Thursday, July 2, 2020

কোন কোন নারীদের করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের করা উচিত!!

কোন কোন নারীদের বিয়ে করা উচিত!!

হ্যালো বন্ধুরা প্রত্যেক পুরুষের নারী সংগ প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই অজানা সঙ্গী হিসেবে কেমন নারী দরকার। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী ৪ ধরণের নারীকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বাছাই করার কথা বলেছেন। আসুন আজকের এই আর্টিকেলের এর মাধ্যমে কেমন নারী গ্রহণ করা উচিত সেই সম্পর্কে জানবো। কাজেই আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়ুন। 

একজন নারী ও পুরুষ বিয়ের মাধ্যমে মানুষ পূর্ণাঙ্গ ঈমানদারে পরিণত হয়। বিয়ের জন্য পাত্রী নির্বাচনের রয়েছে বেশ কিছু সুন্নাতি পদ্ধতি। আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারিমের মাধ্যমে বলেছেন সম্পদের মালিক, সুস্থ, স্বাধীন ও প্রাপ্ত বয়স্ক ব্যক্তির জন্য বিয়ে করা অত্যান্ত জরুরী। বিয়ে করার ক্ষেত্রে পাত্রী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে সকল বিষয় লক্ষ্য করতে হয় সে গুলো হোল স্নেহময়ী নারী, অধিক সন্তান দানকারী এমন নারী, কুমারী, দ্বীনদার ও সতী-সাধ্বী নারীকে বিয়ে করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পাত্রী নির্বাচনের সুস্পষ্ট মতামত ব্যক্ত করেছেন। যা এখানে তুলে ধরা হলোঃ

হজরত আবু হুরায়রা (রা:) আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‌নারীদেরকে চারটি জিনিসের জন্য বিয়ে করা হয়।
যথাঃ
 ১. সম্পদের জন্য,
২. বংশ-বুনিয়াদের জন্য,
৩. সৌন্দর্যের জন্য এবং
৪. দ্বীনদারীর জন্য।
 অতএব দ্বীনদার নারীদেরকেই অগ্রাধিকার দাও। তোমার হাত ধূসরিত ও মঙ্গলময় হোক। (বুখারি ও মুসলিম)

সুতরাং বিয়ে করার সময় আমাদের দেখতে হবে পাত্রীর অর্থ-সম্পদ কেমন আছে, যদি না থাকে তবে দেখতে হবে তাঁর বংশ পরিচয় কেমন, যদি তাও সন্তোষ জনক না হয়, তবে দেখতে হবে ঐ পাত্রী সৌন্দর্য তথা সুন্দর ও আচার-আচরণে সভ্য ও নম্র ভদ্র আছে কিনা? যদি তাও পাওয়া না যায় তবে দেখতে হবে তার মাঝে দ্বীনদারি আছে কিনা অর্থাৎ সে নারীর মাঝে আল্লাহ ভয় এবং মহব্বত আছে কিনা। তবে  যদি কোনো নারীর মাঝে শুধুমাত্র দ্বীনদারী পাওয়া যায়, তবে সেই নারী বিয়ের জন্য সবচেয়ে উত্তম। আর এ চারটির কোনো একটি পাওয়া গেলে সে নারীকে বিয়ে করা সুন্নত।

আল্লাহ তাআলা হাদিসে বর্ণনা মতে মুসলিম জাতির সকল পুরুষকে বিয়ে করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

বিস্তারিত জান্তেও নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 

Wednesday, July 1, 2020

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নতুন নিয়োগ জুলাই ২০২০

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নতুন নিয়োগ জুলাই ২০২০

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে নতুন নিয়োগ জুলাই ২০২০

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অধীনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার এর কিছু শূন্য পদসমূহে জনবল নিয়োগের জন্য নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। নিমিউ অ্যান্ড টিসি ৮ টি পদে নিয়োগ দেবে। আগ্রহ  ও যোগ্যতা থাকলে আপনিও আবেদন করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিজ্ঞপ্তি নিচে বিস্তারিত দেওয়া হল।

প্রতিষ্ঠানের নামঃ ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিকেল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার। 

পদের নামঃ কম্পিউটার অপারেটর
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।
বেতনঃ ১২,৫০০-৩০,২৩০ টাকা।

পদের নামঃ সিনিয়র টেকনিশিয়ান (মেশিনিস্ট)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ মেশিন টুলস অপারেশন, অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অথবা সমরূপ ট্রেডে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ।
বেতনঃ ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।

পদের নামঃ সিনিয়র টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রনিক্স)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ ইলেকট্রনিক্স কন্ট্রোল অ্যান্ড কমিউনিকেশন, কম্পিউটার অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অথবা সমরূপ ট্রেডে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীগণ।
বেতনঃ ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।

পদের নামঃ সিনিয়র টেকনিশিয়ান (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং অথবা সমরূপ ট্রেডে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট ভোকেশনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতনঃ ১১,৩০০-২৭,৩০০ টাকা।

পদের নামঃ টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রিক্যাল)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাশ বা সংশ্লিষ্ট ট্রেডে ২ বৎসর মেয়াদি কোর্স সম্পন্ন থাকতে হবে।
বেতনঃ ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।
  পদের নামঃ টেকনিশিয়ান (রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাশ অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রেডে ২ বৎসর মেয়াদি কোর্স সম্পন্ন অথবা রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ারকন্ডিশনিং অথবা সমরূপ ট্রেডে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।
বেতনঃ ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা। 

পদের নামঃ টেকনিশিয়ান (ইলেকট্রনিক্স)
পদসংখ্যাঃ ০১টি।
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পাশ অথবা সংশ্লিষ্ট ট্রেডে ২ বৎসর মেয়াদি কোর্স সম্পন্ন।
বেতনঃ ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা।

পদের নামঃ  সাঁটমুদ্রাক্ষরিক কাম কম্পিউটার অপারেটর
পদ সংখ্যাঃ  ০১ টি
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচ এস সি অথবা সমমানের পরীক্ষায় পাস ।
অন্যান্য যোগ্যতাঃ কম্পিউটার টাইপিং-এর ক্ষেত্রে প্রতি মিনিটে শব্দের গতি বাংলা ও ইংরেজিতে যথাক্রমে ২৫ ও ৩০ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা

আবেদন প্রক্রিয়াঃ আগ্রহী প্রার্থীগণ আবেদনপত্র পূরণ করে(প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ) সভাপতি নিয়োগ সংক্রান্ত বাছাই কমিটি ও চীপ টেকনিক্যাল ম্যানেজার বা নিমিউ অ্যান্ড টিসি, মহাখালী, ঢাকা” এই ঠিকানা বরাবর ডাকযোগে অথবা সরাসরি চীপ টেকনিক্যাল ম্যানেজার, নিমিউ অ্যান্ড টিসি, মহাখালী, ঢাকা এর রক্ষিত বাক্সে পৌঁছাতে হবে।

আবেদন গ্রহনের শেষ সময়: ২৬ জুন ২০২০ তারিখ পর্যন্ত।

সুত্রঃ বাংলা সাইবার ডট কম
এইচএসসি পাসে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ১৬৫০ জনের নিয়োগ।

এইচএসসি পাসে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ১৬৫০ জনের নিয়োগ।

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতরের ০৯টি পদে ১৬৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা প্রার্থীগণ আগামী ২০ জুলাই পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। 

এইচএসসি পাসে স্বাস্থ্য অধিদফতরে ১৬৫০ জনের নিয়োগ।

প্রতিষ্ঠানের নামঃ  স্বাস্থ্য অধিদফতর

পদের নামঃ  মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ইসিজি)
পদসংখ্যাঃ ৪৬০ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ  ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (এনেসথেসিয়া)
পদসংখ্যাঃ ৩০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ডায়ালাইসিস)
পদসংখ্যাঃ ৩০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (বায়োমেডিকেল)
পদসংখ্যাঃ ২১১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ইটিটি)
পদসংখ্যা: ১২২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (পারফিউশনিস্ট)
পদসংখ্যাঃ ০১ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (সিমুলেটর)
পদসংখ্যাঃ ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (অর্থোপেডিক্স)
পদসংখ্যাঃ ০২ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা


পদের নামঃ মেডিকেল টেকনিশিয়ান (ইকো)
পদসংখ্যাঃ ২৪৮ জন
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ এইচএসসি/সমমান
অভিজ্ঞতাঃ ০৩ বছর
বেতনঃ ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা

বয়সঃ ০১ জুলাই ২০২০ তারিখে ১৮-৩০ বছর। বিশেষ ক্ষেত্রে ৩২ বছর। 

আবেদনের নিয়মঃ প্রার্থীরা dghsc.teletalk.com.bd এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের সঙ্গে ৩০ঃপিক্সেল-৩০০ পিক্সেল সাইজের ছবি ও ৩০০-৮০ সাইজের স্বাক্ষর স্ক্যান করে যুক্ত করতে হবে।

আবেদন ফি: টেলিটকের মাধ্যমে ১১২ টাকা পাঠাতে হবে।

আবেদনের শেষ সময়ঃ ২০ জুলাই ২০২০ 

সুত্রঃ জাগোজবস ডট কম

Tuesday, June 30, 2020

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

অত্যান্ত জনপ্রিয় সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল।

সেরা ১০টি বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়ালঃ 

ইসলাম ধর্ম নিয়ে অসংখ্য ডকুমেন্টরি নির্মাণ হয়েছে। বিভিন্ন দেশে টেলিভিশন সিরিয়াল নির্মাণ হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে ধর্ম নিয়ে নির্মিত সিরিয়ালগুলোর বেশ কদর রয়েছে। এসব সিনেমা অন্যান্য দেশে ডাবিং করে বিপুল অর্থও আয় করা হয়। সিরিয়ালগুলো নির্মাণও হয় অনেক বড় বাজেটে। এসব সিরিয়ালের বিষয়বস্তু এবং সংলাপের মধ্যে ইসলামী ভাবধারা এবং মুসলমান শাসকদের ইতিহাসের কিছু বিষয় আছে। মধ্যপ্রাচ্যে তো মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ বাস করে আর বাংলাদেশেরও অধিকাংশ মানুষ মুসলিম। এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক নৈকট্য তারা বোধ করে। সেটা থেকে এক ধরনের আগ্রহ তৈরি হয়। চলুন এমনই রোমাঞ্চকর সেরা ১০টি  বাংলা ডাবিং ইসলামিক সিরিয়াল নিয়ে আজকের আয়োজন। আশা করি ভিডিও টি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে। তো ভিডিও সম্পূর্ণ দেখুন।

১। আসহাবে কাহাফঃ   

আসহাবে কাহাফ হল ১৯৯৭ সালের একটি ইরানি টিভি ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন ফারাজুল্লাহ সালাহশুর। এ সিরিজে আসহাবে কাহাফের ঘটনা ইসলামিক বর্ণনা অনু্যায়ী দেখানো হয়েছে। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৭ এর এপ্রিল হতে সিরিজটি বাংলায় সম্প্রচার করা শুরু করে। জনাকয়েক পলাতক যুবক, একটি গুহা আর তিন শতাব্দীর নিদ্রা- আসহাবে কাহাফের মূল কাহিনী। আসহাবে কাহাফ কেবল মুসলিমদের কাছেই প্রবল জনপ্রিয় একটি ঘটনা নয়, বরং খ্রিস্টানদের কাছেও ছিল খুব জনপ্রিয় ও অলৌকিক ঘটনা।

২। সুলতান সুলেমানঃ 

সুলতান সুলেমান একটি তুর্কি ধারাবাহিক টেলিভিশন নাটক যা পরিচালনা করেছেন মেরাল ওকেয় ও ইয়িলমায শাহিন।  প্রাথমিকভাবে তুরস্কের "শো" টিভিতে নাটকটির সম্প্রচার শুরু হলেও পরবর্তীকালে তুরস্কের "স্টার" টিভিতে এর সম্প্রচার স্থানান্তর করা হয়। বাংলাদেশের বেসরকারি চ্যানেল "দীপ্ত" টিভি ২০১৫ সালের ১৮ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় সম্প্রচার শুরু করে। নাটকটি নির্মিত হয়েছে উসমানীয় সাম্রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময়কালব্যাপী রাজত্ব বিস্তারকারী উসমানীয় সম্রাট প্রথম সুলাইমান এবং তার স্ত্রী হুররেম সুলতানের জীবনীর উপর ভিত্তি করে, যিনি সুলায়মানের কৃতদাসী হয়েও পরবর্তীকালে তার প্রধান স্ত্রী বা সুলতানা হিসেবে সম্মানিত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছিলেন।

৩। ইউসুফ জুলেখাঃ 

ইউসুফ জুলেখা একটি ইরানি সিরিয়াল যা ফারজুল্লাহ সালানশুর পরিচালিত ২০০৮ সালের একটি ইরানি টিভি চলচ্চিত্র, যেখানে নবী ইউসুফ(আঃ)-এর ঘটনা কুরআন এবং ইসলামী বর্ণনা অনুযায়ী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলা ভাষায় ডাবিং এর মাধ্যমে ২০১৬ সাল থেকে ইউসুফ জুলেখা নামে এই ধারাবাহিকটি সম্প্রচার করে আসছে। ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই দুই চরিত্র নিয়ে নির্মিত ধারাবাহিকটি বাংলাদেশ ছাড়াও ইতিমধ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ভাষায় প্রচারিত হয়েছে।

৪। আলিফ লায়লাঃ 

আলিফ লায়লা হল আরব্য রজনীর গল্প অবলম্বনে নির্মিত একটি ভারতীয় টেলিভিশন ধারাবাহিক। সাগর ফিল্মস এটি নির্মাণ করে। দুটি আলাদা মৌসুমে টেলিভিশন ধারাবাহিকটি নির্মাণ হয়। প্রথম মৌসুমটি ডিডি ন্যাশনাল (দুরদর্শন ন্যাশনাল) চ্যানেলে প্রচারিত হয় এবং দ্বিতীয় মৌসুমটির প্রচার হয় পাকিস্তানের এ.আর.ওয়াই. ডিজিটাল চ্যানেলে। ব্যাপক জনপ্রিয়তার কারণে পরবর্তীতে ধারাবাহিকটির বাংলাদেশেও বাংলা ভাষায় ডাব করে সম্প্রচার শুরু হয় বিটিভি এবং একুশে টেলিভিশনে। যা রীতিমত দর্শক সাফল্য পায়। ২০১২ সালে ভারতীয় চ্যানেল ধামাল টিভি এর পঞ্চম সম্প্রচার শুরু করে। বর্তমানে বেসরকারী টিভি চ্যানেল গাজী টিভি নিয়মিতভাবে প্রতি শনিবার থেকে বুধবার রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে এবং প্রতি বৃহস্পতিবার রাত ৭ টা ৪৫ মিনিটে এই ধারাবাহিকটি বাংলায় প্রচার করছে।


৫। দিরিলিস: আরতুগ্রুলঃ  

দিরিলিস আরতুগ্রুল হল মেহমেত বোজদাগ ও কেমাল তেকদেন কর্তৃক নির্মিত একটি তুর্কি ঐতিহাসিক অ্যাডভেঞ্চার টেলিভিশন ধারাবাহিক নাটক, যার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন এনজিন আলতান দোজায়তান। ইস্তাম্বুলের বেয়কোয জেলার রিভা গ্রামে এর চিত্রধারণ করা হয়েছিল। ২০১৪ সালের ১০ই ডিসেম্বর তুরস্কের টি আরটি ১ টেলিভিশনে প্রথম সম্প্রচারিত করা হয়। ২০১৬ সালের ১৪ই নভেম্বর থেকে বাংলাদেশের একুশে টেলিভিশনে সিরিজটির বাংলা সম্প্রচার শুরু করে "সীমান্তের সুলতান" নামে এবং একই বছর ২৩শে ডিসেম্বর এর সম্প্রচার স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশের মাছরাঙা টিভিতে ২ এপ্রিল ২০১৭ সাল থেকে "দিরিলিস আরতুগ্রুল" নামে পুনরায় এর সম্প্রচার শুরু করে। ওঘুজ তুর্কিদের ইতিহাসের উপর ভিত্তি করে এটি নির্মিত হয়েছে, যা ১৩ শতাব্দীর মধ্যভাগে উসমানীয় সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা প্রথম উসমানের পিতা এরতুগরুল গাজীর জীবনকে তুলে ধরা হয়েছে। উসমানের জীবদ্দশায় এই সময়কালের প্রাধান্য অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়কালই তার মৃত্যুর পর পরবর্তী ছয় শতাব্দীর জন্য উসমানের রাজবংশের অধীনে একটি বিশ্বময় সাম্রাজ্য গড়ে তোলার পথকে প্রশস্ত করেছিল। 
 

