শনিবার, ১১ এপ্রিল, ২০২৬

সরকারী চাকরীর বয়স বৃদ্ধি নিশ্চিত হচ্ছে।


সরকারী চাকরীর বয়স বৃদ্ধি নিশ্চিত হচ্ছে।

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ন্যূনতম ৩৫ বছর নির্ধারণ এবং ৩ বছর ব্যাকডেট কার্যকরের দাবি জানিয়ে আন্দোলনরত চাকরিপ্রত্যাশী সাধারণ শিক্ষার্থীরা সরকারকে আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়ন না হলে সারাদেশব্যাপী কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে রাজপথে আরও জোরালোভাবে অবস্থান নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম ঘোষণা করা হয়। সেখানে চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রতিনিধি শরিফুল হাসান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা, দীর্ঘ সেশনজট, বিভিন্ন জটিলতা ও নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে বহু শিক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ে তাদের শিক্ষাজীবন সম্পন্ন করতে পারেন না। এর ফলে তারা সরকারি চাকরিতে আবেদন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যা তাদের মতে বৈষম্যমূলক।

তিনি আরও বলেন, চাকরিতে আবেদনের বয়সসীমা সাময়িকভাবে ৩৭ থেকে ৪০ বছর পর্যন্ত বৃদ্ধি করার দাবি জানানো হচ্ছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে স্থায়ীভাবে বয়সসীমা ন্যূনতম ৩৫ বছর নির্ধারণেরও আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে পূর্ববর্তী সময়ের জন্য ব্যাকডেট প্রযোজ্য থাকবে।

শরিফুল হাসান জানান, গত প্রায় ১৪ বছর ধরে তারা এই দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। বিভিন্ন সময়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশ্বাস পাওয়া গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো বাস্তব অগ্রগতি হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ অবস্থায় ১২ এপ্রিলের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া প্রত্যাশা করা হয়েছে। অন্যথায়, নির্ধারিত সময়ের পর দেশজুড়ে চাকরিপ্রত্যাশীদের নিয়ে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে জানান তারা। একই সঙ্গে তারা আশা প্রকাশ করেন, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করবে।


শেয়ার করুন

Author:

আমি একজন অতি সাধারণ মানুষ। সবসময় চেষ্টা করি সত্য, সৌন্দর্য ও প্রজ্ঞার সমন্বয়ে পাঠকদের সামনে অর্থবহ ও হৃদয়ছোঁয়া বিষয়বস্তু তুলে ধরতে। শেখার নিরন্তর প্রয়াস এবং তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই আমার লেখালেখির মূল প্রেরণা।

0 coment rios: