ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়।

 ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়। 

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী প্রক্রিয়া,সোশ্যাল মিডিয়া ,রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করা  সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO),সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক , সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করা,ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়া ,কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করা ,ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া ,ডাটা এনালাইসিস করা  ,হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা, প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট ,ভিডিও মার্কেটিং, বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করা ,বাউন্স রেট চেক করা, নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুন, সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুন

আপনি যদি ওয়েবসাইট বা ব্লগ থেকে আয় করতে চান তাহলে আপনার সাইটে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর থাকতে হবে। ব্লগ বা ওয়েবসাইটের  জন্য ভিজিটর অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভিজিটর ছাড়া ব্লগ বা ওয়েবসাইটের কোন মূল্য থাকে না একেবারেই অর্থহীন হয়ে পড়ে। এই কারণেই আমরা বলে থাকি ভিজিটর হল ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য প্রাণ। তাই আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে টাকা উপার্জন করার জন্য হউক বা আপনার লেখার সঠিক মূল্য পাওয়ার জন্য অথবা আপনার পরিচিতি পাওয়ার জন্য যেটাই হোক না কেন আপনার প্রথম শর্ত হল আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনা।

আমি ধরেই নিলাম আপনার একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ আছে এবং আপনি সেখানে নিয়মিত অনেক কষ্ট করে আর্টিকেল পাবলিশ করেন, কিন্তু আপনার সেই কষ্ট কখনোই স্বার্থক হবে না যতক্ষন না পর্যন্ত আপনার ওয়েবসাইটে কোন ভিজিটর প্রবেশ করে। যদিও ভিজিটর আনা খুব একটা সহজ কাজ না সকলের পক্ষে এটা সম্ভব পর হয়ও না কিন্তু তারপর ও আপনি যদি সঠিক উপায়ে নিয়মকানুন মেনে চেষ্টা করেন তাহলে আপনার সাইটেও নিয়ে আসতে পারবেন আশানুরুপ ভিজিটর ।

আজ আমি আপনাদেরকে এই বিষয় নিয়েই আলোচনা করবো যে, কিভাবে আপনার সাইটে বা ব্লগে আশানুরুপ ভিজিটরে নিয়ে আসতে পারবেন খুব কম পরিশ্রমে এবং কম সময়ের মধ্যে।তাই আমি আশা করি সবাই পুরো আর্টিকেলটিকে মনোযোগ দিয়ে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। যদি সত্যিই আপনাদের ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর বাড়াতে চান তাহলে একটু ধৈর্য ধরে আর্টিকেলটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে।

তার আগে আমার ওয়েবসাইটে ব্লগ এবং গুগল এডসেন্সে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে সেগুলো দেখতে চাইলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।

  1. গুগল এডসেন্সঃ গুগল এডসেন্স থেকে কিভাবে আয় করবেন সকল খুঁটিনাটি আলোচনা।
  2. কিভাবে ব্লগ বা ওয়েবসাইটে সময়,তারিখ ও শিরোনাম বা ব্রেকিং নিউজ সেটিং করবেন।
  3. কিভাবে ব্লগার সাইটে মেটা ট্যাগ ও মেটা বিবরণ বসাবেন।

ব্লগে বা ওয়েবসাইটে ভিজিটর বাড়ানোর ১৫টি কার্যকরী উপায়ঃ  



১। সোশ্যাল মিডিয়া ঃ

একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ যখন আপনি নতুন তৈরি করবেন তখন সে ওয়েবসাইট সম্পর্কে কেউ জানে না। তাই আপনার প্রথম কাজ হবে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে মানুষের কাছে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর মানুষের কাছে খুব সহজেই পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য সব থেকে সহজ এবং কার্যকরী উপায় হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া।

এক্ষেত্রে আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, ইত্যাদি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকে  তাহলে খুব সহজেই আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য এইসব সোশ্যাল মিডিয়া সাইট থেকে ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করিয়ে নিতে পারবেন। এই জন্য আপনাদের নিয়মিত কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়া সাইটে শেয়ার করে দিতে হবে।

বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ভিজিটর নিজ ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাতে সাহায্য করে। একজন টিনেজার দিনের মধ্যে ৮-১০ ঘন্টা সময় সোশ্যাল মিডিয়া গুলো যেমন ফেসবুক, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার, অবস্থান করে । কাজেই আপনারা কন্টেন্টগুলো সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতে শেয়ার করে ওয়েবসাইটের ভিজিটর  বাড়াতে পারেন।

২। রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করাঃ

রেসপন্সিভ বা ইউজার ফ্রেন্ডলি থিম ব্যবহার করার ফলে ভিজিটরদের দৃষ্টি আকর্ষণ হয় যার ফলে প্রতিমাসে একটিভ ভিজিটর বেড়ে যায়। পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুর স্ক্রিন একই রকম হয় না, রেসপন্সিভ বলতে বুঝানো হয়েছে যে সাইট গুলো পিসি, ল্যাপটপ, ফোন, ট্যাবলেট সবকিছুতেই সমান ভাবে লোড নিতে পারে এবং ডাটা রিসিভ করতে কোনো সমস্যা হয় না। ওয়েবসাইট বানানোর আগে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে সাইট টি রেসপন্সিভ কিনা।

৩।সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশনঃ

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন এর সংক্ষিপ্ত নাম হল seo অনেকেই হয়তো বাংলা বললে বুঝতে পারে না।যেকোনো ধরনের ব্লগ বা ওয়েবসাইটেই ভিজিটর বাড়ানোর অন্যতম প্রধান একটি উপায়  হচ্ছে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। সার্চইন্জিন গুলোতে আমরা বিভিন্ন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করি, সার্চ রেজাল্টে প্রথমে যে ওয়েবসাইট গুলো আসে সেখান থেকে প্রথম ২-৩ টা ওয়েবসাইট ই আমরা সাধারনত ভিজিট করে থাকি।আমরা কখনই নিচে আসা সার্চ ফলাফল গুলো পড়তে চায় না। কারণ সকলে বিশ্বাস করে গুগলে সার্চ করলে যেটি প্রথমে আসবে সেটিই হবে সেরা আর্টিকেল।

সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর মূল কাজই হলো ওয়েবসাইটকে সার্চ রেজাল্টের সবচেয়ে উপরে তুলে নিয়ে আসা। তবে সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)সম্পর্কে  অনেক কিছু জানতে হয়। এটি শুরু করার আগে অনপেজ, অফপেজ, টাইটেল এবং ইমেজ অপটিমাইজেশন, কীওয়ার্ড রিসার্চ, ব্যাকলিংক এই ব্যাপার গুলো সম্পর্কে পরিপূর্ন ধারনা থাকা প্রয়োজন।

৪। সম্পূর্ণ ইউনিক এবং তথ্যমূলক কন্টেন্ট পোষ্ট করাঃ


অন্যের কন্টেন্ট কপি করে নিজের ওয়েবসাইটে পোস্ট করে ভিজিটর আশা করা যায় না। কারণ যেই পোস্ট গুগলে একবার সাবমিট করা হয়েছে সেটা ইতিমধ্যে অনেকেই পড়ে ফেলেছে। কাজেই সেই পোস্ট টি আর পড়তে চাইবে না। আর গুগলে কপি করা কন্টেন্ট র‍্যাঙ্কিং করে না বরং প্যানাল্টি দিতে পারে। কন্টেন্টের ব্যাপারে একটা ব্যাপার আমরা সবাই জানি। তাই কন্টেন্ট লেখা এবং সাইটে পাবলিশ করার আগে খেয়াল রাখতে লেখাটি যাতে ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হয়। কন্টেন্ট ইউনিক এবং ইনফরমেটিভ হলে ভিজিটর সেই সাইটে বেশি বেশি প্রবেশ করবে। কারণ সেখান থেকে ভিজিটর অনেক কিছু জানতে ও শিখতে পারবে।

৫। ওয়েসবাইট দ্রুত লোড নেয়াঃ

গুগল সমীক্ষায় দেখা গেছে একজন ভিজিটর একটি ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য সাধারণত ৩সেকেন্ড সময় নেই। অর্থাৎ যদি ৩ সেকেন্ডের মধ্যে কোনো সাইট লোড না নেয় বা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে না পারে তবে ভিজিটর বিরক্ত হয় এবং সাইট ভিজিট করা থেকে বিরত থাকেন । তাই বোঝাই যাচ্ছে ভিজিটর বাড়ানো জন্য ওয়েবসাইট স্পিডের  উপর নজর দিতে হবে। ওয়েবসাইটের স্পিড কিভাবে বাড়ানো যায় এ ব্যপাারে পরবর্তীতে আমি নিজেই আর্টিকেল লিখবো।

৬।কন্টেন্টের সাথে আকর্ষনীয় ছবি যুক্ত করাঃ 

ফটো বা ইমেজ যেকোনো ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়াতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে থাকে।সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে যদি আপনারা আকর্ষণীয় ছবিসহ কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন তাহলে মানুষ খুব সহজেই ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে। তাছাড়া অনেকেই গুগলে ইমেজ সার্চ করে সেখান থেকে আপনার ইমেজ পছন্দ হলে ক্লিক করে আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। যার ফলে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনেক বেড়ে যাবে।

৭। ওয়েবসাইটে কমেন্ট করার অপশন রাখা এবং দ্রুত রিপ্লাই দেয়া

কমেন্ট সেকশনে এংগেজ থাকলে ওয়েবসাইটের রেগুলার ভিজিটরের সংখ্যা অনেকগুন বেড়ে যায়।এজন্য সাইটের কন্টেন্ট অপশনের কমেন্ট সেকশন টা চালু করে দিতে হবে। যার ফলে ভিজিটরদের কোন কিছু জানার থাকলে কমেন্ট করে আপনার কাছে জানতে চায়তে পারবে। তাছাড়াও তারাও বিভিন্ন মতামত প্রদর্শন করতে পারবে। আর আপনি সবসময় কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

৮।  ডাটা এনালাইসিস করাঃ 


ওয়েবসাইট অথরিটিদের একটি গুরুত্বপূর্ন কাজ হলে ডাটা এনালাইসিস করা । এর  মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন কোন বয়সের এবং কোন সময়ে আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিটর বেশি থাকে। সেই অনুযায়ী ডাটা এনালাইসিস করে পরবর্তী পোষ্ট গুলো ঠিক সেই সময় গুলোতে পাবলিশ করলে ভিজিটর সংখ্যা অবশ্যই বাড়বে। এর জন্য আপনি চাইলে গুগল এ্যানালাইটিকস ব্যবহার করতে পারেন। গুগল এনালাইটিক্সের মাধ্যমে সকল তথ্য জানা যায়।

৯।  হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা: 

যেকোনো পোষ্টে হাইপার লিংক বা ইন্টারনাল লিংক সংযোজন করা  খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।মনেকরা যাক আপনি একটা আর্টিকেল লিখেছেন কিভাবে ব্লগে বেশি বেশি ভিজিটর পাওয়া যায়। কিন্তু আপনি এর আগেই কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় এ নিয়ে একটি আর্টিকেল লিখেছেন। আপনি চাইলে আপনি আপনার মেইন আর্টিকেল এর সাথে  কিভাবে ব্লগ একাউন্ট তৈরি করা যায় ট্যাগ করে দিতে পারেন। এরফলে যা হবে মেইন কন্টেন্ট এর জন্য আপনি তো ভিজিটর পাচ্ছেন ই এর পাশাপাশি ইন্টার্নাল লিংক করা পেজটি ভিজিট করার একটা বিরাট চান্স থাকবে।