৬। কারবালা কাহিনীঃ  

কারবালা কাহিনী হল একটি মহাকাব্যিক ও ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক যা পরিচালনা করেছেন দাভুদ মিরবাঘেরি, ধারাবাহিকটি মুখতার আল-সাকাফির জীবনের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। ১৪০ এরও বেশি অভিনেতা এতে অভিনয় করেছেন। বাংলাদেশের এসএ টিভি ২০১৮ সালে ধারাবাহিকটি বাংলাদেশে আমদানি করে ও বাংলা ভাষায় ডাবিং করে সম্প্রচার করে। বাংলাদেশ ছাড়াও ধারাবাহিকটি আরো কয়েকটি দেশে কয়েকটি ভাষায় অনুবাদ করে সম্প্রচার করা হয়েছে।


৭। জান্নাতঃ 

কোরিয়ান জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘টিয়ার্স অব হ্যাভেন এর কাহিনী অবলম্বনে জান্নাত পরিচালনা করেছেন তুর্কি নির্মাতা সাদুল্লাহ জেলেন। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে সিরিয়ালটি প্রচারিত হয়েছে তুরস্কের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় চ্যানেল এটিভি তে। আগামী ১৪ অক্টোবর থেকে স্যাটেলাইট চ্যানেল এটিএন বাংলায় সম্প্রচার শুরু হচ্ছে বাংলায় ডাবিংকৃত এই টিভি সিরিয়ালটি। 

পারিবারিক ও বর্তমান সময়ের গল্প নিয়ে জান্নাত নির্মিত হয়েছে। যেখানে একটি এতিম মেয়ের জীবনসংগ্রামের নানা বিষয় উঠে এসেছে। দারিদ্র্যের মধ্যে বড় হওয়া মেয়েটি যখন স্থপতি হয়ে তার স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানে চাকরি পান। তখন তিনি ভাবেন তার জীবনের দুঃখ-দুর্দশা হয়তো দূর হতে শুরু করেছে। কিন্তু উল্টো তার জীবনে নতুন করে আরও জটিলতা সৃষ্টি হয়। তাকে ফেলে যাওয়া মা আবারও ফিরে আসে তার জীবনে। তবে ভালোবাসা নিয়ে নয়, বরং তার প্রতি তীব্র ঘৃণা ও বিদ্বেষ নিয়ে। অন্যদিকে মেয়েটির জীবনে যে প্রেমএসেছিল সেখানেও প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়ায় তার বোন।

৮। মহাবীর গাজী সালাউদ্দিনঃ 

সালাহ আল-দিন আল আইয়ুবি বা বাংলায় ক্রুসেড বা মহাবীর গাজী সালাউদ্দিন‎ হল হাতেম আলী পরিচালিত একটি ২০০১ সালের আরব ঐতিহাসিক টেলিভিশন ধারাবাহিক, যাতে হিজরি ৬ষ্ঠ শতকে মিশর ও ল্যাভান্টের নিকটবর্তী এলাকায় ক্রুসেডের ঘটনা সম্পর্কিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মূলত ধারাবাহিকটিতে সালাহ উদ্দিন আয়ুবির জীবনী তুলে ধরা হয়েছে, যিনি হাত্তিনের যুদ্ধের দ্বারা বিনা রক্তপাতে জেরুজালেম দখল করতে সমর্থ হন। ৩০ পর্বের এই ধারাবাহিকটি সালাদিনের জন্ম হতে শুরু করে ঐতিহাসিক ক্রমধারায় সকল ঘটনা পর্যায় ক্রমিকভাবে দেখানো হয়েছে। এর ১ বছর পূর্বে সিরিয়ান পরিচালক নাজদাত আঞ্জুর "সার্চিং ফর সালাদিন" নামে একই বিষয়বস্তু নিয়ে একটি টিভি ধারাবাহিক নির্মাণ করেন। এই ঐতিহাসিক সিরিজটি ২০১৭ সালের ২ই জুলাই হতে বাংলাদেশের এসএ টিভি ধারাবাহিকটি বাংলায় সম্প্রচার শুরু করে।


৯। হাতেম তাইঃ  

আরব্য রজনীর সেই অমর চির সবুজ চরিত্র ‘হাতেম’। ৭ টি ধাঁধাঁর দারণ বিপজ্জনক রহস্য ভেদ করে সাধারন মানুষের উপকারকারী হাতেম এর শত্রু এবার ইবলিশ শয়তানের দোসর দাজ্জাল। যে কিনা তার কালো জাদুর রাজ্য বিস্তার করতে চায় পৃথিবীব্যাপী, কিন্তু তার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় আল্লাহর ন্যায়পরায়ন বান্দা হাতেম।

দাজ্জাল ইবলিশের কাছ থেকে প্রাপ্ত তার শয়তানী শক্তির পূর্ণ প্রয়োগ করলেও হাতেম তার ঈমানী শক্তি দিয়ে মোকাবেলা করে দাজ্জাল এবং তার কালো জাদু দিয়ে তৈরি দুষ্ট সাঙ্গ-পাঙ্গদের!!! ধাঁধাঁর রহস্য ভেদ করতে গিয়ে নানা রকম বিপদের মুখোমুখী হয় হাতেম। কিন্তু সততা আর সাহসিকতা দিয়ে বারবার বিভিন্ন ধরনের শয়তানী শক্তিকে পরাজিত করে সে।

১০। ওমরঃ

ওমর হল একটি ঐতিহাসিক আরব টেলিভিশন ড্রামা সিরিজ যেটি প্রযোজনা এবং সম্প্রচার করেছিল মিডিল ইস্ট ব্রডকাস্টিং সেন্টার। সিরিজটি পরিচালনা করেন সিরিয়ান পরিচালক হাতিম আলী।

৩১ পর্বের এই সিরিজটি ইসলাম ধর্মের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক-এর জীবনের ১৮ বছর থেকে শুরু করে মৃত্যুকালীন সময়ের মধ্যকার প্রবাহমান প্রাসঙ্গিক ও পারিপার্শীয় সমসাময়িক ঘটনাবলির উপর ভিত্তি করে এই ধারাবাহিকটি নির্মাণ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি ইসলামিক ব্যক্তিত্ব ইউসূফ আল-কারযাভি ও সালমান আল আওদাহ-এর প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় নির্মিত হয়, পাশাপাশি পুরো আরব ও ইসলামিক বিশ্বজুড়ে এটি ব্যাপক বিতর্ক এবং আলোচনা ও সমালচনার ঝড় তোলে। মরোক্কোতেই সিরিজটি্র সকল দৃশ্যের শ্যুটিং করা হয় এছাড়াও মারাক্কেশ, তাঞ্জিয়ায়, এল জাদিদা, কাসাব্লাংকা এবং মহাম্মাদিয়ায় এর প্রধান প্রধান দৃশ্যগুলো ধারণ করা হয়। ২০১২ সালের ২০শে জুলাই থেকে অর্থাৎ রমজানের ৩০ দিন ব্যাপী মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে এবং একইসঙ্গে তুরস্কের এটিভি ও ইন্দোনেশিয়ার এমএনসিটিভিতে প্রচারিত হয়। এছাড়াও ইউটিউবে এর পর্বগুলো টেলিভিশনে প্রচারের পরপরই ইংরেজি সাবটাইটেল সহ প্রকাশ করা হয়। এই ধারাবাহিকটি বিশ কোটি সৌদি রিয়াল ব্যয়ে নির্মিত এবং এপর্যন্ত নির্মিত আরবি ভাষার সবচেয়ে ব্যয়বহুল টিভি ধারাবাহিক হিসেবে অধিক সমাদৃত।

ভিডিও এর মাধ্যমে বিস্তারিত দেখুনঃ
লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

লঞ্চডুবির ১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার!! আল্লাহ কিনা করতে পারে।

১৩ ঘন্টা পর পানির নিচে থেকে জীবিত উদ্ধার

বুড়িগঙ্গায় লঞ্চডুবির ঘটনা ঘটেছে আজ সকাল সাড়ে ৯টার দিকে। আর রাত ১০টার দিকে ডুবে যাওয়া 'মর্নিং বার্ড' লঞ্চ থেকে ১৩ ঘন্টা পর অবিশ্বাস্যভাবে বেঁচে ফিরলেন লঞ্চটির একযাত্রী। ১৩ ঘন্টা পর জীবিত উদ্ধার ওই ব্যক্তির নাম সুমন বেপারী। তার বাড়ি মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীর আবদুল্লাহপুরে।

ফায়ার সার্ভিস মাধ্যমে জানা গেছে, ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধারের জন্য পানির নিচে এয়ার লিফটিং ব্যাগ বসানোর কাজ করছিলেন একদল ডুবুরিরা। এ সময়, ডুবে যাওয়া লঞ্চটির একাংশ ভেসে উঠেছিলো তখন লঞ্চের ভিতর থেকে বের হয়ে আসেন সুমন বেপারী। পরে তাকে উদ্ধার করেন ডুবুরিরা।

তাৎক্ষণিকভাবে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় । এ সময় ডুবুরিরা তাৎক্ষণিকভাবে তাকে লাইফ জ্যাকেটে ঢেকে এবং শরীর মেসেজ করে তার শরীর গরম করার চেষ্টা করেন। এছাড়া তার শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক আছে বলেও জানানো হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে।


শারীরিক  সুস্থ থাকলেও উদ্ধারের পর তাকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে নেয়া যাওয়া হয়।

এরপর ডুবে যাওয়া লঞ্চটি উদ্ধার অভিযানে আসার সময় বুড়িগঙ্গা-১ সেতুতে আটকে যায় উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়। এ সময় সেতু এবং উদ্ধারকারী জাহাজের আংশিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। যার ফলে আর উদ্ধার অভিযানে অংশ নিতে পারেনি  উদ্ধারকারী জাহাজ 'প্রত্যয়'।

ফলে, প্রাচীন উপায় অবলম্বনের মাধ্যমে লঞ্চ উদ্ধারের নতুন চিন্তা করেন বিআইডব্লিউটিএ'র  কর্মকর্তারা। সে চিন্তার পথ ধরেই এয়ারলিফটিং ব্যাগ ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে তারা।ব

মুন্সিগঞ্জ থেকে আসা 'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার করা ৩৬ জনের মরদেহ ইতিমধ্যে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। উদ্ধার অভিযানে  ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল, নৌবাহিনী সদস্য এবং কোস্টগার্ড এখনও কাজ করছে ।

এর আগে  'মর্নিং বার্ড' নামের লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ এলাকার কাঠপট্টি থেকে ঢাকার সদরঘাটে আসছিলো। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সদরঘাটে ঘাটে যাত্রী নামানোর প্রায় আগ মুহূর্তে "ময়ূর-২" নামের একটি লঞ্চের ধাক্কায় শ্যামবাজারের কাছে মাঝ নদীতে ৫০ জন যাত্রী নিয়ে ডুবে যায় লঞ্চটি। তবে এটি ধারণা করা হচ্ছে অর্ধ শতাধিক যাত্রী ছিল।  এর চেয়েও বেশি হতে পারে। আমরা পরবর্তীতে আরও কিছু জানতে পারব।    

Thursday, June 25, 2020

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে কেন?

সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে। সম্প্রতি এর কারণ বিশ্লেষণ করেছেন একদল গবেষকরা। পুরুষেরা ভোরে যৌ’নতায় আগ্রহী হলেও নারী এ সময় যৌ’নতায় সেই ভাবে আগ্রহী থাকে না। এর মূল কারণ টেস্টোস্টেরন হরমোন বলে মনে করছেন গবেষকরা। এক প্রতিবেদনে বি’ষয়টি জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 


সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকার কারণঃ

রাতে যখন নারী ভালোবাসার পরিপূর্ণ স্বাদ নিতে চান তখন পুরুষরা গভীর ঘুমে মগ্ন থাকে। গবেষকরা জানিয়েছেন, এর মূল কারণ হলো নারী ও পুরুষের হরমোনের পার্থক্য। আর এ পার্থক্যের কারণেই উভয়ের দেহঘড়ি একত্রে চলে না। গবেষকরা এক্ষেত্রে কয়েকটি সময়ের বর্ণনা করেছেন, যে সময়ে নারী-পুরুষের হরমোনের পার্থক্য লক্ষ্যণীয়।

ভোর ৫টায় পুরুষের টেস্টোস্টেরন (Testosterone) হরমোন সর্বাধিক বেশি থাকে। দিনের অন্য সময়ের তুলনায় ভোর রাত্রে এর মাত্রা ২৫ থেকে ৫০ শতাংশ বেশি হয়। এ সময় নারীও টেস্টোস্টেরন হরমোন উৎপাদন করে। তবে তা অতি সামান্য মাত্রায়। 

ঘুম যত লম্বা হয় হরমোনটির প্রভাবও তত বেশি হয়। আমেরিকান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (American Medical Association) জানিয়েছে, পাঁচ ঘণ্টার বেশি ঘুম পুরুষের হরমোনটির মাত্রা ১৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিতে পারে।

ভোর ৫টা থেকে সকাল ৭ টায়  যদি কোনো পুরুষ ঘুম থেকে উঠে তখন তার দেহে যতখানি টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা থাকে তা সর্বাধিক। কিন্তু একজন নারীর সে সময় সবচেয়ে কম থাকে।
অন্যদিকে দিন শেষে পুরুষের এ হরমোনটির মাত্রা সবচেয়ে কমে যায় আর নারীর সবচেয়ে বেশি থাকে। আর এ কারণেই সকালে ঘুম ভাঙার পর ছেলেদের 'ধো'ন বা 'হো'ল বা 'নু'নু খাড়া থাকে। 

Sunday, June 14, 2020

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার রাতে মারা যাওয়া ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন বলে নিশ্চিত করেছেন তার একান্ত সহকারী সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত।
তিনি জানান,গতকাল রাতে ধর্ম প্রতিমন্ত্রীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর পরই তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর পর তার নমুনা হাসপাতালে সংগ্রহ করা হয়। আজ সকালে জানা যায় যে ধর্মমন্ত্রী  করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন। 
প্রতিমাসে দুইবার করে তার স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও নিরীক্ষা করা হতো। গত কয়েকমাস করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আর করা হয়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর একান্ত সচিব ইয়াসির আরেফিন জানান, "তার ডায়বেটিস ছিল এবং মাঝেমধ্যে শ্বাস-প্রশ্বাস জনিত সমস্যাও হতো। বার্ধক্যজনিত সব ধরণের রোগেরই উপসর্গ ছিল তার মধ্যে।" ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বার্ধক্যজনিত কারণে নয় বরং করোনায় মারা গেছেন। 
তবে এই দুই কর্মকর্তাই জানান তার মধ্যে কোভিড-১৯ এর কোনো উপসর্গ দেখা যায়নি।
শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্বাচনী এলাকার সংসদীয় প্রতিনিধি ছিলেন। ২০১৯ এর জানুয়ারি মাসে তিনি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন। বাংলাদেশের মন্ত্রীসভার কোনো সদস্যের করোনাভাইরাসে মৃত্যু হওয়ার ঘটনা এই প্রথম।
এর আগে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোজাম্মেল হক কোভিড-১৯ আক্রান্ত হন।
শনিবার (১৩ই মে) মারা যাওয়া আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা, সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ ও বাংলাদেশের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুর কয়েকদিন আগে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসলেও মারা যাওয়ার সপ্তাহ দুয়েক আগে তিনি করোনাভাইরাস পজিটিভ ছিলেন।অনেক বিষয় আমাদের মাঝে খোলসা হয় না। তারপরও মরন কাউকে ছাড়বে না। আসুন আমরা সবাই ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ি সদা সৎ ও ন্যায়ের পথে চলি। 

Saturday, June 13, 2020

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে বৈধ পতি'তালয়' স্বীকৃতি দিয়েছে কি আশ্চর্য।

সৌদিআরবে ইসলামের শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষের প্রণোদনার জন্য ‘মুতা বিয়ে’ নামের একধরনের অস্থায়ী বিয়ে প্রচলিত রয়েছে। শিয়া সমাজে ওই ধরনের চুক্তি ভিত্তিক বিয়ে স্বীকৃত এবং ধর্মীয় আইনসিদ্ধ বলে তারা মনে করেন। হোটেলে মিলনস’ঙ্গী সরবরাহের ক্ষেত্রে মুতা বিয়ের (বিনোদনের জন্য বিয়ে) ওই নিয়মই অনুসরণ করা হচ্ছে।

