংস উভয়
      বছরে ডিমের সংখ্যা= ৮০-১২০
      শারিরিক ওজন = ২-২.৫ কেজি 

কোন জাতের হাঁস বেশি ডিম দেয়ঃ 

হাঁস পালনের ক্ষেত্রে সবার মনেই একটা প্রশ্ন থাকে, কোন জাতের হাঁস বেশি ডিম দেয়? এর উত্তর হচ্ছে জিংন্ডিং ও খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস। এরা প্রায় ৮৫% পর্যন্ত ডিম দিয়ে থাকে। তবে ডিমের প্রডাকশন ভালো ব্যাবস্থাপনার উপর নির্ভর করে। ইন্ডিয়ান রানার হাঁসও বেশ ভালো ডিম পারে।
অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

অদ্ভুত প্রাণী টেনরেক

টেনরেক মাদাগাস্কারে পাওয়া একটি ছোট অদ্ভুত সুন্দর একটি প্রাণী। এরা মূলত কাঁটাযুক্ত টেনরিসিডাই Tenrecidae পরিবারের অন্তর্গত। এদের প্রাকৃতিক আবাসস্থল মাদাগাস্কারের উত্তর এবং পূর্ব অংশে গ্রীষ্মমন্ডলীয় নিম্নভূমি বৃষ্টি বনে। মাদাগাস্কারের ভারত মহাসাগর দ্বীপেই মূলত এরা বাস করে।   

টেনরেক ছোট ছোট গর্ত করে বাসা তৈরি করে এবং গর্তের মধ্যেই বসবাস করে। সাধারণত তাদের গর্তগুলো পানির উৎসের কাছেই রাখে এবং এবং গর্তগুলো পাতা দিয়ে ঢেকে রাখে যাতে তাদের কেউ ক্ষতি করতে না পারে।   

এদের  শরীরের গড় আকার হল দৈর্ঘ্য ১৪০ মিমি (৫.৫ ইঞ্চি) তবে প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বোচ্চ ১৭২ মিমি (৬.৮ ইঞ্চি) পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার রেকর্ড করা হয়েছে। এই প্রজাতির প্রাপ্তবয়স্কদের  শরীরের  ওজন ১২৫ থেকে ২৮০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রজাতির গায়ে হলুদ বা -বাদামী ডোরা বিশিষ্ট কালো কাঁটাযুক্ত পেলজ রয়েছে ।  এদের সমস্ত শরীর কাঁটাযুক্ত পেলজ দ্বারা আবৃত। কোন প্রাণী এদের আক্রমণ করলে তাদের শরীরে সমস্ত কাঁটা মেলে ধরে। এভাবেই তারা নিজেদেরকে আত্মরক্ষা করে।  

টেনরেক দিনে এবং রাতে উভয় সময়ে সক্রিয় থাকে। এরা সাধারণত মাটি খুঁচে কেঁচো খায় এছাড়ার বিভিন্ন ধরণের অমেরুদণ্ডী প্রাণীদেরও শিকার করে খায়। এমনকি তারা ফল খেতেও সক্ষম। 
স্থানীয় খাদ্য সরবরাহ এবং তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে এদের প্রজনন ঘটে। গর্ভধারণের সময়কাল ৫৮ দিন স্থায়ী হয় এবং একটিমহিলা টেনরেক সাধারণত ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে বাচ্চা জন্ম দিতে সক্ষম হয়। 

ক্রমাগত বন উজাড়ের কারণে এই টেনরেকগুলি প্রাথমিকভাবে তাদের প্রাকৃতিক বাসস্থানের ক্ষতির কারণে হুমকির সম্মুখীন, যেমনটি মাদাগাস্কার অঞ্চলের অন্যান্য অনেক প্রাণীও এখন হুমকির মুখে। বর্তমানে এই প্রজাতিটি খাদ্যের জন্যও শিকার করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

চাকুরীর জন্য সেরা ১০ গার্মেন্টস কোম্পানি।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় একটি দিক হচ্ছে পোশাক তৈরি শিল্প। যা বাংলাদেশকে প্রতি বছর বৈদেশিক মুদ্রায় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি অর্থ প্রদান করে থাকে। বাংলাদেশ পোশাক শিল্প রপ্তানি দিক দিয়ে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব মতে এইভাবে যদি দিনকে দিন বাংলাদেশ পোশাক শিল্প এগিয়ে যেতে থাকে তাহলে ২০২৪ সালে প্রায় ৬০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে । আজকের এই ভিডিও তে চাকুরীর জন্য বাংলাদেশের সেরা ১০ টি গার্মেন্টস কোম্পানি নিয়ে আলোচনা করবো। যেখানে চাকুরী করা যেমন সম্মানের তেমনি ভালো বেতনও পাওয়া যায়। এই সকল তথ্য গুগল ও বিভিন্ন সোর্স থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে কাজেই ১০০% তথ্য নাও মিলতে পারে। তাই ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আর আপনাদের যদি কোন মতামত থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্টস বক্সে লিখে যেতে ভুলবেন না। তো চলুন দেরি না করে শুরু করা যাক। 
 
বাংলাদেশের সেরা ১০ টি গার্মেন্টস কোম্পানি নাম নিচে উল্লেখ করা হলো:

১। হা-মিম গ্রুপ

দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প কারখানা হচ্ছে হা-মিম গ্রুপ। তাদের বাংলাদেশে মোট ২৬ টি পোশাক কারখানা রয়েছে। এই পোশাক উৎপাদন কোম্পানির মালিক মালিকানা হচ্ছে একটি বেসরকারি কোম্পানি। তারা প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক ডলার ইনকাম করে।
এই কোম্পানিতে মোট কর্মচারী সংখ্যা রয়েছে ৬০০০০ জনেরও বেশি। এই কোম্পানি যেগুলো তৈরি করে থাকেন তার মধ্যে জিন্স, শার্ট, জ্যাকেট, শাড়ি,অন্যতম। তারা এই পণ্যগুলো বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করে  বিভিন্ন দেশ থেকে অনেক পুরস্কার ও অর্জন করেছেন। এই পোশাক উৎপাদন করার প্রধান কারখানাটি ঢাকার তেজগাঁয়ে অবস্থিত। 

২। স্কয়ার ফ্যাশান লিমিটেড 

স্কয়ার ফ্যাশন লিমিটেড এটি হলো আরেকটি বাংলাদেশের খুবই স্বনামধন্য একটি পোশাক শিল্প কোম্পানি। তারা হচ্ছে স্কয়ার গ্রুপ অফ কোম্পানি যাদের বিভিন্ন সংখ্যক টেক্সটাইল পণ্য রয়েছে। তারা বিভিন্ন ধরনের গার্মেন্টস পণ্য উৎপাদন করে থাকে। তারা বাংলাদেশের পাশাপাশি পুরো বিশ্বকে তাদের পণ্যগুলো আদান প্রদান করে থাকেন। এই উৎপাদনকারী পণ্য সংস্থার ও দৃষ্টিভঙ্গি গ্রাহকের চাহিদা অনেক বেশি। এই পোষাক কোম্পানি  ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত।

৩। বেক্সিমকো( টেক্সটাইল কোম্পানি ) 

বেক্সিমকো হচ্ছে বাংলাদেশের খুবই সুনামধন্য ও জনপ্রিয় পোশাক তৈরি কোম্পানি। তারা তাদের গার্মেন্টস কোম্পানিতে বিভিন্ন ফ্যাশন ডিজাইনের কাপড় তৈরি করে থাকেন। এই গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিটি স্থাপিত হয় ১৯৯৭ সালে ঢাকা ধানমন্ডিতে। এবং এই কোম্পানিটির কারখানা রয়েছে ঢাকা সাভারে। 

৪। ডিবিএল লিমিটেড

ডিবিএল গ্রুপ বাংলাদেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় পোশাক তৈরি এবং টেক্সটাইল উৎপাদনকারী কোম্পানি। তাদের কোম্পানি বাংলাদেশ নিউ এয়ার কোম্পানির নামে পরিচিত লাভ করেছে। বর্তমানে এই কোম্পানিটির মোট কর্মচারীর সংখ্যা, ৪০ হাজারেরও বেশি। তারা তাদের উৎপাদনকারী পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে এবং বৈদেশিক বাজারে রপ্তানি করে থাকে। তাদের কোম্পানিটি অবস্থিত, ঢাকা কাওরান বাজারে। 

৫। ফকির গ্রুপ

ফকির গ্রুপ হচ্ছে বাংলাদেশের আরেকটি শীর্ষ স্থানীয় রপ্তানি মুখী পোশাক তৈরি কারী কোম্পানি লিমিটেড। তারা বিভিন্ন কাপড়ের লেভেল ডিজাইন ও ম্যানুফ্যাকচারিং এবং নিউ গার্মেন্টস সহ তাদের সেবা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এই উৎপাদনকারী কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানের ফ্যাক্টরি হচ্ছে, ঢাকা নারায়ণগঞ্জ অবস্থিত।