১০।প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইটঃ 

ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার অরেকটি চমৎকার উপায় হলো প্রশ্ন-উত্তর পর্ব সাইট। ফোরাম এবং প্রশ্ন-উত্তর সাইটগুলোতে মানুষ বিভিন্ন ব্যাপারে জানতে চেয়ে পোষ্ট করে থাকে। সেখানে ভিজিটর যে বিষয়ে জানতে চায় সে সম্পর্কে কিছু ইনফরমেশন দিয়ে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক দিয়ে দিলে ওই সাইট গুলো থেকে ট্রাফিক আপনার সাইটে যাবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে ফোরাম সাইট কিংবা প্রশ্ন-উত্তর সাইট গুলোতে উত্তর দেয়ার সময় সেটা যেনো সঠিক নিয়মে করা হয়। অনেক ফোরাম সাইট আছে যেগুলো অন্য ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করা পছন্দ করে না। তো এসকল সাইটে কাজ শুরু করার আগেই আপনাকে এদের নিয়মগুলি ভালো ভাবে পড়ে নিতে হবে। Quora তাদের মধ্যে অন্যতম প্রশ্ন- উত্তর বা ফোরাম সাইট।

১১। ভিডিও মার্কেটিংঃ

ভিডিও মার্কেটিং হতে পারে ওয়েবসাইটে ভিজিটর আনার আরেকটি মাধ্যম। ভিডিও শেয়ারিং ওয়বেসোইট গুলোতে নিশ রিলেটেড ভিডিও পোষ্ট করে ডিসক্রিপশনে ওয়েবসাইটের লিংক শেয়ার করলে ওই ভিডিও থেকে ভিজিটরকে নিজের ওয়বেসোইটে পাঠিয়ে ওয়েবসাইটের ভিজিটর বাড়ানো যেতে পারে। অথবা আপনি এমন একটা ভিডিও তৈরি করেছেন তার সাথে মিল রেখে ওয়েবসাইটে কন্টেন্ট পাবলিশ করুন। এবার সেই ভিডিও এর ডিসক্রিপশন বক্সে সেই কন্টেন্টের লিঙ্ক দিয়ে দিন এইতো কাম শেষ।

১২। বিভিন্ন ব্লগ পোস্টে  কমেন্ট করাঃ


ওয়েবসাইটে ভিজিটর অনার আরেকটি অন্যতম উপায় হল অন্যের ব্লগ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে কমেন্ট করা। আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটে যে ধরণের কন্টেন্ট পাবলিশ করেন সেই ধরণের ব্লগ  বা ওয়েবসাইট গুলো খুজে বের করে কমেন্ট অপশনে কমেন্ট করে সাইটের লিংক হাইপার লিংক করে দিতে হয়। এর ফলে সেই লিংকের মাধ্যমে ওই ব্লগের ভিজিটর রা আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করবে। এটি সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) এর ভাষায় বলা হয় ব্যাক লিংক। এর ফলে সাইটে যেমন ভিজিটর আসে তেমনি গুগল সার্চ রেজাল্টেও সাইট উপরের দিকে চলে আসে। তবে ব্লগ কমেন্ট বা ব্যাংকলিংক তৈরি করার সময় খেয়াল রাখতে হবে যে সাইট থেকে আমরা ব্যাকলিংক নিচ্ছি সেটা যেনো অবশ্যই নিশ রিলেটেড হয়। তা না হলে গুগলস সেই ব্যাক লিংককে ভ্যালু দিবে না।

১৩। বাউন্স রেট চেক করাঃ 

বাউন্স রেট সব সময় % হিসেবে প্রকাশ করা হয়। আপনার ওয়েসাইটে আসার পর মোট ভিজিটরের কতো % অন্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই বন্ধ করে দিয়েছে”অর্থাৎ যদি আপনার ওয়েবসাইটের মোট ভিজিটর যদি হয় ১০০ জন তার মধ্যে ৬০ জন্যই আপনার হোম পেজ লোড হওয়ার পর অণ্য কোনো পেজ ভিজিট না করেই আপনার ওয়েবসাইট টি বন্ধ করে দেয় তবে আপনার ওয়েবসাইটের বাউন্সরেট হবে ৬০%।