মুতা বিয়ে’র ক্ষেত্রে যুগলজীবনের সময়সীমা বিয়ের আগেই ঠিক করা হয় এবং সময় পার হওয়ার পর আপনা আপনি থেকেই বিয়ের সমাপ্তি ঘটে।

তবে ইচ্ছানুযায়ী পুনরায় বিয়ে করা যায় এবং অর্থ প্রদানের বিষয়টিও ঘটতে পারে, যেমনটি একজন স্বামী তার স্ত্রীকে দিয়ে থাকেন।

হট ক্রিসেন্ট বারের হালাল প’তিতাদেরকে প্রতি দুই মাস পর পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়, যাতে করে গ্রাহকরা মিলন সংস’র্গের কারণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়বে না এবং কেউ অপরাধবোধেও ভুগবে না বলেই প্রত্যাশা হোটেল মালিকের। দেশটির রেড লাইট এলাকায় ‘হট ক্রিসেন্ট’ নামের বারটি সম্প্রতি চালু হয়েছে। হালালভাবে মি’লনবৃত্তি চরিতার্থ করার

উপায় খুঁজে বের করতে তিনজন আধুনিক মনস্ক ইমামের (ধর্মীয় নেতা) পরামর্শ নিয়েছেন বারের মালিক জনাথন সুইক। পরামর্শ অনুযায়ী, সেখানকারপ’তিতাদেরকে মা’দক সেবনে বাধ্য করা হবে না।

ইসলামের নিয়মানুযায়ী দিনে পাঁচবার নামাজও পড়বে তারা। আর খ’দ্দেরদেরকেও তাদের সঙ্গে ইসলাম সম্মত ভাবেই যৌ’নসম্পর্ক স্থাপন করতে হবে। কিন্তু বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের মিলন সংসর্গ ইসলাম সম্মত হবে কিভাবে? এই বিষয়ে ইমামের সঙ্গে পরামর্শ করে এরও একটা সমাধান বের করেছেন হোটেল ব্যবসায়ী জনাথন। এভাবেই আজ সৌদি আরবের সমাজ ব্যবস্থা আবার সেই বর্বর যুগে ফিরে যাচ্ছে। 

Friday, June 12, 2020

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যা অনেক ভক্তরা হয়তো জানেন না।

অনন্ত জলিল বাংলাদেশের একজন সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের মুভি পরিচালক,প্রযোজক ও সুপারস্টার নায়কের নাম। তবে তাঁর ভক্ত ও গুণগ্রাহীর যেমন অভাব নেই, তেমনই অভাব নেই তাঁকে নিয়ে সমালোচনা করার মানুষেরও। তবে তাতে কি আসে যায়! কেননা কেউ এটাও অস্বীকার করতে পারবেন না যে বাংলা সিনেমার জন্য নিবেদিত প্রাণ এই মানুষটি আক্ষরিক অর্থেই চেষ্টা করছেন সিনেমার জগতে একটি অভূতপূর্ব উন্নতি সাধনের জন্য। অনন্ত জলিলের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে আমরা সবাই কমই জানি। যেমন তিনি কত সালে জন্মগ্রহণ করেছেন তা একটি রহস্য! তাই আজ আমরা নিয়ে এলাম তাঁর ব্যক্তিগত জীবনের এমন কিছু তথ্য, যেগুলো আপনি আগে কখনও শোনেন নি। 

আসুন আজকে আমরা জানবো অনন্ত জলিল সম্পর্কে ১৫ টি অজানা তথ্য যেগুলো আপনারা আগে হয়তো জানতেন না। তো চলুন শুরু করা যাকঃ
  1. অনন্ত জলিল মুন্সিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করলেও বেড়ে ওঠে ঢাকার শুক্রাবাদে।
  2. মাত্র  পাঁচ বছর বয়সে এই অভিনেতার মা মারা যান এবং তখন থেকেই বাবা ও এক ভাইকে নিয়ে তার সংসার।
  3. অনন্ত জলিলের ইংরেজি দক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও তাদের ভক্তদের উদ্দেশ্যে জানিয়ে রাখা ভালো যে এই তারকা ঢাকার অক্সফোর্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল থেকে ‘এ’এবং ‘ও’ লেভেল পাশ করার পাশাপাশি বিবিএ এবং পরবর্তীতে ম্যানচেস্টারের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফ্যাশন ডিজাইনিং বিষয়ে কোর্স করেন। 
  4. অনন্ত জলিল সামাজিক কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে ৩টি এতিমখানা করেছেন। মিরপুর ১০ নং , বাইতুল আমান হাউজিং ও সাভার মধুমতি মডেল টাউনে আছে এতিমখানাগুলো। এছাড়াও সাভারের হেমায়েতপুরের ধল্লা গ্রামে সাড়ে ২৮ বিঘার উপর একটি বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন অনন্ত জলিল।
  5. এম এ জলিল অনন্তর পূর্ব পরিচয় হলো, তিনি একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। ১৯৯৯ সাল হতে তিনি এজেআই গ্রুপের জেনারেল ম্যানেজারের পদে কাজ করে আসছেন। সাভারের হেমায়েতপুরে বিশাল জায়গা জুড়ে তিনি গড়ে তুলেছেন এজেআই গ্রুপ। 
  6. প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেকটি কাজ তিনি নিজ হাতে তদারকি করেন। প্রতিটি পণ্য তিনি নিজে দেখেন এবং এর পরেই তা বাজারজাত করা হয়। 
  7. শ্রমিকদের সুবিধা অসুবিধা তাকে বুঝিয়ে বললে তিনি কখনই ফিরিয়ে দেন না তাদেরকে। ফ্যাক্টরির শ্রমিকদেরকে প্রতিদিন নাস্তার জন্য ২৫ টাকা করেও বরাদ্দ করে দিয়েছেন এই নায়ক। শুধু তাই নয়, রোগশোকে সবসময় শ্রমিকদের সহায়তা করে থাকেন তিনি। 
  8. প্রথম সিনেমা "খোঁজ- দ্যা সার্চ" তেমন ব্যবসা সফল না হলেও পরবর্তীতে ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’ এবং ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ পায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা। 
  9. ধারণা করা হয় এই তারকার ব্যক্তিগত জীবনের আলোকেই তৈরি করা হয়েছে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা সিনেমাটি। 
  10. স্ত্রী এবং সহ অভিনেত্রী বর্ষার হাতে রান্না করা পায়েশ খেতে খুবই ভালোবাসেন এই তারকা।
  11. ব্যবসায়ী হলেও প্রকৃত জীবনে বেশ রোমান্টিক অনন্ত জলিল। একটি অনুষ্ঠানে সাবাইকে তাক লাগিয়ে বর্ষার উদ্দেশ্যে গানও করেন এই নায়ক। 
  12. ব্যক্তিগত জীবনে অত্যন্ত দয়ালু এই অভিনেতা। তার কাছে এসে কখনো কাউকে খালি হাতে ফিরে যেতে দেখা যায়নি। তিনি ইসলাম ধর্মের অনুসারী এবং ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন। 
  13. সুদর্শন এই হিরো লম্বায় ৫.৭ ফিট এবং ওজন ৭২ কেজি। 
  14. আপাদমস্তক এই ব্যবসায়ী ২০০৮ সালে ঠিক করেন যে সিনেমা তৈরি করবেন এবং সেই লক্ষ্যেও নেমে যান। স্থাপন করেন মুনসুন ফিল্মস প্রোডাকশন।
  15.  তিনিই সর্বপ্রথম ইরানের সাথে যৌথ প্রযোজনায় 'দিন' 'The Day' নামের থ্রিলারধর্মী মুভি তৈরি করেছেন। এটি বাংলাদেশ চলচিত্রের একটি সম্পূর্ণ নতুন ধাঁচের মুভি। আগামি কুরবানী ঈদে মুভিটি মুক্তি পাবে। 

