সর্বশেষ

বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১

কেন ঘুমের মধ্যে জিন আল কাবুস আক্রমণ করে? অথবা ঘুমের মধ্যে কেন বোবায় ধরে?

কেন ঘুমের মধ্যে জিন আল কাবুস আক্রমণ করে? অথবা ঘুমের মধ্যে কেন বোবায় ধরে?

কেন ঘুমের মধ্যে জিন আল কাবুস আক্রমণ করেঃ

 

ইসলাম অনুসারে বিভিন্ন ধরণের জ্বিন রয়েছে এবং এর মধ্যে একটি হ'ল জিন আল কাবুস যা আপনাকে ঘুমের সময় আক্রমণ করে এবং ঘুমের পক্ষাঘাতের কারণ সৃষ্টি করে। 
 
যেভাবে ঘুমের সময় জ্বিন আল কাবুস আক্রমণ করে। যদি আপনি ঘুমিয়ে পড়ে থাকেন এবং মনে করেন যে আপনার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে  বা আপনার উপর এমন কিছু চাপ দেওয়া হচ্ছে যা আপনাকে শ্বাস নিতে দিচ্ছে না এবং হঠাৎ করেই আপনি শ্বাস ফেলার চেষ্টা করে জেগে উঠেছেন, তাহলে  আপনি জিন আল কাবুস দ্বারা আক্রমণের স্বীকার হয়েছেন। 

চিকিত্সা বিজ্ঞান দাবি করেছে যে এই জাতীয় ঘটনাটি " মুলত স্লিপ প্যারালাইসিস বা ঘুমের পক্ষাঘাত" নামে পরিচিত, অন্যদিকে ধর্মীয় পন্ডিতরা এটি জিনদেরর আক্রমণ বলে দাবি করেছেন। 
   
আপনি যদি ভাবেন আমার এই সমস্যা প্রায় সময় বা মাঝে মাঝে হয় তাহলে আমার করণীয় কি? 
এটি যদি ইসলাম অনুসারে জিন আল কাবুস দ্বারা আক্রমন হয় অথবা চিকিত্সা বিজ্ঞান অনুসারে স্লিপ প্যারালাইসিস হয়ে থাকে তাহলে এই অনুভূতিটি বেশ ভয়ঙ্কর এবং অনতিবিলম্বে সুচিকিৎসা নিতে হবে।
  1. আপনি যদি ভাবেন যে এই সমস্যাটি শারীরিক অসুস্থতার কারণে হচ্ছে, তাহলে আপনার খুব দ্রুত মেডিকেল সহায়তা নিতে হবে।
  2. আপনি যদি বিশ্বাস করেন যে ঘুমের পক্ষাঘাত কোনও জিনের কারণে ঘটে থাকে তবে ইসলামিক উপায়ে রুকাইয়া বা  সুচিকিৎসার বিষয়টি নিশ্চিত করুন ।
ইসলামে জিন আল কাবুসের সাথে সম্পর্কিত কোন সঠিক হাদিস পাওয়া যায়নি। 
তবে আমাদের এ সত্যটি ভুলে যাওয়া উচিত নয় যে পবিত্র কোরআনে জিন সম্পর্কে একটি সুরা জিন নাযিল করা হয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য সূরায় জিনের কথা বলা হয়েছে। কাজেই ঘুমানোর সময় জিন আক্রমন করতে পারে এ বিষয় এড়ানোর কোন সুযোগ নেই। 
 
জিন আল কাবুস দ্বারা আক্রমনের হাত থেকে বাঁচার জন্য আপনাদের করণীয় কি কি?
ঘুমানোর সময় জিন আল কাবুসের আক্রমণ এড়াতে আমরা অবশ্যই কিছু ব্যবস্থা নিতে পারি। সবচেয়ে ভাল উপায় হযরত মুহাম্মদ (স:) এর সুন্নাহ অনুসারে ঘুমানো ﷺ এই জিনের আক্রমন থেকে বাঁচার জন্য আমাদের ঘুমানোর আগেনকিছু কাজ সম্পাদন করা উচিত সেগুলো হলঃ 
  1. ঘুমের আগে অবশ্যই অযু করবেন।
  2. ঘুমের আগে অবশ্যই এশার সালাত আদায় করবেন।
  3. বিছানায় ঘুমানোর আগে অবশ্যই বিছানা পরিস্কার করে ফেলুন। 
  4. ৩৩ বার সুবহান আল্লাহ পাঠ করুন।
  5. ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ পাঠ করুন।
  6.  ৩৪ বার আল্লাহু আকবর পাঠ করুন।
  7. সূরা আল-মুলক তেলাওয়াত করুন। 
  8. সূরা ইখলাস, সূরা আল-ফালক ও সূরা আল-নাস তেলাওয়াত করুন।
  9. পশ্চিমদিকে মুখ দিয়ে ঘুমান। অথবা  আপনার ডান পাশে ঘুমান। 
সর্বশেষ আপডেটের জন্য, আপনি আমাদের ওয়েবসাইটটি সাবস্ক্রাইব করে নিন। 

বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১

If you read this short dua or prayer, 100% girls will fall in love with you.

If you read this short dua or prayer, 100% girls will fall in love with you.

An unnamed boyfriend at one of the world's leading religious educational institutions wants to know that he loves a girl very much. Is there any such prayer or action? If he recites the amal or prayer, he will get the girl he loves or that girl will love him. Or will the girl agree to marry him? In response to all these questions, the organization has said a prayer. Watch the video to know the prayer.

In response to this question, the fatwa department of the organization said-
According to Islamic Sharia, it is illegal to love a girl privately or secretly and it is a grave sin. Nowadays love means meeting in solitude, eating nuts, eating blisters, going for walks in the park, dating, and many more. So a girl should avoid the subject of love.

If someone falls in love with someone, the fatwa department of the organization has advised him to do something. And then-

The man who loves a girl should get up at midnight on Friday and seek help from Allah. This prayer can be recited to fulfill the hopes of the mind-

فَوِن تَوَلَّوْا فَقُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ لا ـِلَـهَ ِلاَّ هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ
Pronunciation: ‘Fa ying tawallao faqul hasbiyallahu la ilaha illa hua alaihi tawakkaltu wa hua rabbul arshil azim.’ (Surah Tawba: verse 129)

Meaning: Even if they turn away, say: Allah is sufficient for me, there is no god but He. I trust in Him, and He is the Lord of the Great Throne.

Allama Kashmiri to read the details. The company has also suggested reading the book Ganjina e Asara.

May Allah grant the Muslim Ummah the Tawfeeq to live in the right way and to pray in its court in the right way. Give all the good in this world and the hereafter. Amen. 

বুধবার, ১২ মে, ২০২১

২০২১ সালের সকল সিমের সাশ্রয়ী অফার।

২০২১ সালের সকল সিমের সাশ্রয়ী অফার।

২০২১ সালের সকল সিমের সাশ্রয়ী অফার।

#রবি সিম অফার ২০২১ – Robi Sim Offer 2021: 

২০২১ সালে রবি নতুন সিম ক্রয় করলেই পাওয়া যাবে বিভিন্ন রকম সাশ্রয়ী অফার। সাশ্রয়ী বিভিন্ন ডাটা প্যাক এর পাশাপাশি ইন্টারনেট প্যাক পাওয়া যাবে সম্পুর্ণ বিনামূল্যে।  

12 মাসে 12 বার ফ্রি 1 জিবি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। রবি নতুন সিমে 1 জিবি ফ্রি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। এই অফারটি সিম এক্টিভেশনের পর থেকে প্রতি 31 দিনে অর্থাৎ প্রতি মাসে একবার করে পাওয়া যাবে। তবে প্রতি মাসে ফ্রি 1 জিবি ইন্টারনেট পেতে হলে উক্ত মাসে নতুন সিমে গ্রাহককে অবশ্যই কমপক্ষে 50 টাকা ব্যবহার করতে হবে। তাহলেই কেবলমাত্র ফ্রি 1 জিবি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। আর এই 1 জিবি ফ্রি ইন্টারনেট এর মেয়াদ 7 দিন।   

 
রবি 42 টাকা রিচার্জ অফারঃ  
নতুন রবি সিম কেনার পর প্রথমবার 42 টাকা রিচার্জ করলেই গ্রাহকগণ পাবেনঃ 
  • 34 টাকা একাউন্ট ব্যালেন্স। 
  • 7 দিন মেয়াদের 2 জিবি ইন্টারনেট। 
  • 7 দিন মেয়াদের 8 মিনিট। 
  • 30 দিনের জন্য 48 পয়সা প্রতি মিনিট কল রেট।
  
রবি নতুন সিমে 23 টাকায় 1 জিবি ইন্টারনেটঃ 
রবি নতুন সিম কেনার পর 12 মাস পর্যন্ত 23 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে- 
  • 1 জিবি 4জি  ইন্টারনেট অফার। 
  • এই অফারটি প্রতি 15 দিনে একবার নেওয়া যাবে।
  • অর্থাৎ 24 টাকা রিচার্জে 1 জিবি 4 জি ইন্টারনেট অফারটি 12 মাসে সর্বমোট 24 মাস নেওয়া যাবে। 
 
রবি 59 টাকায় 90 মিনিটঃ 

রবি নতুন সিমে 59 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে 90 মিনিট। এই 90 মিনিট এর মেয়াদ 10 থাকবে দিন।
 
রবি নতুন সিমে 9 টাকায় 1 জিবিঃ  
গুগল এ সার্চ করলে রবি নতুন সিম এর এই অফারটি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। তবে রবি নতুন সিমে অফিসিয়ালি “9 টাকা রিচার্জে 1 জিবি ইন্টারনেট” এই ধরনের কোনো অফার নেই।


#গ্রামীণফোন সিমের অফার ২০২১  – Grameenphone Sim Offer 2021:  

গ্রামীণফোন এর সকল নতুন সিম এর সকল প্যাকেজেই পাওয়া যাবে বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট, মিনিট ও রিচার্জ অফার।
 
গ্রামীনফোন নতুন সিম প্রথম রিচার্জ অফারঃ 

নতুন গ্রামীণফোন সিম কেনার পর প্রথমবার 34 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে যেকোনো লোকাল নাম্বারে 1 পয়সা / সেকেন্ড কলরেট। এছাড়াও পাওয়া যাবে ফ্রি 1 জিবি ইন্টারনেট ও ২ টি এমএমএস। ফ্রি 1 জিবি ইন্টারনেট ও এমএমএস এর মেয়াদ 7 দিন। বোনাস ও মেয়াদ চেক করা যাবে *121*1*2# ডায়াল করে।

গ্রামীনফোন নতুন সিম দ্বিতীয় রিচার্জ অফারঃ  
গ্রামীণফোন নতুন সিমে দ্বিতীয়বার 66 টাকা রিচার্জ করলে 10 দিন মেয়াদের 110 মিনিট পাওয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, শুধুমাত্র দ্বিতীয়বার রিচার্জ এর সমিয় 66 টাকা রিচার্জ এর ক্ষেত্রে এই অফার পাওয়া যাবে। রিচার্জ এর সিরিয়াল মেইন্টেইল না করলে উল্লেখিত অফার পাওয়া যাবেনা। এছাড়াও এই রিচার্জ সিম এক্টিভেশন এর দুইদিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে, অন্যত্র, অফারটি পাওয়া যাবেনা।

গ্রামীনফোন নতুন সিম স্পেশাল বান্ডেল অফারঃ 
গ্রামীণফোন নতুন সিম কিনে এক্টিভেশনের প্রথম দিনে 119 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে 100 মিনিট, 2 জিবি ইন্টারনেট (1 জিবি + 1 জিবি 4জি) ও 7 দিন মেয়াদের 2 টি এমএমএস৷ উল্লেখ্য যে, ইন্টারনেট ও মিনিট এর মেয়াদ 3০ দিন। এই অফারটি শুধুমাত্র সিম এক্টিভেশনের প্রথম দিনে 119 টাকা রিচার্জ এর ক্ষেত্রে পাওয়া যাবে।

জিপি নতুন সিমে ১৭ টাকায় ১ জিবি অফারঃ 
জিপি নতুন সিম কেনার পর প্রতি মাসে ১৭ টাকায় ১ জিবি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। অফারটি কিনতে কোনো কোড ডায়াল এর প্রয়োজন নেই। গ্রাহকগণ সরাসরি ১৭ টাকা ফ্লেক্সিলোড এর মাধ্যনে ১৭ টাকায় ১ জিবি অফারটি উপভোগ করতে পারবেন। এই ১ জিবি ইন্টারনেটের মেয়াদ ৭ দিন। অফারটি সিম এক্টিভেশন থেকে ৯ মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার করে এই অফারটি নেওয়া যাবে।
  
জিপি নতুন সিমে 17 টাকায় 2 জিবি অফারঃ  
MyGP অ্যাপ থেকে 17 টাকায় পাওয়া যাবে 2 জিবি ইন্টারনেট। এই 17 টাকায় 2 জিবি ইন্টারনেট এর মেয়াদ 7 দিন। অফারটি সিম এক্টিভেশন থেকে 9 মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে একবার করে নেওয়া যাবে। অফারটি পাওয়া যাবে কিনা তা জানা যাবে *121*1111#  ডায়াল করে।

#স্কিটো নতুন সিমের অফার ২০২১:   

গ্রামীণফোন এর মালিকানাধীন হলেও স্কিটো নতুন সিম এর অফারগুলোতে বেশ ভিন্নতা রয়েছে। নতুন স্কিটো সিম কিনলে পাওয়া যাবে নিম্নোক্ত অফারসমুহঃ
  • 7দিন মেয়াদের 3 জিবি ফ্রি ইন্টারনেট ডাটা
  • 30 দিন মেয়াদের 100 ফ্রি এসএমএস
  • 30 দিন মেয়াদের 10 টাকা মোবাইল ব্যালেন্স
  • 30 দিন মেয়াদের 50 এম্বি বোনাস ডাটা
  • প্রোমো কোড এন্টার করলে 7 দিন মেয়াদের 1 জিবি ইন্টারনেট ডাটা।
  • স্কিটো সিম অর্ডার করে কেনা যাবে স্কিটো এর ওয়েবসাইট হতে। স্কিটো সিম এর দাম 200 টাকা।

সকল সিমের প্রয়োজনীয় কোড নাম্বার জেনে নিন।

#বাংলালিংক নতুন সিমের অফার ২০২১: 

নতুন বাংলালিংক সিম কিনলে, সিম এর সাথে পাওয়া যাবে ফ্রি ডাটা, এসএমএস ও কলরেট। নতুন বাংলালিংক সিম কিনলে ক্রেতাগণ পাবেন –
  • 15 দিন মেয়াদের 5 টাকা একাউন্ট ব্যালেন্স
  • 4 দিন মেয়াদের 50 এম্বি ইন্টারনেট
  • 50 এসএমএস
  • যেকোনো লোকাল নাম্বারে 22 পয়সা প্রতি মিনিট কলরেট।
বাংলালিংক নতুন সিমে 27 টাকা রিচার্জ অফারঃ
সিম কেনার পর প্রথমবার 27 টাকা রিচার্জ করলে বাংলালিংক গ্রাহকরা পাবেন –
  • 30 দিন মেয়াদী 1 পয়সা প্রতি সেকেন্ড কলরেট
  • 7 দিন মেয়াদের 1 জিবি ইন্টারনেট
  • ডাটা ব্যালেন্স চেক করা যাবে *5000*500# ডায়াল করে।
বাংলালিংক নতুন সিমে 48 টাকা রিচার্জে 2 জিবি অফারঃ 
বাংলালিংক নতুন সিম কেনার পর যদি ক্রেতা 48 টাকা রিচার্জ করেন, তবে আলাদা একটি অফার পাবেন। এই অফার অনুযায়ী প্রতি মাসে 48 টাকা রিচার্জ করলে 7 দিন মেয়াদের 2 জিবি ইন্টারনেট পাওয়া যাবে। এই অফারটি মাসে একবারই নেয়া যাবে। ডাটা ব্যালেন্স চেক করা যাবে *5000*500# ডায়াল করে।

বাংলালিংক নতুন সিমে 222 টাকা বান্ডেল অফারঃ
নতুন বাংলালিংক সিম কিনলে 222 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে 30 দিন মেয়াদের 10 জিবি ইন্টারনেট। এক পয়সা প্রতি সেকেন্ড কলরেট এর পাশাপাশি ফ্রি 100 মিনিট ও পাওয়া যাবে বান্ডেল অফারটিতে। *121*100# ডায়াল করে ব্যালেন্স চেক করা যাবে।

বাংলালিংক নতুন সিমে 49 টাকা রিচার্জে 2 জিবি অফারঃ 
বাংলালিংক নতুন সিমে 49 টাকায় কেনা যাবে 2 জিবি ইন্টারনেট। এই ইন্টারনেট এর মেয়াদ 7 দিন। 49 টাকায় 2 জিবি ইন্টারনেট প্যাকটি *132*949# ডায়াল করে কেনা যাবে।

বাংলালিংক নতুন সিমে স্পেশাল মিনিট অফারঃ 
বাংলালিংক নতুন সিমে 47 টাকা রিচার্জ করলে 80 মিনিট পাওয়া যাবে। এই মিনিট ব্যবহার করে যেকোনো লোকাল নাম্বারে কথা বলা যাবে। মিনিট এর মেয়াদ 15 দিন। *132*947# ডায়াল করেও মিনিট কেনা যাবে। মিনিট চেক করা যাবে *124*100# ডায়াল করে।


#এয়ারটেল নতুন সিমের অফার ২০২১: 

নতুন এয়ারটেল প্রিপেইড সিম এর মূল্য 200 টাকা। নতুন সিম কিনলে বিনামূল্যে পাওয়া যাবে –
  • 90 দিন মেয়াদের 5 টাকা একাউন্ট ব্যালেন্স
  • 10 দিন মেয়াদের 50 এম্বি ইন্টারনেট
  • যেকোনো অপারেটরে 2 পয়সা প্রতি সেকেন্ড কলরেট
এয়ারটেল নতুন সিমে প্রথমবার 41 টাকা রিচার্জ অফারঃ 
এয়ারটেল নতুন সিম এক্টিভেশনের 30 দিনের মধ্যে শুধুমাত্র প্রথমবার 41 টাকা রিচার্জ করে পাওয়া যাবে –
  • 30 টাকা একাউন্ট ব্যালেন্স
  • 10 দিন মেয়াদের 15 মিনিট টকটাইম
  • 7 দিন মেয়াদের 2 জিবি ইন্টারনেট
  • যেকোনো অপারেটরে 90 দিনের জন্য ০.8 পয়সা প্রতি সেকেন্ড কলরেট
এয়ারটেল নতুন সিমে 19 টাকায় 2 জিবি অফারঃ 
এয়ারটেল নতুন সিম এক্টিভেশনের 11 মাস পর্যন্ত 19 টাকায় পাওয়া যাবে 2 জিবি ইন্টারনেট। ইন্টারনেট কিনতে *121*887# ডায়াল করতে হবে। এই অফারটি প্রতি মাসে শুধুমাত্র 1 বার নেওয়া যাবে। এই 19 টাকায় 2 জিবি ইন্টারনেট এর মেয়াদ 7 দিন।

এয়ারটেল নতুন সিমে 54 টাকায় 3 জিবি অফারঃ 
এয়ারটেল নতুন সিম কেনার প্রথম তিনমাসে আনলিমিটেড বার কেনা যাবে 54 টাকায় 3 জিবি ইন্টারনেট প্যাকটি। প্যাকটি কিনতে রিচার্জ করতে হবে 54 টাকা।  *8444*88# ডায়াল করে প্যাকটির ব্যালেন্স চেক করা যাবে। 54 টাকায় 3 জিবি ইন্টারনেট এর মেয়াদ 5 দিন।

#টেলিটক নতুন সিমের অফার ২০২১:  

টেলিটক নতুন সিম একাধিক প্যাকেজে পাওয়া যায়। একেকটি প্যাকেজে একেক ধরনের অফার।

টেলিটক নতুন সিম অপরাজিতা প্যাকেজ অফারঃ 
অপরাজিতা প্যাকেজ এর নতুন টেলিটক সিম কিনলে প্রথম তিনমাস 8 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে 1 জিবি ইন্টারনেট।

টেলিটক নতুন সিম স্বাগতম প্যাকেজ অফারঃ 
150 টাকায় স্বাগতম প্যাকেজ এর নতুন টেলিটক সিম কেনার পর প্রথমবার 99 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবেঃ
  • 60 মিনিট টকটাইম
  • 60 এসএমএস
  • 5 জিবি ইন্টারনেট
  • উপরোক্ত ইন্টারনেট, মিনিট ও এসএমএস এর মেয়াদ রিচার্জ এর দিন হতে শুরু করে 30 দিন পর্যন্ত। এছাড়াও স্বাগতম প্যাকেজ রয়েছে 47 পয়সা প্রতি মিনিট কলরেট।


টেলিটক নতুন সিম বর্ণমালা প্যাকেজ অফারঃ
বর্ণমালা প্যাকেজের নতুন টেলিটক সিম কেনার পর 30 টাকা রিচার্জ করলে পাওয়া যাবে –
  • 30 মিনিট টকটাইম
  • 60 মেগাবাইট ইন্টারনেট
  • 30 টি এসএমএস
  • ইন্টারনেট, মিনিট ও এসএমএস এর মেয়াদ 3 দিন। এছাড়াও বর্ণমালা প্যাকেজের টেলিটক সিম এ সাশ্রয়ী মূল্যে ডাটা প্যাক পাওয়া যায়। বর্ণমালা সিম এর স্পেশাল ডাটা প্যাকগুলো নিচের ছবিতে দেওয়া আছে।
টেলিটক নতুন সিম শতবর্ষ প্যাকেজ অফারঃ 
শতবর্ষ প্যাকেজের নতুন টেলিটক সিম কিনে 100 টাকা রিচার্জ করে পাওয়া যাবেঃ
  • 100 টাকা একাউন্ট ব্যালেন্স
  • 100 মিনিট টকটাইম
  • 100 এসএমএস
  • 17 জিবি ইন্টারনেট
উপরোক্ত নতুন সিমের অফারের পাশাপাশি শতবর্ষ প্যাকেজের সিমে পাওয়া যাবে নিম্নোক্ত অফারগুলোঃ
  • 34 টাকা রিচার্জে 45 পয়সা প্রতি মিনিট কলরেট, মেয়াদ 10 দিন
  • 79 টাকা রিচার্জে 45 পয়সা প্রতি মিনিট কলরেট, মেয়াদ 30 দিন
  • 17 টাকা রিচার্জ করলে 15 দিন মেয়াদের 2 জিবি ইন্টারনেট, মাসে সর্বোচ্চ 2 বার।
আমাদের ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুন!
২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।

২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।

২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা।

২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকাটি তোমাদের সাথে শেয়ার করছি। এই আর্টিকেলে ২০২০ সালের নোবেল পুরস্কার বিজয়ীদের নামের তালিকা বিস্তারিত ভাবে তুলে ধরা হল যেগুলো আগত সকল প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষাতে খুবই কাজে লাগবে। কাজেই দেরি না করে ঝটপট মুখস্থ করে ফেলুন।  

১৯০১ সাল থেকে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের সম্মানে মোট ছয়টি বিষয়ে (পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসাশাস্ত্র, অর্থনীতি, সাহিত্য ও শান্তি) নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়ে আসছে। ২০২০ সালে সাহিত্যে, চিকিৎসা, পদার্থবিজ্ঞান, শান্তি, রসায়ন ও অর্থনীতিতে অবদানের জন্য নোবেল জেতেন মোট ১২ জন ব্যক্তিত্ব।

২০২০ সালে সকল নোবেল বিজয়ীদের তালিকা নিচে দেওয়া হলোঃ  

২০২০ সালে চিকিৎসা বিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ীঃ  

২০২০ সালে চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য এ বছরও নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হলেন তিন বিজ্ঞানী। তারা হলেন, মার্কিন বিজ্ঞানী হার্ভে জে আল্টার ও চার্লস এম রাইস এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী মাইকেল হাউটন। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস আবিষ্কার এবং এর চিকিৎসায় গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য এ বছর দুই মার্কিন বিজ্ঞানী এবং এক ব্রিটিশ নোবেলজয়ী বিজ্ঞানীর নাম ঘোষণা করা হয়।

নোবেল বিজয়ী এই তিনজন দূরারোগ্য হেপাটাইটিস সি ভাইরাসের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় সামনে এনেছেন। তারা রক্ত ​​পরীক্ষার মাধ্যমেই এই ভাইরাস শনাক্ত এবং নতুন ওষুধ আবিষ্কার করেছেন যা লাখ লাখ মানুষের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে। যকৃতের ক্যান্সারের প্রধান কারণ এই ভাইরাস। ফলে রোগীদের বেশিরভাগ সময়ই যকৃত প্রতিস্থাপন করতে হয়। হেপাটাইটিস সি ভাইরাস নিয়ে ওই তিন বিজ্ঞানীর গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারকে যুগান্তকারী অর্জন বলে উল্লেখ করেছে নোবেল কমিটি।

২০২০ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ 

২০২০ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিনজন। মার্কিন বিজ্ঞানী আন্দ্রেয়া ঘেজ, ব্রিটেনের রজার পেনরোজ ও জার্মান রেনহার্ড গেঞ্জেল- যৌথভাবে এই সম্মান পেলেন। মহাকাশে ব্ল্যাক হোল নিয়ে গবেষণার জন্য এই সম্মান।
সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের ভবিষ্যদ্বাণী বলিষ্ঠকরণে ব্যাকহোল অবিষ্কারের জন্য রজার পেনরোজকে নোবেল প্রাইজের অর্ধেক মূল্য দেওয়া হল। অন্যদিকে, বিশাল মহাকাশে ছায়াপথের কেন্দ্রে সুপারম্যাসিভ কমপ্যাক্ট অবজেক্টের আবিষ্কারের জন্য অপর দুই বিজ্ঞানীকে যৌথভাবে পুরস্কারের অর্ধেক দেওয়া হবে।

২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ 

২০২০ সালের সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেলেন আমেরিকান কবি লুইস গ্লাক। তাঁর অসামান্য কাব্যভাষ্য ও দার্শনিক সৌন্দর্যবোধ ব্যক্তি সত্তাকে  সার্বজনীন করে তোলে, জানিয়েছে সুইডিশ একাডেমি। প্রসঙ্গত, নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে ১৬তম মহিলা বিজেতা হলেন এই মার্কিন কবি। 

২০২০ সালে রসায়ন বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার বিজয়ীঃ  

এ বছর রসায়ন বিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন দুই নারী। তারা হলেন এমানুয়েলে কার্পেন্তিয়ের (ফ্রান্স) ও জেনিফার এ. দোদনা (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র), দুইজন পুরস্কারটির অর্ধেক অর্ধেক করে পেয়েছেন।

র‌য়্যাল সুইডিশ অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এর মতে, জিন সম্পাদনার ক্ষেত্রে একটি নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য তাদেরকে যৌথভাবে এ বছর রসায়নে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হলো। জিন সম্পাদনার জন্য সবচেয়ে কার্যকরী যে প্রযুক্তিটি তৈরি করেছে; তার নাম ক্রিসপার বা ক্যাস নাইন জেনেটিক ছুরি। এটি ব্যবহার করে গবেষকরা খুব সহজেই প্রাণী, উদ্ভিদ এবং অণুজীবের ডিএনএ পরিবর্তন করতে পারেন।

