২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান।

২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান, সাকিব আল হাসান,সাকিবের নিষেধাজ্ঞা,

২০২০ সালের আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি সপ্তম আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হবে। আগামি বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপটি অস্ট্রেলিয়ায় ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ম্যাচগুলি অনুষ্ঠিত হবে। ফাইনালটি মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু  ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান। কেন এবং কি কারণে ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না জানতে হলে বিস্তারিত পড়ুন। 

বাংলাদেশ জাতীয় দলের বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসানকে দুই বছরের জন্য সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে আইসিসি বোর্ড।  যার মধ্যে থেকে এক বছরের শাস্তি স্থগিত থাকবে বলে জানিয়েছেন আইসিসি। তারপর হিসাব করলেও ২০২০ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান।  
তবে আইসিসি জানিয়েছে আগামী এক বছর সাকিবের ওপর কড়া নজরদারি করা হবে। যাতে করে কোনরকম দুর্নীতির সাথে সম্পৃক্ত হলেই সাথে সাথেই নিষেধাজ্ঞা আবার বেড়ে যাবে। অর্থাৎ, আইসিসির দুটি শর্ত পূরণ না করলে নিষেধাজ্ঞা এক থেকে দুই বছর হয়ে যাবে।

এ শাস্তির ফলে বর্তমান অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো ধরনের ক্রিকেটে মাঠে নামতে পারবেন না বাংলাদেশের বিশ্বসেরা এ অলরাউন্ডার।

এই নিষেধাজ্ঞার ফলে, আগামী বছর অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠেয় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না সাকিব আল হাসান। 

আইসিসির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থগিত ১২ মাসের নিষেধাজ্ঞা যেন কার্যকর না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হলে সাকিব আল হাসানকে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে। নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে পারলে নিষেধাজ্ঞার পরিমাণও কমে যেতে পারে।
  1. নিষেধাজ্ঞার সময় আইসিসির দুর্নীতি দমন বিভাগের আইন বা কোনো দেশেরই দুর্নীতি বিরোধী আইন ভাঙা যাবে না।
  2. আইসিসি যেভাবে বলে দেবে ঠিক সেভাবে  বিভিন্ন দুর্নীতি বিরোধী শিক্ষাকার্যক্রম ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় স্বেচ্ছায় ও পরিপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে হবে। 
সাকিব আল হাসানকে নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো- তিনি তিনবার ম্যাচ ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও আইসিসিকে তা না জানানোর জন্য তার বিরুদ্ধে এ শাস্তির ব্যবস্থা নিয়েছে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। 

২০১৮ সালে ঢাকায় ত্রিদেশীয় সিরিজ ও আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য জুয়াড়ির কাছ থেকে প্রস্তাব পেয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বিষয়গুলো সাকিব আল হাসান অবহেলা করে আইসিসিকে না জানানোয় তাকে এ শাস্তি প্রদান করা হয়েছে।

প্রথম এক বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটানোর সময়ে নতুন করে কোনো আইন না ভাঙলে পরবর্তী এক বছরের শাস্তি থেকে তিনি রেহাই পাবেন। সেক্ষেত্রে ২০২০ সালের ২৯ অক্টোবরের পর আবার মাঠে ফেরার সুযোগ পাবেন ।

No comments

Powered by Blogger.