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ

Wednesday, June 10, 2020

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

'দিন দ্য ডে' অসাধারণ এক নতুন ধাঁচের মুভি।

ঢালিউডের জনপ্রিয় জুটি অনন্ত জলিল ও বর্ষা অভিনীত অ্যাকশন-থ্রিলারধর্মী সিনেমা ‘দিন – দ্য ডে’র ট্রেলার প্রকাশিত হলো। দীর্ঘদিন ধরে বড় পর্দায় এই জুটির ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন দর্শকরা। এবার বলিউডের সমতুল্য দুর্দান্ত অ্যাকশন ও বিজিএম নিয়ে ট্রেলারেই চমকে দিয়েছেন সুপারস্টার অনন্ত জলিল। 

এবার দেশি সিনেমা দেখে দর্শকরা গর্ব করতেই পারবেন। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের অ্যাকশনের কাছে দেশি সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যগুলো সবসময় পিছিয়ে ছিল। পিছিয়ে ছিল প্রযুক্তি ব্যবহারেও ক্ষেত্রেও। কিন্তু এখন আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বেশ তৎপর ঢালিউড সিনেমাপাড়া। আর সেই প্রচেষ্টার সবশেষ চমক দেখালেন অনন্ত জলিল তার ‘দিন – দ্য ডে’ সিনেমায়। 

রোববার (১৫ মার্চ) অনন্ত জলিলের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয় ‘দিন – দ্য ডে’ সিনেমার ট্রেলার। ২ মিনিট ১১ সেকেন্ডের ট্রেলারে রীতিমতো চমকে দিয়েছেন এই অভিনেতা ও প্রযোজক। 

সিনেমাটি ইরান ও বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে। ইরানের মুর্তুজা আতাশ জমজম এবং বাংলাদেশের প্রযোজক অনন্ত জলিলের ‘এজে’ ব্যানারে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।  

ট্রেলারের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত বর্ণনায় অনন্ত জলিল জানিয়েছেন, এখন ইরানে সিনেমাটির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ চলছে।

বাংলাদেশ ছাড়াও ইরান, তুরস্ক ও আফগানিস্তানে সিনেমাটির শুটিং হয়েছে বলে জানান এই জনপ্রিয় চিত্রনায়ক অননত জলিল। মূলত আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সিনেমার মতো একটা অনুভব আনতেই ‘দিন-দ্য ডে’ টিম অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। প্রায় দুই বছর ধরে তৈরি করা হয়েছে এই সিনেমাটি। 


অনন্ত জলিল বলেন কোরবানীর ঈদেই ছবিটি মুক্তি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। সেই ভাবেই সব কাজ গুছিয়ে নিচ্ছি।” 

বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায় এ চলচ্চিত্রে অনন্ত জলিলের বিপরীতে অভিনয় করেছেন তার স্ত্রী ও চিত্রনায়িকা আফিয়া নুসরাত বর্ষা। এতে একজন চৌকস সোয়াট সদস্যের চরিত্রে অভিনয় করছেন অনন্ত জলিল; বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলমানদের ওপর যে নির্যাতন হচ্ছে, তা-ই তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে বলে জানান এ অভিনেতা।

অভিনয়ের পাশাপাশি ছবিটির বাংলাদেশ অংশের প্রযোজনার দায়িত্বে আছেন তিনি। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন ছটকু আহমেদ।

সবশেষ ২০১৪ সালে মুক্তি পেয়েছে এ অভিনেতার চলচ্চিত্র‘মোস্ট ওয়েলকাম-২’।২০১০ সালে ‘খোঁজ দ্য সার্চ’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে অভিষেক হওয়ার পর ‘হৃদয় ভাঙা ঢেউ’, ‘দ্য স্পিড’, ‘মোস্ট ওয়েলকাম’, ‘নিঃস্বার্থ ভালোবাসা’ সহ বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন অনন্ত জলিল।

Tuesday, May 19, 2020

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল

অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল এখনই আবেদন করুন।

পর্দায় তিনি একজন নায়ক। অনেক অসম্ভবকে সম্ভব করে তোলায় তার একমাত্র কাজ। পর্দার বাইরেও তিনি একজন মানবিক মানুষ। বিপদে আপদে ছুটে যান দরিদ্র অসহায় মানুষদের পাশে।

এবার নিজের ভক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছেন এই অভিনেতা-প্রযোজক। সমগ্র বাংলাদেশে অসহায়দের ২৫ লক্ষ টাকা দেবেন অনন্ত জলিল।

আগামী ২০ মে (২৬ রোজায়) অনন্ত তার যাকাত ফান্ড থেকে এই অর্থ প্রদান করবেন বলে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বার্তাটি প্রেরণ করেছেন। বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে অনন্ত জলিল বলেন, 'আমার ফ্যানদের জন্য সুখবর। তিনি প্রথমে ১০ লাখ টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন। আমার যাকাত ফান্ড থেকে ১০ লাখ টাকা দেওয়া হবে ৫০০ জনকে। তাতেই মানুষ হুড়মুড় খেয়ে এপ্লিকেশন করতে থাকে ।

তারপরে তিনি আরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলেন। 
আপনারা আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনাদের কাছ থেকে পাওয়া অ্যাপ্লিকেশনের সংখ্যা
গতকালকে ৫০০০+ ছিল।

আমি গত রাতে ঘুমাতে পারিনি, সবাই আশা নিয়ে আমার কাছে অ্যাপ্লিকেশন করেছেন ।
আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি।
১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা,এবং আজকে ১১ হাজার + অ্যাপ্লিকেশন দেখার পরে আমি ২০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২৫ লাখ টাকা দেয়ার ঘোষনা দিয়েছি । এ যাবৎ আমার কাছে ১৪০০০+অ্যাপ্লিকেশন জমা পড়েছে।

আমি এই ২৫ লাখ টাকা দিয়ে ১২৫০ জনকে ২০০০ টাকা করে পাঠাতে পারবো ‌।
আজ দুপুর থেকে আমার ফ্যাক্টরিতে আমি ১০ জনের একটি স্পেশাল টিম গঠন করে দিয়েছে , যারা সব অ্যাপ্লিকেশনগুলো যাচাই-বাছাই করছেন।
আমি মন থেকে চাইছি যে যতজনই আমাকে অ্যাপ্লিকেশন করেছেন, তাদের সবাইকেই আমি সাহায্য করি। কিন্তু এই মুহূর্তে তা আমার সামর্থের বাইরে। আপনারা সবাই জানেন যে আমি শুধুমাত্র গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। আমার দ্বিতীয় কোনো ইনকাম সোর্স নেই।

বিগত দুই মাস ধরে সারা বিশ্বের করোনার এই মহামারীতে অনেক শিপমেন্ট ক্যান্সেল হয়ে গেছে।
এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসিয়ে রেখে বেতন দিতে হয়েছে। আমি আমার জায়গা থেকে নিঃস্বার্থভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করি মানুষকে সহযোগিতা করার। তাই আপনারা আমাকে মন থেকে ক্ষমা করে দিবেন, আমি সত্যিই অনেক কষ্ট পাচ্ছি আপনাদের সবাইকে সহযোগিতা করতে না পারার জন্য।

ধন্যবাদ সবাই ভাল থাকবেন আমার জন্য আমার পরিবারের জন্য, আমার ফ্যাক্টরির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দোয়া করবেন ।
বিস্তারিত জানতে ১৭ মে নিজের ফেসবুক পেজ এবং বর্ষার ফ্যান গ্রুপে যুক্ত হবার জন্য ভক্তদের অনুরোধ করেছেন এই ব্যবসায়ী অভিনেতা।

এদিকে সবকিছু ঠিক থাকলে আসছে ঈদুল আজহায় মুক্তি পাবে অনন্ত জলিলের সিনেমা ‘দিন-দ্য ডে’ সিনেমা। এটি নির্মিত হয়েছে বাংলাদেশ ও ইরানের যৌথ প্রযোজনায়। হলিউডি একশন ধাঁচের এ সিনেমায় তার সঙ্গে দেখা যাবে বর্ষাসহ ইরান-বাংলাদেশের অনেক শিল্পীদের৷

আপনি যদি অসহায় ও দরিদ্র হয়ে থাকেন তাহলে নিচে এপ্লিকেশন ফর্মের লিঙ্ক দেওয়া হল। সরাসরি ওখান থেকে আপনারা এপ্লিকেশন ফর্ম পূরণ করে ঝটপট জমা দিয়ে দিন।