৬। স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ লিমিটেড

স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপ লিমিটেড বাংলাদেশের একটি স্থানীয় পোশাক তৈরি কারি শিল্প কোম্পানি যা বাংলাদেশের স্থাপিত করা হয় ১৯৮৫ সালে ঢাকায়। এছাড়াও তারা নৃত্য স্থানীয় পোশাক তৈরি কোম্পানি যাদের ঢাকা শহরে মোট বারোটি পোশাক তৈরি শিল্প কারখানা রয়েছে। বর্তমানে এই পোশাক শিল্প কাজের জন্য ৪৫ হাজার কর্মচারী রয়েছেন। 

৭। এপিলিয়ন গ্রুপ

এপিলিয়ন গ্রুপ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় পোশাক রপ্তানিকারক। কোম্পানীটি 1984 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে এটি বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে অন্যতম হয়ে উঠেছে। এপিলিয়ন গ্রুপের 60,000 জনের বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে।

৮। আকিজ টেক্সটাইল মিলস লি.

আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি প্রধান অন্যতম কোম্পানি। কোম্পানীটি 1987 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এরপর থেকে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানিকারকদের একটিতে পরিণত হয়েছে। আকিজ টেক্সটাইল মিলস লিমিটেডের 30,000 জনের বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে। 

৯। পালমাল গ্রুপ 

পালমাল গ্রুপ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করেছে। কোম্পানীটি 1989 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপর থেকে এটিও বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক হয়ে উঠেছে। পালমাল গ্রুপে ২০,000 জনেরও বেশি লোক রয়েছে এবং 100 টিরও বেশি দেশে রপ্তানি করে। 

১০। এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড 

এশিয়ান অ্যাপারেলস লিমিটেড বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগে চট্টগ্রাম ইপিজেডে কোম্পানিটি অবস্থিত। তারা তাদের কোম্পানিতে বিভিন্ন জিনিস তৈরি করে থাকেন যেগুলো তাদের গ্রাহককে খুবই পছন্দ করে থাকে । তারা ওয়ারশিং কাপড়, শাড়ি, থ্রি পিস, প্যান্ট, শার্ট, লুঙ্গি, ইত্যাদি উৎপাদন করে থাকেন। এই কোম্পানিতে মোট কর্মচারীর সংখ্যা রয়েছে ৩৫ হাজার এর অধিক।

বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

এনজিন আলতান দোজায়তানের আসল পরিচয় ও স্ত্রী সন্তান।

এনজিন আলতান দোজায়তানের আসল পরিচয় ও স্ত্রী সন্তান।

 দিরিলিস আরতুগ্রুল খ্যাত এনজিন আলতান দোজায়তানের আসল পরিচয় ও স্ত্রী সন্তান।

এনজিন আলতান দোজায়তান


এনজিন আলতান দোজায়তান
একজন তুর্কি অভিনেতা। তিনি ঐতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার ধারাবাহিক "দিরিলিশ আরতুগ্রুলে" প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুবাদে বিশ্বব্যাপী সুপরিচিতি লাভ করেন। তিনি ২৬ জুলাই ১৯৭৯ যুগোস্লাভিয়া জন্মগ্রহণকারী তুর্কি। বর্তমানে তার বয়স ৪৪ বছর। দোজায়তান উচ্চ মাধ্যমিকে পড়ার সময় থেকেই অভিনয় জীবনে আত্মপ্রকাশ করেন। তিনি ডকুজ ইয়েলুল বিশ্ববিদ্যালয়ে থিয়েটার নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। যদিও তিনি তার কোর্স সম্পন্ন করেন এবং একজন পেশাদার অভিনয়শিল্পী হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার জন্য ইস্তানবুলে চলে আসেন। ব্যক্তিগত জীবন দোজায়তান ২০০৮ সালে ওজাগ ওজপ্রিন্সের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন কিন্তু তাদের দাম্পত্যজীবন ২০১৩ সালের অক্টোবরে ভেঙ্গে যায়। এরপর কিছু দিন পরে নেসিলিস আলকোপ্লারের সাথে প্রেমবন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর ২০১৪ সালে প্রেম থেকে বিয়েতে রুপ নেয়। ২০১৬ সালের জানুয়ারীতে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয় এবং তার নাম রাখেন আমি আরজ দোজায়তান।

মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৪

ক্যান্সার থেকে মুক্তির দোয়া।

ক্যান্সার থেকে মুক্তির দোয়া।

ক্যান্সারসহ বিভিন্ন প্রকার কঠিন রোগ থেকে মুক্তির দোয়া।  

ক্যান্সার থেকে মুক্তির দোয়া।
সব সময় মনে রাখবেন সুস্থতা ও অসুস্থতা উভয়ই আল্লাহর নেয়ামত। সুস্থ থাকাকালীন অবস্থায় মানুষ বেশি করে আল্লাহর ইবাদত করতে পারে। শোকর গোঁজর আদায় করতে পারে, আল্লাহর প্রতি বেশি বেশি কৃতজ্ঞ থাকতে পারে। তবে অসুস্থ হলে ভেঙে পড়বেন না কারণ অসুস্থ হলে আল্লাহ তাআলা মর্যাদা বৃদ্ধি করেন, এবং গুনাহ ক্ষমা করতে থাকেন।  

মানুষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের রোগে আক্রান্ত হয় এবং অসুস্থ হয়। তবে সবার ক্ষেত্রে রোগের ধরণ এক রকম হয় না। কেউ সামান্য রোগে, আবার কেউ বড় কোনো দুরারোগ্যে রোগে আক্রান্ত হন। তবুও অসুস্থ যে ধরণেরই হোক না কেন, অসুস্থ হলেই মানুষ দুশ্চিন্তিত হয়। আল্লাহর কাছে আরোগ্য কামনা করে থাকেন। তবে কঠিন কোন দুরারোগ্যে আক্রান্ত হলে মানুষ দিশেহারা হয়ে যায়। সে মনে করতে থাকে হয়তো তার সময় শেষ। এমনটা ভাবার কোন কারণ নেই আল্লাহর উপর বিশ্বাস রাখতে হবে বেশি বেশি নামাজ কালাম পড়তে হবে, দোয়া দরূদ পড়তে হবে। পাশাপাশি এমন একটি দোয়া শিখিয়ে দিতে চায় যে দোয়া পাঠ করলে ক্যান্সারসহ সকল প্রকার দুরারোগ্য থেকে মুক্তি লাভ করা যায়। 

অনেকেই প্রশ্ন করেন , বড় কঠিন কোনো রোগে আক্রান্ত হলে কোন দোয়া পড়তে হয়, সেটা সম্পর্কে জানতে চায়। উসমান ইবনে হুনাইফ (রা.) থেকে বর্ণিত হয়েছে, এক অন্ধ ব্যক্তি নবী (সা.) এর কাছে এসে বললেন, হে আল্লাহর প্রিয় নবী, আমার জন্য আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করুন, যেন আমাকে তিনি আরোগ্য দান করেন। তিনি বলেন, তুমি কামনা করলে আমি দোয়া করব, আর তুমি চাইলে ধৈর্য ধারণ করতে পারো, সেটা হবে তোমার জন্য উত্তম। সে বলল, তার কাছে দোয়া করুন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি তাকে উত্তমভাবে অজু করার হুকুম করলেন এবং এই দোয়া করতে বললেন। [তিরমিজি, হাদিস : [৩৫৭৮ ইবনু খুজাইমা, হাদিস : ২/২২৫] মুসতাদরাক হাকিম, হাদিস : ১/৭০৭;  তাবরানি, হাদিস : ৯/১৭] 

ক্যান্সারসহ কঠিন রোগ থেকে মুক্তির দোয়া 

দোয়াটি হলো-

আরবি :

اللَّهمَّ إنِّي أسألُكَ وأتوجَّهُ إليكَ بنبيِّكَ محمدٍ صَلَّى اللَّهُ عليْهِ وعلى آلهِ وسلَّمَ نبيِّ الرحمةِ ، يا محمدُ إنِّي أتوجَّهُ بكَ إلى ربِّي في حاجَتي هذه فتَقضى، وتُشفعُني فيه وتشفعُهُ فيَّ

বাংলা উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ওয়া আতাওয়াজ্জাহু ইলাইকা বিনাবিয়্যিকা মুহাম্মাদিন নাবিয়্যির রহমাতি ইন্নি তাওয়াজ্জাহতু বিকা ইলা রব্বি ফি হাজাতি হাজিহি লিতুকদ্বা লি, আল্লাহুম্মা ফাশাফফি’হু ফিয়্যা।

অর্থ : হে আল্লাহ! তোমার কাছে আমি প্রার্থনা করি এবং তোমার প্রতি মনোনিবেশ করি তোমার নবী, দয়ার নবী মুহাম্মদ (সা.) এর (দোয়ার) মাধ্যমে। আমি তোমার দিকে ঝুঁকে পড়লাম, আমার প্রয়োজনের জন্য আমার প্রভুর দিকে ধাবিত হলাম, যাতে আমার এ প্রয়োজন পূর্ণ করে দেওয়া হয়। হে আল্লাহ! আমার প্রসঙ্গে তুমি তাঁর সুপারিশ কবুল করো