২০২০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ীঃ 

২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার (2020 Nobel Peace Prize) পেয়েছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর (World Food Programme)।
সারা বিশ্বে ক্ষুধার জ্বালা মেটাতে, যুদ্ধ বিধ্বস্ত এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনার অক্লান্ত চেষ্টা এবং এই ক্ষুধার জ্বালা হিংসা ও যুদ্ধ ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে দেওয়ায় বাধা দেওয়ার সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা। তারই স্বীকৃতি হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দেওয়া হল বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচীর হাতে।

২০২০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরষ্কার বিজয়ীঃ 

২০২০ অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার পেলেন পল আর মিলগ্রোম (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র) ও রবার্ট বি উইলসন (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র)। 

নতুন নিলাম তত্ত্ব এবং উন্নত পদ্ধতি আবিষ্কারের জন্য চলতি বছরের অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন দুই মার্কিন গবেষক। ‘নিলাম পদ্ধতি কীভাবে কাজ করে তা ব্যাখ্যা করেছেন পল আর মিলগ্রোম ও রবার্ট বি উইলসন। এছাড়াও পণ্য ও পরিষেবার উন্নতির স্বার্থে নতুন নিলাম পদ্ধতিও পরিকল্পনা করেছেন। তাঁদের আবিষ্কারে বিশ্বের ক্রেতা, বিক্রেতা এবং করদাতারা উপকৃত হয়েছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, গত বছর এই পুরস্কার পেয়েছিলেন ভারতীয় বাঙালী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দোপাধ্যায়, এস্থার দুফ্‌লো ও মিশেল ক্রেমার।

১। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন কে ? তিনি কোন দেশের নাগরিক?  

উত্তরঃ ২০২০ সালে সাহিত্যে নোবেল পেয়েছেন কবি লুইস গ্লাক। তিনি হলেন আমেরিকান নাগরিক।  

২। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী কে? 

উত্তরঃ ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী (World Food Programme)।

৩। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তারা কোন দেশের নাগরিক?

উত্তরঃ ২০২০ সালে অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন ২ জন তাঁরা হলেন- পল আর মিলগ্রোম ও রবার্ট বি উইলসন। তারা দুজনই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

৪। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে পদার্থে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তারা কোন দেশের নাগরিক? 

উত্তরঃ ২০২০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন ৩ জন তাঁরা হলেন- আন্দ্রেয়া ঘেজ, রজার পেনরোজ ও রেনহার্ড গেঞ্জেল। আন্দ্রেয়া ঘেজ মার্কিন নাগরিক, রজার পেনরোজ ব্রিটেনের নাগরিক  ও রেনহার্ড গেঞ্জেল জার্মান নাগরিক। 

৫। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা?  তাঁরা কোন দেশের নাগরিক? 

উত্তরঃ ২০২০ সালে রসায়নে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন ২ জন নারী তাঁরা হলেন- এমানুয়েলে কার্পেন্তিয়ের ও জেনিফার এ. দোদনা। এমানুয়েলে কার্পেন্তিয়ের ফ্রান্সের নাগরিক ও জেনিফার এ. দোদনা হলেন আমেরিকান নাগরিক।

৬। প্রশ্নঃ ২০২০ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন কারা? তাঁরা কোন দেশের নাগরিক? 

উত্তরঃ ২০২০ সালে চিকিৎসা শাস্ত্রে নোবেল বিজয়ী হয়েছেন ৩ জন তাঁরা হলেন- হার্ভে জে আল্টার ও চার্লস এম রাইস এবং মাইকেল হাউটন। হার্ভে জে আল্টার ও চার্লস এম রাইস হলেন মার্কিন নাগরিক এবং বিজ্ঞানী মাইকেল হাউটন হলেন ব্রিটিশ নাগরিক। 

 শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে নিন আপনার ক্যানসার আছে কিনা।

শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে নিন আপনার ক্যানসার আছে কিনা।

শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে নিন আপনার ক্যানসার আছে কিনা।

ক্যানসার শরীরের জন্য একটি মারাত্মক জটিল রোগ। ক্যানসার শরীরের যেকোনো অঙ্গে হতে পারে। এমনকি এটি টিউমার অথবা অদৃশ্য রক্তের শ্বেতকণিকায়ও হতে পারে। ক্যানসার এমন একটি রোগ যা একটিমাত্র কোষ থেকে সৃষ্টি হয়। আজকের আর্টিকেলটি পড়ার মাধ্যমে শরীরের অবস্থা দেখে বুঝে নিন আপনার ক্যানসার আছে কিনা।

মানুষের শরীর কোটি কোটি কোষ দিয়ে গঠিত। আর এই কোষের মূল উপাদান হচ্ছে ক্রমোসোম। এই ক্রমোসোমের মধ্যে অন্তর্নিহিত রয়েছে অসংখ্য জিন। প্রতিটি জিন একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য রক্ষা করে বা কর্মসম্পাদনের জন্য দায়ী থাকে। এ ধরনের একটি জিন হচ্ছে প্রটো অনকোজিন, আরেকটি হচ্ছে ক্যানসার সাপ্রেসরজিন। নাম শুনেই হয়তো বুঝতে পারছেন, ক্যানসার সাপ্রেসরজিন শরীরে ক্যানসার না হওয়ার জন্য ভূমিকা পালন করে। অপরদিকে প্রটো অনকোজিন, অনকোজিন হওয়ার অপেক্ষায় থাকে। যদি কোনো কারণে ক্যানসার সাপ্রেসর জিন তার কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে বা প্রটো অনকোজিন অনকোজিনে রূপান্তরিত হয়ে যায়, অথবা উভয় প্রক্রিয়া একই সঙ্গে ঘটে থাকে, তাহলে অনকোজ বা টিউমার বা ক্যানসার শুরু হয়ে যায়।     

ধরা যাক, যেকোনোভাবে আপনার জিহ্বায় একটি ক্ষত সৃষ্টি হলো। দু-চার দিনের মধ্যে ক্ষতটি পূরণ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কোষ বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেল। যদি কোষ বৃদ্ধি ব্ন্ধ না হয়ে চলতেই থাকত, তাহলে কী হতো? কোষ বাড়তে বাড়তে মুখের বাইরে চলে আসত। এই প্রক্রিয়া ওই দুটি জিনের সামঞ্জস্যপূর্ণ কাজের জন্য হয়ে থাকে। 

জন্মগতভাবে অনেকের জেনেটিক সমস্যা থাকে। এতে খুব অল্প বয়সে, এমনকি দুই বছরের কম বয়সে চোখের ক্যানসার, কিডনির ক্যানসার, মস্তিষ্কের ক্যানসার ইত্যাদি হয়। শরীরের এই জিন নষ্ট হয়ে যাওয়া বা কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় সেলুলার মিউটেশন। এই সেলুলার মিউটেশন শরীরের বিভিন্ন কারণেও হয়ে থাকে। যেমন : রেডিয়েশন এক্স-রে, গামা-রে, সূর্যের অতি বেগুনি রশ্মি , তামাকের ধোঁয়া, অ্যাসবেসটর, আলকাতরা, আর্সেনিক, ডিটিটি পাউডার, কাপড়ের রং করার অ্যানিলিনডাই, হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস ইনফেকশন, হেপাটাইটিস-বি ভাইরাস ইত্যাদির মাধ্যমেও হতে পারে।    