   শুধুমাত্র অসচ্ছলদের জন্য এখনই আবেদন করুন
          নিচের লিঙ্ক থেকে ফর্ম পূরণ করুনঃ 
                             https://forms.gle/ULvoXrNjAcZyX6XEA

Monday, May 18, 2020

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদঃ 

আমাদের পৃথিবীতে প্রায় ২,৯৮,০০০ প্রজাতির উদ্ভিদ রয়েছে। এতোগুলো প্রজাতির মধ্যে কিছু গাছ সুন্দর ও সুগন্ধী ফুল উৎপন্ন করে, কিছু গাছ মাজাদার পুষ্টি-সমৃদ্ধ ফল উৎপন্ন করে, কিছু গাছে আছে ঔষধি গুনাবলী এবং আবার এদের মধ্যে কিছু কিছু উদ্ভিদের রয়েছে পুরোপুরি অদ্ভুত চেহারা ও বৈশিষ্ট্য। চলুন বিশ্বের এরকম সবচেয়ে ১০ অদ্ভুত উদ্ভিদ সম্পর্কে জানা যাক। পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ যারা মাংস ও পোকামাকড় খায়।


১. বাওবাব প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘বাওবাব’ আজব এক গাছ । এগুলোর গোড়া হয় প্রকান্ড ড্রামের মত গোল আর মোটাও। উচ্চতা খুব বেশি নয়। ‘লাউ’ এর মতো দেখতে বাওবাব গাছের ফল খুব মজাদার যা বানরদের খুব প্রিয় খাবার। এটি সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আফ্রিকায় । তবে এই গাছের এক প্রজাতি অস্ট্রেলিয়াতেও পাওয়া যায়।বাওবাব গাছের কান্ড দেখতে অনেকটা বোতলের মত হওয়াতে একে ‘বোতল গাছ’ নামেও ডাকা হয়।


 2. লজ্জাবতী উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

লাজুক প্রকৃতির উদ্ভিদটি খুব পরিচিত উদ্ভিদগুলোর মধ্যে। এটি আমাদের দেশের বিভিন্ন স্থানে দেখতে পাওয়া যায় ।উদ্ভিদটির স্নায়ুতন্ত্র খুবেই সংবেদশীল প্রকৃতির হওয়ার কারণে পাতাগুলি স্পর্শ করার সাথে সাথে নিজেকে গুটিয়ে ফেলে। তাছাড়া গাছের ফুলগুলিও খুব সুন্দর।


3. রাফালেসিয়া আনারোলি (Rafflesia Arnoldii)

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘রাফালেসিয়া’ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুল। এক একটি ফুলের আকার প্রায় তিন ফুট পর্যন্ত বড় হয়। এটি প্রধানত ‘সুমাত্রা’র বনে পাওয়া যায়। তবে ফুলটির গন্ধ খুবই অপ্রীতিকর ও বাজে।

4. বেসবল প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

‘ইউফির্বিয়া ওবেসা’ বৈজ্ঞানিক নামের গাছটির দেখতে ও আকৃতিতে ঠিক যেন ‘বেসবল’ এর মতো। এটি সাধারণত দক্ষিণ আফ্রিকার কারু মরুভূমিতে দেখতে পাওয়া যায়। তবে বেসবল গাছটি রয়েছে বেশ কিছু বিষাক্ত উপাদান যা শরীরের চামড়ায় তীব্র জ্বালার সৃষ্টি করে।

5. ক্যাকটাস

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

পাতা নেই, শুধু গা-ভর্তি কাঁটা। এমন উদ্ভিদের নাম ক্যাকটাস। উদ্ভিদটির কথা বললে হয়তো অনেকেই মনে করবেন, দুনিয়ার এত গাছ থাকতে কাঁটায় ভরা এই অপ্রয়োজনীয় গাছের কথা কেন? কিন্তু ক্যাকটাস আসলে অপ্রয়োজনীয় কোনো গাছ নয়। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাপী ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ক্যাকটাসের রয়েছে অনবদ্য ভূমিকা।

6. হোয়াইট বেনবেরি প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

হোয়াইট বেনবেরি (White Baneberry) নামের উদ্ভিদটির সুন্দর ফল দেখে যদি খেতে চান তাহলে তা মোটেও করবেন না। কারণ এতে রয়েছে মানব দেহের পক্ষে ক্ষতিকর বিষাক্ত উপাদান ।ফলগুলো দেখতে পুতুলের চোখের মতো হওয়াতে এর বিকল্প নাম ‘পুতুলের চোখ। উদ্ভিদটি পূর্ব উত্তর আমেরিকা, পূর্ব কানাডা ও মধ্যপ্রাচ্যর বনভূমিতে পাওয়া যায়

7. সানডিউ প্লান্ট

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

সানভিট প্লান্টের (sundew plant) লম্বা পাতা প্রচুর ঘন গ্রন্থিযুক্ত রোমে আবৃত। কোনো মাছি যদি এর আঠালো রোমে কোনোভাবে আটকে যায় তাহলে উদ্ভিদটি ধীরে ধীরে এনজাইম নিঃসরণের মাধ্যমে মাছিটিকে হজম করে ফেলে।


8. জায়ান্ট সিকোয়াইয়া 

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

আকারের দিক থেকে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বৃহৎ আকৃতির উদ্ভিদ। এর বৃহৎকায় আকারের জন্য একে দৈত্য গাছও বলা হয়। এই উদ্ভিদগুলোর আয়ুষ্কাল প্রায় ৩০০০ বছর পর্যন্ত হতে পারে।

9. ভিনাস ফ্লাইট্রেপ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

এটিও কলস উদ্ভিদের মতো মাংসাশী এবং খাদ্য হিসেবে ক্ষুদ্র পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ খেয়ে থাকে। এটি খুব দ্রুত নিজের শিকারকে ফাঁদে আটকে দেয়। এর ডাইজেস্টিভ এনজাইম দশদিনের মধ্যে পোকা-মাকড় হজম করতে সাহায্য করে।


10. কলস উদ্ভিদ

পৃথিবীর অদ্ভুত ১০ উদ্ভিদ

কলসের মতো দেখতে অদ্ভুত উদ্ভিদটি  আসলে মাংসাশী উদ্ভিদ। মানুষ খেঁকো না হলেও এটি ছোট ছোট পোকা-মাকড় ও কীটপতঙ্গ শিকার করে জীবন ধারন করে। বিশেষ তরল দিয়ে ভরা গভীর গহ্বর শিকার ধরতে সাহায্য করে।

বিস্তারিত জানতে নিচের ভিডিও টি দেখুনঃ 
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী:

রহস্যময় এই পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে হাজারো রকমের প্রাণী। একেক প্রাণীর বৈশিষ্ট্য একেক রকম৷ কেউবা দেখতে সুন্দর, কেউ বেশ উপকারী, কেউ বেশ হিংস্র, কেউ আবার স্বল্প আয়ুর প্রাণী হিসেবেও পরিচিত। ঠিক তেমনি পৃথিবীতে দীর্ঘজীবী অনেক প্রাণীর অস্তিত্ব রয়েছে। যারা কিনা হাজার হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে এই পৃথিবীতে। আজকে আমরা ঠিক সেরকমই কিছু প্রাণী সম্পর্কে জানবো। যাদেরকে সৃষ্টিকর্তা দীর্ঘদিন যাবৎ পৃথিবীতে বেঁচে থাকার মতো আয়ু দিয়েছেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী যারা বেঁচে থাকে হাজার হাজার বছর।

১। টারডিগ্রেডঃ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


টারডিগ্রেড হচ্ছে অমেরুদণ্ডী প্রাণী। টারডিগ্রেড সাধারণত পানিতে বসবাস করে। তবে তাদের সমুদ্রের ৪০ হাজার ফুট গভীরতায় এমনকি হিমালয়ের ২০ হাজার ফুট উচুতেও তাদের বসবাস করতে দেখা যায়। তাদের রয়েছে ৪ জোড়া অর্থাৎ ৮ টি পা। আর এই টারডিগ্রেডের পায়ে ভালুকের মত থাবা ও নখ রয়েছে একারনে টারডিগ্রেডকে ওয়াটার বিয়ারও বলা হয়ে থাকে। তবে এদের ব্যাপারে সবচেয়ে আশ্চর্য ঘটনা হল এরা জন্মের পর থেকে আর কখনই মরে না। আপনি মনে চমকে গেলেন এমনটাই দাবি করছেন একদল গবেষকরা। কারণ এরা জন্মের পর থেকে হাজার হাজার বছর বেঁচে থাকতে পারে।