এখন আপনার কাছে প্রশ্ন আসতে পারে ওয়বেসাইটের বাউন্স রেট কত পারসেন্টের মধ্যে থাকলে ভালো হয়।
বাউন্স রেট
স্টান্ডার্ড=৩০% এর কম
খুব ভালো= ৪১% - ৫৫%
ভালো= ৫৬% - ৭০%
খুব ভালো নয়= ৭০%- ৮০% এর বেশী
খুব খারাপ= ৮০%- ১০০%

এবার আমরা বুঝতে পারলাম একজন ভিজিটরকে শুধু ওয়েবসাইটে নিয়ে আসলেই হবে না। তাকে অবশ্যই ওয়েবসাইটে ধরে রাখার মত কন্টেন্ট পাবলিশ করতে হবে।

১৪। নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করুনঃ

আপনার ওয়েবসাইটে আর্টিকেল পাবলিশে আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত হতে হবে । আপনার ওয়েবসাইটে বা ব্লগে ভিজিটর পেতে বা ভিজিটর ধরে রাখতে হলে নিয়মিত হওয়াটা খুবই জরুরী ।কারণ একটি ভিজিটর যখন দেখবে আপনি একটি নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট সময় পরপর আর্টিকেল পাবলিশ করে যাচ্ছেন তাহলে সেও নিয়মিত আপনার ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবে ।আর আপনি যদি ১ দিন ৪-৫ টা আর্টিকেল পাবলিশ করলেন আর ১ সপ্তাহ আপনার কোন খোঁজ নেই । আবার কিছুদিন পর আবার ২-৩ টা করলেন। এভাবে আর্টিকেল পাবলিশ করলে ভিজিটর বিরক্ত হয়। ধীরে ধীরে ভিজিটররা ওয়েব পেজটি আন সাবস্ক্রাইব করে দেই। কারণ তারা অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে সুযোগ সুবিধা গুলো পাওয়ার ফলে চলে যাবে। তাই কোন কাজে নিয়মিত না হলে সফল পাওয়া যায় না।

১৫। সঠিক কিওয়ার্ড বাছাই করুনঃ 


আপনার ওয়েবসাইটে ভালমানের ভিজিটর পেতে হলে সঠিক কি ওয়ার্ড চয়ন করতে হবে। এছাড়াও আর্টিকেল থেকে ভালো ভিজিটর পেতে হলে অবশ্যই আপনার আর্টিকেল এর কিওয়ার্ড সঠিক হওয়া চাই। কারণ আপনার আর্টিকেলের কিওয়ার্ড এর উপর নির্ভর করেই গুগলে সার্চ ফলাফল হিসেবে ফার্স্ট পেজে দেখানো হবে। ধরুন আপনি এমন কিওয়ার্ড বাছাই করলেন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য যে কিওয়ার্ডটি আপনার আগেই অনেকে বড় বড় ওয়েবসাইট বা ব্লগ ব্যবহার করে ফেলেছে তাহলে কিন্তু তাদেরকে টপকিয়ে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটটি র‍্যাঙ্ক করানো সহজ হবে না। তবে আপনি যদি র‍্যাঙ্ক করাতে চান তাহলে তাদের চেয়ে দিগুন ভালো আর্টিকেল লিখতে হবে। আবার আপনি এমন কিছু কিওয়ার্ড বাছাই করলেন যা কেই সার্চই করে না তাহলেও কিন্তু আপনার ভিজিটর পাওয়ার কোন চান্স থাকবে না।

আমি আমার ওয়েবসাইটে কিভাবে বাংলা কিওয়ার্ড সিলেক্ট করবেন সেই বিষয় নিয়ে আর্টিকেল পাবলিশ করা আছে আপনারা সেগুলো দেখতে চাইলে এখানেই ক্লিক করুন। 

No comments

Powered by Blogger.