অধিক চর্বিযুক্ত খাবার, ছত্রাকযুক্ত খাবার, অধিক মাংসভোগী এবং কম সবজি ও কাঁচা ফল গ্রহণকারীর ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। যে মা সন্তানকে বুকের দুধ পান করান না এবং যে নারী সন্তান গ্রহণ করেননি অথবা আদৌ বিয়ে করেননি, তাঁদের স্তন ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। এ ছাড়া যেসব লোক একাকী জীবনযাপন করেন এবং সদা বিমর্ষ থাকেন, তাঁদেরও ক্যানসার হওয়ার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি থাকে।  

সিগারেটের ধোঁয়ার মধ্যে প্রচুর কারসিনোজেন থাকে। কারসিনোজেনই হচ্ছে সেই পদার্থ, যা শরীরে ক্যানসার সৃষ্টি করে বা করাতে চায় (সেলুলার মিউটেশনের মাধ্যমে)। তামাকের ধোঁয়ার মধ্যে কারসিনোজেন হচ্ছে কেমিক্যাল কারসিনোজেন যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। ধূমপানের কারণে ফুসফুসের ক্যানসার, স্বরনালির ক্যানসার, গলনালির ক্যানসারসহ প্রায় প্রতিটি অঙ্গের ক্যানসার হতে পারে। 
 

জেনে নিন শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের ক্যান্সারের উপসর্গঃ 

ক্যানসারের উপসর্গ নির্ভর করে শরীরের কোন অঙ্গে ক্যানসার হয়েছে এবং কোন রোগ কোন পর্যায়ে অবস্থান করছে তার উপর।
 
মুখগহ্বরের ক্যানসারঃ মুখগহ্বরের ক্যানসার হলে দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী একটি ক্ষত থাকবে, ব্যথা থাকতে পারে।  খেয়াল রাখবেন ১-৩ সপ্তাহের মধ্যে এই ক্ষত সেরে না উঠলে অবশ্যই ডাক্তারের কাছে পরামর্শ নিতে হবে। 

খাদ্যনালিতে ক্যান্সারঃ খাদ্যনালিতে ক্যান্সার হলে শক্ত খাবার থেকে শুরু করে তরল খাবার  ক্রমান্বয়ে গিলতে অসুবিধা হয়। এবং খাদ্য গলার মধ্যে আটকে থেকে বমি হয়ে বেরিয়ে যায়। 

পাকস্থলীর ক্যানসারঃ পাকস্থলীর ক্যানসারের ক্ষেত্রে ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব এবং পেটব্যথা হওয়া,এছাড়াও কালো পায়খানা ইত্যাদি হয়।  
 
ফুসফুসের ক্যানসারঃ
ফুসফুসের ক্যানসার হলে ক্রমাগত কাশি, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, গলার স্বর বসে যাওয়া অথবা পরিবর্তন হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।   

স্তন ক্যানসারঃ
স্তন ক্যানসার হলে একটি পিণ্ড বা চাকা দেখা দিতে পারে। স্তনের চামড়া কুঁচকে যেতে পারে এবং বোগলে চাকা চাকা হতে পারে।   
 
বৃহদান্ত্রের ক্যানসারঃ বৃহদান্ত্রের ক্যানসার হলে মল ত্যাগে অনিয়ম, মলের সঙ্গে রক্ত বের হওয়া অথবা তৈলাক্ত পদার্থ বের হওয়া ইত্যাদি হতে পারে। একপর্যায়ে পায়খানা বন্ধ হয়ে গিয়ে পেট ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। 

মলদ্বারের ক্যানসারঃ  মলদ্বারের ক্যানসারে মলত্যাগে অসুবিধা, ব্যথা, রক্ত বের হতে পারে। এই রোগের প্রকোপ বেড়ে গেলে পায়খানা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মত সমস্যা হতে পারে।  
 
নারীদের জরায়ুমুখের ক্যানসারঃ নারীদের জরায়ুমুখের ক্যানসারের জন্য দায়ী হিউম্যান পেপিলোমা নামক ভাইরাস। এ ছাড়া পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাব, খুব কম বয়সে বিয়ে, সন্তান হওয়া এবং অধিক সন্তান প্রসাবের কারণেও এই ক্যানসার হতে পারে। অতিরিক্ত সাদাস্রাব বের হওয়া , সহবাসের সময় রক্তক্ষরণ হওয়া,অনেক ব্যথা অনুভব করা ইত্যাদি এ ক্যানসারের উপসর্গ।
   
মস্তিষ্কের ক্যানসারঃ মস্তিষ্কের ক্যানসার বা টিউমার হলে মাথাব্যথা করা, শরীরের নির্দিষ্ট কোনো অঙ্গ দুর্বল বা অবশ হয়ে যাওয়া, হঠাৎ চোখে দেখতে অসুবিধা হওয়া, হঠাৎ খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ইত্যাদি এসব উপসর্গ দেখা দিলে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তারের কাছে যেতে হবে। 
  
ব্লাড ক্যানসারঃ
  ব্লাড ক্যানসার বা রক্তের ক্যানসার একটি অন্যতম মারাত্মক ব্যাধি। এটি হলে দুর্বলতা, রক্তশূন্যতা, দাঁতের মাড়ি বা অন্য স্থান থেকে রক্তক্ষরণ হওয়া, ঘন ঘন জ্বর হওয়া, অত্যধিক ক্ষুধামন্দা, বমি বমি ভাব, চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন কাশি হওয়া, কণ্ঠস্বর ভেঙে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে।  

যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয় ক্যানসারঃ
যকৃৎ ও অগ্ন্যাশয় এগুলোর ক্যানসার হলে খাবারে অরুচি, বমি বমি ভাব, বদহজম, পেট ফাঁপা, পায়খানা পরিষ্কার না হওয়া, পেটে ব্যথা হতে ইত্যাদি হতে পারে।  
 
এছাড়াও মানুষের শরীরে নানা ধরনের ক্যানসার বাসা বাঁধতে পারে।  এবং এই ক্যানসার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে হতে পারে। এবং এদের উপসর্গগুলোও আলাদা আলাদা রকম হতে পারে। তবে মনে রাখবেন ক্যানসার বলতেই কমবেশি রক্তশূন্যতা হবেই। খাবারে অরুচি, বমি ভাব, ক্লান্তি এবং অবসাদ, শরীরের ওজন কমে যাওয়া এইসব উপসর্গ থাকবেই।   

মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১

কারিন শয়তান জিন প্রত্যেক মানুষের ঘাড়ে থাকে।

কারিন শয়তান জিন প্রত্যেক মানুষের ঘাড়ে থাকে।

প্রত্যেক মানুষের জন্ম নেয়ার সাথে সাথে একটি শয়তান জিন নিয়োজিত হয় এবং সেই শয়তান জিন মানব সন্তানকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত পথভ্রষ্ট করার জন্য চেষ্টা করেন। 

পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, 
যে ব্যক্তি দয়াময় আল্লাহর স্মরণ থেকে তার চোখ ফিরিয়ে নেয়, আমি তার জন্যে এক শয়তান নিয়োজিত করে দেই, অতঃপর সেই শয়তান হয় তার সঙ্গী। শয়তানরাই মানুষকে সৎপথে চলতে বাধা দান করে থাকে। আর মানুষ মনে করে যে, তারা সৎপথে রয়েছে। (সূরা  আয্-যুখরুফ:৩৬-৩৭)

হাদিসে এসেছে,  
আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রা.) থেকে বর্ণিত:
তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই একটি শয়তান নির্ধারিত  রয়েছে। সহাবাগণ প্রশ্ন করলেন, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার সাথেও কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার সাথেও শয়তান রয়েছে। তবে তার মোকাবেলার জন্য আল্লাহ আমাকে সাহায্য করেছেন। এখন আমি তার থেকে সম্পূর্ণরূপে নিরাপদে আছি। এখন সে আমাকে কল্যাণকর বিষয় ছাড়া কখনও অন্য কিছুর নির্দেশ দেয় না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭০০১)   

এছাড়াও আরেকটি হাদিসে কারিন জিনের কথা এসেছে। এটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস৷ কেননা, এখান থেকে আমরা বুঝতে পারবো কিভাবে কারিন নামক শয়তান জিন আমাদের কে  সর্বদা পথভ্রষ্ট করার চেষ্টা করে এবং কুমন্ত্রণা দিয়ে থাকে৷ 

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর সহধর্মিণী আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) থেকে বর্ণিত: 
তিনি বলেন, কোন এক রজনীতে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছ থেকে বের হলেন। তিনি বলেন, এতে আমার মনে কিছুটা অহমিকা আসল। তারপর তিনি এসে আমার অবস্থা অবলোকন করে বললেন, হে ‘আয়েশা! তোমার কি হয়েছে? তুমি কি ঈর্ষাপরায়ণ হয়েছো? 

উত্তরে আমি বললাম, আমার মত মহিলা আপনার মত স্বামীর প্রতি কেন ঈর্ষাপরায়ণ হবে না? এ কথা শুনে রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তোমার শয়তান মনে হয় তোমার কাছে এসেছে? তখন তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! আমার সঙ্গেও কি শয়তান থাকে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, অবশ্যই। তারপর আমি বললাম তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, প্রত্যেক মানুষের সাথেই কি শয়তান রয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অতঃপর আমি জিজ্ঞাসা করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! আপনার সঙ্গেও কি শয়তান রয়েছে? তিনি বললেন, হ্যাঁ, আমার সঙ্গেও শয়তান রয়েছে। তবে আল্লাহ তায়ালা তা র মোকাবেলার জন্য আমাকে সাহায্য করেছেন। এখন তার থেকে আমি সম্পূর্ণরূপে নিরাপদে আছি। (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ৭০০৩)

অতএব,এই আর্টিকেল পড়ে আমরা কারিন শয়তান সম্পর্কে খুব সহজভাবেই জানতে পারলাম। এই শয়তান মূলত আমাদের কে বিপথগামী ও পথভ্রষ্ট করে এবং আমাদের দিয়ে পাপ কাজ করিয়ে থাকে নানারকম কুপরামর্শ দেয়ার মাধ্যমে। আমাদের কে এই শয়তান থেকে সতর্ক থাকতে হবে এবং আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে বেশি বেশি দোয়া করতে হবে যেন এই শয়তান থেকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন আমাদেরকে হেফাজত করেন। "আমিন" 

রবিবার, ৯ মে, ২০২১

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

সন্ত্রাস কাঁপানো বাংলাদেশের ৭ টি দুর্ধর্ষ স্পেশাল গোপন ফোর্স।

বাংলাদেশের দামাল  সন্তানেরা নানা সংস্থার মাধ্যেমে দেশসেবায় নিয়োজিত আছে। যেমন সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিমান বাহিনী, পুলিশ,বিজিবি, আনসার দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি অনেক গোয়েন্দা সংস্থা ও বিশেষ বাহিনী বাংলাদেশে সক্রিয় রয়েছে। কাজের ধরন অনুযায়ি এসব বাহিনী পরিচিত। তবে গোয়েন্দা বাহিনীতে দেশের মেধাবীরা কাজ করছেন সবার আগোচরে। সরকারের উচ্চ পদস্থ ব্যক্তিরাই এ বিষয়ে ভালোভাবে অবহিত। স্পেশাল অপারেশন্স ফোর্স, গুপ্তচর, ইন্টেলিজেন্স, কমান্ডো- এইসব বিষয়ে সবারই একটা আগ্রহ থাকে। ওদের ট্রেনিং, কাজের ধরণ, গোপনীয়তা- সবকিছু যেন লাইভ থ্রিলার মুভি! বাংলাদেশেও তেমনই কিছু স্পেশাল অপারেশন ফোর্স রয়েছে। চলুন আজকের ভিডিও এর মাধ্যমে জেনে নেওয়া যাক বাংলাদেশের দুর্ধর্ষ ৭টি স্পেশাল ফোর্স সম্পর্কে। 

১। পিজিআরঃ 

প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট (পিজিআর)  বঙ্গভবনে অবস্থিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নির্বাহী অফিসের একটি সত্তা, রাষ্ট্রপতির বিদেশ ভ্রমণ, রাষ্ট্রপতির সাধারণ যাতায়াত, চিকিৎসা সহায়তা ও জরুরি চিকিত্সা সেবা, এবং আতিথেয়তা পরিষেবা সহ সকল ধরনের নিরাপত্তা, সামরিক সহায়তা নিশ্চিত করে। পিজিআর এর প্রধান হলেন রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব এবং প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের কমান্ডার। রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৬ সালে এই বাহিনী গঠন করেন। সেই সময় এটি প্রেসিডেন্সিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স নামে পরিচিত ছিল। ১৯৮২ সালে রাষ্ট্রপতি হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ এটি পূনর্গঠন করেন এবং একটি পূর্ণাঙ্গ বাহিনী হিসাবে উন্নীতকরন করেন।  বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাদের পরিবারের নিকটতম সদস্যদের এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা প্রদান এই বাহিনীর প্রধান দায়িত্ব।
 

২। এনএসআইঃ 

এন এস আই এর পূর্ণরূপ হল ন্যাশনাল সিকউরিটি ইন্টেলিজেন্স যার অর্থ জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা। যুগযুগ ধরে এই বেসামরিক সংস্থাটি বাংলাদেশের প্রাইম গোয়েন্দা সংস্থা ছিল। দেশের প্রতিটা জেলায়, প্রতিটা থানায় রয়েছে এদের অফিস। সমস্ত কিছু হয় সম্পূর্ণ গোপনে। এমনকি তাদের হেডকোয়ার্টারও পুরোপুরি আন্ডারকাভার। এন এস আই এর কাজের ধরণ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও অখন্ডতা, বাইরের দেশের হুমকির বিষয়গুলি দেশের ভিতরে ট্যাকল করা, কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স। গোয়েন্দা তথ্য জোগাড় করে তা বিশ্লেষণ করা ও প্রয়োজন অনুসারে সরকারকে জানানো। এন এস আই এর ট্রেনিং পুরোপুরি গোপনীয়। দেশে ও দেশের বাইরে। তবে, আর্মি, নেভি, এয়ার, ডিজিএফআই’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ট্রেনিং হয়। এন এস আই সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে পরিচালিত হয়। 

 
৩। সোয়াটঃ 

স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স। আমেরিকার সোয়াট টিমের আদলে, তাদেরই অর্থায়নে, তাদেরই ট্রেনিংয়ে এবং তাদেরই সব ইক্যুইপমেন্টে সজ্জিত হয়ে বাংলাদেশেও যাত্রা শুরু করে তাদেরই সমান আকৃতির একটা সোয়াট টিম। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম- সোয়াট। এরা হল ছোট্ট টিম, পুরোপুরি উদ্ধার অভিযান কেন্দ্রীক।  যেসব সংস্থায় সশস্ত্র উদ্ধারকাজ দরকার হতে পারে, তেমন সব সংস্থার জন্য একই ধরনের একটা করে টিম গঠন করে দেওয়া হয়। এই টিমগুলির ট্রেনিং একই রকম, সামান্য এদিক সেদিক। কিন্তু তারা থাকবে লোকালাইজড সংস্থার সঙ্গে । যেমন, এফবআই’র নগরভিত্তিক প্রতিটা অফিসে, পুলিশের প্রতিটা বড় ইউনিটে ছোট একটা করে সোয়াট টিম, কোস্টগার্ড, বর্ডারগার্ড, কাস্টমস, ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ইত্যাদি। খুবই শক্তপোক্ত ভাবে নিয়োগ হয় এই ফোর্সটায়। শারীরিক হার্ডওয়ার্কের উপর বিশেষ নজর দেওয়া হয়। সব সোয়াট টিমই পঁচিশ-পঁয়তাল্লিশজনে সীমাবদ্ধ। এরা সরাসরি ডিএমপি কমিশনারের নির্দেশে পরিচালিত হয়।


৪। ফরমেশন কম্যান্ডো কোম্প্যানিঃ 

 দুই থেকে তিনটা প্ল্যাটুন নিয়ে এক কোম্পানি। একজন ক্যাপ্টেন বা মেজরের অধীনে আর্মি ফরমেশনগুলিতে একটা করে কম্যান্ডো কোম্প্যানি থাকার কথা। প্রতি ডিভিশনেই বা ক্যান্টনমেন্টে আছে এমন কোম্পানি। এই বাহিনীর চার থেকে ছয় মাসের অকল্পনীয় ট্রেনিং করানো হয়। এই বাহিনীর বিশেষায়িত অস্ত্র হল টাইপ ফিফটি সিক্সের লাইট ফুলমেটাল ভার্শন (এখানে সবচেয়ে সাধারণ), বিশ্ব কাঁপানো উজি মেশিন পিস্তল ও সাবমেশিনগান, মার্কিন এম ফোর কারবাইন, স্পেশাল ফোর্সেস শর্ট ব্যারেল স্পেশাল এডিশন কারবাইন, কমান্ডো গ্রেনেড-নাইফ-ভেস্ট-এস্কেপ টুলস। এদের প্রধান কাজ হল সামরিক,গোপন তথ্য উদ্ধার/ গোপন স্যাবোট্যাজ, স্পেশাল অ্যাসাইন্ড কিলিং। এছাড়াও স্পর্শকাতর উদ্ধারকাজ বা শত্রুবাহিনীর মূল কোন একটা পয়েন্ট গুঁড়িয়ে দেওয়া।  

 
 ৫। সিটিআইবি-

কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো। এদের প্রধান কাজ হল সন্ত্রাস দমন করা। এরা সরাসরি ডিজিএফআই থেকে নিয়োগ পেয়ে থাকেন। ডিজিএফআই’র একটা পরিদপ্তর উপ-সংস্থা। কিন্তু এর সক্ষমতা ব্যাপক, তাই কোথাও কোথাও একে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়। পৃথিবীর বড় বড় অ্যান্টি টেররিজম অর্গানাইজেশনের সঙ্গে সহযোগিতামূলক আদান-প্রদান হয় এদের ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে। মূলত এই বাহিনী বড় আয়তনের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস নিয়ে ডিপকাভার তদন্ত করে থাকে, এছাড়াও আরো প্রয়োজনে ডিপ আক্রমণ করে থাকে।

৬। র‍্যাবঃ 

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন এদের ভুমিকা হল কাউন্টার টেরোরিজম, অ্যান্টি ড্রাগ অ্যান্ড নারকোটিকস, স্পেশাল সেফটি অ্যান্ড সিকউরিটি, ইন্টারনাল ব্ল্যাক অপস, সন্ত্রাস দমন, গোয়েন্দা নজরদারী ইত্যাদি। এই বাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয় মূলত সেনাবাহিনী থেকে ৪৪%, পুলিশ থেকে ৪৪%, বিজিবি-আনসার-নেভি-এয়ার বাকি ৬%। রেবের ফিল্ডে থাকা সবার ট্রেনিং একই মানের নয়। গোয়েন্দা শাখার ট্রেনিং বিশ্বমানের, ইন্টারোগেশনও সর্ব্বোচ্চ শ্রেণীর। ব্যাবের শুরুতে যখন গঠিত হয়, তখন পুরো ফোর্সের অর্ধেকই ছিলেন শুধু আর্মির প্যারাকমান্ডো। পরে তাদের সবাইকে মূল সার্ভিসে রিপ্লেস করা হয়।

৭। এসএসএফঃ 

স্পেশাল সিকউরিটি ফোর্স হল সরকারপ্রধানের নিরাপত্তার বিশেষায়িত বাহিনী। একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের অধীনে গঠিত ছিল, বর্তমানে মেজর জেনারেলের অধীনেও কাজ করে। এদের তিন বাহিনী থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। অপারেটিভরা সাধারণত ক্যাপ্টেন বা সমমানের পদবী থেকে আসা। এই বাহিনীর পুরোপুরি গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। ফিল্ডের অনেক কাজ বাস্তবায়নে পুলিশ-রেব এমনকি সেনাবাহিনীও কাজে লাগানো হয়। এদের কাজের প্রধান ক্ষেত্র হল প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা, গোয়েন্দা নজরদারি, সফর সঙ্গী হওয়া।