২।  জেলিফিশ 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

চিরযৌবন ধরে রাখতে সক্ষম জেলিফিশ । চলতে চলতে একবা পরিণত বয়সে চলে যায় আবার ফিরে আসে শৈশবে । শরীরের এক অংশ ঝেড়ে ফেলে চলে যায় আরেক অংশে । সুতরাং জেলিফিশের বেলায় নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না তার আয়ু কত । সম্ভবত মৃত্যুকে এড়িয়ে যাওয়ার এক বিশেষ কৌশল রপ্ত করেছে জেলিফিশ । সাগরে এদের সংখ্যা মারাত্মকভাবে বেড়েই চলেছে । মনে হচ্ছে যেন সারা পৃথিবীতে জেলিফিশ এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়ে চলেছে ।

৩। কচ্ছপ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


পৃথিবীর দীর্ঘজীবী প্রাণীদের তালিকায় কচ্ছপ সেরা পাঁচের মধ্যে রয়েছে। কচ্ছপ এমন একটি প্রাণী যাদের চোয়াল আছে কিন্তু দাঁত নেই । শক্ত খোলসে ঢাকা পিঠ । চাইলে এ খোলরেস মধ্যে এরা হাত পা মুখ সব গুটিয়ে রাখতে পারে । আপদকালীন একমাস না খেয়ে, পানিতে না নেমেও বাঁচতে পারে । ঘাস লতাপাতা ফলমূল পোকামাকড় ইত্যাদি খেয়ে জীবন ধারণ করে । গ্যালাপাগোস জায়ান্ট কচ্ছপ পৃথিবীর বৃহত্তম কচ্ছপের জাত। সাধারণত এই প্রজাতির কচ্ছপ গড়ে ১৯০ বছর বাঁচে। পৃথিবীর সবচেয়ে বয়স্ক জীবিত কচ্ছপটির বয়স ১৮৪ বছর। এই কচ্ছপটির নাম জনাথন, যার জন্ম উনবিংশ শতাব্দীতে। দক্ষিণ আটলান্টিকের সেন্ট হেলেনা দ্বীপে গভর্নরের বাসভবনে এর বাস।

৪। গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর  

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

মেরুদন্ডী প্রাণীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আয়ু পায় এই গ্রীনল্যান্ড হাঙ্গর। এরা সাধারণত উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরে বাস করে। এই গ্রীনল্যান্ড হাঙরদের উপর ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে ইউনিভার্সিটি অব কোপেনহেগেনের একটি গবেষণা চালানো হয়। এই গবেষণায় ২৮ টি হাঙ্গরের বয়স নির্ধারণ করা হয় কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে। যদিও কার্বন ডেটিংয়ের মাধ্যমে একদম নিখুঁত বয়স বের করা যায় না। তবুও এই সময় গবেষণা করে ৪০০ বছর বয়স্ক একটি মেয়ে হাঙ্গরের খোঁজ পান বিজ্ঞানীরা। গ্রীনল্যান্ড হাঙর সাধারণত ১৫০ বছর বয়সে প্রজননক্ষম হয়। বিজ্ঞানীদের মতে এদের এতদিন বাঁচার কারণ হলো এরা খুব ধীরে ধীরে বাড়ে। অর্থাৎ প্রতি বছরে এরা প্রায় ১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পায় এবং প্রায় ১০০ বছর বয়সে তারা পরিপূর্ণ আকৃতিতে পৌঁছায়।

৫।  হ্যানাকো কই

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


দেখে মনে হবে যেন রঙবেরঙের গহনা পরে আছে, যাদের অ্যাকুরিয়ামে রেখে পালন করা যায় । এদের কিছু কিছু প্রজাতি ২০০ বছরের বেশি বাঁচে । পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী কেইয়ের নাম ছিল হ্যানাকো । ৭ জুলাই ১৯৭৭ সালে এটি মারা যায় । মৃত্যুকালে এর বয়স হয়েছিল ২২৬ বছর ।


৬।  আর্কটিক তিমি 

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

পৃথিবীতে অনেক প্রজাতির তিমি আছে । নীল তিমি, ব্যালেন তিমি, হ্যামার তিমি, গ্রে তিমি, শুশুক ইত্যাদি । এদের আরেকটি প্রজাতি আছে নাম বো-হেড তিমি । আর্কাটিক সাগরে বাস, তাই বো-হেড তিমিকে আর্কটিক তিমিও বলা হয় । মেরু অন্চলের মানুষ আদিকাল থেকেই জীবনধারণের জন্য শিকারের উপর নির্ভরশীল ।  এরা অস্ত্র নিক্ষেপ করে শিকার ধরত । প্রায় ২০০ বছর আগে এমনই অস্ত্র ছুড়ে মারা শিকারির হাত থেকে বেচেঁ যাওয়া একটি আর্কটিক তিমি সম্প্রতি উদ্ধার করা হয়েছে যা ওই ছুড়ে মারা অস্ত্র শরীরে নিয়ে এখনও বেচেঁ আছে ।

৭। সাগর কাহগ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

এর বৈজ্ঞানিক নাম আর্কটিকা আইল্যান্ডিকা । আঠাঁর মতো লেগে থাকে ।হামাগুড়িঁ দিয়ে চলে । শক্ত খোলসে ঢাকা শরীর । প্রতিবছর এদের খোলসে একটি করে গোলাকার দাগ পড়ে । একে বলা হয় বার্ষিক চিহ্ন । অনেক গাছের গায়েও এমন দাগ দেখে অনুমান করা যায় তার বয়স কত । গবেষকরা এমন কিছু নমুনা সংগ্রহ করে এদের বয়স অনুমান করে দেখেছেন প্রায় ৪০০ বছর ।

৮। অ্যান্টার্কটিক স্পঞ্জ

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

সবচেয়ে দীর্ঘজীবী প্রাণীর কথা শুনতেই মস্তিষ্কে এসে যায় কচ্ছপের নাম। কেননা লোকমুখে শোনা কথা কচ্ছপ অনেক দিন বাঁচে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন এর থেকেও দীর্ঘজীবী কোনো প্রাণী আছে কিনা? হ্যাঁ, এর থেকেও অনেক বেশিদিন বাঁচে এমন প্রাণীর সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এটি একটি সামুদ্রিক স্পঞ্জ, যা দীর্ঘ ১১ হাজার বছর ধরে বেঁচে আছে। এমনটিই দাবি করেছেন একদল প্রাণী গবেষক। ১৫৫০ বছরের পুরনো কিছু স্পঞ্জের সন্ধান পাওয়া গেছে আর্কটিক সাগরে । এই সকল সামুদ্রিক স্পনজ শত শত বছর ধরে নানারকম প্রতিকূল পরিবেশে বেঁচে রয়েছে।

৯। রেড সি আর্চিন

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী


গভীর সাগরে বাস করে রেড সি আর্চিন । প্রথমদিকে এরা বাস করত উত্তর আমেরিকার পশ্চিম তীরে । অগভীর জলাশয় থেকে ৯০ মিটার পযর্ন্ত গভীরে এরা বাস করে । সুঁইয়ের মতো কাঁটার সাহায্যে সাগরের তলদেশে হামাগুড়ি দিয়ে বেড়ায় । এদের কিছু কিছু সদস্য ২৫০ বছরেরও বেশি জীবন পায় ।

১০। তুয়াতারা

পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘজীবী ১০ প্রাণী

আদিম প্রাণী বলতে আমরা বুঝি ডাইনোসরকে, যারা পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়েছে বহুকাল আগেই । তারও আগে বাস করত তুয়াতারা । ২০০ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে তুয়াতারাদের অনেক প্রজাতি ছিল । বর্তমানে মাত্র দুটি প্রজাতি টিকে আছে নিউজিল্যান্ডে । বাকিরা হারিয়ে গেছে প্রকৃতি থেকে । তুয়াতারা পৃথিবীর একটি দীর্ঘজীবী মেরুদন্ডী প্রাণী । বাঁচে প্রায় ২০০ বছর ।

বিস্তারিত জানতে ভিডিও টি দেখুনঃ